
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৮:২৫
পটুয়াখালীর বাউফলে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, আমরা আল্লাহর রহমত ও মানুষের ভালোবাসা নিয়ে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
এই কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের নমুনাই হলো সমাজ সংস্কার মূলক কাজ করা। মানবতার কল্যাণে কাজ করা নামাজ রোজার মতইদ একটা ইবাদত। আল্লাহর এই নির্দেশ পালন করতে গিয়ে আমরা বহু লোককে কাজের ব্যবস্থা করে পুনর্বাসন করেছি।
প্রশিক্ষণ দিয়ে সেলাই মেশিন দিয়েছি, প্রায় ২০০ পরিবারের মধ্যে ঘর মেরামতের ব্যবস্থা করেছি। শনিবার (১৩ই সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় বাউফল উপজেলা জামায়াত অফিসে মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য সেলাই মেশিন বিতরন উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্য একথা বলেন।
বাউফল উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোঃ ইসাহাক মিয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি অধ্যাপকের বি এম সাইফুল্লাহ, উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক মোহাম্মদ খালিদুর রহমান, মুফতি মাওলানা মোঃ জাকির হোসেন, উপজেলা নায়েবে আমির,মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম।
এ সময়ে ড. মাসুদ আরো বলেন ডানপন্থী ইসলামী দলের অগ্রগতি দেখে একটি দলের টেনশন শুরু হয়েছে।
তাদেরতো টেনশন হওয়ার কথা ছিল চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বৃদ্ধি হওয়ার কারনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের বিজয় দেখে পার্শ্ববর্তী একটি দেশের টেনশন শুরু হয়ে গেছে। যারা বিজয় লাভ করার পর একটা মিছিল কিংবা একটা মিষ্টিও বিতরণ করেননি। যারা পার্শ্ববর্তী একটি দেশের একই সুরে কথা বলছে তারা হল ভারতের দালাল। দালালি করে আপনারা টিকতে পারবেন না এদেশে। যারা ইতিপূর্বে দালালি করেছিল তারা হেলিকপ্টারে সে দেশেই পালিয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোন দেশের দালালি করে না। একমাত্র আল্লাহর গোলামী করে।
তিনি আরো বলেন ইসলামে নারীর অধিকার দিয়েছে পুরুষের তুলনায় তিন গুণ বেশি। ইসলাম কায়েম হলে নারীদেরকে ঘরে বসে থাকতে হবে না। তাদের আত্মকর্মসংস্অথান ধিকার রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের সেই অধিকার নিশ্চিত করবে। বাউফলে অর্ধশতাধিক অসহায়, দুঃস্থ নারীদের মাঝে এ সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
সেলাই মেশিন পেয়ে উপকৃত নারীরা আনন্দে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিলবিলাস গ্রামের ফরিদা বেগম বলেন, “সেলাই মেশিন পেয়ে আমার সংসারের অভাব দূর হবে। ড. মাসুদের জন্য দোয়া করি।” কালাইয়া থেকে আসা খাদিজা বেগম বলেন, “অনেকদিন সেলাই কাজ শিখেও মেশিন কিনতে পারিনি। আজ স্বপ্ন পূরণ হলো।” আর হালিমা বেগম জানান, “টাকার অভাবে সেলাই মেশিন কেনা সম্ভব হয়নি। ড. মাসুদের উদ্যোগে সেই আশা পূরণ হয়েছে।”
মানবতার কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ড.মাসুদ।
পটুয়াখালীর বাউফলে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, আমরা আল্লাহর রহমত ও মানুষের ভালোবাসা নিয়ে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
এই কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের নমুনাই হলো সমাজ সংস্কার মূলক কাজ করা। মানবতার কল্যাণে কাজ করা নামাজ রোজার মতইদ একটা ইবাদত। আল্লাহর এই নির্দেশ পালন করতে গিয়ে আমরা বহু লোককে কাজের ব্যবস্থা করে পুনর্বাসন করেছি।
প্রশিক্ষণ দিয়ে সেলাই মেশিন দিয়েছি, প্রায় ২০০ পরিবারের মধ্যে ঘর মেরামতের ব্যবস্থা করেছি। শনিবার (১৩ই সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় বাউফল উপজেলা জামায়াত অফিসে মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য সেলাই মেশিন বিতরন উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্য একথা বলেন।
বাউফল উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোঃ ইসাহাক মিয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি অধ্যাপকের বি এম সাইফুল্লাহ, উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক মোহাম্মদ খালিদুর রহমান, মুফতি মাওলানা মোঃ জাকির হোসেন, উপজেলা নায়েবে আমির,মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম।
এ সময়ে ড. মাসুদ আরো বলেন ডানপন্থী ইসলামী দলের অগ্রগতি দেখে একটি দলের টেনশন শুরু হয়েছে।
