
১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৩
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে রাজনীতির মাঠে তৈরি হয়েছে ভিন্নমাত্রার সমীকরণ। এই আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর (ভিপি নুর)।
বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মো. হাসান মামুন এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। দলের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা ও ভিন্নমত। এতে ভোটারদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে কৌতূহল ও দ্বিধা।
বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা হাসান মামুন গলাচিপা-দশমিনা এলাকায় পরিচিত মুখ। স্থানীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকায় তার রয়েছে নিজস্ব অনুসারী ও সমর্থক গোষ্ঠী।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার বিষয়ে হাসান মামুন বলেন, আমি দলের জন্য দীর্ঘদিন কাজ করেছি। এলাকার মানুষ আমাকে চায় সেটাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। দলীয় মনোনয়ন না পেলেও জনগণের ভালোবাসা নিয়ে নির্বাচনে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, এই আসনে উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, এই নির্বাচন কেবল ব্যক্তি নয়, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি প্রার্থী হয়েছি এবং মাঠে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। তিনি দাবি করেন, পটুয়াখালী-৩ আসনের মানুষ পরিবর্তন চায়। তারা স্বচ্ছ রাজনীতি ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে।
গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে প্রার্থীদের নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। অনেকেই বলছেন, একই রাজনৈতিক ধারার একাধিক প্রার্থী থাকায় ভোটের হিসাব কষতে হচ্ছে নতুন করে।
গলাচিপা পৌর এলাকার ব্যবসায়ী মো. সেলিম হাওলাদার বলেন, হাসান মামুন আমাদের এলাকার মানুষ, বহুদিন রাজনীতি করছেন। আবার ভিপি নুরের জাতীয় পরিচিতি আছে। কার দিকে ভোট যাবে এটা এখনও ঠিক করতে পারছি না।
দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের কৃষক আবু তাহের বলেন, আমরা দল দেখি না, কাজ দেখি। যিনি কৃষকের জন্য কথা বলবেন, সার-বীজ আর ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করবেন, তাকেই ভোট দেব।
গলাচিপার চরকাজল ইউনিয়নের জেলে ইসমাইল মাঝি বলেন, নদীভাঙন আর মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞায় আমরা বিপদে আছি। আগে যারা এমপি ছিল, তারা আমাদের কথা শোনেনি। এবার নতুন কাউকে সুযোগ দিতে চাই।
দশমিনা উপজেলার তরুণ ভোটার রাকিব হোসেন বলেন, ভিপি নুর ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেতা। তার মধ্যে প্রতিবাদী ভাব আছে। আমরা তরুণরা চাই সংসদে কেউ জোরে কথা বলুক।
অন্যদিকে গলাচিপা উপজেলার প্রবীণ ভোটার মো. ইউনুস আলী বলেন, হাসান মামুন এলাকায় অনেক সামাজিক কাজ করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে তিনি ভালো মানুষ। দলীয় বিষয় আমাদের কাছে তত গুরুত্বপূর্ণ না।
দশমিনা মহিলা কলেজের এক শিক্ষার্থী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, আমরা নিরাপদ চলাচল, শিক্ষা আর চাকরির সুযোগ চাই। প্রার্থী যেই হোক, নারীদের বিষয়ে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি চাই।
একজন গৃহিণী শাহানারা বেগম বলেন, নির্বাচনের সময় সবাই আসে, পরে আর দেখা যায় না। এবার এমন কাউকে চাই, যিনি নির্বাচনের পরও এলাকায় থাকবেন।
স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, বিএনপির সাবেক ও বহিষ্কৃত নেতার স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় একই ধারার ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গলাচিপা বাজারের চা-স্টলের আড্ডায় বসা এক ভোটার বলেন, একদিকে জোট প্রার্থী, আরেকদিকে স্বতন্ত্র দুইজনই বিরোধী রাজনীতির। এই বিভাজন শেষ পর্যন্ত কাকে সুবিধা দেবে, সেটাই এখন আলোচনার বিষয়।
ভোটারদের ভাষ্যে স্পষ্ট। এবারের নির্বাচনে ব্যক্তি পরিচিতি, এলাকার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানের প্রতিশ্রুতিই মুখ্য হয়ে উঠেছে। দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি কে কতটা মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারছেন, সেটাই হয়ে উঠছে মূল বিচার্য।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হাসান মামুনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া জোট প্রার্থীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা থাকায় নির্বাচন চারমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নিয়েছে।
