
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫৮
ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে সারা বছর হাড়ভাঙা খাটুনির পর অল্প অল্প করে টাকা জমিয়েছিলেন বগুড়া শহরের মালগ্রাম চাপড়পাড়া এলাকার বাসিন্দারা। স্বপ্ন ছিল ঈদের আগে জমানো টাকা দিয়ে পর্যাপ্ত মাংস পাবেন।
কিন্তু সেই আনন্দ এখন বিষাদে রূপ নিয়েছে। ১ হাজার ২০০ পরিবারের প্রায় পৌনে এক কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছেন স্থানীয় ফোর স্টার নামের একটি সমিতির তিন পরিচালক। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে মাংস নিতে এসে ভুক্তভোগীরা জানতে পারেন, সমিতির পরিচালকরা গা ঢাকা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মালগ্রাম নতুন পাড়া এলাকায় আব্দুল হাকিম, আকরাম ও শাহিন নামে তিন ব্যক্তি ফোর স্টার বিজনেস সমবায় সমিতি গঠন করেন। এর মধ্যে আব্দুল হাকিম জামায়াতে ইসলামীর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সেক্রেটারি পদে রয়েছে বলে জানা গেছে। মূলত ঈদকে কেন্দ্র করে সঞ্চয় তোলাই ছিল এ সমিতির প্রধান কাজ।
মালগ্রামের কয়েকটি পাড়া মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ পরিবার এ সমিতির সদস্য ছিল। প্রতিটি কার্ডের সঞ্চয় লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার টাকা এবং সদস্যদের দাবি অনুযায়ী, এবার সব মিলিয়ে প্রায় ৭৭ লাখ টাকা জমা হয়েছিল। গত রোববার (১৫ মার্চ) মাংস দেওয়ার কথা থাকলেও তারা দিতে পারেনি এবং মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মাংস দেওয়ার চূড়ান্ত দিন নির্ধারণ করে পরিচালকরা লাপাত্তা হন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আর্তনাদ দেখা দিয়েছে।
কীটনাশক কারখানার কর্মী বাবলী আক্তার কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, নিজের টাকার পাশাপাশি কারখানার আরও ৪৪ জনের টাকা আমার মাধ্যমে এ সমিতিতে রেখেছিলাম। এখন আমি ফেঁসে গেছি। আমার স্বামী অটো চালায়, আমি নিজে কাজ না করলে সংসার চলে না। এত টাকা এখন আমি কীভাবে শোধ করব?
চাপড়পাড়ার বাসিন্দা পারুল জানান, এ পাড়ার ৭৫০ জন মানুষ বই করেছিল, যেন ঈদের সময় পরিবার নিয়ে একটু আনন্দ করা যায়। একই অবস্থা লালন মণ্ডলসহ আরও অনেক ভুক্তভোগীর। কষ্টার্জিত জমানো টাকা হারিয়ে তারা এখন দিশাহারা।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে সদর থানার ওসি মুনিরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফা মঞ্জুর বলেন, মালগ্রাম এলাকায় একটি সমিতি মাংস দেওয়ার নামে প্রতি সপ্তাহে টাকা তুলত। মঙ্গলবার তাদের বিতরণের দিন ছিল, কিন্তু তারা টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছে।
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগীরা তাদের টাকা ফেরত পেতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে সারা বছর হাড়ভাঙা খাটুনির পর অল্প অল্প করে টাকা জমিয়েছিলেন বগুড়া শহরের মালগ্রাম চাপড়পাড়া এলাকার বাসিন্দারা। স্বপ্ন ছিল ঈদের আগে জমানো টাকা দিয়ে পর্যাপ্ত মাংস পাবেন।
কিন্তু সেই আনন্দ এখন বিষাদে রূপ নিয়েছে। ১ হাজার ২০০ পরিবারের প্রায় পৌনে এক কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছেন স্থানীয় ফোর স্টার নামের একটি সমিতির তিন পরিচালক। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে মাংস নিতে এসে ভুক্তভোগীরা জানতে পারেন, সমিতির পরিচালকরা গা ঢাকা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মালগ্রাম নতুন পাড়া এলাকায় আব্দুল হাকিম, আকরাম ও শাহিন নামে তিন ব্যক্তি ফোর স্টার বিজনেস সমবায় সমিতি গঠন করেন। এর মধ্যে আব্দুল হাকিম জামায়াতে ইসলামীর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সেক্রেটারি পদে রয়েছে বলে জানা গেছে। মূলত ঈদকে কেন্দ্র করে সঞ্চয় তোলাই ছিল এ সমিতির প্রধান কাজ।
মালগ্রামের কয়েকটি পাড়া মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ পরিবার এ সমিতির সদস্য ছিল। প্রতিটি কার্ডের সঞ্চয় লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার টাকা এবং সদস্যদের দাবি অনুযায়ী, এবার সব মিলিয়ে প্রায় ৭৭ লাখ টাকা জমা হয়েছিল। গত রোববার (১৫ মার্চ) মাংস দেওয়ার কথা থাকলেও তারা দিতে পারেনি এবং মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মাংস দেওয়ার চূড়ান্ত দিন নির্ধারণ করে পরিচালকরা লাপাত্তা হন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আর্তনাদ দেখা দিয়েছে।
কীটনাশক কারখানার কর্মী বাবলী আক্তার কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, নিজের টাকার পাশাপাশি কারখানার আরও ৪৪ জনের টাকা আমার মাধ্যমে এ সমিতিতে রেখেছিলাম। এখন আমি ফেঁসে গেছি। আমার স্বামী অটো চালায়, আমি নিজে কাজ না করলে সংসার চলে না। এত টাকা এখন আমি কীভাবে শোধ করব?
চাপড়পাড়ার বাসিন্দা পারুল জানান, এ পাড়ার ৭৫০ জন মানুষ বই করেছিল, যেন ঈদের সময় পরিবার নিয়ে একটু আনন্দ করা যায়। একই অবস্থা লালন মণ্ডলসহ আরও অনেক ভুক্তভোগীর। কষ্টার্জিত জমানো টাকা হারিয়ে তারা এখন দিশাহারা।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে সদর থানার ওসি মুনিরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফা মঞ্জুর বলেন, মালগ্রাম এলাকায় একটি সমিতি মাংস দেওয়ার নামে প্রতি সপ্তাহে টাকা তুলত। মঙ্গলবার তাদের বিতরণের দিন ছিল, কিন্তু তারা টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছে।
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগীরা তাদের টাকা ফেরত পেতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩০
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৯
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২১
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