
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫১
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুরু থেকেই জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন। কারণ, এই আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন এক সময়ের ডাকসু ভিপি ও বর্তমানে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
নুর প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর জোটগত সমঝোতার অংশ হিসেবে বিএনপি এ আসনে কোনো প্রার্থী দেয়নি। বরং কেন্দ্রীয়ভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের নুরের পক্ষে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
তবে মাঠের বাস্তবতায় সেই সমঝোতা এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে। এই আসনে শুরু থেকেই বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য (সদ্য বহিষ্কৃত) মো. হাসান মামুন। বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা না করায় মনোনয়ন বঞ্চিত হন তিনি। দলীয় আপত্তি সত্ত্বেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা-দশমিনায় বিএনপি সমর্থকদের একটি বড় অংশ হাসান মামুনের ঘনিষ্ঠ অনুসারী। ফলে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় বিএনপির এই অংশটির সহযোগিতা পাচ্ছেন না নুরুল হক নুর। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপিতেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
এই টানাপোড়েনের মধ্যেই গত ১৭ জানুয়ারি একই দিনে আসনটির তিনটি ইউনিট (গলাচিপা উপজেলা, দশমিনা উপজেলা ও গলাচিপা পৌর) কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার (২১ জানুয়ারি) দশমিনা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কাজী তানজির আহমেদ রিডেনকেও বহিষ্কার করা হয়। এসব ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছে নতুন সমীকরণ ও উত্তেজনা।
এদিকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্তও নিজ সিদ্ধান্তে অটল থেকে নির্বাচনী মাঠে টিকে থাকেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতীক বরাদ্দের সভায় গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নুর পান ট্রাক প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন পান ঘোড়া প্রতীক।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নুরুল হক নুর বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করেছেন, আমার আসনে একজন বহিষ্কৃত নেতা নিজেকে স্বঘোষিত প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। তিনি সভা-সমাবেশে আমাদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে মাঠ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছেন এবং এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তাদের উদ্দেশ্য নির্বাচন বানচাল করা কিংবা সংবাদমাধ্যমে আলোচনায় থাকা। আমি বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আনব।’
অন্যদিকে সভা শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন বলেন, ‘আমি ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। আগামীকাল থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করব। ৫ আগস্টের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একটি চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন যেন স্বচ্ছ ও কঠোর থেকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে এটাই প্রত্যাশা।’
প্রতীক বরাদ্দের পর নিজ নির্বাচনী এলাকায় এক সভায় হাসান মামুন আরও বলেন,‘অন্য দল থেকে এসে স্বঘোষিত জাতীয় নেতা বিএনপিকে বিভিন্ন জোটের বেড়াজালে ফেলে মনোনয়ন নিয়েছেন। বিএনপি তাকে সমর্থন দিয়েছে আমরা সেই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু আমি যেন প্রার্থী হতে না পারি, নির্বাচন করতে না পারি, সে জন্য সব ধরনের চক্রান্ত করা হয়েছে। তবুও জনগণের প্রার্থী হিসেবে আমি জনগণের সামনে হাজির হয়েছি।’
এদিকে উভয় প্রার্থীই বিভিন্ন সভা-সমাবেশে একে অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অভিযোগ তুলছেন। এতে করে পটুয়াখালী-৩ আসনের ভোটের মাঠে বইছে আমেজ ও উত্তেজনাসহ উত্তাপের হাওয়া।
প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন,‘পটুয়াখালীতে নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালাবেন বলে আমরা আশাবাদী। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলায় ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। মোট ১৯ জন প্রার্থীর মধ্যে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীক চেয়েছিলেন এবং তাকে সেটিই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, আসনটিতে নুরুল হক নুর ও মো. হাসান মামুন ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহম্মদ শাহ আলম ও ইসলামী আন্দোলনের মু. আবু বক্কর ছিদ্দিকী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পটুয়াখালী-৩ আসনের লড়াই এখন আর কেবল নুর ও হাসান মামুন দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি একদিকে জোট রাজনীতির কার্যকারিতা, অন্যদিকে দলীয় শৃঙ্খলা বনাম স্থানীয় জনপ্রিয়তার শক্তি যাচাইয়ের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত ট্রাক না ঘোড়া কোন প্রতীক এগিয়ে থাকবে, তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো এই আসনের ফলাফল ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণে কী বার্তা দেয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুরু থেকেই জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন। কারণ, এই আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন এক সময়ের ডাকসু ভিপি ও বর্তমানে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
