Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৭
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চল এলাকার উর্বর জমি আর অনুকূল আবহাওয়ার কারণে প্রতি বছরের চেয়ে এবার আগাম জাতের তরমুজ ভালো ফলন হয়েছে। রমজান উপলক্ষে বাজার দর ভালো থাকায় চলতি মৌসুমে উপজেলায় চাষ হওয়া আগাম জাতের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা শহরের এলাকায়।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, বাউফলে চলতি মৌসুমে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২০০ হেক্টর আগাম জাতের।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রমজান উপলক্ষে তরমুজের ব্যাপক চাহিদা থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আড়তদাররা ভীর করছেন উপজেলার তরমুজ
চাষিদের কাছে। ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝি সময় থেকেই বাজারে উঠতে শুরু করেছে আগাম জাতের তরমুজ, যা ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, খুলনা, কুষ্টিয়াও সিলেট অঞ্চলে
বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। উপজেলার তেতুঁলিয়া নদীর তীরবর্তী চর বেষ্ঠিত চন্দ্রদ্বীপ, কালাইয়া, কেশবপুর, নাজিরপুর, ধুলিয়া এলাকায় ব্যাপক ভাবে চাষ হয়েছে তরমুজ। আবহাওয়া অনুকুলে
থাকায় চলতি মৌসুমে ফলনও ভালো হয়েছে। চন্দ্রদ্বীপের কৃষক মো. সিদ্দিককুর রহমান বলেন, ৩ একর জমিতে আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। প্রতি একরে তার সর্বসাকুল্যে খরচ হয়েছে ১লাখ ৩৫ হাজার টাকা।প্রতি একরে গড়ে ১৪০০ থেকে ১৫০০ পিচ তরমুজ পাওয়া যায়। রমজানে তরমুজের চাহিদা বেশি থাকায় আড়তদাররাপ্রতি একর তরমুজ খেত সারে৩ থেকে ৪লাখ টাকায়কিনে নিচ্ছেন। এতে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে বিগত বছরের চেয়ে ভালো লাভে আশা করছেন তিনি।
চরকালাইয়া এলাকায় আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন মো. হান্নান প্যাদা। তিনি বলেন, চলতি মৌসুমে ৪ একর জমিতে আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। রমজান উপলক্ষে ঢাকার এক আড়ৎদারের কাছে চার একর খেতের সব তরমুজ ঠিকা বিক্রি করে দিয়েছে।
তাতে তার বিগত বছরের চেয়ে বেশি লাভ হয়েছে খুলনা থেকে তরমুজ কিনতে এসেছেনআড়তদার সাহেব আলী প্যাদাবলেন, বাউফলের তরমুজের স্বাদ ও মিষ্টতা ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা সরাসরি খেতে এসে কিনছেন। ঢাকার কাওরান বাজার থেকে বেপাড়ি আব্দুল গনি সিকদার বলেন, বাউফলের চরাঞ্চলের এলাকার তরমুজ সুমিষ্ট কয়েকবছর ধরে এই এলাকায় আসি তরমুজ কেনার জন্য। বিশেষ করে আগাম জাতের তরমুজ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, বাউফলের মাটি ও আবহাওয়া তরমুজ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষকদের প্রশিক্ষণ, উন্নত বীজ সরবরাহ ও নিয়মিত মাঠপর্যায়ে পরামর্শ দেওয়ার ফলে আগাম উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চল এলাকার উর্বর জমি আর অনুকূল আবহাওয়ার কারণে প্রতি বছরের চেয়ে এবার আগাম জাতের তরমুজ ভালো ফলন হয়েছে। রমজান উপলক্ষে বাজার দর ভালো থাকায় চলতি মৌসুমে উপজেলায় চাষ হওয়া আগাম জাতের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা শহরের এলাকায়।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, বাউফলে চলতি মৌসুমে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২০০ হেক্টর আগাম জাতের।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রমজান উপলক্ষে তরমুজের ব্যাপক চাহিদা থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আড়তদাররা ভীর করছেন উপজেলার তরমুজ
চাষিদের কাছে। ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝি সময় থেকেই বাজারে উঠতে শুরু করেছে আগাম জাতের তরমুজ, যা ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, খুলনা, কুষ্টিয়াও সিলেট অঞ্চলে
বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। উপজেলার তেতুঁলিয়া নদীর তীরবর্তী চর বেষ্ঠিত চন্দ্রদ্বীপ, কালাইয়া, কেশবপুর, নাজিরপুর, ধুলিয়া এলাকায় ব্যাপক ভাবে চাষ হয়েছে তরমুজ। আবহাওয়া অনুকুলে
থাকায় চলতি মৌসুমে ফলনও ভালো হয়েছে। চন্দ্রদ্বীপের কৃষক মো. সিদ্দিককুর রহমান বলেন, ৩ একর জমিতে আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। প্রতি একরে তার সর্বসাকুল্যে খরচ হয়েছে ১লাখ ৩৫ হাজার টাকা।প্রতি একরে গড়ে ১৪০০ থেকে ১৫০০ পিচ তরমুজ পাওয়া যায়। রমজানে তরমুজের চাহিদা বেশি থাকায় আড়তদাররাপ্রতি একর তরমুজ খেত সারে৩ থেকে ৪লাখ টাকায়কিনে নিচ্ছেন। এতে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে বিগত বছরের চেয়ে ভালো লাভে আশা করছেন তিনি।
