
১৭ জুলাই, ২০২৫ ১৩:৩২
বরিশাল নগরের কাউনিয়ার সেকশন খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে এলাকাবাসী। বুধবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে মহাত্মা অশ্বিনী কুমার হলের সামনে মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ স্মারক লিপি দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসেন স্মারকলিপিটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন। এ সময় সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা আকতারু কবিরের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ও শুভংকর চক্রবর্তি; সুজনের জেলার কমিটির সাধারণ সম্পাদক রনজিৎ দত্ত; বেলার বরিশালের সমন্বয়ক লিকংন বায়েন; নাগরিক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট সুভাষ দাস; শুকতারা খেলাঘর আসরের সাবেক সভাপতি কাজী সেলিনা ও মো. জাহিদ হোসেন প্রমুখ।
বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ও স্থানীয় বাসিন্দা শুভংকর চক্রবর্তী বলেন, কাউনিয়া সেকশন রোডের একমাত্র খেলার মাঠটির জেলা পুলিশ বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
কিন্তু নগরীর ৭নং ও ২নং ওয়ার্ডের শিশু-কিশোররা নিয়মিত খেলাধুলার জন্য একটিমাত্র মাঠ রয়েছে। এই দুই ওয়ার্ডে বসবাসকারী নাগরিকদের অন্য কোনো উন্মুক্ত স্থান নেই। ফলে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও মৃত ব্যক্তির জানাজা নামাজ পর্যন্ত এ মাঠকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়।
এ ছাড়া মাঠকে কেন্দ্র করে দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও যাবতীয় অনুষ্ঠান, একটি মসজিদ ও মাদ্রাসার নিয়মিত বার্ষিক মাহফিলসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন খেলাঘরের একটি শাখা আসরের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তিনি আরও বলেন, এ মাঠ দখল হয়ে গেলে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে শিশু-কিশোরদের ওপরে। তাই আমরা লিজ বাতিলসহ খেলার মাঠটি শিশু কিশোরদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি। পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি দিয়েছি। যার অনুলিপি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ও জেলা পুলিশ সুপারের কাছে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা আকতারুল কবির বলেন, ‘এই মাঠ ৭নং ওয়ার্ডের প্রাণ। এ ওয়ার্ডে অন্যকোনো মাঠ কিংবা খালি জায়গা নেই। যেখানে বাচ্চারা খেলাধুলা করবে। এটিই একমাত্র ভরসা। এই মাঠ আমরা কিছুতেই ছাড়ব না।’
তিনি জানান, এর আগে ২০২৩ সালের জুন মাসে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দোকান/গোডাউন বরাদ্দ চলছে লেখা একটি সাইনবোর্ড ঝুলানো হয়েছিল। ওই সময়ে মাঠে গোডাউন নির্মাণের উদ্যোগ নিলে স্থানীয়রা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছিল। পাশাপাশি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান ও মানববন্ধন করেছিল স্থানীয়রা। এর প্রেক্ষিতে ওই সাইনবোর্ড মাঠ থেকে অপসারণ করে মাঠটি উন্মুখ রাখা হয়।
বরিশা্ল জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ‘১৯৬৪ সাল থেকে ওই সম্পত্তির মালিক জেলা পুলিশ। জমির একাংশের ওপর স্থানীয়রা মসজিদ ও মাদ্রাসা করেছেন। অবশিষ্ট মাঠ বছরের বেশিরভাগ সময় পানিতে তলিয়ে থাকে। বছরে ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা পুলিশকে খাজনা দিতে হয় এ মাঠের জন্য। সেজন্যই মাঠে জেলা পুলিশ স্টল করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর অংশ হিসেবে মাঠটি চারদিক থেকে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করে।
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীনের সরকারি মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তিনি তা রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে তার হোয়াটসঅ্যাপে মাসেজ দেওয়া হলে তিনি সিন করলেও কোনো উত্তর দেননি।
এ বিষয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, 'বুধবার দুপুরে স্থানীয়রা সেকশনের মাঠ রক্ষার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি আমার কাছে দিয়েছেন। সেটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
