
১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৩
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে রাজনীতির মাঠে তৈরি হয়েছে ভিন্নমাত্রার সমীকরণ। এই আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর (ভিপি নুর)।
বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মো. হাসান মামুন এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। দলের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা ও ভিন্নমত। এতে ভোটারদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে কৌতূহল ও দ্বিধা।
বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা হাসান মামুন গলাচিপা-দশমিনা এলাকায় পরিচিত মুখ। স্থানীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকায় তার রয়েছে নিজস্ব অনুসারী ও সমর্থক গোষ্ঠী।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার বিষয়ে হাসান মামুন বলেন, আমি দলের জন্য দীর্ঘদিন কাজ করেছি। এলাকার মানুষ আমাকে চায় সেটাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। দলীয় মনোনয়ন না পেলেও জনগণের ভালোবাসা নিয়ে নির্বাচনে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, এই আসনে উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, এই নির্বাচন কেবল ব্যক্তি নয়, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি প্রার্থী হয়েছি এবং মাঠে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। তিনি দাবি করেন, পটুয়াখালী-৩ আসনের মানুষ পরিবর্তন চায়। তারা স্বচ্ছ রাজনীতি ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে।
গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে প্রার্থীদের নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। অনেকেই বলছেন, একই রাজনৈতিক ধারার একাধিক প্রার্থী থাকায় ভোটের হিসাব কষতে হচ্ছে নতুন করে।
গলাচিপা পৌর এলাকার ব্যবসায়ী মো. সেলিম হাওলাদার বলেন, হাসান মামুন আমাদের এলাকার মানুষ, বহুদিন রাজনীতি করছেন। আবার ভিপি নুরের জাতীয় পরিচিতি আছে। কার দিকে ভোট যাবে এটা এখনও ঠিক করতে পারছি না।
দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের কৃষক আবু তাহের বলেন, আমরা দল দেখি না, কাজ দেখি। যিনি কৃষকের জন্য কথা বলবেন, সার-বীজ আর ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করবেন, তাকেই ভোট দেব।
গলাচিপার চরকাজল ইউনিয়নের জেলে ইসমাইল মাঝি বলেন, নদীভাঙন আর মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞায় আমরা বিপদে আছি। আগে যারা এমপি ছিল, তারা আমাদের কথা শোনেনি। এবার নতুন কাউকে সুযোগ দিতে চাই।
দশমিনা উপজেলার তরুণ ভোটার রাকিব হোসেন বলেন, ভিপি নুর ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেতা। তার মধ্যে প্রতিবাদী ভাব আছে। আমরা তরুণরা চাই সংসদে কেউ জোরে কথা বলুক।
অন্যদিকে গলাচিপা উপজেলার প্রবীণ ভোটার মো. ইউনুস আলী বলেন, হাসান মামুন এলাকায় অনেক সামাজিক কাজ করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে তিনি ভালো মানুষ। দলীয় বিষয় আমাদের কাছে তত গুরুত্বপূর্ণ না।
দশমিনা মহিলা কলেজের এক শিক্ষার্থী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, আমরা নিরাপদ চলাচল, শিক্ষা আর চাকরির সুযোগ চাই। প্রার্থী যেই হোক, নারীদের বিষয়ে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি চাই।
একজন গৃহিণী শাহানারা বেগম বলেন, নির্বাচনের সময় সবাই আসে, পরে আর দেখা যায় না। এবার এমন কাউকে চাই, যিনি নির্বাচনের পরও এলাকায় থাকবেন।
স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, বিএনপির সাবেক ও বহিষ্কৃত নেতার স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় একই ধারার ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গলাচিপা বাজারের চা-স্টলের আড্ডায় বসা এক ভোটার বলেন, একদিকে জোট প্রার্থী, আরেকদিকে স্বতন্ত্র দুইজনই বিরোধী রাজনীতির। এই বিভাজন শেষ পর্যন্ত কাকে সুবিধা দেবে, সেটাই এখন আলোচনার বিষয়।
ভোটারদের ভাষ্যে স্পষ্ট। এবারের নির্বাচনে ব্যক্তি পরিচিতি, এলাকার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানের প্রতিশ্রুতিই মুখ্য হয়ে উঠেছে। দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি কে কতটা মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারছেন, সেটাই হয়ে উঠছে মূল বিচার্য।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হাসান মামুনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া জোট প্রার্থীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা থাকায় নির্বাচন চারমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নিয়েছে।
