
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১০
রাজধানী ঢাকার রমনা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাসানকে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানাধীন শহরের বিবিরপুকুর পাড়সংলগ্ন এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ত্রিশোর্ধ্ব যুবক আহসান হাসান নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ইউনিট কমিটির সক্রিয় নেতা এবং তার বিরুদ্ধে বরিশাল ও ঢাকায় একাধিক মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই আগস্টে তিনি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ওপর হামলা চালিয়েছেন এবং আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে নিজেকে আড়ালে রাখেন। এবং শহরের বৈদ্যপাড়া এলাকার বাসাসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে অন্তবর্তী সরকারবিরোধী প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন।
স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আহসান হাসান বিবিপুকুরসংলগ্ন আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসের কাছে অবস্থান করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে ঢাকা ও বরিশালে একাধিক মামলা আছে এই তথ্য নিশ্চিত হয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার তাকে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের পরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা একাধিক মামলায় জড়িয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। গ্রামের বরিশাল এবং ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেওয়াসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এড়িয়ে চলছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না! বিলম্বে হলেও তাকে আইনের আওতায় আসতে হয়েছে।’
রাজধানী ঢাকার রমনা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাসানকে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানাধীন শহরের বিবিরপুকুর পাড়সংলগ্ন এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ত্রিশোর্ধ্ব যুবক আহসান হাসান নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ইউনিট কমিটির সক্রিয় নেতা এবং তার বিরুদ্ধে বরিশাল ও ঢাকায় একাধিক মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই আগস্টে তিনি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ওপর হামলা চালিয়েছেন এবং আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে নিজেকে আড়ালে রাখেন। এবং শহরের বৈদ্যপাড়া এলাকার বাসাসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে অন্তবর্তী সরকারবিরোধী প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন।
স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আহসান হাসান বিবিপুকুরসংলগ্ন আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসের কাছে অবস্থান করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে ঢাকা ও বরিশালে একাধিক মামলা আছে এই তথ্য নিশ্চিত হয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার তাকে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের পরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা একাধিক মামলায় জড়িয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। গ্রামের বরিশাল এবং ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেওয়াসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এড়িয়ে চলছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না! বিলম্বে হলেও তাকে আইনের আওতায় আসতে হয়েছে।’
০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০২:১০
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১০
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০

০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০২:১০
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়া গতির ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার গভীর রাতে কোতয়ালি থানাধীন রূপাতলী উকিলবাড়ি সড়ক সম্মুখ বরিশাল-ঝালকাঠি সড়কে জুয়েল (২৮) এবং রাসেল (২৫) নামের যুবকদ্বয়ের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয় ট্রাকটি। এতে রাসেলের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হলেও জুয়েলকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে পৌছানের আগেই পথে জুয়েলও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
রূপাতলীর বাসিন্দা জুয়েল এবং রুইয়ার পোল এলাকার রাসেল উভয়ে এসিআই এনিমেল হেলথের স্টোরে হেলপার পদে কর্মরত ছিলেন।
কোতয়ালি পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত ১২টার দিকে অফিস শেষ করে জুয়েল এবং রাসেল নাস্তা করতে মোটরসাইকেলযোগে রূপাতলী বাস টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরিত দিক থেকে ঝালকাঠিগামী মালবোঝাই (কুষ্টিয়া-ট ১১-২৫৪৫) ট্রাক বেপরোয়া গতিতে এসে মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাসেল প্রাণ হারান। এবং গুরুতর আহত জুয়েলকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে মেডিকেলে পৌছানোর আগেই জুয়েলেরও মৃত্যু হয়, ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
এর আগে দুর্ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ট্রাকটি রাস্তার ওপর রেখেই পালিয়ে গেছেন চালক এবং হেলপার। পুলিশ তাদের দুজনকে গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানান, কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম।
তিনি বরিশালটাইমসকে জানান, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং লাশ উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। তাছাড়া চালক ও হেলপারকে আটক করতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে, জানান ওসি।’
