
২৮ জুলাই, ২০২৫ ১৭:০২
বিএনপির এক গ্রুপের দুইপক্ষের মধ্যে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় রক্তাক্ত জখম হওয়া ছাত্রদল নেতার ভাই বাদি হয়ে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিবসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সোমবার (২৮ জুলাই) সকালে হামলার ঘটনায় লিখিত অভিযোগপ্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, পুরো ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে রবিবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাতে উত্তর পালরদী গ্রামের আবুল হোসেন ডাক্তার বাদি হয়ে দায়ের করা অভিযোগে প্রধান আসামি করা হয়েছে, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাত হান্নানকে। অন্যান্য আসামিরা হলেন-ছাত্রদল নেতা জসিম শরীফ, জামান শরীফ, জুয়েল শরীফ ও হুমায়ুন পাইক। এছাড়া আরো ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
আবুল হোসেন ডাক্তার তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডস্থ সরকারি অডিটোরিয়ামে গত ২৭ জুলাই দুপুরে উপজেলা ও পৌর বিএনপির একটি প্রস্তুতি সভা চলছিলো। ওইসময় সিনিয়র নেতাদের সাথে সৃষ্ট বিরোধের জেরধরে উপরোক্ত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২ জনে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রধান আসামির হুকুমে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি মো. রমজান ডাক্তার এবং ছাত্রদল নেতা জসিম দর্জির ওপর হামলা চালায়।
হামলাকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রমজানকে কুপিয়ে ও জসিমকে পিটিয়ে আহত করে। এসময় তাদের সাথে থাকা ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও একটি মোটরসাইকেল হামলাকারীরা নিয়ে যায়। গুরুত্বর আহত মো. রমজানকে গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে এ হামলার প্রতিবাদে ২৭ জুলাই বিকেলে গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ডে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সভায় বক্তারা অনতিবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান করেছেন।
উল্লেখ্য, স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপনের অনুসারিদের উদ্যোগে উপজেলা বিএনপির আয়োজনে আগামী ৫ আগস্টের কর্মসূচি পালনের জন্য ২৭ জুলাই প্রস্তুতি সভা চলছিলো। ওইসভায় উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক বদিউজ্জামান মিন্টুকে রহস্যজনক কারণে দাওয়াত নেয়া হয়নি।
দুপুর একটার দিকে প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত উপজেলা বিএনপির আহবায়কের কাছে দাওয়াত না দেয়ার বিষয়টি জানতে চান বদিউজ্জামান মিন্টু। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান ও তার ভাইয়ের ছেলে ছাত্রদল নেতা জসিম শরীফের নেতৃত্বে মিন্টু ও তার সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়।
এসময় জহির উদ্দিন স্বপন গ্রুপের নেতা মিন্টু ও হান্নান সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে পাঁচজন আহত হয়। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই গঠণ করা হবে গৌরনদী উপজেলা বিএনপির নতুন কমিটি। আর ওই কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী বদিউজ্জামান মিন্টু ও জহির সাজ্জাত হান্নান।
বিএনপির এক গ্রুপের দুইপক্ষের মধ্যে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় রক্তাক্ত জখম হওয়া ছাত্রদল নেতার ভাই বাদি হয়ে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিবসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সোমবার (২৮ জুলাই) সকালে হামলার ঘটনায় লিখিত অভিযোগপ্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, পুরো ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে রবিবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাতে উত্তর পালরদী গ্রামের আবুল হোসেন ডাক্তার বাদি হয়ে দায়ের করা অভিযোগে প্রধান আসামি করা হয়েছে, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাত হান্নানকে। অন্যান্য আসামিরা হলেন-ছাত্রদল নেতা জসিম শরীফ, জামান শরীফ, জুয়েল শরীফ ও হুমায়ুন পাইক। এছাড়া আরো ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
আবুল হোসেন ডাক্তার তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডস্থ সরকারি অডিটোরিয়ামে গত ২৭ জুলাই দুপুরে উপজেলা ও পৌর বিএনপির একটি প্রস্তুতি সভা চলছিলো। ওইসময় সিনিয়র নেতাদের সাথে সৃষ্ট বিরোধের জেরধরে উপরোক্ত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২ জনে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রধান আসামির হুকুমে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি মো. রমজান ডাক্তার এবং ছাত্রদল নেতা জসিম দর্জির ওপর হামলা চালায়।
হামলাকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রমজানকে কুপিয়ে ও জসিমকে পিটিয়ে আহত করে। এসময় তাদের সাথে থাকা ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও একটি মোটরসাইকেল হামলাকারীরা নিয়ে যায়। গুরুত্বর আহত মো. রমজানকে গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে এ হামলার প্রতিবাদে ২৭ জুলাই বিকেলে গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ডে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সভায় বক্তারা অনতিবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান করেছেন।
উল্লেখ্য, স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপনের অনুসারিদের উদ্যোগে উপজেলা বিএনপির আয়োজনে আগামী ৫ আগস্টের কর্মসূচি পালনের জন্য ২৭ জুলাই প্রস্তুতি সভা চলছিলো। ওইসভায় উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক বদিউজ্জামান মিন্টুকে রহস্যজনক কারণে দাওয়াত নেয়া হয়নি।
