বরিশালের বাবুগঞ্জে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ঈদ পুনর্মিলনী এবং ইউনিয়ন কমিটি গঠন সংক্রান্ত এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে এবি পার্টির দলীয় কার্যালয়ে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বনামধন্য সাবেক শিক্ষক আজিজুর রহমান খানকে আহবায়ক এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা জামাল হোসেন আকনকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ঈদ পুনর্মিলনী ও কমিটি গঠন সংক্রান্ত ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া ওরফে ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী। এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক আজিজুর রহমান খানের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-আহবায়ক সোহরাব হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় এসময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল সোসাইটির চেয়ারম্যান আমানুল্লাহ খান নোমান, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি মোয়াজ্জেম বিশ্বাস, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম নাহিদ, বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির যুগ্ম-সদস্য সচিব মোঃ রায়হান উদ্দিন, ছাত্রপক্ষের বরিশাল জেলা ও মহানগর সদস্য জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, 'জনগণের টাকায় জনগণের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে অর্থবরাদ্দ করে সরকার। এটা কোনো দলের টাকা নয়। এই টাকা জনগণের টাকা। আপনার-আমার ট্যাক্সের টাকা। এই টাকার লুটপাট ঠেকাতে হলে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত কাজ জনগণকেই আদায় করে নিতে হবে।'
এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কারণে আমরা ভোটে জিততে পারি নাই কিন্তু তাই বলে আমরা এলাকা ছেড়ে চলে যাই নাই। আমরা এলাকায় মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার ওয়াদা করেছি এবং সেই ওয়াদা আমরা রক্ষা করবো ইনশাআল্লাহ। গত দেড় বছরে তদবির করে বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার জন্য শতশত উন্নয়ন প্রকল্প পাস করিয়েছি। ইতোমধ্যে কিছু কাজ শুরু হয়েছে এবং বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন আছে। সেসব কাজ যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কেউ যেন কাজ না করে জনগণের টাকা তুলে খেয়ে ফেলতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কাজ যে-ই করুক তাতে আপত্তি নাই, কিন্তু সেই কাজটা যেন সন্তোষজনক মানের হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।'
বুধবার রাতে এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি গঠনের আগে বিকেলে সেখানে এক ঈদ পুনর্মিলনী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার এবি পার্টির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সবার খোঁজখবর নেন। এবি পার্টির প্রত্যেক আদর্শিক কর্মীকে দায় ও দরদের জায়গা থেকে দেশ এবং মানুষের সমস্যা সমাধানের রাজনীতি করার জন্য আহবান জানান ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। #

১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৪৫

০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৪৫

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০৮

২৭ মার্চ, ২০২৬ ০১:৪৩
বরিশালের বাবুগঞ্জে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ঈদ পুনর্মিলনী এবং ইউনিয়ন কমিটি গঠন সংক্রান্ত এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে এবি পার্টির দলীয় কার্যালয়ে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বনামধন্য সাবেক শিক্ষক আজিজুর রহমান খানকে আহবায়ক এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা জামাল হোসেন আকনকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ঈদ পুনর্মিলনী ও কমিটি গঠন সংক্রান্ত ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া ওরফে ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী। এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক আজিজুর রহমান খানের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-আহবায়ক সোহরাব হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় এসময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল সোসাইটির চেয়ারম্যান আমানুল্লাহ খান নোমান, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি মোয়াজ্জেম বিশ্বাস, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম নাহিদ, বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির যুগ্ম-সদস্য সচিব মোঃ রায়হান উদ্দিন, ছাত্রপক্ষের বরিশাল জেলা ও মহানগর সদস্য জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, 'জনগণের টাকায় জনগণের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে অর্থবরাদ্দ করে সরকার। এটা কোনো দলের টাকা নয়। এই টাকা জনগণের টাকা। আপনার-আমার ট্যাক্সের টাকা। এই টাকার লুটপাট ঠেকাতে হলে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত কাজ জনগণকেই আদায় করে নিতে হবে।'
এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কারণে আমরা ভোটে জিততে পারি নাই কিন্তু তাই বলে আমরা এলাকা ছেড়ে চলে যাই নাই। আমরা এলাকায় মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার ওয়াদা করেছি এবং সেই ওয়াদা আমরা রক্ষা করবো ইনশাআল্লাহ। গত দেড় বছরে তদবির করে বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার জন্য শতশত উন্নয়ন প্রকল্প পাস করিয়েছি। ইতোমধ্যে কিছু কাজ শুরু হয়েছে এবং বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন আছে। সেসব কাজ যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কেউ যেন কাজ না করে জনগণের টাকা তুলে খেয়ে ফেলতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কাজ যে-ই করুক তাতে আপত্তি নাই, কিন্তু সেই কাজটা যেন সন্তোষজনক মানের হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।'
বুধবার রাতে এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি গঠনের আগে বিকেলে সেখানে এক ঈদ পুনর্মিলনী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার এবি পার্টির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সবার খোঁজখবর নেন। এবি পার্টির প্রত্যেক আদর্শিক কর্মীকে দায় ও দরদের জায়গা থেকে দেশ এবং মানুষের সমস্যা সমাধানের রাজনীতি করার জন্য আহবান জানান ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। #
বরিশাল জেলা ও মহানগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদকসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদার, নদীভাঙন প্রতিরোধ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণ, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠাসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ১০ দফা দাবিতে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি। বরিশাল জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকারের হাতে রোববার ওই স্মারকলিপি তুলে দেন এবি পার্টির জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ। এসময় এবি পার্টির ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের জেলা ও মহানগর কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ওই স্মারকলিপিতে বরিশালের জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, মাদক ও অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত কার্যক্রম জোরদার, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা, নদীভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের জানমাল ও বসতভিটা রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্যা সমাধানে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ এবং কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব প্রকৌশলী জি.এম রাব্বী, যুগ্ম-আহ্বায়ক সাকিব হোসেন, যুগ্ম সদস্য সচিব রাকিব সিকদার, শাকিল হাওলাদার, সদস্য জসিম উদ্দিন, বাহারুল গাজী, নারী নেত্রী নাজমুন নাহার বেবী ছাড়াও বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের বরিশাল জেলা ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ।
এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জি.এম রাব্বী বলেন, 'জনগণের নিরাপত্তা, নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনদুর্ভোগ নিরসনে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ, জবাবদিহিতা ও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। বরিশাল জেলা ও মহানগরের সার্বিক উন্নয়ন এবং জনস্বার্থ রক্ষায় এবি পার্টি সর্বদা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।'
বরিশাল জেলা ও মহানগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদকসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদার, নদীভাঙন প্রতিরোধ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণ, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠাসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ১০ দফা দাবিতে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি। বরিশাল জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকারের হাতে রোববার ওই স্মারকলিপি তুলে দেন এবি পার্টির জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ। এসময় এবি পার্টির ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের জেলা ও মহানগর কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ওই স্মারকলিপিতে বরিশালের জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, মাদক ও অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত কার্যক্রম জোরদার, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা, নদীভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের জানমাল ও বসতভিটা রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্যা সমাধানে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ এবং কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব প্রকৌশলী জি.এম রাব্বী, যুগ্ম-আহ্বায়ক সাকিব হোসেন, যুগ্ম সদস্য সচিব রাকিব সিকদার, শাকিল হাওলাদার, সদস্য জসিম উদ্দিন, বাহারুল গাজী, নারী নেত্রী নাজমুন নাহার বেবী ছাড়াও বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের বরিশাল জেলা ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ।
এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জি.এম রাব্বী বলেন, 'জনগণের নিরাপত্তা, নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনদুর্ভোগ নিরসনে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ, জবাবদিহিতা ও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। বরিশাল জেলা ও মহানগরের সার্বিক উন্নয়ন এবং জনস্বার্থ রক্ষায় এবি পার্টি সর্বদা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।'