নুর প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর জোটগত সমঝোতার অংশ হিসেবে বিএনপি এ আসনে কোনো প্রার্থী দেয়নি। বরং কেন্দ্রীয়ভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের নুরের পক্ষে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
তবে মাঠের বাস্তবতায় সেই সমঝোতা এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে। এই আসনে শুরু থেকেই বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য (সদ্য বহিষ্কৃত) মো. হাসান মামুন। বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা না করায় মনোনয়ন বঞ্চিত হন তিনি। দলীয় আপত্তি সত্ত্বেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা-দশমিনায় বিএনপি সমর্থকদের একটি বড় অংশ হাসান মামুনের ঘনিষ্ঠ অনুসারী। ফলে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় বিএনপির এই অংশটির সহযোগিতা পাচ্ছেন না নুরুল হক নুর। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপিতেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
এই টানাপোড়েনের মধ্যেই গত ১৭ জানুয়ারি একই দিনে আসনটির তিনটি ইউনিট (গলাচিপা উপজেলা, দশমিনা উপজেলা ও গলাচিপা পৌর) কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার (২১ জানুয়ারি) দশমিনা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কাজী তানজির আহমেদ রিডেনকেও বহিষ্কার করা হয়। এসব ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছে নতুন সমীকরণ ও উত্তেজনা।
এদিকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্তও নিজ সিদ্ধান্তে অটল থেকে নির্বাচনী মাঠে টিকে থাকেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতীক বরাদ্দের সভায় গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নুর পান ট্রাক প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন পান ঘোড়া প্রতীক।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নুরুল হক নুর বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করেছেন, আমার আসনে একজন বহিষ্কৃত নেতা নিজেকে স্বঘোষিত প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। তিনি সভা-সমাবেশে আমাদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে মাঠ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছেন এবং এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তাদের উদ্দেশ্য নির্বাচন বানচাল করা কিংবা সংবাদমাধ্যমে আলোচনায় থাকা। আমি বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আনব।’
অন্যদিকে সভা শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন বলেন, ‘আমি ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। আগামীকাল থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করব। ৫ আগস্টের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একটি চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন যেন স্বচ্ছ ও কঠোর থেকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে এটাই প্রত্যাশা।’
প্রতীক বরাদ্দের পর নিজ নির্বাচনী এলাকায় এক সভায় হাসান মামুন আরও বলেন,‘অন্য দল থেকে এসে স্বঘোষিত জাতীয় নেতা বিএনপিকে বিভিন্ন জোটের বেড়াজালে ফেলে মনোনয়ন নিয়েছেন। বিএনপি তাকে সমর্থন দিয়েছে আমরা সেই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু আমি যেন প্রার্থী হতে না পারি, নির্বাচন করতে না পারি, সে জন্য সব ধরনের চক্রান্ত করা হয়েছে। তবুও জনগণের প্রার্থী হিসেবে আমি জনগণের সামনে হাজির হয়েছি।’
এদিকে উভয় প্রার্থীই বিভিন্ন সভা-সমাবেশে একে অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অভিযোগ তুলছেন। এতে করে পটুয়াখালী-৩ আসনের ভোটের মাঠে বইছে আমেজ ও উত্তেজনাসহ উত্তাপের হাওয়া।
প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন,‘পটুয়াখালীতে নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালাবেন বলে আমরা আশাবাদী। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলায় ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। মোট ১৯ জন প্রার্থীর মধ্যে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীক চেয়েছিলেন এবং তাকে সেটিই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, আসনটিতে নুরুল হক নুর ও মো. হাসান মামুন ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহম্মদ শাহ আলম ও ইসলামী আন্দোলনের মু. আবু বক্কর ছিদ্দিকী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পটুয়াখালী-৩ আসনের লড়াই এখন আর কেবল নুর ও হাসান মামুন দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি একদিকে জোট রাজনীতির কার্যকারিতা, অন্যদিকে দলীয় শৃঙ্খলা বনাম স্থানীয় জনপ্রিয়তার শক্তি যাচাইয়ের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত ট্রাক না ঘোড়া কোন প্রতীক এগিয়ে থাকবে, তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো এই আসনের ফলাফল ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণে কী বার্তা দেয়।

