দৈনিক নয়া শতাব্দি ও দ্যা ডেইলী পোস্ট সংবাদপত্রের পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি এবং মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের বর্তমান কমিটির প্রচার সম্পাদক মোঃ সিয়াম রহমান হিমেল (২৫) এর উপর
সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী। এ ব্যাপারে সিয়াম রহমান হিমেল বাদী হয়ে থানায় মোট ০৭ জনকে এজাহারনামীয় এবং ৭-৮ জনকে অজ্ঞাত বিবাদী করে এজাহার দায়ের করলে, মির্জাগঞ্জ থানার পেনাল কোডে রুজু করা হয়।
আসামিরা হলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য বদোরুদ্দৌজা জনি মুন্সি, মির্জাগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌস হাসান সৌরভ মুন্সি ও তাঁর ভাই জাহিদ হাসান পরাগ মুন্সি।
বাদী সিয়াম রহমান হিমেল মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের (১৯৮৭) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম আনিসুর রহমান এর পুত্র। অন্যদিকে আসামিরা মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদের ভাতিজা।
এর আগেও গত মার্চ মাসে বিভিন্ন হাট, বাজারের ইজারার,বিভিন্ন দোকানপাট থেকে চাঁদা তােলা,দলীয় নেতাদের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণ এবং নীতি, আদর্শ পরিপন্থী অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযােগে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে সৌরভ মুন্সিকে সতর্ক করা হয়েছিল।
সেনাবাহিনী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যা অনুমানিক ০৬.৩০ টার সময় বাদী মোঃ সিয়াম রহমান হিমেল (২৫)’কে পূর্ব বিরোধের জের ধরে কতিপয় ব্যক্তি মারধর করে। হিমেলকে রক্ষা করতে কয়েকজন এগিয়ে গেলে বিবাদীরা তাদেরকেও মারধর করে মোট ০৫ জনকে গুরুতর ও সাধারণ বিভিন্ন মাত্রার জখম করে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
কিছু সন্ত্রাসী হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের পুনরায় হামলা করার জন্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একত্রিত হয়। গোপন সূত্রে ভিত্তিতে ক্যাম্প কমান্ডারের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টিম এবং মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করার জন্য মির্জাগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়। উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় জাহিদ হাসান পরাগ মুন্সি নামক একজন সন্ত্রাসীকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করা হয় এবং বাকি সন্ত্রাসী সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
সেনাবাহিনী,পুলিশ এবং এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, বর্ণিত ঘটনার সাথে জড়িত এজাহারনামীয় ২নং আসামি সৌরভ মুন্সি (৩৫) এবং ০৩ নং আসামি মোঃ জনি মুন্সি (৩৬) কে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ টিম রাতেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম জুয়েল ৩ জনকে গ্রেফতারের বিষয়ে নিশ্চিত করে জানান,জড়িত অপর আসামীদেরকেও গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত আছে।

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:৩৭
পটুয়াখালীর বাউফলে পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) একটি প্রকল্পের মাঠ সংগঠক মো. সাইদুর রহমান নাজমুলের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা উত্তোলন করে অফিসে জমা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটি। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিআরডিবি সূত্র জানায়, দারিদ্র্য নারীদের জন্য সমন্বিত পল্লী উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সহায়তা প্রকল্পের (ইরেসপো) দ্বিতীয় পর্যায়ের মাঠ সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন সাইদুর রহমান নাজমুল। তিনি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার সময় গ্রাহকদের কাছ থেকে উত্তোলন করা অর্থ তিনি অফিসে জমা দেননি।
সূত্র আরও জানায়, পরপর দুটি নোটিশ দেওয়ার পরও সাইদুর রহমানের সন্ধান না পাওয়ায় ১২ জানুয়ারি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি তাঁর দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্লকের ১২টি সমিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে। এ সময় সদস্যদের পাসবইয়ের সঙ্গে অফিসের হিসাবের গরমিল পাওয়া যায়। তদন্ত প্রতিবেদনে প্রায় তিন লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান শিকদারের রেফারেন্সে এবং বিআরডিবির তৎকালীন মহাপরিচালকের একান্ত সচিব (পিএস) ও উপপরিচালক সাদেকুর রহমানের সুপারিশে সাইদুর রহমান চাকরি পেয়েছিলেন। রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কারণেও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে উপপরিচালক সাদেকুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সাইদুর রহমানের নিয়োগের সময় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল।
