
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১১:১৯
সাবেক সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের স্ত্রী খাদিজা মল্লিক সীমু শিমলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। বর্তমানে তিনি দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। সোমবার (৩০ মার্চ) রাত ৮টার দিকে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকালে হাকিমপুর শহরে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন করেন খাদিজা। অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মুসা আল আশারী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে দিনাজপুর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা শিবলী সাদিক আত্মগোপনে রয়েছেন। এই সময়ে খাদিজা তার বাবার বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।
ঘটনার আগে সোমবার বিকাল ৫টা ৪৬ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন ও চাঞ্চল্যকর স্ট্যাটাস দেন খাদিজা মল্লিক সীমু। সেখানে তিনি দীর্ঘ ৭ বছরের দাম্পত্য জীবনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে জানান, বিয়ের মাত্র ২-৩ মাস পর থেকেই তিনি অবিরাম জুলুম ও অন্যায়ের শিকার হচ্ছিলেন।
স্ট্যাটাসে খাদিজা লিখেছেন, ‘আমি যথেষ্ট স্ট্রং ছিলাম! আল্লাহর প্রতি আমার অনেক ভরসা রয়েছে! কিন্তু এই মুহূর্তে বিশ্রামের প্রয়োজন। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে আমার সঙ্গে হওয়া অন্যায় জুলুম আমি আর নিতে পারছি না। এই জীবন এভাবে চলতে পারে না। বিয়ের ২-৩ মাস পর থেকে এসব সহ্য করতে করতে আমি আজ ক্লান্ত, আমি শান্তিতে ঘুমাতে চাই।’
মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত সীমু তার এই চরম পরিণতির জন্য সরাসরি স্বামী শিবলী সাদিক, তার কথিত বান্ধবী ববি ইসলাম এবং শামীমসহ আরও কয়েকজনকে দায়ী করেছেন।
এ বিষয়ে তিনি লিখেন, ‘আমি যদি হেরে যায়, আমার হয়ে তোমরা তো সব জানো, সব প্রমাণ তোমাদের কাছেও আছে। তোমরা শিবলী সাদিক...ছেড়ো না, আমার সাথে হওয়া অন্যায় আমি আর মানতে পারছি না। কেউ যদি আমাকে ভালো না বাসে, আমি সেই ধরনের মেয়েই না যে তার কাছে ভালোবাসা ভিক্ষে চাইব, কিন্তু আমার সাত বছরের এফোর্টকে ঐ...শিবলী বলে, আমি মন থেকে করিনি বা যা করেছি এটা আমার দায়িত্ব।’
তিনি অভিযোগ করেন, শিবলী সাদিক একজন ‘নার্সিসিস্ট’ বা আত্মকেন্দ্রিক মানুষ, যিনি কৌশলে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পটু। ববি ইসলাম নামের এক নারীর সঙ্গে শিবলীর অবৈধ সম্পর্কের দাবি করে তিনি জানান, ওই নারীকে বিরামপুর মহিলা কলেজের পেছনে বাড়ি করে দেওয়া এবং বিদেশে পালানোর ক্ষেত্রেও শিবলী সহায়তা করেছেন। নিজের দীর্ঘ চেষ্টার মর্যাদা না দিয়ে শিবলী সেগুলোকে কেবল ‘দায়িত্ব’ হিসেবে আখ্যায়িত করায় সীমু চরমভাবে ভেঙে পড়েন। এমনকি তার কন্যা স্নেহার জীবন নষ্ট করার পেছনেও স্বামীর দায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি লিখেছেন, তার এই আত্মহননের সিদ্ধান্তটি ভুল হলেও প্রভাবশালী স্বামীর অর্থবিত্তের কাছে বিচার পাবেন না বলেই তিনি এই পথ বেছে নিয়েছেন।
তিনি তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুরোধ করেছেন যেন তার সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের বিচার নিশ্চিত করা হয় এবং প্রয়োজনীয় সব প্রমাণ তাদের কাছে গচ্ছিত আছে বলেও জানান।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে শিবলী সাদিকের সঙ্গে পারিবারিকভাবে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমার বিয়ে হয়। পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও বনিবনা না হওয়ায় রাজধানীর ধানমণ্ডিতে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে সমঝোতার মাধ্যমে ২০১৬ সালে তাদের বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়। ২০১৯ সালে তিনি খাদিজার সঙ্গে দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
