ঢাকায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন স্বামী। কিন্তু ঢাকায় না গিয়ে প্রেমিকার সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। তবে শেষ রক্ষা হলো না। ধরা পড়ে গেলেন স্ত্রী এবং বৃদ্ধা মায়ের কাছে।
তবে স্বামীকে আটকাতে পারেননি এক সন্তানের জননী গৃহবধূ। উল্টো জনসম্মুখে স্বামীর হাতে মারধরের শিকার হন তিনি। তাই ক্ষোভে-দুঃখে মাটিতে গড়াগড়ি করে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই গৃহবধূ।
ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (০৪ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে বরিশাল নগরীর ফজলুল হক এভিনিউ সড়কে। এ সময় পথচারীরা দাঁড়িয়ে দেখলেও এগিয়ে আসেননি কেউ।
অভিযুক্ত স্বামী রবিউল ইসলাম ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া এলাকার বাসিন্দা। প্রায় ৭ বছর পূর্বে মুলাদী উপজেলার সেকান্দার মল্লিকের মেয়ে আঁখিকে পারিবারিক প্রস্তাবের মাধ্যমে বিয়ে করেন তিনি। সংসারে তাদের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
রবিউলের মা জানান, রবিউলের সাথে পূর্বে একটি মেয়ের পরিচয় ছিল। সেই মেয়ে রবিউলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলাও করেছে। মামলা চালাতে গিয়ে দেড় লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। এখন সেই মেয়ের সাথেই পরকিয়ার করে রবিউল। আজ (রোববার) বরিশালে এসে তাদের দু’জনকে একসঙ্গে ধরেছেন তারা।
রবিউলের স্ত্রী আঁখি জানান, তার স্বামী রবিউল বর্তমানে বেকার। গত শনিবার সকালে বাসা থেকে বের হয়। এরপর আর খোঁজ নেয়নি। সন্ধ্যায় ফোন করে যায় তিনি ঢাকা যাবেন।
তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হলে রোববার দুপুরের দিকে স্বামীকে খোঁজ করতে শাশুড়িকে নিয়ে বরিশাল শহরের সদর রোড আসি। পরে ফজলুল হক এভিনিউ সড়কে স্বামী রবিউল ও তার প্রেমিকাকে একসঙ্গে দেখে ধরে ফেলি। আমাকে দেখা মাত্রই প্রেমিকার হাত ধরে দ্রুত পালাবার চেষ্টা করে দুজন। এই ঘটনায় স্বামী ও তার প্রেমিকার বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানান গৃহবধূ আঁখি।

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৫৩
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) র্যাগিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে চার বিভাগের ৪৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে একাডেমিক বহিষ্কার ও আর্থিক জরিমানার শাস্তি আরোপ করা হয়েছে এবং ৬ শিক্ষার্থীকে অফিসিয়াল শোকজ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে এসব শাস্তি দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আইন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, মার্কেটিং এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে র্যাগিংয়ের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি ও তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে শাস্তির এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আইন বিভাগ:
১৫ জুলাই আইন বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় পাঁচ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। জয়শ্রী রাণী বিশ্বাসকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রুবাইয়া সুলতানা রাবা, মো. রিদোয়ান চৌধুরী, মো. মানজারুল হক ও রেসবুল হাসান আবিরকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ:
২২ জুলাই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মো. কাজী নাবির, সুমাইয়া আক্তার রিয়া, ইয়ামিন হোসেন, ফারিয়া বিনতে হোসেনইলমা, মো. ওয়েদুজ্জামান রিফাত, মো. আরিফুল ইসলাম, সাদিয়া ইসলাম ও মো. নাইম ইসলামকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মাহি আনোয়ারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার এবং মো. রাকিবুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার করা হয়েছে।
মার্কেটিং বিভাগ:
১৯ আগস্ট মার্কেটিং বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১৯ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সুরাইয়া আক্তার, সৌরভ মালী, মো. মেহেদী হাসান অমি, আজিজুল ইসলাম চয়ন, ঐশী মহন্ত, এসএম সাইফুজ্জামান, মো. খালেদ হোসেন, জান্নাতুল বুশরা জুনি, আলিফ হোসেন নয়ন, নূর নবী, কিশোর কুমার দত্ত, রিফাত হাওলাদার ও হাসিব শেখকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মো. সবুজ মিয়াকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া সাদিয়া বেগম, স্নেহা আক্তার, ফারিয়া শিমুল কলি, দিদারুল ইসলাম ও তাশফিক কবির রাফিকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
সিএসই বিভাগ:
৯ আগস্ট সিএসই বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১৪ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মো. মুজাহিদ হাওলাদার, অনিন্দা সাহা অর্ঘ্য, চন্দন মিস্ত্রি, কাউসার হোসেন সৌরভ, সুস্ময় তরুয়া, সাফায়েত ইসলাম শিহাব, অয়ন দাস দ্বীপ ও সিদ্ধার্থ সরকারকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মো. মাসুম বিল্লাহ ও মুবিনুল ইসলাম নোবেলকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মো. রবিউল ইসলাম, মো. মইনুল ইসলাম সাকিব, মো. রেজুয়ান আজাদ ওয়াসি ও মো. মাহফুজুর রহমানকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের ২০ সেপ্টেম্বরের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এসব শাস্তি আরোপ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি ও তদন্ত কমিটির সুপারিশ এবং প্রতিবেদনের আলোকে অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে শাস্তির ধরন নির্ধারণ করা হয়।
