
১৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:২৪
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পরের দিন মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকালে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বারে ভাঙ্গা থেকে ঢাকার দিকে চলাচলকারী সব ধরনের যানবাহনে ভোর থেকেই ব্যাপক তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এই কার্যক্রম তদারকিতে ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল, ভাঙ্গা থানার ওসি আশরাফ হোসেন এবং ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি রোকিবুজ্জামানসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।
ফরিদপুর পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল জানান, শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়কে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছে।
সকাল থেকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা দক্ষিণপাড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে পুলিশ বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালিয়েছে। এছাড়া হাইওয়ের এক্সপ্রেসপথের চতুর্মুখী স্থানে সার্বক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।
ভাঙ্গা উপজেলার মাধ্যমে চলাচলকারী প্রতিটি সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মহাসড়কে টহল দিচ্ছে।
উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে প্রায় এক হাজার ৪০০ মানুষের প্রাণহানি এবং প্রায় ২৫ হাজার মানুষকে মারাত্মক আহত করার অভিযোগে হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা হয়। যার রায়ে সোমবার (১৭ নভেম্বর) হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড দেয় বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পরের দিন মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকালে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বারে ভাঙ্গা থেকে ঢাকার দিকে চলাচলকারী সব ধরনের যানবাহনে ভোর থেকেই ব্যাপক তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এই কার্যক্রম তদারকিতে ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল, ভাঙ্গা থানার ওসি আশরাফ হোসেন এবং ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি রোকিবুজ্জামানসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।
ফরিদপুর পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল জানান, শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়কে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছে।
সকাল থেকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা দক্ষিণপাড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে পুলিশ বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালিয়েছে। এছাড়া হাইওয়ের এক্সপ্রেসপথের চতুর্মুখী স্থানে সার্বক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।
ভাঙ্গা উপজেলার মাধ্যমে চলাচলকারী প্রতিটি সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মহাসড়কে টহল দিচ্ছে।
উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে প্রায় এক হাজার ৪০০ মানুষের প্রাণহানি এবং প্রায় ২৫ হাজার মানুষকে মারাত্মক আহত করার অভিযোগে হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা হয়। যার রায়ে সোমবার (১৭ নভেম্বর) হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড দেয় বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৬
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও ফতেহপুর ফাজিল মাদরাসার আরবির প্রভাষক মাওলানা রেজাউল করিমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)।
তিনি বলেছেন, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে চেয়ারে বসার মতো তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে যে ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতাকে যে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে তা উদ্বেগজনক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে পরিবর্তিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এই ধরণের নৃশংসতা জাতিকে হতাশ করেছে।
এই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য রাজনৈতিক দল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক আচরণ করতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেন, এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হতে হবে। সহিংসতা তৈরি ও সহিংসতার সঙ্গে যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে কোনো অবহেলা বা শিথিলতা থাকলে তাও তদন্ত করতে হবে এবং কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও ফতেহপুর ফাজিল মাদরাসার আরবির প্রভাষক মাওলানা রেজাউল করিমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)।
তিনি বলেছেন, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে চেয়ারে বসার মতো তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে যে ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতাকে যে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে তা উদ্বেগজনক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে পরিবর্তিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এই ধরণের নৃশংসতা জাতিকে হতাশ করেছে।