সাবেক সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের স্ত্রী খাদিজা মল্লিক সীমু শিমলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। বর্তমানে তিনি দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। সোমবার (৩০ মার্চ) রাত ৮টার দিকে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকালে হাকিমপুর শহরে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন করেন খাদিজা। অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মুসা আল আশারী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে দিনাজপুর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা শিবলী সাদিক আত্মগোপনে রয়েছেন। এই সময়ে খাদিজা তার বাবার বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।
ঘটনার আগে সোমবার বিকাল ৫টা ৪৬ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন ও চাঞ্চল্যকর স্ট্যাটাস দেন খাদিজা মল্লিক সীমু। সেখানে তিনি দীর্ঘ ৭ বছরের দাম্পত্য জীবনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে জানান, বিয়ের মাত্র ২-৩ মাস পর থেকেই তিনি অবিরাম জুলুম ও অন্যায়ের শিকার হচ্ছিলেন।
স্ট্যাটাসে খাদিজা লিখেছেন, ‘আমি যথেষ্ট স্ট্রং ছিলাম! আল্লাহর প্রতি আমার অনেক ভরসা রয়েছে! কিন্তু এই মুহূর্তে বিশ্রামের প্রয়োজন। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে আমার সঙ্গে হওয়া অন্যায় জুলুম আমি আর নিতে পারছি না। এই জীবন এভাবে চলতে পারে না। বিয়ের ২-৩ মাস পর থেকে এসব সহ্য করতে করতে আমি আজ ক্লান্ত, আমি শান্তিতে ঘুমাতে চাই।’
মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত সীমু তার এই চরম পরিণতির জন্য সরাসরি স্বামী শিবলী সাদিক, তার কথিত বান্ধবী ববি ইসলাম এবং শামীমসহ আরও কয়েকজনকে দায়ী করেছেন।
এ বিষয়ে তিনি লিখেন, ‘আমি যদি হেরে যায়, আমার হয়ে তোমরা তো সব জানো, সব প্রমাণ তোমাদের কাছেও আছে। তোমরা শিবলী সাদিক...ছেড়ো না, আমার সাথে হওয়া অন্যায় আমি আর মানতে পারছি না। কেউ যদি আমাকে ভালো না বাসে, আমি সেই ধরনের মেয়েই না যে তার কাছে ভালোবাসা ভিক্ষে চাইব, কিন্তু আমার সাত বছরের এফোর্টকে ঐ...শিবলী বলে, আমি মন থেকে করিনি বা যা করেছি এটা আমার দায়িত্ব।’
তিনি অভিযোগ করেন, শিবলী সাদিক একজন ‘নার্সিসিস্ট’ বা আত্মকেন্দ্রিক মানুষ, যিনি কৌশলে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পটু। ববি ইসলাম নামের এক নারীর সঙ্গে শিবলীর অবৈধ সম্পর্কের দাবি করে তিনি জানান, ওই নারীকে বিরামপুর মহিলা কলেজের পেছনে বাড়ি করে দেওয়া এবং বিদেশে পালানোর ক্ষেত্রেও শিবলী সহায়তা করেছেন। নিজের দীর্ঘ চেষ্টার মর্যাদা না দিয়ে শিবলী সেগুলোকে কেবল ‘দায়িত্ব’ হিসেবে আখ্যায়িত করায় সীমু চরমভাবে ভেঙে পড়েন। এমনকি তার কন্যা স্নেহার জীবন নষ্ট করার পেছনেও স্বামীর দায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি লিখেছেন, তার এই আত্মহননের সিদ্ধান্তটি ভুল হলেও প্রভাবশালী স্বামীর অর্থবিত্তের কাছে বিচার পাবেন না বলেই তিনি এই পথ বেছে নিয়েছেন।
তিনি তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুরোধ করেছেন যেন তার সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের বিচার নিশ্চিত করা হয় এবং প্রয়োজনীয় সব প্রমাণ তাদের কাছে গচ্ছিত আছে বলেও জানান।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে শিবলী সাদিকের সঙ্গে পারিবারিকভাবে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমার বিয়ে হয়। পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও বনিবনা না হওয়ায় রাজধানীর ধানমণ্ডিতে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে সমঝোতার মাধ্যমে ২০১৬ সালে তাদের বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়। ২০১৯ সালে তিনি খাদিজার সঙ্গে দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
২০ জুন, ২০২৬ ২০:৫৯
২০ জুন, ২০২৬ ২০:১০
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২

২০ জুন, ২০২৬ ২০:১০
