Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:২২
বরিশাল শহরের ঝুঁকিপূর্ণ সেই ৩৪টি ভবন ভাঙার কাজ শুরু করেছে সিটি কর্পোরেশন। শুক্রবার সকালে শহরের সদর রোডের তিনতলা দুটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙার মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা সূচনা হয়। দীর্ঘ ১০ বছর পূর্বে এই ভবনসমূহকে ঝুঁকিপূর্ণ এবং এতে বসবাসরতদের প্রাণহানির শঙ্কা রয়েছে বলে সিটি প্রশাসন ঘোষণা করে। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের কারণে ভবনগুলো অপসারণ করা সম্ভব হচ্ছিল না। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগেপরে এনিয়ে দৈনির রূপালী বাংলাদেশসহ একাধিক পত্র-পত্রিকায় লেখালেখিও হয়।
সূত্র জানায়, কীর্তনখোলার তীরের শহর বরিশালের ৫৮ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩৫টি ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে বিসিসি। ২০১৩ সালের জরিপে এসব ভবনকে বেহাল ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করে। এই ভবনের বেশিরভাগ তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় বেশ কয়েকবার ভাঙার উদ্যোগ নিয়েও ব্যর্থ হয় সিটি কর্পোরেশন। এবং ভবনগুলো যে আইনগতভাবে ভাঙতে না পারে তার জন্য আদালতে মামলাও করা হয়। পরবর্তীতে আইনি জটিলতা এড়াতে বিষয়টি নিয়ে সিটি কর্পোরেশন তৎপরতা দেখায়নি বা নিশ্চুপ হয়ে যায়।
জানা গেছে, সদর রোডসংলগ্ন বহুতল ভবন দুটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই কাজী মফিজুল ইসলাম কামাল অবৈধভাকে দখল করে রেখেছিলেন। এই কাজী কামলা বরিশাল-১ আসনের সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ শ্যালক। তিনি আওয়ামী লীগের শাসনামলে ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে বরিশালে ব্যাপক সন্ত্রাস করেছেন। সদর রোডে ভবন দুটির নিচের দোকান দীর্ঘ ১০ বছরের বেশি সময় ধরে নিজে দখল করে রাখেন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তিনি একাধিক রাজনৈতিক মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকলেও জামিনে মুক্ত হয়ে আত্মগোপনে আছেন।
একটি ভবনের মালিক নজরুল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তাঁর চাচা উলফাত হাজি এবং শুককুর হাজি ১৯৬০ সালে একটি ভবন ও ৩০ বছর আগে আরেকটি ভবন সদর রোডে নির্মাণ করেন। ২০১৩ সালে একটি পাকা ভবনে ফাটল দেখা দেয় এবং পাশের ভবন ঘেঁষে হেলে পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বরিশাল সিটি করপোরেশন ২০১৩ সালে ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে। কিন্তু প্রভাবশালী ভাড়াটেরা জোর করে দখলে রাখায় ওই সময় ভাঙার ভবন ভাঙা সম্ভব হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তনের পরে ভবন ভাঙার জন্য ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা সিটি করপোরেশনে জমা দেন নজরুল ইসলাম। তারপর ভবনটি শুক্রবার সকাল থেকে ভবনটি অপসারণে কাজ শুরু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস। এই কর্মকর্তা বলেন, ‘উলফাত এবং শাকুর ম্যানশন নামের ওই দুটি ভবন ইতিপূর্বে ভাঙার নোটিস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ভাড়াটেরা আদালতে গেছেন। আমরা কোর্টের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে রায় পেয়েছি। এর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন হিসেবে সেখানে নোটিস দিয়েছিলাম, কিন্তু তারপরও ভাড়াটেরা দখল ছাড়েননি। শুক্রবার সকালে তাদের চূড়ান্তভাবে চলে যাওয়ার নোটিস দিয়ে ভবন ভাঙা শুরু হয়। আশা করছি, সাত দিনের মধ্যে ভবন দুটি ভেঙে ফেলা সম্ভব।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী জানান, নগরের কাউনিয়া এলাকার জানুকি সিংহ রোডের মতি লস্করের বাড়ি, পূর্ব বগুড়া রোড কাজি অফিসের পেছনে রবীন্দ্রনাথ সেনের ভবন, আগরপুর রোডে মহিলা কলেজসংলগ্ন মনু মিয়ার ভবন এবং সদর রোডসংলগ্ন ফজলুল হক অ্যাভিনিউর হোটেল বাহাদুর ভবনসহ ৩৪টি ভবনই পর্যায়ক্রমে ভেঙে ফেলা হবে। তবে এর মধ্যে কিছু অনুমোদনহীন এমন কিছু ভবনও রয়েছে।’
বরিশাল শহরের ঝুঁকিপূর্ণ সেই ৩৪টি ভবন ভাঙার কাজ শুরু করেছে সিটি কর্পোরেশন। শুক্রবার সকালে শহরের সদর রোডের তিনতলা দুটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙার মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা সূচনা হয়। দীর্ঘ ১০ বছর পূর্বে এই ভবনসমূহকে ঝুঁকিপূর্ণ এবং এতে বসবাসরতদের প্রাণহানির শঙ্কা রয়েছে বলে সিটি প্রশাসন ঘোষণা করে। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের কারণে ভবনগুলো অপসারণ করা সম্ভব হচ্ছিল না। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগেপরে এনিয়ে দৈনির রূপালী বাংলাদেশসহ একাধিক পত্র-পত্রিকায় লেখালেখিও হয়।
