Loading news...
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২০ মে, ২০২৬ ২৩:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২০ মে) উপজেলা পরিষদ হলরুমে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্নার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবদুর রহমান সন্ন্যামত, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান টুলু, চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আলী জীবন প্রমুখ।
গ্রাম আদালত থেকে সুফলভোগী নারী হেলেনা বেগম (ছদ্মনাম) বলেন, 'আমার স্বামী ২০২৩ সালে গোপনে আরেকটি বিয়ে করে আমাকে ত্যাগ করে সেই বউ নিয়ে ঢাকায় বসবাস শুরু করে। এরপরে আমার আর কোনো ভরণপোষণ বা খোঁজ-খবর নেয়নি। ছোট দুটি সন্তান নিয়ে আমি অথৈ সাগরে হাবুডুবু খেতে থাকি। থানা বা আদালতে গিয়ে পুলিশ আর উকিল-মহুরি খরচ চালিয়ে মামলা করার মতো আর্থিক অবস্থা আমার ছিল না। শেষে এক সাংবাদিকের পরামর্শে আমি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে গিয়ে মামলা দায়ের করি। সেখান থেকে আমি খরচ, দৌড়াদৌড়ি আর হয়রানি ছাড়াই স্বামীর কাছ থেকে আমার এবং বাচ্চাদের ভরণপোষণ আদায় করার রায় পাই। যা আমাকে নতুন করে বাঁচার পথ দেখায়।'
গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের বাবুগঞ্জ উপজেলা সমন্বয়কারী মোঃ পারভেজ মারুফ জানান, বিগত ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে অদ্যাবধি বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬ ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে মোট ৫৮৮টি মামলা দায়ের হয়েছে। এরমধ্যে উচ্চ আদালত থেকে প্রেরিত মামলার সংখ্যা ৩২টি। মামলা নিষ্পত্তির হার ৯৮.৮০%। বিভিন্ন মামলা থেকে বাদীর অনুকূলে মোট ১ কোটি ১৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ৬০০ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করে দেওয়া হয়েছে। গ্রাম আদালতের রায় বাস্তবায়নের হার ৯৬.৩৫%। মামলার বাদীদের মধ্যে নারীর সংখ্যা ১৭৪ জন, যা মোট আবেদনকারীর ২৯.৬০%। এই চিত্রই প্রমাণ করে গ্রাম আদালতের বিচারের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত কার্যক্রম আরো সক্রিয় এবং গতিশীল করা গেলে প্রায় বিনা খরচে ছোটখাটো অনেক মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এতে আদালতে মামলার জট কমবে এবং বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা দূর হবে। বিচারপ্রার্থীর অর্থ অপচয়, হয়রানি আর ভোগান্তি অনেক কমে যাবে।' #
বাবুগঞ্জে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন প্রধান অতিথি ইউএনও আসমা উল হুসনা।
বরিশালের বাবুগঞ্জে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২০ মে) উপজেলা পরিষদ হলরুমে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্নার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবদুর রহমান সন্ন্যামত, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান টুলু, চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আলী জীবন প্রমুখ।
গ্রাম আদালত থেকে সুফলভোগী নারী হেলেনা বেগম (ছদ্মনাম) বলেন, 'আমার স্বামী ২০২৩ সালে গোপনে আরেকটি বিয়ে করে আমাকে ত্যাগ করে সেই বউ নিয়ে ঢাকায় বসবাস শুরু করে। এরপরে আমার আর কোনো ভরণপোষণ বা খোঁজ-খবর নেয়নি। ছোট দুটি সন্তান নিয়ে আমি অথৈ সাগরে হাবুডুবু খেতে থাকি। থানা বা আদালতে গিয়ে পুলিশ আর উকিল-মহুরি খরচ চালিয়ে মামলা করার মতো আর্থিক অবস্থা আমার ছিল না। শেষে এক সাংবাদিকের পরামর্শে আমি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে গিয়ে মামলা দায়ের করি। সেখান থেকে আমি খরচ, দৌড়াদৌড়ি আর হয়রানি ছাড়াই স্বামীর কাছ থেকে আমার এবং বাচ্চাদের ভরণপোষণ আদায় করার রায় পাই। যা আমাকে নতুন করে বাঁচার পথ দেখায়।'
গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের বাবুগঞ্জ উপজেলা সমন্বয়কারী মোঃ পারভেজ মারুফ জানান, বিগত ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে অদ্যাবধি বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬ ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে মোট ৫৮৮টি মামলা দায়ের হয়েছে। এরমধ্যে উচ্চ আদালত থেকে প্রেরিত মামলার সংখ্যা ৩২টি। মামলা নিষ্পত্তির হার ৯৮.৮০%। বিভিন্ন মামলা থেকে বাদীর অনুকূলে মোট ১ কোটি ১৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ৬০০ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করে দেওয়া হয়েছে। গ্রাম আদালতের রায় বাস্তবায়নের হার ৯৬.৩৫%। মামলার বাদীদের মধ্যে নারীর সংখ্যা ১৭৪ জন, যা মোট আবেদনকারীর ২৯.৬০%। এই চিত্রই প্রমাণ করে গ্রাম আদালতের বিচারের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত কার্যক্রম আরো সক্রিয় এবং গতিশীল করা গেলে প্রায় বিনা খরচে ছোটখাটো অনেক মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এতে আদালতে মামলার জট কমবে এবং বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা দূর হবে। বিচারপ্রার্থীর অর্থ অপচয়, হয়রানি আর ভোগান্তি অনেক কমে যাবে।' #

২১ মে, ২০২৬ ১৮:৩১

২১ মে, ২০২৬ ১৮:০৫
বরিশালের গৌরনদীতে বজ্রপাতে পানবরজে কাজ করা ২ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এসময় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও এক শ্রমিক। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়ার ভিমেরপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তৌকির হোসেন জানিয়েছেন, মৃত অবস্থায় দুইজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে।
তারা হলেন, মাহিলাড়ার ভিমেরপাড় গ্রামের আবু তালেব হাওলাদারের ছেলে আলিম হাওলাদার (৬০) ও উজিরপুরের খাটিয়ালপাড়া গ্রামের মুকুন্দ বালার ছেলে সুকান্ত বালা (৩৮)।
একইসঙ্গে হাসপাতালে আনা গুরুত্বর আহত দেওপাড়া গ্রামের জীতেন সরকারের ছেলে গোপাল সরকারকে (৪০) উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, তারা তিনজন ভীমেরপাড় এলাকার একটি পানবরজে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। দুপুর ২টারদিকে বৃষ্টি শুরু হলে তারা বরজের পাশের একটি ছাউনীতে আশ্রয় নেয়।
এসময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই দুইজন মারা যায় এবং গোপাল গুরুত্বর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনগত পদক্ষেপ শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

২১ মে, ২০২৬ ১৭:৩৯
জাতীয় পার্টির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার (সাবেক মন্ত্রী) অসুস্থ হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিসিইউতে রয়েছেন।
পটুয়াখালী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার গত মঙ্গলবার (১৯ মে) শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করলে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। সেখানে তার রক্তচাপ পরীক্ষা করে উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে চিকিৎসকরা তাকে বিশ্রামের জন্য বাসায় ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
কিন্তু বুধবার (২০ মে) রাতে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে পুনরায় ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য সিসিইউতে ভর্তি করেন।
আজ বৃহস্পতিবার বিকালে তার এনজিওগ্রাম করা হবে। তিনি অধ্যাপক ডা. এন এ এম মুমিনুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ট্রাক থেকে ১ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। আজ বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি মিয়া বাবুল এবং মো. মিঠুকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন এবং ছাত্রদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সাথে কোনরূপ সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
জানা গেছে, ভোলা-বরিশাল মহাসড়কে মাছের পোনাবাহী গাড়ি আটকে চাঁদাবাজি, গাড়ি ভাঙচুর এবং চালককে মারধরের অভিযোগ উঠে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একাধিক শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় তলব করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। এরপরই শাখার সহসভাপতি মিয়া বাবুল এবং মো. মিঠুকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।
