
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৪
পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদের হামলায় বিএনপির পাঁচ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের বাজার এলাকার পঞ্চায়েত বাড়ির ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. শামীম হাওলাদার। আহতরা হলেন বিএনপি নেতা ও পত্তাশী ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম ফকির (৫৫), স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউনিয়ন সভাপতি জাহিদ হোসেন (৩৮), একই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. নাহিদ হোসেন (১৮), নাছির উদ্দীন ফকির (৫০) ও নাইম হোসেন (২৮)।
জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পত্তাশী বাজার এলাকায় স্থানীয়রা হঠাৎ চিৎকার শুনে এগিয়ে গেলে পাঁচজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তারা অচেতন অবস্থায় দুজনসহ মোট পাঁচজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
আহতদের ইন্দুরকানী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করেন। বর্তমানে আহতরা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আহত জাহিদ হোসেন ও নাসির ফকির বলেন, পত্তাশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দীন টুকু এবং তার ছাত্রলীগ করা ছেলে রায়হান, টুকুর ভাই যুবলীগ নেতা আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে ৮-১০ জনে মিলে আমাদের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। আমাদের অপরাধ আমরা বিএনপি করি। ৫ তারিখের প্রতিশোধ নিতেই তারা আমাদের ওপরে হামলা চালিয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা নাসির উদ্দীন টুকু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি মারামারি থামাতে গিয়ে নিজেই আহত হয়েছি। আমাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হচ্ছে।
ইন্দুরকানী থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, আহতরা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথা বলেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদের হামলায় বিএনপির পাঁচ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের বাজার এলাকার পঞ্চায়েত বাড়ির ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. শামীম হাওলাদার। আহতরা হলেন বিএনপি নেতা ও পত্তাশী ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম ফকির (৫৫), স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউনিয়ন সভাপতি জাহিদ হোসেন (৩৮), একই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. নাহিদ হোসেন (১৮), নাছির উদ্দীন ফকির (৫০) ও নাইম হোসেন (২৮)।
জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পত্তাশী বাজার এলাকায় স্থানীয়রা হঠাৎ চিৎকার শুনে এগিয়ে গেলে পাঁচজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তারা অচেতন অবস্থায় দুজনসহ মোট পাঁচজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
আহতদের ইন্দুরকানী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করেন। বর্তমানে আহতরা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আহত জাহিদ হোসেন ও নাসির ফকির বলেন, পত্তাশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দীন টুকু এবং তার ছাত্রলীগ করা ছেলে রায়হান, টুকুর ভাই যুবলীগ নেতা আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে ৮-১০ জনে মিলে আমাদের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। আমাদের অপরাধ আমরা বিএনপি করি। ৫ তারিখের প্রতিশোধ নিতেই তারা আমাদের ওপরে হামলা চালিয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা নাসির উদ্দীন টুকু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি মারামারি থামাতে গিয়ে নিজেই আহত হয়েছি। আমাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হচ্ছে।
ইন্দুরকানী থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, আহতরা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথা বলেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
০১ মে, ২০২৬ ০০:২৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫৫
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৬
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৩

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৭
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আয়েশা আক্তার (৫০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের হারজী নলবুনিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মাঠ থেকে হাঁস আনতে গেলে বজ্রপাতের আঘাতে নিহত হন আয়েশা আক্তার। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামে মশিউর রহমান তালুকদারের ছেলে স্বাধীন তালুকদার (২২) মাঠে গরু আনতে গেলে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে মাঠে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজনের ধারণা, বজ্রপাতের কারণে স্বাধীন তালুকদারের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়।
এ ছাড়াও উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হাসান (২৫) বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন। তার সাথে থাকা সঙ্গী সোহেল জানান, বজ্রপাতের সময় তিনি নদীতে পড়ে যান। পরবর্তীতে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আয়েশা আক্তার (৫০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের হারজী নলবুনিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মাঠ থেকে হাঁস আনতে গেলে বজ্রপাতের আঘাতে নিহত হন আয়েশা আক্তার। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামে মশিউর রহমান তালুকদারের ছেলে স্বাধীন তালুকদার (২২) মাঠে গরু আনতে গেলে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে মাঠে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজনের ধারণা, বজ্রপাতের কারণে স্বাধীন তালুকদারের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়।
এ ছাড়াও উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হাসান (২৫) বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন। তার সাথে থাকা সঙ্গী সোহেল জানান, বজ্রপাতের সময় তিনি নদীতে পড়ে যান। পরবর্তীতে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪৫
