
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫১
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুরু থেকেই জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন। কারণ, এই আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন এক সময়ের ডাকসু ভিপি ও বর্তমানে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
নুর প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর জোটগত সমঝোতার অংশ হিসেবে বিএনপি এ আসনে কোনো প্রার্থী দেয়নি। বরং কেন্দ্রীয়ভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের নুরের পক্ষে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
তবে মাঠের বাস্তবতায় সেই সমঝোতা এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে। এই আসনে শুরু থেকেই বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য (সদ্য বহিষ্কৃত) মো. হাসান মামুন। বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা না করায় মনোনয়ন বঞ্চিত হন তিনি। দলীয় আপত্তি সত্ত্বেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা-দশমিনায় বিএনপি সমর্থকদের একটি বড় অংশ হাসান মামুনের ঘনিষ্ঠ অনুসারী। ফলে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় বিএনপির এই অংশটির সহযোগিতা পাচ্ছেন না নুরুল হক নুর। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপিতেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
এই টানাপোড়েনের মধ্যেই গত ১৭ জানুয়ারি একই দিনে আসনটির তিনটি ইউনিট (গলাচিপা উপজেলা, দশমিনা উপজেলা ও গলাচিপা পৌর) কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার (২১ জানুয়ারি) দশমিনা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কাজী তানজির আহমেদ রিডেনকেও বহিষ্কার করা হয়। এসব ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছে নতুন সমীকরণ ও উত্তেজনা।
এদিকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্তও নিজ সিদ্ধান্তে অটল থেকে নির্বাচনী মাঠে টিকে থাকেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতীক বরাদ্দের সভায় গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নুর পান ট্রাক প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন পান ঘোড়া প্রতীক।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নুরুল হক নুর বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করেছেন, আমার আসনে একজন বহিষ্কৃত নেতা নিজেকে স্বঘোষিত প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। তিনি সভা-সমাবেশে আমাদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে মাঠ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছেন এবং এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তাদের উদ্দেশ্য নির্বাচন বানচাল করা কিংবা সংবাদমাধ্যমে আলোচনায় থাকা। আমি বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আনব।’
অন্যদিকে সভা শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন বলেন, ‘আমি ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। আগামীকাল থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করব। ৫ আগস্টের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একটি চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন যেন স্বচ্ছ ও কঠোর থেকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে এটাই প্রত্যাশা।’
প্রতীক বরাদ্দের পর নিজ নির্বাচনী এলাকায় এক সভায় হাসান মামুন আরও বলেন,‘অন্য দল থেকে এসে স্বঘোষিত জাতীয় নেতা বিএনপিকে বিভিন্ন জোটের বেড়াজালে ফেলে মনোনয়ন নিয়েছেন। বিএনপি তাকে সমর্থন দিয়েছে আমরা সেই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু আমি যেন প্রার্থী হতে না পারি, নির্বাচন করতে না পারি, সে জন্য সব ধরনের চক্রান্ত করা হয়েছে। তবুও জনগণের প্রার্থী হিসেবে আমি জনগণের সামনে হাজির হয়েছি।’
এদিকে উভয় প্রার্থীই বিভিন্ন সভা-সমাবেশে একে অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অভিযোগ তুলছেন। এতে করে পটুয়াখালী-৩ আসনের ভোটের মাঠে বইছে আমেজ ও উত্তেজনাসহ উত্তাপের হাওয়া।
