দরজায় কড়া নাড়ছে ইউপি নির্বাচন। বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় ৮ ইউনিয়নে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান, সাধারণ ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ নানা ভাবে তাদের প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন।
কেউ কেউ এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থন চেয়ে শুভেচ্ছা পোষ্টার ও ব্যানার সাঁটিয়ে প্রার্থী হওয়ার অভিপ্রায়ও ব্যক্ত করেছেন। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাইশারী ইউনিয়নে বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর নামের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
এসব সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নামের মধ্যে জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল কবির মুকুলের নাম ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। তিনি ওই ইউনিয়নের বাইশারী গ্রামের মরহুম আঃ রশিদ তালুকদার ও হাচানবানু দম্পতির ছেলে।
সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান রেজাউল কবির মুকুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী, ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের পক্ষে সাহসী ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে তার রাজনীতিতে হাতেখড়ি।
তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং ছাত্রসমাজের অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
২০০২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি পড়াশোনা, কর্মজীবন ও ব্যবসায় নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
এই সময়ে তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং মানবিক ও কল্যাণমূলক উদ্যোগে নিরলসভাবে কাজ করেন। ২০১৭ সাল থেকে অদ্যবধি তিনি জিয়ামঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পাশাপাশি তিনি রাজধানীতে বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির নির্বাহী সদস্য হিসেবে দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন। এই দুই প্ল্যাটফর্ম থেকেই তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করা, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মুকুল একজন পরোপকারী, সদালপি, সৎ,নিষ্ঠাবান, নির্ভীক, কর্মী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে এলাকায় সর্বমহলে সুপরিচিত। তিনি সবসময় জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ান এবং সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, সততা ও কর্মদক্ষতা আগামী দিনে এলাকার উন্নয়ন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমনটাই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন এলাকাবাসী।
সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এলাকায় দলীয় প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর ধানের শীষ প্রতীকের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিয়ে সুমিষ্ট ব্যবহারের মাধ্যমে ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে রেজাউল কবির মুকুল
বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার আস্থা ও ভালোবাসার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। জিয়া অন্তঃপ্রাণ মোঃ রেজাউল কবির মুকুল রাজধানী ও এলাকায় আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
এ প্রসঙ্গে জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল কবির মুকুল বলেন, দল ও আপামর জনতার অকুন্ঠ সমর্থন নিয়ে ঐতিহ্যবাহী বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে দল-মত,ধর্ম-বর্ণ,শ্রেণী-পেশা
নির্বিশেষে সবার জন্য সমান সেবা নিশ্চিত করা পক্ষপাতহীন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা দখলবাজি ,চাঁদাবাজি, মাদক, সন্ত্রাস, অনিয়ম, ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থান গ্রহণ, বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ সর্বোপরি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে আলোকিত এক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করবো ইনশাআল্লাহ্।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৩৬
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর স্থান নেই। কোথাও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে গৌরনদীর কুতুবপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত স্বনির্ভর খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ক্ষমতার উৎস জনগণ, আমরা কেবল জনগণের সেবক। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
পরে অতিথিরা খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান মুকুল, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব শফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু এবং জেলা যুবদলের সৈয়দ আলম খান সেন্টু প্রমুখ।’

২৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩১

২৬ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৩
বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগের প্রতিবাদ এবং বাতিলের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিতর্কিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নেবেন না।
পরে শিক্ষার্থীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, যোগদানের শেষ দিন হলেও ডা. মনিরুজ্জামান অফিসে উপস্থিত হননি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার জন্য নির্ধারিত কক্ষের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন জানিয়েছেন, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে, তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
তার দাবি, ডা. মনিরুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতা সাদিক আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। বরিশালে একজন সৎ, যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী লাবনী আক্তার বলেছেন, বরিশালের মানুষ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই জনস্বার্থে বিতর্কিত কর্মকর্তাকে অপসারণ করে নতুন সিভিল সার্জন নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন জনস্বার্থে।
কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগ বাতিল এবং একজন যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।’

