
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৮:২৫
পটুয়াখালীর বাউফলে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, আমরা আল্লাহর রহমত ও মানুষের ভালোবাসা নিয়ে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
এই কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের নমুনাই হলো সমাজ সংস্কার মূলক কাজ করা। মানবতার কল্যাণে কাজ করা নামাজ রোজার মতইদ একটা ইবাদত। আল্লাহর এই নির্দেশ পালন করতে গিয়ে আমরা বহু লোককে কাজের ব্যবস্থা করে পুনর্বাসন করেছি।
প্রশিক্ষণ দিয়ে সেলাই মেশিন দিয়েছি, প্রায় ২০০ পরিবারের মধ্যে ঘর মেরামতের ব্যবস্থা করেছি। শনিবার (১৩ই সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় বাউফল উপজেলা জামায়াত অফিসে মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য সেলাই মেশিন বিতরন উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্য একথা বলেন।
বাউফল উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোঃ ইসাহাক মিয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি অধ্যাপকের বি এম সাইফুল্লাহ, উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক মোহাম্মদ খালিদুর রহমান, মুফতি মাওলানা মোঃ জাকির হোসেন, উপজেলা নায়েবে আমির,মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম।
এ সময়ে ড. মাসুদ আরো বলেন ডানপন্থী ইসলামী দলের অগ্রগতি দেখে একটি দলের টেনশন শুরু হয়েছে।
তাদেরতো টেনশন হওয়ার কথা ছিল চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বৃদ্ধি হওয়ার কারনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের বিজয় দেখে পার্শ্ববর্তী একটি দেশের টেনশন শুরু হয়ে গেছে। যারা বিজয় লাভ করার পর একটা মিছিল কিংবা একটা মিষ্টিও বিতরণ করেননি। যারা পার্শ্ববর্তী একটি দেশের একই সুরে কথা বলছে তারা হল ভারতের দালাল। দালালি করে আপনারা টিকতে পারবেন না এদেশে। যারা ইতিপূর্বে দালালি করেছিল তারা হেলিকপ্টারে সে দেশেই পালিয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোন দেশের দালালি করে না। একমাত্র আল্লাহর গোলামী করে।
তিনি আরো বলেন ইসলামে নারীর অধিকার দিয়েছে পুরুষের তুলনায় তিন গুণ বেশি। ইসলাম কায়েম হলে নারীদেরকে ঘরে বসে থাকতে হবে না। তাদের আত্মকর্মসংস্অথান ধিকার রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের সেই অধিকার নিশ্চিত করবে। বাউফলে অর্ধশতাধিক অসহায়, দুঃস্থ নারীদের মাঝে এ সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
সেলাই মেশিন পেয়ে উপকৃত নারীরা আনন্দে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিলবিলাস গ্রামের ফরিদা বেগম বলেন, “সেলাই মেশিন পেয়ে আমার সংসারের অভাব দূর হবে। ড. মাসুদের জন্য দোয়া করি।” কালাইয়া থেকে আসা খাদিজা বেগম বলেন, “অনেকদিন সেলাই কাজ শিখেও মেশিন কিনতে পারিনি। আজ স্বপ্ন পূরণ হলো।” আর হালিমা বেগম জানান, “টাকার অভাবে সেলাই মেশিন কেনা সম্ভব হয়নি। ড. মাসুদের উদ্যোগে সেই আশা পূরণ হয়েছে।”
মানবতার কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ড.মাসুদ।
পটুয়াখালীর বাউফলে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, আমরা আল্লাহর রহমত ও মানুষের ভালোবাসা নিয়ে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
এই কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের নমুনাই হলো সমাজ সংস্কার মূলক কাজ করা। মানবতার কল্যাণে কাজ করা নামাজ রোজার মতইদ একটা ইবাদত। আল্লাহর এই নির্দেশ পালন করতে গিয়ে আমরা বহু লোককে কাজের ব্যবস্থা করে পুনর্বাসন করেছি।
প্রশিক্ষণ দিয়ে সেলাই মেশিন দিয়েছি, প্রায় ২০০ পরিবারের মধ্যে ঘর মেরামতের ব্যবস্থা করেছি। শনিবার (১৩ই সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় বাউফল উপজেলা জামায়াত অফিসে মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য সেলাই মেশিন বিতরন উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্য একথা বলেন।
বাউফল উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোঃ ইসাহাক মিয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি অধ্যাপকের বি এম সাইফুল্লাহ, উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক মোহাম্মদ খালিদুর রহমান, মুফতি মাওলানা মোঃ জাকির হোসেন, উপজেলা নায়েবে আমির,মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম।
এ সময়ে ড. মাসুদ আরো বলেন ডানপন্থী ইসলামী দলের অগ্রগতি দেখে একটি দলের টেনশন শুরু হয়েছে।
তাদেরতো টেনশন হওয়ার কথা ছিল চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বৃদ্ধি হওয়ার কারনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের বিজয় দেখে পার্শ্ববর্তী একটি দেশের টেনশন শুরু হয়ে গেছে। যারা বিজয় লাভ করার পর একটা মিছিল কিংবা একটা মিষ্টিও বিতরণ করেননি। যারা পার্শ্ববর্তী একটি দেশের একই সুরে কথা বলছে তারা হল ভারতের দালাল। দালালি করে আপনারা টিকতে পারবেন না এদেশে। যারা ইতিপূর্বে দালালি করেছিল তারা হেলিকপ্টারে সে দেশেই পালিয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোন দেশের দালালি করে না। একমাত্র আল্লাহর গোলামী করে।