প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন,‘পটুয়াখালীতে নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালাবেন বলে আমরা আশাবাদী। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলায় ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। মোট ১৯ জন প্রার্থীর মধ্যে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীক চেয়েছিলেন এবং তাকে সেটিই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, আসনটিতে নুরুল হক নুর ও মো. হাসান মামুন ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহম্মদ শাহ আলম ও ইসলামী আন্দোলনের মু. আবু বক্কর ছিদ্দিকী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পটুয়াখালী-৩ আসনের লড়াই এখন আর কেবল নুর ও হাসান মামুন দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি একদিকে জোট রাজনীতির কার্যকারিতা, অন্যদিকে দলীয় শৃঙ্খলা বনাম স্থানীয় জনপ্রিয়তার শক্তি যাচাইয়ের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত ট্রাক না ঘোড়া কোন প্রতীক এগিয়ে থাকবে, তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো এই আসনের ফলাফল ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণে কী বার্তা দেয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুরু থেকেই জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন। কারণ, এই আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন এক সময়ের ডাকসু ভিপি ও বর্তমানে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
নুর প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর জোটগত সমঝোতার অংশ হিসেবে বিএনপি এ আসনে কোনো প্রার্থী দেয়নি। বরং কেন্দ্রীয়ভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের নুরের পক্ষে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
তবে মাঠের বাস্তবতায় সেই সমঝোতা এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে। এই আসনে শুরু থেকেই বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য (সদ্য বহিষ্কৃত) মো. হাসান মামুন। বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা না করায় মনোনয়ন বঞ্চিত হন তিনি। দলীয় আপত্তি সত্ত্বেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা-দশমিনায় বিএনপি সমর্থকদের একটি বড় অংশ হাসান মামুনের ঘনিষ্ঠ অনুসারী। ফলে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় বিএনপির এই অংশটির সহযোগিতা পাচ্ছেন না নুরুল হক নুর। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপিতেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
এই টানাপোড়েনের মধ্যেই গত ১৭ জানুয়ারি একই দিনে আসনটির তিনটি ইউনিট (গলাচিপা উপজেলা, দশমিনা উপজেলা ও গলাচিপা পৌর) কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার (২১ জানুয়ারি) দশমিনা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কাজী তানজির আহমেদ রিডেনকেও বহিষ্কার করা হয়। এসব ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছে নতুন সমীকরণ ও উত্তেজনা।
এদিকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্তও নিজ সিদ্ধান্তে অটল থেকে নির্বাচনী মাঠে টিকে থাকেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতীক বরাদ্দের সভায় গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নুর পান ট্রাক প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন পান ঘোড়া প্রতীক।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নুরুল হক নুর বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করেছেন, আমার আসনে একজন বহিষ্কৃত নেতা নিজেকে স্বঘোষিত প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। তিনি সভা-সমাবেশে আমাদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে মাঠ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছেন এবং এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তাদের উদ্দেশ্য নির্বাচন বানচাল করা কিংবা সংবাদমাধ্যমে আলোচনায় থাকা। আমি বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আনব।’
অন্যদিকে সভা শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন বলেন, ‘আমি ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। আগামীকাল থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করব। ৫ আগস্টের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একটি চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন যেন স্বচ্ছ ও কঠোর থেকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে এটাই প্রত্যাশা।’