ইতোমধ্যে গলাচিপা ও দশমিনার বিভিন্ন হাট-বাজার, গ্রাম ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে প্রার্থীদের পক্ষে গণসংযোগ শুরু হয়েছে। পোস্টার-ব্যানার ছাড়াই নানা কৌশলে নির্বাচনী প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠছে পুরো এলাকা, যদিও ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে সংযম ও সতর্কতা।
সব মিলিয়ে পটুয়াখালী-৩ আসনের নির্বাচন এবার শুধু দ্বিমুখী নয়, চারমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নিয়েছে যার ফলাফল নির্ধারণ করবে ভোটারদের সচেতন সিদ্ধান্ত।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে রাজনীতির মাঠে তৈরি হয়েছে ভিন্নমাত্রার সমীকরণ। এই আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর (ভিপি নুর)।
বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মো. হাসান মামুন এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। দলের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা ও ভিন্নমত। এতে ভোটারদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে কৌতূহল ও দ্বিধা।
বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা হাসান মামুন গলাচিপা-দশমিনা এলাকায় পরিচিত মুখ। স্থানীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকায় তার রয়েছে নিজস্ব অনুসারী ও সমর্থক গোষ্ঠী।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার বিষয়ে হাসান মামুন বলেন, আমি দলের জন্য দীর্ঘদিন কাজ করেছি। এলাকার মানুষ আমাকে চায় সেটাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। দলীয় মনোনয়ন না পেলেও জনগণের ভালোবাসা নিয়ে নির্বাচনে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, এই আসনে উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, এই নির্বাচন কেবল ব্যক্তি নয়, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি প্রার্থী হয়েছি এবং মাঠে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। তিনি দাবি করেন, পটুয়াখালী-৩ আসনের মানুষ পরিবর্তন চায়। তারা স্বচ্ছ রাজনীতি ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে।
গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে প্রার্থীদের নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। অনেকেই বলছেন, একই রাজনৈতিক ধারার একাধিক প্রার্থী থাকায় ভোটের হিসাব কষতে হচ্ছে নতুন করে।
গলাচিপা পৌর এলাকার ব্যবসায়ী মো. সেলিম হাওলাদার বলেন, হাসান মামুন আমাদের এলাকার মানুষ, বহুদিন রাজনীতি করছেন। আবার ভিপি নুরের জাতীয় পরিচিতি আছে। কার দিকে ভোট যাবে এটা এখনও ঠিক করতে পারছি না।
দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের কৃষক আবু তাহের বলেন, আমরা দল দেখি না, কাজ দেখি। যিনি কৃষকের জন্য কথা বলবেন, সার-বীজ আর ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করবেন, তাকেই ভোট দেব।
গলাচিপার চরকাজল ইউনিয়নের জেলে ইসমাইল মাঝি বলেন, নদীভাঙন আর মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞায় আমরা বিপদে আছি। আগে যারা এমপি ছিল, তারা আমাদের কথা শোনেনি। এবার নতুন কাউকে সুযোগ দিতে চাই।
দশমিনা উপজেলার তরুণ ভোটার রাকিব হোসেন বলেন, ভিপি নুর ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেতা। তার মধ্যে প্রতিবাদী ভাব আছে। আমরা তরুণরা চাই সংসদে কেউ জোরে কথা বলুক।
অন্যদিকে গলাচিপা উপজেলার প্রবীণ ভোটার মো. ইউনুস আলী বলেন, হাসান মামুন এলাকায় অনেক সামাজিক কাজ করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে তিনি ভালো মানুষ। দলীয় বিষয় আমাদের কাছে তত গুরুত্বপূর্ণ না।
দশমিনা মহিলা কলেজের এক শিক্ষার্থী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, আমরা নিরাপদ চলাচল, শিক্ষা আর চাকরির সুযোগ চাই। প্রার্থী যেই হোক, নারীদের বিষয়ে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি চাই।
একজন গৃহিণী শাহানারা বেগম বলেন, নির্বাচনের সময় সবাই আসে, পরে আর দেখা যায় না। এবার এমন কাউকে চাই, যিনি নির্বাচনের পরও এলাকায় থাকবেন।
স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, বিএনপির সাবেক ও বহিষ্কৃত নেতার স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় একই ধারার ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গলাচিপা বাজারের চা-স্টলের আড্ডায় বসা এক ভোটার বলেন, একদিকে জোট প্রার্থী, আরেকদিকে স্বতন্ত্র দুইজনই বিরোধী রাজনীতির। এই বিভাজন শেষ পর্যন্ত কাকে সুবিধা দেবে, সেটাই এখন আলোচনার বিষয়।
