১৭ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০০
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে অন্তত ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) দিবাগত রাত দেড় টার দিকে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
এতে প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন জুয়েলারি ব্যবসায়ী অসীম কর্মকার ও কমল দাস, স্টুডিও ব্যবসায়ী মো. ফরুক হোসেন, পুতুল ফটোস্ট্যাট, কালু দাস মোবাইল সার্ভিসিং, বদির ক্রোকারিজ, আনসার সিকদার মুদি মনোহরি, আরাফ কসমেটিকস, হাসান চাউলের দোকান, টুটুল কসমেটিকস, নিখিল খলিফা ও উজ্জ্বল ভ্যারাইটিজ স্টোর।
এর মধ্যে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে কমল দাস, অসীম কর্মকার, আরাফ কসমেটিকস, টুটুল কসমেটিকস, উজ্জ্বল ভ্যারাইটিজ স্টোর ও ফরুক স্টুডিও সহ অন্তত ৭টি দোকান। বাকি ৪টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানান, রাত দেড় টার দিকে মো. হাসানের চাউলের দোকানে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয়রা আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলেও দ্রুত আশপাশের দোকান গুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
জুয়েলারি ব্যবসায়ী অসীম কর্মকার বলেন, “গভীর রাতে আগুন লাগার কারণে কিছুই রক্ষা করতে পারিনি।
মুহুর্তেই আমার সব শেষ হয়ে গেছে।” বাউফল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ওয়্যার হাউ সইন্সপেক্টর সাব্বির হোসেন জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করেন।
তবে এরই মধ্যে কয়েকটি দোকান পুড়েযায়। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় আগুন পাশের স্থাপনাগুলোতে ছড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে অন্তত ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) দিবাগত রাত দেড় টার দিকে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
এতে প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন জুয়েলারি ব্যবসায়ী অসীম কর্মকার ও কমল দাস, স্টুডিও ব্যবসায়ী মো. ফরুক হোসেন, পুতুল ফটোস্ট্যাট, কালু দাস মোবাইল সার্ভিসিং, বদির ক্রোকারিজ, আনসার সিকদার মুদি মনোহরি, আরাফ কসমেটিকস, হাসান চাউলের দোকান, টুটুল কসমেটিকস, নিখিল খলিফা ও উজ্জ্বল ভ্যারাইটিজ স্টোর।
এর মধ্যে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে কমল দাস, অসীম কর্মকার, আরাফ কসমেটিকস, টুটুল কসমেটিকস, উজ্জ্বল ভ্যারাইটিজ স্টোর ও ফরুক স্টুডিও সহ অন্তত ৭টি দোকান। বাকি ৪টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানান, রাত দেড় টার দিকে মো. হাসানের চাউলের দোকানে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয়রা আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলেও দ্রুত আশপাশের দোকান গুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
জুয়েলারি ব্যবসায়ী অসীম কর্মকার বলেন, “গভীর রাতে আগুন লাগার কারণে কিছুই রক্ষা করতে পারিনি।
মুহুর্তেই আমার সব শেষ হয়ে গেছে।” বাউফল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ওয়্যার হাউ সইন্সপেক্টর সাব্বির হোসেন জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করেন।
তবে এরই মধ্যে কয়েকটি দোকান পুড়েযায়। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় আগুন পাশের স্থাপনাগুলোতে ছড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

২০ জুন, ২০২৬ ২০:৫৯
ভোলার লালমোহন উপজেলা থেকে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেয়া ৩১ বস্তা ইউরিয়া সার ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার লর্ডহাডিঞ্জ ইউনিয়নের মেঘনা নদীর গাইট্টার খাল এলাকা দিয়ে ট্রলারে করে সার পাচারের কথা ইউএনওকে জানান স্থানীয়রা।
এরপর ইউএনও তাৎক্ষণিক গ্রাম পুলিশ ও পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠান। তবে তাদের পৌঁছানোর আগেই পাচারকারীরা খবর পেয়ে ট্রলারের মধ্যে রাখা ৩১ বস্তা ইউরিয়া সার রেখে ২টি ট্রাকে করে বাকি সার নিয়ে দ্রুত সরে যান। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মো. আলাউদ্দিন জানান, শুক্রবার রাতে ইউএনও অফিস থেকে জানানো হয় গাইট্টার খাল এলাকা দিয়ে সার পাচার করা হচ্ছে।
খবর পেয়ে দ্রুত এখানে গিয়ে দেখি ট্রলারের ভেতর ৩১ বস্তা সার ও দুইজন পুলিশ বসে আছেন। শনিবার বিকেলে এসিল্যান্ড স্যার এসে সারগুলো জব্দ করে লালমোহন কৃষি অফিসে নিয়ে যান। ট্রলারটি আমাদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কে বা কারা এই সার এনেছে তা জানা যায়নি এবং ট্রলারের নামও নেই, মালিককেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের নেতা মাসুদ খান ও ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়ার নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারে সার পাচার করা হচ্ছে। মাসুদ খান লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের একজন সার ব্যবসায়ী।
