
১০ মে, ২০২৬ ১২:৩৫
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনীতে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) হিসেবে নিয়োগ পাওয়া অন্তত ৫০ হাজার জনের বিষয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশের গোয়েন্দারা তাঁদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তদন্ত করছেন। এসব নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ ও প্রশ্ন ওঠায় বাহিনীতে অভ্যন্তরীণ এই তদন্ত চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, তদন্তে পুলিশের এই অর্ধলক্ষ সদস্যের নিয়োগপ্রক্রিয়া, আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা, এমনকি স্থায়ী ঠিকানার সত্যতাও যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম, ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার ও দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেবে সরকার।
এ বিষয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, বিগত ১০ বছরের পুলিশের নিয়োগে বিভিন্ন পর্যায়ে জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বিষয়গুলো তদন্তে পাঠানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে অন্তত ৫০ হাজার ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগ দেওয়া হয়।
এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে এক জেলার প্রার্থীকে অন্য জেলার কোটায় নিয়োগ, রাজনৈতিক সুপারিশ থাকা তালিকা ব্যবহার এবং লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের অজুহাতে মেধাবীদের বাদ দিয়ে দলীয় লোকজনকে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আলাদা কক্ষে পরীক্ষার ব্যবস্থা করাসহ বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্তে পুলিশ সদর দপ্তরকে আনুষ্ঠানিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, পুলিশ সদর দপ্তর জেলা পুলিশ সুপারদের (এসপি) প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। প্রতিটি কমিটিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন), ডিআইও-১ এবং রিজার্ভ অফিস ইন্সপেক্টর সদস্য হিসেবে রয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন এপ্রিলের মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে এ সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ হয়নি।
পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনা ৬৪ জেলায় পৌঁছানোর পর জেলা পুলিশ নিয়োগের তালিকা ধরে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বাড়িতে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। জেলা থেকে থানা পর্যায়ে পাঠানো এ-সংক্রান্ত চিঠিতে মূলত চারটি বিষয়ে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—নিয়োগপ্রাপ্ত ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবলরা ভুয়া স্থায়ী ঠিকানা ব্যবহার করে চাকরি পেয়েছেন কি না, অন্য জেলার প্রার্থীকে জমি কেনার ভিত্তিতে স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে দেখানো হয়েছে কি না, কিংবা অর্থের বিনিময়ে বিশেষ কক্ষে পরীক্ষা নেওয়ার মতো অনিয়ম হয়েছে কি না। একই সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে অযোগ্য ঘোষণা বা অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের সিরাজগঞ্জ জেলার এক উপপরিদর্শক (এসআই) নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জেলা গোয়েন্দা শাখা থেকে চিঠি পাওয়ার পর খুব অল্প সময়ের মধ্যে তিনি কাজ শুরু করেছেন। ওই সময়ে তাঁর থানা এলাকার ৩০-৩৫ জন কনস্টেবল নিয়োগ পেয়েছেন। তাঁদের বাড়িতে গিয়ে স্থায়ী ঠিকানা ও রাজনৈতিক পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তে কিছু সমস্যাও হচ্ছে। যেমন—নিয়োগ পরীক্ষায় অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার বিষয়টি খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের কনফিডেনশিয়াল শাখার উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) কামরুল আহসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, জেলা থেকে তদন্ত প্রতিবেদন আসতে শুরু করেছে। সব প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হবে। রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড ক্যারিয়ার প্ল্যানিং শাখা বিষয়টি দেখভাল করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে সারা দেশে প্রায় ৭০ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে কনস্টেবল পদে ৫০ হাজারের বেশি সদস্য নিয়োগ পান। বাকিরা ছিলেন উপপরিদর্শক পদের।
বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, আওয়ামী লীগ সরকার পুলিশ বাহিনীকে দলীয়করণ করেছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড়, গুম, নির্যাতন ও দমন-পীড়নে পুলিশকে ব্যবহার করতেই দলীয় লোকজনকে বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ তাদের।