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়া গতির ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার গভীর রাতে কোতয়ালি থানাধীন রূপাতলী উকিলবাড়ি সড়ক সম্মুখ বরিশাল-ঝালকাঠি সড়কে জুয়েল (২৮) এবং রাসেল (২৫) নামের যুবকদ্বয়ের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয় ট্রাকটি। এতে রাসেলের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হলেও জুয়েলকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে পৌছানের আগেই পথে জুয়েলও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
রূপাতলীর বাসিন্দা জুয়েল এবং রুইয়ার পোল এলাকার রাসেল উভয়ে এসিআই এনিমেল হেলথের স্টোরে হেলপার পদে কর্মরত ছিলেন।
কোতয়ালি পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত ১২টার দিকে অফিস শেষ করে জুয়েল এবং রাসেল নাস্তা করতে মোটরসাইকেলযোগে রূপাতলী বাস টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরিত দিক থেকে ঝালকাঠিগামী মালবোঝাই (কুষ্টিয়া-ট ১১-২৫৪৫) ট্রাক বেপরোয়া গতিতে এসে মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাসেল প্রাণ হারান। এবং গুরুতর আহত জুয়েলকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে মেডিকেলে পৌছানোর আগেই জুয়েলেরও মৃত্যু হয়, ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
এর আগে দুর্ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ট্রাকটি রাস্তার ওপর রেখেই পালিয়ে গেছেন চালক এবং হেলপার। পুলিশ তাদের দুজনকে গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানান, কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম।
তিনি বরিশালটাইমসকে জানান, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং লাশ উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। তাছাড়া চালক ও হেলপারকে আটক করতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে, জানান ওসি।’

০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৮
পবিত্র রমজান মাসের এখনো এক মাসেরও বেশি সময় বাকি। রোজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায় বলে ক্রেতারা অভিযোগ করেন। এবার সিয়াম সাধনার মাসটি আসার আগেই বেড়েছে চিনির দাম। বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৫-১১০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ৯৫-১০০ টাকা।
এছাড়া নতুন বছরের শুরুতেই কাঁচাবাজারে স্বস্তির হাওয়া লেগেছে। মাছ-মাংসের দামে হেরফের দেখা যায়নি। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁও, শ্যামলী, কল্যাণপুর, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকার কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৯০ টাকা। টিসিবি জানায়, গত এক মাসে চিনির দাম বেড়েছে ৫ শতাংশ। কাজীপাড়া এলাকার মুদি দোকানি আরিফ হোসেন জানান, পাইকারিতে দাম বেশি। প্রতি প্যাকেট চিনিতে ৪-৫ টাকা লাভ থাকে। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০০ টাকা, প্যাকেট চিনি ব্র্যান্ডভেদে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দোকানিরা জানান, চিনির দাম বাড়তে পারে। এমন আশঙ্কায় অনেকে চিনি তুলে রেখেছেন। অনেকে আবার পরিচিত ক্রেতা ছাড়া চিনি বিক্রি করছেন না। শ্যামলীর বিক্রেতা হিমেল মাহমুদ জানান, প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) চিনিতে ৫০ টাকা বেড়েছে। বাড়তি দাম লেখা প্যাকেট চিনি এখনো অনেক দোকানে আসেনি।
এদিকে, বাজারে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে পেঁয়াজ ও আলুর দাম। নতুন আলু ও পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় কমেছে পণ্য দুটির দাম।
প্রতি কেজি মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬৫-৭০ টাকা। ১০ টাকা কমে প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬৫ টাকায়। প্রতি কেজি নতুন আলু মিলছে ১৫-২০ টাকায়।
পবিত্র রমজান মাসের এখনো এক মাসেরও বেশি সময় বাকি। রোজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায় বলে ক্রেতারা অভিযোগ করেন। এবার সিয়াম সাধনার মাসটি আসার আগেই বেড়েছে চিনির দাম। বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৫-১১০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ৯৫-১০০ টাকা।
এছাড়া নতুন বছরের শুরুতেই কাঁচাবাজারে স্বস্তির হাওয়া লেগেছে। মাছ-মাংসের দামে হেরফের দেখা যায়নি। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁও, শ্যামলী, কল্যাণপুর, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকার কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৯০ টাকা। টিসিবি জানায়, গত এক মাসে চিনির দাম বেড়েছে ৫ শতাংশ। কাজীপাড়া এলাকার মুদি দোকানি আরিফ হোসেন জানান, পাইকারিতে দাম বেশি। প্রতি প্যাকেট চিনিতে ৪-৫ টাকা লাভ থাকে। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০০ টাকা, প্যাকেট চিনি ব্র্যান্ডভেদে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দোকানিরা জানান, চিনির দাম বাড়তে পারে। এমন আশঙ্কায় অনেকে চিনি তুলে রেখেছেন। অনেকে আবার পরিচিত ক্রেতা ছাড়া চিনি বিক্রি করছেন না। শ্যামলীর বিক্রেতা হিমেল মাহমুদ জানান, প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) চিনিতে ৫০ টাকা বেড়েছে। বাড়তি দাম লেখা প্যাকেট চিনি এখনো অনেক দোকানে আসেনি।
এদিকে, বাজারে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে পেঁয়াজ ও আলুর দাম। নতুন আলু ও পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় কমেছে পণ্য দুটির দাম।
