
১৩ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় কলাপাতা কাটা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিল্লাল হোসেন (৫০) নামে এক সিনএজি চালককে ঘুসি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হত্যাকারি আবুল বাশার একই বাড়ির বাসিন্দা। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকালে উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ইছাপুরা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী কামাল ভেন্ডা, সাদ্দাম ও রমজান আলি লিটন জানান, বিল্লাল হোসেন ও আবুল বাশারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা সংক্রান্ত ঝগড়া চলে আসছিল।
শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর দোকানের কাছে উভয়ের মধ্যে কলাপাতা কাটা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায় আবুল বাশার বিল্লালকে ঘুসি মারে। ঘটনাস্থলেই বিল্লাল পড়ে গেলে মৃত্যু বরণ করেন।
পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নুরুল ইসলাম মেম্বার বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। তারা দুই প্রতিবেশি। তাদের মধ্যে জায়গা নিয়ে পূর্ব থেকেই বিবাদ ছিল। আজ কলাপাতা কাটা নিয়ে বাকবিতণ্ডার সময় আবুল বাশার বিল্লালকে ঘুসি মারে। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
মৃত বিল্লালের ছেলে কাউছার হোসেন বলেন, আমাদের সঙ্গে তাদের মধ্যে জায়গা নিয়ে ঝগড়া চলছে। জুম্মার নামাজের পর আব্বার সঙ্গে দোকানের কাছে কথা কাটাকাটির সময় আবুল বাশার আব্বাকে ঘুসি মারে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি মারা যান। আমি চাই, এ হত্যার বিচার হোক।
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় কলাপাতা কাটা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিল্লাল হোসেন (৫০) নামে এক সিনএজি চালককে ঘুসি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হত্যাকারি আবুল বাশার একই বাড়ির বাসিন্দা। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকালে উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ইছাপুরা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী কামাল ভেন্ডা, সাদ্দাম ও রমজান আলি লিটন জানান, বিল্লাল হোসেন ও আবুল বাশারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা সংক্রান্ত ঝগড়া চলে আসছিল।
শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর দোকানের কাছে উভয়ের মধ্যে কলাপাতা কাটা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায় আবুল বাশার বিল্লালকে ঘুসি মারে। ঘটনাস্থলেই বিল্লাল পড়ে গেলে মৃত্যু বরণ করেন।
পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নুরুল ইসলাম মেম্বার বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। তারা দুই প্রতিবেশি। তাদের মধ্যে জায়গা নিয়ে পূর্ব থেকেই বিবাদ ছিল। আজ কলাপাতা কাটা নিয়ে বাকবিতণ্ডার সময় আবুল বাশার বিল্লালকে ঘুসি মারে। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
মৃত বিল্লালের ছেলে কাউছার হোসেন বলেন, আমাদের সঙ্গে তাদের মধ্যে জায়গা নিয়ে ঝগড়া চলছে। জুম্মার নামাজের পর আব্বার সঙ্গে দোকানের কাছে কথা কাটাকাটির সময় আবুল বাশার আব্বাকে ঘুসি মারে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি মারা যান। আমি চাই, এ হত্যার বিচার হোক।
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫৫
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় উল্টোপথে আসা একটি ট্রাকের ধাক্কায় কাওসার হোসেন সম্রাট (৩৫) নামে এক আইনজীবীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ডাকপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত কাওসার হোসেন সম্রাট দৌলতপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক রুহুল আমিনের ছেলে। তাদের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর জেলায় হলেও ছোটবেলা থেকেই তিনি পরিবারসহ কর্ণফুলীর দৌলতপুর এলাকায় বসবাস করতেন। পরিবারে তার স্ত্রী ও তিন এবং দুই বছর বয়সী দুই কন্যাসন্তান রয়েছে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন জানান, চাতরী চৌমুহনী বাজার থেকে মোটরসাইকেলে দৌলতপুরে ফিরছিলেন সম্রাট। পথে ডাকপাড়া এলাকায় পৌঁছালে উল্টোপথে আসা একটি ট্রাক তার মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কর্ণফুলী থানার ওসি মো. শাহীনূর আলম বলেন, দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাক ও এর চালককে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় উল্টোপথে আসা একটি ট্রাকের ধাক্কায় কাওসার হোসেন সম্রাট (৩৫) নামে এক আইনজীবীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ডাকপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত কাওসার হোসেন সম্রাট দৌলতপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক রুহুল আমিনের ছেলে। তাদের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর জেলায় হলেও ছোটবেলা থেকেই তিনি পরিবারসহ কর্ণফুলীর দৌলতপুর এলাকায় বসবাস করতেন। পরিবারে তার স্ত্রী ও তিন এবং দুই বছর বয়সী দুই কন্যাসন্তান রয়েছে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন জানান, চাতরী চৌমুহনী বাজার থেকে মোটরসাইকেলে দৌলতপুরে ফিরছিলেন সম্রাট। পথে ডাকপাড়া এলাকায় পৌঁছালে উল্টোপথে আসা একটি ট্রাক তার মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কর্ণফুলী থানার ওসি মো. শাহীনূর আলম বলেন, দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাক ও এর চালককে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৬
