
১৭ মার্চ, ২০২৬ ২২:২৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদে উদ্ধার হওয়া গলাকাটা মস্তকবিহীন লাশের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। একটি ইলেকট্রনিক্স কোম্পানির হ্যান্ডবিলকে সূত্র ধরে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসানের দক্ষতা ও দূরদর্শিতা প্রশংসিত হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মার্চ বিকেলে উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের সারেংকাঠি এলাকার একটি ইটভাটার পাশের নদীর তীর থেকে গলাকাটা অবস্থায় একটি মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। পরে সিআইডি, পিবিআই ও র্যাবের সমন্বয়ে যৌথভাবে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে একটি সাদা মোটরসাইকেলে তিন যুবক ইটভাটায় প্রবেশ করে। ৩টা ২৭ মিনিটে একই মোটরসাইকেলে বেরিয়ে আসে দুইজন। ঘটনাস্থলে পাওয়া জুতো ও টি-শার্টের সঙ্গে ফুটেজে দেখা পোশাকের মিল পেয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয়, একজনই হত্যা হয়েছে।
তদন্তে লাশের প্যান্টের পেছনের পকেট থেকে একটি ইলেকট্রনিক্স কোম্পানির হ্যান্ডবিল উদ্ধার করা হয়। হ্যান্ডবিলে থাকা মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে পুলিশ জানতে পারে, বরিশালের কাশির বাজার এলাকায় হ্যান্ডবিল বিতরণ করা হয়েছিল। ছবি বিশ্লেষণ করে “Malteser” লেখা টি-শার্ট পরা যুবকের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া লাশের পোশাকের মিল পাওয়া যায়।
পরে পুলিশ বরিশালের কাশিপুর এলাকায় গিয়ে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করে। নিহতের নাম গোপাল চন্দ্র দাস (৪০)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন।
পুলিশ ওই রাতেই বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার এলাকা থেকে তরিকুল ইসলাম সম্রাটকে (২৯) গ্রেপ্তার করে। পরে র্যাব-৮ এর সহায়তায় অপর আসামি আবেদীন মাঝি ওরফে রাজুকেও (৪২) আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, প্রধান আসামি সম্রাটের সঙ্গে নিহত গোপালের নারী সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এছাড়া সহঅভিযুক্ত রাজুর সঙ্গে মাদক ব্যবসা নিয়েও দ্বন্দ্ব ছিল। অভিযোগ রয়েছে, গোপাল তাদের মাদকের চালান নষ্ট করার কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়।
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, মস্তকবিহীন লাশ শনাক্ত করা প্রথমে কঠিন ছিল। তবে ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া হ্যান্ডবিলকে সূত্র হিসেবে ব্যবহার করে দ্রুত পরিচয় শনাক্ত ও আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি।
মাত্র একটি হ্যান্ডবিলের সূত্র ব্যবহার করে স্বল্প সময়ে জটিল ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দক্ষতা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
পিরোজপুরের নেছারাবাদে উদ্ধার হওয়া গলাকাটা মস্তকবিহীন লাশের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। একটি ইলেকট্রনিক্স কোম্পানির হ্যান্ডবিলকে সূত্র ধরে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসানের দক্ষতা ও দূরদর্শিতা প্রশংসিত হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মার্চ বিকেলে উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের সারেংকাঠি এলাকার একটি ইটভাটার পাশের নদীর তীর থেকে গলাকাটা অবস্থায় একটি মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। পরে সিআইডি, পিবিআই ও র্যাবের সমন্বয়ে যৌথভাবে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে একটি সাদা মোটরসাইকেলে তিন যুবক ইটভাটায় প্রবেশ করে। ৩টা ২৭ মিনিটে একই মোটরসাইকেলে বেরিয়ে আসে দুইজন। ঘটনাস্থলে পাওয়া জুতো ও টি-শার্টের সঙ্গে ফুটেজে দেখা পোশাকের মিল পেয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয়, একজনই হত্যা হয়েছে।
তদন্তে লাশের প্যান্টের পেছনের পকেট থেকে একটি ইলেকট্রনিক্স কোম্পানির হ্যান্ডবিল উদ্ধার করা হয়। হ্যান্ডবিলে থাকা মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে পুলিশ জানতে পারে, বরিশালের কাশির বাজার এলাকায় হ্যান্ডবিল বিতরণ করা হয়েছিল। ছবি বিশ্লেষণ করে “Malteser” লেখা টি-শার্ট পরা যুবকের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া লাশের পোশাকের মিল পাওয়া যায়।
