Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৯
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সাবেক ভিপি ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষারকে আটক করেছে পুলিশ। রাজধানী ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কজন ব্যক্তি-বিশেষ তাকে প্রকাশ্য রাস্তায় আটক করে মারধর করে। পরে সংশ্লিষ্ট উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র প্রয়াত শওকত হোসেন হিরনপন্থী এই নেতাকে আটক এবং হেনস্থার একটি খন্ড ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতন হলে বরিশাল শহরের এক সময়কার প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষার গ্রেপ্তার এবং জনরোষ এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। তবে কয়েক মাস পরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে তিনি বরিশাল এবং ঢাকা উভয় স্থানে বসবাস করে আসছিলেন। সূত্র জানিয়েছে, শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পরে তুষারের বরিশালে প্রকাশ্যে চলাচল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তি। এরপরে বরিশাল পুলিশ তার বাসায় দফায় দফায় হানা দিলেও গ্রেপ্তারে কোনো সফলতা পায়নি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তির অভিযোগে পুলিশ তুষারকে খুঁজতে শুরু করলে তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান নেন। এবং উত্তরা থানা আওতাধীন স্বজনের বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।
উত্তরা থানা পুলিশ বরিশালটাইমসকে মুঠোফোনে নিশ্চিত করে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতের দিকে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালের সামনে কয়েকজন যুবক তুষার নামের ব্যক্তিকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে নিয়ে এসেছে।
৫৮ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অজ্ঞাত কজন যুবক বরিশালের সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতাকে চারদিক থেকে ঘিরে রাখাসহ তাদের মধ্যেকার একজন তার গলা চেপে ধরে রাখেন। তখন পুলিশের উপস্থিতিতে তুষারের গালে স্বজোরে একটি থাপ্পড় দেন যুবক। যুবকের অভিযোগ, তুষার না কী বলেছেন, ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে সব খালি হয়ে যাবে! এই দম্ভোক্তিমূলক কথার কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে যুবক তুষারকে থাপ্পড় মারেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঈন তুষার তৎকালীন সময়ে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শওকত হোসেন হিরনের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। এবং রাজপথে তার শক্তপোক্ত অবস্থান লক্ষ্যণীয় ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে আকস্মিক হিরনের মৃত্যু হলে তিনি রাজনৈতিক অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়েন। এরপরে শওকত হোসেন হিরনপত্নী জেবুন্নেছা আফরোজ বরিশাল সদর আসনে এমপি হলেও রাজনৈতিক অদূরদর্শিতার কারণে তার স্বামীর কর্মী-অনুসারীদের বলয় আর ধরে রাখতে পারেনি। ফলে ধীরে ধীরে মঈন তুষার বরিশালের ছাত্র রাজনীতিতে নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন।
তবে এর আগে ২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তার নেতৃত্ব বিএম কলেজে যোগদান করতে আসা অধ্যক্ষ শংকর চন্দ্র দত্তকে রাস্তায় ফেলে পেটানোর ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। বিতর্কিত সেই ঘটনায় একটি মামলা এবং সহযোগী কজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তুষার ছিলেন ধরাছোয়ার বাইরে, যা নিয়ে তৎকালীন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক নেতিবাচক লেখালেখি হয়েছিল।
এক সময়কার এই প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা তুষার বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর উত্তরায় আটক এবং হেনস্থার ভিডিও ফেসবুকে বিভিন্ন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এনিয়ে পোস্ট কমেন্টে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেও অনেকে এই ঘটনাকে প্রকৃতির বিচার বলে অভিহিত করেন।
বরিশাল এবং ঢাকা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলন রুখতে মঈন তুষার বরিশালে অস্ত্রসহ মহড়া দিয়েছিলেন। এবং আন্দোলনকারীদের ওপর নিজে হামলা না করলেও সহযোগীদের লেলিয়ে দিয়েছেন। এসব ঘটনাবলীতে বরিশালে তার বিরুদ্ধে অন্তত অর্ধডজন মামলা আছে।
উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিক আহমেদ বরিশালটাইমসকে জানান, বরিশালের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তুষারের বিরুদ্ধে ঢাকায় কোনো মামলা নেই। তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করাসহ বিষয়টি বরিশাল কোতয়ালি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মঈন তুষার ঢাকায় আটকের বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখেছেন। এছাড়া উত্তরা থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাকে বরিশালে নিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করা হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সাবেক ভিপি ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষারকে আটক করেছে পুলিশ। রাজধানী ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কজন ব্যক্তি-বিশেষ তাকে প্রকাশ্য রাস্তায় আটক করে মারধর করে। পরে সংশ্লিষ্ট উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র প্রয়াত শওকত হোসেন হিরনপন্থী এই নেতাকে আটক এবং হেনস্থার একটি খন্ড ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতন হলে বরিশাল শহরের এক সময়কার প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষার গ্রেপ্তার এবং জনরোষ এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। তবে কয়েক মাস পরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে তিনি বরিশাল এবং ঢাকা উভয় স্থানে বসবাস করে আসছিলেন। সূত্র জানিয়েছে, শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পরে তুষারের বরিশালে প্রকাশ্যে চলাচল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তি। এরপরে বরিশাল পুলিশ তার বাসায় দফায় দফায় হানা দিলেও গ্রেপ্তারে কোনো সফলতা পায়নি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের স্বপেক্ষ শক্তির অভিযোগে পুলিশ তুষারকে খুঁজতে শুরু করলে তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান নেন। এবং উত্তরা থানা আওতাধীন স্বজনের বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।
উত্তরা থানা পুলিশ বরিশালটাইমসকে মুঠোফোনে নিশ্চিত করে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতের দিকে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালের সামনে কয়েকজন যুবক তুষার নামের ব্যক্তিকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে নিয়ে এসেছে।
৫৮ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অজ্ঞাত কজন যুবক বরিশালের সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতাকে চারদিক থেকে ঘিরে রাখাসহ তাদের মধ্যেকার একজন তার গলা চেপে ধরে রাখেন। তখন পুলিশের উপস্থিতিতে তুষারের গালে স্বজোরে একটি থাপ্পড় দেন যুবক। যুবকের অভিযোগ, তুষার না কী বলেছেন, ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে সব খালি হয়ে যাবে! এই দম্ভোক্তিমূলক কথার কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে যুবক তুষারকে থাপ্পড় মারেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঈন তুষার তৎকালীন সময়ে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শওকত হোসেন হিরনের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। এবং রাজপথে তার শক্তপোক্ত অবস্থান লক্ষ্যণীয় ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে আকস্মিক হিরনের মৃত্যু হলে তিনি রাজনৈতিক অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়েন। এরপরে শওকত হোসেন হিরনপত্নী জেবুন্নেছা আফরোজ বরিশাল সদর আসনে এমপি হলেও রাজনৈতিক অদূরদর্শিতার কারণে তার স্বামীর কর্মী-অনুসারীদের বলয় আর ধরে রাখতে পারেনি। ফলে ধীরে ধীরে মঈন তুষার বরিশালের ছাত্র রাজনীতিতে নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন।
তবে এর আগে ২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তার নেতৃত্ব বিএম কলেজে যোগদান করতে আসা অধ্যক্ষ শংকর চন্দ্র দত্তকে রাস্তায় ফেলে পেটানোর ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। বিতর্কিত সেই ঘটনায় একটি মামলা এবং সহযোগী কজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তুষার ছিলেন ধরাছোয়ার বাইরে, যা নিয়ে তৎকালীন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক নেতিবাচক লেখালেখি হয়েছিল।
এক সময়কার এই প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা তুষার বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর উত্তরায় আটক এবং হেনস্থার ভিডিও ফেসবুকে বিভিন্ন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এনিয়ে পোস্ট কমেন্টে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেও অনেকে এই ঘটনাকে প্রকৃতির বিচার বলে অভিহিত করেন।
বরিশাল এবং ঢাকা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলন রুখতে মঈন তুষার বরিশালে অস্ত্রসহ মহড়া দিয়েছিলেন। এবং আন্দোলনকারীদের ওপর নিজে হামলা না করলেও সহযোগীদের লেলিয়ে দিয়েছেন। এসব ঘটনাবলীতে বরিশালে তার বিরুদ্ধে অন্তত অর্ধডজন মামলা আছে।
উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিক আহমেদ বরিশালটাইমসকে জানান, বরিশালের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তুষারের বিরুদ্ধে ঢাকায় কোনো মামলা নেই। তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করাসহ বিষয়টি বরিশাল কোতয়ালি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মঈন তুষার ঢাকায় আটকের বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখেছেন। এছাড়া উত্তরা থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাকে বরিশালে নিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করা হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪৭
সারা দেশে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ কালবৈশাখী হতে পারে। এসব অঞ্চলের সময় কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক।
ওমর ফারুক জানান, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুরের ২/১ জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।