চরকালাইয়া এলাকায় আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন মো. হান্নান প্যাদা। তিনি বলেন, চলতি মৌসুমে ৪ একর জমিতে আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। রমজান উপলক্ষে ঢাকার এক আড়ৎদারের কাছে চার একর খেতের সব তরমুজ ঠিকা বিক্রি করে দিয়েছে।
তাতে তার বিগত বছরের চেয়ে বেশি লাভ হয়েছে খুলনা থেকে তরমুজ কিনতে এসেছেনআড়তদার সাহেব আলী প্যাদাবলেন, বাউফলের তরমুজের স্বাদ ও মিষ্টতা ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা সরাসরি খেতে এসে কিনছেন। ঢাকার কাওরান বাজার থেকে বেপাড়ি আব্দুল গনি সিকদার বলেন, বাউফলের চরাঞ্চলের এলাকার তরমুজ সুমিষ্ট কয়েকবছর ধরে এই এলাকায় আসি তরমুজ কেনার জন্য। বিশেষ করে আগাম জাতের তরমুজ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, বাউফলের মাটি ও আবহাওয়া তরমুজ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষকদের প্রশিক্ষণ, উন্নত বীজ সরবরাহ ও নিয়মিত মাঠপর্যায়ে পরামর্শ দেওয়ার ফলে আগাম উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৮

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০০
পটুয়াখালীর মহিপুরে একটি পুকুরে বড় আকৃতির দুটি কোরাল মাছ ধরা পড়েছে, যার মোট ওজন ২৭ কেজি। মাছ দুটি স্থানীয় বাজারে ডাকের (নিলাম) মাধ্যমে ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের মাইটভাঙ্গা গ্রামের জাকির খানের পুকুরে জাল টানার সময় এই বিশাল আকৃতির মাছ দুটি ধরা পড়ে।
পুকুরের মালিক জাকির খান মাছ দুটি বিক্রির জন্য কুয়াকাটার মেয়র মার্কেটে নিয়ে এলে সেখানে মাছগুলো এক নজর দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। নিলামের মাধ্যমে মাছ দুটি বিক্রি হয়। ধরা পড়া কোরাল দুটির মধ্যে একটির ওজন ১৫ কেজি এবং অন্যটি ১২ কেজি।
সে হিসেবে প্রতি কেজি মাছের দাম পড়েছে প্রায় ৮৮৮ টাকা। স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, পুকুরে এত বড় কোরাল মাছ সচরাচর পাওয়া যায় না। খবর পেয়ে আমরা অনেকেই মাছ দুটি দেখতে এসেছি।
মাছের ক্রেতা জানিয়েছেন, বর্তমানে বাজারে বড় সাইজের কোরালের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকার বাজারে এই সাইজের মাছ আরও বেশি দামে বিক্রি সম্ভব। তাই মাছ দুটি বরফজাত করে দ্রুত ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, কোরাল মাছ সাধারণত সামুদ্রিক পরিবেশে বড় হয়। তবে উপকূলীয় এলাকার পুকুরগুলোতে জোয়ারের পানি বা পোনার সঙ্গে অনেক সময় কোরাল ঢুকে পড়ে।
পুকুরে সঠিক পরিচর্যা ও প্রাকৃতিক খাবার পেলে এগুলো দ্রুত বড় আকার ধারণ করে। এটি উপকূলীয় মৎস্য চাষিদের জন্য ইতিবাচক সংকেত। তিনি আরও জানান, স্থানীয় চাষিরা আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে উপকূলীয় পুকুরগুলোতেও কোরাল চাষ করে লাভবান হওয়া সম্ভব।

১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৩
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মানবিকতার এক ব্যতিক্রমী ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এক অসহায় ভিক্ষুকের কাছে কম দামে ওষুধ বিক্রি করায় ‘প্রগতি মেডিকেল হল’ নামের একটি ফার্মেসি বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ভিক্ষুক ভিটামিন সিরাপ কিনতে দোকানটিতে গেলে তার কাছে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় ফার্মেসির পরিচালক সুদীপ্ত মানবিক বিবেচনায় ৩৫০ টাকার ওষুধ মাত্র ১০০ টাকায় বিক্রি করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে সমিতির সদস্যরা ওই দিন বিকেলে দোকানটি এক দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সমিতির সভাপতি ইব্রাহিম খলিল জানান, ভেজাল ওষুধ বিক্রির অভিযোগে দোকানটি তাদের নিজ উদ্যোগেই বন্ধ রাখা হয়েছে।
এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই বলছেন, মানবিক কাজে এ ধরনের বাধা ভবিষ্যতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাকে নিরুৎসাহিত করবে।
কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, সমিতির মাধ্যমে সিন্ডিকেট করে জরিমানা ও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, আগে সাধারণ মানুষ ওষুধে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পেলেও এখন সমিতির কারণে তা বন্ধ হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদেক বলেন, কোনো সংগঠনের এভাবে একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার আইনগত ক্ষমতা নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ব্যাপক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার পটুয়াখালীর বাউফলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন এ কথা বলেছেন।
উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের লাশ শনাক্তকারী ও অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ারর্স বাংলাদেশ (অ্যাব) এর সিনিয়র সদস্য প্রকৌশলী শোয়েব বাশরী হাবলু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আপেল মাহমুদ ফিরোজ ও জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিক, খতিব ও ইমামসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এরআগে প্রধান প্রকৌশলী বাউফল উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ কেশবপুর-জনতাবাজার আয়রণ সেতু ও বিভিন্ন ভাঙা সড়ক পরিদর্শন করেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন বলেন, এলজিইডি গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে। আগামী ৪ বছরে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। এর মধ্যে এলজিইডি ৪ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবে। এই সময়ের মধ্যে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে। যার মধ্যে এলজিইডি ১ কোটি গাছের চারা রোপণ করবে।
তিনি বলেন, সারাদেশে ১ লক্ষ ৬৩ হাজার কিলোমিটার পাকা সড়ক আছে। এই সড়কগুলো প্রতি ৪ বছর পরপর মেরামত করতে হয়। প্রতিবছর অন্তত ২২ হাজার কিলোমিটার রাস্তা মেরামত করতে হয়। কিন্তু মেরামতের জন্য বরাদ্দ অপ্রতুল থাকায় বছরে ৫ হাজার কিলোমিটার সড়ক মেরামত করা যাচ্ছে না। সঠিক সময়ে মেরামত না করায় রাস্তাগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে। ভাঙা সড়ক মেরামতের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ পাওয়ার জন্য আলাপ আলোচনা চলছে।
তিনি বলেন, ব্যক্তি কেন্দ্রিক বা একক বাসা বাড়ি কেন্দ্রিক সড়কের আগে জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো নির্মাণ করার বিষয়ে সবাইকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।
সভায় বাউফল উপজেলার মেরামতযোগ্য সড়ক ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করার জন্য একটি তালিকা প্রধান প্রকৌশলীর হাতে তুলে দেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের লাশ শনাক্তকারী ও অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ারর্স বাংলাদেশ (অ্যাব) এর সিনিয়র সদস্য বাউফলের কৃতিসন্তান প্রকৌশলী শোয়েব বাশরী হাবলু। ওই তালিকা অনুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের বাস্তবায়ন করা হবে বলে আশ্বস্থ করেন প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন।
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ব্যাপক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার পটুয়াখালীর বাউফলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন এ কথা বলেছেন।
উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের লাশ শনাক্তকারী ও অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ারর্স বাংলাদেশ (অ্যাব) এর সিনিয়র সদস্য প্রকৌশলী শোয়েব বাশরী হাবলু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আপেল মাহমুদ ফিরোজ ও জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিক, খতিব ও ইমামসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এরআগে প্রধান প্রকৌশলী বাউফল উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ কেশবপুর-জনতাবাজার আয়রণ সেতু ও বিভিন্ন ভাঙা সড়ক পরিদর্শন করেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন বলেন, এলজিইডি গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে। আগামী ৪ বছরে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। এর মধ্যে এলজিইডি ৪ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবে। এই সময়ের মধ্যে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে। যার মধ্যে এলজিইডি ১ কোটি গাছের চারা রোপণ করবে।
তিনি বলেন, সারাদেশে ১ লক্ষ ৬৩ হাজার কিলোমিটার পাকা সড়ক আছে। এই সড়কগুলো প্রতি ৪ বছর পরপর মেরামত করতে হয়। প্রতিবছর অন্তত ২২ হাজার কিলোমিটার রাস্তা মেরামত করতে হয়। কিন্তু মেরামতের জন্য বরাদ্দ অপ্রতুল থাকায় বছরে ৫ হাজার কিলোমিটার সড়ক মেরামত করা যাচ্ছে না। সঠিক সময়ে মেরামত না করায় রাস্তাগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে। ভাঙা সড়ক মেরামতের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ পাওয়ার জন্য আলাপ আলোচনা চলছে।
