
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৯
দেশে যখন ৩০০ টাকায় কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে, তখন আমদানি দেখানো হয়েছে ২৮ টাকায়। মাত্র ৩৩ টাকা কেজি দরে আপেল আমদানি দেখানো হয়। পুরান ঢাকার প্রতিষ্ঠান গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজ অস্বাভাবিক কম দর দেখিয়ে এভাবে ভারত থেকে ১২৫ কোটি টাকার আমদানি করেছে।
গত তিন বছর ধরে যে প্রতিষ্ঠান থেকে বেশির ভাগ আমদানি দেখানো হয়, সেটি মূলত শাড়ি-গহনা বিক্রেতা। বিষয়টি এলসি ইস্যুকারী ব্যাংক এবং কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নজর এড়ালেও বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে। অর্থ পাচার সন্দেহে এখন পুরো ঘটনা তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মূলত তিনটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসব আমদানি করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখায় ১৭৪টি এলসির বিপরীতে আমদানি দেখানো হয় ৮৮ কোটি ৮৭ লাখ টাকার ফল। প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৪৬টি এলসির বিপরীতে ২৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকার আমদানি হয়েছে।
আর ইসলামী ব্যাংক ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১১টি এলসির বিপরীতে ৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা সমমূল্যের আমদানি করেছে। ইসলামী ব্যাংক পরবর্তী সময়ে আর এলসি না খোলায় স্ট্যান্ডার্ড ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের অনিয়ম উদ্ঘাটন করে শাস্তির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রাথমিকভাবে তিন বছরে গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজের মোট ২৩১টি এলসির বিপরীতে প্রায় এক কোটি ৩ লাখ ডলারের আমদানির তথ্য পেয়েছে।
এ বিষয়ে গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মজিবুর রহমান বলেন, ভারত থেকে তিনি ২৭ সেন্ট দরে আমদানি করেছিলেন। তবে শুল্ককর পরিশোধ, পরিবহণ খরচ এবং ২৫ শতাংশ মতো ড্যামারেজ হিসাব করে দেশের বাজারে বিক্রি করেন। সব মিলিয়ে ওই সময় দেশের বাজারে তিনি ১৮০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে আপেল বিক্রি করেছিলেন।
তার দাবি, হুন্ডিতে কোনো টাকা লেনদেন হয়নি। ভারতে শুল্ক কর্তৃপক্ষ আছে। আবার বাংলাদেশে অন্তত ৭০ সেন্ট ধরে শুল্কায়ন করা হয়। ব্যাংক বাজার যাচাই করে এরপর এলসি ইস্যু করে। সুতরাং কম বা বেশি দর দেখানোর সুযোগ নেই।
ভারতের ফলসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের দরের তথ্য সরবরাহকারী সাইট ‘নাপান্টার’ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২১ আগস্ট আপেলের সর্বনিম্ন দর ছিল ১৭০ টাকা কেজি। আর সর্বোচ্চ ছিল ১৯০ টাকা কেজি। ওইদিন মানভেদে কাঁচামরিচের কেজি ৬৭ থেকে ১২০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয় ৫৮ থেকে ৬৫ টাকা দরে। এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আপেল সর্বনিম্ন ৭০ সেন্ট ধরে শুল্কায়ন করবে। টমেটো ও কাঁচামরিচ শুল্কায়ন করতে হবে অন্তত ৫০ সেন্ট ধরে।
গত বছরের আগস্টে দেশের বাজারে আপেল ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। মৌসুম না হওয়ায় দেশের বাজারে তখন প্রতি কেজি টমেটোর দর ছিল ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা। কাঁচামরিচের দর অস্বাভাবিক বেড়ে ঢাকার বাজারে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় উঠেছিল বলে জানা গেছে।
কাঁচামরিচ আমদানির জন্য আলাদাভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হয়। সাধারণভাবে দেশে উৎপাদন বা অন্য কোনো কারণে হঠাৎ দর বেড়ে গেলে তখন আমদানির অনুমোদন দেয় মন্ত্রণালয়। গত বছরের আগস্টে দর বেড়ে যাওয়ায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সীমিত পরিসরে আমদানির অনুমোদন দেয়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আপেলসহ যে কোনো ফল আমদানিতে ১৩৬ শতাংশ শুল্ক কর দিতে হয়। আর কাঁচামরিচ ও টমেটোতে নির্দিষ্ট শুল্ক নির্ধারিত নেই। বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় শুল্ক আরোপ করা হয়। গত বছরের আগস্টে প্রতি কেজিতে শুল্ক নেওয়া হয়েছিল ৩৬ থেকে ৪০ টাকা। টমেটো আমদানির ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি নেওয়া হয়।
গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজ গত বছরের ৩ আগস্ট ভারতের সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজ থেকে ৫৪ হাজার ৩৯৫ ডলারের পণ্য আমদানির এলসি খোলে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন মনিটরিং সিস্টেমে পরীক্ষামূলকভাবে তথ্য যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রতি কেজি আপেল ২৭ সেন্ট বা ৩৩ টাকা এবং টমেটো ও কাঁচামরিচ ২৩ সেন্ট বা ২৮ টাকায় আমদানি দেখানো হয়। আন্তর্জাতিক ও দেশীয় মূল্যের তুলনায় অস্বাভাবিক কম হওয়ায় বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে সন্দেহ হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজের তিন বছরের তথ্য পর্যালোচনা করে। প্রতিষ্ঠানটি চলতি অর্থবছরের নভেম্বর পর্যন্ত এবং ২০২৪-২৫ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট এক কোটি ২ লাখ ৮৬ হাজার ডলারের পণ্য আমদানি করে।
বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্যমান ১২৫ কোটি ২৭ লাখ টাকার বেশি। এসব আমদানির অধিকাংশ পশ্চিমবঙ্গের সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজ থেকে। এই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনলাইন বিজ্ঞাপন থেকে দেখা যাচ্ছে, তারা মূলত শাড়ি, থ্রি-পিস, ইমিটেশন জুয়েলারি বিক্রি করে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজের ‘ডিউ ডিলিজেন্স রিপোর্ট’ থেকে নিশ্চিত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি আসলে ফল বা শাকসবজি ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। তারা গার্মেন্টস ও ফ্যাশনেবল গহনা বিক্রি করে। এ বিষয়ে আমদানিকারক মজিবুর রহমানের বক্তব্য–সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজ এখন ফলের ব্যবসা করে। আগে হয়তো করত না।
বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা তলব করে। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের কাছে পাঠানো চিঠিতে অনেক কম দরে আমদানির বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। আবার যে প্রতিষ্ঠান থেকে ওই আমদানি দেখানো হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি অন্য খাতের ব্যবসায়ী বলে সেখানে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজের আইআরসিতে ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যথাক্রমে ২০ ও ৫০ কোটি টাকার আমদানি স্ল্যাব নির্ধারিত থাকলেও আমদানি কীভাবে ২৬ কোটি ৪০ লাখ এবং ৮৫ কোটি ১৮ লাখ টাকার পণ্য আমদানির সুযোগ পেলো, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। প্রিমিয়ার ব্যাংকের কাছেও আমদানি সীমা লঙ্ঘন এবং বাজার মূল্যের তুলনায় অনেক কম দরে ফলসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক জবাবে জানিয়েছে, ভারতে ফলের অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে কম দরে আমদানি সম্ভব হয়েছে। আবার আমদানি করা ফল ছোট মানের এবং ২৫ শতাংশ পর্যন্ত নষ্ট ছিল। এসব কারণে কম দরে আমদানি সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে যা সন্তোষজনক মনে হয়নি।
আমদানিনীতি আদেশ অনুযায়ী, আমদানির করার সময় আন্তর্জাতিক বাজারে দর এবং পণ্যের গুণগত মান যাচাই করা বাধ্যতামূলক। কোনো ব্যাংক এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে তা অপরাধ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যালোচনা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেনেশুনে বাজার মূল্যের চেয়ে কম এবং নষ্ট বা নিম্নমানের পণ্য আমদানি করতে দেওয়ার সুযোগ নেই। আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে কম দরে আমদানির মাধ্যমে হুন্ডিতে অর্থ পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, এখানে হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচারের বিষয়টি নিশ্চিত।
