ছবি: বরিশাল টাইমস
বরিশালে এক সপ্তাহ ধরে সবজির বাজারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। তবে মাছের বাজারে গিয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা। ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং দেশি মাছের সরবরাহে ঘাটতির কারণে চাষের মাছের চাহিদা বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে দামেও। সপ্তাহের ব্যবধানে কোনো কোনো মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে বরিশাল নগরের বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি সবজির বাজার ও পোর্ট রোডের মাছের বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
পাইকারি বাজারে কাঁচামরিচ গত সপ্তাহের মতোই কেজি ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পটোল ৩০, ঢেঁড়স ৪০, চিচিঙ্গা ৪০, ধুন্দল ৫০, ঝিঙা ৪০, করলা ৪০, ফুলকপি ৪০, বাঁধাকপি ৫৫ ও গাজর ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে কেজি ৬ থেকে ১০ টাকা, লাউ ৪০ টাকা এবং লেবু প্রতি হালি ৩০ টাকায়। শীতকালীন শিমের দাম কেজিতে ৯০ থেকে ১০০ টাকা। এসব সবজি খুচরা বাজারে পাইকারির তুলনায় কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
নগরের বাংলাবাজারে বাজার করতে আসা ক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন ধরে সবজির দাম মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও মাছের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। স্থানীয় নদ-নদীর মাছও এখন কিনতে কষ্ট হচ্ছে। বাজার নিয়মিত তদারকি করা প্রয়োজন।
বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি সবজির ব্যবসায়ী আলামিন বলেন, বাজারে পণ্যের দাম নির্ধারণে তাঁদের তেমন কিছু করার নেই। তাঁরা যে দামে পণ্য কেনেন, তার সঙ্গে খরচ যোগ করে বিক্রি করেন।
আরেক ক্রেতা কামাল হোসেন বলেন, সরবরাহ কম থাকায় সবজির দাম বেড়েছে। এখন বলা হচ্ছে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। নানা অজুহাতে বাড়তি দামের চাপ শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তাদেরই বহন করতে হচ্ছে।
অন্যদিকে, নগরের পোর্ট রোডের পাইকারি মাছের বাজারে চড়া দামে মাছ বিক্রি হতে দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, নদীর মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় চাষের মাছের চাহিদা বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে দামও। আকার ও প্রজাতিভেদে সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বাজারে মাছ কিনতে আসা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আগে যে চিংড়ি মাছ কেজি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায় কেনা যেত, এখন তা ১ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অন্য মাছের দামও বেড়েছে। বাধ্য হয়ে পছন্দের মাছের বদলে (১৯০-২৫০) টাকা কেজি দরে তেলাপিয়া মাছ কিনতে হচ্ছে ।
ক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, ইলিশসহ নদীর মাছ সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এখন চাষের পাঙাশ ও তেলাপিয়ার দামও বাড়ছে। এতে সীমিত আয়ের মানুষের জন্য মাছ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
মাছের বাজারে এমন পরিস্থিতির মধ্যেও কিছুটা স্বস্তি রয়েছে মুরগির দামে। কয়েক দিন ধরে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা, লেয়ার ৩৩০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে গরু ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
সবজির বাজারে স্থিতিশীলতা থাকলেও মাছের বাড়তি দাম ক্রেতাদের ব্যয়ের চাপ বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে দেশি মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় চাষের মাছের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। এতে স্বল্প আয়ের মানুষের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাছ রাখা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:০৭
বরিশাল মহানগরে থানার সংখ্যা চার থেকে বাড়িয়ে আটটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। নগরবাসীর দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে নতুন চারটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বিএমপি কমিশনার মো. আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর বান্দ রোডে বিএমপির নিজস্ব কার্যালয়ে সংস্থাটির ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান।
বিএমপি কমিশনার বলেন, ভবিষ্যতে বরিশাল মহানগরে আরও চারটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে নগরীতে থানার সংখ্যা বেড়ে আটটি হবে। এর ফলে নগরবাসী আরও দ্রুত ও সহজে পুলিশি সেবা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
