
১০ জুলাই, ২০২৫ ২০:৪৯
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ‘বিনামূল্যে’ ট্রান্সক্রিপ্ট প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে কৌশলে শিক্ষার্থীদের পকেট হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে ৮শ টাকা পর্যন্ত। ববি প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনে টাকা না নেওয়া হলেও গ্রেডশিট বাবদ এ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। একই সঙ্গে ভোগান্তিও বেড়েছে বলে জানিয়েছে ভূক্তভোগীরা। তাই ভোগান্তি লাঘবে গ্রেডশিট ছাড়াই ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনের নিয়ম চালুর দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
বিভিন্ন তথ্য ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২৪ জুলাই অভ্যুত্থানের পর তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূইয়ার কাছে ২২ দফা দাবি পেশ করেন শিক্ষার্থীরা। সেই দাবির একটি অনুযাযী ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামের স্বাক্ষরে দেওয়া বিবৃতিতে ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলন বিনামূল্য ঘোষণা দেওয়া হয়। এর কয়েক মাস পর বদরুজ্জামান ভূইয়া পদত্যাগ ঘটে। সেই সময়ে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিন।
একই বছরের ৩০ অক্টোবর তখনকার পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনের স্বাক্ষরে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়- ‘ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনের ক্ষেত্রে স্নাতক/স্নাতকোত্তর শ্রেণির ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হতে হবে এবং আবেদনপত্রের সাথে সকল সেমিস্টার/বর্ষের গ্রেডশিট (আপডেট ফলসহ) এর ফটোকপি সংযুক্ত করে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।’ এই নোটিশের পর থেকে শিক্ষার্থীদের এখন ট্রানস্ক্রিপ্ট তোলার জন্য বিগত সকল সেমিস্টার/বর্ষের গ্রেডশিট উত্তালন করতে হচ্ছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিচ্ছে চার ইয়ারে ৪শ ও আট সেমিস্টারে ৮শ টাকা করে। অতীতে ট্রানস্ক্রিপ্ট তোলার জন্য কোন প্রকার নথি সংযুক্তির প্রয়োজন ছিল না। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইয়ার ও সেমিস্টার হিসাবে পরীক্ষা গ্রহণ করে থাকে বিভাগগুলো।
বাংলা বিভাগের স্নাতকোত্তরের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শহিদুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে আমরা যে পদ্ধতিতে ট্রানস্ক্রিপ্ট উত্তালন করছি সেটা আমাদের জন্য খুবই হয়রানি মূলক এবং ব্যয়বহুল । কারণ গ্রেডশিট তোলার জন্য আমাদের প্রায় ৪০০-৮০০ টাকা ব্যয় হচ্ছে, একই সাথে সময় সাপেক্ষ। আমরা চায় অবিলম্বে এই পদ্ধতি বাতিল করে আগের মত কোন গ্রেডশিটের ফটোকপি ছাড়াই আমরা যেন ট্রানস্ক্রিপ্ট তুলতে পারি।
এ বিষয়ে আইন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিরাজুল ইসলাম বলেন,আমরা দাবি করেছিলাম ট্রানস্ক্রিপ্ট উত্তালনের ফি মওকুফ করা এবং ট্রানস্ক্রিপ্ট উত্তালনের পদ্ধতি সহজ করতে হবে। কিন্তু পরর্বর্তীতে এই প্রক্রিয়াতে জটিল করে গ্রেড সিটের নামে আরও বাড়তি টাকা আদায় করা হচ্ছে যা শিক্ষার্থীদের জন্য হয়রানিমূলক।
ববির পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক সুব্রত কুমার বাহাদুর বলেন, শিক্ষার্থীদের সমস্যা হবে এমন কোন কাজ আমরা করতে চাই না। শিক্ষার্থীরা যদি এই বিষয় নিয়ে একটা আবেদনপত্র জমা দেয় তবে আমি পরবর্তী একাডেমিক সভায় এই বিষয় নিয়ে কথা বলবো এবং যত দ্রুত সম্ভাব সমাধান করার চেষ্টা করবো। সর্বশেষ আমরা সব সময় শিক্ষার্থীদের কল্যাণে স্বার্থে কাজ করতে চাই।
ববি উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে শিক্ষার্থী বান্ধব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ‘বিনামূল্যে’ ট্রান্সক্রিপ্ট প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে কৌশলে শিক্ষার্থীদের পকেট হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে ৮শ টাকা পর্যন্ত। ববি প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনে টাকা না নেওয়া হলেও গ্রেডশিট বাবদ এ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। একই সঙ্গে ভোগান্তিও বেড়েছে বলে জানিয়েছে ভূক্তভোগীরা। তাই ভোগান্তি লাঘবে গ্রেডশিট ছাড়াই ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনের নিয়ম চালুর দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