তাদেরতো টেনশন হওয়ার কথা ছিল চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বৃদ্ধি হওয়ার কারনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের বিজয় দেখে পার্শ্ববর্তী একটি দেশের টেনশন শুরু হয়ে গেছে। যারা বিজয় লাভ করার পর একটা মিছিল কিংবা একটা মিষ্টিও বিতরণ করেননি। যারা পার্শ্ববর্তী একটি দেশের একই সুরে কথা বলছে তারা হল ভারতের দালাল। দালালি করে আপনারা টিকতে পারবেন না এদেশে। যারা ইতিপূর্বে দালালি করেছিল তারা হেলিকপ্টারে সে দেশেই পালিয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোন দেশের দালালি করে না। একমাত্র আল্লাহর গোলামী করে।
তিনি আরো বলেন ইসলামে নারীর অধিকার দিয়েছে পুরুষের তুলনায় তিন গুণ বেশি। ইসলাম কায়েম হলে নারীদেরকে ঘরে বসে থাকতে হবে না। তাদের আত্মকর্মসংস্অথান ধিকার রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের সেই অধিকার নিশ্চিত করবে। বাউফলে অর্ধশতাধিক অসহায়, দুঃস্থ নারীদের মাঝে এ সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
সেলাই মেশিন পেয়ে উপকৃত নারীরা আনন্দে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিলবিলাস গ্রামের ফরিদা বেগম বলেন, “সেলাই মেশিন পেয়ে আমার সংসারের অভাব দূর হবে। ড. মাসুদের জন্য দোয়া করি।” কালাইয়া থেকে আসা খাদিজা বেগম বলেন, “অনেকদিন সেলাই কাজ শিখেও মেশিন কিনতে পারিনি। আজ স্বপ্ন পূরণ হলো।” আর হালিমা বেগম জানান, “টাকার অভাবে সেলাই মেশিন কেনা সম্ভব হয়নি। ড. মাসুদের উদ্যোগে সেই আশা পূরণ হয়েছে।”
মানবতার কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ড.মাসুদ।

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:১৪
পটুয়াখালীর বাউফলে গরু ঘাস খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত পাঁচজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চন্দ্রপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, বারেক ঢালীর ছেলে সায়েম ঢালী (১৮), নাতি সোহাগ গাজী (১৪), স্ত্রী রেহেনা বেগম (৫০) ও বারেক ঢালী (৬০) নিজে। অপর পক্ষের আহত ব্যক্তি হলেন মো. সোহাগ (৩৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে একই এলাকার জাকির নামের এক ব্যক্তি বারেক ঢালীর চাষকৃত জমিতে গরু বেঁধে রাখেন। এতে জমির ধান নষ্ট হতে দেখে বারেক ঢালী গরুটি খুলে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে জাকিরের নেতৃত্বে কয়েকজন বারেক ঢালীর বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার সময় বারেক ঢালীর ছেলে সায়েম ঢালী, নাতি সোহাগ গাজী ও স্ত্রী রেহেনা বেগম ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। এ সময় সংঘর্ষে অপর পক্ষের মো. সোহাগও আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সায়েম ঢালী ও সোহাগ ঢালীর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, এখনো পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি । এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে গরু ঘাস খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত পাঁচজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চন্দ্রপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, বারেক ঢালীর ছেলে সায়েম ঢালী (১৮), নাতি সোহাগ গাজী (১৪), স্ত্রী রেহেনা বেগম (৫০) ও বারেক ঢালী (৬০) নিজে। অপর পক্ষের আহত ব্যক্তি হলেন মো. সোহাগ (৩৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে একই এলাকার জাকির নামের এক ব্যক্তি বারেক ঢালীর চাষকৃত জমিতে গরু বেঁধে রাখেন। এতে জমির ধান নষ্ট হতে দেখে বারেক ঢালী গরুটি খুলে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে জাকিরের নেতৃত্বে কয়েকজন বারেক ঢালীর বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার সময় বারেক ঢালীর ছেলে সায়েম ঢালী, নাতি সোহাগ গাজী ও স্ত্রী রেহেনা বেগম ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। এ সময় সংঘর্ষে অপর পক্ষের মো. সোহাগও আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সায়েম ঢালী ও সোহাগ ঢালীর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, এখনো পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি । এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:৫৫