তিনি আরো বলেন ইসলামে নারীর অধিকার দিয়েছে পুরুষের তুলনায় তিন গুণ বেশি। ইসলাম কায়েম হলে নারীদেরকে ঘরে বসে থাকতে হবে না। তাদের আত্মকর্মসংস্অথান ধিকার রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের সেই অধিকার নিশ্চিত করবে। বাউফলে অর্ধশতাধিক অসহায়, দুঃস্থ নারীদের মাঝে এ সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
সেলাই মেশিন পেয়ে উপকৃত নারীরা আনন্দে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিলবিলাস গ্রামের ফরিদা বেগম বলেন, “সেলাই মেশিন পেয়ে আমার সংসারের অভাব দূর হবে। ড. মাসুদের জন্য দোয়া করি।” কালাইয়া থেকে আসা খাদিজা বেগম বলেন, “অনেকদিন সেলাই কাজ শিখেও মেশিন কিনতে পারিনি। আজ স্বপ্ন পূরণ হলো।” আর হালিমা বেগম জানান, “টাকার অভাবে সেলাই মেশিন কেনা সম্ভব হয়নি। ড. মাসুদের উদ্যোগে সেই আশা পূরণ হয়েছে।”
মানবতার কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ড.মাসুদ।
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৬
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৩
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও টানা ভারি বৃষ্টিতে মুগ ডালসহ বিভিন্ন রবি ফসলের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে উপজেলার শতাধিক কৃষক চরম ক্ষতির আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের পর টানা দুই দিনের ভারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় উপজেলার নিচু জমিগুলোতে পানি জমে যায়। ফলে মুগ ডালের ক্ষেত সম্পূর্ণ ডুবে যায়।
পাশাপাশি মরিচ, আলু, চিনাবাদাম ও অন্যান্য রবি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক ক্ষেতেই গাছ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক গোলাম মস্তফা, আমির হোসেন মৃধা ও সোহরাব মৃধা জানান, মৌসুমের শুরুতে ভালো ফলনের আশায় মুগ ডালের আবাদ করেছিলেন। কিছু কৃষক আংশিক ফসল তুলতে পারলেও অধিকাংশ ক্ষেতেই ফসল মাঠেই রয়ে গেছে। আকস্মিক দুর্যোগে তাদের সেই আশা ভেস্তে যেতে বসেছে। দ্রুত পানি না নামলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
গাবতলী এলাকার কৃষক গাফফার হোসেন বলেন, “আমাদের এলাকায় এমন কোনো কৃষক নেই, যার অন্তত ৫০ হাজার টাকার মুগডাল নষ্ট হয়নি। গ্রামের সবাই এখন দিশেহারা।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিস্তীর্ণ জমি পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। কৃষকরা নালা কেটে পানি নামানোর চেষ্টা করছেন। তবে স্লুইস গেট খোলা থাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, একটি স্লুইস গেটের কপাট খোলা থাকায় বৃষ্টির পানির সঙ্গে জোয়ারের পানি ঢুকে কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে।
মুগ ডালের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হলেও সূর্যমুখী ক্ষেতেও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও টানা ভারি বৃষ্টিতে মুগ ডালসহ বিভিন্ন রবি ফসলের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে উপজেলার শতাধিক কৃষক চরম ক্ষতির আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের পর টানা দুই দিনের ভারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় উপজেলার নিচু জমিগুলোতে পানি জমে যায়। ফলে মুগ ডালের ক্ষেত সম্পূর্ণ ডুবে যায়।
পাশাপাশি মরিচ, আলু, চিনাবাদাম ও অন্যান্য রবি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক ক্ষেতেই গাছ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক গোলাম মস্তফা, আমির হোসেন মৃধা ও সোহরাব মৃধা জানান, মৌসুমের শুরুতে ভালো ফলনের আশায় মুগ ডালের আবাদ করেছিলেন। কিছু কৃষক আংশিক ফসল তুলতে পারলেও অধিকাংশ ক্ষেতেই ফসল মাঠেই রয়ে গেছে। আকস্মিক দুর্যোগে তাদের সেই আশা ভেস্তে যেতে বসেছে। দ্রুত পানি না নামলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
গাবতলী এলাকার কৃষক গাফফার হোসেন বলেন, “আমাদের এলাকায় এমন কোনো কৃষক নেই, যার অন্তত ৫০ হাজার টাকার মুগডাল নষ্ট হয়নি। গ্রামের সবাই এখন দিশেহারা।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিস্তীর্ণ জমি পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। কৃষকরা নালা কেটে পানি নামানোর চেষ্টা করছেন। তবে স্লুইস গেট খোলা থাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, একটি স্লুইস গেটের কপাট খোলা থাকায় বৃষ্টির পানির সঙ্গে জোয়ারের পানি ঢুকে কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে।
মুগ ডালের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হলেও সূর্যমুখী ক্ষেতেও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হবে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.