বরিশালের মুলাদী উপজেলায় মাদক ও জুয়ার আসর এবং অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা দেওয়াকে কেন্দ্র করে শুক্কুর আলী ব্যাপারী (৪০) নামে এক বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় হামলার শিকার হওয়ার পর গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত শুক্কুর আলী ব্যাপারী মুলাদী উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়নের চরধলেশ্বর গ্রামের আব্দুস ছত্তার ব্যাপারীর ছেলে। তিনি গাছুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ছিলেন। তিনি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক শরীয়ত উল্লাহর ভাতিজা বলেও জানা গেছে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলার ডুমুরীতলা লঞ্চঘাট এলাকায় মাদক সেবন, জুয়া খেলা এবং নয়াভাঙনী নদ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা দেন শুক্কুর আলী। এসব কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।
পরিবারের অভিযোগ, ওই ঘোষণার জের ধরেই তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়।
নিহতের পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে ডুমুরীতলা ফরাজী বাড়ি লঞ্চঘাট এলাকার সালাউদ্দীনের দোকানে চা পান করছিলেন শুক্কুর আলী। এ সময় কয়েকজন তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
নিহতের বাবা আব্দুস ছত্তার ব্যাপারীর অভিযোগ, ডুমুরীতলা গ্রামের রহমত ফরাজী, বারেক ফরাজী, মুজাম্মেল ফরাজী, মন্টু ফরাজী, রফিক ফরাজী ও তাসলিমা নাসরিনসহ কয়েকজন এ ঘটনায় জড়িত। তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হামলার পর স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত শুক্কুর আলীকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোররাত প্রায় ৪টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত বারেক ফরাজী হামলা ও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, দোকানের সামনে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে শুক্কুর আলীর সঙ্গে তাঁদের হাতাহাতি হয়েছিল। তবে তাঁকে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা জানান, মারধরের অভিযোগের পর হাসপাতালে নেওয়ার পথে এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পুলিশ পেয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৩৪
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নে বিসিআইসি সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, একই ব্যক্তির নামে একাধিক সরকারি ডিলারশিপ পরিচালনা এবং প্রতিদ্বন্দ্বী আবেদনকারীকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিয়োগ প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষ তদন্ত, বিতর্কিত নিয়োগের পুনর্মূল্যায়ন এবং বিধি মোতাবেক প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীকে ডিলার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মেসার্স ইয়ামিন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শাহিনুর বেগম।
এ বিষয়ে তিনি বরিশালের জেলা প্রশাসক ও জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতির বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে কলসকাঠী ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া পুনরায় অনুসন্ধান, প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অধিকতর যাচাই-বাছাই এবং অনিয়মের সত্যতা উদ্ঘাটন সাপেক্ষে বিধিসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শাহিনুর বেগম বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নের বেবাজ এলাকার বাসিন্দা। সার ডিলার নিয়োগের নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ করে তিনি ৭৫ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি পাকা গুদামঘরের বৈধ ভাড়াচুক্তিপত্রসহ আবেদন দাখিল করেন। অভিযোগে উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী, গুদামঘরটির এসএ খতিয়ান নম্বর ৫২৫, এসএ দাগ নম্বর ৬২৪ এবং এর দৈর্ঘ্য ৩৪ ফুট ও প্রস্থ ১৪ ফুট।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও প্রশাসকের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি সরেজমিনে গুদামঘর পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে। এ সময় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান নয়ন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী নিমাই কীর্তনীয়ার গুদামঘর হিসেবে বসতঘর দেখানোর বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন শাহিনুর বেগম। তাঁর দাবি, ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে গুদামঘরের প্রকৃত অবস্থা ও প্রয়োজনীয় দলিলাদি যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা জরুরি হলেও এ বিষয়ে যথেষ্ট স্বচ্ছতা পরিলক্ষিত হয়নি।