প্রতীক বরাদ্দের পর নিজ নির্বাচনী এলাকায় এক সভায় হাসান মামুন আরও বলেন,‘অন্য দল থেকে এসে স্বঘোষিত জাতীয় নেতা বিএনপিকে বিভিন্ন জোটের বেড়াজালে ফেলে মনোনয়ন নিয়েছেন। বিএনপি তাকে সমর্থন দিয়েছে আমরা সেই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু আমি যেন প্রার্থী হতে না পারি, নির্বাচন করতে না পারি, সে জন্য সব ধরনের চক্রান্ত করা হয়েছে। তবুও জনগণের প্রার্থী হিসেবে আমি জনগণের সামনে হাজির হয়েছি।’
এদিকে উভয় প্রার্থীই বিভিন্ন সভা-সমাবেশে একে অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অভিযোগ তুলছেন। এতে করে পটুয়াখালী-৩ আসনের ভোটের মাঠে বইছে আমেজ ও উত্তেজনাসহ উত্তাপের হাওয়া।
প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন,‘পটুয়াখালীতে নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালাবেন বলে আমরা আশাবাদী। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলায় ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। মোট ১৯ জন প্রার্থীর মধ্যে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীক চেয়েছিলেন এবং তাকে সেটিই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, আসনটিতে নুরুল হক নুর ও মো. হাসান মামুন ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহম্মদ শাহ আলম ও ইসলামী আন্দোলনের মু. আবু বক্কর ছিদ্দিকী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পটুয়াখালী-৩ আসনের লড়াই এখন আর কেবল নুর ও হাসান মামুন দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি একদিকে জোট রাজনীতির কার্যকারিতা, অন্যদিকে দলীয় শৃঙ্খলা বনাম স্থানীয় জনপ্রিয়তার শক্তি যাচাইয়ের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত ট্রাক না ঘোড়া কোন প্রতীক এগিয়ে থাকবে, তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো এই আসনের ফলাফল ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণে কী বার্তা দেয়।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫
দেশের অন্যতম মৎস্য বন্দর পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর বন্দর। প্রতিদিন জেলেরা এই বন্দরে মাছ বিক্রি করে ট্রলারে রসদ সামগ্রী নিয়ে ছুটে যায় গভির বঙ্গোপসাগরে।
গত এক সপ্তাহ ধরে কৃত্রিম তৈল (ডিজেল) সংকটের কারণে শত শত ট্রলার গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যেতে পারছেন না। ঈদের ঠিক আগ মূহর্তে এই সংকট মৎস্যজীবীদের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর দাবী জানিয়েছেন জেলেরা। কুয়াকাটায় প্রতি সপ্তাহে ডিজেল চাহিদা তিন লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ লিটার সেখানে ফিলিং ষ্টেশন ডিজেল পায় ৭০-৭৫ হাজার লিটার।
আন্তর্জাতিক বাজারে ইরান-ইসরাইল-আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার খবরে দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই সুযোগে কুয়াকাটার উপকূলীয় বাজারে তেল ব্যবসায়ীরা চরা দামে তেল বেচার জন্য মজুতদারী শুরু করেছে।
গত কয়েকদিন ধরে কোন মহাজনের কাছে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে উপকূলের বিভিন্ন নদ-নদীতে শত শত ট্রলার মাছ নোঙর করে আছে। এদিকে দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ার কারণে গত তিন মাস ধরে সাগরে মাছ না পেয়ে দেনাগ্রস্থ জেলেরা আসন্ন ঈদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে। রমজানের শেষ মুহূর্তে আবহাওয়ায় কিছু পরিবর্তন এসেছে, প্রতিদিন আকাশে মেঘা দেখা যায়। বাতাসের গতি কিছুটা বেড়েছে, এখন সমুদ্রে মাছ ধরা পরার উপর্যুক্ত হয়েছে। জেলেদের আশা শেষ মুহূর্তে মাছে পেয়ে ঈদ আনন্দ উৎযাপন করবেন। কিন্তু এই মুর্হুতে জ¦ালানি সংকটের কারণে সমুদ্রে যেতে পারছেন না উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার জেলে। ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তৈল পাচ্ছে না পাম্পগুলো। যার কারণে তেলের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী কোন ট্রলারে তৈল দেয়া হচ্ছে না।
