বরিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মু. ইসমাইল হোসেন নেগাবান মন্টু ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি ঢাকা বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।
পারিবারিক সূত্র বলেছে, ইসমাইল হোসেন নেগাবান মন্টু স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অনেক আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শনিবার বাদ এশা আমানতগঞ্জ টিবি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে সন্ধ্যার পর শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তাঁর মরদেহ বরিশাল প্রেসক্লাবে নেওয়ার কথা রয়েছে।
প্রবীণ সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন নেগাবান মন্টুর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, সদর আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মজিবর রহমান সারওয়ার, বরিশাল প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি এবং নিউজ এডিটরস্ কাউন্সিল, বরিশালসহ বিভিন্ন ব্যক্তি-বিশেষ।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:২২
বরিশালের গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই ভাইকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে গৌরনদী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন বন্দর সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন—মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. পারভেজ হোসেন তুহিন (৩১) ও তার ছোট ভাই তামিম হোসেন (২৮)।
ডিবি পুলিশ জানায়, ডিবির ওসি মোহাম্মদ শামুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, এসআই আল হেলাল, এসআই হানিফ মোল্লা, এএসআই রফিকুল ইসলামসহ একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় দুই ভাইকে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে আটক করা হয়।
পরে তাদের শরীর তল্লাশি করে সর্বমোট ৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ডিবি সূত্র আরও জানায়, আটক পারভেজ হোসেন তুহিনের বিরুদ্ধে আগেও মামলা রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল বরিশালটাইমসকে জানান, এ ঘটনায় থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় দুই ভাইকে আসামি করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) তাদের আদালতে পাঠানো হবে।’
বরিশালের গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই ভাইকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে গৌরনদী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন বন্দর সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন—মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. পারভেজ হোসেন তুহিন (৩১) ও তার ছোট ভাই তামিম হোসেন (২৮)।
ডিবি পুলিশ জানায়, ডিবির ওসি মোহাম্মদ শামুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, এসআই আল হেলাল, এসআই হানিফ মোল্লা, এএসআই রফিকুল ইসলামসহ একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় দুই ভাইকে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে আটক করা হয়।
পরে তাদের শরীর তল্লাশি করে সর্বমোট ৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ডিবি সূত্র আরও জানায়, আটক পারভেজ হোসেন তুহিনের বিরুদ্ধে আগেও মামলা রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল বরিশালটাইমসকে জানান, এ ঘটনায় থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় দুই ভাইকে আসামি করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) তাদের আদালতে পাঠানো হবে।’

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৩০
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লার পারিবারিক জমি দখল করে নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বরিশালের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিরোধপূর্ণ জমিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বানারীপাড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার কথা জানালেও তা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন মঞ্জু মোল্লা।
তাঁর অভিযোগ, স্থানীয় বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত মো. আলী হোসেন ও তাঁর ছেলে মো. আতিকুর রহমান রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমিতে নির্মাণকাজ চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে থানায় যোগাযোগ করেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর।
তবে অভিযুক্ত আতিকুর রহমানের দাবি, বিরোধপূর্ণ জমির মালিক তাঁর বাবা। দীর্ঘদিন মঞ্জু মোল্লা ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তাঁদের জমি দখল করে রেখেছিলেন। এখন তাঁরা নিজেদের জমি দখলে নিয়েছেন।
গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা জানান, তাঁদের বাড়িসংলগ্ন জেএল ৪২ নম্বর খতিয়ানের এসএ ৫৯৪ ও ৫৯১ নম্বর খতিয়ানের হাল ৫৯৭ ও ৫৮৯ নম্বর দাগ থেকে ২০১৭ সালের শেষ দিকে প্রায় তিন শতক জমি কেনেন তাঁরা। এরপর থেকে জমিটি তাঁরা ভোগদখল করে আসছেন।
মঞ্জু মোল্লার ভাষ্য, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে আলী হোসেন ও তাঁর ছেলে লোকজন নিয়ে ওই জমিতে গিয়ে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি ও আশপাশের লোকজন বাধা দিলে তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।
এরপর গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আতিকুর রহমান দেশীয় অস্ত্রধারী কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ওই জমিতে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। পরে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।