প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা ও ওই টাকায় কেনা জমি বুঝে পেতে চাওয়ায় শ্বশুর ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রবাসফেরত মেয়ের স্বামীকে গাছের সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় চাচা শ্বশুর আসাদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ জুন) শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানায় শ্বশুরসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী মরিয়ম বেগম। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলার বাদলাকুড়া গ্রামে জামাইকে শিকলে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, নয়াবিল ইউনিয়নের বাদলাকুড়া গ্রামের মহর উদ্দিনের মেয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে সোরহাব হোসেন বাবুর বিয়ে হয়।
সোরহাব হোসেন দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে শ্বশুর মহর উদ্দিনকে জমি কেনার জন্য মোট ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার দেন। পরবর্তীতে আরও দেড় লাখ টাকা দেন শ্বশুরকে।
বৃহস্পতিবার পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে শ্বশুর মহর উদ্দিনের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে শ্বশুরপক্ষের লোকজন সোরহাব হোসেনকে আটক করে শিকল দিয়ে নারকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা ও ওই টাকায় কেনা জমি বুঝে পেতে চাওয়ায় শ্বশুর ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রবাসফেরত মেয়ের স্বামীকে গাছের সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় চাচা শ্বশুর আসাদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ জুন) শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানায় শ্বশুরসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী মরিয়ম বেগম। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলার বাদলাকুড়া গ্রামে জামাইকে শিকলে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, নয়াবিল ইউনিয়নের বাদলাকুড়া গ্রামের মহর উদ্দিনের মেয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে সোরহাব হোসেন বাবুর বিয়ে হয়।
সোরহাব হোসেন দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে শ্বশুর মহর উদ্দিনকে জমি কেনার জন্য মোট ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার দেন। পরবর্তীতে আরও দেড় লাখ টাকা দেন শ্বশুরকে।
বৃহস্পতিবার পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে শ্বশুর মহর উদ্দিনের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে শ্বশুরপক্ষের লোকজন সোরহাব হোসেনকে আটক করে শিকল দিয়ে নারকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই সমর্থকদের উন্মাদনা পৌঁছে যায় ভিন্ন মাত্রায়। প্রিয় দলের জয়-পরাজয়কে ঘিরে চলে নানা বাজি, চ্যালেঞ্জ আর মজার সব প্রতিশ্রুতি।
এমনই এক ব্যতিক্রমী প্রতিশ্রুতি পালন করে আলোচনায় এসেছেন চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের এক আর্জেন্টিনা সমর্থক। উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেহেদিনগর গ্রামের কামরুল হাসান।
গত কয়েকদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ব্রাজিল যদি হাইতির বিপক্ষে জয়লাভ করে, তাহলে আর্জেন্টিনার সমর্থন ছেড়ে দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিল দলকে সমর্থন করবেন।
শনিবার (২০ জুন) ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ব্রাজিল ৩-০ গোলের জয় লাভ করলে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেননি কামরুল। বন্ধুদের উপস্থিতিতে গ্রামের একটি খোলা জায়গায় দুধ দিয়ে গোসল করেন তিনি। এরপর খুলে ফেলেন আর্জেন্টিনার জার্সি, গায়ে তোলেন ব্রাজিলের জার্সি।
পুরো ঘটনাটি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে নেট দুনিয়ায়। কামরুল হাসান বলেন, ব্রাজিলকে খোঁচা দিতেই মজার ছলে এমন ঘোষণা দিয়েছিলাম। মনে হয়েছিল তারা হয়তো জিতবে না।
কিন্তু ব্রাজিল জিতে গেছে, তাই নিজের কথার মর্যাদা রাখতে দুধ দিয়ে গোসল করেছি। এখন সবাই আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করলেও আমি বিষয়টি উপভোগ করছি।
ব্রাজিল সমর্থক ফাইয়াজ রিয়াজ বলেন, বন্ধু কামরুল বলছে আজকের ম্যাচ জিততে পারলে সবার সামনে দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনা ছেড়ে ব্রাজিলে যোগ দিবে।