শুধুমাত্র পরিবহনে ডিজেল দেয়া হচ্ছে। মৎস্য আলীপুরের জেলে হোসেন বলেন, গত তিন মাস ধরে সমুদ্রে মাছ নেই। বর্তমানে আবহাওয়া কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে। এখন সাগরে মাছ ধরা পরার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু তেলের অভাবে সাগরে যেতে পারছি না। দ্রুত তেলের ব্যবস্থা করার দাবি আমাদের। ট্রলার মালিক কামাল হোসেন বলেন, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না।
আসলেই কি তেল নেই, নাকি সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে। ট্রলার ঘাটে নোঙর করে রেখেছি। তৈল পেলেই সমুদ্রে যাবে। আড়তদার ব্যবসায়ী আঃ জলিল ঘরামী বলেন, তেলে অভাবে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ হয়ে আছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর জোর দাবী জানাচ্ছি। মহিপুর রাজা ফিলিং ষ্টেশনের পরিচালক আসিফ মাহমুদ বলেন, আমাদের চাহিদা অনুযায়ী ডিপো থেকে তেল দিতে পারছে না। আমরাও সংরবরাহ করতে পারছি না।
আমাদের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী যানে তেল সরবারহ করা হচ্ছে না। শুধু পরিবহনে তেল দিচ্ছি। এ প্রসঙ্গে কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, আমরা শুনছি জ¦ালানী তেলের সংকটের কারণে অনেক জেলে সমুদ্র যেতে পারছেন না। সমুদ্রগামী জেলেদের জন্য আগামী দুই এক দিনের মধ্যে ডিজেল সংকট কেটে যাবে।
দেশের অন্যতম মৎস্য বন্দর পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর বন্দর। প্রতিদিন জেলেরা এই বন্দরে মাছ বিক্রি করে ট্রলারে রসদ সামগ্রী নিয়ে ছুটে যায় গভির বঙ্গোপসাগরে।
গত এক সপ্তাহ ধরে কৃত্রিম তৈল (ডিজেল) সংকটের কারণে শত শত ট্রলার গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যেতে পারছেন না। ঈদের ঠিক আগ মূহর্তে এই সংকট মৎস্যজীবীদের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর দাবী জানিয়েছেন জেলেরা। কুয়াকাটায় প্রতি সপ্তাহে ডিজেল চাহিদা তিন লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ লিটার সেখানে ফিলিং ষ্টেশন ডিজেল পায় ৭০-৭৫ হাজার লিটার।
আন্তর্জাতিক বাজারে ইরান-ইসরাইল-আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার খবরে দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই সুযোগে কুয়াকাটার উপকূলীয় বাজারে তেল ব্যবসায়ীরা চরা দামে তেল বেচার জন্য মজুতদারী শুরু করেছে।
গত কয়েকদিন ধরে কোন মহাজনের কাছে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে উপকূলের বিভিন্ন নদ-নদীতে শত শত ট্রলার মাছ নোঙর করে আছে। এদিকে দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ার কারণে গত তিন মাস ধরে সাগরে মাছ না পেয়ে দেনাগ্রস্থ জেলেরা আসন্ন ঈদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে। রমজানের শেষ মুহূর্তে আবহাওয়ায় কিছু পরিবর্তন এসেছে, প্রতিদিন আকাশে মেঘা দেখা যায়। বাতাসের গতি কিছুটা বেড়েছে, এখন সমুদ্রে মাছ ধরা পরার উপর্যুক্ত হয়েছে। জেলেদের আশা শেষ মুহূর্তে মাছে পেয়ে ঈদ আনন্দ উৎযাপন করবেন। কিন্তু এই মুর্হুতে জ¦ালানি সংকটের কারণে সমুদ্রে যেতে পারছেন না উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার জেলে। ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তৈল পাচ্ছে না পাম্পগুলো। যার কারণে তেলের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী কোন ট্রলারে তৈল দেয়া হচ্ছে না।
শুধুমাত্র পরিবহনে ডিজেল দেয়া হচ্ছে। মৎস্য আলীপুরের জেলে হোসেন বলেন, গত তিন মাস ধরে সমুদ্রে মাছ নেই। বর্তমানে আবহাওয়া কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে। এখন সাগরে মাছ ধরা পরার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু তেলের অভাবে সাগরে যেতে পারছি না। দ্রুত তেলের ব্যবস্থা করার দাবি আমাদের। ট্রলার মালিক কামাল হোসেন বলেন, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না।
আসলেই কি তেল নেই, নাকি সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে। ট্রলার ঘাটে নোঙর করে রেখেছি। তৈল পেলেই সমুদ্রে যাবে। আড়তদার ব্যবসায়ী আঃ জলিল ঘরামী বলেন, তেলে অভাবে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ হয়ে আছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর জোর দাবী জানাচ্ছি। মহিপুর রাজা ফিলিং ষ্টেশনের পরিচালক আসিফ মাহমুদ বলেন, আমাদের চাহিদা অনুযায়ী ডিপো থেকে তেল দিতে পারছে না। আমরাও সংরবরাহ করতে পারছি না।
