
০২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০১:০৩
প্রথমবারের মতো বরিশালে সমাবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামসহ ইসলামপন্থী আটটি দল। শহরের বেলসপার্ক মাঠে মঙ্গলবারের (২ ডিসেম্বর) এই সমাবেশকে ঘিরে ব্যাপক আয়োজন করা হয়েছে। গত তিনদিন ধরে মঞ্চ তৈরি করা থেকে শুরু করে কর্মী-সমর্থকদের অবস্থান নেওয়ার জন্য বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। বিভাগীয় শহরের এই সমাবেশে ১০ লক্ষধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে প্রত্যাশা করছেন বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন এবং জামায়াত ইসলামীসহ দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব। এমনকি সমাবেশের একদিন আগে অর্থাৎ সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেও ৮টি দলের নেতারা বিপুলসংখ্যক লোক সমাবেত হওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত করেছেন।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হওয়া গেছে, অতীতে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি থাকলেও গত বছরের জুলাই আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে একত্রিত হয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে একই বছরের ৫ আগস্ট সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগে বাধ্য হলে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ঐক্য ধরে রাখতে কৌশল নেয়। শোনা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে এই আটটি দল মোর্চা গঠন করার ব্যাপক সম্ভবনা রয়েছে, যার প্রাকপ্রস্তুতি শুরু করেছে বরিশালে বিভাগীয় সমাবেশের মধ্যে দিয়ে।
শহরের বান্দরোডস্থ ঐতিহ্যবাহী বেলসপার্ক মাঠে মঙ্গলবারের এই সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) দক্ষিণাঞ্চলের ২১ টি সংসদীয় আসন থেকে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আসতে চাইছে। পাশাপাশি মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও কর্মী-অনুসারীরা আসছেন।
সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনের আগেই জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়াসহ ৫ দফার স্বপক্ষে আটটি ইসলামিক দল একত্রিত হওয়া রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি করবে। বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপিসহ অপরাপর রাজনৈতিক দলগুলো তার প্রভাব কিছুটা আচ করতে পারছে।
রাজনৈতিক কুশীলবদের মতে, ইসলাম ভিত্তিক আটটি দল বরিশালে সমাবেশ করে ব্যাপক লোকসমাগম ঘটিয়ে রাজনীতিতে আলোচনায় থাকতে চাইছে। এবং বিভাগীয় শহর বরিশালে তাদের শক্তপোক্ত অবস্থান থাকার বিষয়টিও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে তুলে ধরতে চায়।
সমাবেশকে ঘিরে সর্বশেষ বরিশালে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনসহ উল্লেখিত আটটি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব। সোমবার অপরাহ্নে বরিশাল শহরের একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাদের ৫ দফা তুলে ধরাসহ ২ ডিসেম্বর বেলসপার্কের সমাবেশকে জনসমুদ্রে রূপ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
৮ দলের প্রতিনিধিরা জানান, মঙ্গলবার বিভাগীয় সমাবেশে ১০ লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মানুষের সমাগম ঘটবে এবং এর মাধ্যমে ইসলামিক দলগুলোর মধ্যে দুরত্ব কমে আসবে। আয়োজিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম পির সাহেব চরমোনাই। এবং সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
সূত্রে জানা গেছে, সমাবেশে উল্লেখিত আটটি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন এবং আগামীতে নিজেদের মধ্যেকার বিরোধ ভুলে কি ভাবে এক কাতারে আসা যায় তা নিয়ে মতামত তুলে ধরবেন। এই তথ্য অস্বীকার না করলেও দলগুলোর নেতাকর্মীরা বলছেন, জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, উন্নত নৈতিকতাসমৃদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি-দুঃশাসন প্রতিরোধ এবং সর্বশ্রেণির মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
জানা গেছে, আট দলের ৫ দফার মধ্যে আছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আদেশ জারি। আদেশের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট অনুষ্ঠান। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন ও সকল পর্যায়ে লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি। জুলাই গণঅভ্যুত্থান, শাপলা ট্রাজিডি ও বিডিআর গণহত্যায় সংশ্লিষ্ট সকল মানবতাবিরোধী অপরাধীর বিচার। জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের সকল ফ্যাসিবাদের দোসর ও সহযোগিদের বিচারের আওতায় আনা এবং বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের রাজনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ রাখা।