২০০৬ সালের ২৬ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। বর্তমানে চারটি থানার মাধ্যমে মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সংস্থাটি। তবে নগরীর জনসংখ্যা, আয়তন, যানবাহন এবং অপরাধসংক্রান্ত দায়িত্ব বাড়তে থাকায় পুলিশের সেবার পরিধি সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার দুপুরে বিএমপি কার্যালয় চত্বরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ। পরে একটি শোভাযাত্রা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ বলেন, পরিবর্তিত নগর বাস্তবতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতাও প্রয়োজন।
বিএমপি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সংস্থাটিতে প্রায় ১ হাজার ৮০০ সদস্য কর্মরত রয়েছেন। প্রতিষ্ঠার দুই দশক ধরে বরিশাল মহানগরের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ।
প্রায় ৫৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বরিশাল মহানগরে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও নাগরিক চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পুলিশি সেবার পরিধি বাড়ানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ। নতুন চারটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি ও সেবা কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে। তবে নতুন থানাগুলোর অবস্থান, স্থাপনের সময়সীমা এবং প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।’
বরিশাল মহানগরে থানার সংখ্যা চার থেকে বাড়িয়ে আটটি করার পরিকল্পনা নিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। নগরবাসীর দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে নতুন চারটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বিএমপি কমিশনার মো. আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর বান্দ রোডে বিএমপির নিজস্ব কার্যালয়ে সংস্থাটির ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান।
বিএমপি কমিশনার বলেন, ভবিষ্যতে বরিশাল মহানগরে আরও চারটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে নগরীতে থানার সংখ্যা বেড়ে আটটি হবে। এর ফলে নগরবাসী আরও দ্রুত ও সহজে পুলিশি সেবা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
২০০৬ সালের ২৬ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। বর্তমানে চারটি থানার মাধ্যমে মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সংস্থাটি। তবে নগরীর জনসংখ্যা, আয়তন, যানবাহন এবং অপরাধসংক্রান্ত দায়িত্ব বাড়তে থাকায় পুলিশের সেবার পরিধি সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার দুপুরে বিএমপি কার্যালয় চত্বরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ। পরে একটি শোভাযাত্রা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ বলেন, পরিবর্তিত নগর বাস্তবতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতাও প্রয়োজন।
বিএমপি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সংস্থাটিতে প্রায় ১ হাজার ৮০০ সদস্য কর্মরত রয়েছেন। প্রতিষ্ঠার দুই দশক ধরে বরিশাল মহানগরের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ।
প্রায় ৫৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বরিশাল মহানগরে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও নাগরিক চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পুলিশি সেবার পরিধি বাড়ানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ। নতুন চারটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি ও সেবা কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে। তবে নতুন থানাগুলোর অবস্থান, স্থাপনের সময়সীমা এবং প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।’

২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৩
বরিশালের উজিরপুরে ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামি জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে বরিশাল স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৮। মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রোববার দিবাগত রাতে বানারীপাড়া উপজেলার কুন্দিহার গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার জাকির হোসেন বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। সোমবার সকালে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর প্রতিবেশী জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ৯টা ৫০ মিনিটে কিশোরী বাড়ির পাশের ডোবার পাড়ে কলমি শাক তুলতে গেলে অভিযুক্ত তাঁকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় কিশোরীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যান বলে অভিযোগে বলা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে উজিরপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় এসআরবি-৮-এর সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল। রোববার দিবাগত রাতে বানারীপাড়ার কুন্দিহার গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে গ্রেপ্তার জাকির হোসেনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উজিরপুর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। সোমবার সকালে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বরিশালের উজিরপুরে ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামি জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে বরিশাল স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৮। মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রোববার দিবাগত রাতে বানারীপাড়া উপজেলার কুন্দিহার গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার জাকির হোসেন বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। সোমবার সকালে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর প্রতিবেশী জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ৯টা ৫০ মিনিটে কিশোরী বাড়ির পাশের ডোবার পাড়ে কলমি শাক তুলতে গেলে অভিযুক্ত তাঁকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় কিশোরীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যান বলে অভিযোগে বলা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে উজিরপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় এসআরবি-৮-এর সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল। রোববার দিবাগত রাতে বানারীপাড়ার কুন্দিহার গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে গ্রেপ্তার জাকির হোসেনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উজিরপুর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। সোমবার সকালে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩৮
বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংযুক্ত দুই কর্মচারী, ঘুস লেনদেনের ভিডিও ঘিরে ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা ভূমি অফিসে ঘুস গ্রহণ ও অনিয়মের অভিযোগে দুই নারী কর্মচারীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাঁদের বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক গাড়িচালক রাসেল মৃধাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও ভূমি অফিসের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে সালমা খানুন।
প্রত্যাহার হওয়া দুই কর্মচারী হলেন শিকারপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক সানজিদা আক্তার এবং উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ের সার্টিফিকেট সহকারী সুরাইয়া আক্তার।
সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ঘুস লেনদেনের অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে। ভিডিওতে ঘুস লেনদেনের অভিযোগ ঘিরে নানা প্রশ্ন ওঠে।
এ ছাড়া ঘুস লেনদেনের ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে মিরাজ নামের এক ব্যবসায়ীকে মারধর করার অভিযোগও ওঠে। ঘটনাটি ঘিরে ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভূমিকা এবং সেবাপ্রত্যাশীদের সঙ্গে তাঁদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়।
গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ ও অভিযোগগুলো সামনে আসার পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার জারি করা আদেশে সানজিদা আক্তার ও সুরাইয়া আক্তারকে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। পাশাপাশি চুক্তিভিত্তিক গাড়িচালক রাসেল মৃধাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে পৃথক তদন্তের ফলাফল, অভিযুক্তদের বক্তব্য কিংবা ব্যবসায়ীকে মারধরের ঘটনায় কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না—সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভূমি অফিসে নামজারি, জমির খাজনা, ভূমিসংক্রান্ত নথি ও বিভিন্ন প্রশাসনিক সেবা নিতে সাধারণ মানুষকে নিয়মিত যেতে হয়। এসব সেবা পেতে ঘুস বা অনিয়মের অভিযোগ উঠলে জনসাধারণের মধ্যে প্রশাসনিক সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।’
বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংযুক্ত দুই কর্মচারী, ঘুস লেনদেনের ভিডিও ঘিরে ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা ভূমি অফিসে ঘুস গ্রহণ ও অনিয়মের অভিযোগে দুই নারী কর্মচারীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাঁদের বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক গাড়িচালক রাসেল মৃধাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও ভূমি অফিসের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে সালমা খানুন।
প্রত্যাহার হওয়া দুই কর্মচারী হলেন শিকারপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক সানজিদা আক্তার এবং উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ের সার্টিফিকেট সহকারী সুরাইয়া আক্তার।
সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ঘুস লেনদেনের অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে। ভিডিওতে ঘুস লেনদেনের অভিযোগ ঘিরে নানা প্রশ্ন ওঠে।
এ ছাড়া ঘুস লেনদেনের ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে মিরাজ নামের এক ব্যবসায়ীকে মারধর করার অভিযোগও ওঠে। ঘটনাটি ঘিরে ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভূমিকা এবং সেবাপ্রত্যাশীদের সঙ্গে তাঁদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়।
গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ ও অভিযোগগুলো সামনে আসার পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার জারি করা আদেশে সানজিদা আক্তার ও সুরাইয়া আক্তারকে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। পাশাপাশি চুক্তিভিত্তিক গাড়িচালক রাসেল মৃধাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে পৃথক তদন্তের ফলাফল, অভিযুক্তদের বক্তব্য কিংবা ব্যবসায়ীকে মারধরের ঘটনায় কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না—সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভূমি অফিসে নামজারি, জমির খাজনা, ভূমিসংক্রান্ত নথি ও বিভিন্ন প্রশাসনিক সেবা নিতে সাধারণ মানুষকে নিয়মিত যেতে হয়। এসব সেবা পেতে ঘুস বা অনিয়মের অভিযোগ উঠলে জনসাধারণের মধ্যে প্রশাসনিক সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।’

২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৩৪
বরিশালে এক সপ্তাহ ধরে সবজির বাজারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। তবে মাছের বাজারে গিয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা। ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং দেশি মাছের সরবরাহে ঘাটতির কারণে চাষের মাছের চাহিদা বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে দামেও। সপ্তাহের ব্যবধানে কোনো কোনো মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে বরিশাল নগরের বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি সবজির বাজার ও পোর্ট রোডের মাছের বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
পাইকারি বাজারে কাঁচামরিচ গত সপ্তাহের মতোই কেজি ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পটোল ৩০, ঢেঁড়স ৪০, চিচিঙ্গা ৪০, ধুন্দল ৫০, ঝিঙা ৪০, করলা ৪০, ফুলকপি ৪০, বাঁধাকপি ৫৫ ও গাজর ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে কেজি ৬ থেকে ১০ টাকা, লাউ ৪০ টাকা এবং লেবু প্রতি হালি ৩০ টাকায়। শীতকালীন শিমের দাম কেজিতে ৯০ থেকে ১০০ টাকা। এসব সবজি খুচরা বাজারে পাইকারির তুলনায় কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
নগরের বাংলাবাজারে বাজার করতে আসা ক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন ধরে সবজির দাম মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও মাছের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। স্থানীয় নদ-নদীর মাছও এখন কিনতে কষ্ট হচ্ছে। বাজার নিয়মিত তদারকি করা প্রয়োজন।
বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি সবজির ব্যবসায়ী আলামিন বলেন, বাজারে পণ্যের দাম নির্ধারণে তাঁদের তেমন কিছু করার নেই। তাঁরা যে দামে পণ্য কেনেন, তার সঙ্গে খরচ যোগ করে বিক্রি করেন।
আরেক ক্রেতা কামাল হোসেন বলেন, সরবরাহ কম থাকায় সবজির দাম বেড়েছে। এখন বলা হচ্ছে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। নানা অজুহাতে বাড়তি দামের চাপ শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তাদেরই বহন করতে হচ্ছে।
অন্যদিকে, নগরের পোর্ট রোডের পাইকারি মাছের বাজারে চড়া দামে মাছ বিক্রি হতে দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, নদীর মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় চাষের মাছের চাহিদা বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে দামও। আকার ও প্রজাতিভেদে সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বাজারে মাছ কিনতে আসা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আগে যে চিংড়ি মাছ কেজি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায় কেনা যেত, এখন তা ১ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অন্য মাছের দামও বেড়েছে। বাধ্য হয়ে পছন্দের মাছের বদলে (১৯০-২৫০) টাকা কেজি দরে তেলাপিয়া মাছ কিনতে হচ্ছে ।
ক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, ইলিশসহ নদীর মাছ সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এখন চাষের পাঙাশ ও তেলাপিয়ার দামও বাড়ছে। এতে সীমিত আয়ের মানুষের জন্য মাছ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
মাছের বাজারে এমন পরিস্থিতির মধ্যেও কিছুটা স্বস্তি রয়েছে মুরগির দামে। কয়েক দিন ধরে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা, লেয়ার ৩৩০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে গরু ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
সবজির বাজারে স্থিতিশীলতা থাকলেও মাছের বাড়তি দাম ক্রেতাদের ব্যয়ের চাপ বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে দেশি মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় চাষের মাছের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। এতে স্বল্প আয়ের মানুষের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাছ রাখা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:০৭
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৫
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৩৪
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩৭