
২৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:২২
ঝালকাঠির বুক চিরে বয়ে যাওয়া সুগন্ধা নদী বহু বছর ধরে যেমন মানুষের জীবন গড়েছে, তেমনি প্রতিবর্ষায় ভয়াবহ ভাঙনের দুঃসহ অভিজ্ঞতাও হাজির করেছে নদীপারের মানুষের সামনে। বাড়িঘর ভেঙে নদীতে বিলীন হওয়া, চাষের জমি হারানো আর প্রতিদিনের অনিশ্চয়তা এক অদৃশ্য আতঙ্ক জন্ম দিয়েছিল এ অঞ্চলের মানুষের জীবনে।
সেই দীর্ঘ দুর্ভোগ কাটিয়ে ওঠার স্বপ্ন এখন বাস্তবায়নের কাছাকাছি। সুগন্ধা নদীর ভাঙন হতে সদর ও নলছটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)-এর হাতে নেওয়া প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে, যা নদীপারের জনজীবনে নতুন আশার আলো ছড়িয়েছে।
প্রকল্প এলাকায় এখন প্রতিদিনই দেখা যায় শ্রমিকদের ব্যস্ত সময়। নদীতীরে স্থাপন করা হচ্ছে সুরক্ষা বাঁধ। জিও ব্যাগ ও সিমেন্ট কংক্রিটের ব্লক ফেলে গড়ে তোলা হচ্ছে আধুনিক নদীশাসন কাঠামো।
কর্মকর্তারা জানান, ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন ১৩.২১৫ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বের বিষয়টি মাথায় রেখে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
নদীর স্রোতের ধরন, মাটির গঠন এবং ভাঙনপ্রবণতার মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে। এসব ব্যবস্থায় নদীতীর দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করছেন তারা।
স্থানীয়রা জানায়, ইতোমধ্যে পরিবর্তনের ছোঁয়া টের পাচ্ছেন তারা। কয়েক মাস আগেও যারা ভয়ে নিজের বসতবাড়িতে বিনিয়োগ করতে পারছিলেন না, এখন তারা নতুন ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন।
কৃষকরা নিশ্চিন্তে আগাম মৌসুমের ফসল ফলানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভাঙনের ভয় কমে যাওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন গতি এসেছে। নদীর পাড়ঘেঁষা জমির দামও বেড়েছে কয়েকগুণ, যা স্থানীয় অর্থনীতির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, ‘সুগন্ধা নদীর ভাঙন রোধ শুধু একটি প্রকল্প নয়—এটি নদীপারের মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি স্বপ্ন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মানুষ আবাসন ও ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে আরেকটি নিরাপদ বাস্তবতায় প্রবেশ করবে।
প্রকল্পকে সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় গঠিত টাস্কফোর্স কমিটি নিয়মিত কাজের গুণগত মান যাচাই করছে এবং নকশা অনুযায়ী নির্মাণকাজ হচ্ছে কিনা, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এ কারণে পুরো প্রকল্পটি নিরাপদ, মানসম্মত ও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উন্নয়ন সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এই প্রকল্প শুধু ভাঙন ঠেকিয়ে মানুষের ঘরবাড়ি রক্ষাই করবে না; বরং ঝালকাঠির সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন পথ খুলে দেবে। নদীপারে গড়ে উঠবে নতুন বাজার, নতুন কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ এবং টেকসই পরিবেশবান্ধব বসতি।
সব মিলিয়ে, সুগন্ধা নদী সংরক্ষণ প্রকল্প এখন ঝালকাঠির মানুষের সামনে নিরাপদ, স্থিতিশীল এবং উন্নয়নমুখী ভবিষ্যতের দ্বার উন্মোচিত করছে। প্রকল্পটি শেষ হলে সুগন্ধা নদীর তীর শুধু ভাঙনমুক্তই হবে না—এটি রূপ নেবে টেকসই উন্নয়নের এক অনন্য সম্ভাবনাময় অঞ্চলে।
এ ব্যাপারে ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম নিলয় পাশা বলেন, ঝালকাঠি জেলায় নদীভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এগুলো বাস্তবায়নের কাজ চলছে।
ঝালকাঠির বুক চিরে বয়ে যাওয়া সুগন্ধা নদী বহু বছর ধরে যেমন মানুষের জীবন গড়েছে, তেমনি প্রতিবর্ষায় ভয়াবহ ভাঙনের দুঃসহ অভিজ্ঞতাও হাজির করেছে নদীপারের মানুষের সামনে। বাড়িঘর ভেঙে নদীতে বিলীন হওয়া, চাষের জমি হারানো আর প্রতিদিনের অনিশ্চয়তা এক অদৃশ্য আতঙ্ক জন্ম দিয়েছিল এ অঞ্চলের মানুষের জীবনে।
সেই দীর্ঘ দুর্ভোগ কাটিয়ে ওঠার স্বপ্ন এখন বাস্তবায়নের কাছাকাছি। সুগন্ধা নদীর ভাঙন হতে সদর ও নলছটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)-এর হাতে নেওয়া প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে, যা নদীপারের জনজীবনে নতুন আশার আলো ছড়িয়েছে।