প্রতি কেজি মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬৫-৭০ টাকা। ১০ টাকা কমে প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬৫ টাকায়। প্রতি কেজি নতুন আলু মিলছে ১৫-২০ টাকায়।

০১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:৪১
বরিশাল নগরীর ফকির বাড়ি রোডে অবস্থিত বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা কার্যালয় ভাঙচুর ও বেশকিছু মালামাল লুট করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টি বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি এস.এম. নজরুল হক নিলু।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে অজ্ঞাত কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে কার্যালয়ের দোতলার অংশ ভাঙচুর করা হয়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ফকির বাড়ি রোডে (রাখাল বাবুর পুকুর পাড়ের গলির দক্ষিণ মুখে) অবস্থিত ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা কার্যালয়ে দলটি প্রায় ৪০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। কার্যালয়টির মালিক ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার ও বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক নিজামুল হক নিজামের ছেলে মো. তামীম কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে অজ্ঞাত কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে কার্যালয়ের দোতলার অংশ ভাঙচুর করেন।
এসময় নিচতলার চেয়ার, টেবিল, ফ্যানসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয় এবং একটি স্ট্যান্ড ফ্যান ও একটি সিলিং ফ্যানসহ বেশকিছু মালামাল নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
খবর পেয়ে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, নিয়মিতভাবে পার্টি অফিসের ভাড়া পরিশোধ করা হয়ে আসছিল এবং ভাড়ার কাগজপত্রও সংযুক্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এর পর আত্মগোপনে চলে যায় ঘরটির মালিক মহানগর আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক নিজামুল হক নিজাম। এরপর ভাড়া বিকাশ কিংবা নগদের মাধ্যমে পরিশোধ করত ভাড়াটিয়া। প্রতিমাসে ভিন্ন ভিন্ন নম্বরে বাসা ভাড়া পাঠান ভাড়াটিয়া বাংলাদেশের ওয়াকার্স পার্টির নেতৃবৃন্দ। কোন ডকুমেন্টস না থাকায় গত এক মাস তারা ভাড়া দেননি। এই সুযোগে নিজামুল হক নিজামের ছেলে তনিম লোকজন দিয়ে ঘরটি ভাঙচুর করেন।
এ বিষয়ে বরিশাল শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মো. জাকির হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে কোনো নোটিশ ছাড়া এভাবে ভাঙচুর করা সম্পূর্ণ বেআইনি ও নিন্দনীয়। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা দাবি করছি।
বরিশাল জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক ফিরোজ বলেন, ওয়ার্কার্স পার্টির এই কার্যালয় শুধু একটি অফিস নয়, এটি আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস বহন করে। এ ধরনের হামলা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী।
বরিশাল নগরীর ফকির বাড়ি রোডে অবস্থিত বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা কার্যালয় ভাঙচুর ও বেশকিছু মালামাল লুট করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টি বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি এস.এম. নজরুল হক নিলু।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে অজ্ঞাত কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে কার্যালয়ের দোতলার অংশ ভাঙচুর করা হয়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ফকির বাড়ি রোডে (রাখাল বাবুর পুকুর পাড়ের গলির দক্ষিণ মুখে) অবস্থিত ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা কার্যালয়ে দলটি প্রায় ৪০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। কার্যালয়টির মালিক ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার ও বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক নিজামুল হক নিজামের ছেলে মো. তামীম কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে অজ্ঞাত কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে কার্যালয়ের দোতলার অংশ ভাঙচুর করেন।
এসময় নিচতলার চেয়ার, টেবিল, ফ্যানসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয় এবং একটি স্ট্যান্ড ফ্যান ও একটি সিলিং ফ্যানসহ বেশকিছু মালামাল নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
খবর পেয়ে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, নিয়মিতভাবে পার্টি অফিসের ভাড়া পরিশোধ করা হয়ে আসছিল এবং ভাড়ার কাগজপত্রও সংযুক্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এর পর আত্মগোপনে চলে যায় ঘরটির মালিক মহানগর আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক নিজামুল হক নিজাম। এরপর ভাড়া বিকাশ কিংবা নগদের মাধ্যমে পরিশোধ করত ভাড়াটিয়া। প্রতিমাসে ভিন্ন ভিন্ন নম্বরে বাসা ভাড়া পাঠান ভাড়াটিয়া বাংলাদেশের ওয়াকার্স পার্টির নেতৃবৃন্দ। কোন ডকুমেন্টস না থাকায় গত এক মাস তারা ভাড়া দেননি। এই সুযোগে নিজামুল হক নিজামের ছেলে তনিম লোকজন দিয়ে ঘরটি ভাঙচুর করেন।
এ বিষয়ে বরিশাল শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মো. জাকির হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে কোনো নোটিশ ছাড়া এভাবে ভাঙচুর করা সম্পূর্ণ বেআইনি ও নিন্দনীয়। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা দাবি করছি।
বরিশাল জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক ফিরোজ বলেন, ওয়ার্কার্স পার্টির এই কার্যালয় শুধু একটি অফিস নয়, এটি আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস বহন করে। এ ধরনের হামলা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.