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বজ্রপাতে তিনজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। ২৯ এপ্রিল বুধবার সন্ধ্যার সময় উপজেলার হারজী নলবুনিয়া গ্রামের মো. আ. সালামের স্ত্রী মোসা. আয়েশা বেগমের (৫০) মৃত্যু হয়। নিজ বাড়ি থেকে বৃষ্টির মধ্যে মাঠে হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।
একইদিন বিকালে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. নবী হোসেনের ছেলে মো. হাসানের (২৫) মৃত্যু হয়। হাসান বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামের বাসিন্দা মশিউর রহমানের ছেলে স্বাধীন তালুকদারের (২০) মৃত্যু হয়। দুপুরে গরু আনতে মাঠে গিয়ে নিখোঁজ হন স্বাধীন।
অনেক খোঁজাখুজির পর রাতে মাঠে তার লাশ পাওয়া যায়। তার শরীরে বজ্রপাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার বলেন, নিহদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বজ্রপাতে তিনজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। ২৯ এপ্রিল বুধবার সন্ধ্যার সময় উপজেলার হারজী নলবুনিয়া গ্রামের মো. আ. সালামের স্ত্রী মোসা. আয়েশা বেগমের (৫০) মৃত্যু হয়। নিজ বাড়ি থেকে বৃষ্টির মধ্যে মাঠে হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।
একইদিন বিকালে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. নবী হোসেনের ছেলে মো. হাসানের (২৫) মৃত্যু হয়। হাসান বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামের বাসিন্দা মশিউর রহমানের ছেলে স্বাধীন তালুকদারের (২০) মৃত্যু হয়। দুপুরে গরু আনতে মাঠে গিয়ে নিখোঁজ হন স্বাধীন।
অনেক খোঁজাখুজির পর রাতে মাঠে তার লাশ পাওয়া যায়। তার শরীরে বজ্রপাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার বলেন, নিহদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৫
পিরোজপুরের সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজাদের পিটুনিতে মানিক সরদার (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব দুর্গাপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক সরদার মৃত ছবেদ আলী সরদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে মানিক সরদারের সঙ্গে অন্য ভাইদের বিরোধ চলছিল এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন ছিল। এ নিয়ে রোববার রাতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ওই রাতে মানিক সরদার ও তার ছেলে মেহেদীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় তার ভাতিজা রাব্বি সরদার, আজিম সরদার, সাইফুল ইসলাম মৃধা, প্রতিবেশী রবিন শেখ ও সজিব। প্রথমে তাদের নিজ বাড়িতে মারধর করা হয়, পরে মজিবুর সরদারের বাড়িতে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় নির্যাতন চালানো হয়।
এ সময় স্বামী ও ছেলেকে রক্ষা করতে গেলে মানিকের স্ত্রী ফরিদা বেগমকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে মানিক সরদার অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে বাড়িতে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে সাইফুল ইসলাম মৃধা (২৭), রাব্বি সরদার, আজিম সরদার (২৭) ও রবিন শেখের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় ইউনিয়নের চৌকিদার শেখ মিকচান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তার উপস্থিতিতেই মারধরের ঘটনা ঘটে।
নিহতের মেয়ে তামান্না আক্তার বন্যা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার আব্বাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি বাঁচতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি।
ছেলে মেহেদী বলেন, আমাকে ও বাবাকে ধরে নিয়ে গিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে বাবা অচেতন হয়ে পড়েন।
স্থানীয়রা জানান, জমিজমা বিরোধের পাশাপাশি গরু চুরির সন্দেহ নিয়েও বিরোধ চলছিল, যা ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
৩ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোমান মৃধা বলেন, বিরোধের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজাদের পিটুনিতে মানিক সরদার (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব দুর্গাপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক সরদার মৃত ছবেদ আলী সরদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে মানিক সরদারের সঙ্গে অন্য ভাইদের বিরোধ চলছিল এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন ছিল। এ নিয়ে রোববার রাতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ওই রাতে মানিক সরদার ও তার ছেলে মেহেদীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় তার ভাতিজা রাব্বি সরদার, আজিম সরদার, সাইফুল ইসলাম মৃধা, প্রতিবেশী রবিন শেখ ও সজিব। প্রথমে তাদের নিজ বাড়িতে মারধর করা হয়, পরে মজিবুর সরদারের বাড়িতে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় নির্যাতন চালানো হয়।
এ সময় স্বামী ও ছেলেকে রক্ষা করতে গেলে মানিকের স্ত্রী ফরিদা বেগমকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে মানিক সরদার অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে বাড়িতে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে সাইফুল ইসলাম মৃধা (২৭), রাব্বি সরদার, আজিম সরদার (২৭) ও রবিন শেখের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় ইউনিয়নের চৌকিদার শেখ মিকচান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তার উপস্থিতিতেই মারধরের ঘটনা ঘটে।
নিহতের মেয়ে তামান্না আক্তার বন্যা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার আব্বাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি বাঁচতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি।
ছেলে মেহেদী বলেন, আমাকে ও বাবাকে ধরে নিয়ে গিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে বাবা অচেতন হয়ে পড়েন।
স্থানীয়রা জানান, জমিজমা বিরোধের পাশাপাশি গরু চুরির সন্দেহ নিয়েও বিরোধ চলছিল, যা ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
৩ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোমান মৃধা বলেন, বিরোধের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.