একই সাথে বলা হয়েছে জরিমানা পরিশোধের সময়সীমা পত্র ইস্যুর তারিখ থেকে ০১ (এক) মাস। উল্লেখ্য যে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জরিমানা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে দ্বিগুনহারে জরিমানা প্রযোজ্য হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন," শিক্ষার্থীরা যেন সংশোধন হয় সেজন্য আমরা পরীক্ষামূলকভাবে এ শাস্তি দিয়েছি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের এমন কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।"
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) র্যাগিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে চার বিভাগের ৪৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে একাডেমিক বহিষ্কার ও আর্থিক জরিমানার শাস্তি আরোপ করা হয়েছে এবং ৬ শিক্ষার্থীকে অফিসিয়াল শোকজ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে এসব শাস্তি দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আইন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, মার্কেটিং এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে র্যাগিংয়ের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি ও তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে শাস্তির এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আইন বিভাগ:
১৫ জুলাই আইন বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় পাঁচ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। জয়শ্রী রাণী বিশ্বাসকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রুবাইয়া সুলতানা রাবা, মো. রিদোয়ান চৌধুরী, মো. মানজারুল হক ও রেসবুল হাসান আবিরকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ:
২২ জুলাই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মো. কাজী নাবির, সুমাইয়া আক্তার রিয়া, ইয়ামিন হোসেন, ফারিয়া বিনতে হোসেনইলমা, মো. ওয়েদুজ্জামান রিফাত, মো. আরিফুল ইসলাম, সাদিয়া ইসলাম ও মো. নাইম ইসলামকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মাহি আনোয়ারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার এবং মো. রাকিবুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার করা হয়েছে।
মার্কেটিং বিভাগ:
১৯ আগস্ট মার্কেটিং বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১৯ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সুরাইয়া আক্তার, সৌরভ মালী, মো. মেহেদী হাসান অমি, আজিজুল ইসলাম চয়ন, ঐশী মহন্ত, এসএম সাইফুজ্জামান, মো. খালেদ হোসেন, জান্নাতুল বুশরা জুনি, আলিফ হোসেন নয়ন, নূর নবী, কিশোর কুমার দত্ত, রিফাত হাওলাদার ও হাসিব শেখকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মো. সবুজ মিয়াকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া সাদিয়া বেগম, স্নেহা আক্তার, ফারিয়া শিমুল কলি, দিদারুল ইসলাম ও তাশফিক কবির রাফিকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
সিএসই বিভাগ:
৯ আগস্ট সিএসই বিভাগে র্যাগিংয়ের ঘটনায় ১৪ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মো. মুজাহিদ হাওলাদার, অনিন্দা সাহা অর্ঘ্য, চন্দন মিস্ত্রি, কাউসার হোসেন সৌরভ, সুস্ময় তরুয়া, সাফায়েত ইসলাম শিহাব, অয়ন দাস দ্বীপ ও সিদ্ধার্থ সরকারকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মো. মাসুম বিল্লাহ ও মুবিনুল ইসলাম নোবেলকে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মো. রবিউল ইসলাম, মো. মইনুল ইসলাম সাকিব, মো. রেজুয়ান আজাদ ওয়াসি ও মো. মাহফুজুর রহমানকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের ২০ সেপ্টেম্বরের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এসব শাস্তি আরোপ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি ও তদন্ত কমিটির সুপারিশ এবং প্রতিবেদনের আলোকে অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে শাস্তির ধরন নির্ধারণ করা হয়।
একই সাথে বলা হয়েছে জরিমানা পরিশোধের সময়সীমা পত্র ইস্যুর তারিখ থেকে ০১ (এক) মাস। উল্লেখ্য যে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জরিমানা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে দ্বিগুনহারে জরিমানা প্রযোজ্য হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন," শিক্ষার্থীরা যেন সংশোধন হয় সেজন্য আমরা পরীক্ষামূলকভাবে এ শাস্তি দিয়েছি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের এমন কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।"

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৪৯
সাংগঠনিক অনিয়ম, নৈতিক পদস্খলন ও অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেনসহ একাধিক অভিযোগের পর বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ‘সাথী’ পদ হারিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার।
২০২৫ সালে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পর প্রথমে পদটি মুলতবি করা হয়। পরে অভিযোগের যথাযথ জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ার কথা উল্লেখ করে একই বছরের সেপ্টেম্বরের মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে পদটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় শিবির।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান।
তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি ২০২৫ সালের। কিছু অনিয়মের অভিযোগে তার সাথী পদ বাতিল করা হয়েছে।’
শাখা শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত ২০২৬ সালের ৩১ জুলাইয়ের একটি চিঠিতে আম্মারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, আম্মারের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলন, মৌলিক ইবাদত পালনে উদাসীনতা, মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও সম্পদের তছরুপের অভিযোগ ওঠে। সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও করা হয়।
এসব অভিযোগের পর ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে তার ‘সাথী’ পদ মুলতবি করা হয়। পরে অভিযোগগুলোর যথাযথ জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সেপ্টেম্বরের বৈঠকে পদটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও দাবি করা হয়, আম্মারের কর্মকাণ্ডের কারণে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তার কিছু কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এ কারণে সংগঠনের নেতাকর্মীদের তার অনলাইন ও অফলাইন কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের ইতিবাচক বা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া না দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে রাকসুর নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের তার সঙ্গে দাপ্তরিক সম্পর্ক রাখার কথা বলা হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি শাখা ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি এবং বর্তমানে রাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) মুস্তাকুর রহমান জাহিদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে আম্মারের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগের উল্লেখ করা হয়।
ওই চিঠিতে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল আম্মারের বিরুদ্ধে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের অভিযোগ নিয়ে ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি শাখা শিবিরের মাসিক সেক্রেটারিয়েট সভায় আলোচনা হয়।
সভায় অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তার ‘সাথী’ পদ মুলতবি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সালাউদ্দিন আম্মারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
সাংগঠনিক অনিয়ম, নৈতিক পদস্খলন ও অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেনসহ একাধিক অভিযোগের পর বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ‘সাথী’ পদ হারিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার।
২০২৫ সালে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পর প্রথমে পদটি মুলতবি করা হয়। পরে অভিযোগের যথাযথ জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ার কথা উল্লেখ করে একই বছরের সেপ্টেম্বরের মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে পদটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় শিবির।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান।
তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি ২০২৫ সালের। কিছু অনিয়মের অভিযোগে তার সাথী পদ বাতিল করা হয়েছে।’
শাখা শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত ২০২৬ সালের ৩১ জুলাইয়ের একটি চিঠিতে আম্মারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, আম্মারের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলন, মৌলিক ইবাদত পালনে উদাসীনতা, মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও সম্পদের তছরুপের অভিযোগ ওঠে। সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও করা হয়।
এসব অভিযোগের পর ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে তার ‘সাথী’ পদ মুলতবি করা হয়। পরে অভিযোগগুলোর যথাযথ জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সেপ্টেম্বরের বৈঠকে পদটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও দাবি করা হয়, আম্মারের কর্মকাণ্ডের কারণে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তার কিছু কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এ কারণে সংগঠনের নেতাকর্মীদের তার অনলাইন ও অফলাইন কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের ইতিবাচক বা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া না দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে রাকসুর নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের তার সঙ্গে দাপ্তরিক সম্পর্ক রাখার কথা বলা হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি শাখা ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি এবং বর্তমানে রাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) মুস্তাকুর রহমান জাহিদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে আম্মারের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগের উল্লেখ করা হয়।
