বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) নতুন প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসাইন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
তবে দায়িত্বপ্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই এই নিয়োগ ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম জনপ্রিয় ফেসবুক গ্রুপ ‘লিংকার্স ইন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়’-এ শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ 'জুলাই মাসেই আওয়ামী লীগ পূর্নবাসিত হচ্ছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে'। জানা যায়, ২০২৩ সালে বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাত'র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির তালিকার ৬ নম্বরে ছিলেন সদ্য প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) পদে নিয়োগ পাওয়া ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।
গণঅভ্যুত্থানের মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিকে গুরুপ্তপূর্ণ পদে নিয়োগকে হুমকি হিসেবে দেখছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও মৃত্তিকা ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সুজয় শুভ বলেন, 'আমরা ভেবেছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুপ্তপূর্ন পদগুলোতে এমন ব্যাক্তি পদায়ন করা হবে যারা রাজনীতি মুক্ত। কিন্তু প্রচন্ড হতাশার সাথে খেয়াল করেছি ঘুরে ফিরে সেই আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের পুনবার্সিত করা হচ্ছে'।
এদিকে নতুন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন মুঠোফোনে বলেন, 'আমার গ্রামের বাড়ি জামালপুরে এবং আমি সেখানের ভোটার। আমি কেনো বরিশালের কোন নির্বাচনের কমিটির দায়িত্বে থাকবো। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে সাখাওয়াত হোসেন নামে আর একজন শিক্ষক রয়েছে। হয়তো তার নামের সাথে মিল থাকায় আমার নাম ওখানে এসেছে'।
তবে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ওই তালিকা থেকে পাওয়া মুঠোফোন নম্বর থেকেই আপনার সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে- এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তোর তিনি দিতে পারেননি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলমান ছাত্রআন্দোলনের চাপে একাধিকবার পরিবর্তন এসেছে প্রক্টর পদে। আন্দোলনের মুখে সরে দাঁড়ান ড. মো. আব্দুল কাইউম। এরপর প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব পান ড. রাহাত হোসেন ফয়সাল, পরে ড. এ টি এম রফিকুল ইসলাম ও সর্বশেষ ড. সনিয়া খান সনি। তবে পাঁচ মাস দায়িত্বে থাকলেও ড. সনিয়া কার্যত নিষ্ক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৩৩
গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনও
বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে। একই প্রতিবেদনে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত খাতভিত্তিক হিসাব প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সাত হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ও সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সম্পদসংক্রান্ত ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নৌকা ও নৌকাঘাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়গুলো পৃথকভাবে অনুসন্ধানের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় সরকার খাতের ৬৬টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্থাপনার ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ঘটনায় ১৮৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়, কমিউনিটি সেন্টার ও মার্কেটের দোকানভাড়া এবং অন্যান্য রাজস্ব খাতেও আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।'
গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনও
বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে। একই প্রতিবেদনে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত খাতভিত্তিক হিসাব প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সাত হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ও সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সম্পদসংক্রান্ত ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নৌকা ও নৌকাঘাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়গুলো পৃথকভাবে অনুসন্ধানের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় সরকার খাতের ৬৬টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্থাপনার ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ঘটনায় ১৮৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়, কমিউনিটি সেন্টার ও মার্কেটের দোকানভাড়া এবং অন্যান্য রাজস্ব খাতেও আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।'

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩৮
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) নামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈও অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) নামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈও অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:৩২
বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত আবহাওয়াবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পায়রা, মোংলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন ও সাগরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর বাংলাদেশের উপকূলে এর প্রভাব নির্ভর করবে। তাই জেলে, ট্রলারচালক ও উপকূলীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।
বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত আবহাওয়াবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পায়রা, মোংলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন ও সাগরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর বাংলাদেশের উপকূলে এর প্রভাব নির্ভর করবে। তাই জেলে, ট্রলারচালক ও উপকূলীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।

১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৪১
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) নতুন প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসাইন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
তবে দায়িত্বপ্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই এই নিয়োগ ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম জনপ্রিয় ফেসবুক গ্রুপ ‘লিংকার্স ইন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়’-এ শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ 'জুলাই মাসেই আওয়ামী লীগ পূর্নবাসিত হচ্ছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে'। জানা যায়, ২০২৩ সালে বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাত'র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির তালিকার ৬ নম্বরে ছিলেন সদ্য প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) পদে নিয়োগ পাওয়া ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।
গণঅভ্যুত্থানের মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিকে গুরুপ্তপূর্ণ পদে নিয়োগকে হুমকি হিসেবে দেখছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও মৃত্তিকা ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সুজয় শুভ বলেন, 'আমরা ভেবেছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুপ্তপূর্ন পদগুলোতে এমন ব্যাক্তি পদায়ন করা হবে যারা রাজনীতি মুক্ত। কিন্তু প্রচন্ড হতাশার সাথে খেয়াল করেছি ঘুরে ফিরে সেই আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের পুনবার্সিত করা হচ্ছে'।
এদিকে নতুন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন মুঠোফোনে বলেন, 'আমার গ্রামের বাড়ি জামালপুরে এবং আমি সেখানের ভোটার। আমি কেনো বরিশালের কোন নির্বাচনের কমিটির দায়িত্বে থাকবো। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে সাখাওয়াত হোসেন নামে আর একজন শিক্ষক রয়েছে। হয়তো তার নামের সাথে মিল থাকায় আমার নাম ওখানে এসেছে'।
তবে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ওই তালিকা থেকে পাওয়া মুঠোফোন নম্বর থেকেই আপনার সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে- এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তোর তিনি দিতে পারেননি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলমান ছাত্রআন্দোলনের চাপে একাধিকবার পরিবর্তন এসেছে প্রক্টর পদে। আন্দোলনের মুখে সরে দাঁড়ান ড. মো. আব্দুল কাইউম। এরপর প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব পান ড. রাহাত হোসেন ফয়সাল, পরে ড. এ টি এম রফিকুল ইসলাম ও সর্বশেষ ড. সনিয়া খান সনি। তবে পাঁচ মাস দায়িত্বে থাকলেও ড. সনিয়া কার্যত নিষ্ক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।