
২৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:৫৩
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সহ জনবল সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে ভেঙ্গে পড়ছে চিকিৎসা সেবা। ১৪ জন চিকিৎসকের বিপরীতে আছে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সহ২জন।
চিকিৎসকের অভাবে প্রতিদিন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে সেবাগৃহীতারা। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকায় সেবা নিতে আসা রোগীদের চাপে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও রোগীর লোকজন হতাশ হয় ফিরে যাচ্ছে। পাঁচটি ইউনিয়নের সাব সেন্টারে পাঁচজন মেডিকেল অফিসার থাকার কথা থাকলেও নেই একজনও।
ইউনিয়ন সাব সেন্টার বাদে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৯ জন মেডিকেল অফিসারের কথা থাকলে আছে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সহ দুইজন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, অধিকাংশ সময় একজন চিকিৎসক রোগীদের সেবা দিচ্ছে।
রোগীদের প্রচন্ড ভিড়ে সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ওই একজন চিকিৎসকের। একজন চিকিৎসকের পক্ষে কি সম্ভব আউটডোর, ইনডোর ও জরুরী বিভাগের কাজ করার পরও নাইট ডিউটি করা।
উপজেলা আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার সুব্রত কর্মকার আউটডোর, ইনডোর ও জরুরী বিভাগের কাজ একার পক্ষেই করতে হয়। প্রতিদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০০ থেকে ৩৫০ জন বিভিন্ন রোগীরা সেবা নিতে ভিড় করছে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। হাসপাতালে ভর্তি রোগী নাসির উদ্দিন বলেন, আমাদের কাছে ডাক্তার আসে না, শুধু নার্স আপারা আসে।
দিনে একবার ডাক্তার আসলেও রাতের কোন ডাক্তার দেখা যায় না। উপজেলা আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ সুব্রত কর্মকার বলেন, ডাক্তার সংকটের কারণে বেশিরভাগ সময় আমাকে দিনে ও রাতে একাই চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে হচ্ছে।
ডিউটি করতে করতে নিজেই রোগী হওয়ার উপক্রম। আউটডোরে , আবার জরুরী বিভাগ ও রাতে নাইট ডিউটি করতে হবে। এটা কি কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব? তারপরও সেবা দিয়ে যাচ্ছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, প্রশাসনিক কাজে আমাকে ব্যস্ত থাকতে হয় ।তারপরও আউটডোরে রোগী দেখার চেষ্টা করি।
চিকিৎসকসহ জনবল না থাকায় সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। সমস্যাগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। পিরোজপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার মোঃ মতিউর রহমান জানান, কাউখালীতে চিকিৎসক সংকটে কথা আমার জানা আছে। আশা করি কিছুদিনের ভিতরেই সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সহ জনবল সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে ভেঙ্গে পড়ছে চিকিৎসা সেবা। ১৪ জন চিকিৎসকের বিপরীতে আছে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সহ২জন।
চিকিৎসকের অভাবে প্রতিদিন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে সেবাগৃহীতারা। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকায় সেবা নিতে আসা রোগীদের চাপে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও রোগীর লোকজন হতাশ হয় ফিরে যাচ্ছে। পাঁচটি ইউনিয়নের সাব সেন্টারে পাঁচজন মেডিকেল অফিসার থাকার কথা থাকলেও নেই একজনও।
ইউনিয়ন সাব সেন্টার বাদে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৯ জন মেডিকেল অফিসারের কথা থাকলে আছে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সহ দুইজন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, অধিকাংশ সময় একজন চিকিৎসক রোগীদের সেবা দিচ্ছে।
রোগীদের প্রচন্ড ভিড়ে সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ওই একজন চিকিৎসকের। একজন চিকিৎসকের পক্ষে কি সম্ভব আউটডোর, ইনডোর ও জরুরী বিভাগের কাজ করার পরও নাইট ডিউটি করা।
উপজেলা আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার সুব্রত কর্মকার আউটডোর, ইনডোর ও জরুরী বিভাগের কাজ একার পক্ষেই করতে হয়। প্রতিদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০০ থেকে ৩৫০ জন বিভিন্ন রোগীরা সেবা নিতে ভিড় করছে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। হাসপাতালে ভর্তি রোগী নাসির উদ্দিন বলেন, আমাদের কাছে ডাক্তার আসে না, শুধু নার্স আপারা আসে।
দিনে একবার ডাক্তার আসলেও রাতের কোন ডাক্তার দেখা যায় না। উপজেলা আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ সুব্রত কর্মকার বলেন, ডাক্তার সংকটের কারণে বেশিরভাগ সময় আমাকে দিনে ও রাতে একাই চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে হচ্ছে।
ডিউটি করতে করতে নিজেই রোগী হওয়ার উপক্রম। আউটডোরে , আবার জরুরী বিভাগ ও রাতে নাইট ডিউটি করতে হবে। এটা কি কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব? তারপরও সেবা দিয়ে যাচ্ছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, প্রশাসনিক কাজে আমাকে ব্যস্ত থাকতে হয় ।তারপরও আউটডোরে রোগী দেখার চেষ্টা করি।
চিকিৎসকসহ জনবল না থাকায় সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। সমস্যাগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। পিরোজপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার মোঃ মতিউর রহমান জানান, কাউখালীতে চিকিৎসক সংকটে কথা আমার জানা আছে। আশা করি কিছুদিনের ভিতরেই সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৬