ইতোমধ্যে গলাচিপা ও দশমিনার বিভিন্ন হাট-বাজার, গ্রাম ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে প্রার্থীদের পক্ষে গণসংযোগ শুরু হয়েছে। পোস্টার-ব্যানার ছাড়াই নানা কৌশলে নির্বাচনী প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠছে পুরো এলাকা, যদিও ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে সংযম ও সতর্কতা।
সব মিলিয়ে পটুয়াখালী-৩ আসনের নির্বাচন এবার শুধু দ্বিমুখী নয়, চারমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নিয়েছে যার ফলাফল নির্ধারণ করবে ভোটারদের সচেতন সিদ্ধান্ত।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে রাজনীতির মাঠে তৈরি হয়েছে ভিন্নমাত্রার সমীকরণ। এই আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর (ভিপি নুর)।
বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মো. হাসান মামুন এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। দলের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা ও ভিন্নমত। এতে ভোটারদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে কৌতূহল ও দ্বিধা।
বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা হাসান মামুন গলাচিপা-দশমিনা এলাকায় পরিচিত মুখ। স্থানীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকায় তার রয়েছে নিজস্ব অনুসারী ও সমর্থক গোষ্ঠী।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার বিষয়ে হাসান মামুন বলেন, আমি দলের জন্য দীর্ঘদিন কাজ করেছি। এলাকার মানুষ আমাকে চায় সেটাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। দলীয় মনোনয়ন না পেলেও জনগণের ভালোবাসা নিয়ে নির্বাচনে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, এই আসনে উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, এই নির্বাচন কেবল ব্যক্তি নয়, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি প্রার্থী হয়েছি এবং মাঠে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। তিনি দাবি করেন, পটুয়াখালী-৩ আসনের মানুষ পরিবর্তন চায়। তারা স্বচ্ছ রাজনীতি ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে।
গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে প্রার্থীদের নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। অনেকেই বলছেন, একই রাজনৈতিক ধারার একাধিক প্রার্থী থাকায় ভোটের হিসাব কষতে হচ্ছে নতুন করে।
গলাচিপা পৌর এলাকার ব্যবসায়ী মো. সেলিম হাওলাদার বলেন, হাসান মামুন আমাদের এলাকার মানুষ, বহুদিন রাজনীতি করছেন। আবার ভিপি নুরের জাতীয় পরিচিতি আছে। কার দিকে ভোট যাবে এটা এখনও ঠিক করতে পারছি না।
দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের কৃষক আবু তাহের বলেন, আমরা দল দেখি না, কাজ দেখি। যিনি কৃষকের জন্য কথা বলবেন, সার-বীজ আর ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করবেন, তাকেই ভোট দেব।
গলাচিপার চরকাজল ইউনিয়নের জেলে ইসমাইল মাঝি বলেন, নদীভাঙন আর মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞায় আমরা বিপদে আছি। আগে যারা এমপি ছিল, তারা আমাদের কথা শোনেনি। এবার নতুন কাউকে সুযোগ দিতে চাই।
দশমিনা উপজেলার তরুণ ভোটার রাকিব হোসেন বলেন, ভিপি নুর ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেতা। তার মধ্যে প্রতিবাদী ভাব আছে। আমরা তরুণরা চাই সংসদে কেউ জোরে কথা বলুক।
অন্যদিকে গলাচিপা উপজেলার প্রবীণ ভোটার মো. ইউনুস আলী বলেন, হাসান মামুন এলাকায় অনেক সামাজিক কাজ করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে তিনি ভালো মানুষ। দলীয় বিষয় আমাদের কাছে তত গুরুত্বপূর্ণ না।
দশমিনা মহিলা কলেজের এক শিক্ষার্থী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, আমরা নিরাপদ চলাচল, শিক্ষা আর চাকরির সুযোগ চাই। প্রার্থী যেই হোক, নারীদের বিষয়ে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি চাই।
একজন গৃহিণী শাহানারা বেগম বলেন, নির্বাচনের সময় সবাই আসে, পরে আর দেখা যায় না। এবার এমন কাউকে চাই, যিনি নির্বাচনের পরও এলাকায় থাকবেন।