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় সরকারি হাট-বাজার নিলামের টেন্ডার বক্সে জোরপূর্বক সিডিউল ঢোকানোর অভিযোগে মো. হারুন নামে এক শ্রমিকদল নেতাকে দুই দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. হারুন (৪২) নোয়াখালী পৌরসভা শ্রমিকদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং পৌরসভার উজ্জলপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শহীদ উল্যার ছেলে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হোমায়রা ইসলাম। এর আগে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার ৩৩টি হাট-বাজারের ইজারা নিলামের টেন্ডার জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ১২ মার্চ। সকাল ৯টা থেকে বিভিন্ন ঠিকাদার ও টেন্ডার প্রত্যাশীরা নির্ধারিত চারটি স্থানে স্থাপিত টেন্ডার বক্সে তাদের সিডিউল জমা দেন।
নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও সদর উপজেলা ভূমি কার্যালয় থেকে টেন্ডার বক্সগুলো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছিল।
দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে শ্রমিকদল নেতা হারুন জোরপূর্বক ২-৩টি সিডিউল টেন্ডার বক্সে ঢুকিয়ে দেন।
বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নজরে আসার পর তিনি পুলিশকে অভিযুক্তকে আটক করার নির্দেশ দেন। পরে পুলিশ তাকে কার্যালয়ের নিচতলা থেকে আটক করে।
এরপর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ নেওয়াজ তানভীর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে হারুনকে দুই দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা জরিমানা দেন।
নোয়াখালী জেলা শ্রমিকদলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন বলেন, এই বিষয়টি আমি গণমাধ্যম থেকে জেনেছি। দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহ নেওয়াজ তানভীর বলেন, নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও তিনি জোর করে টেন্ডার সিডিউল জমা দেন। বিষয়টি সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে তাকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় সরকারি হাট-বাজার নিলামের টেন্ডার বক্সে জোরপূর্বক সিডিউল ঢোকানোর অভিযোগে মো. হারুন নামে এক শ্রমিকদল নেতাকে দুই দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. হারুন (৪২) নোয়াখালী পৌরসভা শ্রমিকদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং পৌরসভার উজ্জলপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শহীদ উল্যার ছেলে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হোমায়রা ইসলাম। এর আগে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার ৩৩টি হাট-বাজারের ইজারা নিলামের টেন্ডার জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ১২ মার্চ। সকাল ৯টা থেকে বিভিন্ন ঠিকাদার ও টেন্ডার প্রত্যাশীরা নির্ধারিত চারটি স্থানে স্থাপিত টেন্ডার বক্সে তাদের সিডিউল জমা দেন।
নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও সদর উপজেলা ভূমি কার্যালয় থেকে টেন্ডার বক্সগুলো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছিল।
দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে শ্রমিকদল নেতা হারুন জোরপূর্বক ২-৩টি সিডিউল টেন্ডার বক্সে ঢুকিয়ে দেন।
বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নজরে আসার পর তিনি পুলিশকে অভিযুক্তকে আটক করার নির্দেশ দেন। পরে পুলিশ তাকে কার্যালয়ের নিচতলা থেকে আটক করে।
এরপর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ নেওয়াজ তানভীর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে হারুনকে দুই দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা জরিমানা দেন।
নোয়াখালী জেলা শ্রমিকদলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন বলেন, এই বিষয়টি আমি গণমাধ্যম থেকে জেনেছি। দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহ নেওয়াজ তানভীর বলেন, নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও তিনি জোর করে টেন্ডার সিডিউল জমা দেন। বিষয়টি সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে তাকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২২