দুপুর একটার দিকে প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত উপজেলা বিএনপির আহবায়কের কাছে দাওয়াত না দেয়ার বিষয়টি জানতে চান বদিউজ্জামান মিন্টু। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান ও তার ভাইয়ের ছেলে ছাত্রদল নেতা জসিম শরীফের নেতৃত্বে মিন্টু ও তার সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়।
এসময় জহির উদ্দিন স্বপন গ্রুপের নেতা মিন্টু ও হান্নান সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে পাঁচজন আহত হয়। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই গঠণ করা হবে গৌরনদী উপজেলা বিএনপির নতুন কমিটি। আর ওই কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী বদিউজ্জামান মিন্টু ও জহির সাজ্জাত হান্নান।
২০ জুন, ২০২৬ ২০:৫৯
২০ জুন, ২০২৬ ২০:১০
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২

২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২
বরিশালের বানারীপাড়ায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে গোপনে শিক্ষক হাজিরা খাতায স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি কিশোর কুমার বড়াল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ১৬ জুন বানারীপাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এতে অভিযোগ করা হয় গত ৩ মে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বায়েজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের চাকরি নেওয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তার
বেতন-ভাতা বন্ধ করা হয়। ফলে গত ৪ মে থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত তিনি স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেননি। ১৪ জুন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বিদ্যালয়ের কাজে ঢাকায় যান।
এ সুযোগে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার ১৫ জুন বিদ্যালয়ে এসে গত ৪ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত হাজিরা খাতায় এক সঙ্গে সবগুলো স্বাক্ষর করেন।
বিষয়টি জেনে ১৬ জুন প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের ঘরে লাল কালির দাগ টেনে দুদিন বরিশালে দাপ্তরিক কাজে গেলে তার সেই লাল কালির দাগের মধ্যে ১৬ ও ১৭ জুন সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার স্বাক্ষর করেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বলেন আমি স্কুলের কাজে ঢাকা ও বরিশালে থাকার সুযোগে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার হাজিরা খাতায় গোপনে স্বাক্ষর করেন।
এমনকি আমার দেওয়া লাল কালির দাগের মধ্যেও তিনি ১৬ ও ১৭ জুন স্বাক্ষর করেছেন। তার বিষয় নিয়ে সকল শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় ইউএনও মহোদয় বেতন-ভাতা বন্ধ করে তাকে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করার পরেও তিনি আসেন এবং গোপনে স্বাক্ষর করায় তার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।
এ ব্যপারে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার বলেন, তার বেতন-ভাতা বন্ধ করার এখতিয়ার কেবল মন্ত্রনালয়ের রয়েছে, ইউএনও কিংবা প্রধান শিক্ষকের নেই। তার সার্টিফিকেট জাল কিংবা ভূয়া নয়।
এধরণের কম্পিউটার সার্টিফিকেট দিয়ে বিভিন্ন স্কুলে অনেকেই চাকরি করছেন। গোপনে নয় প্রতিদিন বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন দাবি করে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে তাকে হয়রাণি করছেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তদন্তে ওই সহকারি শিক্ষকের সার্টিফিকেট জালিয়াতির বিষয়টি প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে
বরিশালের বানারীপাড়ায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে গোপনে শিক্ষক হাজিরা খাতায স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি কিশোর কুমার বড়াল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ১৬ জুন বানারীপাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এতে অভিযোগ করা হয় গত ৩ মে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বায়েজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের চাকরি নেওয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তার
বেতন-ভাতা বন্ধ করা হয়। ফলে গত ৪ মে থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত তিনি স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেননি। ১৪ জুন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বিদ্যালয়ের কাজে ঢাকায় যান।
এ সুযোগে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার ১৫ জুন বিদ্যালয়ে এসে গত ৪ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত হাজিরা খাতায় এক সঙ্গে সবগুলো স্বাক্ষর করেন।
বিষয়টি জেনে ১৬ জুন প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের ঘরে লাল কালির দাগ টেনে দুদিন বরিশালে দাপ্তরিক কাজে গেলে তার সেই লাল কালির দাগের মধ্যে ১৬ ও ১৭ জুন সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার স্বাক্ষর করেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বলেন আমি স্কুলের কাজে ঢাকা ও বরিশালে থাকার সুযোগে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার হাজিরা খাতায় গোপনে স্বাক্ষর করেন।
এমনকি আমার দেওয়া লাল কালির দাগের মধ্যেও তিনি ১৬ ও ১৭ জুন স্বাক্ষর করেছেন। তার বিষয় নিয়ে সকল শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় ইউএনও মহোদয় বেতন-ভাতা বন্ধ করে তাকে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করার পরেও তিনি আসেন এবং গোপনে স্বাক্ষর করায় তার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।
এ ব্যপারে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার বলেন, তার বেতন-ভাতা বন্ধ করার এখতিয়ার কেবল মন্ত্রনালয়ের রয়েছে, ইউএনও কিংবা প্রধান শিক্ষকের নেই। তার সার্টিফিকেট জাল কিংবা ভূয়া নয়।
