Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:২২
বরিশাল শহরের ঝুঁকিপূর্ণ সেই ৩৪টি ভবন ভাঙার কাজ শুরু করেছে সিটি কর্পোরেশন। শুক্রবার সকালে শহরের সদর রোডের তিনতলা দুটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙার মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা সূচনা হয়। দীর্ঘ ১০ বছর পূর্বে এই ভবনসমূহকে ঝুঁকিপূর্ণ এবং এতে বসবাসরতদের প্রাণহানির শঙ্কা রয়েছে বলে সিটি প্রশাসন ঘোষণা করে। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের কারণে ভবনগুলো অপসারণ করা সম্ভব হচ্ছিল না। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগেপরে এনিয়ে দৈনির রূপালী বাংলাদেশসহ একাধিক পত্র-পত্রিকায় লেখালেখিও হয়।
সূত্র জানায়, কীর্তনখোলার তীরের শহর বরিশালের ৫৮ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩৫টি ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে বিসিসি। ২০১৩ সালের জরিপে এসব ভবনকে বেহাল ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করে। এই ভবনের বেশিরভাগ তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় বেশ কয়েকবার ভাঙার উদ্যোগ নিয়েও ব্যর্থ হয় সিটি কর্পোরেশন। এবং ভবনগুলো যে আইনগতভাবে ভাঙতে না পারে তার জন্য আদালতে মামলাও করা হয়। পরবর্তীতে আইনি জটিলতা এড়াতে বিষয়টি নিয়ে সিটি কর্পোরেশন তৎপরতা দেখায়নি বা নিশ্চুপ হয়ে যায়।
জানা গেছে, সদর রোডসংলগ্ন বহুতল ভবন দুটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই কাজী মফিজুল ইসলাম কামাল অবৈধভাকে দখল করে রেখেছিলেন। এই কাজী কামলা বরিশাল-১ আসনের সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ শ্যালক। তিনি আওয়ামী লীগের শাসনামলে ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে বরিশালে ব্যাপক সন্ত্রাস করেছেন। সদর রোডে ভবন দুটির নিচের দোকান দীর্ঘ ১০ বছরের বেশি সময় ধরে নিজে দখল করে রাখেন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তিনি একাধিক রাজনৈতিক মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকলেও জামিনে মুক্ত হয়ে আত্মগোপনে আছেন।
একটি ভবনের মালিক নজরুল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তাঁর চাচা উলফাত হাজি এবং শুককুর হাজি ১৯৬০ সালে একটি ভবন ও ৩০ বছর আগে আরেকটি ভবন সদর রোডে নির্মাণ করেন। ২০১৩ সালে একটি পাকা ভবনে ফাটল দেখা দেয় এবং পাশের ভবন ঘেঁষে হেলে পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বরিশাল সিটি করপোরেশন ২০১৩ সালে ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে। কিন্তু প্রভাবশালী ভাড়াটেরা জোর করে দখলে রাখায় ওই সময় ভাঙার ভবন ভাঙা সম্ভব হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তনের পরে ভবন ভাঙার জন্য ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা সিটি করপোরেশনে জমা দেন নজরুল ইসলাম। তারপর ভবনটি শুক্রবার সকাল থেকে ভবনটি অপসারণে কাজ শুরু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস। এই কর্মকর্তা বলেন, ‘উলফাত এবং শাকুর ম্যানশন নামের ওই দুটি ভবন ইতিপূর্বে ভাঙার নোটিস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ভাড়াটেরা আদালতে গেছেন। আমরা কোর্টের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে রায় পেয়েছি। এর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন হিসেবে সেখানে নোটিস দিয়েছিলাম, কিন্তু তারপরও ভাড়াটেরা দখল ছাড়েননি। শুক্রবার সকালে তাদের চূড়ান্তভাবে চলে যাওয়ার নোটিস দিয়ে ভবন ভাঙা শুরু হয়। আশা করছি, সাত দিনের মধ্যে ভবন দুটি ভেঙে ফেলা সম্ভব।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী জানান, নগরের কাউনিয়া এলাকার জানুকি সিংহ রোডের মতি লস্করের বাড়ি, পূর্ব বগুড়া রোড কাজি অফিসের পেছনে রবীন্দ্রনাথ সেনের ভবন, আগরপুর রোডে মহিলা কলেজসংলগ্ন মনু মিয়ার ভবন এবং সদর রোডসংলগ্ন ফজলুল হক অ্যাভিনিউর হোটেল বাহাদুর ভবনসহ ৩৪টি ভবনই পর্যায়ক্রমে ভেঙে ফেলা হবে। তবে এর মধ্যে কিছু অনুমোদনহীন এমন কিছু ভবনও রয়েছে।’
বরিশাল শহরের ঝুঁকিপূর্ণ সেই ৩৪টি ভবন ভাঙার কাজ শুরু করেছে সিটি কর্পোরেশন। শুক্রবার সকালে শহরের সদর রোডের তিনতলা দুটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙার মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা সূচনা হয়। দীর্ঘ ১০ বছর পূর্বে এই ভবনসমূহকে ঝুঁকিপূর্ণ এবং এতে বসবাসরতদের প্রাণহানির শঙ্কা রয়েছে বলে সিটি প্রশাসন ঘোষণা করে। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের কারণে ভবনগুলো অপসারণ করা সম্ভব হচ্ছিল না। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগেপরে এনিয়ে দৈনির রূপালী বাংলাদেশসহ একাধিক পত্র-পত্রিকায় লেখালেখিও হয়।