জামায়াতের একটি সূত্র বলছে, ১০ লাখ লোক সমাবেত করে দাবিগুলো জোরালো কণ্ঠে সরকারের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি ইসলামপন্থীদের একটি সোজাপথ অনুসরণের উদাহরণ তৈরি হতে পারে বরিশাল বেলসপার্ক। তবে এই সমাবেশে ১০ লাখ বা তার বেশি লোক সমাবেত হলেও বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরির কোনো সুযোগ নেই। বরং দলটির নেতাকর্মীরা বলছেন, দেশের রাজনীতিতে বরিশাল থেকে নতুন অধ্যায় তৈরি করতে যাচ্ছে ইসলাম ভিত্তিক ৮টি দল।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলালের কণ্ঠেও এমনটা আভাস পাওয়া গেছে। এই নেতা বলেন, বরিশালে ২ ডিসেম্বরের সমাবেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে। ১০ লাখ মানুষের সমাগমে সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে রূপ নেবে।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, সমাবেশে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন ৩০০জন স্বেচ্ছাসেবক। এছাড়াও আগত মুসল্লীদের জন্য সেনিটেশন ও অজুর ব্যবস্থা থাকবে। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ মাঠ, পরেশ সাগর মাঠ, সিএন্ডবি রোড, আমতলা পানির ট্যাংকি এরিয়া, হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ, ক্লাব রোড। নৌ-পার্কিংয়ের জন্য বরিশাল লঞ্চঘাট, ডিসিঘাট ও চাঁদমারী খেয়াঘাট নির্ধারন করা হয়েছে।
আট দলের সমাবেশকে ঘিরে নগরী নিরাপদ রাখতে বরিশাল মেট্রোপলিটন এবং জেলা পুলিশের পক্ষ থেকেও ব্যাপক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে। বরিশাল পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, সমাবেশকে ঘিরে তাদের কয়েকস্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি রয়েছে। পাশাপাশি আয়োজকেরাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে।
ইসলামপন্থীদের সমাবেশ আয়োজন এবং প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে বরিশালে এক ভিন্ন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সমাবেশস্থল বেলসপার্ক মাঠে একদিন আগেই সোমবার সন্ধ্যা থেকে দলগুলোর কর্মী-অনুসারীদের আগমনে উৎসবমুখরতা তৈরি হয়। মঙ্গলবার আটটি দলের নেতারা এই সমাবেশ থেকে কর্মীদের উদ্দেশে কি বার্তা দেবেন তা নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানান আলোচনা হচ্ছে। তবে একটি প্রসঙ্গ আলোচনা খুব গুরুত্ব পেয়েছে, সেটি হচ্ছে এই সমাবেশ থেকে বরিশালের ২১ আসনে তাদের সমর্থিত একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা হওয়ার বিষয়টি শোনা যাচ্ছে।’
প্রথমবারের মতো বরিশালে সমাবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামসহ ইসলামপন্থী আটটি দল। শহরের বেলসপার্ক মাঠে মঙ্গলবারের (২ ডিসেম্বর) এই সমাবেশকে ঘিরে ব্যাপক আয়োজন করা হয়েছে। গত তিনদিন ধরে মঞ্চ তৈরি করা থেকে শুরু করে কর্মী-সমর্থকদের অবস্থান নেওয়ার জন্য বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। বিভাগীয় শহরের এই সমাবেশে ১০ লক্ষধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে প্রত্যাশা করছেন বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন এবং জামায়াত ইসলামীসহ দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব। এমনকি সমাবেশের একদিন আগে অর্থাৎ সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেও ৮টি দলের নেতারা বিপুলসংখ্যক লোক সমাবেত হওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত করেছেন।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হওয়া গেছে, অতীতে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি থাকলেও গত বছরের জুলাই আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে একত্রিত হয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে একই বছরের ৫ আগস্ট সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগে বাধ্য হলে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ঐক্য ধরে রাখতে কৌশল নেয়। শোনা যাচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে এই আটটি দল মোর্চা গঠন করার ব্যাপক সম্ভবনা রয়েছে, যার প্রাকপ্রস্তুতি শুরু করেছে বরিশালে বিভাগীয় সমাবেশের মধ্যে দিয়ে।
শহরের বান্দরোডস্থ ঐতিহ্যবাহী বেলসপার্ক মাঠে মঙ্গলবারের এই সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) দক্ষিণাঞ্চলের ২১ টি সংসদীয় আসন থেকে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আসতে চাইছে। পাশাপাশি মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও কর্মী-অনুসারীরা আসছেন।
সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনের আগেই জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়াসহ ৫ দফার স্বপক্ষে আটটি ইসলামিক দল একত্রিত হওয়া রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি করবে। বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপিসহ অপরাপর রাজনৈতিক দলগুলো তার প্রভাব কিছুটা আচ করতে পারছে।