শাহিনুর বেগমের অভিযোগ, কলসকাঠী ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের জন্য মাত্র একটি আবেদন জমা পড়েছে বলে উল্লেখ করা হলেও তাঁর দাখিলকৃত আবেদনের বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। পাশাপাশি নিমাই কীর্তনীয়ার নামে সার ডিলারশিপের পাশাপাশি ওএমএস ডিলারশিপ বহাল থাকার বিষয়টি নিয়েও তিনি প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। একই ব্যক্তির নামে একাধিক সরকারি ডিলারশিপ পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিধিবিধানের কোনো ব্যত্যয় ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অভিযোগকারী আরও জানান, কথিত অনিয়মের বিষয়গুলো উল্লেখ করে গত ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি বরিশালের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। তবে অভিযোগ দাখিলের পরও দৃশ্যমান কোনো প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে দাবি করেন শাহিনুর বেগম। তাঁর মতে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে অভিযোগের বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলটন চন্দ্র পাল জানান, তদন্ত ও যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতেই সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে এ নিয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শাহিনুর বেগম সার ডিলার নিয়োগসংক্রান্ত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ অনুসন্ধান, সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের পুনঃযাচাই এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে অভিযোগের যথাযথ নিষ্পত্তি করে প্রচলিত বিধিবিধান অনুসারে যোগ্য আবেদনকারীকে ডিলার নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নে বিসিআইসি সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, একই ব্যক্তির নামে একাধিক সরকারি ডিলারশিপ পরিচালনা এবং প্রতিদ্বন্দ্বী আবেদনকারীকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিয়োগ প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষ তদন্ত, বিতর্কিত নিয়োগের পুনর্মূল্যায়ন এবং বিধি মোতাবেক প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীকে ডিলার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মেসার্স ইয়ামিন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শাহিনুর বেগম।
এ বিষয়ে তিনি বরিশালের জেলা প্রশাসক ও জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতির বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে কলসকাঠী ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া পুনরায় অনুসন্ধান, প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অধিকতর যাচাই-বাছাই এবং অনিয়মের সত্যতা উদ্ঘাটন সাপেক্ষে বিধিসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শাহিনুর বেগম বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নের বেবাজ এলাকার বাসিন্দা। সার ডিলার নিয়োগের নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ করে তিনি ৭৫ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি পাকা গুদামঘরের বৈধ ভাড়াচুক্তিপত্রসহ আবেদন দাখিল করেন। অভিযোগে উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী, গুদামঘরটির এসএ খতিয়ান নম্বর ৫২৫, এসএ দাগ নম্বর ৬২৪ এবং এর দৈর্ঘ্য ৩৪ ফুট ও প্রস্থ ১৪ ফুট।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও প্রশাসকের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি সরেজমিনে গুদামঘর পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে। এ সময় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান নয়ন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী নিমাই কীর্তনীয়ার গুদামঘর হিসেবে বসতঘর দেখানোর বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন শাহিনুর বেগম। তাঁর দাবি, ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে গুদামঘরের প্রকৃত অবস্থা ও প্রয়োজনীয় দলিলাদি যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা জরুরি হলেও এ বিষয়ে যথেষ্ট স্বচ্ছতা পরিলক্ষিত হয়নি।