সূত্র জানায়, কীর্তনখোলার তীরের শহর বরিশালের ৫৮ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩৫টি ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে বিসিসি। ২০১৩ সালের জরিপে এসব ভবনকে বেহাল ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করে। এই ভবনের বেশিরভাগ তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় বেশ কয়েকবার ভাঙার উদ্যোগ নিয়েও ব্যর্থ হয় সিটি কর্পোরেশন। এবং ভবনগুলো যে আইনগতভাবে ভাঙতে না পারে তার জন্য আদালতে মামলাও করা হয়। পরবর্তীতে আইনি জটিলতা এড়াতে বিষয়টি নিয়ে সিটি কর্পোরেশন তৎপরতা দেখায়নি বা নিশ্চুপ হয়ে যায়।
জানা গেছে, সদর রোডসংলগ্ন বহুতল ভবন দুটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই কাজী মফিজুল ইসলাম কামাল অবৈধভাকে দখল করে রেখেছিলেন। এই কাজী কামলা বরিশাল-১ আসনের সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ শ্যালক। তিনি আওয়ামী লীগের শাসনামলে ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে বরিশালে ব্যাপক সন্ত্রাস করেছেন। সদর রোডে ভবন দুটির নিচের দোকান দীর্ঘ ১০ বছরের বেশি সময় ধরে নিজে দখল করে রাখেন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তিনি একাধিক রাজনৈতিক মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকলেও জামিনে মুক্ত হয়ে আত্মগোপনে আছেন।
একটি ভবনের মালিক নজরুল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তাঁর চাচা উলফাত হাজি এবং শুককুর হাজি ১৯৬০ সালে একটি ভবন ও ৩০ বছর আগে আরেকটি ভবন সদর রোডে নির্মাণ করেন। ২০১৩ সালে একটি পাকা ভবনে ফাটল দেখা দেয় এবং পাশের ভবন ঘেঁষে হেলে পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বরিশাল সিটি করপোরেশন ২০১৩ সালে ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে। কিন্তু প্রভাবশালী ভাড়াটেরা জোর করে দখলে রাখায় ওই সময় ভাঙার ভবন ভাঙা সম্ভব হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তনের পরে ভবন ভাঙার জন্য ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা সিটি করপোরেশনে জমা দেন নজরুল ইসলাম। তারপর ভবনটি শুক্রবার সকাল থেকে ভবনটি অপসারণে কাজ শুরু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস। এই কর্মকর্তা বলেন, ‘উলফাত এবং শাকুর ম্যানশন নামের ওই দুটি ভবন ইতিপূর্বে ভাঙার নোটিস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ভাড়াটেরা আদালতে গেছেন। আমরা কোর্টের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে রায় পেয়েছি। এর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন হিসেবে সেখানে নোটিস দিয়েছিলাম, কিন্তু তারপরও ভাড়াটেরা দখল ছাড়েননি। শুক্রবার সকালে তাদের চূড়ান্তভাবে চলে যাওয়ার নোটিস দিয়ে ভবন ভাঙা শুরু হয়। আশা করছি, সাত দিনের মধ্যে ভবন দুটি ভেঙে ফেলা সম্ভব।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী জানান, নগরের কাউনিয়া এলাকার জানুকি সিংহ রোডের মতি লস্করের বাড়ি, পূর্ব বগুড়া রোড কাজি অফিসের পেছনে রবীন্দ্রনাথ সেনের ভবন, আগরপুর রোডে মহিলা কলেজসংলগ্ন মনু মিয়ার ভবন এবং সদর রোডসংলগ্ন ফজলুল হক অ্যাভিনিউর হোটেল বাহাদুর ভবনসহ ৩৪টি ভবনই পর্যায়ক্রমে ভেঙে ফেলা হবে। তবে এর মধ্যে কিছু অনুমোদনহীন এমন কিছু ভবনও রয়েছে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:৩৬
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ববি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। গুম ও অপহরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে তারা ভিকটিম সেজে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।”
এ সময় ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে তাদের নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে বের না হলে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান ১১ জুন নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর স্বজনরা দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের জেরে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:৫৬
