
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫১
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুরু থেকেই জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন। কারণ, এই আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন এক সময়ের ডাকসু ভিপি ও বর্তমানে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
নুর প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর জোটগত সমঝোতার অংশ হিসেবে বিএনপি এ আসনে কোনো প্রার্থী দেয়নি। বরং কেন্দ্রীয়ভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের নুরের পক্ষে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
তবে মাঠের বাস্তবতায় সেই সমঝোতা এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে। এই আসনে শুরু থেকেই বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য (সদ্য বহিষ্কৃত) মো. হাসান মামুন। বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা না করায় মনোনয়ন বঞ্চিত হন তিনি। দলীয় আপত্তি সত্ত্বেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা-দশমিনায় বিএনপি সমর্থকদের একটি বড় অংশ হাসান মামুনের ঘনিষ্ঠ অনুসারী। ফলে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় বিএনপির এই অংশটির সহযোগিতা পাচ্ছেন না নুরুল হক নুর। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপিতেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
এই টানাপোড়েনের মধ্যেই গত ১৭ জানুয়ারি একই দিনে আসনটির তিনটি ইউনিট (গলাচিপা উপজেলা, দশমিনা উপজেলা ও গলাচিপা পৌর) কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার (২১ জানুয়ারি) দশমিনা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কাজী তানজির আহমেদ রিডেনকেও বহিষ্কার করা হয়। এসব ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছে নতুন সমীকরণ ও উত্তেজনা।
এদিকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্তও নিজ সিদ্ধান্তে অটল থেকে নির্বাচনী মাঠে টিকে থাকেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতীক বরাদ্দের সভায় গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নুর পান ট্রাক প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন পান ঘোড়া প্রতীক।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নুরুল হক নুর বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করেছেন, আমার আসনে একজন বহিষ্কৃত নেতা নিজেকে স্বঘোষিত প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। তিনি সভা-সমাবেশে আমাদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে মাঠ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছেন এবং এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তাদের উদ্দেশ্য নির্বাচন বানচাল করা কিংবা সংবাদমাধ্যমে আলোচনায় থাকা। আমি বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আনব।’
অন্যদিকে সভা শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন বলেন, ‘আমি ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। আগামীকাল থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করব। ৫ আগস্টের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একটি চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন যেন স্বচ্ছ ও কঠোর থেকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে এটাই প্রত্যাশা।’
প্রতীক বরাদ্দের পর নিজ নির্বাচনী এলাকায় এক সভায় হাসান মামুন আরও বলেন,‘অন্য দল থেকে এসে স্বঘোষিত জাতীয় নেতা বিএনপিকে বিভিন্ন জোটের বেড়াজালে ফেলে মনোনয়ন নিয়েছেন। বিএনপি তাকে সমর্থন দিয়েছে আমরা সেই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু আমি যেন প্রার্থী হতে না পারি, নির্বাচন করতে না পারি, সে জন্য সব ধরনের চক্রান্ত করা হয়েছে। তবুও জনগণের প্রার্থী হিসেবে আমি জনগণের সামনে হাজির হয়েছি।’
এদিকে উভয় প্রার্থীই বিভিন্ন সভা-সমাবেশে একে অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অভিযোগ তুলছেন। এতে করে পটুয়াখালী-৩ আসনের ভোটের মাঠে বইছে আমেজ ও উত্তেজনাসহ উত্তাপের হাওয়া।
প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন,‘পটুয়াখালীতে নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালাবেন বলে আমরা আশাবাদী। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলায় ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। মোট ১৯ জন প্রার্থীর মধ্যে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীক চেয়েছিলেন এবং তাকে সেটিই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, আসনটিতে নুরুল হক নুর ও মো. হাসান মামুন ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহম্মদ শাহ আলম ও ইসলামী আন্দোলনের মু. আবু বক্কর ছিদ্দিকী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পটুয়াখালী-৩ আসনের লড়াই এখন আর কেবল নুর ও হাসান মামুন দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি একদিকে জোট রাজনীতির কার্যকারিতা, অন্যদিকে দলীয় শৃঙ্খলা বনাম স্থানীয় জনপ্রিয়তার শক্তি যাচাইয়ের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত ট্রাক না ঘোড়া কোন প্রতীক এগিয়ে থাকবে, তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো এই আসনের ফলাফল ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণে কী বার্তা দেয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুরু থেকেই জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন। কারণ, এই আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন এক সময়ের ডাকসু ভিপি ও বর্তমানে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