০৩ মে, ২০২৬ ১৪:১৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামে হঠাৎ করে মাটির নিচ থেকে ভেসে আসা বিকট শব্দকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ।
স্থানীয় বাসিন্দা আশোক আলী মৃধা শনিবার (২ মে) নিজ জমিতে গরু চরাতে গিয়ে প্রথম এই অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান। কয়েক দশক ধরে পরিচিত সেই জমিতে এমন অদ্ভুত শব্দে তিনি বিস্মিত হয়ে পড়েন।
বিষয়টি নিশ্চিত হতে আশপাশের লোকজনকে ডেকে আনেন তিনি। পরে কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে পরীক্ষা করতে গেলে শব্দের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।
একই সঙ্গে জমির বিভিন্ন স্থান থেকে বুদবুদের আকারে গ্যাসের মতো কিছু বের হতে দেখা যায় এবং নিরবচ্ছিন্ন শব্দ শোনা যেতে থাকে।
ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে কেউ মাটি খুঁড়ছেন, কেউ আবার গর্ত থেকে বের হওয়া পানি ও মাটির গন্ধ পরীক্ষা করছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ ধারণা করছেন, এটি কোনো খনিজ সম্পদের ইঙ্গিত; আবার কেউ মনে করছেন, মাটির নিচে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি থাকতে পারে।
অন্যদিকে, অজানা এই ঘটনার কারণে আতঙ্কিত হয়ে গ্রামবাসীরা পুলিশের জরুরি সেবা নম্বরে কল করে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসীন সাদেক বলেন, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অবহিত করা হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তারা যদি সার্ভে পরিচালনা করেন, তাহলে এর প্রকৃতি সম্পর্কে জানা যাবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামে হঠাৎ করে মাটির নিচ থেকে ভেসে আসা বিকট শব্দকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ।
স্থানীয় বাসিন্দা আশোক আলী মৃধা শনিবার (২ মে) নিজ জমিতে গরু চরাতে গিয়ে প্রথম এই অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান। কয়েক দশক ধরে পরিচিত সেই জমিতে এমন অদ্ভুত শব্দে তিনি বিস্মিত হয়ে পড়েন।
বিষয়টি নিশ্চিত হতে আশপাশের লোকজনকে ডেকে আনেন তিনি। পরে কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে পরীক্ষা করতে গেলে শব্দের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।
একই সঙ্গে জমির বিভিন্ন স্থান থেকে বুদবুদের আকারে গ্যাসের মতো কিছু বের হতে দেখা যায় এবং নিরবচ্ছিন্ন শব্দ শোনা যেতে থাকে।
ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে কেউ মাটি খুঁড়ছেন, কেউ আবার গর্ত থেকে বের হওয়া পানি ও মাটির গন্ধ পরীক্ষা করছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ ধারণা করছেন, এটি কোনো খনিজ সম্পদের ইঙ্গিত; আবার কেউ মনে করছেন, মাটির নিচে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি থাকতে পারে।
অন্যদিকে, অজানা এই ঘটনার কারণে আতঙ্কিত হয়ে গ্রামবাসীরা পুলিশের জরুরি সেবা নম্বরে কল করে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসীন সাদেক বলেন, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অবহিত করা হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তারা যদি সার্ভে পরিচালনা করেন, তাহলে এর প্রকৃতি সম্পর্কে জানা যাবে।

০১ মে, ২০২৬ ১৮:৪৭
যথাযোগ্য মর্যাদায় পটুয়াখালীর দুমকিতে আন্তর্জাতিক মে দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল দুমকি উপজেলা শাখার উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুমকি উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোঃ আবু জাফর আকন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুমকি উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল মৃধা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিন্টু।
এসময় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং শ্রমিক কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দুমকি উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মোঃ ফারুক মৃধা।
যথাযোগ্য মর্যাদায় পটুয়াখালীর দুমকিতে আন্তর্জাতিক মে দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল দুমকি উপজেলা শাখার উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুমকি উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোঃ আবু জাফর আকন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুমকি উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল মৃধা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিন্টু।
এসময় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং শ্রমিক কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দুমকি উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মোঃ ফারুক মৃধা।