‘আমাকে এখানে ফাঁসানো হচ্ছে ভাই। খায় সবাই মিলে কিন্তু নাম হয় শুধু আমার, এ ঘটনার সঙ্গে এলাকার কিছু লোকও জড়িত রয়েছে। আমি দ্রুত সাংবাদিকদের মাধ্যমে মূলহোতাদের নাম সামনে নিয়ে আসব।’—বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা মিয়া বাবুল
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মিয়া বাবুল ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে ভোলা-বরিশাল মহাসড়কে পোনাবাহী গাড়ি আটকে চাঁদাবাজি করা হয়। এই চক্রে সহ-সভাপতি মো. মিঠু, সহ-সভাপতি আকিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম হোসেন স্বজন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাখাওয়াত, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হায়দার মুন্সি, শাহরিয়ারসহ আরও কয়েকজন নেতাকর্মী জড়িত। তবে সহসভাপতি মিয়া বাবুল এবং মো. মিঠুর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ায় তাদেরকে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেয় এবং বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।
ভুক্তভোগীরা জানান, গত ১৯ মে ভোর ৪টার দিকে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা রেনু পোনা বহনকারী একটি গাড়ি আটকে চাঁদা আদায় করা হয়। গাড়িটি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভোলারোড এলাকায় রেখে চালক ও মালিককে তুলে নেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানের ভাড়া বাসায়। সেখানে দীর্ঘ সময় আটকে রেখে তাদের কাছ থেকে এক লাখ টাকা আদায় করা হয়। এ সময় চালক ও মালিককে মারধরও করা হয়।
এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি রাত ১১টার দিকে ভোলা-বরিশাল মহাসড়কের তালুকদার মার্কেট এলাকায় ইলিশ মাছের গাড়ি আটকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না পেয়ে চালককে মারধরের অভিযোগও রয়েছে।
চিংড়ি পোনার মালিক ও ভুক্তভোগী আফতাফ হোসেন বলেন, ‘আমাদেরকে মারধর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোলারোডের গাড়ি নির্জনে রেখে আমাদের ভোলারোডে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের ঠিক সামনে বরাবর দ্বিতীয় তলায় মিজানের ভাড়া বাসায় নেয়া হয়। সেখানে দীর্ঘক্ষণ আটকে রেখে আমাদের থেকে এক লাখ টাকা আদায় করা হয়। আমরা বিষয়টি সুষ্ঠু বিচার চাই, ওরা ছাত্রদল করুক কিন্তু চাঁদাবাজি কেন করবে?’
অভিযোগ রয়েছে, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিকাশে নেওয়া টাকা পরদিন সকাল ৯টার দিকে মিয়া বাবুল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হায়দার মুন্সিসহ চারজন গিয়ে বিভিন্ন দোকান থেকে তুলে নিয়ে আসেন।
ফার্মেসি ও বিকাশ দোকানি লোকমান বলেন, ‘বুধবার সকাল ৯টার দিকে মিয়া বাবুল আমাকে কল দিয়ে বলেন—‘মামা, আপনার নাম্বারে টাকা পাঠাইছি। আমার এক বন্ধু অসুস্থ, টাকাটা জরুরি লাগবে।’ পরবর্তীতে আমি নাম্বার মিলিয়ে তাকে ৪৪ হাজার ৯০০ টাকা ক্যাশ বুঝিয়ে দিই।’
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ছাত্রদল সভাপতির নেতৃত্বে সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান ও সহ-সভাপতি মিঞা বাবুল এই চাঁদাবাজি নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রদলের আরেকটি গ্রুপও মহাসড়কে সক্রিয় হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, ১৯ মে রাতেই সিনিয়র সহ-সভাপতি আশিক ও সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ইত্তেসাফ আর-রাফির অনুসারীরাও গাড়ি আটকাতে অবস্থান নেন। পরে একটি পোনাবাহী গাড়ি ধাওয়া করতে গিয়ে ছাত্রদলকর্মী আরাফাত আহত হন। এরপর রূপাতলীতে আরেকটি গাড়ি আটকিয়ে ভাঙচুর ও চালককে মারধর করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সহ-সভাপতি মিঞা বাবুল আগে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাঁচ আগস্টের পর তিনি ছাত্রদলে যোগ দেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের শীর্ষ চাঁদাবাজ রাজিব মণ্ডলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে সভাপতির তদবিরে তিনি সহ-সভাপতির পদ পান বলেও অভিযোগ রয়েছে।Politics