বরিশালে সবজির বাজারে স্বস্তি মিললেও অস্বস্তি বাড়াচ্ছে মাছের চড়া দাম। তবে নাগালের মধ্যে রয়েছে ব্রয়লার মুরগি ও মাংসের দাম। সোমবার (১৫ জুন) সকালে বরিশাল নগরীর পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঁচামরিচ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শসা ১২ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, করলা ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৭০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০ টাকা, ঝিঙে ১৫ থেকে ২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১৫ টাকা, পটল ৭ টাকা, লেবু হালি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৯০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ২০ টাকা, ঝিঙে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, পটল ২০ টাকা, লেবু হালি ১২ থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা ব্যবসায়ী তৌহিদ বলেন, পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে আনতে হয়। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। যে কারণে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে কিছু দিন ধরেই বরিশালের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৮০০ টাকা ও খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ প্রতি কেজি আকার ভেদে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল আকার ভেদে ২২০ থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, টাকি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১২০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা কেজি ও পাঙাশ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আগের তুলনায় বেড়েছে সামুদ্রিক মাছের দামও।
পোর্ট রোড বাজার করতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মুশফিকুর রহমান বলেন, আগে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে মাছ সবজি দুটোই কেনা যেতে, এখন এক হাজার টাকায় এক ধরনের মাছ কেনাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আর ইলিশ তো এখন সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ববি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। গুম ও অপহরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে তারা ভিকটিম সেজে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।”
এ সময় ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে তাদের নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে বের না হলে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান ১১ জুন নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর স্বজনরা দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের জেরে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বরিশালে সবজির বাজারে স্বস্তি মিললেও অস্বস্তি বাড়াচ্ছে মাছের চড়া দাম। তবে নাগালের মধ্যে রয়েছে ব্রয়লার মুরগি ও মাংসের দাম। সোমবার (১৫ জুন) সকালে বরিশাল নগরীর পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঁচামরিচ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শসা ১২ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, করলা ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৭০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০ টাকা, ঝিঙে ১৫ থেকে ২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১৫ টাকা, পটল ৭ টাকা, লেবু হালি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৯০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ২০ টাকা, ঝিঙে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, পটল ২০ টাকা, লেবু হালি ১২ থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা ব্যবসায়ী তৌহিদ বলেন, পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে আনতে হয়। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। যে কারণে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে কিছু দিন ধরেই বরিশালের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৮০০ টাকা ও খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ প্রতি কেজি আকার ভেদে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল আকার ভেদে ২২০ থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, টাকি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১২০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা কেজি ও পাঙাশ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আগের তুলনায় বেড়েছে সামুদ্রিক মাছের দামও।
পোর্ট রোড বাজার করতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মুশফিকুর রহমান বলেন, আগে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে মাছ সবজি দুটোই কেনা যেতে, এখন এক হাজার টাকায় এক ধরনের মাছ কেনাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আর ইলিশ তো এখন সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।