বরিশাল নগরের কাউনিয়ার সেকশন খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে এলাকাবাসী। বুধবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে মহাত্মা অশ্বিনী কুমার হলের সামনে মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ স্মারক লিপি দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসেন স্মারকলিপিটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন। এ সময় সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা আকতারু কবিরের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ও শুভংকর চক্রবর্তি; সুজনের জেলার কমিটির সাধারণ সম্পাদক রনজিৎ দত্ত; বেলার বরিশালের সমন্বয়ক লিকংন বায়েন; নাগরিক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট সুভাষ দাস; শুকতারা খেলাঘর আসরের সাবেক সভাপতি কাজী সেলিনা ও মো. জাহিদ হোসেন প্রমুখ।
বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ও স্থানীয় বাসিন্দা শুভংকর চক্রবর্তী বলেন, কাউনিয়া সেকশন রোডের একমাত্র খেলার মাঠটির জেলা পুলিশ বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
কিন্তু নগরীর ৭নং ও ২নং ওয়ার্ডের শিশু-কিশোররা নিয়মিত খেলাধুলার জন্য একটিমাত্র মাঠ রয়েছে। এই দুই ওয়ার্ডে বসবাসকারী নাগরিকদের অন্য কোনো উন্মুক্ত স্থান নেই। ফলে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও মৃত ব্যক্তির জানাজা নামাজ পর্যন্ত এ মাঠকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়।
এ ছাড়া মাঠকে কেন্দ্র করে দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও যাবতীয় অনুষ্ঠান, একটি মসজিদ ও মাদ্রাসার নিয়মিত বার্ষিক মাহফিলসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন খেলাঘরের একটি শাখা আসরের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তিনি আরও বলেন, এ মাঠ দখল হয়ে গেলে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে শিশু-কিশোরদের ওপরে। তাই আমরা লিজ বাতিলসহ খেলার মাঠটি শিশু কিশোরদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি। পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি দিয়েছি। যার অনুলিপি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ও জেলা পুলিশ সুপারের কাছে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা আকতারুল কবির বলেন, ‘এই মাঠ ৭নং ওয়ার্ডের প্রাণ। এ ওয়ার্ডে অন্যকোনো মাঠ কিংবা খালি জায়গা নেই। যেখানে বাচ্চারা খেলাধুলা করবে। এটিই একমাত্র ভরসা। এই মাঠ আমরা কিছুতেই ছাড়ব না।’
তিনি জানান, এর আগে ২০২৩ সালের জুন মাসে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দোকান/গোডাউন বরাদ্দ চলছে লেখা একটি সাইনবোর্ড ঝুলানো হয়েছিল। ওই সময়ে মাঠে গোডাউন নির্মাণের উদ্যোগ নিলে স্থানীয়রা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছিল। পাশাপাশি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান ও মানববন্ধন করেছিল স্থানীয়রা। এর প্রেক্ষিতে ওই সাইনবোর্ড মাঠ থেকে অপসারণ করে মাঠটি উন্মুখ রাখা হয়।
বরিশা্ল জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ‘১৯৬৪ সাল থেকে ওই সম্পত্তির মালিক জেলা পুলিশ। জমির একাংশের ওপর স্থানীয়রা মসজিদ ও মাদ্রাসা করেছেন। অবশিষ্ট মাঠ বছরের বেশিরভাগ সময় পানিতে তলিয়ে থাকে। বছরে ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা পুলিশকে খাজনা দিতে হয় এ মাঠের জন্য। সেজন্যই মাঠে জেলা পুলিশ স্টল করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর অংশ হিসেবে মাঠটি চারদিক থেকে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করে।
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীনের সরকারি মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তিনি তা রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে তার হোয়াটসঅ্যাপে মাসেজ দেওয়া হলে তিনি সিন করলেও কোনো উত্তর দেননি।
এ বিষয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, 'বুধবার দুপুরে স্থানীয়রা সেকশনের মাঠ রক্ষার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি আমার কাছে দিয়েছেন। সেটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.