আদালত বিরোধপূর্ণ জমিতে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থিতাবস্থা জারির নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর শুক্রবার সকালে বানারীপাড়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) অজয় সিকদার ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার বিষয়ে নোটিশ দেন। কিন্তু এরপরও আতিকুর রহমান ও তাঁর বাবা নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ মঞ্জু মোল্লার।
মঞ্জু মোল্লা জানান, আদালতের আদেশ জারির পরও নির্মাণকাজ বন্ধ হয়নি জানিয়ে বানারীপাড়া থানার পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা শতদল মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু পরিদর্শক ‘ওপর মহলের চাপ রয়েছে’ বলে আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন এবং নির্মাণকাজ বন্ধ করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন।
অভিযুক্ত আতিকুর রহমান বলেন, ‘ওই জমির মালিক আমার বাবা। এত বছর মঞ্জু মোল্লা নিজের ক্ষমতা বলে আমাদের জমি দখল করে রেখেছিলেন। এখন আমরা আমাদের জমি দখলে নিয়েছি।’ আদালতের আদেশ অমান্য করে নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান সরকারি কাজে বানারীপাড়ার বাইরে থাকায় তাঁর সঙ্গে সরাসরি কথা বলা সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, বর্তমানে থানার ওসির দায়িত্বে রয়েছেন পরিদর্শক শতদল মজুমদার।
শতদল মজুমদার বলেন, আদালতের আদেশ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আতিকুর রহমান ও তাঁর বাবাকে স্থিতাবস্থার বিষয়টি জানিয়ে এসেছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতেও তাঁদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপরও নির্মাণকাজ চলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ওপর মহলের চাপ রয়েছে। বিধায় আমরা অন্য কিছু করতে পারছি না।’
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লার পারিবারিক জমি দখল করে নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বরিশালের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিরোধপূর্ণ জমিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বানারীপাড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার কথা জানালেও তা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন মঞ্জু মোল্লা।
তাঁর অভিযোগ, স্থানীয় বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত মো. আলী হোসেন ও তাঁর ছেলে মো. আতিকুর রহমান রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমিতে নির্মাণকাজ চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে থানায় যোগাযোগ করেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর।
তবে অভিযুক্ত আতিকুর রহমানের দাবি, বিরোধপূর্ণ জমির মালিক তাঁর বাবা। দীর্ঘদিন মঞ্জু মোল্লা ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তাঁদের জমি দখল করে রেখেছিলেন। এখন তাঁরা নিজেদের জমি দখলে নিয়েছেন।
গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা জানান, তাঁদের বাড়িসংলগ্ন জেএল ৪২ নম্বর খতিয়ানের এসএ ৫৯৪ ও ৫৯১ নম্বর খতিয়ানের হাল ৫৯৭ ও ৫৮৯ নম্বর দাগ থেকে ২০১৭ সালের শেষ দিকে প্রায় তিন শতক জমি কেনেন তাঁরা। এরপর থেকে জমিটি তাঁরা ভোগদখল করে আসছেন।
মঞ্জু মোল্লার ভাষ্য, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে আলী হোসেন ও তাঁর ছেলে লোকজন নিয়ে ওই জমিতে গিয়ে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি ও আশপাশের লোকজন বাধা দিলে তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।
এরপর গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আতিকুর রহমান দেশীয় অস্ত্রধারী কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ওই জমিতে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। পরে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।
আদালত বিরোধপূর্ণ জমিতে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থিতাবস্থা জারির নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর শুক্রবার সকালে বানারীপাড়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) অজয় সিকদার ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার বিষয়ে নোটিশ দেন। কিন্তু এরপরও আতিকুর রহমান ও তাঁর বাবা নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ মঞ্জু মোল্লার।
মঞ্জু মোল্লা জানান, আদালতের আদেশ জারির পরও নির্মাণকাজ বন্ধ হয়নি জানিয়ে বানারীপাড়া থানার পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা শতদল মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু পরিদর্শক ‘ওপর মহলের চাপ রয়েছে’ বলে আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন এবং নির্মাণকাজ বন্ধ করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন।
অভিযুক্ত আতিকুর রহমান বলেন, ‘ওই জমির মালিক আমার বাবা। এত বছর মঞ্জু মোল্লা নিজের ক্ষমতা বলে আমাদের জমি দখল করে রেখেছিলেন। এখন আমরা আমাদের জমি দখলে নিয়েছি।’ আদালতের আদেশ অমান্য করে নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান সরকারি কাজে বানারীপাড়ার বাইরে থাকায় তাঁর সঙ্গে সরাসরি কথা বলা সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, বর্তমানে থানার ওসির দায়িত্বে রয়েছেন পরিদর্শক শতদল মজুমদার।
শতদল মজুমদার বলেন, আদালতের আদেশ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আতিকুর রহমান ও তাঁর বাবাকে স্থিতাবস্থার বিষয়টি জানিয়ে এসেছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতেও তাঁদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপরও নির্মাণকাজ চলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ওপর মহলের চাপ রয়েছে। বিধায় আমরা অন্য কিছু করতে পারছি না।’

