
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৬
দরজায় কড়া নাড়ছে ইউপি নির্বাচন। বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় ৮ ইউনিয়নে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান, সাধারণ ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ নানা ভাবে তাদের প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন।
কেউ কেউ এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থন চেয়ে শুভেচ্ছা পোষ্টার ও ব্যানার সাঁটিয়ে প্রার্থী হওয়ার অভিপ্রায়ও ব্যক্ত করেছেন। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাইশারী ইউনিয়নে বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর নামের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
এসব সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নামের মধ্যে জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল কবির মুকুলের নাম ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। তিনি ওই ইউনিয়নের বাইশারী গ্রামের মরহুম আঃ রশিদ তালুকদার ও হাচানবানু দম্পতির ছেলে।
সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান রেজাউল কবির মুকুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী, ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের পক্ষে সাহসী ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে তার রাজনীতিতে হাতেখড়ি।
তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং ছাত্রসমাজের অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
২০০২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি পড়াশোনা, কর্মজীবন ও ব্যবসায় নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
এই সময়ে তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং মানবিক ও কল্যাণমূলক উদ্যোগে নিরলসভাবে কাজ করেন। ২০১৭ সাল থেকে অদ্যবধি তিনি জিয়ামঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পাশাপাশি তিনি রাজধানীতে বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির নির্বাহী সদস্য হিসেবে দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন। এই দুই প্ল্যাটফর্ম থেকেই তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করা, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মুকুল একজন পরোপকারী, সদালপি, সৎ,নিষ্ঠাবান, নির্ভীক, কর্মী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে এলাকায় সর্বমহলে সুপরিচিত। তিনি সবসময় জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ান এবং সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, সততা ও কর্মদক্ষতা আগামী দিনে এলাকার উন্নয়ন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমনটাই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন এলাকাবাসী।
সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এলাকায় দলীয় প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর ধানের শীষ প্রতীকের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিয়ে সুমিষ্ট ব্যবহারের মাধ্যমে ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে রেজাউল কবির মুকুল
বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার আস্থা ও ভালোবাসার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। জিয়া অন্তঃপ্রাণ মোঃ রেজাউল কবির মুকুল রাজধানী ও এলাকায় আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
এ প্রসঙ্গে জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল কবির মুকুল বলেন, দল ও আপামর জনতার অকুন্ঠ সমর্থন নিয়ে ঐতিহ্যবাহী বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে দল-মত,ধর্ম-বর্ণ,শ্রেণী-পেশা
নির্বিশেষে সবার জন্য সমান সেবা নিশ্চিত করা পক্ষপাতহীন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা দখলবাজি ,চাঁদাবাজি, মাদক, সন্ত্রাস, অনিয়ম, ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থান গ্রহণ, বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ সর্বোপরি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে আলোকিত এক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করবো ইনশাআল্লাহ্।
দরজায় কড়া নাড়ছে ইউপি নির্বাচন। বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় ৮ ইউনিয়নে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান, সাধারণ ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ নানা ভাবে তাদের প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন।
কেউ কেউ এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থন চেয়ে শুভেচ্ছা পোষ্টার ও ব্যানার সাঁটিয়ে প্রার্থী হওয়ার অভিপ্রায়ও ব্যক্ত করেছেন। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাইশারী ইউনিয়নে বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর নামের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
এসব সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নামের মধ্যে জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল কবির মুকুলের নাম ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। তিনি ওই ইউনিয়নের বাইশারী গ্রামের মরহুম আঃ রশিদ তালুকদার ও হাচানবানু দম্পতির ছেলে।
সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান রেজাউল কবির মুকুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী, ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের পক্ষে সাহসী ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে তার রাজনীতিতে হাতেখড়ি।
তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং ছাত্রসমাজের অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
২০০২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি পড়াশোনা, কর্মজীবন ও ব্যবসায় নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
এই সময়ে তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং মানবিক ও কল্যাণমূলক উদ্যোগে নিরলসভাবে কাজ করেন। ২০১৭ সাল থেকে অদ্যবধি তিনি জিয়ামঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পাশাপাশি তিনি রাজধানীতে বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির নির্বাহী সদস্য হিসেবে দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন। এই দুই প্ল্যাটফর্ম থেকেই তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করা, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মুকুল একজন পরোপকারী, সদালপি, সৎ,নিষ্ঠাবান, নির্ভীক, কর্মী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে এলাকায় সর্বমহলে সুপরিচিত। তিনি সবসময় জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ান এবং সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, সততা ও কর্মদক্ষতা আগামী দিনে এলাকার উন্নয়ন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমনটাই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন এলাকাবাসী।
সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এলাকায় দলীয় প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর ধানের শীষ প্রতীকের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিয়ে সুমিষ্ট ব্যবহারের মাধ্যমে ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে রেজাউল কবির মুকুল
বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার আস্থা ও ভালোবাসার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। জিয়া অন্তঃপ্রাণ মোঃ রেজাউল কবির মুকুল রাজধানী ও এলাকায় আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
এ প্রসঙ্গে জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল কবির মুকুল বলেন, দল ও আপামর জনতার অকুন্ঠ সমর্থন নিয়ে ঐতিহ্যবাহী বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে দল-মত,ধর্ম-বর্ণ,শ্রেণী-পেশা
নির্বিশেষে সবার জন্য সমান সেবা নিশ্চিত করা পক্ষপাতহীন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা দখলবাজি ,চাঁদাবাজি, মাদক, সন্ত্রাস, অনিয়ম, ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থান গ্রহণ, বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ সর্বোপরি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে আলোকিত এক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করবো ইনশাআল্লাহ্।
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:৩৭
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:২৬
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৪০

২৪ মে, ২০২৬ ১৫:২৬
শিশু রামিসা হত্যা এবং দেশব্যাপী শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে বরিশালে ‘শিশু বন্ধন’ কর্মসূচি পালন করেছে খেলাঘর। দ্রুত বিচার ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে আজ শনিবার সকাল ১০টায় নগরের অশ্বিনীকুমার হলের সামনের সড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের শিশু নির্যাতন বন্ধ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান।
খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি পঙ্কজ রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, রামিসার মতো নির্মম হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চায় না শিশুরা। প্রধানমন্ত্রী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার যে আশ্বাস দিয়েছেন, এখন সবাই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, নিরাপদ শিশু পরিবেশ গড়ে তুলতে শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের নির্যাতন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান তাঁরা।
শুকতারা খেলাঘর আসর–এর সভাপতি কাজী সেলিনা–র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জীবন কৃষ্ণ দে, খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শুভংকর চক্রবর্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজত টিপু এবং সাধারণ সম্পাদক তৌছিক আহমেদ রাহাত।রক্তঝুমুর খেলাঘরের শিশু সদস্য রাইসা ও নাফি, তিলক, শিক্ষকনেতা আমিনুল ইসলাম খোকন, সনাকের সভাপতি টুলু রাণী কর্মকার, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের শিউলি সিংহ, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শিশির, চারুকলা বরিশালের সংগঠক সুষাভ চন্দ্র নিতাই, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সুশান্ত ঘোষ, রক্তঝুমুর খেলাঘর আসরের সভাপতি কামরুন নাহার মেরী এবং জাগৃহী খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ সুলতানা পলি প্রমুখ।’
শিশু রামিসা হত্যা এবং দেশব্যাপী শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে বরিশালে ‘শিশু বন্ধন’ কর্মসূচি পালন করেছে খেলাঘর। দ্রুত বিচার ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে আজ শনিবার সকাল ১০টায় নগরের অশ্বিনীকুমার হলের সামনের সড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের শিশু নির্যাতন বন্ধ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান।
খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি পঙ্কজ রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, রামিসার মতো নির্মম হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চায় না শিশুরা। প্রধানমন্ত্রী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার যে আশ্বাস দিয়েছেন, এখন সবাই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, নিরাপদ শিশু পরিবেশ গড়ে তুলতে শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের নির্যাতন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান তাঁরা।
শুকতারা খেলাঘর আসর–এর সভাপতি কাজী সেলিনা–র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জীবন কৃষ্ণ দে, খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শুভংকর চক্রবর্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজত টিপু এবং সাধারণ সম্পাদক তৌছিক আহমেদ রাহাত।রক্তঝুমুর খেলাঘরের শিশু সদস্য রাইসা ও নাফি, তিলক, শিক্ষকনেতা আমিনুল ইসলাম খোকন, সনাকের সভাপতি টুলু রাণী কর্মকার, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের শিউলি সিংহ, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শিশির, চারুকলা বরিশালের সংগঠক সুষাভ চন্দ্র নিতাই, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সুশান্ত ঘোষ, রক্তঝুমুর খেলাঘর আসরের সভাপতি কামরুন নাহার মেরী এবং জাগৃহী খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ সুলতানা পলি প্রমুখ।’

২৪ মে, ২০২৬ ১৪:০৯
বরিশালে গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস ও বিপরীতমুখী কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে দক্ষিণ পালরদী এলাকায় বরিশালগামী একটি হাইচ মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ-১৯-০৭৪২) এবং ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যানের (ঢাকা মেট্রো-উ-১২-১৭৮৯) মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি উদ্ধারকারী ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মাত্র এক মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অত্যন্ত তৎপরতার সাথে আহতদের উদ্ধার করেন।
আহত পাঁচজনই বরগুনা জেলার বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। আহতদের মধ্যে একজন পুরুষ, দুইজন নারী এবং দুইজন শিশু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষের শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করেন। দুর্ঘটনার পর কিছু সময় মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পরে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি সরিয়ে নেয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি অথবা অসতর্কতার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালে গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস ও বিপরীতমুখী কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে দক্ষিণ পালরদী এলাকায় বরিশালগামী একটি হাইচ মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ-১৯-০৭৪২) এবং ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যানের (ঢাকা মেট্রো-উ-১২-১৭৮৯) মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি উদ্ধারকারী ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মাত্র এক মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অত্যন্ত তৎপরতার সাথে আহতদের উদ্ধার করেন।
আহত পাঁচজনই বরগুনা জেলার বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। আহতদের মধ্যে একজন পুরুষ, দুইজন নারী এবং দুইজন শিশু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষের শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করেন। দুর্ঘটনার পর কিছু সময় মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পরে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি সরিয়ে নেয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি অথবা অসতর্কতার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বরিশাল টাইমস

২৪ মে, ২০২৬ ১৩:৪৭
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর কাঁঠালতলা এলাকায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রহমতপুর এলাকা থেকে ইটবোঝাই একটি ট্রাক বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। একই সময়ে বিপরীত দিক থেকে একটি খালি ট্রাক ঢাকার দিক থেকে আসছিল। কাঁঠালতলা এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে উভয় ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত দুই চালকের একজনের নাম জহিরুল বলে জানা গেছে। তবে অপর চালকের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময়ের জন্য বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতায় দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং গুরুতর আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে।
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর কাঁঠালতলা এলাকায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রহমতপুর এলাকা থেকে ইটবোঝাই একটি ট্রাক বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। একই সময়ে বিপরীত দিক থেকে একটি খালি ট্রাক ঢাকার দিক থেকে আসছিল। কাঁঠালতলা এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে উভয় ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত দুই চালকের একজনের নাম জহিরুল বলে জানা গেছে। তবে অপর চালকের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময়ের জন্য বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতায় দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং গুরুতর আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.