পরে পুলিশ বরিশালের কাশিপুর এলাকায় গিয়ে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করে। নিহতের নাম গোপাল চন্দ্র দাস (৪০)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন।
পুলিশ ওই রাতেই বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার এলাকা থেকে তরিকুল ইসলাম সম্রাটকে (২৯) গ্রেপ্তার করে। পরে র্যাব-৮ এর সহায়তায় অপর আসামি আবেদীন মাঝি ওরফে রাজুকেও (৪২) আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, প্রধান আসামি সম্রাটের সঙ্গে নিহত গোপালের নারী সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এছাড়া সহঅভিযুক্ত রাজুর সঙ্গে মাদক ব্যবসা নিয়েও দ্বন্দ্ব ছিল। অভিযোগ রয়েছে, গোপাল তাদের মাদকের চালান নষ্ট করার কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়।
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, মস্তকবিহীন লাশ শনাক্ত করা প্রথমে কঠিন ছিল। তবে ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া হ্যান্ডবিলকে সূত্র হিসেবে ব্যবহার করে দ্রুত পরিচয় শনাক্ত ও আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি।
মাত্র একটি হ্যান্ডবিলের সূত্র ব্যবহার করে স্বল্প সময়ে জটিল ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দক্ষতা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

০৫ মে, ২০২৬ ১৩:৫২
চোখ বাঁধা অবস্থায় দ্রুততম সময়ে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরে গিনেস বুকে নাম তুলেছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ধনীসাফা ইউনিয়নের ফুলজুড়ী গ্রামের সিফাত আকন (১৮)। ১০টি মাস্ক পরতে তার সময় লেগেছে ১০ দশমিক ৩২ সেকেন্ড।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এই রেকর্ডের জন্য আবেদন করেন তিনি। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্বীকৃতি আসে গত ২৮ এপ্রিল।
এ বিষয়ে সিফাত আকন বলেন, বছর চারেক আগে পত্রিকায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আমার চোখে পড়ে। সেখান থেকে পরিকল্পনা শুরু করি। তখন ছিল করোনা কাল, তাই মাস্ক-সংক্রান্ত কিছু করার কথাই সবার আগে মাথায় এসেছিল। ঠিক করি, মাস্ক পরে রেকর্ড গড়বো।
তিনি বলেন, এই রেকর্ডটা প্রথম করেছিল একজন ভারতীয়। তিনি সম্ভবত ১১ দশমিক ৫৪ সেকেন্ডে করেছিলেন। তখনই আমি রেকর্ড ভাঙার কথা চিন্তা করি। কিন্তু ইচ্ছা থাকলেও কোথাও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাই নাই। তখন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস সম্পর্কে ধারণা পেতে ফেসবুক, ইউটিউবে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করি। সেখানেও কোনো পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন মেলেনি।
সিফাত আরও বলেন, হাল না ছেড়ে পুরো প্রচেষ্টায় শুরু করি, শুরুর দিকে ২৫-২৬ সেকেন্ড লেগে যেত। কারণ চ্যালেঞ্জ মূলত দুটি। প্রথমত চোখ বাঁধা থাকার কারণে মাস্ক হাতে তুলে নিতে সময় লেগে যায়। দ্বিতীয়ত, মাস্কটি ঠিকভাবে পরাও কঠিন। অনুশীলনের সময় মা, ছোট ভাই আর বন্ধু ইমনের উৎসাহ পাই। ১৮ জানুয়ারি প্রয়োজনীয় নথিসহ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের জন্য আবেদন করি। তিন মাস পর ২৮ এপ্রিল রাতে ই-মেইলে আমার রেকর্ডকে স্বীকৃতি দেয় গিনেস। খবর শুনে আমার চেয়েও বেশি খুশি হয়েছিলেন আমার মা।
সিফাত উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে পড়তে চান। সিফাতের বাবা আবদুল জলিল একজন বনরক্ষী। আর মা গৃহিণী।
সিফাতের মা বেগম সুরমা বলেন, সামনে সিফাতের আরও রেকর্ড গড়ার ইচ্ছা। এক মিনিটে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে জড়িয়ে ধরার রেকর্ড নিয়ে ভাবছেন সে। করতে চান এক মিনিটে সর্বোচ্চ ‘হ্যান্ডশেক’ এর রেকর্ডও।
বিজ্ঞাপন
সিফাতের বাবা জলিল আকন জানান, তার ছেলের সাফল্যে খুশি। গর্বের বিষয় সে ১০ সেকেন্ডে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করে রেকর্ড গড়েছে। ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করবে এই প্রত্যাশা করেন।
ফুলজুড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মামুন হোসেন বলেন, সিফাত আমাদের এলাকারই সন্তান। অনেক অধ্যবসায় করার ফলে তিনি ১০ সেকেন্ডে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে, এটি আমাদের এলাকার গর্ব। আমি ওর রেকর্ডটি নিজ চোখে দেখেছি। ভবিষ্যতে যেন ভালো কিছু করতে পারে, এটাই প্রত্যাশা করি।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার এই রেকর্ডের জন্য সিফাত আকনকে কার্যালয়ে ডেকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। তাকে সব রকমের সহযোগিতা দিয়ে তার পাশে থাকার কথা বলেন ইউএনও।