সার ব্যবসায়ী হওয়ার সুবাধে তিনি এবং চেয়ারম্যান মিলে মেঘনা নদী দিয়ে সার পাচার করছেন। এ ব্যাপারে জানতে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের নেতা ও সার ব্যবসায়ী মাসুদ খানের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি জানান, আমি গাড়িতে রয়েছি। গাড়ি থেকে নেমে কথা বলবেন বলেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
তবে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়া বলেন, সার পাচারের ব্যাপারে আমি সকালে জানতে পেরেছি। আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য একটি পক্ষ শত্রুতা করে আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছেন। এই পাচারের সঙ্গে এলাকার ও নেয়াখালীর কিছু লোক জড়িত থাকতে পারে।
এলাকার কারা জড়িত তাদের নাম জানতে চাইলে তিনি তাদের পরিচয় বলতে রাজি হননি। এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেজওয়ানুল হক জানান, খবর পেয়ে ৩১ বস্তা সার ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে।
সারগুলো উপজেলা কৃষি অফিসের গুদামে হস্তান্তর করা হয়েছে। ট্রলারটি স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্যদের জিম্মায় রাখা হয়েছে। একজন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বাদি হয়ে এ ঘটনায় মামলা করবেন।
ভোলার লালমোহন উপজেলা থেকে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেয়া ৩১ বস্তা ইউরিয়া সার ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার লর্ডহাডিঞ্জ ইউনিয়নের মেঘনা নদীর গাইট্টার খাল এলাকা দিয়ে ট্রলারে করে সার পাচারের কথা ইউএনওকে জানান স্থানীয়রা।
এরপর ইউএনও তাৎক্ষণিক গ্রাম পুলিশ ও পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠান। তবে তাদের পৌঁছানোর আগেই পাচারকারীরা খবর পেয়ে ট্রলারের মধ্যে রাখা ৩১ বস্তা ইউরিয়া সার রেখে ২টি ট্রাকে করে বাকি সার নিয়ে দ্রুত সরে যান। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মো. আলাউদ্দিন জানান, শুক্রবার রাতে ইউএনও অফিস থেকে জানানো হয় গাইট্টার খাল এলাকা দিয়ে সার পাচার করা হচ্ছে।
খবর পেয়ে দ্রুত এখানে গিয়ে দেখি ট্রলারের ভেতর ৩১ বস্তা সার ও দুইজন পুলিশ বসে আছেন। শনিবার বিকেলে এসিল্যান্ড স্যার এসে সারগুলো জব্দ করে লালমোহন কৃষি অফিসে নিয়ে যান। ট্রলারটি আমাদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কে বা কারা এই সার এনেছে তা জানা যায়নি এবং ট্রলারের নামও নেই, মালিককেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের নেতা মাসুদ খান ও ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়ার নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারে সার পাচার করা হচ্ছে। মাসুদ খান লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের একজন সার ব্যবসায়ী।
সার ব্যবসায়ী হওয়ার সুবাধে তিনি এবং চেয়ারম্যান মিলে মেঘনা নদী দিয়ে সার পাচার করছেন। এ ব্যাপারে জানতে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের নেতা ও সার ব্যবসায়ী মাসুদ খানের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি জানান, আমি গাড়িতে রয়েছি। গাড়ি থেকে নেমে কথা বলবেন বলেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
তবে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়া বলেন, সার পাচারের ব্যাপারে আমি সকালে জানতে পেরেছি। আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য একটি পক্ষ শত্রুতা করে আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছেন। এই পাচারের সঙ্গে এলাকার ও নেয়াখালীর কিছু লোক জড়িত থাকতে পারে।
এলাকার কারা জড়িত তাদের নাম জানতে চাইলে তিনি তাদের পরিচয় বলতে রাজি হননি। এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেজওয়ানুল হক জানান, খবর পেয়ে ৩১ বস্তা সার ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে।
সারগুলো উপজেলা কৃষি অফিসের গুদামে হস্তান্তর করা হয়েছে। ট্রলারটি স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্যদের জিম্মায় রাখা হয়েছে। একজন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বাদি হয়ে এ ঘটনায় মামলা করবেন।

২০ জুন, ২০২৬ ২০:১০
