
০৪ নভেম্বর, ২০২৫ ২২:২২
পটুয়াখালীতে দিন দিন বাড়ছে মামলার জট। দীর্ঘদিন ধরে বিচার না পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছেন বিচারপ্রার্থীরা। জেলার বিভিন্ন আদালতে হাজার হাজার মামলা বছরের পর বছর ধরে বিচারাধীন অবস্থায় পড়ে আছে। বিচারক সংকটই এর মূল কারণ বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
বিচার প্রার্থীদের অভিযোগ, মামলার সাক্ষী উপস্থিত না থাকা, বাদীর অনুপস্থিতি, বিচারকের বদলি ও ছুটির কারণে বিচার কার্যক্রমে বিলম্ব ঘটছে। এতে বছরের পর বছর মামলা ঝুলে থাকছে।
বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা শংকর চন্দ্র ধুপি বলেন, ‘১৯৬১ সালে আমার বাবা ও দাদার বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা হয় বরিশাল সাব-জজ দ্বিতীয় আদালতে। পরে মামলাটি একতরফা রায় ও ডিক্রি হয় বরিশাল জজ আদালতে। এরপর আমরা তা চ্যালেঞ্জ করে বর্তমানে পটুয়াখালী অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে মামলা নম্বর ১৯৪/১৯৬১ হিসেবে লড়ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৯৭৯ সালে আবার আমাদের বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগে ফৌজদারি মামলা হয়। সেটিও এখনো চলমান। দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে কোর্টের বারান্দায় সঠিক বিচারের দাবিতে ঘুরে বেড়াচ্ছি।’
তার মতো আরও অনেকেই বছরের পর বছর ধরে আদালতের দুয়ারে ঘুরছেন বিচার না পেয়ে। বারবার আদালতে আসা-যাওয়ায় খরচও বেড়েছে। ফলে আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
বারের সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, ‘মামলার সাক্ষী উপস্থিত কম এবং বিচারক সংকটের কারণে দিন দিন বেড়েই চলেছে মামলার জট।’
পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন বলেন, ‘দিন দিন পটুয়াখালীতে মামলা বাড়ছে, কিন্তু বিচারিক আদালতের সংখ্যা বাড়ছে না। আদালতে বিচারক সংকট প্রকট। কোনো আদালতের বিচারক বদলি বা ছুটিতে গেলে মামলার কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। এতে মামলা জট আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
বর্তমানে পটুয়াখালী জেলার ২৯টি এজলাসের বিপরীতে বিচারক রয়েছেন মাত্র ২৬ জন। এর মধ্যে স্পেশাল জজ আদালত, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল আদালতে কোনো বিচারক নেই বলে জানা গেছে।
বিচারক সংকট নিরসন এবং দ্রুত বিচার কার্যক্রম নিশ্চিত না হলে পটুয়াখালীর আদালতগুলোতে মামলার জট আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পটুয়াখালীতে দিন দিন বাড়ছে মামলার জট। দীর্ঘদিন ধরে বিচার না পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছেন বিচারপ্রার্থীরা। জেলার বিভিন্ন আদালতে হাজার হাজার মামলা বছরের পর বছর ধরে বিচারাধীন অবস্থায় পড়ে আছে। বিচারক সংকটই এর মূল কারণ বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
বিচার প্রার্থীদের অভিযোগ, মামলার সাক্ষী উপস্থিত না থাকা, বাদীর অনুপস্থিতি, বিচারকের বদলি ও ছুটির কারণে বিচার কার্যক্রমে বিলম্ব ঘটছে। এতে বছরের পর বছর মামলা ঝুলে থাকছে।
বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা শংকর চন্দ্র ধুপি বলেন, ‘১৯৬১ সালে আমার বাবা ও দাদার বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা হয় বরিশাল সাব-জজ দ্বিতীয় আদালতে। পরে মামলাটি একতরফা রায় ও ডিক্রি হয় বরিশাল জজ আদালতে। এরপর আমরা তা চ্যালেঞ্জ করে বর্তমানে পটুয়াখালী অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে মামলা নম্বর ১৯৪/১৯৬১ হিসেবে লড়ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৯৭৯ সালে আবার আমাদের বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগে ফৌজদারি মামলা হয়। সেটিও এখনো চলমান। দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে কোর্টের বারান্দায় সঠিক বিচারের দাবিতে ঘুরে বেড়াচ্ছি।’
তার মতো আরও অনেকেই বছরের পর বছর ধরে আদালতের দুয়ারে ঘুরছেন বিচার না পেয়ে। বারবার আদালতে আসা-যাওয়ায় খরচও বেড়েছে। ফলে আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
বারের সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, ‘মামলার সাক্ষী উপস্থিত কম এবং বিচারক সংকটের কারণে দিন দিন বেড়েই চলেছে মামলার জট।’
পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন বলেন, ‘দিন দিন পটুয়াখালীতে মামলা বাড়ছে, কিন্তু বিচারিক আদালতের সংখ্যা বাড়ছে না। আদালতে বিচারক সংকট প্রকট। কোনো আদালতের বিচারক বদলি বা ছুটিতে গেলে মামলার কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। এতে মামলা জট আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
বর্তমানে পটুয়াখালী জেলার ২৯টি এজলাসের বিপরীতে বিচারক রয়েছেন মাত্র ২৬ জন। এর মধ্যে স্পেশাল জজ আদালত, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল আদালতে কোনো বিচারক নেই বলে জানা গেছে।
বিচারক সংকট নিরসন এবং দ্রুত বিচার কার্যক্রম নিশ্চিত না হলে পটুয়াখালীর আদালতগুলোতে মামলার জট আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৪
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে পলাতক থাকা অস্ত্র মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. মধু হাওলাদারকে (৪৫) গ্রেফতার করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বেলা ২টা ৩০ মিনিটের সময় উপজেলার মজিদবাড়ীয়া ও কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত মধু হাওলাদার উপজেলার ভয়াং গ্রামের রুস্তুম আলী হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর বিরুদ্ধে ডিএমপির রামপুরা থানার ২০১৮ সালের একটি অস্ত্র আইনের মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল।
মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে পলাতক থাকা অস্ত্র মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. মধু হাওলাদারকে (৪৫) গ্রেফতার করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বেলা ২টা ৩০ মিনিটের সময় উপজেলার মজিদবাড়ীয়া ও কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত মধু হাওলাদার উপজেলার ভয়াং গ্রামের রুস্তুম আলী হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর বিরুদ্ধে ডিএমপির রামপুরা থানার ২০১৮ সালের একটি অস্ত্র আইনের মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল।
মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩০
ঝালকাঠিতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে হুমায়ুন কবির সাগর (৩৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন, তিনি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের এক সাবেক কাউন্সিলর বলে জানা গেছে। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল–ঝালকাঠি মহাসড়কের নলছিটি উপজেলার রায়াপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হুমায়ুন কবির সাগর ঝালকাঠি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ছিলেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের ভাই মাহবুব সৈকত।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুরে মোটরসাইকেলে করে বরিশাল থেকে ঝালকাঠির দিকে যাচ্ছিলেন হুমায়ুন কবির সাগর এবং তার সঙ্গী ব্যবসায়ী সোহেল। পথিমধ্যে রায়াপুর এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি গাছে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই হুমায়ুন কবির গুরুতর আহত হন এবং তার সঙ্গী সোহেলও আহত হন।
স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক হুমায়ুন কবির সাগরকে মৃত ঘোষণা করেন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম বরিশালটাইমসকে জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
ঝালকাঠিতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে হুমায়ুন কবির সাগর (৩৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন, তিনি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের এক সাবেক কাউন্সিলর বলে জানা গেছে। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল–ঝালকাঠি মহাসড়কের নলছিটি উপজেলার রায়াপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হুমায়ুন কবির সাগর ঝালকাঠি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ছিলেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের ভাই মাহবুব সৈকত।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুরে মোটরসাইকেলে করে বরিশাল থেকে ঝালকাঠির দিকে যাচ্ছিলেন হুমায়ুন কবির সাগর এবং তার সঙ্গী ব্যবসায়ী সোহেল। পথিমধ্যে রায়াপুর এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি গাছে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই হুমায়ুন কবির গুরুতর আহত হন এবং তার সঙ্গী সোহেলও আহত হন।
স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক হুমায়ুন কবির সাগরকে মৃত ঘোষণা করেন।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম বরিশালটাইমসকে জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.