পটুয়াখালীতে দিন দিন বাড়ছে মামলার জট। দীর্ঘদিন ধরে বিচার না পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছেন বিচারপ্রার্থীরা। জেলার বিভিন্ন আদালতে হাজার হাজার মামলা বছরের পর বছর ধরে বিচারাধীন অবস্থায় পড়ে আছে। বিচারক সংকটই এর মূল কারণ বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
বিচার প্রার্থীদের অভিযোগ, মামলার সাক্ষী উপস্থিত না থাকা, বাদীর অনুপস্থিতি, বিচারকের বদলি ও ছুটির কারণে বিচার কার্যক্রমে বিলম্ব ঘটছে। এতে বছরের পর বছর মামলা ঝুলে থাকছে।
বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা শংকর চন্দ্র ধুপি বলেন, ‘১৯৬১ সালে আমার বাবা ও দাদার বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা হয় বরিশাল সাব-জজ দ্বিতীয় আদালতে। পরে মামলাটি একতরফা রায় ও ডিক্রি হয় বরিশাল জজ আদালতে। এরপর আমরা তা চ্যালেঞ্জ করে বর্তমানে পটুয়াখালী অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে মামলা নম্বর ১৯৪/১৯৬১ হিসেবে লড়ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৯৭৯ সালে আবার আমাদের বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগে ফৌজদারি মামলা হয়। সেটিও এখনো চলমান। দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে কোর্টের বারান্দায় সঠিক বিচারের দাবিতে ঘুরে বেড়াচ্ছি।’
তার মতো আরও অনেকেই বছরের পর বছর ধরে আদালতের দুয়ারে ঘুরছেন বিচার না পেয়ে। বারবার আদালতে আসা-যাওয়ায় খরচও বেড়েছে। ফলে আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
বারের সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, ‘মামলার সাক্ষী উপস্থিত কম এবং বিচারক সংকটের কারণে দিন দিন বেড়েই চলেছে মামলার জট।’
পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন বলেন, ‘দিন দিন পটুয়াখালীতে মামলা বাড়ছে, কিন্তু বিচারিক আদালতের সংখ্যা বাড়ছে না। আদালতে বিচারক সংকট প্রকট। কোনো আদালতের বিচারক বদলি বা ছুটিতে গেলে মামলার কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। এতে মামলা জট আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
বর্তমানে পটুয়াখালী জেলার ২৯টি এজলাসের বিপরীতে বিচারক রয়েছেন মাত্র ২৬ জন। এর মধ্যে স্পেশাল জজ আদালত, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল আদালতে কোনো বিচারক নেই বলে জানা গেছে।
বিচারক সংকট নিরসন এবং দ্রুত বিচার কার্যক্রম নিশ্চিত না হলে পটুয়াখালীর আদালতগুলোতে মামলার জট আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৫১
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদকসহ গ্রেপ্তার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জেলা ছাত্রদল। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. তৌফিকুল ইসলাম ইমরান ও সদস্য সচিব মো. আল আমিন মৃধার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে এ্যাসেন্ট রায়ের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের একটি দল জোবারপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে ৫টি ইয়াবা বড়িসহ আটক করা হয়।
এ ঘটনায় পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরদিন সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদকসহ গ্রেপ্তার উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জেলা ছাত্রদল। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. তৌফিকুল ইসলাম ইমরান ও সদস্য সচিব মো. আল আমিন মৃধার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে এ্যাসেন্ট রায়ের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের একটি দল জোবারপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায়কে ৫টি ইয়াবা বড়িসহ আটক করা হয়।
এ ঘটনায় পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরদিন সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:২১
বরিশালের মুলাদীতে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগের তিন নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বরিশাল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো তিনজন হলেন—মুলাদী উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলামিন শিকদার, জাকির হাওলাদার ও আরিফ হাওলাদার।
মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ নাজিরপুর ইউনিয়নের একটি স্থানে কেক কেটে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উদযাপন করেন নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ ঘটনায় ওই রাতেই মুলাদী থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, ১৭ মার্চ কেক কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করে। মামলার অধিকাংশ আসামিই বর্তমানে পলাতক। মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করা আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের মুলাদীতে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগের তিন নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বরিশাল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো তিনজন হলেন—মুলাদী উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলামিন শিকদার, জাকির হাওলাদার ও আরিফ হাওলাদার।
মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ নাজিরপুর ইউনিয়নের একটি স্থানে কেক কেটে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উদযাপন করেন নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ ঘটনায় ওই রাতেই মুলাদী থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, ১৭ মার্চ কেক কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করে। মামলার অধিকাংশ আসামিই বর্তমানে পলাতক। মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করা আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৪৬
কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ‘বিএনপির দোসরদের’ তালিকা করার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘সময় এসেছে, চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বিএনপির দোসরদের তালিকা করার।’
চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সরকারকে ‘আসসালামু আলাইকুম’: পাটওয়ারী
তিনি যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে রয়েছেন- পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বাকিদের নাম কমেন্টে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন এনসিপির এই নেতা।
এর আগে গতকাল এক পোস্টে চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সরকারকে ‘আসসালামু আলাইকুম’ জানাবেন বলেও মন্তব্য করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ‘বিএনপির দোসরদের’ তালিকা করার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘সময় এসেছে, চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বিএনপির দোসরদের তালিকা করার।’
চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সরকারকে ‘আসসালামু আলাইকুম’: পাটওয়ারী
তিনি যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে রয়েছেন- পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বাকিদের নাম কমেন্টে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন এনসিপির এই নেতা।
এর আগে গতকাল এক পোস্টে চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সরকারকে ‘আসসালামু আলাইকুম’ জানাবেন বলেও মন্তব্য করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

০৪ নভেম্বর, ২০২৫ ২২:২২
পটুয়াখালীতে দিন দিন বাড়ছে মামলার জট। দীর্ঘদিন ধরে বিচার না পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছেন বিচারপ্রার্থীরা। জেলার বিভিন্ন আদালতে হাজার হাজার মামলা বছরের পর বছর ধরে বিচারাধীন অবস্থায় পড়ে আছে। বিচারক সংকটই এর মূল কারণ বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
বিচার প্রার্থীদের অভিযোগ, মামলার সাক্ষী উপস্থিত না থাকা, বাদীর অনুপস্থিতি, বিচারকের বদলি ও ছুটির কারণে বিচার কার্যক্রমে বিলম্ব ঘটছে। এতে বছরের পর বছর মামলা ঝুলে থাকছে।
বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা শংকর চন্দ্র ধুপি বলেন, ‘১৯৬১ সালে আমার বাবা ও দাদার বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা হয় বরিশাল সাব-জজ দ্বিতীয় আদালতে। পরে মামলাটি একতরফা রায় ও ডিক্রি হয় বরিশাল জজ আদালতে। এরপর আমরা তা চ্যালেঞ্জ করে বর্তমানে পটুয়াখালী অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে মামলা নম্বর ১৯৪/১৯৬১ হিসেবে লড়ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৯৭৯ সালে আবার আমাদের বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগে ফৌজদারি মামলা হয়। সেটিও এখনো চলমান। দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে কোর্টের বারান্দায় সঠিক বিচারের দাবিতে ঘুরে বেড়াচ্ছি।’
তার মতো আরও অনেকেই বছরের পর বছর ধরে আদালতের দুয়ারে ঘুরছেন বিচার না পেয়ে। বারবার আদালতে আসা-যাওয়ায় খরচও বেড়েছে। ফলে আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
বারের সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, ‘মামলার সাক্ষী উপস্থিত কম এবং বিচারক সংকটের কারণে দিন দিন বেড়েই চলেছে মামলার জট।’
পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন বলেন, ‘দিন দিন পটুয়াখালীতে মামলা বাড়ছে, কিন্তু বিচারিক আদালতের সংখ্যা বাড়ছে না। আদালতে বিচারক সংকট প্রকট। কোনো আদালতের বিচারক বদলি বা ছুটিতে গেলে মামলার কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। এতে মামলা জট আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
বর্তমানে পটুয়াখালী জেলার ২৯টি এজলাসের বিপরীতে বিচারক রয়েছেন মাত্র ২৬ জন। এর মধ্যে স্পেশাল জজ আদালত, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল আদালতে কোনো বিচারক নেই বলে জানা গেছে।
বিচারক সংকট নিরসন এবং দ্রুত বিচার কার্যক্রম নিশ্চিত না হলে পটুয়াখালীর আদালতগুলোতে মামলার জট আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:০৯
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:৫২
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৯:৪০
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৫১