সূত্র জানায়, কীর্তনখোলার তীরের শহর বরিশালের ৫৮ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩৫টি ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে বিসিসি। ২০১৩ সালের জরিপে এসব ভবনকে বেহাল ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করে। এই ভবনের বেশিরভাগ তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় বেশ কয়েকবার ভাঙার উদ্যোগ নিয়েও ব্যর্থ হয় সিটি কর্পোরেশন। এবং ভবনগুলো যে আইনগতভাবে ভাঙতে না পারে তার জন্য আদালতে মামলাও করা হয়। পরবর্তীতে আইনি জটিলতা এড়াতে বিষয়টি নিয়ে সিটি কর্পোরেশন তৎপরতা দেখায়নি বা নিশ্চুপ হয়ে যায়।
জানা গেছে, সদর রোডসংলগ্ন বহুতল ভবন দুটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই কাজী মফিজুল ইসলাম কামাল অবৈধভাকে দখল করে রেখেছিলেন। এই কাজী কামলা বরিশাল-১ আসনের সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ শ্যালক। তিনি আওয়ামী লীগের শাসনামলে ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে বরিশালে ব্যাপক সন্ত্রাস করেছেন। সদর রোডে ভবন দুটির নিচের দোকান দীর্ঘ ১০ বছরের বেশি সময় ধরে নিজে দখল করে রাখেন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তিনি একাধিক রাজনৈতিক মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকলেও জামিনে মুক্ত হয়ে আত্মগোপনে আছেন।
একটি ভবনের মালিক নজরুল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তাঁর চাচা উলফাত হাজি এবং শুককুর হাজি ১৯৬০ সালে একটি ভবন ও ৩০ বছর আগে আরেকটি ভবন সদর রোডে নির্মাণ করেন। ২০১৩ সালে একটি পাকা ভবনে ফাটল দেখা দেয় এবং পাশের ভবন ঘেঁষে হেলে পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বরিশাল সিটি করপোরেশন ২০১৩ সালে ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে। কিন্তু প্রভাবশালী ভাড়াটেরা জোর করে দখলে রাখায় ওই সময় ভাঙার ভবন ভাঙা সম্ভব হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তনের পরে ভবন ভাঙার জন্য ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা সিটি করপোরেশনে জমা দেন নজরুল ইসলাম। তারপর ভবনটি শুক্রবার সকাল থেকে ভবনটি অপসারণে কাজ শুরু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস। এই কর্মকর্তা বলেন, ‘উলফাত এবং শাকুর ম্যানশন নামের ওই দুটি ভবন ইতিপূর্বে ভাঙার নোটিস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ভাড়াটেরা আদালতে গেছেন। আমরা কোর্টের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে রায় পেয়েছি। এর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন হিসেবে সেখানে নোটিস দিয়েছিলাম, কিন্তু তারপরও ভাড়াটেরা দখল ছাড়েননি। শুক্রবার সকালে তাদের চূড়ান্তভাবে চলে যাওয়ার নোটিস দিয়ে ভবন ভাঙা শুরু হয়। আশা করছি, সাত দিনের মধ্যে ভবন দুটি ভেঙে ফেলা সম্ভব।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী জানান, নগরের কাউনিয়া এলাকার জানুকি সিংহ রোডের মতি লস্করের বাড়ি, পূর্ব বগুড়া রোড কাজি অফিসের পেছনে রবীন্দ্রনাথ সেনের ভবন, আগরপুর রোডে মহিলা কলেজসংলগ্ন মনু মিয়ার ভবন এবং সদর রোডসংলগ্ন ফজলুল হক অ্যাভিনিউর হোটেল বাহাদুর ভবনসহ ৩৪টি ভবনই পর্যায়ক্রমে ভেঙে ফেলা হবে। তবে এর মধ্যে কিছু অনুমোদনহীন এমন কিছু ভবনও রয়েছে।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩৪
বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের বাকেরগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ‘ইসলাম পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে গেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) ভোরে বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় বাসের অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মাসুদুর রহমান নামে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে কুয়াকাটাগামী বাসটির সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হলে বাসটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।
বরিশাল টাইমস
বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের বাকেরগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ‘ইসলাম পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে গেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) ভোরে বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় বাসের অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মাসুদুর রহমান নামে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে কুয়াকাটাগামী বাসটির সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হলে বাসটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।
বরিশাল টাইমস

১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।