এই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য রাজনৈতিক দল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক আচরণ করতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেন, এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হতে হবে। সহিংসতা তৈরি ও সহিংসতার সঙ্গে যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে কোনো অবহেলা বা শিথিলতা থাকলে তাও তদন্ত করতে হবে এবং কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৭
নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। এর মধ্যে শেরপুরে একজন নিহত হয়েছেন। ভোলায় আমাদের নারী কর্মীদের প্রচারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বরিশালেও ভয়ভীতি দেখানো শুরু হয়েছে।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল সদর উপজেলার কর্ণকাঠি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথাগুলো বলেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি সবার প্রতি নির্বাচনী পরিবেশ সুন্দর রাখার পাশাপাশি প্রশাসনের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
ইসলামপন্থীরা ক্ষমতায় এলে নারীরা আরও বেশি অধিকার ও মর্যাদা পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ইসলামের চেয়ে অন্য কোনো ধর্ম নারীদের এত বেশি সম্মান দেয়নি। এ কারণে হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে ৮০ শতাংশ ভোট নারীদের কাছ থেকে আসবে। ভবিষ্যতে ভোটের এই হার আরও বাড়বে।
বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসনে হাতপাখা বিজয়ী হবে জানিয়ে ফয়জুল করীম বলেন, মাঠের পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় ও দিন দিন খারাপ হওয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মেজাজ ঠিক নেই।
বরিশাল-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমানের উদ্দেশে ফয়জুল করীম বলেন, ‘আপনি কাজ (গণসংযোগ) বাড়ালে আমারও কাজ বাড়বে। চলুন, সবাই একসঙ্গে জনগণের কাছে যাই। জনগণ যাকে পছন্দ করবে, তিনিই জয়ী হবেন।’
এক কর্মীকে আওয়ামী লীগ তকমা দিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছে জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নেতা বলেন, ‘এটা স্পষ্ট করে বলছি, আমার কর্মীদের এভাবে হয়রানি করা হলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াব। এ জন্য প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।’
নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। এর মধ্যে শেরপুরে একজন নিহত হয়েছেন। ভোলায় আমাদের নারী কর্মীদের প্রচারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বরিশালেও ভয়ভীতি দেখানো শুরু হয়েছে।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল সদর উপজেলার কর্ণকাঠি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথাগুলো বলেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি সবার প্রতি নির্বাচনী পরিবেশ সুন্দর রাখার পাশাপাশি প্রশাসনের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
ইসলামপন্থীরা ক্ষমতায় এলে নারীরা আরও বেশি অধিকার ও মর্যাদা পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ইসলামের চেয়ে অন্য কোনো ধর্ম নারীদের এত বেশি সম্মান দেয়নি। এ কারণে হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে ৮০ শতাংশ ভোট নারীদের কাছ থেকে আসবে। ভবিষ্যতে ভোটের এই হার আরও বাড়বে।
বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসনে হাতপাখা বিজয়ী হবে জানিয়ে ফয়জুল করীম বলেন, মাঠের পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় ও দিন দিন খারাপ হওয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মেজাজ ঠিক নেই।
বরিশাল-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমানের উদ্দেশে ফয়জুল করীম বলেন, ‘আপনি কাজ (গণসংযোগ) বাড়ালে আমারও কাজ বাড়বে। চলুন, সবাই একসঙ্গে জনগণের কাছে যাই। জনগণ যাকে পছন্দ করবে, তিনিই জয়ী হবেন।’
এক কর্মীকে আওয়ামী লীগ তকমা দিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছে জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নেতা বলেন, ‘এটা স্পষ্ট করে বলছি, আমার কর্মীদের এভাবে হয়রানি করা হলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াব। এ জন্য প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।’

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৩
পাঠদান বন্ধ রেখে বরিশাল-৫ (সদর ও নগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের সঙ্গে ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকেরা মতবিনিময় করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১টার দিকে সদর উপজেলা ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে নগরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাধুর বটতলা এলাকায় সরোয়ারের বাসভবনে এই মতবিনিময় সভা হয়।
সভায় ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার ইবতেদায়ি শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষকদের জন্য উন্নয়নমূলক কাজ করার আশ্বাস দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সভায় অংশ নেওয়া একাধিক ইবতেদায়ি মাদ্রাসাশিক্ষক জানান, সমিতির নেতারা তাঁদের দুপুর ১২টার মধ্যে মজিবর রহমান সরোয়ারের বাসার সামনে থাকতে বলেছেন। তাই এ দিন পাঠদান নিতে পারেননি। নেতারা বলেছেন, তাঁদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এই সভায় থাকা দরকার।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, ‘ইবতেদায়ি মাদ্রাসা বৈষম্যের শিকার। সরোয়ার ভাই বলেছেন, সরকার গঠন করলে আমাদের দেখবেন। এরপর তিনি ধানের শীষের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।’
