
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৮:৪৭
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) সংসদীয় আসনে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমানকে দেওয়ার দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে মশাল মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছে বিএনপি একাংশের নেতাকর্মীরা। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) উপজেলার রহমতপুরে বরিশাল বিমানবন্দর মোড় এলাকায় সন্ধ্যা সোয়া ৬টা থেকে প্রায় ৪০ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এসময় রাস্তার উভয় দিকে শতশত যানবাহন আটকা পড়ে।
সোমবার বিকেল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে সেলিমা রহমান সমর্থিত বিএনপি নেতাকর্মীরা রহমতপুর ব্রিজের ঢালে এসে জড়ো হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সহস্রাধিক নেতাকর্মীরা মশাল মিছিল নিয়ে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুর ব্রিজ থেকে বরিশাল বিমানবন্দর মোড়ে এসে সড়ক অবরোধ করে। মহাসড়ক অবরোধ করে সেখানে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বরিশাল জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক সেলিম সরদার, কামাল সরদার, সদস্য মনিরুজ্জামান মিল্টন, পারভেজ মৃধা, রিপন খান, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, বরিশাল জেলা ছাত্র দলের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান রবিন, বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রিয়াজ হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রায় ৪০ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে মিছিল-সমাবেশ করে বিএনপির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এসময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেয় এবং অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের মনোনয়ন বাতিল করে সেলিমা রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানায়। বরিশাল জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন বলেন, 'বিএনপির দুঃসময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় থাকা ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না করেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। যিনি মনোনয়ন পেয়েছেন, তাঁর চেয়েও জ্যেষ্ঠ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান দলের দুঃসময়ে বাবুগঞ্জে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন। বাবুগঞ্জ-মুলাদী এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। তাঁকে মনোনয়নবঞ্চিত করা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা আশা করি কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকেরা বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবেন।'
উল্লেখ্য গত ৪ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় ৩৬ আসনে মনোনয়ন ঘোষণা করে বিএনপি। এতে বরিশাল-৩ আসনে মনোনয়ন পান বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। এদিকে এই আসনে প্রথম থেকেই অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিল বিএনপির একাংশ। গত ২৮ নভেম্বর একই দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছিল উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদারের নেতৃত্বে সহস্রাধিক নেতাকর্মীরা। #
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) সংসদীয় আসনে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমানকে দেওয়ার দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে মশাল মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছে বিএনপি একাংশের নেতাকর্মীরা। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) উপজেলার রহমতপুরে বরিশাল বিমানবন্দর মোড় এলাকায় সন্ধ্যা সোয়া ৬টা থেকে প্রায় ৪০ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এসময় রাস্তার উভয় দিকে শতশত যানবাহন আটকা পড়ে।
