
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১২
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী ভাড়ানী খালে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রবল স্রোতের তোড়ে খালের উভয় পাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতিনিয়ত বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বসতভিটা, কৃষিজমি, গাছপালা ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কের অংশ ভেঙে খালে চলে যাওয়ায় দুই পাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খালের বিভিন্ন স্থানে পাড় ধসে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষকসহ প্রতিদিন যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক এলাকায় বিকল্প রাস্তা না থাকায় মানুষের চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
কার্তিক পাশা গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার মৃধা জানান, ভাঙনের ফলে তার বাড়ির সামনের জমি ও রাস্তার বড় অংশ ইতোমধ্যে খালের মধ্যে চলে গেছে। এতে বাড়িতে যাতায়াত করাই এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে অবশিষ্ট অংশও হারানোর আশঙ্কা করছেন তিনি।
একই গ্রামের নুরুল ইসলাম সিকদার বলেন, প্রতিদিনই খালের পাড় ভেঙে পড়ছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে। যে কোনো সময় ঘরবাড়িও খালের মধ্যে বিলীন হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা হৃদয় সিকদার অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন চললেও কোনো স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এখন পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দ্রুত ব্লক ফেলা বা টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে বহু পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়বে।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই ভাঙনরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে। ভাঙনের কারণে শুধু বসতভিটাই নয়, কৃষিজমিও হুমকির মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে অনেকের ফলজ ও বনজ গাছপালা খালে বিলীন হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদেকুর রহমান বলেন, ভাঙনের বিষয়টি তার জানা ছিল না। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে দ্রুত সংস্কার ও প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু করা হবে।
এদিকে দ্রুত ভাঙনরোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী ভাড়ানী খালে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রবল স্রোতের তোড়ে খালের উভয় পাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতিনিয়ত বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বসতভিটা, কৃষিজমি, গাছপালা ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কের অংশ ভেঙে খালে চলে যাওয়ায় দুই পাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খালের বিভিন্ন স্থানে পাড় ধসে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষকসহ প্রতিদিন যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক এলাকায় বিকল্প রাস্তা না থাকায় মানুষের চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
কার্তিক পাশা গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার মৃধা জানান, ভাঙনের ফলে তার বাড়ির সামনের জমি ও রাস্তার বড় অংশ ইতোমধ্যে খালের মধ্যে চলে গেছে। এতে বাড়িতে যাতায়াত করাই এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে অবশিষ্ট অংশও হারানোর আশঙ্কা করছেন তিনি।
একই গ্রামের নুরুল ইসলাম সিকদার বলেন, প্রতিদিনই খালের পাড় ভেঙে পড়ছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে। যে কোনো সময় ঘরবাড়িও খালের মধ্যে বিলীন হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা হৃদয় সিকদার অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন চললেও কোনো স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এখন পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দ্রুত ব্লক ফেলা বা টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে বহু পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়বে।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই ভাঙনরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে। ভাঙনের কারণে শুধু বসতভিটাই নয়, কৃষিজমিও হুমকির মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে অনেকের ফলজ ও বনজ গাছপালা খালে বিলীন হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদেকুর রহমান বলেন, ভাঙনের বিষয়টি তার জানা ছিল না। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে দ্রুত সংস্কার ও প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু করা হবে।
এদিকে দ্রুত ভাঙনরোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

১৩ মে, ২০২৬ ১৮:২২
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য (ভিসি) অপসারণ দাবির আন্দোলনে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের লাগাতার কর্মবিরতি তৃতীয় দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা।আন্দোলনরত শিক্ষক ও কর্মকর্তারা বলেন, হামলার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার, দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলবে। তারা দাবি করেন, শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতা প্রফেসর ড. মো. আতিকুর রহমান, প্রফেসর ড. এবিএম সাইফুল্লাহসহ অন্য শিক্ষক নেতারা। এ সময় ডিন কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের এক জরুরি বৈঠকে নেওয়া কয়েকটি সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত সোমবার (১১ মে) আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলাকারী বহিরাগতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া পূর্বঘোষিত রুটিন অনুযায়ী আগামী ১৭ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান ফাইনাল পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে। তবে বিভিন্ন সেমিস্টারের ক্লাস, ক্লাস টেস্ট এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্জন করে কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।
এদিকে আন্দোলনকারীরা উপাচার্যের অফিস বাসভবন, রেজিস্ট্রার কার্যালয়সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১১ মে ভিসি অপসারণ দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনা ঘটে।
এরপর থেকেই ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও উপাচার্যের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা রিসিব হয়নি।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য (ভিসি) অপসারণ দাবির আন্দোলনে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের লাগাতার কর্মবিরতি তৃতীয় দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা।আন্দোলনরত শিক্ষক ও কর্মকর্তারা বলেন, হামলার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার, দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলবে। তারা দাবি করেন, শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতা প্রফেসর ড. মো. আতিকুর রহমান, প্রফেসর ড. এবিএম সাইফুল্লাহসহ অন্য শিক্ষক নেতারা। এ সময় ডিন কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের এক জরুরি বৈঠকে নেওয়া কয়েকটি সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত সোমবার (১১ মে) আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলাকারী বহিরাগতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া পূর্বঘোষিত রুটিন অনুযায়ী আগামী ১৭ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান ফাইনাল পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে। তবে বিভিন্ন সেমিস্টারের ক্লাস, ক্লাস টেস্ট এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্জন করে কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।
এদিকে আন্দোলনকারীরা উপাচার্যের অফিস বাসভবন, রেজিস্ট্রার কার্যালয়সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১১ মে ভিসি অপসারণ দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনা ঘটে।
এরপর থেকেই ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও উপাচার্যের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা রিসিব হয়নি।