১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৬
দরজায় কড়া নাড়ছে ইউপি নির্বাচন। বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় ৮ ইউনিয়নে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান, সাধারণ ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ নানা ভাবে তাদের প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন।
কেউ কেউ এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থন চেয়ে শুভেচ্ছা পোষ্টার ও ব্যানার সাঁটিয়ে প্রার্থী হওয়ার অভিপ্রায়ও ব্যক্ত করেছেন। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাইশারী ইউনিয়নে বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর নামের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
এসব সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নামের মধ্যে জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল কবির মুকুলের নাম ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। তিনি ওই ইউনিয়নের বাইশারী গ্রামের মরহুম আঃ রশিদ তালুকদার ও হাচানবানু দম্পতির ছেলে।
সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান রেজাউল কবির মুকুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী, ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের পক্ষে সাহসী ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে তার রাজনীতিতে হাতেখড়ি।
তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং ছাত্রসমাজের অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
২০০২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি পড়াশোনা, কর্মজীবন ও ব্যবসায় নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
এই সময়ে তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং মানবিক ও কল্যাণমূলক উদ্যোগে নিরলসভাবে কাজ করেন। ২০১৭ সাল থেকে অদ্যবধি তিনি জিয়ামঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পাশাপাশি তিনি রাজধানীতে বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির নির্বাহী সদস্য হিসেবে দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন। এই দুই প্ল্যাটফর্ম থেকেই তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করা, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মুকুল একজন পরোপকারী, সদালপি, সৎ,নিষ্ঠাবান, নির্ভীক, কর্মী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে এলাকায় সর্বমহলে সুপরিচিত। তিনি সবসময় জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ান এবং সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, সততা ও কর্মদক্ষতা আগামী দিনে এলাকার উন্নয়ন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমনটাই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন এলাকাবাসী।
সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এলাকায় দলীয় প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর ধানের শীষ প্রতীকের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিয়ে সুমিষ্ট ব্যবহারের মাধ্যমে ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে রেজাউল কবির মুকুল
বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার আস্থা ও ভালোবাসার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। জিয়া অন্তঃপ্রাণ মোঃ রেজাউল কবির মুকুল রাজধানী ও এলাকায় আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
এ প্রসঙ্গে জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল কবির মুকুল বলেন, দল ও আপামর জনতার অকুন্ঠ সমর্থন নিয়ে ঐতিহ্যবাহী বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে দল-মত,ধর্ম-বর্ণ,শ্রেণী-পেশা
নির্বিশেষে সবার জন্য সমান সেবা নিশ্চিত করা পক্ষপাতহীন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা দখলবাজি ,চাঁদাবাজি, মাদক, সন্ত্রাস, অনিয়ম, ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থান গ্রহণ, বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ সর্বোপরি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে আলোকিত এক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করবো ইনশাআল্লাহ্।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর স্থান নেই। কোথাও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে গৌরনদীর কুতুবপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত স্বনির্ভর খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ক্ষমতার উৎস জনগণ, আমরা কেবল জনগণের সেবক। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
পরে অতিথিরা খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান মুকুল, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব শফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু এবং জেলা যুবদলের সৈয়দ আলম খান সেন্টু প্রমুখ।’
বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকার কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন। দীর্ঘফষন তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলেও মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে ২২ জুলাই চাকরিচ্যুৎ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ সৃষ্টি হওয়ার আগের পদবি ব্যবহার করে শঙ্কর চন্দ্র মালাকার প্রায় ২৫৮ একর ২৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত আরও ২২২ একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়। এছাড়া স্থানীয় রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ব্যবহার এবং দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়।
এইসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরে ২২ জুলাই তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়। ওই দিন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪ (৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারের বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন। এবং দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭ টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিবিবর্জিত এই কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা জনস্বার্থ ও সরকারি স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল রূপালী বাংলাদেশকে জানান, সাময়িক বরখাস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা ভূমি অফিসে আদেশ পৌঁছেছে। ওই আদেশের আগেই প্রায় সব খাসজমি উদ্ধার করা হয়। এরপরেও খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় আছে কি না তা তদন্তের জন্য সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকার কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন। দীর্ঘফষন তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলেও মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে ২২ জুলাই চাকরিচ্যুৎ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ সৃষ্টি হওয়ার আগের পদবি ব্যবহার করে শঙ্কর চন্দ্র মালাকার প্রায় ২৫৮ একর ২৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত আরও ২২২ একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়। এছাড়া স্থানীয় রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ব্যবহার এবং দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়।
এইসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরে ২২ জুলাই তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়। ওই দিন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪ (৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারের বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন। এবং দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭ টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিবিবর্জিত এই কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা জনস্বার্থ ও সরকারি স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল রূপালী বাংলাদেশকে জানান, সাময়িক বরখাস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা ভূমি অফিসে আদেশ পৌঁছেছে। ওই আদেশের আগেই প্রায় সব খাসজমি উদ্ধার করা হয়। এরপরেও খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় আছে কি না তা তদন্তের জন্য সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগের প্রতিবাদ এবং বাতিলের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিতর্কিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নেবেন না।
পরে শিক্ষার্থীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, যোগদানের শেষ দিন হলেও ডা. মনিরুজ্জামান অফিসে উপস্থিত হননি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার জন্য নির্ধারিত কক্ষের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন জানিয়েছেন, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে, তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
তার দাবি, ডা. মনিরুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতা সাদিক আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। বরিশালে একজন সৎ, যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী লাবনী আক্তার বলেছেন, বরিশালের মানুষ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই জনস্বার্থে বিতর্কিত কর্মকর্তাকে অপসারণ করে নতুন সিভিল সার্জন নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন জনস্বার্থে।
কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগ বাতিল এবং একজন যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।’