সোমবার বিকেল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে সেলিমা রহমান সমর্থিত বিএনপি নেতাকর্মীরা রহমতপুর ব্রিজের ঢালে এসে জড়ো হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সহস্রাধিক নেতাকর্মীরা মশাল মিছিল নিয়ে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুর ব্রিজ থেকে বরিশাল বিমানবন্দর মোড়ে এসে সড়ক অবরোধ করে। মহাসড়ক অবরোধ করে সেখানে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বরিশাল জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক সেলিম সরদার, কামাল সরদার, সদস্য মনিরুজ্জামান মিল্টন, পারভেজ মৃধা, রিপন খান, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, বরিশাল জেলা ছাত্র দলের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান রবিন, বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রিয়াজ হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রায় ৪০ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে মিছিল-সমাবেশ করে বিএনপির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এসময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেয় এবং অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের মনোনয়ন বাতিল করে সেলিমা রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানায়। বরিশাল জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন বলেন, 'বিএনপির দুঃসময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় থাকা ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না করেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। যিনি মনোনয়ন পেয়েছেন, তাঁর চেয়েও জ্যেষ্ঠ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান দলের দুঃসময়ে বাবুগঞ্জে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন। বাবুগঞ্জ-মুলাদী এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। তাঁকে মনোনয়নবঞ্চিত করা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা আশা করি কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকেরা বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবেন।'
উল্লেখ্য গত ৪ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় ৩৬ আসনে মনোনয়ন ঘোষণা করে বিএনপি। এতে বরিশাল-৩ আসনে মনোনয়ন পান বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। এদিকে এই আসনে প্রথম থেকেই অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিল বিএনপির একাংশ। গত ২৮ নভেম্বর একই দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছিল উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদারের নেতৃত্বে সহস্রাধিক নেতাকর্মীরা। #

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৪
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না।
আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।” তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না।
আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।” তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩১
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছোট ভাই বোনদের জন্য ফ্রি কোর্স অফার করেছেন মেঘনা আলম। দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় এই অফার করেন তিনি।
নিজের ফেসবুক পেজে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন মেঘনা আলম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মেঘনা আলম।ফেসবুক পোস্টে মেঘনা আলম বলেন, একটু আগে পাটওয়ারী ভাই ফোন দিলেন, শিগগিরই বাসায় আসবেন জানালেন। ইলেকশনের আগেই আসতেন, কিন্তু মিডিয়া পজিটিভ সবকিছুকেও ভিউয়ের জন্য নেগেটিভ করে ফেলে এই ভয়ে আসেননি বললেন। রাজনৈতিক শিষ্টাচারের এই ধারা সব প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে অব্যাহত থাকুক।
মেঘনা লেখেন, আমার কাছে শিখতে চান জানালেন, আমিও এনসিপির ছোট ভাই-বোনদের জন্য ফ্রি কোর্স অফার করলাম। তিনি অ্যারেঞ্জমেন্ট করবেন আশ্বাস দিলেন। যারা ফিল্ড পলিটিক্স ও গণজাগরণের মাধ্যমে রাজনীতির ময়দানে সম্পৃক্ত হয়েছেন, তাদের অভিজ্ঞতা আর আমার মতো যারা জন্ম থেকেই রাজনৈতিক পরিবেশে বড় হয়েছে, আন্তর্জাতিক ইনস্টিটিউট থেকে শিখেছেন, তাদের জ্ঞান, দুই পক্ষের শক্তি এক হলে প্রকৃত অর্থেই স্বাধীন ও সম্মানিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
মেঘনা আলম বলেন, আমার ছোট ভাই পাটওয়ারীর জন্য অনেক স্নেহ। যদি ও জিতলে জামায়াত ক্ষমতায় আসার সুযোগ না থাকত, তাহলে মেঘনা আলম বিএনপিকে সামনে এগোতে দিয়ে নিজের প্রচার ও পোলিং এজেন্ট সরিয়ে নিত না জানালাম। যে দল নারীর নেতৃত্ব অবমূল্যায়ন করে, তাদের ক্ষমতায় চাই না। ভবিষ্যতে যদি আদর্শের পরিবর্তন হয়, সেটা ভিন্ন বিষয়।