আমাদের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী যানে তেল সরবারহ করা হচ্ছে না। শুধু পরিবহনে তেল দিচ্ছি। এ প্রসঙ্গে কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, আমরা শুনছি জ¦ালানী তেলের সংকটের কারণে অনেক জেলে সমুদ্র যেতে পারছেন না। সমুদ্রগামী জেলেদের জন্য আগামী দুই এক দিনের মধ্যে ডিজেল সংকট কেটে যাবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩০
পটুয়াখালীর দুমকিতে নিতাই চন্দ্র নামের এক যুবককে মারধর করেছে আওয়ামী লীগের নেতারা। গুরুতর আহত যুবককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর চরবয়রা গ্রামের তালতলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী।
আহত নিতাই চন্দ্র বলেন, বিকেলে তালতলী বাজারে আমার দোকানে গেলে পারিবারিক ঝামেলা নিয়ে প্রতিবেশী শুভাষ চন্দ্র শীলের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার, জাবের মাহমুদ লিটনসহ ৩/৪ জন এসে রড ও বাঁশের লাঠি আমাকে পিটিয়ে আহত করে। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার বলেন, নিতাই চন্দ্র আমাদেরকে গালাগাল করেছে, এজন্য আমরা তাকে মেরেছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অতসী উপমা ঐশী বলেন, আহত নিতাই চন্দ্রের মুখে ও মাথায় একাধিক আঘাত রয়েছে।
দুমকি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নুরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে নিতাই চন্দ্র নামের এক যুবককে মারধর করেছে আওয়ামী লীগের নেতারা। গুরুতর আহত যুবককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর চরবয়রা গ্রামের তালতলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী।
আহত নিতাই চন্দ্র বলেন, বিকেলে তালতলী বাজারে আমার দোকানে গেলে পারিবারিক ঝামেলা নিয়ে প্রতিবেশী শুভাষ চন্দ্র শীলের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার, জাবের মাহমুদ লিটনসহ ৩/৪ জন এসে রড ও বাঁশের লাঠি আমাকে পিটিয়ে আহত করে। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার বলেন, নিতাই চন্দ্র আমাদেরকে গালাগাল করেছে, এজন্য আমরা তাকে মেরেছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অতসী উপমা ঐশী বলেন, আহত নিতাই চন্দ্রের মুখে ও মাথায় একাধিক আঘাত রয়েছে।
দুমকি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নুরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৪৫
পটুয়াখালীর বাউফলে চলতি অর্থবছরে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচির কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বরাদ্দকৃত চাল কালোবাজারে বিক্রি করে অধিকাংশ প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করা হয়েছে। নামমাত্র ওই কাজ করতে গিয়ে আবার রাস্তার দুই পাশে থাকা হাজার হাজার মূল্যবান গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে।
শ্রমিকের পরিবর্তে এক্সকাভেটর বা ভেকু মেশিন দিয়ে মাটির কাজ করায় পরিবেশবান্ধব গাছগুলো ধ্বংস হয়েছে। সড়কের দুই পাশ থেকে নির্বিচারে গাছ উপড়ে ফেলার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুই দফায় বাউফল উপজেলায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৪২০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্যের বিপরীতে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কারের জন্য ৬১টি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।
ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি করা হয়। ইতিমধ্যে প্রায় সব প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্য উত্তোলন করা হয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ হয়েছে নামমাত্র।
সরেজমিনে পরিদর্শন কালে জানা যায়, সূর্যমণি ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের কাজী বাড়ির দরজা থেকে দক্ষিণ দিকে জাফর জোমাদ্দার বাড়ি অভিমূখী রাস্তা মাটি দ্বারা পুননিমাণ প্রকল্পে ৬ দশমিক ৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি করা হয় একই ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল বাশারকে। তিনি বরাদ্দকৃত চাল উত্তোলনের পর প্রতি টন ৩১ হাজার টাকা দরে কালোবাজারিদের কাছে বিক্রি করেন। অথচ সরকার একই সময় প্রতি টন চাল ৫০ হাজার টাকায় ক্রয় করে খাদ্য গুদামে মজুদ করেছে।
