Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:৪৭
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের অষ্টম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন। পরীক্ষা শেষ হয়েছে সাত মাস আগে, তবুও ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি। যার কারণে চাকরি ও মাস্টার্সে ভর্তি প্রক্রিয়া আটকে গেছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, চলতি বছরের ১২ মার্চ পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় ১৬ এপ্রিল।
এরপর থেকেই ফলাফল প্রকাশ নিয়ে চলছে দীর্ঘ প্রতীক্ষা। তাদের অভিযোগ, বিভাগের শিক্ষকদের গাফিলতি ও প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতার কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
একজন শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘প্রতিবারের মতো এবারও শিক্ষকদের পেছনে ঘুরছি। সময়মতো পরীক্ষা শেষ হয় না, ফলাফলও আসে না।
মনে হয় কোনো অদৃশ্য বাধা আমাদের ভাগ্যে জড়িয়ে আছে।’ আরো লিখেছেন, ‘রেজাল্ট প্রকাশ কোনো দয়া নয়, এটি আমাদের অধিকার। একদিন আগেও ফল পেলে হয়তো একটি চাকরির আবেদন করা যেত, কিন্তু আমরা সুযোগ হারাচ্ছি বারবার।’
একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থী বলেন, ‘অনার্স শেষ করে মাস্টার্সে ভর্তি হওয়ার ইচ্ছে এখন স্বপ্ন হয়ে গেছে।
জুনের পর থেকে যত চাকরির বিজ্ঞপ্তি বেরিয়েছে, আমরা শুধু তাকিয়ে থেকেছি। এক স্যার বলছেন ফাইল অন্যজনের টেবিলে, অন্যজন বলছেন তার কাছে নেই। অন্য বিভাগ এখন মাস্টার্স ফাইনালের প্রস্তুতি নিচ্ছে, আর আমরা এখনো অনার্সের রেজাল্টের অপেক্ষায়।’
বিভাগীয় সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষা কমিটির সভাপতি আব্দুল আলিম বাছির ফলাফল প্রকাশে আগ্রহী ছিলেন, কিন্তু প্রয়োজনীয় ‘লজিস্টিক সাপোর্ট’ না পাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।
তিনি বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘যথাযথ সহায়তা পেলে এক সপ্তাহের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব।
কেন বিলম্ব হচ্ছে, তা চেয়ারম্যান স্যার ভালো বলতে পারবেন।’
তবে বিভাগীয় চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশীদ বর্তমানে শিক্ষা ছুটিতে আছেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আশিকুর রহমান বলেন, ‘পরীক্ষা কমিটির দুই শিক্ষকই শিক্ষা ছুটিতে থাকায় কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আমরা দ্রুত ফলাফল প্রকাশের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের অষ্টম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন। পরীক্ষা শেষ হয়েছে সাত মাস আগে, তবুও ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি। যার কারণে চাকরি ও মাস্টার্সে ভর্তি প্রক্রিয়া আটকে গেছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, চলতি বছরের ১২ মার্চ পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় ১৬ এপ্রিল।
এরপর থেকেই ফলাফল প্রকাশ নিয়ে চলছে দীর্ঘ প্রতীক্ষা। তাদের অভিযোগ, বিভাগের শিক্ষকদের গাফিলতি ও প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতার কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
একজন শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘প্রতিবারের মতো এবারও শিক্ষকদের পেছনে ঘুরছি। সময়মতো পরীক্ষা শেষ হয় না, ফলাফলও আসে না।
মনে হয় কোনো অদৃশ্য বাধা আমাদের ভাগ্যে জড়িয়ে আছে।’ আরো লিখেছেন, ‘রেজাল্ট প্রকাশ কোনো দয়া নয়, এটি আমাদের অধিকার। একদিন আগেও ফল পেলে হয়তো একটি চাকরির আবেদন করা যেত, কিন্তু আমরা সুযোগ হারাচ্ছি বারবার।’
একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থী বলেন, ‘অনার্স শেষ করে মাস্টার্সে ভর্তি হওয়ার ইচ্ছে এখন স্বপ্ন হয়ে গেছে।
জুনের পর থেকে যত চাকরির বিজ্ঞপ্তি বেরিয়েছে, আমরা শুধু তাকিয়ে থেকেছি। এক স্যার বলছেন ফাইল অন্যজনের টেবিলে, অন্যজন বলছেন তার কাছে নেই। অন্য বিভাগ এখন মাস্টার্স ফাইনালের প্রস্তুতি নিচ্ছে, আর আমরা এখনো অনার্সের রেজাল্টের অপেক্ষায়।’
বিভাগীয় সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষা কমিটির সভাপতি আব্দুল আলিম বাছির ফলাফল প্রকাশে আগ্রহী ছিলেন, কিন্তু প্রয়োজনীয় ‘লজিস্টিক সাপোর্ট’ না পাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।
তিনি বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘যথাযথ সহায়তা পেলে এক সপ্তাহের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব।
কেন বিলম্ব হচ্ছে, তা চেয়ারম্যান স্যার ভালো বলতে পারবেন।’