সাত দফা দাবি আদায়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া লংমার্চের রুট চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ৩১ অক্টোবর রাজধানী থেকে শুরু হয়ে পদ্মা সেতু দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা অতিক্রম করে কুষ্টিয়ায় গিয়ে শেষ হবে এ কর্মসূচি।
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে লংমার্চের রুট ও পথসভার স্থান চূড়ান্ত করা হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। সকাল ৮টায় গাড়িবহর পদ্মা সেতু হয়ে কুষ্টিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করবে।
লংমার্চের গাড়িবহর পদ্মা সেতু পার হয়ে প্রথমে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা এলাকায় পথসভায় অংশ নেবে। এরপর ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও মাদারীপুরের টেকেরহাট হয়ে গোপালগঞ্জে প্রবেশ করবে।
তবে গোপালগঞ্জে কোনো পথসভা রাখা হয়নি। শহর অতিক্রম করে গাড়িবহর বাগেরহাটের ফকিরহাটে যাবে। সেখানে কাটাখালী মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর রূপসা সেতু পার হয়ে খুলনা নগরীর শিববাড়ী মোড়ে পথসভা হবে। খুলনার ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরেও আরেকটি পথসভা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
পরে গাড়িবহর যশোরের চাচড়া মোড়ে পথসভায় অংশ নেবে। এরপর ঝিনাইদহ জেলা শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পথসভা শেষে কুষ্টিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করবে।
লংমার্চের শেষ কর্মসূচি হবে কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশ। পুরো লংমার্চের রুট প্রায় ৪০০ কিলোমিটার।
পূজার কারণে আগে ঘোষিত ১০ অক্টোবরের ঢাকা-খুলনা এবং ২৪ অক্টোবরের ঢাকা-সিলেট লংমার্চের কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা-খুলনা লংমার্চের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ অক্টোবর। আর ঢাকা-সিলেট লংমার্চের নতুন তারিখ আগামী নভেম্বরে নির্ধারণ করা হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১১ দলের ঘোষিত সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধসহ বিভিন্ন দাবি।
গত বছরের জুলাইয়ে এনসিপির পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষে কয়েকজন নিহত হন। এর পরিপ্রেক্ষিতে এবারের লংমার্চে গোপালগঞ্জে কোনো পথসভা না রাখার সিদ্ধান্তটি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে।
১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ও রংপুরের লংমার্চের মতো দক্ষিণাঞ্চলের কর্মসূচিও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা হবে। গোপালগঞ্জের মানুষের সঙ্গে তাদের ভালোবাসার সম্পর্ক রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ব্রিফিংয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, কেউ উসকানি বা অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সংযমের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হবে। ১১ দলের নেতাকর্মীরা কোনো ধরনের উসকানিতে পা দেবেন না বলেও তিনি জানান।
লংমার্চের রুট: ঢাকা → জাজিরা → ভাঙ্গা → টেকেরহাট → গোপালগঞ্জ → ফকিরহাট → খুলনা → ফুলতলা → যশোর → ঝিনাইদহ → কুষ্টিয়া।
সাত দফা দাবি আদায়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া লংমার্চের রুট চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ৩১ অক্টোবর রাজধানী থেকে শুরু হয়ে পদ্মা সেতু দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা অতিক্রম করে কুষ্টিয়ায় গিয়ে শেষ হবে এ কর্মসূচি।
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে লংমার্চের রুট ও পথসভার স্থান চূড়ান্ত করা হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। সকাল ৮টায় গাড়িবহর পদ্মা সেতু হয়ে কুষ্টিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করবে।
লংমার্চের গাড়িবহর পদ্মা সেতু পার হয়ে প্রথমে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা এলাকায় পথসভায় অংশ নেবে। এরপর ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও মাদারীপুরের টেকেরহাট হয়ে গোপালগঞ্জে প্রবেশ করবে।
তবে গোপালগঞ্জে কোনো পথসভা রাখা হয়নি। শহর অতিক্রম করে গাড়িবহর বাগেরহাটের ফকিরহাটে যাবে। সেখানে কাটাখালী মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর রূপসা সেতু পার হয়ে খুলনা নগরীর শিববাড়ী মোড়ে পথসভা হবে। খুলনার ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরেও আরেকটি পথসভা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
পরে গাড়িবহর যশোরের চাচড়া মোড়ে পথসভায় অংশ নেবে। এরপর ঝিনাইদহ জেলা শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পথসভা শেষে কুষ্টিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করবে।
লংমার্চের শেষ কর্মসূচি হবে কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশ। পুরো লংমার্চের রুট প্রায় ৪০০ কিলোমিটার।
পূজার কারণে আগে ঘোষিত ১০ অক্টোবরের ঢাকা-খুলনা এবং ২৪ অক্টোবরের ঢাকা-সিলেট লংমার্চের কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা-খুলনা লংমার্চের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ অক্টোবর। আর ঢাকা-সিলেট লংমার্চের নতুন তারিখ আগামী নভেম্বরে নির্ধারণ করা হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১১ দলের ঘোষিত সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধসহ বিভিন্ন দাবি।