বর্তমানে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) কর্মরত বগুড়ার এক কনস্টেবল নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অনিয়ম করে কেউ চাকরি নিলে তদন্ত হওয়া স্বাভাবিক। তবে যাঁরা নিয়ম মেনে চাকরি পেয়েছেন, তাঁরা যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটাও দেখতে হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের আমলে কনস্টেবলদের মতো উপপরিদর্শক নিয়োগেও জেলা কোটা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও কিশোরগঞ্জের প্রার্থীদের বেশি নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী কিংবা তাঁদের পরিবারের সদস্যদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
সূত্রটি আরও বলছে, ২০১২ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৩৩তম থেকে ৪০তম ব্যাচে অন্তত ১৫ হাজার উপপরিদর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দ্রুত মাঠে নামাতে উপপরিদর্শকদের দুই বছরের প্রশিক্ষণ এক বছরে নামিয়ে আনা হয়েছিল। এমনকি লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর মৌখিক পরীক্ষার আগেই পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা হয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, কনস্টেবল নিয়োগের বিষয়ে অভিযোগের তদন্ত শেষে সন্দেহজনকভাবে নিয়োগ পাওয়া উপপরিদর্শকদের বিষয়েও যাচাই-বাছাই করা হবে। বিশেষ করে ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও কিশোরগঞ্জের নিয়োগপ্রাপ্তদের বিষয়ে যাচাইয়ে আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সার্বিক বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সাবেক আইজিপি মুহাম্মদ নুরুল হুদা বলেন, বিভিন্ন সময়েই টিআরসি নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ শোনা যায়। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কেউ ভেরিফিকেশনে বাদ পড়েন, আবার কেউ সহজে পার হয়ে যান। নিয়োগপ্রক্রিয়াকে মানসম্মত ও স্বচ্ছ করা গেলে ভবিষ্যতে এমন তদন্তের প্রয়োজন পড়বে না। সব সরকারেরই উচিত অন্তত ছোট ছোট নিয়োগেও রাজনৈতিক পছন্দ-অপছন্দ চাপিয়ে না দেওয়া।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনীতে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) হিসেবে নিয়োগ পাওয়া অন্তত ৫০ হাজার জনের বিষয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশের গোয়েন্দারা তাঁদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তদন্ত করছেন। এসব নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ ও প্রশ্ন ওঠায় বাহিনীতে অভ্যন্তরীণ এই তদন্ত চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, তদন্তে পুলিশের এই অর্ধলক্ষ সদস্যের নিয়োগপ্রক্রিয়া, আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা, এমনকি স্থায়ী ঠিকানার সত্যতাও যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম, ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার ও দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেবে সরকার।
এ বিষয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, বিগত ১০ বছরের পুলিশের নিয়োগে বিভিন্ন পর্যায়ে জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বিষয়গুলো তদন্তে পাঠানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে অন্তত ৫০ হাজার ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগ দেওয়া হয়।
এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে এক জেলার প্রার্থীকে অন্য জেলার কোটায় নিয়োগ, রাজনৈতিক সুপারিশ থাকা তালিকা ব্যবহার এবং লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের অজুহাতে মেধাবীদের বাদ দিয়ে দলীয় লোকজনকে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আলাদা কক্ষে পরীক্ষার ব্যবস্থা করাসহ বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্তে পুলিশ সদর দপ্তরকে আনুষ্ঠানিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, পুলিশ সদর দপ্তর জেলা পুলিশ সুপারদের (এসপি) প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। প্রতিটি কমিটিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন), ডিআইও-১ এবং রিজার্ভ অফিস ইন্সপেক্টর সদস্য হিসেবে রয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন এপ্রিলের মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে এ সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ হয়নি।
পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনা ৬৪ জেলায় পৌঁছানোর পর জেলা পুলিশ নিয়োগের তালিকা ধরে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বাড়িতে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। জেলা থেকে থানা পর্যায়ে পাঠানো এ-সংক্রান্ত চিঠিতে মূলত চারটি বিষয়ে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—নিয়োগপ্রাপ্ত ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবলরা ভুয়া স্থায়ী ঠিকানা ব্যবহার করে চাকরি পেয়েছেন কি না, অন্য জেলার প্রার্থীকে জমি কেনার ভিত্তিতে স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে দেখানো হয়েছে কি না, কিংবা অর্থের বিনিময়ে বিশেষ কক্ষে পরীক্ষা নেওয়ার মতো অনিয়ম হয়েছে কি না। একই সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে অযোগ্য ঘোষণা বা অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের সিরাজগঞ্জ জেলার এক উপপরিদর্শক (এসআই) নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জেলা গোয়েন্দা শাখা থেকে চিঠি পাওয়ার পর খুব অল্প সময়ের মধ্যে তিনি কাজ শুরু করেছেন। ওই সময়ে তাঁর থানা এলাকার ৩০-৩৫ জন কনস্টেবল নিয়োগ পেয়েছেন। তাঁদের বাড়িতে গিয়ে স্থায়ী ঠিকানা ও রাজনৈতিক পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তে কিছু সমস্যাও হচ্ছে। যেমন—নিয়োগ পরীক্ষায় অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার বিষয়টি খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের কনফিডেনশিয়াল শাখার উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) কামরুল আহসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, জেলা থেকে তদন্ত প্রতিবেদন আসতে শুরু করেছে। সব প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হবে। রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড ক্যারিয়ার প্ল্যানিং শাখা বিষয়টি দেখভাল করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে সারা দেশে প্রায় ৭০ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে কনস্টেবল পদে ৫০ হাজারের বেশি সদস্য নিয়োগ পান। বাকিরা ছিলেন উপপরিদর্শক পদের।
বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, আওয়ামী লীগ সরকার পুলিশ বাহিনীকে দলীয়করণ করেছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড়, গুম, নির্যাতন ও দমন-পীড়নে পুলিশকে ব্যবহার করতেই দলীয় লোকজনকে বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ তাদের।
বর্তমানে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) কর্মরত বগুড়ার এক কনস্টেবল নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অনিয়ম করে কেউ চাকরি নিলে তদন্ত হওয়া স্বাভাবিক। তবে যাঁরা নিয়ম মেনে চাকরি পেয়েছেন, তাঁরা যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটাও দেখতে হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের আমলে কনস্টেবলদের মতো উপপরিদর্শক নিয়োগেও জেলা কোটা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও কিশোরগঞ্জের প্রার্থীদের বেশি নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী কিংবা তাঁদের পরিবারের সদস্যদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
সূত্রটি আরও বলছে, ২০১২ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৩৩তম থেকে ৪০তম ব্যাচে অন্তত ১৫ হাজার উপপরিদর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দ্রুত মাঠে নামাতে উপপরিদর্শকদের দুই বছরের প্রশিক্ষণ এক বছরে নামিয়ে আনা হয়েছিল। এমনকি লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর মৌখিক পরীক্ষার আগেই পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা হয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, কনস্টেবল নিয়োগের বিষয়ে অভিযোগের তদন্ত শেষে সন্দেহজনকভাবে নিয়োগ পাওয়া উপপরিদর্শকদের বিষয়েও যাচাই-বাছাই করা হবে। বিশেষ করে ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও কিশোরগঞ্জের নিয়োগপ্রাপ্তদের বিষয়ে যাচাইয়ে আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সার্বিক বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সাবেক আইজিপি মুহাম্মদ নুরুল হুদা বলেন, বিভিন্ন সময়েই টিআরসি নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ শোনা যায়। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কেউ ভেরিফিকেশনে বাদ পড়েন, আবার কেউ সহজে পার হয়ে যান। নিয়োগপ্রক্রিয়াকে মানসম্মত ও স্বচ্ছ করা গেলে ভবিষ্যতে এমন তদন্তের প্রয়োজন পড়বে না। সব সরকারেরই উচিত অন্তত ছোট ছোট নিয়োগেও রাজনৈতিক পছন্দ-অপছন্দ চাপিয়ে না দেওয়া।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১

১৮ জুন, ২০২৬ ১৩:২২
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১২
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৪
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.