১২ মে, ২০২৬ ২০:৪৪
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় এবার আরও দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন- দুমকি উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মীর এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল ওহাব।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়াও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ না রাখার অনুরোধ জানানো হয়। জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন এবং সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
এর আগে, একই ঘটনায় বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলও কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন দুমকি উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বশির উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান ফারুক ও সুলতান শওকত হোসেন এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুসা ফরাজী। এছাড়া বহিষ্কৃত সাবেক যুবদল নেতা রিপন শরীফসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে পবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় এবার আরও দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন- দুমকি উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মীর এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল ওহাব।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়াও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ না রাখার অনুরোধ জানানো হয়। জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন এবং সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
এর আগে, একই ঘটনায় বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলও কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন দুমকি উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বশির উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান ফারুক ও সুলতান শওকত হোসেন এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুসা ফরাজী। এছাড়া বহিষ্কৃত সাবেক যুবদল নেতা রিপন শরীফসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে পবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়।

১২ মে, ২০২৬ ২০:১১
পটুয়াখালীর বাউফলে গ্রাম আদালত কার্যক্রম অগ্রগতি বিষয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর সাথে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ১১টায় বাউফল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এর আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প স্থানীয় সরকার বিভাগ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় এর আওতায় উপজেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করেন।
গ্রাম আদালতের উপজেলা সমন্বয়কারী নাজমা বেগম এর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালেহ আহমেদ।
সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, কেন আমরা গ্রাম আদালতে যাবো, গ্রাম আদালত কিভাবে গ্রামের জনগনকে সহায়তা করতে পারে ও গ্রাম আদালত কি কি ধরনের বিরোধ নিস্পত্তি করতে পারে সে বিষয়ে সভায় অংশগ্রহণ কারীদের ধারনা দেন।
এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের গ্রাম আদলত সম্পর্কে ধারনা ও ইউনিয়ন পরিষদের বিচারিক কক্ষে বসে ফৌজদারি কার্যক্রম বিশেষ করে চুরি,দাঙ্গা, প্রতারণা ঝগড়া বিবাদ,মূল্যবান সম্পত্তি আত্মসাৎ করা অন্যায় নিয়ন্ত্রণ ও অন্যায় আটক ভয়ভীতি দেখানো ও হুমকি দেয়া কোন নারীর শালীনতাকে অমর্যদা বা অপমানের উদ্দেশ্যে কথা বলা, অঙ্গভঙ্গী করা সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। আয়োজিত সভায় ১৫টি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরগন অংশ গ্রহন করেন।
পটুয়াখালীর বাউফলে গ্রাম আদালত কার্যক্রম অগ্রগতি বিষয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর সাথে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ১১টায় বাউফল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এর আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প স্থানীয় সরকার বিভাগ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় এর আওতায় উপজেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করেন।
গ্রাম আদালতের উপজেলা সমন্বয়কারী নাজমা বেগম এর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালেহ আহমেদ।
সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, কেন আমরা গ্রাম আদালতে যাবো, গ্রাম আদালত কিভাবে গ্রামের জনগনকে সহায়তা করতে পারে ও গ্রাম আদালত কি কি ধরনের বিরোধ নিস্পত্তি করতে পারে সে বিষয়ে সভায় অংশগ্রহণ কারীদের ধারনা দেন।
এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের গ্রাম আদলত সম্পর্কে ধারনা ও ইউনিয়ন পরিষদের বিচারিক কক্ষে বসে ফৌজদারি কার্যক্রম বিশেষ করে চুরি,দাঙ্গা, প্রতারণা ঝগড়া বিবাদ,মূল্যবান সম্পত্তি আত্মসাৎ করা অন্যায় নিয়ন্ত্রণ ও অন্যায় আটক ভয়ভীতি দেখানো ও হুমকি দেয়া কোন নারীর শালীনতাকে অমর্যদা বা অপমানের উদ্দেশ্যে কথা বলা, অঙ্গভঙ্গী করা সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। আয়োজিত সভায় ১৫টি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরগন অংশ গ্রহন করেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.