প্রথম দফায় সারাদেশে ২৩৭ আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। কিন্তু এরমধ্যে নেই বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসন। দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর দ্বন্দ্ব নাকি জোটের শরিকদের আসন ছাড়ের জন্য এখানে প্রার্থী ঘোষণা হয়নি, তা স্পষ্ট করেনি বিএনপি। তবে এই আশা-নিরাশার মাঝেই বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমের রহমানকে এই আসনে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দীর্ঘ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে ওই বিক্ষোভ ও ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এসময় উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের একাংশের নেতৃত্বে রহমতপুর এলাকায় বরিশাল বিমানবন্দর মোড় থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বেগম সেলিমা রহমানের অনুসারী কয়েক হাজার বিএনপি নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার সাধারণ মানুষসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারীদের অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়।
মানববন্ধন সমাবেশে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য ইসরত হোসেন কচি তালুকদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মো. মোহসীন আলম, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, কামাল সরদার, সেলিম সরদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুব তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সদস্য পারভেজ মৃধা, মনিরুজ্জামান মিল্টন, মিজানুর রহমান, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, সহ-সভাপতি মাহবুব আলম, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান রবীন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
মানববন্ধন সমাবেশে বক্তারা বেগম সেলিমা রহমানকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, 'বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত বেগম সেলিমা রহমান দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল-৩ আসনের মানুষের পাশে থেকেছেন। তাঁর সুদীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও যোগ্যতাকে মূল্যায়ন করে আগামী নির্বাচনে তাকে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ঘোষণা করতে হবে। ত্যাগী ও জনপ্রিয় এই নেত্রীকে উপেক্ষা করে বিগত দিনে দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া বিতর্কিত কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তৃণমূলে বিদ্রোহ দেখা দেবে। এতে সংগঠন দুর্বল হবে এবং এই নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।'
উল্লেখ্য, বরিশালের ৬টি আসনের মধ্যে ৫টিতে প্রার্থী ঘোষণা করলেও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনে এখনো দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি বিএনপি। ফলে নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ, হতাশা আর অনিশ্চয়তা। গত ৩ নভেম্বর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭টি আসনে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। কিন্তু তাতে বরিশাল-৩ আসনটি শূন্য রাখা হয়। এই আসনটি বিএনপির জোটের শরিক এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে এমন খবর চাউর হয় নির্বাচনী এলাকায়। তবে দলটির হাইকমান্ডের একটি সূত্রের দাবি, বেগম সেলিমা রহমানের সাথে এই আসনে মনোনয়নের পাওয়ার যুদ্ধে লড়ছেন আরেক হেভিওয়েট প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। শীর্ষ এই দুইজন প্রভাবশালী নেতার দ্বন্দ্বের কারণেই এই আসনে এখনো প্রার্থী দেয়নি বিএনপি।
এই দুই শীর্ষ নেতা ছাড়াও বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চাইছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ এবং বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক মুলাদী উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খান। তবে সেলিমা রহমানকে মনোনয়ন দিলে এই দুই নেতা তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে পারেন বলে আভাস পাওয়া গেছে। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে বেগম সেলিমা রহমান, ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ এবং আব্দুস সাত্তার খান একই মঞ্চে একাধিকবার সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠক, গণসংযোগ এবং ৩১ দফার সমর্থনে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে সম্মিলিতভাবে অংশ নিয়েছেন। অপরদিকে আরেক হেভিওয়েট প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন মনোনয়ন দৌড়ে একাই লড়ছেন। তিনিও পৃথকভাবে তার অনুসারী বিএনপি নেতাকর্মী নিয়ে বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলায় বিভিন্ন নির্বাচনী সভা-সমাবেশ আর প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয় রয়েছেন। তবে শেষ পর্যন্ত কে পাচ্ছেন বিএনপির টিকেট, তা জানতে হয়তো আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। #

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৫
বরিশালসহ দেশের পাঁচটি জেলা শহরে শত শত পুকুর ভরাট ও অবৈধ দখল বন্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আইনি নোটিস পাঠিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এইচআরপিবির সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠান।
যাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হলেন— বরিশাল, বগুড়া, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক।
নোটিশে বলা হয়েছে, দেশের পরিবেশ সুরক্ষা বিবেচনায় সরকার ২০০০ সালে ‘জলাধার সংরক্ষণ আইন’ পাস করে। এই আইন অনুযায়ী শহর এলাকায় পুকুর বা জলাধার ভরাট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং ভরাট ও দখলের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।’
বরিশালসহ দেশের পাঁচটি জেলা শহরে শত শত পুকুর ভরাট ও অবৈধ দখল বন্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আইনি নোটিস পাঠিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এইচআরপিবির সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠান।
যাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হলেন— বরিশাল, বগুড়া, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক।
নোটিশে বলা হয়েছে, দেশের পরিবেশ সুরক্ষা বিবেচনায় সরকার ২০০০ সালে ‘জলাধার সংরক্ষণ আইন’ পাস করে। এই আইন অনুযায়ী শহর এলাকায় পুকুর বা জলাধার ভরাট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং ভরাট ও দখলের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।’