যশোরের অভয়নগর উপজেলার শিল্প ও বন্দরনগরী নওয়াপাড়ায় আকিজ রিসোর্সের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে পিস্তল প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। বশির আলম নামের ওই কর্মকর্তা প্রতিষ্ঠানটির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম)।
সম্প্রতি অফিস কক্ষে তার অস্ত্র নাড়াচাড়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বশির আলম অফিস কক্ষে প্রবেশ করেই একটি পিস্তল বের করেন। এরপর উপস্থিত সহকর্মীদের সামনে সেটি উঁচিয়ে ধরেন।
একপর্যায়ে পিস্তলের ম্যাগাজিন লোড করে অস্ত্রটি প্রদর্শনের পর কোমরের পেছনে প্যান্টের ভেতরে লুকিয়ে রাখেন তিনি। সহকর্মীদের সামনে এমন অস্ত্র প্রদর্শনে সেখানে উপস্থিতদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আনসার আলী বলেন, ঘটনাটি দু-এক মাস আগের। ভিডিওতে যে অস্ত্রটি দেখা যাচ্ছে, সেটি একটি খেলনা পিস্তল বলে আমরা জানতে পেরেছি। যদি সত্যিকারের কোনো আগ্নেয়াস্ত্র হতো, তবে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করতাম।
জানা গেছে, মরহুম শিল্পপতি শেখ আকিজ উদ্দিনের ছেলে শেখ জসিম উদ্দিন আকিজ রিসোর্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিষ্ঠানটিতে দীর্ঘদিন ধরে ইনভেন্টরি ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন বশির আলম।
নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, এর আগেও বশির আলমকে অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতে দেখা গেছে। তবে তার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এক ধরনের উদাসীনতা রয়েছে বলে মনে করছেন অন্য কর্মকর্তারা।
বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা। অভয়নগর থানার ওসি এস এম নূরুজ্জামান জানান, ঘটনাটি কয়েক মাস আগের। প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত বশির আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।নওয়াপাড়ার স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, বশির আলম একাধিকবার এ ধরনের অস্ত্রের মহড়া দিয়েছেন। বিভিন্ন সময় লোড-আনলোড পয়েন্টেও তার ‘অস্ত্রের ঝনঝনানি’ দেখা গেছে।
দ্রুত এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে তাকে বিচারের আওতায় না আনা হলে মোকামের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যে আতঙ্ক বিরাজ করছে, তা স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
যশোরের অভয়নগর উপজেলার শিল্প ও বন্দরনগরী নওয়াপাড়ায় আকিজ রিসোর্সের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে পিস্তল প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। বশির আলম নামের ওই কর্মকর্তা প্রতিষ্ঠানটির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম)।
সম্প্রতি অফিস কক্ষে তার অস্ত্র নাড়াচাড়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বশির আলম অফিস কক্ষে প্রবেশ করেই একটি পিস্তল বের করেন। এরপর উপস্থিত সহকর্মীদের সামনে সেটি উঁচিয়ে ধরেন।
একপর্যায়ে পিস্তলের ম্যাগাজিন লোড করে অস্ত্রটি প্রদর্শনের পর কোমরের পেছনে প্যান্টের ভেতরে লুকিয়ে রাখেন তিনি। সহকর্মীদের সামনে এমন অস্ত্র প্রদর্শনে সেখানে উপস্থিতদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আনসার আলী বলেন, ঘটনাটি দু-এক মাস আগের। ভিডিওতে যে অস্ত্রটি দেখা যাচ্ছে, সেটি একটি খেলনা পিস্তল বলে আমরা জানতে পেরেছি। যদি সত্যিকারের কোনো আগ্নেয়াস্ত্র হতো, তবে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করতাম।
জানা গেছে, মরহুম শিল্পপতি শেখ আকিজ উদ্দিনের ছেলে শেখ জসিম উদ্দিন আকিজ রিসোর্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিষ্ঠানটিতে দীর্ঘদিন ধরে ইনভেন্টরি ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন বশির আলম।
নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, এর আগেও বশির আলমকে অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতে দেখা গেছে। তবে তার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এক ধরনের উদাসীনতা রয়েছে বলে মনে করছেন অন্য কর্মকর্তারা।
বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা। অভয়নগর থানার ওসি এস এম নূরুজ্জামান জানান, ঘটনাটি কয়েক মাস আগের। প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত বশির আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।নওয়াপাড়ার স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, বশির আলম একাধিকবার এ ধরনের অস্ত্রের মহড়া দিয়েছেন। বিভিন্ন সময় লোড-আনলোড পয়েন্টেও তার ‘অস্ত্রের ঝনঝনানি’ দেখা গেছে।
দ্রুত এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে তাকে বিচারের আওতায় না আনা হলে মোকামের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যে আতঙ্ক বিরাজ করছে, তা স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.