তিনি বলেন, ব্যক্তি কেন্দ্রিক বা একক বাসা বাড়ি কেন্দ্রিক সড়কের আগে জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো নির্মাণ করার বিষয়ে সবাইকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।
সভায় বাউফল উপজেলার মেরামতযোগ্য সড়ক ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করার জন্য একটি তালিকা প্রধান প্রকৌশলীর হাতে তুলে দেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের লাশ শনাক্তকারী ও অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ারর্স বাংলাদেশ (অ্যাব) এর সিনিয়র সদস্য বাউফলের কৃতিসন্তান প্রকৌশলী শোয়েব বাশরী হাবলু। ওই তালিকা অনুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের বাস্তবায়ন করা হবে বলে আশ্বস্থ করেন প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন।
পটুয়াখালীর মহিপুরে একটি পুকুরে বড় আকৃতির দুটি কোরাল মাছ ধরা পড়েছে, যার মোট ওজন ২৭ কেজি। মাছ দুটি স্থানীয় বাজারে ডাকের (নিলাম) মাধ্যমে ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের মাইটভাঙ্গা গ্রামের জাকির খানের পুকুরে জাল টানার সময় এই বিশাল আকৃতির মাছ দুটি ধরা পড়ে।
পুকুরের মালিক জাকির খান মাছ দুটি বিক্রির জন্য কুয়াকাটার মেয়র মার্কেটে নিয়ে এলে সেখানে মাছগুলো এক নজর দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। নিলামের মাধ্যমে মাছ দুটি বিক্রি হয়। ধরা পড়া কোরাল দুটির মধ্যে একটির ওজন ১৫ কেজি এবং অন্যটি ১২ কেজি।
সে হিসেবে প্রতি কেজি মাছের দাম পড়েছে প্রায় ৮৮৮ টাকা। স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, পুকুরে এত বড় কোরাল মাছ সচরাচর পাওয়া যায় না। খবর পেয়ে আমরা অনেকেই মাছ দুটি দেখতে এসেছি।
মাছের ক্রেতা জানিয়েছেন, বর্তমানে বাজারে বড় সাইজের কোরালের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকার বাজারে এই সাইজের মাছ আরও বেশি দামে বিক্রি সম্ভব। তাই মাছ দুটি বরফজাত করে দ্রুত ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, কোরাল মাছ সাধারণত সামুদ্রিক পরিবেশে বড় হয়। তবে উপকূলীয় এলাকার পুকুরগুলোতে জোয়ারের পানি বা পোনার সঙ্গে অনেক সময় কোরাল ঢুকে পড়ে।
পুকুরে সঠিক পরিচর্যা ও প্রাকৃতিক খাবার পেলে এগুলো দ্রুত বড় আকার ধারণ করে। এটি উপকূলীয় মৎস্য চাষিদের জন্য ইতিবাচক সংকেত। তিনি আরও জানান, স্থানীয় চাষিরা আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে উপকূলীয় পুকুরগুলোতেও কোরাল চাষ করে লাভবান হওয়া সম্ভব।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মানবিকতার এক ব্যতিক্রমী ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এক অসহায় ভিক্ষুকের কাছে কম দামে ওষুধ বিক্রি করায় ‘প্রগতি মেডিকেল হল’ নামের একটি ফার্মেসি বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ভিক্ষুক ভিটামিন সিরাপ কিনতে দোকানটিতে গেলে তার কাছে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় ফার্মেসির পরিচালক সুদীপ্ত মানবিক বিবেচনায় ৩৫০ টাকার ওষুধ মাত্র ১০০ টাকায় বিক্রি করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে সমিতির সদস্যরা ওই দিন বিকেলে দোকানটি এক দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সমিতির সভাপতি ইব্রাহিম খলিল জানান, ভেজাল ওষুধ বিক্রির অভিযোগে দোকানটি তাদের নিজ উদ্যোগেই বন্ধ রাখা হয়েছে।
এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই বলছেন, মানবিক কাজে এ ধরনের বাধা ভবিষ্যতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাকে নিরুৎসাহিত করবে।
কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, সমিতির মাধ্যমে সিন্ডিকেট করে জরিমানা ও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, আগে সাধারণ মানুষ ওষুধে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পেলেও এখন সমিতির কারণে তা বন্ধ হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদেক বলেন, কোনো সংগঠনের এভাবে একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার আইনগত ক্ষমতা নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৭
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৮
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২০
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৫