তবে বিভাগীয় চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশীদ বর্তমানে শিক্ষা ছুটিতে আছেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আশিকুর রহমান বলেন, ‘পরীক্ষা কমিটির দুই শিক্ষকই শিক্ষা ছুটিতে থাকায় কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আমরা দ্রুত ফলাফল প্রকাশের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

২৫ মে, ২০২৬ ১৮:১৬
বরিশালের সাগরদী এলাকায় ডিম বিক্রির আড়ালে ফেনসিডিল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত চার মাদক কারবারি গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮। গতকাল রোববার রাতে নগরীর সাগরদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— সিদ্দিকুর রহমান জুয়েল, বিশ্বজিৎ কুমার দাস, জাহিদুল ইসলাম ও লাল্টু মিয়া। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সিদ্দিকুর রহমানের বাড়ির চৌকির নিচ থেকে ৩১২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইকও জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা আলামতসহ তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশালের সাগরদী এলাকায় ডিম বিক্রির আড়ালে ফেনসিডিল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত চার মাদক কারবারি গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮। গতকাল রোববার রাতে নগরীর সাগরদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— সিদ্দিকুর রহমান জুয়েল, বিশ্বজিৎ কুমার দাস, জাহিদুল ইসলাম ও লাল্টু মিয়া। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সিদ্দিকুর রহমানের বাড়ির চৌকির নিচ থেকে ৩১২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইকও জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা আলামতসহ তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:০০
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাতলা গ্রামে মাদকাসক্ত এক যুবকের বিরুদ্ধে পারিবারিক বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে দক্ষিণ সাতলা গ্রামের মরহুম আব্দুল জলিল হাওলাদারের ছোট ছেলে মো. তামিম হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। পরিবারের দাবি, তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, তামিম প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের কাছে টাকা দাবি করতেন। টাকা না দিলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতেন বলেও অভিযোগ পরিবারের। শনিবার সকালে তিনি মায়ের কাছে টাকা চান এবং এক বোনকে ফোন করে টাকা না দিলে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় তামিমের মা বাড়ির পাশের ঘাটলায় ছিলেন। এ সময় হঠাৎ বসতঘরে আগুন দেখতে পান তিনি। বাড়ির অবস্থান ও প্রবেশের সীমাবদ্ধতার কারণে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এলেও ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, ধান, চাল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র আগুনে পুড়ে যায়।
পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় তাদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং তারা এখন প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় রয়েছেন। এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিকুল ইসলাম জানান, নিজ বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয় জনতার সহায়তায় রবিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাতলা গ্রামে মাদকাসক্ত এক যুবকের বিরুদ্ধে পারিবারিক বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে দক্ষিণ সাতলা গ্রামের মরহুম আব্দুল জলিল হাওলাদারের ছোট ছেলে মো. তামিম হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। পরিবারের দাবি, তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, তামিম প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের কাছে টাকা দাবি করতেন। টাকা না দিলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতেন বলেও অভিযোগ পরিবারের। শনিবার সকালে তিনি মায়ের কাছে টাকা চান এবং এক বোনকে ফোন করে টাকা না দিলে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় তামিমের মা বাড়ির পাশের ঘাটলায় ছিলেন। এ সময় হঠাৎ বসতঘরে আগুন দেখতে পান তিনি। বাড়ির অবস্থান ও প্রবেশের সীমাবদ্ধতার কারণে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এলেও ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, ধান, চাল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র আগুনে পুড়ে যায়।
পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় তাদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং তারা এখন প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় রয়েছেন। এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিকুল ইসলাম জানান, নিজ বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয় জনতার সহায়তায় রবিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

২৫ মে, ২০২৬ ১৩:৪৬
হাম উপসর্গে বরিশালে থামছেই না মৃত্যুর মিছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল (শেবাচিম) কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে আরও দুই শিশুর।
এ নিয়ে বিভাগে মৃতের সংখ্যা পৌছেছে ৪৩ জনে। যার মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের। সোমবার (২৫ মে) সকালে হাসপাতাল পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মৃত শিশুরা হলেন- বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উত্তরদাতপুর গ্রামের আল আমিনের ছেলে আলী আকবর (৫ মাস) ও ভোলার দৌতলখানের মধ্যজয়নগ বাংলাবাজারের ফয়জুদ্দিনের ছেলে আব্দুল আহাদ (৬ মাস)।
রোববার ও সোমবার সকালে ওই দুই শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীনবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। রোববার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৩৪ জন।
একই সময় হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪১ জন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ১৫৭ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অদ্যাবদি হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৫৬১ জন রোগী।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশপাশি বরিশাল জেনারেল হাসপাতালেও এই রোগের উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে। বেড সংকটে হাসপাতালের মেঝে বারান্দায় চিকিৎসা নিতে দেখা গিয়েছে অনেককে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২২ জন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্যমতে জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৬৫৩ জন ভর্তি হয়েছিলেন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম জানান, 'সরকারি হাসপাতালগুলো হাম রোগীদের চিকিৎসায় যথেষ্ট আন্তরিক। চিকিৎসকরাও কোনো ঘাটতি রাখছে না।' হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের অধিকাংশই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।
হাম উপসর্গে বরিশালে থামছেই না মৃত্যুর মিছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল (শেবাচিম) কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে আরও দুই শিশুর।
এ নিয়ে বিভাগে মৃতের সংখ্যা পৌছেছে ৪৩ জনে। যার মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের। সোমবার (২৫ মে) সকালে হাসপাতাল পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মৃত শিশুরা হলেন- বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উত্তরদাতপুর গ্রামের আল আমিনের ছেলে আলী আকবর (৫ মাস) ও ভোলার দৌতলখানের মধ্যজয়নগ বাংলাবাজারের ফয়জুদ্দিনের ছেলে আব্দুল আহাদ (৬ মাস)।
রোববার ও সোমবার সকালে ওই দুই শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীনবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। রোববার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৩৪ জন।
একই সময় হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪১ জন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ১৫৭ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অদ্যাবদি হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৫৬১ জন রোগী।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশপাশি বরিশাল জেনারেল হাসপাতালেও এই রোগের উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে। বেড সংকটে হাসপাতালের মেঝে বারান্দায় চিকিৎসা নিতে দেখা গিয়েছে অনেককে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২২ জন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্যমতে জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৬৫৩ জন ভর্তি হয়েছিলেন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম জানান, 'সরকারি হাসপাতালগুলো হাম রোগীদের চিকিৎসায় যথেষ্ট আন্তরিক। চিকিৎসকরাও কোনো ঘাটতি রাখছে না।' হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের অধিকাংশই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।