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:০২
বরিশালের বাকেরগঞ্জে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘুমন্ত স্ত্রীকে ধারালো বটি দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ইমরান হোসেন উজ্জ্বল নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। মেয়েকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাঁর শ্বশুর ও শাশুড়িকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে সেখান থেকেই অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশ।
আহতরা হলেন—ইমরানের স্ত্রী রুমানা আক্তার (২১), শ্বশুর মাহবুব আলম মিন্টু হাওলাদার (৫৮) ও শাশুড়ি মাহমুদা বেগম (৫৫)। গুরুতর অবস্থায় তাঁদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার দাঁড়িয়াল ইউনিয়নের উত্তমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ইমরান একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে ভোরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘুমন্ত স্ত্রী রুমানাকে ধারালো বটি দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন ইমরান। রুমানার চিৎকার শুনে তাঁর বাবা-মা ছুটে এলে তাঁদের ওপরও হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে, তিনজনকে আহত করার পর ঘরের দরজা বাইরে থেকে আটকে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান ইমরান। পরে আহতদের আর্তচিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
পুলিশের ভাষ্য, ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করে ইমরান নিজেও শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। খবর পেয়ে সকাল ১০টার দিকে হাসপাতাল থেকেই তাঁকে আটক করে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ।
বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের ওসি আদিল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশালটাইমসকে বলেন, নেশাগ্রস্ত জামাইয়ের হামলায় স্ত্রী, শ্বশুর ও শাশুড়ি গুরুতর আহত হয়েছেন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি বলেন, হামলার প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
বরিশালের বাকেরগঞ্জে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘুমন্ত স্ত্রীকে ধারালো বটি দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ইমরান হোসেন উজ্জ্বল নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। মেয়েকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাঁর শ্বশুর ও শাশুড়িকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে সেখান থেকেই অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশ।
আহতরা হলেন—ইমরানের স্ত্রী রুমানা আক্তার (২১), শ্বশুর মাহবুব আলম মিন্টু হাওলাদার (৫৮) ও শাশুড়ি মাহমুদা বেগম (৫৫)। গুরুতর অবস্থায় তাঁদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার দাঁড়িয়াল ইউনিয়নের উত্তমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ইমরান একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে ভোরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘুমন্ত স্ত্রী রুমানাকে ধারালো বটি দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন ইমরান। রুমানার চিৎকার শুনে তাঁর বাবা-মা ছুটে এলে তাঁদের ওপরও হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে, তিনজনকে আহত করার পর ঘরের দরজা বাইরে থেকে আটকে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান ইমরান। পরে আহতদের আর্তচিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
পুলিশের ভাষ্য, ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করে ইমরান নিজেও শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। খবর পেয়ে সকাল ১০টার দিকে হাসপাতাল থেকেই তাঁকে আটক করে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ।
বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের ওসি আদিল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশালটাইমসকে বলেন, নেশাগ্রস্ত জামাইয়ের হামলায় স্ত্রী, শ্বশুর ও শাশুড়ি গুরুতর আহত হয়েছেন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি বলেন, হামলার প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

০৯ মে, ২০২৬ ১৭:১৫
বরিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মু. ইসমাইল হোসেন নেগাবান মন্টু ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি ঢাকা বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।
পারিবারিক সূত্র বলেছে, ইসমাইল হোসেন নেগাবান মন্টু স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অনেক আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শনিবার বাদ এশা আমানতগঞ্জ টিবি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে সন্ধ্যার পর শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তাঁর মরদেহ বরিশাল প্রেসক্লাবে নেওয়ার কথা রয়েছে।
প্রবীণ সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন নেগাবান মন্টুর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, সদর আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মজিবর রহমান সারওয়ার, বরিশাল প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি এবং নিউজ এডিটরস্ কাউন্সিল, বরিশালসহ বিভিন্ন ব্যক্তি-বিশেষ।
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৭
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৫৩
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:১৯
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৯