এদিকে, মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। খুলনার কয়রা, সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দিনাজপুরে শিলাবৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করেছে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:২১
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রাবিউল আলম জানিয়েছেন, দেশের দীর্ঘতম সেতু- যা ভোলা দ্বীপ জেলা ও বরিশালকে সংযুক্ত করবে- তার নির্মাণ সময়সূচি শিগগিরই ঘোষণা করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।
তিনি বলেন, প্রায় ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি তেঁতুলিয়া নদীর ওপর নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটিরও বেশি টাকা। প্রকল্পটি এখনও অনুমোদনহীন উচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত থাকলেও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। খুব শিগগিরই নির্মাণ শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধির অধীনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান উত্থাপিত জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এডিপিতে বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আমরা সেতুর নির্মাণ শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করতে পারব।
তিনি আরও জানান, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, যা বড় অর্থনৈতিক নীতি, ক্রয় প্রস্তাব এবং প্রকল্প অনুমোদনের দায়িত্বে নিয়োজিত একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি।
বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে শেখ রাবিউল আলম বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর একটি। তিনি গত ৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালে নির্বাচনি প্রচারণায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার যদি সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারে, তাহলে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০৩৩ সালের মধ্যে এর কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৬
সারা দেশে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ কালবৈশাখী হতে পারে। এসব অঞ্চলের সময় কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক।
ওমর ফারুক জানান, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুরের ২/১ জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।
এদিকে, মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। খুলনার কয়রা, সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দিনাজপুরে শিলাবৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করেছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রাবিউল আলম জানিয়েছেন, দেশের দীর্ঘতম সেতু- যা ভোলা দ্বীপ জেলা ও বরিশালকে সংযুক্ত করবে- তার নির্মাণ সময়সূচি শিগগিরই ঘোষণা করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।
তিনি বলেন, প্রায় ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি তেঁতুলিয়া নদীর ওপর নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটিরও বেশি টাকা। প্রকল্পটি এখনও অনুমোদনহীন উচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত থাকলেও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। খুব শিগগিরই নির্মাণ শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধির অধীনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান উত্থাপিত জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এডিপিতে বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আমরা সেতুর নির্মাণ শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করতে পারব।
তিনি আরও জানান, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, যা বড় অর্থনৈতিক নীতি, ক্রয় প্রস্তাব এবং প্রকল্প অনুমোদনের দায়িত্বে নিয়োজিত একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি।
বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে শেখ রাবিউল আলম বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর একটি। তিনি গত ৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালে নির্বাচনি প্রচারণায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার যদি সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারে, তাহলে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০৩৩ সালের মধ্যে এর কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
স্কুলে আসা যাওয়ার পথে দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে অব্যাহতভাবে উত্যক্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে ওই ছাত্রী ও তার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে স্কুল ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন।