শেষে মেঘনা আলম লেখেন, মেঘনা আলম বিভেদের, শত্রুতার রাজনীতি চায় না। আল্লাহ আমাদের নিরাপদ রাখুক, আমাদের যাদের দেশ বদলানোর প্রত্যয় আছে তাদের নিয়ত পরিষ্কার ও অটুট রাখুক, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধনে সব রাজনীতিবিদদের আবদ্ধ রাখুক। আমিন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছোট ভাই বোনদের জন্য ফ্রি কোর্স অফার করেছেন মেঘনা আলম। দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় এই অফার করেন তিনি।
নিজের ফেসবুক পেজে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন মেঘনা আলম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মেঘনা আলম।ফেসবুক পোস্টে মেঘনা আলম বলেন, একটু আগে পাটওয়ারী ভাই ফোন দিলেন, শিগগিরই বাসায় আসবেন জানালেন। ইলেকশনের আগেই আসতেন, কিন্তু মিডিয়া পজিটিভ সবকিছুকেও ভিউয়ের জন্য নেগেটিভ করে ফেলে এই ভয়ে আসেননি বললেন। রাজনৈতিক শিষ্টাচারের এই ধারা সব প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে অব্যাহত থাকুক।
মেঘনা লেখেন, আমার কাছে শিখতে চান জানালেন, আমিও এনসিপির ছোট ভাই-বোনদের জন্য ফ্রি কোর্স অফার করলাম। তিনি অ্যারেঞ্জমেন্ট করবেন আশ্বাস দিলেন। যারা ফিল্ড পলিটিক্স ও গণজাগরণের মাধ্যমে রাজনীতির ময়দানে সম্পৃক্ত হয়েছেন, তাদের অভিজ্ঞতা আর আমার মতো যারা জন্ম থেকেই রাজনৈতিক পরিবেশে বড় হয়েছে, আন্তর্জাতিক ইনস্টিটিউট থেকে শিখেছেন, তাদের জ্ঞান, দুই পক্ষের শক্তি এক হলে প্রকৃত অর্থেই স্বাধীন ও সম্মানিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
মেঘনা আলম বলেন, আমার ছোট ভাই পাটওয়ারীর জন্য অনেক স্নেহ। যদি ও জিতলে জামায়াত ক্ষমতায় আসার সুযোগ না থাকত, তাহলে মেঘনা আলম বিএনপিকে সামনে এগোতে দিয়ে নিজের প্রচার ও পোলিং এজেন্ট সরিয়ে নিত না জানালাম। যে দল নারীর নেতৃত্ব অবমূল্যায়ন করে, তাদের ক্ষমতায় চাই না। ভবিষ্যতে যদি আদর্শের পরিবর্তন হয়, সেটা ভিন্ন বিষয়।
শেষে মেঘনা আলম লেখেন, মেঘনা আলম বিভেদের, শত্রুতার রাজনীতি চায় না। আল্লাহ আমাদের নিরাপদ রাখুক, আমাদের যাদের দেশ বদলানোর প্রত্যয় আছে তাদের নিয়ত পরিষ্কার ও অটুট রাখুক, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধনে সব রাজনীতিবিদদের আবদ্ধ রাখুক। আমিন।

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৭
কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিমকে গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে ‘মঞ্চ-২৪’ নামে একটি সংগঠন। তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আর এস ফাহিম চৌধুরি আওয়ামী লীগকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে ছাত্র-জনতার ওপর আঘাত হানার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
গতকাল রবিবার বিকেলে রাজধানীতে সংবাদ সম্মেলন করে সরকারকে এ আলটিমেটাম দেন ‘মঞ্চ-২৪’-এর আহ্বায়ক ফাহিম ফারুকী। তিনি অভিযোগ করেন, আর এস ফাহিমের মতো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।
তার দাবি, সরকারের অভ্যন্তরে কিছু কুশীলব থাকার কারণেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তিনি বলেন, তিনি ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ নেতাদের জন্য নারী সরবরাহের অভিযোগও তোলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ‘মঞ্চ-২৪’র পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, আওয়ামী লীগ পুনরায় রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিমকে গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে ‘মঞ্চ-২৪’ নামে একটি সংগঠন। তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আর এস ফাহিম চৌধুরি আওয়ামী লীগকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে ছাত্র-জনতার ওপর আঘাত হানার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
গতকাল রবিবার বিকেলে রাজধানীতে সংবাদ সম্মেলন করে সরকারকে এ আলটিমেটাম দেন ‘মঞ্চ-২৪’-এর আহ্বায়ক ফাহিম ফারুকী। তিনি অভিযোগ করেন, আর এস ফাহিমের মতো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।
তার দাবি, সরকারের অভ্যন্তরে কিছু কুশীলব থাকার কারণেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তিনি বলেন, তিনি ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ নেতাদের জন্য নারী সরবরাহের অভিযোগও তোলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ‘মঞ্চ-২৪’র পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, আওয়ামী লীগ পুনরায় রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৮
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