অভিযোগের বিষয়ে মিঞা বাবুল বলেন, ‘আমাকে এখানে ফাঁসানো হচ্ছে ভাই। খায় সবাই মিলে কিন্তু নাম হয় শুধু আমার, এরসাথে এলাকার কিছু লোকও জড়িত আছে। আমি দ্রুত সাংবাদিকদের মাধ্যমে মূলহোতাদের নাম সামনে নিয়ে আসব।’
বরিশাল বন্দর থানার ওসি মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ যে চাঁদাবাজি করছে বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি আমাদের ঊর্ধ্বতন মহলেও জানে। আমাদের সকল অফিসারদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি সংশ্লিষ্ট এলাকায় টহল বাড়িয়েছি। উপযুক্ত প্রমাণসহ হাতেনাতে ধরতে পারলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
ট্রাক থেকে ১ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। আজ বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি মিয়া বাবুল এবং মো. মিঠুকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন এবং ছাত্রদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সাথে কোনরূপ সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
জানা গেছে, ভোলা-বরিশাল মহাসড়কে মাছের পোনাবাহী গাড়ি আটকে চাঁদাবাজি, গাড়ি ভাঙচুর এবং চালককে মারধরের অভিযোগ উঠে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একাধিক শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় তলব করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। এরপরই শাখার সহসভাপতি মিয়া বাবুল এবং মো. মিঠুকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।
‘আমাকে এখানে ফাঁসানো হচ্ছে ভাই। খায় সবাই মিলে কিন্তু নাম হয় শুধু আমার, এ ঘটনার সঙ্গে এলাকার কিছু লোকও জড়িত রয়েছে। আমি দ্রুত সাংবাদিকদের মাধ্যমে মূলহোতাদের নাম সামনে নিয়ে আসব।’—বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা মিয়া বাবুল
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মিয়া বাবুল ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে ভোলা-বরিশাল মহাসড়কে পোনাবাহী গাড়ি আটকে চাঁদাবাজি করা হয়। এই চক্রে সহ-সভাপতি মো. মিঠু, সহ-সভাপতি আকিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম হোসেন স্বজন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাখাওয়াত, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হায়দার মুন্সি, শাহরিয়ারসহ আরও কয়েকজন নেতাকর্মী জড়িত। তবে সহসভাপতি মিয়া বাবুল এবং মো. মিঠুর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ায় তাদেরকে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেয় এবং বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।
ভুক্তভোগীরা জানান, গত ১৯ মে ভোর ৪টার দিকে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা রেনু পোনা বহনকারী একটি গাড়ি আটকে চাঁদা আদায় করা হয়। গাড়িটি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভোলারোড এলাকায় রেখে চালক ও মালিককে তুলে নেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানের ভাড়া বাসায়। সেখানে দীর্ঘ সময় আটকে রেখে তাদের কাছ থেকে এক লাখ টাকা আদায় করা হয়। এ সময় চালক ও মালিককে মারধরও করা হয়।
এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি রাত ১১টার দিকে ভোলা-বরিশাল মহাসড়কের তালুকদার মার্কেট এলাকায় ইলিশ মাছের গাড়ি আটকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না পেয়ে চালককে মারধরের অভিযোগও রয়েছে।
চিংড়ি পোনার মালিক ও ভুক্তভোগী আফতাফ হোসেন বলেন, ‘আমাদেরকে মারধর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোলারোডের গাড়ি নির্জনে রেখে আমাদের ভোলারোডে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের ঠিক সামনে বরাবর দ্বিতীয় তলায় মিজানের ভাড়া বাসায় নেয়া হয়। সেখানে দীর্ঘক্ষণ আটকে রেখে আমাদের থেকে এক লাখ টাকা আদায় করা হয়। আমরা বিষয়টি সুষ্ঠু বিচার চাই, ওরা ছাত্রদল করুক কিন্তু চাঁদাবাজি কেন করবে?’