ভূক্তভোগী ওই ছাত্রী বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা হাই স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্রী। মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ ওটরা বাজার সংলগ্ন হাওলাদার বাড়ির বাসিন্দা মরহুম ইয়াসিন আলী হাওলাদারের মেয়ে জিনিয়া ইয়াসমিন মনি জানিয়েছেন, তিনি তার দশম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়ে কংকা আক্তারকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের প্রভাবশালীরা তার মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার পথে বিভিন্ন ধরনের উত্যক্ত করে আসছে। এমনকি তাদের কয়েক দফায় মারধরও করেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিপক্ষের লোকজনে তাদের মা ও মেয়েকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
স্কুল ছাত্রী কংকা আক্তার জানিয়েছে, মায়ের সাথে নানা বাড়িতে থেকে আমি পড়ালেখা করছি। জমিজমা নিয়ে একই বাড়ির হাসান লাল মিয়ার সাথে বিরোধ চলছে। সেই কারনে প্রতিনিয়ত আমাকে হয়রানী করা হচ্ছে। স্কুলে আসা যাওয়ার পথে লাল মিয়া তার লোকজনের মাধ্যমে আমাকে উত্যক্ত করে আসছে।
কংকা আক্তার আরও বলেন, অতিসম্প্রতি আমাকে ও আমার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করা হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে বর্তমানে আমি স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
জিনিয়া ইয়াসমিন বলেন, আমার বাবা কাস্টমস অফিসার ছিলেন। তখন হাসান লাল মিয়া আমাদের জমিজমা ও বাড়ি ঘর দেখাশুনা করতেন। আমাদের বাড়ি ঘর মানুষ শুন্য হয়ে পরায় জমিজমা দেখা শুনার নামে হাসান লাল মিয়া পাশের বাসার মিজান, সাইদুর রহমান মাসুদ আমার বাবার সম্পত্তি দখল করা শুরু করেন।
তিনি আরও বলেন, আমার স্বামীর বাড়িতে সমস্যা দেখা দেয়ার পর আমি আমার একমাত্র মেয়ে কংকাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করা শুরু করি। সেই থেকেই হাসান লাল মিয়ার গাত্রদাহ শুরু হয়। হাসান লাল মিয়া পাশের বাড়ির সাইদুর রহমান মাসুদের সেল্টার নিয়ে আমাকে ও আমার মেয়েকে বাড়িতে বসে প্রায় সময়ই মারধর করতে আসে। আমার মেয়ে স্কুলে গেলে পথে ঘাটে লাল মিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন লোকজন উত্যক্ত শুরু করে।
অভিযুক্ত হাসান লাল মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় একটি কু-চক্রি মহলের মদদে মা ও মেয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার করছে। যার কোন সত্যতা নেই।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা জানিয়েছেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্কুলে আসা যাওয়ার পথে দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে অব্যাহতভাবে উত্যক্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে ওই ছাত্রী ও তার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে স্কুল ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন।
ভূক্তভোগী ওই ছাত্রী বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা হাই স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্রী। মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ ওটরা বাজার সংলগ্ন হাওলাদার বাড়ির বাসিন্দা মরহুম ইয়াসিন আলী হাওলাদারের মেয়ে জিনিয়া ইয়াসমিন মনি জানিয়েছেন, তিনি তার দশম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়ে কংকা আক্তারকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের প্রভাবশালীরা তার মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার পথে বিভিন্ন ধরনের উত্যক্ত করে আসছে। এমনকি তাদের কয়েক দফায় মারধরও করেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিপক্ষের লোকজনে তাদের মা ও মেয়েকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
স্কুল ছাত্রী কংকা আক্তার জানিয়েছে, মায়ের সাথে নানা বাড়িতে থেকে আমি পড়ালেখা করছি। জমিজমা নিয়ে একই বাড়ির হাসান লাল মিয়ার সাথে বিরোধ চলছে। সেই কারনে প্রতিনিয়ত আমাকে হয়রানী করা হচ্ছে। স্কুলে আসা যাওয়ার পথে লাল মিয়া তার লোকজনের মাধ্যমে আমাকে উত্যক্ত করে আসছে।
কংকা আক্তার আরও বলেন, অতিসম্প্রতি আমাকে ও আমার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করা হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে বর্তমানে আমি স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
জিনিয়া ইয়াসমিন বলেন, আমার বাবা কাস্টমস অফিসার ছিলেন। তখন হাসান লাল মিয়া আমাদের জমিজমা ও বাড়ি ঘর দেখাশুনা করতেন। আমাদের বাড়ি ঘর মানুষ শুন্য হয়ে পরায় জমিজমা দেখা শুনার নামে হাসান লাল মিয়া পাশের বাসার মিজান, সাইদুর রহমান মাসুদ আমার বাবার সম্পত্তি দখল করা শুরু করেন।
তিনি আরও বলেন, আমার স্বামীর বাড়িতে সমস্যা দেখা দেয়ার পর আমি আমার একমাত্র মেয়ে কংকাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করা শুরু করি। সেই থেকেই হাসান লাল মিয়ার গাত্রদাহ শুরু হয়। হাসান লাল মিয়া পাশের বাড়ির সাইদুর রহমান মাসুদের সেল্টার নিয়ে আমাকে ও আমার মেয়েকে বাড়িতে বসে প্রায় সময়ই মারধর করতে আসে। আমার মেয়ে স্কুলে গেলে পথে ঘাটে লাল মিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন লোকজন উত্যক্ত শুরু করে।
অভিযুক্ত হাসান লাল মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় একটি কু-চক্রি মহলের মদদে মা ও মেয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার করছে। যার কোন সত্যতা নেই।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা জানিয়েছেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।