
১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৯
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সাবেক ভিপি ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষারকে আটক করেছে পুলিশ। রাজধানী ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কজন ব্যক্তি-বিশেষ তাকে প্রকাশ্য রাস্তায় আটক করে মারধর করে। পরে সংশ্লিষ্ট উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র প্রয়াত শওকত হোসেন হিরনপন্থী এই নেতাকে আটক এবং হেনস্থার একটি খন্ড ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতন হলে বরিশাল শহরের এক সময়কার প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষার গ্রেপ্তার এবং জনরোষ এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। তবে কয়েক মাস পরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে তিনি বরিশাল এবং ঢাকা উভয় স্থানে বসবাস করে আসছিলেন। সূত্র জানিয়েছে, শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পরে তুষারের বরিশালে প্রকাশ্যে চলাচল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তি। এরপরে বরিশাল পুলিশ তার বাসায় দফায় দফায় হানা দিলেও গ্রেপ্তারে কোনো সফলতা পায়নি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তির অভিযোগে পুলিশ তুষারকে খুঁজতে শুরু করলে তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান নেন। এবং উত্তরা থানা আওতাধীন স্বজনের বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।
উত্তরা থানা পুলিশ বরিশালটাইমসকে মুঠোফোনে নিশ্চিত করে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতের দিকে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালের সামনে কয়েকজন যুবক তুষার নামের ব্যক্তিকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে নিয়ে এসেছে।
৫৮ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অজ্ঞাত কজন যুবক বরিশালের সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতাকে চারদিক থেকে ঘিরে রাখাসহ তাদের মধ্যেকার একজন তার গলা চেপে ধরে রাখেন। তখন পুলিশের উপস্থিতিতে তুষারের গালে স্বজোরে একটি থাপ্পড় দেন যুবক। যুবকের অভিযোগ, তুষার না কী বলেছেন, ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে সব খালি হয়ে যাবে! এই দম্ভোক্তিমূলক কথার কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে যুবক তুষারকে থাপ্পড় মারেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঈন তুষার তৎকালীন সময়ে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শওকত হোসেন হিরনের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। এবং রাজপথে তার শক্তপোক্ত অবস্থান লক্ষ্যণীয় ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে আকস্মিক হিরনের মৃত্যু হলে তিনি রাজনৈতিক অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়েন। এরপরে শওকত হোসেন হিরনপত্নী জেবুন্নেছা আফরোজ বরিশাল সদর আসনে এমপি হলেও রাজনৈতিক অদূরদর্শিতার কারণে তার স্বামীর কর্মী-অনুসারীদের বলয় আর ধরে রাখতে পারেনি। ফলে ধীরে ধীরে মঈন তুষার বরিশালের ছাত্র রাজনীতিতে নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন।
তবে এর আগে ২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তার নেতৃত্ব বিএম কলেজে যোগদান করতে আসা অধ্যক্ষ শংকর চন্দ্র দত্তকে রাস্তায় ফেলে পেটানোর ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। বিতর্কিত সেই ঘটনায় একটি মামলা এবং সহযোগী কজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তুষার ছিলেন ধরাছোয়ার বাইরে, যা নিয়ে তৎকালীন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক নেতিবাচক লেখালেখি হয়েছিল।
এক সময়কার এই প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা তুষার বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর উত্তরায় আটক এবং হেনস্থার ভিডিও ফেসবুকে বিভিন্ন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এনিয়ে পোস্ট কমেন্টে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেও অনেকে এই ঘটনাকে প্রকৃতির বিচার বলে অভিহিত করেন।
বরিশাল এবং ঢাকা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলন রুখতে মঈন তুষার বরিশালে অস্ত্রসহ মহড়া দিয়েছিলেন। এবং আন্দোলনকারীদের ওপর নিজে হামলা না করলেও সহযোগীদের লেলিয়ে দিয়েছেন। এসব ঘটনাবলীতে বরিশালে তার বিরুদ্ধে অন্তত অর্ধডজন মামলা আছে।
উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিক আহমেদ বরিশালটাইমসকে জানান, বরিশালের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তুষারের বিরুদ্ধে ঢাকায় কোনো মামলা নেই। তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করাসহ বিষয়টি বরিশাল কোতয়ালি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মঈন তুষার ঢাকায় আটকের বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখেছেন। এছাড়া উত্তরা থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাকে বরিশালে নিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করা হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সাবেক ভিপি ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষারকে আটক করেছে পুলিশ। রাজধানী ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কজন ব্যক্তি-বিশেষ তাকে প্রকাশ্য রাস্তায় আটক করে মারধর করে। পরে সংশ্লিষ্ট উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র প্রয়াত শওকত হোসেন হিরনপন্থী এই নেতাকে আটক এবং হেনস্থার একটি খন্ড ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতন হলে বরিশাল শহরের এক সময়কার প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষার গ্রেপ্তার এবং জনরোষ এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। তবে কয়েক মাস পরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে তিনি বরিশাল এবং ঢাকা উভয় স্থানে বসবাস করে আসছিলেন। সূত্র জানিয়েছে, শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পরে তুষারের বরিশালে প্রকাশ্যে চলাচল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তি। এরপরে বরিশাল পুলিশ তার বাসায় দফায় দফায় হানা দিলেও গ্রেপ্তারে কোনো সফলতা পায়নি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তির অভিযোগে পুলিশ তুষারকে খুঁজতে শুরু করলে তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান নেন। এবং উত্তরা থানা আওতাধীন স্বজনের বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।
উত্তরা থানা পুলিশ বরিশালটাইমসকে মুঠোফোনে নিশ্চিত করে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতের দিকে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালের সামনে কয়েকজন যুবক তুষার নামের ব্যক্তিকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে নিয়ে এসেছে।
৫৮ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অজ্ঞাত কজন যুবক বরিশালের সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতাকে চারদিক থেকে ঘিরে রাখাসহ তাদের মধ্যেকার একজন তার গলা চেপে ধরে রাখেন। তখন পুলিশের উপস্থিতিতে তুষারের গালে স্বজোরে একটি থাপ্পড় দেন যুবক। যুবকের অভিযোগ, তুষার না কী বলেছেন, ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে সব খালি হয়ে যাবে! এই দম্ভোক্তিমূলক কথার কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে যুবক তুষারকে থাপ্পড় মারেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঈন তুষার তৎকালীন সময়ে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শওকত হোসেন হিরনের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। এবং রাজপথে তার শক্তপোক্ত অবস্থান লক্ষ্যণীয় ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে আকস্মিক হিরনের মৃত্যু হলে তিনি রাজনৈতিক অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়েন। এরপরে শওকত হোসেন হিরনপত্নী জেবুন্নেছা আফরোজ বরিশাল সদর আসনে এমপি হলেও রাজনৈতিক অদূরদর্শিতার কারণে তার স্বামীর কর্মী-অনুসারীদের বলয় আর ধরে রাখতে পারেনি। ফলে ধীরে ধীরে মঈন তুষার বরিশালের ছাত্র রাজনীতিতে নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন।
তবে এর আগে ২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তার নেতৃত্ব বিএম কলেজে যোগদান করতে আসা অধ্যক্ষ শংকর চন্দ্র দত্তকে রাস্তায় ফেলে পেটানোর ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। বিতর্কিত সেই ঘটনায় একটি মামলা এবং সহযোগী কজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তুষার ছিলেন ধরাছোয়ার বাইরে, যা নিয়ে তৎকালীন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক নেতিবাচক লেখালেখি হয়েছিল।
এক সময়কার এই প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা তুষার বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর উত্তরায় আটক এবং হেনস্থার ভিডিও ফেসবুকে বিভিন্ন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এনিয়ে পোস্ট কমেন্টে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেও অনেকে এই ঘটনাকে প্রকৃতির বিচার বলে অভিহিত করেন।
বরিশাল এবং ঢাকা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলন রুখতে মঈন তুষার বরিশালে অস্ত্রসহ মহড়া দিয়েছিলেন। এবং আন্দোলনকারীদের ওপর নিজে হামলা না করলেও সহযোগীদের লেলিয়ে দিয়েছেন। এসব ঘটনাবলীতে বরিশালে তার বিরুদ্ধে অন্তত অর্ধডজন মামলা আছে।
উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিক আহমেদ বরিশালটাইমসকে জানান, বরিশালের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তুষারের বিরুদ্ধে ঢাকায় কোনো মামলা নেই। তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করাসহ বিষয়টি বরিশাল কোতয়ালি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মঈন তুষার ঢাকায় আটকের বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখেছেন। এছাড়া উত্তরা থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাকে বরিশালে নিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করা হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