ম্যাচ জয়ের পর আমরা তাকে ডেকে এনে তার প্রতিশ্রুতি অনুয়ায়ী দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে ব্রাজিলের জার্সি পরিধান করিয়ে দিই। সে এখন ব্রাজিল সমর্থন করে। তিনি আরও বলেন, ব্রাজিল অনেক বছর শিরোপা জিততে পারেনি সত্যি, কিন্তু তারা শৈল্পিক ফুটবলের উদ্ভাবক।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই সমর্থকদের উন্মাদনা পৌঁছে যায় ভিন্ন মাত্রায়। প্রিয় দলের জয়-পরাজয়কে ঘিরে চলে নানা বাজি, চ্যালেঞ্জ আর মজার সব প্রতিশ্রুতি।
এমনই এক ব্যতিক্রমী প্রতিশ্রুতি পালন করে আলোচনায় এসেছেন চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের এক আর্জেন্টিনা সমর্থক। উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেহেদিনগর গ্রামের কামরুল হাসান।
গত কয়েকদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ব্রাজিল যদি হাইতির বিপক্ষে জয়লাভ করে, তাহলে আর্জেন্টিনার সমর্থন ছেড়ে দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিল দলকে সমর্থন করবেন।
শনিবার (২০ জুন) ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ব্রাজিল ৩-০ গোলের জয় লাভ করলে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেননি কামরুল। বন্ধুদের উপস্থিতিতে গ্রামের একটি খোলা জায়গায় দুধ দিয়ে গোসল করেন তিনি। এরপর খুলে ফেলেন আর্জেন্টিনার জার্সি, গায়ে তোলেন ব্রাজিলের জার্সি।
পুরো ঘটনাটি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে নেট দুনিয়ায়। কামরুল হাসান বলেন, ব্রাজিলকে খোঁচা দিতেই মজার ছলে এমন ঘোষণা দিয়েছিলাম। মনে হয়েছিল তারা হয়তো জিতবে না।
কিন্তু ব্রাজিল জিতে গেছে, তাই নিজের কথার মর্যাদা রাখতে দুধ দিয়ে গোসল করেছি। এখন সবাই আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করলেও আমি বিষয়টি উপভোগ করছি।
ব্রাজিল সমর্থক ফাইয়াজ রিয়াজ বলেন, বন্ধু কামরুল বলছে আজকের ম্যাচ জিততে পারলে সবার সামনে দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনা ছেড়ে ব্রাজিলে যোগ দিবে।
ম্যাচ জয়ের পর আমরা তাকে ডেকে এনে তার প্রতিশ্রুতি অনুয়ায়ী দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে ব্রাজিলের জার্সি পরিধান করিয়ে দিই। সে এখন ব্রাজিল সমর্থন করে। তিনি আরও বলেন, ব্রাজিল অনেক বছর শিরোপা জিততে পারেনি সত্যি, কিন্তু তারা শৈল্পিক ফুটবলের উদ্ভাবক।

২০ জুন, ২০২৬ ১৫:২৪
নড়াইলে বিয়েবাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নকুল মল্লিক নামে (৫২) এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের মুসুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নকুল মল্লিক ওই গ্রামের মৃত সতিস চন্দ্র মল্লিকের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্বজন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার নিহত নকুল মল্লিকের ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে ছিল। বিয়ে উপলক্ষে বাড়িতে আলোকসজ্জা করা হয়েছিল। রাত ৮টার দিকে বরযাত্রী গেলে গেটে নতুন বরকে মিষ্টিমুখ করানোর জন্য যান নকুল মল্লিক।
এসময় ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে তিনি আলোকসজ্জার বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়ে বিদ্যুতায়িত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হচ্ছে।
নড়াইলে বিয়েবাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নকুল মল্লিক নামে (৫২) এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের মুসুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নকুল মল্লিক ওই গ্রামের মৃত সতিস চন্দ্র মল্লিকের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্বজন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার নিহত নকুল মল্লিকের ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে ছিল। বিয়ে উপলক্ষে বাড়িতে আলোকসজ্জা করা হয়েছিল। রাত ৮টার দিকে বরযাত্রী গেলে গেটে নতুন বরকে মিষ্টিমুখ করানোর জন্য যান নকুল মল্লিক।
এসময় ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে তিনি আলোকসজ্জার বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়ে বিদ্যুতায়িত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হচ্ছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.