
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৬
গণঅধিকার পরিষদের বরিশাল জেলা, গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীরা আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার সরিকল তালিমুল কোরআন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় যোগ দেন তারা।
জানা গেছে, বরিশাল-১ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খানের দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে গৌরনদী উপজেলার সরিকল তালিমুল কোরআন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে যোগদান করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল প্রেস ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু, গৌরনদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মো. আল-আমীন, সেক্রেটারি বায়জিদ শরীফ।
নির্বাচনী সভার শুরুতে গণধিকার পরিষদের বরিশাল জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল আমিন, সহসভাপতি ওয়াসিম খান, নুরুল ইসলাম সেরনিয়াবাত, শহিদুল ইসলাম, যুব অধিকার পরিষদের পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, যুব অধিকার পরিষদের গৌরনদী উপজেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের আগৈলঝাড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক জাহিদ খান, যুব অধিকার পরিষদের আগৈলঝাড়া শাখার সভাপতি সাইদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক উজ্জ্বল খান ও যুব অধিকার পরিষদের নেতা সফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে গণঅধিকার পরিষদের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খানের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।
গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করে দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী সভায় সদ্য সাবেক গণধিকার পরিষদের বরিশাল জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল আমিন বলেন, বাংলাদেশে একটি পরিবর্তনের রাজনীতির আশায় আমরা এতোদিন গণঅধিকার পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছি। কিন্তু দেশে নির্বাচনী আবহ তৈরির পর দেখলাম আমাদের সেই আশা সম্পূর্ণ ভুল ছিল। তাই একটি পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছি।
গণঅধিকার পরিষদের বরিশাল জেলা, গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীরা আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার সরিকল তালিমুল কোরআন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় যোগ দেন তারা।
জানা গেছে, বরিশাল-১ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খানের দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে গৌরনদী উপজেলার সরিকল তালিমুল কোরআন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে যোগদান করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল প্রেস ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু, গৌরনদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মো. আল-আমীন, সেক্রেটারি বায়জিদ শরীফ।
নির্বাচনী সভার শুরুতে গণধিকার পরিষদের বরিশাল জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল আমিন, সহসভাপতি ওয়াসিম খান, নুরুল ইসলাম সেরনিয়াবাত, শহিদুল ইসলাম, যুব অধিকার পরিষদের পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, যুব অধিকার পরিষদের গৌরনদী উপজেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের আগৈলঝাড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক জাহিদ খান, যুব অধিকার পরিষদের আগৈলঝাড়া শাখার সভাপতি সাইদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক উজ্জ্বল খান ও যুব অধিকার পরিষদের নেতা সফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে গণঅধিকার পরিষদের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খানের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।
গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করে দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী সভায় সদ্য সাবেক গণধিকার পরিষদের বরিশাল জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল আমিন বলেন, বাংলাদেশে একটি পরিবর্তনের রাজনীতির আশায় আমরা এতোদিন গণঅধিকার পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছি। কিন্তু দেশে নির্বাচনী আবহ তৈরির পর দেখলাম আমাদের সেই আশা সম্পূর্ণ ভুল ছিল। তাই একটি পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছি।

২৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৮