শাহিনুর বেগমের অভিযোগ, কলসকাঠী ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের জন্য মাত্র একটি আবেদন জমা পড়েছে বলে উল্লেখ করা হলেও তাঁর দাখিলকৃত আবেদনের বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। পাশাপাশি নিমাই কীর্তনীয়ার নামে সার ডিলারশিপের পাশাপাশি ওএমএস ডিলারশিপ বহাল থাকার বিষয়টি নিয়েও তিনি প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। একই ব্যক্তির নামে একাধিক সরকারি ডিলারশিপ পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিধিবিধানের কোনো ব্যত্যয় ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অভিযোগকারী আরও জানান, কথিত অনিয়মের বিষয়গুলো উল্লেখ করে গত ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি বরিশালের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। তবে অভিযোগ দাখিলের পরও দৃশ্যমান কোনো প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে দাবি করেন শাহিনুর বেগম। তাঁর মতে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে অভিযোগের বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলটন চন্দ্র পাল জানান, তদন্ত ও যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতেই সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে এ নিয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শাহিনুর বেগম সার ডিলার নিয়োগসংক্রান্ত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ অনুসন্ধান, সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের পুনঃযাচাই এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে অভিযোগের যথাযথ নিষ্পত্তি করে প্রচলিত বিধিবিধান অনুসারে যোগ্য আবেদনকারীকে ডিলার নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:০০
দীর্ঘ সময় বসে থেকেও মেলেনি বিএনপি নেতার সাক্ষাৎ, ক্ষোভে ফুঁসছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা।
বরিশাল সদর আসনের এমপি বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের বাসায় গেলে ইজ্জত নিয়ে ফেরা কঠিন হয়ে পড়েছে। কখনও খোদ সাংসদ তৃণমূল নেতাকর্মী ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রেখে সাক্ষাৎ না দিয়ে বিদায় করছেন। আবার কখনও তার পালিত কজন রাজনৈতিক সহকর্মীর দ্বারা অপমান-অপদস্থ হতে হচ্ছে। এই জনপ্রতিনিধির বাসায় গিয়ে বহু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীও বেইজ্জতি হওয়ার উদাহরণ আছে। সার কথা হচ্ছে, বরিশাল-৫ আসনের এমপি বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা সরোয়ারের সাক্ষাৎ লাভের আশায় শহরের সাধুর বটতলায় তার বাসায় গেলে বেশির ভাগ মানুষকে বেইজ্জতি হতে হয়। এই বিষয়টি নিয়ে বরিশালের নেতৃত্বস্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে এতদিন কানাঘুষা বা আলোচনা-সমালোচনা শোনা গেলেও বুধবার সদর উপজেলার ৪০০/৫০০ কর্মী ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে সাক্ষাতে ব্যর্থ হলে তৃণমূলে ক্ষোভ ও অসন্তোস ছড়িয়ে পড়ে।
রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছেন, একজন রাজনৈতিক এমপি হলে তিনি সংসদীয় আসনের সকল জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন। এবং তার সাথে জনসাধারণে অবাধ যোগাযোগের সুযোগ থাকার কথা। কিন্তু জাতীয় সংসদের ১২৩ নং আসন অর্থাৎ বরিশাল সদরের চিত্র একদম ভিন্ন, যা মজিবর রহমান সরোয়ারের মতো অভিজ্ঞ সংসদ সদস্যের কাছ থেকে জনগণ আশা করেনি।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপি কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের মধ্যেকার বিরোধ এবং কাদা ছোড়াছুড়ি চলছে। এমপি সরোয়ার অনুসারী সাবেক জামায়াত নেতা নুরুল আমিনকে আহ্বায়ক এবং সাইফুল ইসলাম আব্বাসকে সদস্যসচিব করে চলতি বছরের জুলাই মাসে ১৬১ সদস্যের কমিটি অনুমোদন করা হলে পদবঞ্চিত একটি বড় অংশ এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। একই সঙ্গে তারা বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে সরোয়ার নিয়ন্ত্রিত এই কমিটি বাতিল চেয়ে বিএনপির হাইকমাণ্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কিন্তু প্রতাপশালী সরোয়ারের হস্তক্ষেপের কারণে এই অংশটি কমিটি ভাঙতে বা পদবঞ্চিতদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হন। এনিয়ে তাদের মধ্যেকার প্রচন্ড রূপে ক্ষোভ এবং অভিমান আছে।
বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যার আগে অর্থাৎ ৫টার দিকে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সালাম রাঢ়ী, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জিয়াউল ইসলাম সাবু, রায়পাশা কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজাদী হাসানাত ফিরোজ, চন্দ্রমোহন ইউনিয়নের কাজী ফিরোজ, সদর উপজেলা বিএনপির আমিনুল ইসলাম পাখি, কবির মাঝি এবং রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ৪০০/৫০০ লোক এমপি সরোয়ারের সাধুর বটতলার বাসবভনে যান। তখন এমপি বাসার ভেতরে থাকায় তৃণমূলের এই অংশটি বাসার সামনে অপেক্ষা করছিলেন এবং তাদের আসার বিষয়টি সরোয়ারকে বিভিন্ন মাধ্যমে একাধিকবার অবহিত করেন। রাত গভীর হয়, কিন্তু এমপির আর দেখা মেলেনি।
এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সম্পাদক আজাদী হাসানাত ফিরোজ। তৃণমূল বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করেন, ত্রয়োদশ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করে বরিশাল-৫ আসনে মজিবর রহমান সরোয়ারকে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত করেছেন। কিন্তু তিনি ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই নিজের পছন্দসই বিতর্কিত ব্যক্তি-বিশেষকে স্থানীয় কমিটিগুলোর শীর্ষ পদে আনতে কাজ করছেন। বিশেষ করে সদর উপজেলা কমিটিতে সাবেক জামায়াত নেতা নুরুল আমিনসহ স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের লোকজনদের পদ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জল কম ঘোলা হয়নি।
সংক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কমিটিসহ স্থানীয় রাজনীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে বুধবার সালাম রাঢ়ী এবং সাবুর নেতৃত্বে ৫ শতাধিক নেতাকর্মী এমপি সরোয়ারের বাসায় গেলেও তাদের কোনো মূল্যায়ন করা হয়নি। বরং ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রেখে শেষে রাত সোয়া ১০টার দিকে সাক্ষাৎ না দিয়ে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। জনপ্রতিনিধির এই রাজনীতিবিমুখ আচরণে কর্মী-সমর্থকেরা তিক্ত-বিরক্ত, এমনকি হতাশও হয়েছেন বটে।
অনুরূপ মন্তব্য করেছেন প্রবীণ রাজনৈতিক সাবেক চেয়ারম্যান সালাম রাঢ়ী এবং জিয়াউল ইসলাম সাবু। নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, একজন এমপির কাছ থেকে সাধারণ মানুষ বা কর্মীরা এমনটা আশা করেন না। মজিবর রহমান সরোয়ার যে কাজটি করেছেন বা করছেন তা নিয়ে তৃণমূলে ক্ষোভ এবং অসন্তোস তৈরি হচ্ছে। তার বাসায় সরকারি কর্মকর্তা বা সাধারণ মানুষ গিয়ে ইজ্জত নিয়ে ফেরা দায় হয়ে পড়েছে।
এর আগে মাস দুয়েক আগে বরিশাল জেলাপর্যায়ের একজন সরকারি কর্মকর্তা এমপির সাথে বাসায় কথা বলতে গিয়ে ব্যাপক হেনস্থা হন। এমপি সরোয়ারের উপস্থিতিতে সেই কর্মকর্তাকে গালিগালাজ করাসহ বেইজ্জতি করেন রিয়াজ ওরফে ডিম রিয়াজ নামের জনৈক ব্যক্তি। তখন সেখানে বরিশাল মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদ হাসান মামুন এবং শ্রমিক দলনেতা আক্তারুজ্জামান সাব্বিরসহ বেশ কজন উপস্থিত থাকলেও কোনো প্রতিবাদ করা হয়নি। সেই ঘটনার সাক্ষী বরিশালের একজন সাংবাদিক। এমপির বাসার মন্দরমহলের এই নোংরা কীর্তিকলাপ শেষ পর্যন্ত আর চাপা থাকেনি। বরিশাল বিএনপির শীর্ষস্থানীয় সকল রাজনৈতিকেরা অবগত হন এবং দলের পক্ষ থেকে সাংবাদিকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
পর্যবেক্ষক মহল বলছেন, জনপ্রতিনিধিদের বাসায় গেলে বেইজ্জতি হওয়া নতুন কিছু নয়। আওয়ামী লীগের শাসনামলের গত ১৭ বছরেও একই ধরনের বহু উদাহরণ আছে। কিন্তু নিজের দলের ৪০০/৫০০ নেতাকর্মীকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রেখে সাক্ষাৎ না করা একধরনের রাজনীতিবিমুখ হয়ে পড়ার ইঙ্গিত বহন করছে। বরিশাল সদর আসনের মতো স্থানে কর্মী ধরে না রাখতে পারলে আগামীতে সরোয়ারকে এর মাশুল গুনতে হতে পারে।
