
২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ২৩:৫০
প্রথম দফায় সারাদেশে ২৩৭ আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। কিন্তু এরমধ্যে নেই বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসন। দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর দ্বন্দ্ব নাকি জোটের শরিকদের আসন ছাড়ের জন্য এখানে প্রার্থী ঘোষণা হয়নি, তা স্পষ্ট করেনি বিএনপি। তবে এই আশা-নিরাশার মাঝেই বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমের রহমানকে এই আসনে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দীর্ঘ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে ওই বিক্ষোভ ও ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এসময় উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের একাংশের নেতৃত্বে রহমতপুর এলাকায় বরিশাল বিমানবন্দর মোড় থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বেগম সেলিমা রহমানের অনুসারী কয়েক হাজার বিএনপি নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার সাধারণ মানুষসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারীদের অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়।
মানববন্ধন সমাবেশে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য ইসরত হোসেন কচি তালুকদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মো. মোহসীন আলম, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, কামাল সরদার, সেলিম সরদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুব তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সদস্য পারভেজ মৃধা, মনিরুজ্জামান মিল্টন, মিজানুর রহমান, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, সহ-সভাপতি মাহবুব আলম, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান রবীন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
মানববন্ধন সমাবেশে বক্তারা বেগম সেলিমা রহমানকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, 'বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত বেগম সেলিমা রহমান দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল-৩ আসনের মানুষের পাশে থেকেছেন। তাঁর সুদীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও যোগ্যতাকে মূল্যায়ন করে আগামী নির্বাচনে তাকে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ঘোষণা করতে হবে। ত্যাগী ও জনপ্রিয় এই নেত্রীকে উপেক্ষা করে বিগত দিনে দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া বিতর্কিত কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তৃণমূলে বিদ্রোহ দেখা দেবে। এতে সংগঠন দুর্বল হবে এবং এই নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।'
উল্লেখ্য, বরিশালের ৬টি আসনের মধ্যে ৫টিতে প্রার্থী ঘোষণা করলেও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনে এখনো দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি বিএনপি। ফলে নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ, হতাশা আর অনিশ্চয়তা। গত ৩ নভেম্বর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭টি আসনে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। কিন্তু তাতে বরিশাল-৩ আসনটি শূন্য রাখা হয়। এই আসনটি বিএনপির জোটের শরিক এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে এমন খবর চাউর হয় নির্বাচনী এলাকায়। তবে দলটির হাইকমান্ডের একটি সূত্রের দাবি, বেগম সেলিমা রহমানের সাথে এই আসনে মনোনয়নের পাওয়ার যুদ্ধে লড়ছেন আরেক হেভিওয়েট প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। শীর্ষ এই দুইজন প্রভাবশালী নেতার দ্বন্দ্বের কারণেই এই আসনে এখনো প্রার্থী দেয়নি বিএনপি।
এই দুই শীর্ষ নেতা ছাড়াও বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চাইছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ এবং বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক মুলাদী উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খান। তবে সেলিমা রহমানকে মনোনয়ন দিলে এই দুই নেতা তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে পারেন বলে আভাস পাওয়া গেছে। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে বেগম সেলিমা রহমান, ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ এবং আব্দুস সাত্তার খান একই মঞ্চে একাধিকবার সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠক, গণসংযোগ এবং ৩১ দফার সমর্থনে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে সম্মিলিতভাবে অংশ নিয়েছেন। অপরদিকে আরেক হেভিওয়েট প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন মনোনয়ন দৌড়ে একাই লড়ছেন। তিনিও পৃথকভাবে তার অনুসারী বিএনপি নেতাকর্মী নিয়ে বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলায় বিভিন্ন নির্বাচনী সভা-সমাবেশ আর প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয় রয়েছেন। তবে শেষ পর্যন্ত কে পাচ্ছেন বিএনপির টিকেট, তা জানতে হয়তো আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। #
প্রথম দফায় সারাদেশে ২৩৭ আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। কিন্তু এরমধ্যে নেই বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসন। দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর দ্বন্দ্ব নাকি জোটের শরিকদের আসন ছাড়ের জন্য এখানে প্রার্থী ঘোষণা হয়নি, তা স্পষ্ট করেনি বিএনপি। তবে এই আশা-নিরাশার মাঝেই বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমের রহমানকে এই আসনে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দীর্ঘ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে ওই বিক্ষোভ ও ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এসময় উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের একাংশের নেতৃত্বে রহমতপুর এলাকায় বরিশাল বিমানবন্দর মোড় থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বেগম সেলিমা রহমানের অনুসারী কয়েক হাজার বিএনপি নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার সাধারণ মানুষসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারীদের অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়।
মানববন্ধন সমাবেশে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য ইসরত হোসেন কচি তালুকদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মো. মোহসীন আলম, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, কামাল সরদার, সেলিম সরদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুব তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সদস্য পারভেজ মৃধা, মনিরুজ্জামান মিল্টন, মিজানুর রহমান, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, সহ-সভাপতি মাহবুব আলম, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান রবীন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
মানববন্ধন সমাবেশে বক্তারা বেগম সেলিমা রহমানকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, 'বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত বেগম সেলিমা রহমান দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল-৩ আসনের মানুষের পাশে থেকেছেন। তাঁর সুদীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও যোগ্যতাকে মূল্যায়ন করে আগামী নির্বাচনে তাকে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ঘোষণা করতে হবে। ত্যাগী ও জনপ্রিয় এই নেত্রীকে উপেক্ষা করে বিগত দিনে দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া বিতর্কিত কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তৃণমূলে বিদ্রোহ দেখা দেবে। এতে সংগঠন দুর্বল হবে এবং এই নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।'
উল্লেখ্য, বরিশালের ৬টি আসনের মধ্যে ৫টিতে প্রার্থী ঘোষণা করলেও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনে এখনো দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি বিএনপি। ফলে নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ, হতাশা আর অনিশ্চয়তা। গত ৩ নভেম্বর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭টি আসনে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। কিন্তু তাতে বরিশাল-৩ আসনটি শূন্য রাখা হয়। এই আসনটি বিএনপির জোটের শরিক এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে এমন খবর চাউর হয় নির্বাচনী এলাকায়। তবে দলটির হাইকমান্ডের একটি সূত্রের দাবি, বেগম সেলিমা রহমানের সাথে এই আসনে মনোনয়নের পাওয়ার যুদ্ধে লড়ছেন আরেক হেভিওয়েট প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। শীর্ষ এই দুইজন প্রভাবশালী নেতার দ্বন্দ্বের কারণেই এই আসনে এখনো প্রার্থী দেয়নি বিএনপি।
এই দুই শীর্ষ নেতা ছাড়াও বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চাইছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ এবং বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক মুলাদী উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খান। তবে সেলিমা রহমানকে মনোনয়ন দিলে এই দুই নেতা তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে পারেন বলে আভাস পাওয়া গেছে। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে বেগম সেলিমা রহমান, ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ এবং আব্দুস সাত্তার খান একই মঞ্চে একাধিকবার সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠক, গণসংযোগ এবং ৩১ দফার সমর্থনে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে সম্মিলিতভাবে অংশ নিয়েছেন। অপরদিকে আরেক হেভিওয়েট প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন মনোনয়ন দৌড়ে একাই লড়ছেন। তিনিও পৃথকভাবে তার অনুসারী বিএনপি নেতাকর্মী নিয়ে বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলায় বিভিন্ন নির্বাচনী সভা-সমাবেশ আর প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয় রয়েছেন। তবে শেষ পর্যন্ত কে পাচ্ছেন বিএনপির টিকেট, তা জানতে হয়তো আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। #

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.