বিভিন্ন তথ্য ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২৪ জুলাই অভ্যুত্থানের পর তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূইয়ার কাছে ২২ দফা দাবি পেশ করেন শিক্ষার্থীরা। সেই দাবির একটি অনুযাযী ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামের স্বাক্ষরে দেওয়া বিবৃতিতে ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলন বিনামূল্য ঘোষণা দেওয়া হয়। এর কয়েক মাস পর বদরুজ্জামান ভূইয়া পদত্যাগ ঘটে। সেই সময়ে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিন।
একই বছরের ৩০ অক্টোবর তখনকার পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনের স্বাক্ষরে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়- ‘ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলনের ক্ষেত্রে স্নাতক/স্নাতকোত্তর শ্রেণির ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হতে হবে এবং আবেদনপত্রের সাথে সকল সেমিস্টার/বর্ষের গ্রেডশিট (আপডেট ফলসহ) এর ফটোকপি সংযুক্ত করে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।’ এই নোটিশের পর থেকে শিক্ষার্থীদের এখন ট্রানস্ক্রিপ্ট তোলার জন্য বিগত সকল সেমিস্টার/বর্ষের গ্রেডশিট উত্তালন করতে হচ্ছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিচ্ছে চার ইয়ারে ৪শ ও আট সেমিস্টারে ৮শ টাকা করে। অতীতে ট্রানস্ক্রিপ্ট তোলার জন্য কোন প্রকার নথি সংযুক্তির প্রয়োজন ছিল না। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইয়ার ও সেমিস্টার হিসাবে পরীক্ষা গ্রহণ করে থাকে বিভাগগুলো।
বাংলা বিভাগের স্নাতকোত্তরের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শহিদুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে আমরা যে পদ্ধতিতে ট্রানস্ক্রিপ্ট উত্তালন করছি সেটা আমাদের জন্য খুবই হয়রানি মূলক এবং ব্যয়বহুল । কারণ গ্রেডশিট তোলার জন্য আমাদের প্রায় ৪০০-৮০০ টাকা ব্যয় হচ্ছে, একই সাথে সময় সাপেক্ষ। আমরা চায় অবিলম্বে এই পদ্ধতি বাতিল করে আগের মত কোন গ্রেডশিটের ফটোকপি ছাড়াই আমরা যেন ট্রানস্ক্রিপ্ট তুলতে পারি।
এ বিষয়ে আইন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিরাজুল ইসলাম বলেন,আমরা দাবি করেছিলাম ট্রানস্ক্রিপ্ট উত্তালনের ফি মওকুফ করা এবং ট্রানস্ক্রিপ্ট উত্তালনের পদ্ধতি সহজ করতে হবে। কিন্তু পরর্বর্তীতে এই প্রক্রিয়াতে জটিল করে গ্রেড সিটের নামে আরও বাড়তি টাকা আদায় করা হচ্ছে যা শিক্ষার্থীদের জন্য হয়রানিমূলক।
ববির পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক সুব্রত কুমার বাহাদুর বলেন, শিক্ষার্থীদের সমস্যা হবে এমন কোন কাজ আমরা করতে চাই না। শিক্ষার্থীরা যদি এই বিষয় নিয়ে একটা আবেদনপত্র জমা দেয় তবে আমি পরবর্তী একাডেমিক সভায় এই বিষয় নিয়ে কথা বলবো এবং যত দ্রুত সম্ভাব সমাধান করার চেষ্টা করবো। সর্বশেষ আমরা সব সময় শিক্ষার্থীদের কল্যাণে স্বার্থে কাজ করতে চাই।
ববি উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে শিক্ষার্থী বান্ধব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৫
মোবাইলে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৩ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাউরগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত জালাল সিকদার (৬৫) ওই এলাকার মৃত আজাহার সিকদারের ছেলে।ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে প্রতিবেশী জালাল সিকদার শিশুটিকে মোবাইলে কার্টুন দেখানোর কথা বলে নিজ বসত ঘরের ভেতরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।
জালালের একাধিক বিয়ে থাকলেও বর্তমানে তার ঘরে কোনো স্ত্রী নেই। ঘটনার পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন।
শিশুর চাচী জানান, শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তার মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তৌকির আহমেদ জানান, শিশু কন্যাটির যৌনাঙ্গ ফোলা ও রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে স্বজনরা ওইদিন গভীর রাতে হাসপাতালে নিয়ে আসে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম বলেন, খবর পেয়ে ওই রাতেই আমি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।তিনি জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৯
ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে বরিশালে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন
বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকুল চন্দ্র মুখার্জি, সঞ্জীব সিংহ বর্মন বি এ এম বার সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলা, ব্রাহ্মণ যুব কিশোর সংসদের সভাপতি হৃদয় চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক মিলন চক্রবর্তী, যুব কিশরের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সমন্বয় সিংহ বর্মন সহ বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদও যুব কিশোর বরিশাল জেলার ও মহানগরের নেতৃবৃন্ধরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১ টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বরিশালেও এই কর্মসূচি সংগঠনের জেলা এবং মহানগর কমিটির আয়োজনে পালন করা হয়।