চোখ বাঁধা অবস্থায় দ্রুততম সময়ে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরে গিনেস বুকে নাম তুলেছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ধনীসাফা ইউনিয়নের ফুলজুড়ী গ্রামের সিফাত আকন (১৮)। ১০টি মাস্ক পরতে তার সময় লেগেছে ১০ দশমিক ৩২ সেকেন্ড।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এই রেকর্ডের জন্য আবেদন করেন তিনি। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্বীকৃতি আসে গত ২৮ এপ্রিল।
এ বিষয়ে সিফাত আকন বলেন, বছর চারেক আগে পত্রিকায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আমার চোখে পড়ে। সেখান থেকে পরিকল্পনা শুরু করি। তখন ছিল করোনা কাল, তাই মাস্ক-সংক্রান্ত কিছু করার কথাই সবার আগে মাথায় এসেছিল। ঠিক করি, মাস্ক পরে রেকর্ড গড়বো।
তিনি বলেন, এই রেকর্ডটা প্রথম করেছিল একজন ভারতীয়। তিনি সম্ভবত ১১ দশমিক ৫৪ সেকেন্ডে করেছিলেন। তখনই আমি রেকর্ড ভাঙার কথা চিন্তা করি। কিন্তু ইচ্ছা থাকলেও কোথাও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাই নাই। তখন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস সম্পর্কে ধারণা পেতে ফেসবুক, ইউটিউবে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করি। সেখানেও কোনো পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন মেলেনি।
সিফাত আরও বলেন, হাল না ছেড়ে পুরো প্রচেষ্টায় শুরু করি, শুরুর দিকে ২৫-২৬ সেকেন্ড লেগে যেত। কারণ চ্যালেঞ্জ মূলত দুটি। প্রথমত চোখ বাঁধা থাকার কারণে মাস্ক হাতে তুলে নিতে সময় লেগে যায়। দ্বিতীয়ত, মাস্কটি ঠিকভাবে পরাও কঠিন। অনুশীলনের সময় মা, ছোট ভাই আর বন্ধু ইমনের উৎসাহ পাই। ১৮ জানুয়ারি প্রয়োজনীয় নথিসহ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের জন্য আবেদন করি। তিন মাস পর ২৮ এপ্রিল রাতে ই-মেইলে আমার রেকর্ডকে স্বীকৃতি দেয় গিনেস। খবর শুনে আমার চেয়েও বেশি খুশি হয়েছিলেন আমার মা।
সিফাত উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে পড়তে চান। সিফাতের বাবা আবদুল জলিল একজন বনরক্ষী। আর মা গৃহিণী।
সিফাতের মা বেগম সুরমা বলেন, সামনে সিফাতের আরও রেকর্ড গড়ার ইচ্ছা। এক মিনিটে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে জড়িয়ে ধরার রেকর্ড নিয়ে ভাবছেন সে। করতে চান এক মিনিটে সর্বোচ্চ ‘হ্যান্ডশেক’ এর রেকর্ডও।
বিজ্ঞাপন
সিফাতের বাবা জলিল আকন জানান, তার ছেলের সাফল্যে খুশি। গর্বের বিষয় সে ১০ সেকেন্ডে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করে রেকর্ড গড়েছে। ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করবে এই প্রত্যাশা করেন।
ফুলজুড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মামুন হোসেন বলেন, সিফাত আমাদের এলাকারই সন্তান। অনেক অধ্যবসায় করার ফলে তিনি ১০ সেকেন্ডে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে, এটি আমাদের এলাকার গর্ব। আমি ওর রেকর্ডটি নিজ চোখে দেখেছি। ভবিষ্যতে যেন ভালো কিছু করতে পারে, এটাই প্রত্যাশা করি।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার এই রেকর্ডের জন্য সিফাত আকনকে কার্যালয়ে ডেকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। তাকে সব রকমের সহযোগিতা দিয়ে তার পাশে থাকার কথা বলেন ইউএনও।

০৪ মে, ২০২৬ ১৩:৪৮
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় জাল টাকার নোটসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
রোববার (৩ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের মাটিভাঙ্গা বাজারের জামে মসজিদ এলাকার সামনের পাকা রাস্তা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাটিভাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. এস. এম. সালেহীনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে পাঁচটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মৃত আবু বক্কর খলিফার ছেলে রাসেল খলিফা (৪৫), নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের মো. দুলাল শেখের ছেলে মো. সাইদুল ওরফে রানা (৪৮) এবং একই এলাকার মো. মজিবুর খানের ছেলে হাসিব খান (৪৬)।
নাজিরপুর থানার ওসি মো. তারিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে নাজিরপুর থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় জাল টাকার নোটসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
রোববার (৩ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের মাটিভাঙ্গা বাজারের জামে মসজিদ এলাকার সামনের পাকা রাস্তা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাটিভাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. এস. এম. সালেহীনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে পাঁচটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মৃত আবু বক্কর খলিফার ছেলে রাসেল খলিফা (৪৫), নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের মো. দুলাল শেখের ছেলে মো. সাইদুল ওরফে রানা (৪৮) এবং একই এলাকার মো. মজিবুর খানের ছেলে হাসিব খান (৪৬)।
নাজিরপুর থানার ওসি মো. তারিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে নাজিরপুর থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

০৩ মে, ২০২৬ ১৪:৫১
পিরোজপুরে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে পৃথক ঘটনায় পারুল বালা (৮০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে এবং দুইজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২ মে) ভাণ্ডারিয়া উপজেলার রাজপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পারুল বালা জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার রাজপাশা গ্রামের লক্ষ্মীকান্ত সমাদ্দারের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে পারুল বালা বাড়ির পাশের নাঙ্গল খালে গোসল করতে যান। গোসলের একপর্যায়ে হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে খালের পাশে থাকা একটি বড় গাছ উপড়ে গিয়ে তার ওপর পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত পারুল বালা চার ছেলে ও এক মেয়ের জননী ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি রত্নেশ্বর শেখর মণ্ডল জানান, ওই নারী গোসল করতে গিয়েছিলেন, তখন ঝড়ের কবলে পড়ে গাছচাপায় তিনি নিহত হন।
তাকে দাফন করা হয়েছে। তার পরিবার যাতে সহায়তা পায় সে জন্য তিনি ইউএনওর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।
অন্যদিকে, পিরোজপুর সদর উপজেলার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একইদিন দুপুরে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে একটি বাবলা গাছ চলন্ত নসিমনের ওপর ভেঙে পড়ে দুইজন আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন- নসিমনের চালক সাজিদ ফকির (১৮) ও তার সহযোগী মো. তামিম (১৯)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।
পিরোজপুরে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে পৃথক ঘটনায় পারুল বালা (৮০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে এবং দুইজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২ মে) ভাণ্ডারিয়া উপজেলার রাজপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পারুল বালা জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার রাজপাশা গ্রামের লক্ষ্মীকান্ত সমাদ্দারের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে পারুল বালা বাড়ির পাশের নাঙ্গল খালে গোসল করতে যান। গোসলের একপর্যায়ে হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে খালের পাশে থাকা একটি বড় গাছ উপড়ে গিয়ে তার ওপর পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত পারুল বালা চার ছেলে ও এক মেয়ের জননী ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি রত্নেশ্বর শেখর মণ্ডল জানান, ওই নারী গোসল করতে গিয়েছিলেন, তখন ঝড়ের কবলে পড়ে গাছচাপায় তিনি নিহত হন।
তাকে দাফন করা হয়েছে। তার পরিবার যাতে সহায়তা পায় সে জন্য তিনি ইউএনওর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।
অন্যদিকে, পিরোজপুর সদর উপজেলার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একইদিন দুপুরে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে একটি বাবলা গাছ চলন্ত নসিমনের ওপর ভেঙে পড়ে দুইজন আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন- নসিমনের চালক সাজিদ ফকির (১৮) ও তার সহযোগী মো. তামিম (১৯)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.