ওই চিঠিতে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল আম্মারের বিরুদ্ধে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের অভিযোগ নিয়ে ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি শাখা শিবিরের মাসিক সেক্রেটারিয়েট সভায় আলোচনা হয়।
সভায় অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তার ‘সাথী’ পদ মুলতবি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সালাউদ্দিন আম্মারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৩
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইসরাইলের সঙ্গে সৌদি আরবের কোনো গোপন বৈঠক হয়নি বলে জানিয়েছে রিয়াদ। সৌদি আরবের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ইসরাইলি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনের বরাতে জানা যায়, সম্প্রতি ইসরাইলের চ্যানেল ১৪-এ দাবি করা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকের পর একটি বিস্তৃত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সৌদি আরবসহ কয়েকটি আরব দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন বলে দাবি করা হয়েছিল।
ইসরাইলি প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈঠকে ইরান ও হুথিদের মোকাবিলা, ইসরাইলের আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য একটি আঞ্চলিক জোট গঠনের মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকটি আয়োজনের পেছনে ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত ইয়োসি শেলির ভূমিকা ছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে। দেশটির কর্মকর্তার বক্তব্যের পর ইসরাইলি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ওই বৈঠকের দাবি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর, রয়টার্স
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইসরাইলের সঙ্গে সৌদি আরবের কোনো গোপন বৈঠক হয়নি বলে জানিয়েছে রিয়াদ। সৌদি আরবের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ইসরাইলি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনের বরাতে জানা যায়, সম্প্রতি ইসরাইলের চ্যানেল ১৪-এ দাবি করা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকের পর একটি বিস্তৃত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সৌদি আরবসহ কয়েকটি আরব দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন বলে দাবি করা হয়েছিল।
ইসরাইলি প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈঠকে ইরান ও হুথিদের মোকাবিলা, ইসরাইলের আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য একটি আঞ্চলিক জোট গঠনের মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকটি আয়োজনের পেছনে ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত ইয়োসি শেলির ভূমিকা ছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে। দেশটির কর্মকর্তার বক্তব্যের পর ইসরাইলি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ওই বৈঠকের দাবি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর, রয়টার্স

০৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৮
ঢাকায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন স্বামী। কিন্তু ঢাকায় না গিয়ে প্রেমিকার সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। তবে শেষ রক্ষা হলো না। ধরা পড়ে গেলেন স্ত্রী এবং বৃদ্ধা মায়ের কাছে।
তবে স্বামীকে আটকাতে পারেননি এক সন্তানের জননী গৃহবধূ। উল্টো জনসম্মুখে স্বামীর হাতে মারধরের শিকার হন তিনি। তাই ক্ষোভে-দুঃখে মাটিতে গড়াগড়ি করে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই গৃহবধূ।
ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (০৪ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে বরিশাল নগরীর ফজলুল হক এভিনিউ সড়কে। এ সময় পথচারীরা দাঁড়িয়ে দেখলেও এগিয়ে আসেননি কেউ।
অভিযুক্ত স্বামী রবিউল ইসলাম ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া এলাকার বাসিন্দা। প্রায় ৭ বছর পূর্বে মুলাদী উপজেলার সেকান্দার মল্লিকের মেয়ে আঁখিকে পারিবারিক প্রস্তাবের মাধ্যমে বিয়ে করেন তিনি। সংসারে তাদের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
রবিউলের মা জানান, রবিউলের সাথে পূর্বে একটি মেয়ের পরিচয় ছিল। সেই মেয়ে রবিউলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলাও করেছে। মামলা চালাতে গিয়ে দেড় লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। এখন সেই মেয়ের সাথেই পরকিয়ার করে রবিউল। আজ (রোববার) বরিশালে এসে তাদের দু’জনকে একসঙ্গে ধরেছেন তারা।
রবিউলের স্ত্রী আঁখি জানান, তার স্বামী রবিউল বর্তমানে বেকার। গত শনিবার সকালে বাসা থেকে বের হয়। এরপর আর খোঁজ নেয়নি। সন্ধ্যায় ফোন করে যায় তিনি ঢাকা যাবেন।
তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হলে রোববার দুপুরের দিকে স্বামীকে খোঁজ করতে শাশুড়িকে নিয়ে বরিশাল শহরের সদর রোড আসি। পরে ফজলুল হক এভিনিউ সড়কে স্বামী রবিউল ও তার প্রেমিকাকে একসঙ্গে দেখে ধরে ফেলি। আমাকে দেখা মাত্রই প্রেমিকার হাত ধরে দ্রুত পালাবার চেষ্টা করে দুজন। এই ঘটনায় স্বামী ও তার প্রেমিকার বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানান গৃহবধূ আঁখি।
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:১৬
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:৫২