বরিশালের বাবুগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনার আমন ধানের বীজ, ফলদ গাছের চারা এবং জৈব ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগ সোমবার উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষণ মিলনায়তনে ওই প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না। বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফের সভাপতিত্বে এসময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আবদুল করিম হাওলাদার, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আতিকুর রহমান সুমন ও সৈয়দা রোমানা আফরোজ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'মনেপ্রাণে আমরা সবাই কৃষক। আমাদের পূর্বপুরুষ সবাই কৃষির সাথে জড়িত ছিলেন। আমাদের সবার ভেতরে একটা কৃষক সত্তা বসবাস করে। বর্তমান সরকার কৃষির উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আপনারা যারা আজকে এই কৃষি প্রণোদনার বীজধান, ফলের চারা এবং সার পাচ্ছেন তারা দয়াকরে এর সঠিক ব্যবহার করবেন। যাদের প্রয়োজন তারাই এই প্রণোদনা গ্রহণ করবেন। বিনামূল্যে পেয়েছেন বলে সরকারি জিনিস কেউ দয়াকরে নষ্ট করবেন না। একটা বীজ বা চারা একটা গাছের জন্ম দেয়। তবে সেজন্য পরিচর্যা করতে হয়। আমরা সবাই মিলে দায়িত্ব নিয়ে কৃষির উন্নয়নে কাজ করলে সুজলা সুফলা বাবুগঞ্জ গড়তে পারবো।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফ জানান, '২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিফ-২ মৌসুমে এবার উপজেলার ১ হাজার ২০০ কৃষক পাচ্ছেন উন্নত উফশী জাতের রোপা আমন ধানের ৫ কেজি করে বীজের সাথে ২০ কেজি সার। ১৫০ জন মরিচ চাষী পাচ্ছেন হাইব্রিড বীজের সাথে ১০ কেজি করে সার। এছাড়াও ৬০০ কৃষক উন্নত জাতের নারকেল চারা, ১৫০ জন আমড়া চারা, ১০০ জন আম চারা এবং ২৫ জন কৃষক পাচ্ছেন বারি-১ জাতের মাল্টা চারা। প্রত্যেক কৃষক ৫টি করে চারার সাথে পাচ্ছেন বাঁশের খুঁটি এবং ১৫০ কেজি করে জৈব (গোবর) সার। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তা করতে সরকারি আরো প্রণোদনা বরাদ্দ প্রক্রিয়াধীন আছে। #
বরিশালের বাবুগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনার আমন ধানের বীজ, ফলদ গাছের চারা এবং জৈব ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগ সোমবার উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষণ মিলনায়তনে ওই প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না। বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফের সভাপতিত্বে এসময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আবদুল করিম হাওলাদার, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আতিকুর রহমান সুমন ও সৈয়দা রোমানা আফরোজ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'মনেপ্রাণে আমরা সবাই কৃষক। আমাদের পূর্বপুরুষ সবাই কৃষির সাথে জড়িত ছিলেন। আমাদের সবার ভেতরে একটা কৃষক সত্তা বসবাস করে। বর্তমান সরকার কৃষির উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আপনারা যারা আজকে এই কৃষি প্রণোদনার বীজধান, ফলের চারা এবং সার পাচ্ছেন তারা দয়াকরে এর সঠিক ব্যবহার করবেন। যাদের প্রয়োজন তারাই এই প্রণোদনা গ্রহণ করবেন। বিনামূল্যে পেয়েছেন বলে সরকারি জিনিস কেউ দয়াকরে নষ্ট করবেন না। একটা বীজ বা চারা একটা গাছের জন্ম দেয়। তবে সেজন্য পরিচর্যা করতে হয়। আমরা সবাই মিলে দায়িত্ব নিয়ে কৃষির উন্নয়নে কাজ করলে সুজলা সুফলা বাবুগঞ্জ গড়তে পারবো।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফ জানান, '২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিফ-২ মৌসুমে এবার উপজেলার ১ হাজার ২০০ কৃষক পাচ্ছেন উন্নত উফশী জাতের রোপা আমন ধানের ৫ কেজি করে বীজের সাথে ২০ কেজি সার। ১৫০ জন মরিচ চাষী পাচ্ছেন হাইব্রিড বীজের সাথে ১০ কেজি করে সার। এছাড়াও ৬০০ কৃষক উন্নত জাতের নারকেল চারা, ১৫০ জন আমড়া চারা, ১০০ জন আম চারা এবং ২৫ জন কৃষক পাচ্ছেন বারি-১ জাতের মাল্টা চারা। প্রত্যেক কৃষক ৫টি করে চারার সাথে পাচ্ছেন বাঁশের খুঁটি এবং ১৫০ কেজি করে জৈব (গোবর) সার। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তা করতে সরকারি আরো প্রণোদনা বরাদ্দ প্রক্রিয়াধীন আছে। #

২৩ জুন, ২০২৬ ১২:৫১
ব্র্যাকের উদ্যোগে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং ভুক্তভোগীদের জন্য সেবা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে বরিশালে একটি অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকেলে বরিশাল ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রামের সহযোগিতায় এ ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়।
ব্র্যাক ডিস্ট্রিক্ট কোঅর্ডিনেটর রিসান রেজা মোঃ সাহেদ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রামের রিজিওনাল ম্যানেজার নিশাত তাসনিম লিজা একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা বিষয়ক জরিপের ফলাফল, সরকারি সেবাসমূহের পরিচিতি এবং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পরে অংশগ্রহণকারীরা এ বিষয়ে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন।
ডায়লগে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ চিহ্নিতকরণ ও সারভাইভারদের জন্য দ্রুত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে যৌথ উদ্যোগ নির্ধারণ বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ননিশাত তাসনিম লিজা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বরিশালের জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন
বলেন, “নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ করতে হলে সচেতনতা বাড়াতে হবে। নারীদেরকে কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষার যেমন ব্যবস্থা করতে হবে তেমনি পরিবার থেকেও কন্যা শিশুর যত্ন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা যাতে দ্রুত ও সহজে সেবা পায়, সেজন্য বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বরিশালের পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “সহিংসতা প্রতিরোধে আইন ও আইনের প্রয়োগ হলেও সহিংসতা প্রত্যাশিতভাবে কেন কমছে এটা নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন। নারী ও কন্যা শিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনা মোকাবেলায় প্রান্তিক পর্যায়ে এনজিও-র কাজের সাথে সরকারী কাজের সমন্বয়কে আরও জোরদার করতে হবে।"
সরকারি সেবার পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”
উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা অফিস এ কে এম আকতারুজ্জাম তালুকদার বলেন, “তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক মূল্যবোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। যুবসমাজকে এ বিষয়ে সম্পৃক্ত করতে হবে।”
জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক মেহেরুন নাহার মুন্নি বলেন, “নারী ও শিশুদের জন্য সরকার বিভিন্ন সেবা ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব সেবার বিষয়ে সাধারণ মানুষের জানাশোনা বাড়ানো গেলে ভুক্তভোগীরা আরও সহজে সহায়তা পাবে। প্রযুক্তিকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করতে হবে”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন ব্র্যাকের রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক জনাব বিভাষ চন্দ্র তরফদার। ব্র্যাকের বিভিন্ন কর্মসূচির জেলা প্রধানগণ, স্বপ্নসারথী দলের সদস্য, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
পরে অনুষ্ঠিত মুক্ত আলোচনায় জেলার কন্যাশিশু, কিশোরী ও নারীদের অনিরাপত্তার বর্তমান পরিস্থিতির উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা জানান, অধিকাংশ সহিংসতার ঘটনার সঙ্গে মাদকসেবীরা জড়িত। এছাড়া সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে সমাজের বিভিন্ন স্তরে নারীরা সাইবার বুলিংয়েরও শিকার হচ্ছেন।
বক্তারা বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে মাদকের বিস্তার রোধের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকল স্তরে অভিভাবক, শিক্ষক এবং সচেতন নাগরিকদের মূল্যবোধ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
ব্র্যাকের উদ্যোগে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং ভুক্তভোগীদের জন্য সেবা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে বরিশালে একটি অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকেলে বরিশাল ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রামের সহযোগিতায় এ ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়।
ব্র্যাক ডিস্ট্রিক্ট কোঅর্ডিনেটর রিসান রেজা মোঃ সাহেদ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রামের রিজিওনাল ম্যানেজার নিশাত তাসনিম লিজা একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা বিষয়ক জরিপের ফলাফল, সরকারি সেবাসমূহের পরিচিতি এবং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পরে অংশগ্রহণকারীরা এ বিষয়ে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন।
ডায়লগে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ চিহ্নিতকরণ ও সারভাইভারদের জন্য দ্রুত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে যৌথ উদ্যোগ নির্ধারণ বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ননিশাত তাসনিম লিজা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বরিশালের জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন
বলেন, “নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ করতে হলে সচেতনতা বাড়াতে হবে। নারীদেরকে কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষার যেমন ব্যবস্থা করতে হবে তেমনি পরিবার থেকেও কন্যা শিশুর যত্ন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা যাতে দ্রুত ও সহজে সেবা পায়, সেজন্য বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বরিশালের পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “সহিংসতা প্রতিরোধে আইন ও আইনের প্রয়োগ হলেও সহিংসতা প্রত্যাশিতভাবে কেন কমছে এটা নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন। নারী ও কন্যা শিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনা মোকাবেলায় প্রান্তিক পর্যায়ে এনজিও-র কাজের সাথে সরকারী কাজের সমন্বয়কে আরও জোরদার করতে হবে।"
সরকারি সেবার পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”
উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা অফিস এ কে এম আকতারুজ্জাম তালুকদার বলেন, “তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক মূল্যবোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। যুবসমাজকে এ বিষয়ে সম্পৃক্ত করতে হবে।”
জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক মেহেরুন নাহার মুন্নি বলেন, “নারী ও শিশুদের জন্য সরকার বিভিন্ন সেবা ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব সেবার বিষয়ে সাধারণ মানুষের জানাশোনা বাড়ানো গেলে ভুক্তভোগীরা আরও সহজে সহায়তা পাবে। প্রযুক্তিকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করতে হবে”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন ব্র্যাকের রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক জনাব বিভাষ চন্দ্র তরফদার। ব্র্যাকের বিভিন্ন কর্মসূচির জেলা প্রধানগণ, স্বপ্নসারথী দলের সদস্য, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
পরে অনুষ্ঠিত মুক্ত আলোচনায় জেলার কন্যাশিশু, কিশোরী ও নারীদের অনিরাপত্তার বর্তমান পরিস্থিতির উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা জানান, অধিকাংশ সহিংসতার ঘটনার সঙ্গে মাদকসেবীরা জড়িত। এছাড়া সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে সমাজের বিভিন্ন স্তরে নারীরা সাইবার বুলিংয়েরও শিকার হচ্ছেন।
বক্তারা বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে মাদকের বিস্তার রোধের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকল স্তরে অভিভাবক, শিক্ষক এবং সচেতন নাগরিকদের মূল্যবোধ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৪
বিভিন্নভাবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জিয়াউল আহসানের বিচার বিলম্বের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে জিয়াউল আহসানের মামলায় আমরা বিভিন্ন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছি। কারণ আসামিপক্ষের আইনজীবী প্যানেলে রয়েছেন তারই বোন নাজনীন নাহার। তিনি প্রত্যেক তারিখেই কোনো না কোনো অজুহাতে সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করেন। কখনও আইনজীবীর অসুস্থতা বা মৃত্যু, আবার কখনও বিভিন্ন কাগজপত্র চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আর্জি জানাচ্ছেন। বিচার বিলম্বিত করতে এভাবেই শুনানির কার্যক্রম স্থগিত করতে চাইছেন এই আইনজীবী। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলায় রোববার (২১ জুন) একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন ট্রাইব্যুনাল। জেরার জন্য আজকের দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু জিয়াউল আহসানের পক্ষে তিন-চারটি আবেদন করেন আইনজীবী নাজনীন নাহার। এর মধ্যে আমরা একটি ছাড়া বাকিগুলোর বিরোধিতা করেছি। অর্থাৎ আসামির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাওয়া হয়েছে, যা একজন আইনজীবীর অধিকার। পরে এ ব্যাপারে অনুমতি দেন ট্রাইব্যুনাল। তবে বাকি আবেদনগুলো একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক ছি়ল।
আমিনুল ইসলাম বলেন, নানান প্রক্রিয়ায় গুমের মামলাটি বিলম্বিত করতে চায় আসামিপক্ষ। তারা ট্রাইব্যুনালে এসে শুধু সময় চাইতে থাকেন। এটা খুব ভালো লক্ষণ নয়। তবে পরিষ্কার করে বলতে চাই যে, আগামী তারিখ থেকে জিয়াউল আহসানের যেকোনো কলাকৌশল বা পদক্ষেপ তথা তার আইনজীবীরা যদি কোনো অসৎ উদ্দেশে আবেদন দিয়ে কালক্ষেপণ করতে চান, তাহলে আরও কঠোরভাবে আমরা আপত্তি জানাবো।’
বিভিন্নভাবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জিয়াউল আহসানের বিচার বিলম্বের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে জিয়াউল আহসানের মামলায় আমরা বিভিন্ন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছি। কারণ আসামিপক্ষের আইনজীবী প্যানেলে রয়েছেন তারই বোন নাজনীন নাহার। তিনি প্রত্যেক তারিখেই কোনো না কোনো অজুহাতে সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করেন। কখনও আইনজীবীর অসুস্থতা বা মৃত্যু, আবার কখনও বিভিন্ন কাগজপত্র চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আর্জি জানাচ্ছেন। বিচার বিলম্বিত করতে এভাবেই শুনানির কার্যক্রম স্থগিত করতে চাইছেন এই আইনজীবী। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলায় রোববার (২১ জুন) একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন ট্রাইব্যুনাল। জেরার জন্য আজকের দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু জিয়াউল আহসানের পক্ষে তিন-চারটি আবেদন করেন আইনজীবী নাজনীন নাহার। এর মধ্যে আমরা একটি ছাড়া বাকিগুলোর বিরোধিতা করেছি। অর্থাৎ আসামির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাওয়া হয়েছে, যা একজন আইনজীবীর অধিকার। পরে এ ব্যাপারে অনুমতি দেন ট্রাইব্যুনাল। তবে বাকি আবেদনগুলো একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক ছি়ল।
আমিনুল ইসলাম বলেন, নানান প্রক্রিয়ায় গুমের মামলাটি বিলম্বিত করতে চায় আসামিপক্ষ। তারা ট্রাইব্যুনালে এসে শুধু সময় চাইতে থাকেন। এটা খুব ভালো লক্ষণ নয়। তবে পরিষ্কার করে বলতে চাই যে, আগামী তারিখ থেকে জিয়াউল আহসানের যেকোনো কলাকৌশল বা পদক্ষেপ তথা তার আইনজীবীরা যদি কোনো অসৎ উদ্দেশে আবেদন দিয়ে কালক্ষেপণ করতে চান, তাহলে আরও কঠোরভাবে আমরা আপত্তি জানাবো।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.