গত বছরের জুলাইয়ে এনসিপির পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষে কয়েকজন নিহত হন। এর পরিপ্রেক্ষিতে এবারের লংমার্চে গোপালগঞ্জে কোনো পথসভা না রাখার সিদ্ধান্তটি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে।
১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ও রংপুরের লংমার্চের মতো দক্ষিণাঞ্চলের কর্মসূচিও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা হবে। গোপালগঞ্জের মানুষের সঙ্গে তাদের ভালোবাসার সম্পর্ক রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ব্রিফিংয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, কেউ উসকানি বা অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সংযমের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হবে। ১১ দলের নেতাকর্মীরা কোনো ধরনের উসকানিতে পা দেবেন না বলেও তিনি জানান।
লংমার্চের রুট: ঢাকা → জাজিরা → ভাঙ্গা → টেকেরহাট → গোপালগঞ্জ → ফকিরহাট → খুলনা → ফুলতলা → যশোর → ঝিনাইদহ → কুষ্টিয়া।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা তথ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬-এর ‘পদক প্রদান অনুষ্ঠান’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “যারা ফ্যাসিবাদের, আওয়ামী শক্তির দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারবে, তাদের আমরা পুরস্কৃত করব।” তিনি জানান, গত সপ্তাহে এ ধরনের দুজনকে এবং শুক্রবার আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের গোয়েন্দা সক্ষমতা ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এতদিন এসব ব্যক্তি দেশে থেকেও আত্মগোপনে ছিলেন। তাদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশের গোয়েন্দা সহায়তা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে। অন্য সংস্থার গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে তুলনা করে প্রয়োজনীয় তথ্য কাজে লাগানোরও নির্দেশ দেন তিনি।
দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বক্তব্যে সাম্প্রতিক ও অতীতের বিভিন্ন সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জাতিসংঘের হিসাব উল্লেখ করে বলেন, এক মাসে বাংলাদেশে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ হত্যার শিকার হয়েছেন। একই সঙ্গে গত ১৭ বছরের বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও হেফাজতে মৃত্যুর বিভিন্ন হিসাবের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, অতীতের সহিংসতা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ বা ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়নি। তাঁর দাবি, এসব ব্যক্তির কেউ কেউ বর্তমানে দেশের বাইরে থেকে রাজনৈতিক বক্তব্য দিচ্ছেন।
শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের, শেখ হাসিনাসহ অন্য আসামিদের ফেরত দেওয়ার জন্য চুক্তি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হলে আইন নিজস্ব গতিতে চলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ৯৮ জন পুলিশ সদস্যকে পিপিএম ও বিপিএম পদক পরিয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা তথ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬-এর ‘পদক প্রদান অনুষ্ঠান’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “যারা ফ্যাসিবাদের, আওয়ামী শক্তির দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারবে, তাদের আমরা পুরস্কৃত করব।” তিনি জানান, গত সপ্তাহে এ ধরনের দুজনকে এবং শুক্রবার আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের গোয়েন্দা সক্ষমতা ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এতদিন এসব ব্যক্তি দেশে থেকেও আত্মগোপনে ছিলেন। তাদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশের গোয়েন্দা সহায়তা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে। অন্য সংস্থার গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে তুলনা করে প্রয়োজনীয় তথ্য কাজে লাগানোরও নির্দেশ দেন তিনি।
দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বক্তব্যে সাম্প্রতিক ও অতীতের বিভিন্ন সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জাতিসংঘের হিসাব উল্লেখ করে বলেন, এক মাসে বাংলাদেশে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ হত্যার শিকার হয়েছেন। একই সঙ্গে গত ১৭ বছরের বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও হেফাজতে মৃত্যুর বিভিন্ন হিসাবের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, অতীতের সহিংসতা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ বা ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়নি। তাঁর দাবি, এসব ব্যক্তির কেউ কেউ বর্তমানে দেশের বাইরে থেকে রাজনৈতিক বক্তব্য দিচ্ছেন।
শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের, শেখ হাসিনাসহ অন্য আসামিদের ফেরত দেওয়ার জন্য চুক্তি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হলে আইন নিজস্ব গতিতে চলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ৯৮ জন পুলিশ সদস্যকে পিপিএম ও বিপিএম পদক পরিয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৩৪
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৩১
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৪৫
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৩