স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, বিএনপির সাবেক ও বহিষ্কৃত নেতার স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় একই ধারার ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গলাচিপা বাজারের চা-স্টলের আড্ডায় বসা এক ভোটার বলেন, একদিকে জোট প্রার্থী, আরেকদিকে স্বতন্ত্র দুইজনই বিরোধী রাজনীতির। এই বিভাজন শেষ পর্যন্ত কাকে সুবিধা দেবে, সেটাই এখন আলোচনার বিষয়।
ভোটারদের ভাষ্যে স্পষ্ট। এবারের নির্বাচনে ব্যক্তি পরিচিতি, এলাকার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানের প্রতিশ্রুতিই মুখ্য হয়ে উঠেছে। দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি কে কতটা মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারছেন, সেটাই হয়ে উঠছে মূল বিচার্য।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হাসান মামুনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া জোট প্রার্থীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা থাকায় নির্বাচন চারমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নিয়েছে।
ইতোমধ্যে গলাচিপা ও দশমিনার বিভিন্ন হাট-বাজার, গ্রাম ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে প্রার্থীদের পক্ষে গণসংযোগ শুরু হয়েছে। পোস্টার-ব্যানার ছাড়াই নানা কৌশলে নির্বাচনী প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠছে পুরো এলাকা, যদিও ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে সংযম ও সতর্কতা।
সব মিলিয়ে পটুয়াখালী-৩ আসনের নির্বাচন এবার শুধু দ্বিমুখী নয়, চারমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নিয়েছে যার ফলাফল নির্ধারণ করবে ভোটারদের সচেতন সিদ্ধান্ত।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১২
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নব যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল, ২০২৬) উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত ভবন এর কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা নবাগত ইউএনও-কে মির্জাগঞ্জে স্বাগত জানান। আলোচনায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া,সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও হয়রানিমুক্ত করা, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখা সহ উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বেশ কিছু দাবি ও প্রত্যাশা উঠে আসে।
নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল সকলের সহযোগিতা কামনা করে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নব যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল, ২০২৬) উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত ভবন এর কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা নবাগত ইউএনও-কে মির্জাগঞ্জে স্বাগত জানান। আলোচনায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া,সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও হয়রানিমুক্ত করা, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখা সহ উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বেশ কিছু দাবি ও প্রত্যাশা উঠে আসে।
নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল সকলের সহযোগিতা কামনা করে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে কোন অনিয়ম কিংবা আত্মসাত করা হয়নি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার।
রোববার রাত ৮ টায় কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি হল রুমে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার জেলেদের মধ্যে বিতরনের চাল শ্রমিকদের বুজিয়ে দেওয়ার আগেই ৪/৫ জন স্থানীয় সাংবাদিক এসে আমাকে প্রশ্ন করেন, ভাই আপনি কী চাল নিয়ে আসছেন ? তখন আমি বলি, হ্যাঁ সব চালই নিয়ে আসছি।
এ কথা বলার পরে সাংবাদিকরা চালের বস্তা গননা শুরু করেন। তখন দুপুরে না খাওয়া ৯২১ জন জেলে ধৈর্য হারা হয়ে উত্তেজিত হয়ে যায় এবং বিশৃংখলার সৃষ্টি করেন।
যার কারণে আমরা সর্বশেষ চালের ট্রলিতে আসা ২০০ বস্তা চাল মেম্বারদের মাঝে বুঝিয়ে না দিয়ে ওই চালের ট্রলি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ক্লাবসিবল গেইটের সামনে রাখি।
তখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আপনি এখানে চাল রাখছেন কেন? আমি বলি, এটা আমি পরে বিতরণ করব। সাংবাদিকরা চালের যে হিসেব করেছে ওই ট্রলির চাল সেই হিসেবের মধ্যে আসে নাই।
যার ফলে তাঁরা (সাংবাদিকরা) যে ১৯২ বস্তা চাল নেই বলে উল্লেখ করেছেন সেখানে সেই ট্রলির চাল গননা করা হয়নি। এরপরে ওই ট্রলিতে থাকা চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করি।
এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বকর ছিদ্দিক, ইউপি সদস্যগন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, এর আগে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে কোন অনিয়ম কিংবা আত্মসাত করা হয়নি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার।
রোববার রাত ৮ টায় কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি হল রুমে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার জেলেদের মধ্যে বিতরনের চাল শ্রমিকদের বুজিয়ে দেওয়ার আগেই ৪/৫ জন স্থানীয় সাংবাদিক এসে আমাকে প্রশ্ন করেন, ভাই আপনি কী চাল নিয়ে আসছেন ? তখন আমি বলি, হ্যাঁ সব চালই নিয়ে আসছি।
এ কথা বলার পরে সাংবাদিকরা চালের বস্তা গননা শুরু করেন। তখন দুপুরে না খাওয়া ৯২১ জন জেলে ধৈর্য হারা হয়ে উত্তেজিত হয়ে যায় এবং বিশৃংখলার সৃষ্টি করেন।
যার কারণে আমরা সর্বশেষ চালের ট্রলিতে আসা ২০০ বস্তা চাল মেম্বারদের মাঝে বুঝিয়ে না দিয়ে ওই চালের ট্রলি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ক্লাবসিবল গেইটের সামনে রাখি।
তখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আপনি এখানে চাল রাখছেন কেন? আমি বলি, এটা আমি পরে বিতরণ করব। সাংবাদিকরা চালের যে হিসেব করেছে ওই ট্রলির চাল সেই হিসেবের মধ্যে আসে নাই।
যার ফলে তাঁরা (সাংবাদিকরা) যে ১৯২ বস্তা চাল নেই বলে উল্লেখ করেছেন সেখানে সেই ট্রলির চাল গননা করা হয়নি। এরপরে ওই ট্রলিতে থাকা চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করি।
এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বকর ছিদ্দিক, ইউপি সদস্যগন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, এর আগে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৫
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে তার কক্ষে তালা ঝুলিয়েছেন একই কলেজের শিক্ষকরা। সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদের কক্ষে এ তালা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, যা তাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।
একই কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, শিক্ষকদের সিনিয়রিটির তালিকায় তিনি সপ্তম হলেও জোরপূর্বক চাপ সৃষ্টি করে দায়িত্ব নিয়েছেন। এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষকরা অন্যায়ভাবে তাকে কক্ষ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। কনিষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে তিনি জানান, অন্য শিক্ষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে লিখিতভাবে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে কলেজ পরিচালনা পর্ষদও তাকে দায়িত্ব প্রদান করে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে তার কক্ষে তালা ঝুলিয়েছেন একই কলেজের শিক্ষকরা। সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদের কক্ষে এ তালা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, যা তাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।
একই কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, শিক্ষকদের সিনিয়রিটির তালিকায় তিনি সপ্তম হলেও জোরপূর্বক চাপ সৃষ্টি করে দায়িত্ব নিয়েছেন। এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষকরা অন্যায়ভাবে তাকে কক্ষ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। কনিষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে তিনি জানান, অন্য শিক্ষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে লিখিতভাবে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে কলেজ পরিচালনা পর্ষদও তাকে দায়িত্ব প্রদান করে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৩৮
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪৭
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:২১
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১১