দেশে যখন ৩০০ টাকায় কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে, তখন আমদানি দেখানো হয়েছে ২৮ টাকায়। মাত্র ৩৩ টাকা কেজি দরে আপেল আমদানি দেখানো হয়। পুরান ঢাকার প্রতিষ্ঠান গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজ অস্বাভাবিক কম দর দেখিয়ে এভাবে ভারত থেকে ১২৫ কোটি টাকার আমদানি করেছে।
গত তিন বছর ধরে যে প্রতিষ্ঠান থেকে বেশির ভাগ আমদানি দেখানো হয়, সেটি মূলত শাড়ি-গহনা বিক্রেতা। বিষয়টি এলসি ইস্যুকারী ব্যাংক এবং কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নজর এড়ালেও বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে। অর্থ পাচার সন্দেহে এখন পুরো ঘটনা তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মূলত তিনটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসব আমদানি করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখায় ১৭৪টি এলসির বিপরীতে আমদানি দেখানো হয় ৮৮ কোটি ৮৭ লাখ টাকার ফল। প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৪৬টি এলসির বিপরীতে ২৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকার আমদানি হয়েছে।
আর ইসলামী ব্যাংক ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১১টি এলসির বিপরীতে ৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা সমমূল্যের আমদানি করেছে। ইসলামী ব্যাংক পরবর্তী সময়ে আর এলসি না খোলায় স্ট্যান্ডার্ড ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের অনিয়ম উদ্ঘাটন করে শাস্তির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রাথমিকভাবে তিন বছরে গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজের মোট ২৩১টি এলসির বিপরীতে প্রায় এক কোটি ৩ লাখ ডলারের আমদানির তথ্য পেয়েছে।
এ বিষয়ে গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মজিবুর রহমান বলেন, ভারত থেকে তিনি ২৭ সেন্ট দরে আমদানি করেছিলেন। তবে শুল্ককর পরিশোধ, পরিবহণ খরচ এবং ২৫ শতাংশ মতো ড্যামারেজ হিসাব করে দেশের বাজারে বিক্রি করেন। সব মিলিয়ে ওই সময় দেশের বাজারে তিনি ১৮০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে আপেল বিক্রি করেছিলেন।
তার দাবি, হুন্ডিতে কোনো টাকা লেনদেন হয়নি। ভারতে শুল্ক কর্তৃপক্ষ আছে। আবার বাংলাদেশে অন্তত ৭০ সেন্ট ধরে শুল্কায়ন করা হয়। ব্যাংক বাজার যাচাই করে এরপর এলসি ইস্যু করে। সুতরাং কম বা বেশি দর দেখানোর সুযোগ নেই।
ভারতের ফলসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের দরের তথ্য সরবরাহকারী সাইট ‘নাপান্টার’ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২১ আগস্ট আপেলের সর্বনিম্ন দর ছিল ১৭০ টাকা কেজি। আর সর্বোচ্চ ছিল ১৯০ টাকা কেজি। ওইদিন মানভেদে কাঁচামরিচের কেজি ৬৭ থেকে ১২০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয় ৫৮ থেকে ৬৫ টাকা দরে। এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আপেল সর্বনিম্ন ৭০ সেন্ট ধরে শুল্কায়ন করবে। টমেটো ও কাঁচামরিচ শুল্কায়ন করতে হবে অন্তত ৫০ সেন্ট ধরে।
গত বছরের আগস্টে দেশের বাজারে আপেল ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। মৌসুম না হওয়ায় দেশের বাজারে তখন প্রতি কেজি টমেটোর দর ছিল ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা। কাঁচামরিচের দর অস্বাভাবিক বেড়ে ঢাকার বাজারে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় উঠেছিল বলে জানা গেছে।
কাঁচামরিচ আমদানির জন্য আলাদাভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হয়। সাধারণভাবে দেশে উৎপাদন বা অন্য কোনো কারণে হঠাৎ দর বেড়ে গেলে তখন আমদানির অনুমোদন দেয় মন্ত্রণালয়। গত বছরের আগস্টে দর বেড়ে যাওয়ায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সীমিত পরিসরে আমদানির অনুমোদন দেয়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আপেলসহ যে কোনো ফল আমদানিতে ১৩৬ শতাংশ শুল্ক কর দিতে হয়। আর কাঁচামরিচ ও টমেটোতে নির্দিষ্ট শুল্ক নির্ধারিত নেই। বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় শুল্ক আরোপ করা হয়। গত বছরের আগস্টে প্রতি কেজিতে শুল্ক নেওয়া হয়েছিল ৩৬ থেকে ৪০ টাকা। টমেটো আমদানির ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি নেওয়া হয়।
গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজ গত বছরের ৩ আগস্ট ভারতের সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজ থেকে ৫৪ হাজার ৩৯৫ ডলারের পণ্য আমদানির এলসি খোলে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন মনিটরিং সিস্টেমে পরীক্ষামূলকভাবে তথ্য যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রতি কেজি আপেল ২৭ সেন্ট বা ৩৩ টাকা এবং টমেটো ও কাঁচামরিচ ২৩ সেন্ট বা ২৮ টাকায় আমদানি দেখানো হয়। আন্তর্জাতিক ও দেশীয় মূল্যের তুলনায় অস্বাভাবিক কম হওয়ায় বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে সন্দেহ হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজের তিন বছরের তথ্য পর্যালোচনা করে। প্রতিষ্ঠানটি চলতি অর্থবছরের নভেম্বর পর্যন্ত এবং ২০২৪-২৫ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট এক কোটি ২ লাখ ৮৬ হাজার ডলারের পণ্য আমদানি করে।
বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্যমান ১২৫ কোটি ২৭ লাখ টাকার বেশি। এসব আমদানির অধিকাংশ পশ্চিমবঙ্গের সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজ থেকে। এই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনলাইন বিজ্ঞাপন থেকে দেখা যাচ্ছে, তারা মূলত শাড়ি, থ্রি-পিস, ইমিটেশন জুয়েলারি বিক্রি করে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজের ‘ডিউ ডিলিজেন্স রিপোর্ট’ থেকে নিশ্চিত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি আসলে ফল বা শাকসবজি ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। তারা গার্মেন্টস ও ফ্যাশনেবল গহনা বিক্রি করে। এ বিষয়ে আমদানিকারক মজিবুর রহমানের বক্তব্য–সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজ এখন ফলের ব্যবসা করে। আগে হয়তো করত না।
বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা তলব করে। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের কাছে পাঠানো চিঠিতে অনেক কম দরে আমদানির বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। আবার যে প্রতিষ্ঠান থেকে ওই আমদানি দেখানো হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি অন্য খাতের ব্যবসায়ী বলে সেখানে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজের আইআরসিতে ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যথাক্রমে ২০ ও ৫০ কোটি টাকার আমদানি স্ল্যাব নির্ধারিত থাকলেও আমদানি কীভাবে ২৬ কোটি ৪০ লাখ এবং ৮৫ কোটি ১৮ লাখ টাকার পণ্য আমদানির সুযোগ পেলো, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। প্রিমিয়ার ব্যাংকের কাছেও আমদানি সীমা লঙ্ঘন এবং বাজার মূল্যের তুলনায় অনেক কম দরে ফলসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক জবাবে জানিয়েছে, ভারতে ফলের অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে কম দরে আমদানি সম্ভব হয়েছে। আবার আমদানি করা ফল ছোট মানের এবং ২৫ শতাংশ পর্যন্ত নষ্ট ছিল। এসব কারণে কম দরে আমদানি সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে যা সন্তোষজনক মনে হয়নি।
আমদানিনীতি আদেশ অনুযায়ী, আমদানির করার সময় আন্তর্জাতিক বাজারে দর এবং পণ্যের গুণগত মান যাচাই করা বাধ্যতামূলক। কোনো ব্যাংক এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে তা অপরাধ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যালোচনা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেনেশুনে বাজার মূল্যের চেয়ে কম এবং নষ্ট বা নিম্নমানের পণ্য আমদানি করতে দেওয়ার সুযোগ নেই। আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে কম দরে আমদানির মাধ্যমে হুন্ডিতে অর্থ পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, এখানে হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচারের বিষয়টি নিশ্চিত।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৩:২২
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১২
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৪
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১