সাক্ষাতে ব্যর্থ তৃণমূল ক্ষোভে ফুঁসছেন— এই প্রাসঙ্গিক বিষয়ে জানতে সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান সরোয়ারকে একাধিকবার ফোন করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। তবে ঘনিষ্ট বেশ কজন নামপ্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, বুধবার যারা এমপির বাসায় দেখা করতে গিয়েছিলেন, তাদের কেউ কেউ সদর উপজেলা বিএনপির কমিটিতে থাকলেও সিটি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। এবং তারা কিছুদিন পূর্বে নুরুল আমিন-আব্বাসের কমিটি বাতিল চেয়ে কর্মসূচি পালন করেছিলেন, সম্ভবত এই কারণে ক্ষোভে এমপি সরোয়ার তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেননি।
বরিশাল সদর আসনের এমপির বাসার মন্দরমহলে কতিপয় লোকের যে আধিপত্য চলে তা নিয়ে খোদ কর্মী-সমর্থকদের বেকায়দায় আছেন। একাধিক কর্মী অভিযোগ করে বলছেন, সাব্বির-ডিম রিয়াজদের দাপটের কারণে এমপি সরোয়ারের বাসায় যাওয়া এবং তার সাথে কোনো সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। গুটিকয়েক লোক জনপ্রতিনিধিকে ঘিরে রাখে, ফলে সেখানে গিয়ে কেউ ইজ্জত নিয়ে ফিরতে পারছে না।
বরিশাল সদরের এমপির বাসায় গেলে যে ইজ্জত যায়— তা শীর্ষস্থানীয় বিএনপি নেতারাও স্বীকার করেন এবং এই বিষয়টি ইতিমধ্যে ঢাকায় হাইকমান্ডকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান।’
দীর্ঘ সময় বসে থেকেও মেলেনি বিএনপি নেতার সাক্ষাৎ, ক্ষোভে ফুঁসছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা।
বরিশাল সদর আসনের এমপি বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের বাসায় গেলে ইজ্জত নিয়ে ফেরা কঠিন হয়ে পড়েছে। কখনও খোদ সাংসদ তৃণমূল নেতাকর্মী ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রেখে সাক্ষাৎ না দিয়ে বিদায় করছেন। আবার কখনও তার পালিত কজন রাজনৈতিক সহকর্মীর দ্বারা অপমান-অপদস্থ হতে হচ্ছে। এই জনপ্রতিনিধির বাসায় গিয়ে বহু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীও বেইজ্জতি হওয়ার উদাহরণ আছে। সার কথা হচ্ছে, বরিশাল-৫ আসনের এমপি বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা সরোয়ারের সাক্ষাৎ লাভের আশায় শহরের সাধুর বটতলায় তার বাসায় গেলে বেশির ভাগ মানুষকে বেইজ্জতি হতে হয়। এই বিষয়টি নিয়ে বরিশালের নেতৃত্বস্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে এতদিন কানাঘুষা বা আলোচনা-সমালোচনা শোনা গেলেও বুধবার সদর উপজেলার ৪০০/৫০০ কর্মী ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে সাক্ষাতে ব্যর্থ হলে তৃণমূলে ক্ষোভ ও অসন্তোস ছড়িয়ে পড়ে।
রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছেন, একজন রাজনৈতিক এমপি হলে তিনি সংসদীয় আসনের সকল জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন। এবং তার সাথে জনসাধারণে অবাধ যোগাযোগের সুযোগ থাকার কথা। কিন্তু জাতীয় সংসদের ১২৩ নং আসন অর্থাৎ বরিশাল সদরের চিত্র একদম ভিন্ন, যা মজিবর রহমান সরোয়ারের মতো অভিজ্ঞ সংসদ সদস্যের কাছ থেকে জনগণ আশা করেনি।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপি কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের মধ্যেকার বিরোধ এবং কাদা ছোড়াছুড়ি চলছে। এমপি সরোয়ার অনুসারী সাবেক জামায়াত নেতা নুরুল আমিনকে আহ্বায়ক এবং সাইফুল ইসলাম আব্বাসকে সদস্যসচিব করে চলতি বছরের জুলাই মাসে ১৬১ সদস্যের কমিটি অনুমোদন করা হলে পদবঞ্চিত একটি বড় অংশ এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। একই সঙ্গে তারা বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে সরোয়ার নিয়ন্ত্রিত এই কমিটি বাতিল চেয়ে বিএনপির হাইকমাণ্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কিন্তু প্রতাপশালী সরোয়ারের হস্তক্ষেপের কারণে এই অংশটি কমিটি ভাঙতে বা পদবঞ্চিতদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হন। এনিয়ে তাদের মধ্যেকার প্রচন্ড রূপে ক্ষোভ এবং অভিমান আছে।
বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যার আগে অর্থাৎ ৫টার দিকে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সালাম রাঢ়ী, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জিয়াউল ইসলাম সাবু, রায়পাশা কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজাদী হাসানাত ফিরোজ, চন্দ্রমোহন ইউনিয়নের কাজী ফিরোজ, সদর উপজেলা বিএনপির আমিনুল ইসলাম পাখি, কবির মাঝি এবং রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ৪০০/৫০০ লোক এমপি সরোয়ারের সাধুর বটতলার বাসবভনে যান। তখন এমপি বাসার ভেতরে থাকায় তৃণমূলের এই অংশটি বাসার সামনে অপেক্ষা করছিলেন এবং তাদের আসার বিষয়টি সরোয়ারকে বিভিন্ন মাধ্যমে একাধিকবার অবহিত করেন। রাত গভীর হয়, কিন্তু এমপির আর দেখা মেলেনি।
এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সম্পাদক আজাদী হাসানাত ফিরোজ। তৃণমূল বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করেন, ত্রয়োদশ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করে বরিশাল-৫ আসনে মজিবর রহমান সরোয়ারকে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত করেছেন। কিন্তু তিনি ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই নিজের পছন্দসই বিতর্কিত ব্যক্তি-বিশেষকে স্থানীয় কমিটিগুলোর শীর্ষ পদে আনতে কাজ করছেন। বিশেষ করে সদর উপজেলা কমিটিতে সাবেক জামায়াত নেতা নুরুল আমিনসহ স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের লোকজনদের পদ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জল কম ঘোলা হয়নি।
সংক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কমিটিসহ স্থানীয় রাজনীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে বুধবার সালাম রাঢ়ী এবং সাবুর নেতৃত্বে ৫ শতাধিক নেতাকর্মী এমপি সরোয়ারের বাসায় গেলেও তাদের কোনো মূল্যায়ন করা হয়নি। বরং ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রেখে শেষে রাত সোয়া ১০টার দিকে সাক্ষাৎ না দিয়ে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। জনপ্রতিনিধির এই রাজনীতিবিমুখ আচরণে কর্মী-সমর্থকেরা তিক্ত-বিরক্ত, এমনকি হতাশও হয়েছেন বটে।
অনুরূপ মন্তব্য করেছেন প্রবীণ রাজনৈতিক সাবেক চেয়ারম্যান সালাম রাঢ়ী এবং জিয়াউল ইসলাম সাবু। নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, একজন এমপির কাছ থেকে সাধারণ মানুষ বা কর্মীরা এমনটা আশা করেন না। মজিবর রহমান সরোয়ার যে কাজটি করেছেন বা করছেন তা নিয়ে তৃণমূলে ক্ষোভ এবং অসন্তোস তৈরি হচ্ছে। তার বাসায় সরকারি কর্মকর্তা বা সাধারণ মানুষ গিয়ে ইজ্জত নিয়ে ফেরা দায় হয়ে পড়েছে।
এর আগে মাস দুয়েক আগে বরিশাল জেলাপর্যায়ের একজন সরকারি কর্মকর্তা এমপির সাথে বাসায় কথা বলতে গিয়ে ব্যাপক হেনস্থা হন। এমপি সরোয়ারের উপস্থিতিতে সেই কর্মকর্তাকে গালিগালাজ করাসহ বেইজ্জতি করেন রিয়াজ ওরফে ডিম রিয়াজ নামের জনৈক ব্যক্তি। তখন সেখানে বরিশাল মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদ হাসান মামুন এবং শ্রমিক দলনেতা আক্তারুজ্জামান সাব্বিরসহ বেশ কজন উপস্থিত থাকলেও কোনো প্রতিবাদ করা হয়নি। সেই ঘটনার সাক্ষী বরিশালের একজন সাংবাদিক। এমপির বাসার মন্দরমহলের এই নোংরা কীর্তিকলাপ শেষ পর্যন্ত আর চাপা থাকেনি। বরিশাল বিএনপির শীর্ষস্থানীয় সকল রাজনৈতিকেরা অবগত হন এবং দলের পক্ষ থেকে সাংবাদিকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
পর্যবেক্ষক মহল বলছেন, জনপ্রতিনিধিদের বাসায় গেলে বেইজ্জতি হওয়া নতুন কিছু নয়। আওয়ামী লীগের শাসনামলের গত ১৭ বছরেও একই ধরনের বহু উদাহরণ আছে। কিন্তু নিজের দলের ৪০০/৫০০ নেতাকর্মীকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রেখে সাক্ষাৎ না করা একধরনের রাজনীতিবিমুখ হয়ে পড়ার ইঙ্গিত বহন করছে। বরিশাল সদর আসনের মতো স্থানে কর্মী ধরে না রাখতে পারলে আগামীতে সরোয়ারকে এর মাশুল গুনতে হতে পারে।
সাক্ষাতে ব্যর্থ তৃণমূল ক্ষোভে ফুঁসছেন— এই প্রাসঙ্গিক বিষয়ে জানতে সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান সরোয়ারকে একাধিকবার ফোন করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। তবে ঘনিষ্ট বেশ কজন নামপ্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, বুধবার যারা এমপির বাসায় দেখা করতে গিয়েছিলেন, তাদের কেউ কেউ সদর উপজেলা বিএনপির কমিটিতে থাকলেও সিটি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। এবং তারা কিছুদিন পূর্বে নুরুল আমিন-আব্বাসের কমিটি বাতিল চেয়ে কর্মসূচি পালন করেছিলেন, সম্ভবত এই কারণে ক্ষোভে এমপি সরোয়ার তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেননি।
বরিশাল সদর আসনের এমপির বাসার মন্দরমহলে কতিপয় লোকের যে আধিপত্য চলে তা নিয়ে খোদ কর্মী-সমর্থকদের বেকায়দায় আছেন। একাধিক কর্মী অভিযোগ করে বলছেন, সাব্বির-ডিম রিয়াজদের দাপটের কারণে এমপি সরোয়ারের বাসায় যাওয়া এবং তার সাথে কোনো সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। গুটিকয়েক লোক জনপ্রতিনিধিকে ঘিরে রাখে, ফলে সেখানে গিয়ে কেউ ইজ্জত নিয়ে ফিরতে পারছে না।