এখানে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদসহ সনাতন ধর্মালম্বীদের বিভিন্ন সংগঠন ব্যানার এবং ফেস্টুন নিয়ে যোগ দেয়। এখানে বক্তারা বলেন,ধর্মের প্রতি আবমাননা এটা সহ্য করার নয়।এবং আমাদের প্রতি নিপীড়ন এটা নতুন কোন ঘটনা নয়। স্বাধনিতার পর থেকেই এমন অত্যাচার চলে আসছে।
আমরা চাই সনাতনীদের প্রতি এহেন অত্যাচার বন্ধ হোক। এজন্য সরকারের প্রতি ব্যবস্থা নিতে জোর দাবী করেন। মানিক মুখার্জী, সভাপতি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল। মানববন্ধনের পর দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল বের হলে তা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের বানারীপাড়ায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে গোপনে শিক্ষক হাজিরা খাতায স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি কিশোর কুমার বড়াল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ১৬ জুন বানারীপাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এতে অভিযোগ করা হয় গত ৩ মে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বায়েজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের চাকরি নেওয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তার
বেতন-ভাতা বন্ধ করা হয়। ফলে গত ৪ মে থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত তিনি স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেননি। ১৪ জুন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বিদ্যালয়ের কাজে ঢাকায় যান।
এ সুযোগে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার ১৫ জুন বিদ্যালয়ে এসে গত ৪ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত হাজিরা খাতায় এক সঙ্গে সবগুলো স্বাক্ষর করেন।
বিষয়টি জেনে ১৬ জুন প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের ঘরে লাল কালির দাগ টেনে দুদিন বরিশালে দাপ্তরিক কাজে গেলে তার সেই লাল কালির দাগের মধ্যে ১৬ ও ১৭ জুন সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার স্বাক্ষর করেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বলেন আমি স্কুলের কাজে ঢাকা ও বরিশালে থাকার সুযোগে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার হাজিরা খাতায় গোপনে স্বাক্ষর করেন।
এমনকি আমার দেওয়া লাল কালির দাগের মধ্যেও তিনি ১৬ ও ১৭ জুন স্বাক্ষর করেছেন। তার বিষয় নিয়ে সকল শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় ইউএনও মহোদয় বেতন-ভাতা বন্ধ করে তাকে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করার পরেও তিনি আসেন এবং গোপনে স্বাক্ষর করায় তার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।
এ ব্যপারে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার বলেন, তার বেতন-ভাতা বন্ধ করার এখতিয়ার কেবল মন্ত্রনালয়ের রয়েছে, ইউএনও কিংবা প্রধান শিক্ষকের নেই। তার সার্টিফিকেট জাল কিংবা ভূয়া নয়।
এধরণের কম্পিউটার সার্টিফিকেট দিয়ে বিভিন্ন স্কুলে অনেকেই চাকরি করছেন। গোপনে নয় প্রতিদিন বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন দাবি করে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে তাকে হয়রাণি করছেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তদন্তে ওই সহকারি শিক্ষকের সার্টিফিকেট জালিয়াতির বিষয়টি প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে
বরিশালের বানারীপাড়ায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে গোপনে শিক্ষক হাজিরা খাতায স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি কিশোর কুমার বড়াল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ১৬ জুন বানারীপাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এতে অভিযোগ করা হয় গত ৩ মে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বায়েজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের চাকরি নেওয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তার
বেতন-ভাতা বন্ধ করা হয়। ফলে গত ৪ মে থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত তিনি স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেননি। ১৪ জুন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বিদ্যালয়ের কাজে ঢাকায় যান।