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন অডিটরিয়াম ভবনের কাজকে ঘিরে পরিবেশগত উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অডিটরিয়ামের পাইলিং কাজের সময় উত্তোলিত বালু ও পানি পাশের পিরতলা খালে ফেলার মাধ্যমে খাল ভরাট করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয়দের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের খামারবাড়ি এলাকায় অবস্থিত নির্মাণস্থলে প্রতিটি পাইল বোরিংয়ের সময় ভূগর্ভস্থ বালু ও পানি সরাসরি সংলগ্ন পিরতলা খালে ফেলা হচ্ছে। এতে খালের স্বাভাবিক পানি ধারণক্ষমতা কমে যাচ্ছে এবং দ্রুত ভরাট হয়ে পড়ছে। খালটি আশপাশের এলাকার প্রধান পানি নিষ্কাশন পথ হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা, চলাচলে দুর্ভোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
জানা গেছে, বরিশালের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আমির ইঞ্জিনিয়ারিং কার্যাদেশ পেয়ে অডিটরিয়াম নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে। কাজ শুরুর পর থেকেই পাইল বোরিংয়ের বালু ও পানি খালে ফেলার অভিযোগ উঠে আসে। এ নিয়ে পিরতলা বাজার কমিটির পক্ষ থেকে একাধিকবার আপত্তি জানানো হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও খাল রক্ষায় কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ জানান।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রাথমিকভাবে সাইট ইঞ্জিনিয়ার বিকল্প ব্যবস্থার আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। বরং লোকচক্ষুর আড়ালে আগের মতোই খালে বালু ও পানি ফেলার কাজ চলতে থাকায় খাল ভরাটের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।
পিরতলা বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, “এই খাল দিয়েই এলাকার পানি নিষ্কাশন হয়। খাল ভরাট হয়ে গেলে বর্ষায় দোকানপাটে পানি ঢুকে পড়বে, তখন ব্যবসা চালানোই কঠিন হয়ে যাবে।”
অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. আমির হোসেন বলেন, “বিষয়টি আগে আমার জানা ছিল না। বিষয়টি জানতে পেরে সাইট ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন ভবিষ্যতে পাইলের বালু ও পানি খালে ফেলা না হয়।”
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পবিপ্রবি প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, খালটি রক্ষা করা না গেলে বর্ষা মৌসুমে এলাকায় বড় ধরনের জনভোগান্তি দেখা দিতে পারে।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন অডিটরিয়াম ভবনের কাজকে ঘিরে পরিবেশগত উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অডিটরিয়ামের পাইলিং কাজের সময় উত্তোলিত বালু ও পানি পাশের পিরতলা খালে ফেলার মাধ্যমে খাল ভরাট করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয়দের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের খামারবাড়ি এলাকায় অবস্থিত নির্মাণস্থলে প্রতিটি পাইল বোরিংয়ের সময় ভূগর্ভস্থ বালু ও পানি সরাসরি সংলগ্ন পিরতলা খালে ফেলা হচ্ছে। এতে খালের স্বাভাবিক পানি ধারণক্ষমতা কমে যাচ্ছে এবং দ্রুত ভরাট হয়ে পড়ছে। খালটি আশপাশের এলাকার প্রধান পানি নিষ্কাশন পথ হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা, চলাচলে দুর্ভোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
জানা গেছে, বরিশালের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আমির ইঞ্জিনিয়ারিং কার্যাদেশ পেয়ে অডিটরিয়াম নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে। কাজ শুরুর পর থেকেই পাইল বোরিংয়ের বালু ও পানি খালে ফেলার অভিযোগ উঠে আসে। এ নিয়ে পিরতলা বাজার কমিটির পক্ষ থেকে একাধিকবার আপত্তি জানানো হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও খাল রক্ষায় কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ জানান।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রাথমিকভাবে সাইট ইঞ্জিনিয়ার বিকল্প ব্যবস্থার আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। বরং লোকচক্ষুর আড়ালে আগের মতোই খালে বালু ও পানি ফেলার কাজ চলতে থাকায় খাল ভরাটের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।
পিরতলা বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, “এই খাল দিয়েই এলাকার পানি নিষ্কাশন হয়। খাল ভরাট হয়ে গেলে বর্ষায় দোকানপাটে পানি ঢুকে পড়বে, তখন ব্যবসা চালানোই কঠিন হয়ে যাবে।”
অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. আমির হোসেন বলেন, “বিষয়টি আগে আমার জানা ছিল না। বিষয়টি জানতে পেরে সাইট ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন ভবিষ্যতে পাইলের বালু ও পানি খালে ফেলা না হয়।”