ভোটারদের ভাষ্যে স্পষ্ট। এবারের নির্বাচনে ব্যক্তি পরিচিতি, এলাকার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানের প্রতিশ্রুতিই মুখ্য হয়ে উঠেছে। দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি কে কতটা মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারছেন, সেটাই হয়ে উঠছে মূল বিচার্য।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হাসান মামুনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া জোট প্রার্থীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা থাকায় নির্বাচন চারমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নিয়েছে।
ইতোমধ্যে গলাচিপা ও দশমিনার বিভিন্ন হাট-বাজার, গ্রাম ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে প্রার্থীদের পক্ষে গণসংযোগ শুরু হয়েছে। পোস্টার-ব্যানার ছাড়াই নানা কৌশলে নির্বাচনী প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠছে পুরো এলাকা, যদিও ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে সংযম ও সতর্কতা।
সব মিলিয়ে পটুয়াখালী-৩ আসনের নির্বাচন এবার শুধু দ্বিমুখী নয়, চারমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নিয়েছে যার ফলাফল নির্ধারণ করবে ভোটারদের সচেতন সিদ্ধান্ত।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৩:৪৬
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৯
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৪
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৬

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে জোটের প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকের (নুর) ট্রাক প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের পাগলার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নুরুল হক নুরের সমর্থক এবং চরবোরহান ইউনিয়ন যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মহিবুল্লাহ হাওলাদার বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে গণ অধিকার পরিষদ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা স্থানীয় কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভায় অংশ নেন।
এ সময় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থক ও চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল গাজী, সাবেক ছাত্রদল নেতা রাকিবুল ইসলাম জুয়েল, সদস্যসচিব আসাদুল জোমাদ্দারসহ ৫০ থেকে ৭০ জন ঘোড়া প্রতীকের স্লোগান দিতে দিতে দলবদ্ধভাবে তাঁদের কার্যালয়ে প্রবেশ করে চেয়ার ছোড়াছুড়িসহ হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তাঁদের হাতে লাঠিসোঁটা ও দেশি অস্ত্র ছিল।
মহিবুল্লাহ হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও হামলা অব্যাহত থাকে। এতে দশমিনা উপজেলা ছাত্র অধিকারের দপ্তর সম্পাদক হাসান মাহমুদ, চরবোরহান ইউনিয়নের যুব অধিকারির যুগ্ম সদস্যসচিব মো. মাসুদ এবং নির্বাচনী প্রচারণায় বাদ্যযন্ত্র বাজানোর সঙ্গে জড়িত মো. মুছাসহ সাত থেকে আটজন আহত হন। কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ দুই পক্ষকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেয়।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে হাসান মামুনের সমর্থক ও চরবোরহান ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল নেতা আসাদুল ইসলাম বলেন, তাঁরা প্রতিদিনের মতো সোমবার সন্ধ্যায় হাসান মামুনের পক্ষে একটি মিছিল বের করে ট্রাক প্রতীকের কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় গণ অধিকারের লোকজন তাঁদের মিছিলে ঢুকে হাতাহাতি ও মারধর শুরু করেন। এতে তাঁদের তিনজন আহত হয়েছেন। ভিডিওতে ট্রাক প্রতীকের কার্যালয়ে হামলার দৃশ্য দেখা গেছে—এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু শাহাদাত মো. হাসনাইন পারভেজ বলেন, সোমবার রাতে চরবোরহান ইউনিয়নের একটি বাজারে নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করছে।
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে জোটের প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকের (নুর) ট্রাক প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের পাগলার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নুরুল হক নুরের সমর্থক এবং চরবোরহান ইউনিয়ন যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মহিবুল্লাহ হাওলাদার বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে গণ অধিকার পরিষদ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা স্থানীয় কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভায় অংশ নেন।