প্রকল্প এলাকায় এখন প্রতিদিনই দেখা যায় শ্রমিকদের ব্যস্ত সময়। নদীতীরে স্থাপন করা হচ্ছে সুরক্ষা বাঁধ। জিও ব্যাগ ও সিমেন্ট কংক্রিটের ব্লক ফেলে গড়ে তোলা হচ্ছে আধুনিক নদীশাসন কাঠামো।
কর্মকর্তারা জানান, ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন ১৩.২১৫ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বের বিষয়টি মাথায় রেখে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
নদীর স্রোতের ধরন, মাটির গঠন এবং ভাঙনপ্রবণতার মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে। এসব ব্যবস্থায় নদীতীর দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করছেন তারা।
স্থানীয়রা জানায়, ইতোমধ্যে পরিবর্তনের ছোঁয়া টের পাচ্ছেন তারা। কয়েক মাস আগেও যারা ভয়ে নিজের বসতবাড়িতে বিনিয়োগ করতে পারছিলেন না, এখন তারা নতুন ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন।
কৃষকরা নিশ্চিন্তে আগাম মৌসুমের ফসল ফলানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভাঙনের ভয় কমে যাওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন গতি এসেছে। নদীর পাড়ঘেঁষা জমির দামও বেড়েছে কয়েকগুণ, যা স্থানীয় অর্থনীতির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, ‘সুগন্ধা নদীর ভাঙন রোধ শুধু একটি প্রকল্প নয়—এটি নদীপারের মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি স্বপ্ন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মানুষ আবাসন ও ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে আরেকটি নিরাপদ বাস্তবতায় প্রবেশ করবে।
প্রকল্পকে সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় গঠিত টাস্কফোর্স কমিটি নিয়মিত কাজের গুণগত মান যাচাই করছে এবং নকশা অনুযায়ী নির্মাণকাজ হচ্ছে কিনা, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এ কারণে পুরো প্রকল্পটি নিরাপদ, মানসম্মত ও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উন্নয়ন সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এই প্রকল্প শুধু ভাঙন ঠেকিয়ে মানুষের ঘরবাড়ি রক্ষাই করবে না; বরং ঝালকাঠির সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন পথ খুলে দেবে। নদীপারে গড়ে উঠবে নতুন বাজার, নতুন কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ এবং টেকসই পরিবেশবান্ধব বসতি।
সব মিলিয়ে, সুগন্ধা নদী সংরক্ষণ প্রকল্প এখন ঝালকাঠির মানুষের সামনে নিরাপদ, স্থিতিশীল এবং উন্নয়নমুখী ভবিষ্যতের দ্বার উন্মোচিত করছে। প্রকল্পটি শেষ হলে সুগন্ধা নদীর তীর শুধু ভাঙনমুক্তই হবে না—এটি রূপ নেবে টেকসই উন্নয়নের এক অনন্য সম্ভাবনাময় অঞ্চলে।
এ ব্যাপারে ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম নিলয় পাশা বলেন, ঝালকাঠি জেলায় নদীভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এগুলো বাস্তবায়নের কাজ চলছে।

০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৫
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় দোকানগুলোর সমস্ত মালামাল পুড়ে যায়। এতে ব্যবসায়ীদের আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
বুধবার (৪ মার্চ) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সম্মুখ সড়কের পাশে অবস্থিত দোকানগুলোতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, রাত দেড়টার দিকে ‘রাজিব স্টোর’-এ আগুন জ্বলতে দেখে তারা দ্রুত আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় মুহূর্তের মধ্যে তা আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। কিন্তু ততক্ষণে দোকানগুলোর সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে একটি মুদি দোকান এবং বাকি পাঁচটি টি-স্টল ছিল।
আগুনে সবকিছু সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উৎকণ্ঠা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানান।
রাজিব স্টোরের স্বত্বাধিকারী ব্যবসায়ী রাজিব হোসেন বলেন, “আসন্ন রমজান উপলক্ষে দোকানে অনেক টাকার মালামাল ছিল। কিছুই রক্ষা করতে পারলাম না। অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে। জানি না কিভাবে আগুন লাগলো। সব পুড়ে গেছে, কিছুই অবশিষ্ট নেই।” এ কথা বলতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
নলছিটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মফিজুর রহমান জানান, “আমরা রাত ১টার পরে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছি এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।”
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় দোকানগুলোর সমস্ত মালামাল পুড়ে যায়। এতে ব্যবসায়ীদের আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
বুধবার (৪ মার্চ) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সম্মুখ সড়কের পাশে অবস্থিত দোকানগুলোতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, রাত দেড়টার দিকে ‘রাজিব স্টোর’-এ আগুন জ্বলতে দেখে তারা দ্রুত আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় মুহূর্তের মধ্যে তা আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। কিন্তু ততক্ষণে দোকানগুলোর সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে একটি মুদি দোকান এবং বাকি পাঁচটি টি-স্টল ছিল।
আগুনে সবকিছু সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উৎকণ্ঠা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানান।
রাজিব স্টোরের স্বত্বাধিকারী ব্যবসায়ী রাজিব হোসেন বলেন, “আসন্ন রমজান উপলক্ষে দোকানে অনেক টাকার মালামাল ছিল। কিছুই রক্ষা করতে পারলাম না। অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে। জানি না কিভাবে আগুন লাগলো। সব পুড়ে গেছে, কিছুই অবশিষ্ট নেই।” এ কথা বলতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
নলছিটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মফিজুর রহমান জানান, “আমরা রাত ১টার পরে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছি এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।”

০১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:০০
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু ফুসফুসের সংক্রমণসহ কিছু জটিলতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ইতোমধ্যে তার জরুরি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ডা. মাহমুদা মিতুর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব তথ্য জানান তার স্বামী। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের সকলের দোয়া ও ভালোবাসার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কিছু জরুরি বিষয় জানাচ্ছি।
আমার স্ত্রী ডা. মাহমুদা মিতুর গত ২৩ তারিখ হঠাৎ গাইনোকোলজিকাল ইমার্জেন্সি দেখা দেওয়ায় জরুরি অপারেশন করতে হয়েছে। অপারেশনের পূর্বে তিনি প্রায় শক অবস্থায় ছিলেন এবং পেটের ভিতরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত জটিলতা তৈরি হয়েছিল। অনেকেই দৌড়ে এসে রক্ত দিয়ে গেছেন। আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনাদের সহায়তা, আল্লাহর অশেষ রহমত এবং চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টায় সেই কঠিন সংকট সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
তবে অপারেশনের পর কিছু জটিলতা দেখা দেয়। বর্তমানে অপারেশনজনিত সমস্যা না থাকলেও পোস্ট-অপারেটিভ ফুসফুসের সংক্রমণসহ আরও কিছু জটিলতার কারণে তিনি এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
সেপটিসেমিয়ার ফিচারসহ, ডি ডাইমার, লিভার এনজাইম, সি আর পি, WBC সব প্যারামিটার রেইজসড সাথে নিউট্রোফিলিয়া। নতুন করে হাই ডায়বেটিক (অন ইন্সুলিন) অবস্থায় আছে। অক্সিজেন সাপোর্ট ছাড়া তার এখনো স্যাচুরেশন ফল করছে, তবে যেগুলো বেশি ছিল সেগুলো এখন কমে আসছে, আজকে শুধু WBC বেড়েছে।
এই সকল প্যারামিটার রেইজ যেহেতু এবং বর্তমানে তার ফুসফুস আক্রান্ত, তাই আপাতত কোনো ভিজিটর অনুমোদন করা হচ্ছে না, বিষয়টি সবাই সহানুভূতির সাথে গ্রহণ করবেন বলে আশা করছি।
দুদিন আগে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তরের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। আল্লাহর অশেষ রহমত এবং চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা আপাতত সেই কঠিন সময় অতিক্রম করতে পেরেছি, তবে এখনও পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নন। চিকিৎসকরা ধারণা করছেন আরও ৪/৫ দিন সময় লাগতে পারে।