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পবিপ্রবি প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, খালটি রক্ষা করা না গেলে বর্ষা মৌসুমে এলাকায় বড় ধরনের জনভোগান্তি দেখা দিতে পারে।

১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:১৪
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় আমন ধান কাটার মৌসুম শুরু হওয়ায় গ্রামজুড়ে নবান্নের আনন্দ ফিরে এসেছে। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সোনালি ধানের দোলায় কৃষকদের ব্যস্ততায় মুখর হয়ে উঠেছে জনপদ। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে তোলার কাজে সময় পার করছেন কৃষকরা।
উপজেলার লেবুখালী, মুরাদিয়া, আঙ্গারিয়া ও পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠে এখন ধান কাটার ধুম। অনেক জায়গায় কৃষকরা নিজ উদ্যোগে ধান কাটছেন, আবার শ্রমিক সংকটের কারণে কোথাও কোথাও যান্ত্রিক হারভেস্টারের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। কৃষিকাজে সহযোগিতা করছেন পরিবারের নারী-পুরুষ সদস্যরাও।
লেবুখালী ইউনিয়নের কৃষক আবদুস সালাম জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। উৎপাদন খরচ কিছুটা বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ধানের বাজারদর ঠিক থাকলে লাভের মুখ দেখা যাবে। একই এলাকার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের জলিশা গ্রামের কৃষক সৈয়দ জিয়াউল হাসান বলেন, অতিবৃষ্টি না হওয়ায় ধান ক্ষতির মুখে পড়েনি। আশা করছি এবার ভালো ফলন পাওয়া যাবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, চলতি মৌসুমে দুমকি উপজেলায় ৬ হাজার ৬০১ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। রোগবালাই তুলনামূলক কম থাকায় ফলন সন্তোষজনক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও জানান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের সময়মতো ধান কেটে নিরাপদে ঘরে তোলার পরামর্শ দিচ্ছেন।
নতুন ধান ঘরে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামে গ্রামে নবান্ন উৎসবের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। কৃষক পরিবারগুলোতে ফিরে এসেছে হাসি ও স্বস্তি। ধান কাটার ব্যস্ততার মাঝেই দুমকির গ্রামগুলোতে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ও প্রাণচাঞ্চল্যের নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় আমন ধান কাটার মৌসুম শুরু হওয়ায় গ্রামজুড়ে নবান্নের আনন্দ ফিরে এসেছে। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সোনালি ধানের দোলায় কৃষকদের ব্যস্ততায় মুখর হয়ে উঠেছে জনপদ। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে তোলার কাজে সময় পার করছেন কৃষকরা।
উপজেলার লেবুখালী, মুরাদিয়া, আঙ্গারিয়া ও পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠে এখন ধান কাটার ধুম। অনেক জায়গায় কৃষকরা নিজ উদ্যোগে ধান কাটছেন, আবার শ্রমিক সংকটের কারণে কোথাও কোথাও যান্ত্রিক হারভেস্টারের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। কৃষিকাজে সহযোগিতা করছেন পরিবারের নারী-পুরুষ সদস্যরাও।
লেবুখালী ইউনিয়নের কৃষক আবদুস সালাম জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। উৎপাদন খরচ কিছুটা বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ধানের বাজারদর ঠিক থাকলে লাভের মুখ দেখা যাবে। একই এলাকার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের জলিশা গ্রামের কৃষক সৈয়দ জিয়াউল হাসান বলেন, অতিবৃষ্টি না হওয়ায় ধান ক্ষতির মুখে পড়েনি। আশা করছি এবার ভালো ফলন পাওয়া যাবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, চলতি মৌসুমে দুমকি উপজেলায় ৬ হাজার ৬০১ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। রোগবালাই তুলনামূলক কম থাকায় ফলন সন্তোষজনক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও জানান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের সময়মতো ধান কেটে নিরাপদে ঘরে তোলার পরামর্শ দিচ্ছেন।
নতুন ধান ঘরে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামে গ্রামে নবান্ন উৎসবের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। কৃষক পরিবারগুলোতে ফিরে এসেছে হাসি ও স্বস্তি। ধান কাটার ব্যস্ততার মাঝেই দুমকির গ্রামগুলোতে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ও প্রাণচাঞ্চল্যের নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.