চাল বিক্রির টাকা দিয়ে তিনি একটি ভেকু মেশিন ভাড়ায় এনে রাস্তার উপর সামান্য মাটি দিয়ে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন। এই কাজ করতে গিয়ে ওই রাস্তার পাশে থাকা শতাধিক মূল্যবান গাছ উপড়ে ফেলা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার কাজ করেছেন প্রকল্প কমিটির সভাপতি। প্রকল্পের পাশেই ইউপি মেম্বার আবুল বাশারের বাড়ি। তিনি এই প্রকল্পের উপর দিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করেন। তাই ভয়ে কেউ অনিয়মের প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না।
প্রকল্প কমিটির সভাপতি আবুল বাশার বলেন, 'সঠিক নিয়ম মেনেই প্রকল্পের কাজ করা হয়েছে।' একই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মিঠাপুকুরিয়া জালাল হাওলাদার বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে সিকদার বাড়ি অভিমুখী রাস্তা মাটি দ্বারা পুননিরমাণ, বগা ইউনিয়নের রাজনগর ক্ষিতিশ দাসের দোকান দক্ষিণ দিকে সুরেশ দাসের বাড়ি অভিমুখী মাটির রাস্ত নির্মাণ, কালিশুরী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সিংহেরাকাঠী হোসেন ফকির বাড়ি থেকে দক্ষিণমুখী হাসেম হাওলাদার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ, কনকদিয়া ইউনিয়নের উত্তর কনকদিয়া আলিম মাদ্রাসার মাঠ ভরাট ও ৬ নং ওয়ার্ডের নারায়ণপাশা গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ি থেকে জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যানের বাড়ি সংলগ্ন ব্রিজ পর্যন্ত মাটি দ্বারা ভরাট প্রকল্প, কাছিপাড়া ইউনিয়নের ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের রশিদ মাষ্টার বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে খালেক মৃধা বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার, ৮ নং ওয়ার্ডে নেছার খানের বাড়ি থেকে খালেক মৃধা বাড়ি পর্যন্ত রাস্ত পুনর্নিরমাণ প্রকল্পে সিডিউল অনুযায়ী কাজ না করার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
কাছিপাড়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বগা-বাহিরচর পাকা সড়ক থেকে পালবাড়ি ব্রিজ পর্যন্ত মাটি দ্বারা রাস্তা পুনর্নিরমাণ প্রকল্পের জন্য ৭ দশমিক ৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। ভেকু মেশিন দিয়ে কাজ করায় দুই পাশের পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করে বরাদ্দকৃত চাল কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। অবশ্য প্রকল্প কমিটির সভাপতি কাছিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সুমন বলেন, 'এখন শ্রমিক পাওয়া যায় না। তাই কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়েই ভেকু মেশিন দিয়ে মাটির কাজ করা হয়েছে। আমার ইউনিয়নের প্রকল্পে কোনো প্রকার অনিয়ম হয়নি।'
এছাড়াও, চন্দ্রদ্বীপ, মদনপুরা, বাউফল সদর, দাসপাড়া, আদাবাড়িয়া ও কালিশুরী ইউনিয়নের একাধিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে একই চিত্র দেখা যায়।
কাবিখার কাজে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মাইদুল মোরশেদ মুরাদ সাংবাদিকদের বলেন , 'ভবিষ্যতে পরিবেশবান্ধব গাছ রক্ষা করে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।'
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালেহ আহমেদ বলেন, 'কাবিখার প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করে অনিয়ম পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে চলতি অর্থবছরে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচির কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বরাদ্দকৃত চাল কালোবাজারে বিক্রি করে অধিকাংশ প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করা হয়েছে। নামমাত্র ওই কাজ করতে গিয়ে আবার রাস্তার দুই পাশে থাকা হাজার হাজার মূল্যবান গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে।
শ্রমিকের পরিবর্তে এক্সকাভেটর বা ভেকু মেশিন দিয়ে মাটির কাজ করায় পরিবেশবান্ধব গাছগুলো ধ্বংস হয়েছে। সড়কের দুই পাশ থেকে নির্বিচারে গাছ উপড়ে ফেলার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুই দফায় বাউফল উপজেলায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৪২০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্যের বিপরীতে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কারের জন্য ৬১টি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।
ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি করা হয়। ইতিমধ্যে প্রায় সব প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্য উত্তোলন করা হয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ হয়েছে নামমাত্র।
সরেজমিনে পরিদর্শন কালে জানা যায়, সূর্যমণি ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের কাজী বাড়ির দরজা থেকে দক্ষিণ দিকে জাফর জোমাদ্দার বাড়ি অভিমূখী রাস্তা মাটি দ্বারা পুননিমাণ প্রকল্পে ৬ দশমিক ৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি করা হয় একই ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল বাশারকে। তিনি বরাদ্দকৃত চাল উত্তোলনের পর প্রতি টন ৩১ হাজার টাকা দরে কালোবাজারিদের কাছে বিক্রি করেন। অথচ সরকার একই সময় প্রতি টন চাল ৫০ হাজার টাকায় ক্রয় করে খাদ্য গুদামে মজুদ করেছে।
চাল বিক্রির টাকা দিয়ে তিনি একটি ভেকু মেশিন ভাড়ায় এনে রাস্তার উপর সামান্য মাটি দিয়ে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন। এই কাজ করতে গিয়ে ওই রাস্তার পাশে থাকা শতাধিক মূল্যবান গাছ উপড়ে ফেলা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার কাজ করেছেন প্রকল্প কমিটির সভাপতি। প্রকল্পের পাশেই ইউপি মেম্বার আবুল বাশারের বাড়ি। তিনি এই প্রকল্পের উপর দিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করেন। তাই ভয়ে কেউ অনিয়মের প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না।
প্রকল্প কমিটির সভাপতি আবুল বাশার বলেন, 'সঠিক নিয়ম মেনেই প্রকল্পের কাজ করা হয়েছে।' একই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মিঠাপুকুরিয়া জালাল হাওলাদার বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে সিকদার বাড়ি অভিমুখী রাস্তা মাটি দ্বারা পুননিরমাণ, বগা ইউনিয়নের রাজনগর ক্ষিতিশ দাসের দোকান দক্ষিণ দিকে সুরেশ দাসের বাড়ি অভিমুখী মাটির রাস্ত নির্মাণ, কালিশুরী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সিংহেরাকাঠী হোসেন ফকির বাড়ি থেকে দক্ষিণমুখী হাসেম হাওলাদার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ, কনকদিয়া ইউনিয়নের উত্তর কনকদিয়া আলিম মাদ্রাসার মাঠ ভরাট ও ৬ নং ওয়ার্ডের নারায়ণপাশা গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ি থেকে জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যানের বাড়ি সংলগ্ন ব্রিজ পর্যন্ত মাটি দ্বারা ভরাট প্রকল্প, কাছিপাড়া ইউনিয়নের ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের রশিদ মাষ্টার বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে খালেক মৃধা বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার, ৮ নং ওয়ার্ডে নেছার খানের বাড়ি থেকে খালেক মৃধা বাড়ি পর্যন্ত রাস্ত পুনর্নিরমাণ প্রকল্পে সিডিউল অনুযায়ী কাজ না করার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
কাছিপাড়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বগা-বাহিরচর পাকা সড়ক থেকে পালবাড়ি ব্রিজ পর্যন্ত মাটি দ্বারা রাস্তা পুনর্নিরমাণ প্রকল্পের জন্য ৭ দশমিক ৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। ভেকু মেশিন দিয়ে কাজ করায় দুই পাশের পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করে বরাদ্দকৃত চাল কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। অবশ্য প্রকল্প কমিটির সভাপতি কাছিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সুমন বলেন, 'এখন শ্রমিক পাওয়া যায় না। তাই কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়েই ভেকু মেশিন দিয়ে মাটির কাজ করা হয়েছে। আমার ইউনিয়নের প্রকল্পে কোনো প্রকার অনিয়ম হয়নি।'
এছাড়াও, চন্দ্রদ্বীপ, মদনপুরা, বাউফল সদর, দাসপাড়া, আদাবাড়িয়া ও কালিশুরী ইউনিয়নের একাধিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে একই চিত্র দেখা যায়।
কাবিখার কাজে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মাইদুল মোরশেদ মুরাদ সাংবাদিকদের বলেন , 'ভবিষ্যতে পরিবেশবান্ধব গাছ রক্ষা করে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।'
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালেহ আহমেদ বলেন, 'কাবিখার প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করে অনিয়ম পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