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতাররা হলেন মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নি.) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৪৬ রাউন্ড গুলি তারা ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকায় তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।
এই তথ্য পাওয়ার পরপরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ টিম আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যে 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে, এই অভিযান তারই একটি অংশ। আমরা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতাররা হলেন মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নি.) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৪৬ রাউন্ড গুলি তারা ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকায় তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।
এই তথ্য পাওয়ার পরপরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ টিম আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যে 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে, এই অভিযান তারই একটি অংশ। আমরা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’

০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৪
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতাররা হলেন মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নি.) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৪৬ রাউন্ড গুলি তারা ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকায় তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।
এই তথ্য পাওয়ার পরপরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ টিম আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যে 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে, এই অভিযান তারই একটি অংশ। আমরা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতাররা হলেন মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নি.) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৪৬ রাউন্ড গুলি তারা ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকায় তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।
এই তথ্য পাওয়ার পরপরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ টিম আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যে 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে, এই অভিযান তারই একটি অংশ। আমরা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ২১:৪৩
পিরোজপুরের কাউখালীতে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাঁজা গাছসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোররাতে উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কাউখালী থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামের শাজাহান হাওলাদারের ছেলে বাবু হাওলাদার (২৫) দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়ির পশ্চিম পাশে গাঁজা গাছ রোপণ করে তা পরিচর্যা করছিলেন।
পরবর্তীতে ওই গাঁজা প্রক্রিয়াজাত করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সংবাদের ভিত্তিতে কাউখালী থানার এসআই মহিউদ্দিন ও এসআই মাসুদ আল মামুনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স বৃহস্পতিবার ভোররাতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বাবু হাওলাদারকে গাঁজা গাছসহ আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় কাউখালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন আজ বিকালে এই প্রতিবেদককে জানান, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে গাঁজা গাছসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের পাশাপাশি জনসাধারণের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের কাউখালীতে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাঁজা গাছসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোররাতে উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কাউখালী থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামের শাজাহান হাওলাদারের ছেলে বাবু হাওলাদার (২৫) দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়ির পশ্চিম পাশে গাঁজা গাছ রোপণ করে তা পরিচর্যা করছিলেন।
পরবর্তীতে ওই গাঁজা প্রক্রিয়াজাত করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সংবাদের ভিত্তিতে কাউখালী থানার এসআই মহিউদ্দিন ও এসআই মাসুদ আল মামুনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স বৃহস্পতিবার ভোররাতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বাবু হাওলাদারকে গাঁজা গাছসহ আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় কাউখালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন আজ বিকালে এই প্রতিবেদককে জানান, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে গাঁজা গাছসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের পাশাপাশি জনসাধারণের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ জুলাই, ২০২৬ ০০:৪৯
০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩৯
০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৬
০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৪