রাজনৈতিক কুশীলবদের মতে, ইসলাম ভিত্তিক আটটি দল বরিশালে সমাবেশ করে ব্যাপক লোকসমাগম ঘটিয়ে রাজনীতিতে আলোচনায় থাকতে চাইছে। এবং বিভাগীয় শহর বরিশালে তাদের শক্তপোক্ত অবস্থান থাকার বিষয়টিও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে তুলে ধরতে চায়।
সমাবেশকে ঘিরে সর্বশেষ বরিশালে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনসহ উল্লেখিত আটটি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব। সোমবার অপরাহ্নে বরিশাল শহরের একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাদের ৫ দফা তুলে ধরাসহ ২ ডিসেম্বর বেলসপার্কের সমাবেশকে জনসমুদ্রে রূপ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
৮ দলের প্রতিনিধিরা জানান, মঙ্গলবার বিভাগীয় সমাবেশে ১০ লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মানুষের সমাগম ঘটবে এবং এর মাধ্যমে ইসলামিক দলগুলোর মধ্যে দুরত্ব কমে আসবে। আয়োজিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম পির সাহেব চরমোনাই। এবং সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
সূত্রে জানা গেছে, সমাবেশে উল্লেখিত আটটি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন এবং আগামীতে নিজেদের মধ্যেকার বিরোধ ভুলে কি ভাবে এক কাতারে আসা যায় তা নিয়ে মতামত তুলে ধরবেন। এই তথ্য অস্বীকার না করলেও দলগুলোর নেতাকর্মীরা বলছেন, জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, উন্নত নৈতিকতাসমৃদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি-দুঃশাসন প্রতিরোধ এবং সর্বশ্রেণির মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
জানা গেছে, আট দলের ৫ দফার মধ্যে আছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আদেশ জারি। আদেশের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট অনুষ্ঠান। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন ও সকল পর্যায়ে লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি। জুলাই গণঅভ্যুত্থান, শাপলা ট্রাজিডি ও বিডিআর গণহত্যায় সংশ্লিষ্ট সকল মানবতাবিরোধী অপরাধীর বিচার। জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের সকল ফ্যাসিবাদের দোসর ও সহযোগিদের বিচারের আওতায় আনা এবং বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের রাজনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ রাখা।
জামায়াতের একটি সূত্র বলছে, ১০ লাখ লোক সমাবেত করে দাবিগুলো জোরালো কণ্ঠে সরকারের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি ইসলামপন্থীদের একটি সোজাপথ অনুসরণের উদাহরণ তৈরি হতে পারে বরিশাল বেলসপার্ক। তবে এই সমাবেশে ১০ লাখ বা তার বেশি লোক সমাবেত হলেও বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরির কোনো সুযোগ নেই। বরং দলটির নেতাকর্মীরা বলছেন, দেশের রাজনীতিতে বরিশাল থেকে নতুন অধ্যায় তৈরি করতে যাচ্ছে ইসলাম ভিত্তিক ৮টি দল।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলালের কণ্ঠেও এমনটা আভাস পাওয়া গেছে। এই নেতা বলেন, বরিশালে ২ ডিসেম্বরের সমাবেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে। ১০ লাখ মানুষের সমাগমে সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে রূপ নেবে।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, সমাবেশে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন ৩০০জন স্বেচ্ছাসেবক। এছাড়াও আগত মুসল্লীদের জন্য সেনিটেশন ও অজুর ব্যবস্থা থাকবে। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ মাঠ, পরেশ সাগর মাঠ, সিএন্ডবি রোড, আমতলা পানির ট্যাংকি এরিয়া, হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ, ক্লাব রোড। নৌ-পার্কিংয়ের জন্য বরিশাল লঞ্চঘাট, ডিসিঘাট ও চাঁদমারী খেয়াঘাট নির্ধারন করা হয়েছে।
আট দলের সমাবেশকে ঘিরে নগরী নিরাপদ রাখতে বরিশাল মেট্রোপলিটন এবং জেলা পুলিশের পক্ষ থেকেও ব্যাপক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে। বরিশাল পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, সমাবেশকে ঘিরে তাদের কয়েকস্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি রয়েছে। পাশাপাশি আয়োজকেরাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে।
ইসলামপন্থীদের সমাবেশ আয়োজন এবং প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে বরিশালে এক ভিন্ন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সমাবেশস্থল বেলসপার্ক মাঠে একদিন আগেই সোমবার সন্ধ্যা থেকে দলগুলোর কর্মী-অনুসারীদের আগমনে উৎসবমুখরতা তৈরি হয়। মঙ্গলবার আটটি দলের নেতারা এই সমাবেশ থেকে কর্মীদের উদ্দেশে কি বার্তা দেবেন তা নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানান আলোচনা হচ্ছে। তবে একটি প্রসঙ্গ আলোচনা খুব গুরুত্ব পেয়েছে, সেটি হচ্ছে এই সমাবেশ থেকে বরিশালের ২১ আসনে তাদের সমর্থিত একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা হওয়ার বিষয়টি শোনা যাচ্ছে।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