এ সময় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থক ও চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল গাজী, সাবেক ছাত্রদল নেতা রাকিবুল ইসলাম জুয়েল, সদস্যসচিব আসাদুল জোমাদ্দারসহ ৫০ থেকে ৭০ জন ঘোড়া প্রতীকের স্লোগান দিতে দিতে দলবদ্ধভাবে তাঁদের কার্যালয়ে প্রবেশ করে চেয়ার ছোড়াছুড়িসহ হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তাঁদের হাতে লাঠিসোঁটা ও দেশি অস্ত্র ছিল।
মহিবুল্লাহ হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও হামলা অব্যাহত থাকে। এতে দশমিনা উপজেলা ছাত্র অধিকারের দপ্তর সম্পাদক হাসান মাহমুদ, চরবোরহান ইউনিয়নের যুব অধিকারির যুগ্ম সদস্যসচিব মো. মাসুদ এবং নির্বাচনী প্রচারণায় বাদ্যযন্ত্র বাজানোর সঙ্গে জড়িত মো. মুছাসহ সাত থেকে আটজন আহত হন। কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ দুই পক্ষকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেয়।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে হাসান মামুনের সমর্থক ও চরবোরহান ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল নেতা আসাদুল ইসলাম বলেন, তাঁরা প্রতিদিনের মতো সোমবার সন্ধ্যায় হাসান মামুনের পক্ষে একটি মিছিল বের করে ট্রাক প্রতীকের কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় গণ অধিকারের লোকজন তাঁদের মিছিলে ঢুকে হাতাহাতি ও মারধর শুরু করেন। এতে তাঁদের তিনজন আহত হয়েছেন। ভিডিওতে ট্রাক প্রতীকের কার্যালয়ে হামলার দৃশ্য দেখা গেছে—এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু শাহাদাত মো. হাসনাইন পারভেজ বলেন, সোমবার রাতে চরবোরহান ইউনিয়নের একটি বাজারে নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করছে।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পটুয়াখালী-০১ আসনের অন্তর্গত মির্জাগঞ্জে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে এক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি কর্তৃক গঠিত ‘যুবদল নির্বাচনী প্রচারণা টিম- পটুয়াখালী-০১’ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
নির্বাচনী মাঠে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি এবং তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণার কৌশল নির্ধারণের লক্ষ্যে এই কর্মশালা আয়োজিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুবদল নির্বাচনী প্রচারণা টিমের সমন্বয়ক সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান রুমী।
প্রধান অতিথি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনা শেষ না হওয়া এবং কাঙ্খিত ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র ত্যাগ করবেন না। মির্জাগঞ্জকে একটি আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এখানে ৯০ শতাংশ ভোট কাস্ট নিশ্চিত করতে হবে এবং এর মধ্যে অন্তত ৭৫ শতাংশ ভোট আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।”
তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণার কৌশল
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ.বি.এম মহসিন বিশ্বাস নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন,গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে ধানের শীষের বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই। ভোটারদের কাছে, বিশেষ করে মা-বোনদের কাছে অত্যন্ত মার্জিত ভাষায় কথা বলতে হবে এবং বিএনপির লক্ষ্য ও আদর্শ পৌঁছে দিতে হবে। ছদ্মবেশী রাজনৈতিক শক্তির সমালোচনা করে মহসিন বিশ্বাস আরও বলেন, "একটি পক্ষ ইসলামী দলের পরিচয় দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। প্রকৃতপক্ষে মওদুদীবাদীরা কখনও প্রকৃত ইসলাম শক্তি হতে পারে না। তারা যাতে ধর্মের দোহাই দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে না পারে, সেদিকে যুবদলের প্রতিটি কর্মীকে সতর্ক থাকতে হবে।"
মির্জাগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী রাশেদ সামস-এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব গাজী আতাউর রহমান-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,খন্দকার মো. রিয়াজ,অ্যাডভোকেট এম.এ মজিদ (মানিক),সাইফ খান মিজান।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন হাওলাদার, যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সুজন, সিদ্দিক চৌধুরী ও আব্দুর রহিম চান। কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের যুবদল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নেতৃবৃন্দ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-০১ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.)
আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ধানের শীষের জয় নিশ্চিত করতে যুবদল অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করবে এবং প্রতিটি ভোটারের দ্বারে দ্বারে বিএনপির উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পটুয়াখালী-০১ আসনের অন্তর্গত মির্জাগঞ্জে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে এক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি কর্তৃক গঠিত ‘যুবদল নির্বাচনী প্রচারণা টিম- পটুয়াখালী-০১’ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
নির্বাচনী মাঠে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি এবং তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণার কৌশল নির্ধারণের লক্ষ্যে এই কর্মশালা আয়োজিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুবদল নির্বাচনী প্রচারণা টিমের সমন্বয়ক সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান রুমী।
প্রধান অতিথি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনা শেষ না হওয়া এবং কাঙ্খিত ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র ত্যাগ করবেন না। মির্জাগঞ্জকে একটি আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এখানে ৯০ শতাংশ ভোট কাস্ট নিশ্চিত করতে হবে এবং এর মধ্যে অন্তত ৭৫ শতাংশ ভোট আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।”
তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণার কৌশল
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ.বি.এম মহসিন বিশ্বাস নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন,গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে ধানের শীষের বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই। ভোটারদের কাছে, বিশেষ করে মা-বোনদের কাছে অত্যন্ত মার্জিত ভাষায় কথা বলতে হবে এবং বিএনপির লক্ষ্য ও আদর্শ পৌঁছে দিতে হবে। ছদ্মবেশী রাজনৈতিক শক্তির সমালোচনা করে মহসিন বিশ্বাস আরও বলেন, "একটি পক্ষ ইসলামী দলের পরিচয় দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। প্রকৃতপক্ষে মওদুদীবাদীরা কখনও প্রকৃত ইসলাম শক্তি হতে পারে না। তারা যাতে ধর্মের দোহাই দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে না পারে, সেদিকে যুবদলের প্রতিটি কর্মীকে সতর্ক থাকতে হবে।"
মির্জাগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী রাশেদ সামস-এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব গাজী আতাউর রহমান-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,খন্দকার মো. রিয়াজ,অ্যাডভোকেট এম.এ মজিদ (মানিক),সাইফ খান মিজান।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন হাওলাদার, যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সুজন, সিদ্দিক চৌধুরী ও আব্দুর রহিম চান। কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের যুবদল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নেতৃবৃন্দ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-০১ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.)
আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ধানের শীষের জয় নিশ্চিত করতে যুবদল অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করবে এবং প্রতিটি ভোটারের দ্বারে দ্বারে বিএনপির উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেবে।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৯
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হ্যাঁ না ভোটের ব্যালট পেপার রেখেছে নির্বাচন কমিশন। হ্যাঁ বা না ভোট সম্পর্কে জানা নেই পটুয়াখালী-২ বাউফল উপজেলার গ্রামগঞ্জের অধিকাংশ নারী- পুরুষ ভোটারদের।
বাউফল উপজেলার সরকারি অফিসগুলোর মাধ্যমে লম্বা আকাঁরের ব্যানার ঝুলিয়ে হ্যাঁ বা না ভোট সম্পর্কে জানান দেয়া হচ্ছে। তবে গ্রামগঞ্জের সাধারন নারী - পরুষ ভোটারদের হ্যাঁ এবং না ভোট দিলে কি হবে এনিয়ে জোড়ালো প্রচার প্রচারণা চোঁখে পরার মতো নয়। এ উপজেলার সাধারন ভোটারদের ধারনা দলীয় প্রতীক অথবা মার্কায় ভোট দিতে হবে।