অভিযোগ রয়েছে, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিকাশে নেওয়া টাকা পরদিন সকাল ৯টার দিকে মিয়া বাবুল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হায়দার মুন্সিসহ চারজন গিয়ে বিভিন্ন দোকান থেকে তুলে নিয়ে আসেন।
ফার্মেসি ও বিকাশ দোকানি লোকমান বলেন, ‘বুধবার সকাল ৯টার দিকে মিয়া বাবুল আমাকে কল দিয়ে বলেন—‘মামা, আপনার নাম্বারে টাকা পাঠাইছি। আমার এক বন্ধু অসুস্থ, টাকাটা জরুরি লাগবে।’ পরবর্তীতে আমি নাম্বার মিলিয়ে তাকে ৪৪ হাজার ৯০০ টাকা ক্যাশ বুঝিয়ে দিই।’
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ছাত্রদল সভাপতির নেতৃত্বে সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান ও সহ-সভাপতি মিঞা বাবুল এই চাঁদাবাজি নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রদলের আরেকটি গ্রুপও মহাসড়কে সক্রিয় হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, ১৯ মে রাতেই সিনিয়র সহ-সভাপতি আশিক ও সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ইত্তেসাফ আর-রাফির অনুসারীরাও গাড়ি আটকাতে অবস্থান নেন। পরে একটি পোনাবাহী গাড়ি ধাওয়া করতে গিয়ে ছাত্রদলকর্মী আরাফাত আহত হন। এরপর রূপাতলীতে আরেকটি গাড়ি আটকিয়ে ভাঙচুর ও চালককে মারধর করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সহ-সভাপতি মিঞা বাবুল আগে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাঁচ আগস্টের পর তিনি ছাত্রদলে যোগ দেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের শীর্ষ চাঁদাবাজ রাজিব মণ্ডলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে সভাপতির তদবিরে তিনি সহ-সভাপতির পদ পান বলেও অভিযোগ রয়েছে।Politics
অভিযোগের বিষয়ে মিঞা বাবুল বলেন, ‘আমাকে এখানে ফাঁসানো হচ্ছে ভাই। খায় সবাই মিলে কিন্তু নাম হয় শুধু আমার, এরসাথে এলাকার কিছু লোকও জড়িত আছে। আমি দ্রুত সাংবাদিকদের মাধ্যমে মূলহোতাদের নাম সামনে নিয়ে আসব।’
বরিশাল বন্দর থানার ওসি মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ যে চাঁদাবাজি করছে বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি আমাদের ঊর্ধ্বতন মহলেও জানে। আমাদের সকল অফিসারদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি সংশ্লিষ্ট এলাকায় টহল বাড়িয়েছি। উপযুক্ত প্রমাণসহ হাতেনাতে ধরতে পারলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
বরিশালের গৌরনদীতে বজ্রপাতে পানবরজে কাজ করা ২ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এসময় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও এক শ্রমিক। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়ার ভিমেরপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তৌকির হোসেন জানিয়েছেন, মৃত অবস্থায় দুইজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে।
তারা হলেন, মাহিলাড়ার ভিমেরপাড় গ্রামের আবু তালেব হাওলাদারের ছেলে আলিম হাওলাদার (৬০) ও উজিরপুরের খাটিয়ালপাড়া গ্রামের মুকুন্দ বালার ছেলে সুকান্ত বালা (৩৮)।
একইসঙ্গে হাসপাতালে আনা গুরুত্বর আহত দেওপাড়া গ্রামের জীতেন সরকারের ছেলে গোপাল সরকারকে (৪০) উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, তারা তিনজন ভীমেরপাড় এলাকার একটি পানবরজে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। দুপুর ২টারদিকে বৃষ্টি শুরু হলে তারা বরজের পাশের একটি ছাউনীতে আশ্রয় নেয়।
এসময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই দুইজন মারা যায় এবং গোপাল গুরুত্বর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনগত পদক্ষেপ শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার (সাবেক মন্ত্রী) অসুস্থ হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিসিইউতে রয়েছেন।
পটুয়াখালী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার গত মঙ্গলবার (১৯ মে) শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করলে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। সেখানে তার রক্তচাপ পরীক্ষা করে উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে চিকিৎসকরা তাকে বিশ্রামের জন্য বাসায় ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
কিন্তু বুধবার (২০ মে) রাতে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে পুনরায় ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য সিসিইউতে ভর্তি করেন।
আজ বৃহস্পতিবার বিকালে তার এনজিওগ্রাম করা হবে। তিনি অধ্যাপক ডা. এন এ এম মুমিনুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।