পরিবারের পক্ষ থেকে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর বিষয়টি জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু গত কয়েকদিন তার অনলাইনে অনুপস্থিতি দেখে আপনাদের শত শত কল ও বার্তা এবং এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীদের উদ্বিগ্ন যোগাযোগের কারণে বিষয়টি জানানোকে দায়িত্ব মনে করেছি।
অনেকে হাসপাতালের ঠিকানা জানতে চেয়েছেন। তিনি পাশ করার পর প্রায় ৯ বছর যে গাইনি ক্লিনিকে কাজ করেছেন, সেটিকেই তিনি নিজের দ্বিতীয় ঘর মনে করেন। আমি ঢাকা মেডিকেলে ডিউটিরত থাকার সময়ও তিনি নিজ সিদ্ধান্তে সেখানে ভর্তি হয়েছেন। তার কমফোর্ট জোন বিবেচনায় আমরা তাকে সেখানেই রেখেছি।
গত ২২-২৩ তারিখ থেকেই তিনি অনেক বেশি শারীরিক কষ্ট পেয়েছেন। আমি দেশবাসীর কাছে আমার স্ত্রীর জন্য আন্তরিক দোয়া প্রার্থনা করছি। তার কথা বা অবস্থানের কারণে যদি কেউ কোনোভাবে কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে নিজ গুণে ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। আমার বাচ্চারা, আমরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে এই মুহূর্তে কিছুটা ভঙ্গুর অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।
পবিত্র রমযান মাসের বরকতময় সময়ে আপনাদের আন্তরিক দোয়ার উছিলায় মহান আল্লাহ তাআলা যেন তাকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করেন এই কামনাই করছি। আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, তার নাম মনে পড়লেই নাম ধরে আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন।
আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন আমাদের জন্য অনেক বড় শক্তি। মহান রাব্বুল আলামিন আপনাদের অন্তরে তার জন্য যে ভালোবাসা ও সম্মান সৃষ্টি করেছেন, সেই ভালোবাসা ও দোয়াতেই তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন এবং আপনাদের আশানুরূপ স্থানে আমরা অতি দ্রুতই তার কণ্ঠস্বর শুনতে পাবো ইনশাআল্লাহ।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু ফুসফুসের সংক্রমণসহ কিছু জটিলতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ইতোমধ্যে তার জরুরি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ডা. মাহমুদা মিতুর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব তথ্য জানান তার স্বামী। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের সকলের দোয়া ও ভালোবাসার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কিছু জরুরি বিষয় জানাচ্ছি।
আমার স্ত্রী ডা. মাহমুদা মিতুর গত ২৩ তারিখ হঠাৎ গাইনোকোলজিকাল ইমার্জেন্সি দেখা দেওয়ায় জরুরি অপারেশন করতে হয়েছে। অপারেশনের পূর্বে তিনি প্রায় শক অবস্থায় ছিলেন এবং পেটের ভিতরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত জটিলতা তৈরি হয়েছিল। অনেকেই দৌড়ে এসে রক্ত দিয়ে গেছেন। আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনাদের সহায়তা, আল্লাহর অশেষ রহমত এবং চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টায় সেই কঠিন সংকট সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
তবে অপারেশনের পর কিছু জটিলতা দেখা দেয়। বর্তমানে অপারেশনজনিত সমস্যা না থাকলেও পোস্ট-অপারেটিভ ফুসফুসের সংক্রমণসহ আরও কিছু জটিলতার কারণে তিনি এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
সেপটিসেমিয়ার ফিচারসহ, ডি ডাইমার, লিভার এনজাইম, সি আর পি, WBC সব প্যারামিটার রেইজসড সাথে নিউট্রোফিলিয়া। নতুন করে হাই ডায়বেটিক (অন ইন্সুলিন) অবস্থায় আছে। অক্সিজেন সাপোর্ট ছাড়া তার এখনো স্যাচুরেশন ফল করছে, তবে যেগুলো বেশি ছিল সেগুলো এখন কমে আসছে, আজকে শুধু WBC বেড়েছে।
এই সকল প্যারামিটার রেইজ যেহেতু এবং বর্তমানে তার ফুসফুস আক্রান্ত, তাই আপাতত কোনো ভিজিটর অনুমোদন করা হচ্ছে না, বিষয়টি সবাই সহানুভূতির সাথে গ্রহণ করবেন বলে আশা করছি।
দুদিন আগে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তরের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। আল্লাহর অশেষ রহমত এবং চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা আপাতত সেই কঠিন সময় অতিক্রম করতে পেরেছি, তবে এখনও পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নন। চিকিৎসকরা ধারণা করছেন আরও ৪/৫ দিন সময় লাগতে পারে।