এদিকে সাদেকুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাদেকুর রহমান মামলায় আসামি থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য সরকারি বিধান অনুযায়ী ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের কাছে আবেদন করছেন।
অভিযোগের বিষয়ে মাঠ সংগঠক সাইদুর রহমান নাজমুল বলেন, ‘টাকা পাওনা আছে। আমি পরিশোধ করে দেব। হেড অফিসের সঙ্গে কথা হয়েছে।’
বাউফল বিআরডিবি কার্যালয়ের সহকারী কর্মকর্তা (ইরেসপো) নাজমুন নাহার ইরানি অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালী জেলা বিআরডিবির উপপরিচালক হাসানুল হক মোল্লা বলেন, ‘বিষয়টি হেড অফিস সরাসরি মনিটরিং করছে। পরে জেনেছি, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
ইরেসপো হেড অফিসের উপপ্রকল্প পরিচালক এ এস এম সোলেমান বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছিল। তবে অভিযুক্তের টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস ও উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপের কারণে বিলম্ব হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়ে টাকা উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) একটি প্রকল্পের মাঠ সংগঠক মো. সাইদুর রহমান নাজমুলের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা উত্তোলন করে অফিসে জমা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটি। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিআরডিবি সূত্র জানায়, দারিদ্র্য নারীদের জন্য সমন্বিত পল্লী উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সহায়তা প্রকল্পের (ইরেসপো) দ্বিতীয় পর্যায়ের মাঠ সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন সাইদুর রহমান নাজমুল। তিনি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার সময় গ্রাহকদের কাছ থেকে উত্তোলন করা অর্থ তিনি অফিসে জমা দেননি।
সূত্র আরও জানায়, পরপর দুটি নোটিশ দেওয়ার পরও সাইদুর রহমানের সন্ধান না পাওয়ায় ১২ জানুয়ারি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি তাঁর দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্লকের ১২টি সমিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে। এ সময় সদস্যদের পাসবইয়ের সঙ্গে অফিসের হিসাবের গরমিল পাওয়া যায়। তদন্ত প্রতিবেদনে প্রায় তিন লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান শিকদারের রেফারেন্সে এবং বিআরডিবির তৎকালীন মহাপরিচালকের একান্ত সচিব (পিএস) ও উপপরিচালক সাদেকুর রহমানের সুপারিশে সাইদুর রহমান চাকরি পেয়েছিলেন। রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কারণেও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে উপপরিচালক সাদেকুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সাইদুর রহমানের নিয়োগের সময় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল।
এদিকে সাদেকুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাদেকুর রহমান মামলায় আসামি থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য সরকারি বিধান অনুযায়ী ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের কাছে আবেদন করছেন।
অভিযোগের বিষয়ে মাঠ সংগঠক সাইদুর রহমান নাজমুল বলেন, ‘টাকা পাওনা আছে। আমি পরিশোধ করে দেব। হেড অফিসের সঙ্গে কথা হয়েছে।’
বাউফল বিআরডিবি কার্যালয়ের সহকারী কর্মকর্তা (ইরেসপো) নাজমুন নাহার ইরানি অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালী জেলা বিআরডিবির উপপরিচালক হাসানুল হক মোল্লা বলেন, ‘বিষয়টি হেড অফিস সরাসরি মনিটরিং করছে। পরে জেনেছি, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
ইরেসপো হেড অফিসের উপপ্রকল্প পরিচালক এ এস এম সোলেমান বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছিল। তবে অভিযুক্তের টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস ও উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপের কারণে বিলম্ব হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়ে টাকা উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:১১
পটুয়াখালীর বাউফলে একই সময়ে পরপর চারটি ককটেল বিস্ফোরণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ১০ টার দিকে বাউফল থানার অদূরে পাবলিক মাঠ, কুন্ডপট্টী, গোলাবাড়ী ও উপজেলা পরিষদের সামনের এলাকা এ বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