এর সাথে এবার হ্যাঁ এবং না ভোটের ব্যালোটের কথা শুনা যাচ্ছে। না ভোট অথবা হ্যাঁ ভোট দিলে কি হবে এনিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অধিকাংশ ভোটার। কেউ কেউ বলছেন হ্যাঁ ভোট দিলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রণীত জুলাই সনদ অনুসারে গণভোটের পদ্ধতিকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়েছে। জনগণের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জাতীয় নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ ছিল না। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনগণের শাসন নিশ্চিত করাই এই এবারের ভোটারদের মূল লক্ষ্য।
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধানের মৌলিক সংস্কারে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। সিপিবি, বাসদসহ গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের অংশীদার দলগুলো জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় যোগ দিলেও জুলাই সনদে সই করেনি। গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যেভাবে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছে এবং গণভোটে সাংবিধানিক সংস্কারগুলোকে চারটি প্রশ্নের একটি প্যাকেজে এনে ‘হ্যাঁ/না’ ভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা পুরোপুরি অগণতান্ত্রিক। গণভোটে ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ রাখা হয়নি।
এতে প্রকৃত জনমতের প্রতিফলন ঘটবে না। জুলাই সনদের ঐকমত্যের দ্বাবী করেন। হ্যাঁ ভোট দিলে আগামী ৫০ বছর আর ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি এবং গুম খুনের মতো ঘর্টনা আর ঘটবে না। এদিকে বাউফলের দলীয় প্রর্থীরা নিজের প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন। কিন্তু হ্যাঁ বা না ভোটের বিষয়ে নিরব ভুমিকা পালন করছেন প্রার্থীরা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হ্যাঁ না ভোটের ব্যালট পেপার রেখেছে নির্বাচন কমিশন। হ্যাঁ বা না ভোট সম্পর্কে জানা নেই পটুয়াখালী-২ বাউফল উপজেলার গ্রামগঞ্জের অধিকাংশ নারী- পুরুষ ভোটারদের।
বাউফল উপজেলার সরকারি অফিসগুলোর মাধ্যমে লম্বা আকাঁরের ব্যানার ঝুলিয়ে হ্যাঁ বা না ভোট সম্পর্কে জানান দেয়া হচ্ছে। তবে গ্রামগঞ্জের সাধারন নারী - পরুষ ভোটারদের হ্যাঁ এবং না ভোট দিলে কি হবে এনিয়ে জোড়ালো প্রচার প্রচারণা চোঁখে পরার মতো নয়। এ উপজেলার সাধারন ভোটারদের ধারনা দলীয় প্রতীক অথবা মার্কায় ভোট দিতে হবে।
এর সাথে এবার হ্যাঁ এবং না ভোটের ব্যালোটের কথা শুনা যাচ্ছে। না ভোট অথবা হ্যাঁ ভোট দিলে কি হবে এনিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অধিকাংশ ভোটার। কেউ কেউ বলছেন হ্যাঁ ভোট দিলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রণীত জুলাই সনদ অনুসারে গণভোটের পদ্ধতিকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়েছে। জনগণের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জাতীয় নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ ছিল না। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনগণের শাসন নিশ্চিত করাই এই এবারের ভোটারদের মূল লক্ষ্য।
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধানের মৌলিক সংস্কারে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। সিপিবি, বাসদসহ গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের অংশীদার দলগুলো জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় যোগ দিলেও জুলাই সনদে সই করেনি। গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যেভাবে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছে এবং গণভোটে সাংবিধানিক সংস্কারগুলোকে চারটি প্রশ্নের একটি প্যাকেজে এনে ‘হ্যাঁ/না’ ভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা পুরোপুরি অগণতান্ত্রিক। গণভোটে ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ রাখা হয়নি।
এতে প্রকৃত জনমতের প্রতিফলন ঘটবে না। জুলাই সনদের ঐকমত্যের দ্বাবী করেন। হ্যাঁ ভোট দিলে আগামী ৫০ বছর আর ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি এবং গুম খুনের মতো ঘর্টনা আর ঘটবে না। এদিকে বাউফলের দলীয় প্রর্থীরা নিজের প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন। কিন্তু হ্যাঁ বা না ভোটের বিষয়ে নিরব ভুমিকা পালন করছেন প্রার্থীরা।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.