বরিশাল সদরের এমপির বাসায় গেলে যে ইজ্জত যায়— তা শীর্ষস্থানীয় বিএনপি নেতারাও স্বীকার করেন এবং এই বিষয়টি ইতিমধ্যে ঢাকায় হাইকমান্ডকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান।’

১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪০
বরিশাল সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে নবীনবরণ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত ১০টার দিকে কলেজের লাইব্রেরি সংলগ্ন এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। দুই পক্ষের মারামারি থামাতে গিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান খান আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে কলেজের লাইব্রেরির সামনে উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের কর্মীদের সঙ্গে বরিশাল বিএম কলেজের একদল ছাত্রদল কর্মীর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অধ্যক্ষ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি আহত হন। সংঘর্ষের কারণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ব্যাহত হয় এবং দ্রুত শেষ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার কলেজের সামনে সিনিয়র-জুনিয়র বিরোধকে কেন্দ্র করে হাতেম আলী কলেজের উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী সিজানের অনুসারীদের সঙ্গে বিএম কলেজের ছাত্রদল কর্মী জিদানের অনুসারীদের সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জের ধরে বুধবার রাতেও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
সূত্র জানায়, নবীনবরণ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে বহিরাগত ছাত্রদল কর্মীদের একটি অংশ কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। এ সময় সিজান ও জিদানের অনুসারীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে রাত ১০টার দিকে কলেজের লাইব্রেরির সামনে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
হাতেম আলী কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. মোস্তাক সরদার শাওন বলেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কনসার্টের শেষ দিকে কলেজের সামনের এলাকার ও লেকপাড়ের ছেলেদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কির সময় অধ্যক্ষের মাথায় আঘাত লাগে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি দ্রুত বাড়ি চলে যান।
শাওন আরও বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ ব্যানারে ছাত্রদল এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।
কলেজের নবীনবরণ উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক নজমুল হক বলেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শেষ দিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী লাইব্রেরির পাশের ফুলের বাগানে ঘুষাঘুষিতে জড়িয়ে পড়েন। খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে অধ্যক্ষের গালের ওপরের অংশ কেটে যায়। পরে তাঁকে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান খানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। হোয়াটসঅ্যাপেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়, তবে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বরিশাল সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে নবীনবরণ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত ১০টার দিকে কলেজের লাইব্রেরি সংলগ্ন এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। দুই পক্ষের মারামারি থামাতে গিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান খান আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে কলেজের লাইব্রেরির সামনে উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের কর্মীদের সঙ্গে বরিশাল বিএম কলেজের একদল ছাত্রদল কর্মীর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অধ্যক্ষ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি আহত হন। সংঘর্ষের কারণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ব্যাহত হয় এবং দ্রুত শেষ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার কলেজের সামনে সিনিয়র-জুনিয়র বিরোধকে কেন্দ্র করে হাতেম আলী কলেজের উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী সিজানের অনুসারীদের সঙ্গে বিএম কলেজের ছাত্রদল কর্মী জিদানের অনুসারীদের সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জের ধরে বুধবার রাতেও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