প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা ও ওই টাকায় কেনা জমি বুঝে পেতে চাওয়ায় শ্বশুর ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রবাসফেরত মেয়ের স্বামীকে গাছের সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় চাচা শ্বশুর আসাদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ জুন) শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানায় শ্বশুরসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী মরিয়ম বেগম। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলার বাদলাকুড়া গ্রামে জামাইকে শিকলে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, নয়াবিল ইউনিয়নের বাদলাকুড়া গ্রামের মহর উদ্দিনের মেয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে সোরহাব হোসেন বাবুর বিয়ে হয়।
সোরহাব হোসেন দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে শ্বশুর মহর উদ্দিনকে জমি কেনার জন্য মোট ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার দেন। পরবর্তীতে আরও দেড় লাখ টাকা দেন শ্বশুরকে।
বৃহস্পতিবার পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে শ্বশুর মহর উদ্দিনের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে শ্বশুরপক্ষের লোকজন সোরহাব হোসেনকে আটক করে শিকল দিয়ে নারকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা ও ওই টাকায় কেনা জমি বুঝে পেতে চাওয়ায় শ্বশুর ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রবাসফেরত মেয়ের স্বামীকে গাছের সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় চাচা শ্বশুর আসাদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ জুন) শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানায় শ্বশুরসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী মরিয়ম বেগম। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলার বাদলাকুড়া গ্রামে জামাইকে শিকলে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, নয়াবিল ইউনিয়নের বাদলাকুড়া গ্রামের মহর উদ্দিনের মেয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে সোরহাব হোসেন বাবুর বিয়ে হয়।
সোরহাব হোসেন দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে শ্বশুর মহর উদ্দিনকে জমি কেনার জন্য মোট ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার দেন। পরবর্তীতে আরও দেড় লাখ টাকা দেন শ্বশুরকে।
বৃহস্পতিবার পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে শ্বশুর মহর উদ্দিনের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে শ্বশুরপক্ষের লোকজন সোরহাব হোসেনকে আটক করে শিকল দিয়ে নারকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছেন। এখন নব্য ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানাতে প্রয়োজন হলে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সংসদে এ বিষয়ে সমাধান না হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনগণের কাছে গিয়ে আমাদের অবস্থান তুলে ধরব।
যেখানে কথা বলতে স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন হয় না, সেখানে আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলব। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশায় পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু জনগণের সেই প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।
সীমান্ত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে দেশের জনগণ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে। কোনো বিদেশি আধিপত্য বা আগ্রাসনের সামনে বাংলাদেশ মাথা নত করবে না।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ এবং মাওলানা মামুনুল হক।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছেন। এখন নব্য ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানাতে প্রয়োজন হলে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সংসদে এ বিষয়ে সমাধান না হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনগণের কাছে গিয়ে আমাদের অবস্থান তুলে ধরব।
যেখানে কথা বলতে স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন হয় না, সেখানে আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলব। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশায় পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু জনগণের সেই প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।
সীমান্ত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে দেশের জনগণ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে। কোনো বিদেশি আধিপত্য বা আগ্রাসনের সামনে বাংলাদেশ মাথা নত করবে না।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ এবং মাওলানা মামুনুল হক।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২০ জুন, ২০২৬ ২০:৫৯
২০ জুন, ২০২৬ ২০:১০
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২