এধরণের কম্পিউটার সার্টিফিকেট দিয়ে বিভিন্ন স্কুলে অনেকেই চাকরি করছেন। গোপনে নয় প্রতিদিন বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন দাবি করে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে তাকে হয়রাণি করছেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তদন্তে ওই সহকারি শিক্ষকের সার্টিফিকেট জালিয়াতির বিষয়টি প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৫
মোবাইলে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৩ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাউরগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত জালাল সিকদার (৬৫) ওই এলাকার মৃত আজাহার সিকদারের ছেলে।ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে প্রতিবেশী জালাল সিকদার শিশুটিকে মোবাইলে কার্টুন দেখানোর কথা বলে নিজ বসত ঘরের ভেতরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।
জালালের একাধিক বিয়ে থাকলেও বর্তমানে তার ঘরে কোনো স্ত্রী নেই। ঘটনার পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন।
শিশুর চাচী জানান, শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তার মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তৌকির আহমেদ জানান, শিশু কন্যাটির যৌনাঙ্গ ফোলা ও রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে স্বজনরা ওইদিন গভীর রাতে হাসপাতালে নিয়ে আসে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম বলেন, খবর পেয়ে ওই রাতেই আমি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।তিনি জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মোবাইলে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৩ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাউরগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত জালাল সিকদার (৬৫) ওই এলাকার মৃত আজাহার সিকদারের ছেলে।ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে প্রতিবেশী জালাল সিকদার শিশুটিকে মোবাইলে কার্টুন দেখানোর কথা বলে নিজ বসত ঘরের ভেতরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।
জালালের একাধিক বিয়ে থাকলেও বর্তমানে তার ঘরে কোনো স্ত্রী নেই। ঘটনার পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন।
শিশুর চাচী জানান, শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তার মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তৌকির আহমেদ জানান, শিশু কন্যাটির যৌনাঙ্গ ফোলা ও রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে স্বজনরা ওইদিন গভীর রাতে হাসপাতালে নিয়ে আসে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম বলেন, খবর পেয়ে ওই রাতেই আমি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।তিনি জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৯
ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে বরিশালে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন
বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকুল চন্দ্র মুখার্জি, সঞ্জীব সিংহ বর্মন বি এ এম বার সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলা, ব্রাহ্মণ যুব কিশোর সংসদের সভাপতি হৃদয় চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক মিলন চক্রবর্তী, যুব কিশরের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সমন্বয় সিংহ বর্মন সহ বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদও যুব কিশোর বরিশাল জেলার ও মহানগরের নেতৃবৃন্ধরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১ টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বরিশালেও এই কর্মসূচি সংগঠনের জেলা এবং মহানগর কমিটির আয়োজনে পালন করা হয়।
এখানে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদসহ সনাতন ধর্মালম্বীদের বিভিন্ন সংগঠন ব্যানার এবং ফেস্টুন নিয়ে যোগ দেয়। এখানে বক্তারা বলেন,ধর্মের প্রতি আবমাননা এটা সহ্য করার নয়।এবং আমাদের প্রতি নিপীড়ন এটা নতুন কোন ঘটনা নয়। স্বাধনিতার পর থেকেই এমন অত্যাচার চলে আসছে।
আমরা চাই সনাতনীদের প্রতি এহেন অত্যাচার বন্ধ হোক। এজন্য সরকারের প্রতি ব্যবস্থা নিতে জোর দাবী করেন। মানিক মুখার্জী, সভাপতি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল। মানববন্ধনের পর দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল বের হলে তা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে বরিশালে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন
বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকুল চন্দ্র মুখার্জি, সঞ্জীব সিংহ বর্মন বি এ এম বার সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলা, ব্রাহ্মণ যুব কিশোর সংসদের সভাপতি হৃদয় চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক মিলন চক্রবর্তী, যুব কিশরের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সমন্বয় সিংহ বর্মন সহ বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদও যুব কিশোর বরিশাল জেলার ও মহানগরের নেতৃবৃন্ধরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১ টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বরিশালেও এই কর্মসূচি সংগঠনের জেলা এবং মহানগর কমিটির আয়োজনে পালন করা হয়।
এখানে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদসহ সনাতন ধর্মালম্বীদের বিভিন্ন সংগঠন ব্যানার এবং ফেস্টুন নিয়ে যোগ দেয়। এখানে বক্তারা বলেন,ধর্মের প্রতি আবমাননা এটা সহ্য করার নয়।এবং আমাদের প্রতি নিপীড়ন এটা নতুন কোন ঘটনা নয়। স্বাধনিতার পর থেকেই এমন অত্যাচার চলে আসছে।
আমরা চাই সনাতনীদের প্রতি এহেন অত্যাচার বন্ধ হোক। এজন্য সরকারের প্রতি ব্যবস্থা নিতে জোর দাবী করেন। মানিক মুখার্জী, সভাপতি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল। মানববন্ধনের পর দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল বের হলে তা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.