এ সুযোগে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার ১৫ জুন বিদ্যালয়ে এসে গত ৪ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত হাজিরা খাতায় এক সঙ্গে সবগুলো স্বাক্ষর করেন।
বিষয়টি জেনে ১৬ জুন প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের ঘরে লাল কালির দাগ টেনে দুদিন বরিশালে দাপ্তরিক কাজে গেলে তার সেই লাল কালির দাগের মধ্যে ১৬ ও ১৭ জুন সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার স্বাক্ষর করেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বলেন আমি স্কুলের কাজে ঢাকা ও বরিশালে থাকার সুযোগে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার হাজিরা খাতায় গোপনে স্বাক্ষর করেন।
এমনকি আমার দেওয়া লাল কালির দাগের মধ্যেও তিনি ১৬ ও ১৭ জুন স্বাক্ষর করেছেন। তার বিষয় নিয়ে সকল শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় ইউএনও মহোদয় বেতন-ভাতা বন্ধ করে তাকে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করার পরেও তিনি আসেন এবং গোপনে স্বাক্ষর করায় তার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।
এ ব্যপারে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার বলেন, তার বেতন-ভাতা বন্ধ করার এখতিয়ার কেবল মন্ত্রনালয়ের রয়েছে, ইউএনও কিংবা প্রধান শিক্ষকের নেই। তার সার্টিফিকেট জাল কিংবা ভূয়া নয়।
এধরণের কম্পিউটার সার্টিফিকেট দিয়ে বিভিন্ন স্কুলে অনেকেই চাকরি করছেন। গোপনে নয় প্রতিদিন বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন দাবি করে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে তাকে হয়রাণি করছেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তদন্তে ওই সহকারি শিক্ষকের সার্টিফিকেট জালিয়াতির বিষয়টি প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে
মোবাইলে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৩ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাউরগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত জালাল সিকদার (৬৫) ওই এলাকার মৃত আজাহার সিকদারের ছেলে।ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে প্রতিবেশী জালাল সিকদার শিশুটিকে মোবাইলে কার্টুন দেখানোর কথা বলে নিজ বসত ঘরের ভেতরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।
জালালের একাধিক বিয়ে থাকলেও বর্তমানে তার ঘরে কোনো স্ত্রী নেই। ঘটনার পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন।
শিশুর চাচী জানান, শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তার মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তৌকির আহমেদ জানান, শিশু কন্যাটির যৌনাঙ্গ ফোলা ও রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে স্বজনরা ওইদিন গভীর রাতে হাসপাতালে নিয়ে আসে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম বলেন, খবর পেয়ে ওই রাতেই আমি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।তিনি জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে বরিশালে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন
বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকুল চন্দ্র মুখার্জি, সঞ্জীব সিংহ বর্মন বি এ এম বার সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলা, ব্রাহ্মণ যুব কিশোর সংসদের সভাপতি হৃদয় চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক মিলন চক্রবর্তী, যুব কিশরের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সমন্বয় সিংহ বর্মন সহ বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদও যুব কিশোর বরিশাল জেলার ও মহানগরের নেতৃবৃন্ধরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১ টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বরিশালেও এই কর্মসূচি সংগঠনের জেলা এবং মহানগর কমিটির আয়োজনে পালন করা হয়।
এখানে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদসহ সনাতন ধর্মালম্বীদের বিভিন্ন সংগঠন ব্যানার এবং ফেস্টুন নিয়ে যোগ দেয়। এখানে বক্তারা বলেন,ধর্মের প্রতি আবমাননা এটা সহ্য করার নয়।এবং আমাদের প্রতি নিপীড়ন এটা নতুন কোন ঘটনা নয়। স্বাধনিতার পর থেকেই এমন অত্যাচার চলে আসছে।
আমরা চাই সনাতনীদের প্রতি এহেন অত্যাচার বন্ধ হোক। এজন্য সরকারের প্রতি ব্যবস্থা নিতে জোর দাবী করেন। মানিক মুখার্জী, সভাপতি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল। মানববন্ধনের পর দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল বের হলে তা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
২০ জুন, ২০২৬ ২০:৫৯
২০ জুন, ২০২৬ ২০:১০
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২