নুর প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর জোটগত সমঝোতার অংশ হিসেবে বিএনপি এ আসনে কোনো প্রার্থী দেয়নি। বরং কেন্দ্রীয়ভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের নুরের পক্ষে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
তবে মাঠের বাস্তবতায় সেই সমঝোতা এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে। এই আসনে শুরু থেকেই বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য (সদ্য বহিষ্কৃত) মো. হাসান মামুন। বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা না করায় মনোনয়ন বঞ্চিত হন তিনি। দলীয় আপত্তি সত্ত্বেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা-দশমিনায় বিএনপি সমর্থকদের একটি বড় অংশ হাসান মামুনের ঘনিষ্ঠ অনুসারী। ফলে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় বিএনপির এই অংশটির সহযোগিতা পাচ্ছেন না নুরুল হক নুর। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপিতেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
এই টানাপোড়েনের মধ্যেই গত ১৭ জানুয়ারি একই দিনে আসনটির তিনটি ইউনিট (গলাচিপা উপজেলা, দশমিনা উপজেলা ও গলাচিপা পৌর) কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার (২১ জানুয়ারি) দশমিনা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কাজী তানজির আহমেদ রিডেনকেও বহিষ্কার করা হয়। এসব ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছে নতুন সমীকরণ ও উত্তেজনা।
এদিকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্তও নিজ সিদ্ধান্তে অটল থেকে নির্বাচনী মাঠে টিকে থাকেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতীক বরাদ্দের সভায় গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নুর পান ট্রাক প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন পান ঘোড়া প্রতীক।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নুরুল হক নুর বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করেছেন, আমার আসনে একজন বহিষ্কৃত নেতা নিজেকে স্বঘোষিত প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। তিনি সভা-সমাবেশে আমাদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে মাঠ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছেন এবং এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তাদের উদ্দেশ্য নির্বাচন বানচাল করা কিংবা সংবাদমাধ্যমে আলোচনায় থাকা। আমি বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আনব।’
অন্যদিকে সভা শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন বলেন, ‘আমি ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। আগামীকাল থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করব। ৫ আগস্টের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একটি চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন যেন স্বচ্ছ ও কঠোর থেকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে এটাই প্রত্যাশা।’
প্রতীক বরাদ্দের পর নিজ নির্বাচনী এলাকায় এক সভায় হাসান মামুন আরও বলেন,‘অন্য দল থেকে এসে স্বঘোষিত জাতীয় নেতা বিএনপিকে বিভিন্ন জোটের বেড়াজালে ফেলে মনোনয়ন নিয়েছেন। বিএনপি তাকে সমর্থন দিয়েছে আমরা সেই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু আমি যেন প্রার্থী হতে না পারি, নির্বাচন করতে না পারি, সে জন্য সব ধরনের চক্রান্ত করা হয়েছে। তবুও জনগণের প্রার্থী হিসেবে আমি জনগণের সামনে হাজির হয়েছি।’
এদিকে উভয় প্রার্থীই বিভিন্ন সভা-সমাবেশে একে অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অভিযোগ তুলছেন। এতে করে পটুয়াখালী-৩ আসনের ভোটের মাঠে বইছে আমেজ ও উত্তেজনাসহ উত্তাপের হাওয়া।
প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন,‘পটুয়াখালীতে নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালাবেন বলে আমরা আশাবাদী। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলায় ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। মোট ১৯ জন প্রার্থীর মধ্যে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীক চেয়েছিলেন এবং তাকে সেটিই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, আসনটিতে নুরুল হক নুর ও মো. হাসান মামুন ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহম্মদ শাহ আলম ও ইসলামী আন্দোলনের মু. আবু বক্কর ছিদ্দিকী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পটুয়াখালী-৩ আসনের লড়াই এখন আর কেবল নুর ও হাসান মামুন দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি একদিকে জোট রাজনীতির কার্যকারিতা, অন্যদিকে দলীয় শৃঙ্খলা বনাম স্থানীয় জনপ্রিয়তার শক্তি যাচাইয়ের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত ট্রাক না ঘোড়া কোন প্রতীক এগিয়ে থাকবে, তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো এই আসনের ফলাফল ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণে কী বার্তা দেয়।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১২
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নব যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল, ২০২৬) উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত ভবন এর কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা নবাগত ইউএনও-কে মির্জাগঞ্জে স্বাগত জানান। আলোচনায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া,সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও হয়রানিমুক্ত করা, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখা সহ উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বেশ কিছু দাবি ও প্রত্যাশা উঠে আসে।
নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল সকলের সহযোগিতা কামনা করে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নব যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল, ২০২৬) উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত ভবন এর কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা নবাগত ইউএনও-কে মির্জাগঞ্জে স্বাগত জানান। আলোচনায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া,সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও হয়রানিমুক্ত করা, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখা সহ উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বেশ কিছু দাবি ও প্রত্যাশা উঠে আসে।
নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল সকলের সহযোগিতা কামনা করে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে কোন অনিয়ম কিংবা আত্মসাত করা হয়নি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার।
রোববার রাত ৮ টায় কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি হল রুমে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার জেলেদের মধ্যে বিতরনের চাল শ্রমিকদের বুজিয়ে দেওয়ার আগেই ৪/৫ জন স্থানীয় সাংবাদিক এসে আমাকে প্রশ্ন করেন, ভাই আপনি কী চাল নিয়ে আসছেন ? তখন আমি বলি, হ্যাঁ সব চালই নিয়ে আসছি।
এ কথা বলার পরে সাংবাদিকরা চালের বস্তা গননা শুরু করেন। তখন দুপুরে না খাওয়া ৯২১ জন জেলে ধৈর্য হারা হয়ে উত্তেজিত হয়ে যায় এবং বিশৃংখলার সৃষ্টি করেন।
যার কারণে আমরা সর্বশেষ চালের ট্রলিতে আসা ২০০ বস্তা চাল মেম্বারদের মাঝে বুঝিয়ে না দিয়ে ওই চালের ট্রলি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ক্লাবসিবল গেইটের সামনে রাখি।
তখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আপনি এখানে চাল রাখছেন কেন? আমি বলি, এটা আমি পরে বিতরণ করব। সাংবাদিকরা চালের যে হিসেব করেছে ওই ট্রলির চাল সেই হিসেবের মধ্যে আসে নাই।
যার ফলে তাঁরা (সাংবাদিকরা) যে ১৯২ বস্তা চাল নেই বলে উল্লেখ করেছেন সেখানে সেই ট্রলির চাল গননা করা হয়নি। এরপরে ওই ট্রলিতে থাকা চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করি।
এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বকর ছিদ্দিক, ইউপি সদস্যগন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, এর আগে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে কোন অনিয়ম কিংবা আত্মসাত করা হয়নি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার।
রোববার রাত ৮ টায় কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি হল রুমে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার জেলেদের মধ্যে বিতরনের চাল শ্রমিকদের বুজিয়ে দেওয়ার আগেই ৪/৫ জন স্থানীয় সাংবাদিক এসে আমাকে প্রশ্ন করেন, ভাই আপনি কী চাল নিয়ে আসছেন ? তখন আমি বলি, হ্যাঁ সব চালই নিয়ে আসছি।
এ কথা বলার পরে সাংবাদিকরা চালের বস্তা গননা শুরু করেন। তখন দুপুরে না খাওয়া ৯২১ জন জেলে ধৈর্য হারা হয়ে উত্তেজিত হয়ে যায় এবং বিশৃংখলার সৃষ্টি করেন।
যার কারণে আমরা সর্বশেষ চালের ট্রলিতে আসা ২০০ বস্তা চাল মেম্বারদের মাঝে বুঝিয়ে না দিয়ে ওই চালের ট্রলি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ক্লাবসিবল গেইটের সামনে রাখি।
তখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আপনি এখানে চাল রাখছেন কেন? আমি বলি, এটা আমি পরে বিতরণ করব। সাংবাদিকরা চালের যে হিসেব করেছে ওই ট্রলির চাল সেই হিসেবের মধ্যে আসে নাই।
যার ফলে তাঁরা (সাংবাদিকরা) যে ১৯২ বস্তা চাল নেই বলে উল্লেখ করেছেন সেখানে সেই ট্রলির চাল গননা করা হয়নি। এরপরে ওই ট্রলিতে থাকা চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করি।
এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বকর ছিদ্দিক, ইউপি সদস্যগন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, এর আগে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৫
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে তার কক্ষে তালা ঝুলিয়েছেন একই কলেজের শিক্ষকরা। সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদের কক্ষে এ তালা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, যা তাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।
একই কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, শিক্ষকদের সিনিয়রিটির তালিকায় তিনি সপ্তম হলেও জোরপূর্বক চাপ সৃষ্টি করে দায়িত্ব নিয়েছেন। এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষকরা অন্যায়ভাবে তাকে কক্ষ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। কনিষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে তিনি জানান, অন্য শিক্ষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে লিখিতভাবে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে কলেজ পরিচালনা পর্ষদও তাকে দায়িত্ব প্রদান করে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে তার কক্ষে তালা ঝুলিয়েছেন একই কলেজের শিক্ষকরা। সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদের কক্ষে এ তালা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, যা তাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।
একই কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, শিক্ষকদের সিনিয়রিটির তালিকায় তিনি সপ্তম হলেও জোরপূর্বক চাপ সৃষ্টি করে দায়িত্ব নিয়েছেন। এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষকরা অন্যায়ভাবে তাকে কক্ষ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। কনিষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে তিনি জানান, অন্য শিক্ষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে লিখিতভাবে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে কলেজ পরিচালনা পর্ষদও তাকে দায়িত্ব প্রদান করে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.