মুহাম্মদ মশিউর রহমান আরও বলেন, ‘সদর ও নগরের শতাধিক শিক্ষক মতবিনিময় সভায় ছিলেন। সব সময় বেলা দেড়টায় মাদ্রাসা ছুটি দেওয়া হয়, কিন্তু সভার কারণে আজ ১২টা পর্যন্ত ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়া হয়েছে।’
জানা গেছে, মাদ্রাসা বোর্ড অনুমোদিত বরিশাল সদর ও নগরের ৩১টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা থেকে ১১০ জন শিক্ষক এই সভায় অংশ নেন। তাঁরা সভায় বঞ্চনার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি ধানের শীষের প্রার্থীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
এ প্রসঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন নাইস বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ে এভাবে মতবিনিময় সভা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ধানের শীষের প্রার্থী এর আগে হাতেম আলী কলেজে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পরিবহন বাস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। আজ আবার ইবতেদায়ি মাদ্রাসা বন্ধ রেখে শিক্ষকদের বাসভবনে এনে মতবিনিময় করে ভোটে প্রভাব ফেলছেন। এসব বিষয় রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারকে মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি তা ধরেননি। বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, ‘শিক্ষকেরা যদি প্রার্থীর কাছে স্বপ্রণোদিত হয়ে আসেন, তাহলে আমাদের কী করার আছে। বিএনপি তো তাঁদের ধরে আনেনি। তবে মাদ্রাসার পাঠদান বন্ধ রেখে যদি শিক্ষকেরা সভায় যোগদান করে থাকেন, তাহলে তাতে প্রশ্ন থেকে যায়।’
বরিশাল রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বলেন, ‘ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকেরা প্রকৃতপক্ষে শিক্ষকের ব্যানারে ওখানে কোনো কিছু পাওয়ার জন্য গিয়েছেন কি না, তা জানতে হবে।
তাহলে তো এটা অবশ্যই আচরণবিধির লঙ্ঘন। আমরা নির্বাচনী তদন্ত কমিটিতে এ বিষয়ে অভিযোগ পাঠাব। দৈনিকই এমন অভিযোগ আমরা তদন্তে পাঠাই।’
পাঠদান বন্ধ রেখে বরিশাল-৫ (সদর ও নগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের সঙ্গে ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকেরা মতবিনিময় করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১টার দিকে সদর উপজেলা ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে নগরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাধুর বটতলা এলাকায় সরোয়ারের বাসভবনে এই মতবিনিময় সভা হয়।
সভায় ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার ইবতেদায়ি শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষকদের জন্য উন্নয়নমূলক কাজ করার আশ্বাস দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সভায় অংশ নেওয়া একাধিক ইবতেদায়ি মাদ্রাসাশিক্ষক জানান, সমিতির নেতারা তাঁদের দুপুর ১২টার মধ্যে মজিবর রহমান সরোয়ারের বাসার সামনে থাকতে বলেছেন। তাই এ দিন পাঠদান নিতে পারেননি। নেতারা বলেছেন, তাঁদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এই সভায় থাকা দরকার।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, ‘ইবতেদায়ি মাদ্রাসা বৈষম্যের শিকার। সরোয়ার ভাই বলেছেন, সরকার গঠন করলে আমাদের দেখবেন। এরপর তিনি ধানের শীষের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।’
মুহাম্মদ মশিউর রহমান আরও বলেন, ‘সদর ও নগরের শতাধিক শিক্ষক মতবিনিময় সভায় ছিলেন। সব সময় বেলা দেড়টায় মাদ্রাসা ছুটি দেওয়া হয়, কিন্তু সভার কারণে আজ ১২টা পর্যন্ত ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়া হয়েছে।’
জানা গেছে, মাদ্রাসা বোর্ড অনুমোদিত বরিশাল সদর ও নগরের ৩১টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা থেকে ১১০ জন শিক্ষক এই সভায় অংশ নেন। তাঁরা সভায় বঞ্চনার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি ধানের শীষের প্রার্থীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
এ প্রসঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন নাইস বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ে এভাবে মতবিনিময় সভা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ধানের শীষের প্রার্থী এর আগে হাতেম আলী কলেজে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পরিবহন বাস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। আজ আবার ইবতেদায়ি মাদ্রাসা বন্ধ রেখে শিক্ষকদের বাসভবনে এনে মতবিনিময় করে ভোটে প্রভাব ফেলছেন। এসব বিষয় রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারকে মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি তা ধরেননি। বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, ‘শিক্ষকেরা যদি প্রার্থীর কাছে স্বপ্রণোদিত হয়ে আসেন, তাহলে আমাদের কী করার আছে। বিএনপি তো তাঁদের ধরে আনেনি। তবে মাদ্রাসার পাঠদান বন্ধ রেখে যদি শিক্ষকেরা সভায় যোগদান করে থাকেন, তাহলে তাতে প্রশ্ন থেকে যায়।’
বরিশাল রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বলেন, ‘ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকেরা প্রকৃতপক্ষে শিক্ষকের ব্যানারে ওখানে কোনো কিছু পাওয়ার জন্য গিয়েছেন কি না, তা জানতে হবে।
তাহলে তো এটা অবশ্যই আচরণবিধির লঙ্ঘন। আমরা নির্বাচনী তদন্ত কমিটিতে এ বিষয়ে অভিযোগ পাঠাব। দৈনিকই এমন অভিযোগ আমরা তদন্তে পাঠাই।’

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৬
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৪
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০৪
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৭