০১ মে, ২০২৬ ০০:২৩
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পৌর যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
মিছিলে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি-সম্পাদকসহ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা পকেট কমিটি মানি না, মানবো না স্লোগান দেন এবং বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন করে গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠনের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য দেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি শহিদ সিকদার, পৌর যুবদল নেতা হারুন মুসুল্লি, আবুবকরসহ আরও অনেকে। বক্তারা অভিযোগ করেন, ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে গঠিত এই কমিটি দলীয় আদর্শ ও সাংগঠনিক নীতিমালার পরিপন্থী।
তাদের আরও অভিযোগ, নতুন কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বহিষ্কৃত কয়েকজন নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সংগঠনের জন্য বিব্রতকর ও প্রশ্নবিদ্ধ। ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি শহিদ শিকদার দাবি করেন, ছাত্রলীগের পদে থাকা শাকিব নামের একজনসহ বহিষ্কৃত তিনজনকে কমিটিতে রাখা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা জানান, শাকিব পূর্বে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং জেলা কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবায়ের আহমেদ রিয়াজ খানকে সাংগঠনিক পদ দেওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে বলেও জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন। সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি ও মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া আহমেদ বলেন, সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একাধিক সংগঠনে দায়িত্বে থাকতে পারেন। তবে দল চাইলে যেকোনো একটি পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে পারে।
বিক্ষোভকারীরা দ্রুত কমিটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে সতর্ক করে বলেন, দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর বলেন, ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেই ৭১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সবাইকে পদ দেওয়া সম্ভব নয়। যারা পদ পাননি, তাদের অনেকেই ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন। এছাড়া অভিযোগকারীদের মধ্যে কেউ কেউ বহিষ্কৃতও রয়েছেন।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পৌর যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
মিছিলে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি-সম্পাদকসহ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা পকেট কমিটি মানি না, মানবো না স্লোগান দেন এবং বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন করে গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠনের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য দেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি শহিদ সিকদার, পৌর যুবদল নেতা হারুন মুসুল্লি, আবুবকরসহ আরও অনেকে। বক্তারা অভিযোগ করেন, ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে গঠিত এই কমিটি দলীয় আদর্শ ও সাংগঠনিক নীতিমালার পরিপন্থী।
তাদের আরও অভিযোগ, নতুন কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বহিষ্কৃত কয়েকজন নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সংগঠনের জন্য বিব্রতকর ও প্রশ্নবিদ্ধ। ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি শহিদ শিকদার দাবি করেন, ছাত্রলীগের পদে থাকা শাকিব নামের একজনসহ বহিষ্কৃত তিনজনকে কমিটিতে রাখা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা জানান, শাকিব পূর্বে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং জেলা কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবায়ের আহমেদ রিয়াজ খানকে সাংগঠনিক পদ দেওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে বলেও জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন। সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি ও মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া আহমেদ বলেন, সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একাধিক সংগঠনে দায়িত্বে থাকতে পারেন। তবে দল চাইলে যেকোনো একটি পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে পারে।
বিক্ষোভকারীরা দ্রুত কমিটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে সতর্ক করে বলেন, দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর বলেন, ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেই ৭১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সবাইকে পদ দেওয়া সম্ভব নয়। যারা পদ পাননি, তাদের অনেকেই ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন। এছাড়া অভিযোগকারীদের মধ্যে কেউ কেউ বহিষ্কৃতও রয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.