প্রায় একই সময়ে হঠাৎ বিকট শব্দে দোকানপাট ও রাস্তায় থাকা মানুষজন ছুটোছুটি শুরু করেন। পরে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন স্থানীয়রা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য মতে, প্রায় এক মিনিটের ব্যবধানে পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে ৫ থেকে ৬টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বিস্ফোরণের পরপরই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে বাউফল থানার পুলিশ।
এ ঘটনার পর রাত পৌনে ১০টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। তবে বিস্ফোরণের সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে একই সময়ে পরপর চারটি ককটেল বিস্ফোরণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ১০ টার দিকে বাউফল থানার অদূরে পাবলিক মাঠ, কুন্ডপট্টী, গোলাবাড়ী ও উপজেলা পরিষদের সামনের এলাকা এ বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
প্রায় একই সময়ে হঠাৎ বিকট শব্দে দোকানপাট ও রাস্তায় থাকা মানুষজন ছুটোছুটি শুরু করেন। পরে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন স্থানীয়রা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য মতে, প্রায় এক মিনিটের ব্যবধানে পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে ৫ থেকে ৬টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বিস্ফোরণের পরপরই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে বাউফল থানার পুলিশ।
এ ঘটনার পর রাত পৌনে ১০টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। তবে বিস্ফোরণের সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১৫
পটুয়াখালীতে ঢাকাগামী ইমরান ট্রাভেলসের বাসের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। নিহত সবাই অটোরিকশার যাত্রী বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বসাক বাজারসংলগ্ন ধলু গাজীর মোড় এলাকায় ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—গলাচিপার আমখোলা এলাকার রাজ্জাক পেদার ছেলে কাউয়ুম উদ্দিন (৫০), অনিল মিস্ত্রির মেয়ে শিল্পী রানী (৪০), বাউফলের বিলবিলাস এলাকার দিয়েন মিস্ত্রির মেয়ে তিথি রানী (২৩) এবং গলাচিপার হরিদেবপুর এলাকার সোবাহানের ছেলে মিরাজ (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরগুনার তালতলী থেকে ৩৫ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল ইমরান ট্রাভেলসের বাসটি। রাত পৌনে ১২টার দিকে ধলু গাজীর মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশার সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটিকে চাপা দিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার শব্দে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।
আহতদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাসের যাত্রীদের মধ্যে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
বাসযাত্রী মহিবুল্লাহ বলেন, ‘বাসটি শুরু থেকেই অনেক গতিতে চলছিল। হঠাৎ কী হলো কিছুই বুঝতে পারিনি। আল্লাহ আমাদের বাঁচিয়েছেন।’
আরেক যাত্রী শিমুল আকন বলেন, ‘পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকায় বেড়াতে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। তবে পরিবারের কারও কোনো ক্ষতি হয়নি।’
স্থানীয় বাসিন্দা এনামুল বলেন, ‘হঠাৎ ঝপ করে কিছু একটা পড়ে যাওয়ার শব্দ শুনে আমরা দৌড়ে আসি। এসে দেখি বাসটি খাদে পড়ে আছে। বাসের নিচে একটি অটোরিকশাও চাপা পড়ে ছিল।’
পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. রেজোয়ান বলেন, দুটি ইউনিট উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে হাসপাতালে আরও একজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
পটুয়াখালীতে ঢাকাগামী ইমরান ট্রাভেলসের বাসের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। নিহত সবাই অটোরিকশার যাত্রী বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বসাক বাজারসংলগ্ন ধলু গাজীর মোড় এলাকায় ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—গলাচিপার আমখোলা এলাকার রাজ্জাক পেদার ছেলে কাউয়ুম উদ্দিন (৫০), অনিল মিস্ত্রির মেয়ে শিল্পী রানী (৪০), বাউফলের বিলবিলাস এলাকার দিয়েন মিস্ত্রির মেয়ে তিথি রানী (২৩) এবং গলাচিপার হরিদেবপুর এলাকার সোবাহানের ছেলে মিরাজ (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরগুনার তালতলী থেকে ৩৫ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল ইমরান ট্রাভেলসের বাসটি। রাত পৌনে ১২টার দিকে ধলু গাজীর মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশার সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটিকে চাপা দিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার শব্দে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।
আহতদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাসের যাত্রীদের মধ্যে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
বাসযাত্রী মহিবুল্লাহ বলেন, ‘বাসটি শুরু থেকেই অনেক গতিতে চলছিল। হঠাৎ কী হলো কিছুই বুঝতে পারিনি। আল্লাহ আমাদের বাঁচিয়েছেন।’
আরেক যাত্রী শিমুল আকন বলেন, ‘পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকায় বেড়াতে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। তবে পরিবারের কারও কোনো ক্ষতি হয়নি।’
স্থানীয় বাসিন্দা এনামুল বলেন, ‘হঠাৎ ঝপ করে কিছু একটা পড়ে যাওয়ার শব্দ শুনে আমরা দৌড়ে আসি। এসে দেখি বাসটি খাদে পড়ে আছে। বাসের নিচে একটি অটোরিকশাও চাপা পড়ে ছিল।’
পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. রেজোয়ান বলেন, দুটি ইউনিট উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে হাসপাতালে আরও একজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

০৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:২১
দৈনিক নয়া শতাব্দি ও দ্যা ডেইলী পোস্ট সংবাদপত্রের পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি এবং মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের বর্তমান কমিটির প্রচার সম্পাদক মোঃ সিয়াম রহমান হিমেল (২৫) এর উপর
সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী। এ ব্যাপারে সিয়াম রহমান হিমেল বাদী হয়ে থানায় মোট ০৭ জনকে এজাহারনামীয় এবং ৭-৮ জনকে অজ্ঞাত বিবাদী করে এজাহার দায়ের করলে, মির্জাগঞ্জ থানার পেনাল কোডে রুজু করা হয়।
আসামিরা হলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য বদোরুদ্দৌজা জনি মুন্সি, মির্জাগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌস হাসান সৌরভ মুন্সি ও তাঁর ভাই জাহিদ হাসান পরাগ মুন্সি।
বাদী সিয়াম রহমান হিমেল মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের (১৯৮৭) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম আনিসুর রহমান এর পুত্র। অন্যদিকে আসামিরা মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদের ভাতিজা।
এর আগেও গত মার্চ মাসে বিভিন্ন হাট, বাজারের ইজারার,বিভিন্ন দোকানপাট থেকে চাঁদা তােলা,দলীয় নেতাদের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণ এবং নীতি, আদর্শ পরিপন্থী অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযােগে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে সৌরভ মুন্সিকে সতর্ক করা হয়েছিল।
সেনাবাহিনী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যা অনুমানিক ০৬.৩০ টার সময় বাদী মোঃ সিয়াম রহমান হিমেল (২৫)’কে পূর্ব বিরোধের জের ধরে কতিপয় ব্যক্তি মারধর করে। হিমেলকে রক্ষা করতে কয়েকজন এগিয়ে গেলে বিবাদীরা তাদেরকেও মারধর করে মোট ০৫ জনকে গুরুতর ও সাধারণ বিভিন্ন মাত্রার জখম করে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
কিছু সন্ত্রাসী হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের পুনরায় হামলা করার জন্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একত্রিত হয়। গোপন সূত্রে ভিত্তিতে ক্যাম্প কমান্ডারের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টিম এবং মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করার জন্য মির্জাগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়। উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় জাহিদ হাসান পরাগ মুন্সি নামক একজন সন্ত্রাসীকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করা হয় এবং বাকি সন্ত্রাসী সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
সেনাবাহিনী,পুলিশ এবং এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, বর্ণিত ঘটনার সাথে জড়িত এজাহারনামীয় ২নং আসামি সৌরভ মুন্সি (৩৫) এবং ০৩ নং আসামি মোঃ জনি মুন্সি (৩৬) কে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ টিম রাতেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম জুয়েল ৩ জনকে গ্রেফতারের বিষয়ে নিশ্চিত করে জানান,জড়িত অপর আসামীদেরকেও গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত আছে।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:৪৯
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১১