পরিবারের পক্ষ থেকে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর বিষয়টি জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু গত কয়েকদিন তার অনলাইনে অনুপস্থিতি দেখে আপনাদের শত শত কল ও বার্তা এবং এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীদের উদ্বিগ্ন যোগাযোগের কারণে বিষয়টি জানানোকে দায়িত্ব মনে করেছি।
অনেকে হাসপাতালের ঠিকানা জানতে চেয়েছেন। তিনি পাশ করার পর প্রায় ৯ বছর যে গাইনি ক্লিনিকে কাজ করেছেন, সেটিকেই তিনি নিজের দ্বিতীয় ঘর মনে করেন। আমি ঢাকা মেডিকেলে ডিউটিরত থাকার সময়ও তিনি নিজ সিদ্ধান্তে সেখানে ভর্তি হয়েছেন। তার কমফোর্ট জোন বিবেচনায় আমরা তাকে সেখানেই রেখেছি।
গত ২২-২৩ তারিখ থেকেই তিনি অনেক বেশি শারীরিক কষ্ট পেয়েছেন। আমি দেশবাসীর কাছে আমার স্ত্রীর জন্য আন্তরিক দোয়া প্রার্থনা করছি। তার কথা বা অবস্থানের কারণে যদি কেউ কোনোভাবে কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে নিজ গুণে ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। আমার বাচ্চারা, আমরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে এই মুহূর্তে কিছুটা ভঙ্গুর অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।
পবিত্র রমযান মাসের বরকতময় সময়ে আপনাদের আন্তরিক দোয়ার উছিলায় মহান আল্লাহ তাআলা যেন তাকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করেন এই কামনাই করছি। আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, তার নাম মনে পড়লেই নাম ধরে আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন।
আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন আমাদের জন্য অনেক বড় শক্তি। মহান রাব্বুল আলামিন আপনাদের অন্তরে তার জন্য যে ভালোবাসা ও সম্মান সৃষ্টি করেছেন, সেই ভালোবাসা ও দোয়াতেই তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন এবং আপনাদের আশানুরূপ স্থানে আমরা অতি দ্রুতই তার কণ্ঠস্বর শুনতে পাবো ইনশাআল্লাহ।

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৮
ঝালকাঠি-পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সমবায় এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় খলিলুর রহমান (৪৫) নামের এক অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা ও দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজাপুর উপজেলা থেকে ভান্ডারিয়াগামী একটি অটোরিকশা সমবায় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে প্রচণ্ড সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চালক গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে এলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহত খলিলুর রহমান রাজাপুর উপজেলার কৈবত্যখালী গ্রামের ইমান আলী খানের ছেলে।
দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীও আহত হয়েছেন। তাকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাজাপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কে বেপরোয়া গতি ও অসতর্কতার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে গতিরোধক স্থাপন ও ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
ঝালকাঠি-পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সমবায় এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় খলিলুর রহমান (৪৫) নামের এক অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা ও দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজাপুর উপজেলা থেকে ভান্ডারিয়াগামী একটি অটোরিকশা সমবায় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে প্রচণ্ড সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চালক গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে এলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহত খলিলুর রহমান রাজাপুর উপজেলার কৈবত্যখালী গ্রামের ইমান আলী খানের ছেলে।
দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীও আহত হয়েছেন। তাকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাজাপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কে বেপরোয়া গতি ও অসতর্কতার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে গতিরোধক স্থাপন ও ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.