সূত্র জানায়, নবীনবরণ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে বহিরাগত ছাত্রদল কর্মীদের একটি অংশ কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। এ সময় সিজান ও জিদানের অনুসারীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে রাত ১০টার দিকে কলেজের লাইব্রেরির সামনে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
হাতেম আলী কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. মোস্তাক সরদার শাওন বলেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কনসার্টের শেষ দিকে কলেজের সামনের এলাকার ও লেকপাড়ের ছেলেদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কির সময় অধ্যক্ষের মাথায় আঘাত লাগে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি দ্রুত বাড়ি চলে যান।
শাওন আরও বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ ব্যানারে ছাত্রদল এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।
কলেজের নবীনবরণ উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক নজমুল হক বলেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শেষ দিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী লাইব্রেরির পাশের ফুলের বাগানে ঘুষাঘুষিতে জড়িয়ে পড়েন। খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে অধ্যক্ষের গালের ওপরের অংশ কেটে যায়। পরে তাঁকে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান খানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। হোয়াটসঅ্যাপেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়, তবে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৩১
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় মাদক ও জুয়ার আসর এবং অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা দেওয়াকে কেন্দ্র করে শুক্কুর আলী ব্যাপারী (৪০) নামে এক বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় হামলার শিকার হওয়ার পর গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত শুক্কুর আলী ব্যাপারী মুলাদী উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়নের চরধলেশ্বর গ্রামের আব্দুস ছত্তার ব্যাপারীর ছেলে। তিনি গাছুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ছিলেন। তিনি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক শরীয়ত উল্লাহর ভাতিজা বলেও জানা গেছে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলার ডুমুরীতলা লঞ্চঘাট এলাকায় মাদক সেবন, জুয়া খেলা এবং নয়াভাঙনী নদ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা দেন শুক্কুর আলী। এসব কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।
পরিবারের অভিযোগ, ওই ঘোষণার জের ধরেই তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়।
নিহতের পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে ডুমুরীতলা ফরাজী বাড়ি লঞ্চঘাট এলাকার সালাউদ্দীনের দোকানে চা পান করছিলেন শুক্কুর আলী। এ সময় কয়েকজন তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
নিহতের বাবা আব্দুস ছত্তার ব্যাপারীর অভিযোগ, ডুমুরীতলা গ্রামের রহমত ফরাজী, বারেক ফরাজী, মুজাম্মেল ফরাজী, মন্টু ফরাজী, রফিক ফরাজী ও তাসলিমা নাসরিনসহ কয়েকজন এ ঘটনায় জড়িত। তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হামলার পর স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত শুক্কুর আলীকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোররাত প্রায় ৪টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত বারেক ফরাজী হামলা ও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, দোকানের সামনে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে শুক্কুর আলীর সঙ্গে তাঁদের হাতাহাতি হয়েছিল। তবে তাঁকে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা জানান, মারধরের অভিযোগের পর হাসপাতালে নেওয়ার পথে এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পুলিশ পেয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৩৪
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৩১
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৪৫
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৩