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪৭
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ১৭ আটক হয়েছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার পবিত্র কুমার হালদার এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তার নেতৃত্বে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা ভাটিখানা এলাকার পান্থ সড়ক, রোকেয়া আজিম সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে চিহ্নিত মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের লক্ষ্য করা হয়। অভিযানকালে এলাকাবাসী অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন। এ সময় অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং মাদক সেবনের অভিযোগে বিভিন্ন স্থান থেকে ৯জনকে আটক করা হয়।
এর আগে নগরীর পলাশপুর, মোহাম্মদপুর ও আল মাদানী সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী এবং সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় কাউনিয়া থানা পুলিশ। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএমপির উত্তর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হুসাইন।
অভিযানে ১০৫ পিস ইয়াবা, ২০০ গ্রাম গাঁজা, মাদক বিক্রির ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮০০ টাকা ও তিনটি মোটরসাইকেলসহ আটজনকে আটক করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হুসাইন। তিনি বলেন, বরিশাল মহানগরীকে মাদকমুক্ত করতে বিএমপি কমিশনারের নির্দেশে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে স্থানীয় নাগরিকদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করছেন। মহানগরীকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে, জানান পুলিশ কর্মকর্তা।’
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ১৭ আটক হয়েছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার পবিত্র কুমার হালদার এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তার নেতৃত্বে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা ভাটিখানা এলাকার পান্থ সড়ক, রোকেয়া আজিম সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে চিহ্নিত মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের লক্ষ্য করা হয়। অভিযানকালে এলাকাবাসী অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন। এ সময় অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং মাদক সেবনের অভিযোগে বিভিন্ন স্থান থেকে ৯জনকে আটক করা হয়।
এর আগে নগরীর পলাশপুর, মোহাম্মদপুর ও আল মাদানী সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী এবং সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় কাউনিয়া থানা পুলিশ। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএমপির উত্তর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হুসাইন।
অভিযানে ১০৫ পিস ইয়াবা, ২০০ গ্রাম গাঁজা, মাদক বিক্রির ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮০০ টাকা ও তিনটি মোটরসাইকেলসহ আটজনকে আটক করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হুসাইন। তিনি বলেন, বরিশাল মহানগরীকে মাদকমুক্ত করতে বিএমপি কমিশনারের নির্দেশে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে স্থানীয় নাগরিকদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করছেন। মহানগরীকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে, জানান পুলিশ কর্মকর্তা।’

২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ২৩:৫০
প্রথম দফায় সারাদেশে ২৩৭ আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। কিন্তু এরমধ্যে নেই বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসন। দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর দ্বন্দ্ব নাকি জোটের শরিকদের আসন ছাড়ের জন্য এখানে প্রার্থী ঘোষণা হয়নি, তা স্পষ্ট করেনি বিএনপি। তবে এই আশা-নিরাশার মাঝেই বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমের রহমানকে এই আসনে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দীর্ঘ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে ওই বিক্ষোভ ও ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এসময় উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের একাংশের নেতৃত্বে রহমতপুর এলাকায় বরিশাল বিমানবন্দর মোড় থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বেগম সেলিমা রহমানের অনুসারী কয়েক হাজার বিএনপি নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার সাধারণ মানুষসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারীদের অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়।
মানববন্ধন সমাবেশে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য ইসরত হোসেন কচি তালুকদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মো. মোহসীন আলম, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, কামাল সরদার, সেলিম সরদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুব তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সদস্য পারভেজ মৃধা, মনিরুজ্জামান মিল্টন, মিজানুর রহমান, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, সহ-সভাপতি মাহবুব আলম, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান রবীন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
মানববন্ধন সমাবেশে বক্তারা বেগম সেলিমা রহমানকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, 'বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত বেগম সেলিমা রহমান দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল-৩ আসনের মানুষের পাশে থেকেছেন। তাঁর সুদীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও যোগ্যতাকে মূল্যায়ন করে আগামী নির্বাচনে তাকে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ঘোষণা করতে হবে। ত্যাগী ও জনপ্রিয় এই নেত্রীকে উপেক্ষা করে বিগত দিনে দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া বিতর্কিত কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তৃণমূলে বিদ্রোহ দেখা দেবে। এতে সংগঠন দুর্বল হবে এবং এই নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।'
উল্লেখ্য, বরিশালের ৬টি আসনের মধ্যে ৫টিতে প্রার্থী ঘোষণা করলেও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনে এখনো দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি বিএনপি। ফলে নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ, হতাশা আর অনিশ্চয়তা। গত ৩ নভেম্বর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭টি আসনে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। কিন্তু তাতে বরিশাল-৩ আসনটি শূন্য রাখা হয়। এই আসনটি বিএনপির জোটের শরিক এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে এমন খবর চাউর হয় নির্বাচনী এলাকায়। তবে দলটির হাইকমান্ডের একটি সূত্রের দাবি, বেগম সেলিমা রহমানের সাথে এই আসনে মনোনয়নের পাওয়ার যুদ্ধে লড়ছেন আরেক হেভিওয়েট প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। শীর্ষ এই দুইজন প্রভাবশালী নেতার দ্বন্দ্বের কারণেই এই আসনে এখনো প্রার্থী দেয়নি বিএনপি।
এই দুই শীর্ষ নেতা ছাড়াও বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চাইছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ এবং বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক মুলাদী উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খান। তবে সেলিমা রহমানকে মনোনয়ন দিলে এই দুই নেতা তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে পারেন বলে আভাস পাওয়া গেছে। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে বেগম সেলিমা রহমান, ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ এবং আব্দুস সাত্তার খান একই মঞ্চে একাধিকবার সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠক, গণসংযোগ এবং ৩১ দফার সমর্থনে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে সম্মিলিতভাবে অংশ নিয়েছেন। অপরদিকে আরেক হেভিওয়েট প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন মনোনয়ন দৌড়ে একাই লড়ছেন। তিনিও পৃথকভাবে তার অনুসারী বিএনপি নেতাকর্মী নিয়ে বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলায় বিভিন্ন নির্বাচনী সভা-সমাবেশ আর প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয় রয়েছেন। তবে শেষ পর্যন্ত কে পাচ্ছেন বিএনপির টিকেট, তা জানতে হয়তো আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। #
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