
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২১
বিভিন্ন পত্রিকায় ‘মঠবাড়িয়ায় সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে লুটপাটের রাজত্ব’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনকে শোকজ করা হয়েছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার স্বাক্ষরিত শোকজের একটি নোটিশ ইতোমধ্যে গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে পৌঁছেছে।
উল্লেখ্য, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, অর্থ আত্মসাৎ ও নীতিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন অজুহাতে ছাত্রীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগে জানা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় টেস্টে অকৃতকার্য ছাত্রীদের ফরম পূরণে মেধা তালিকায় নাম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এবং অফিস খরচ বাবৎ রসিদ ছাড়াই প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রতিটি বিষয়ে ১০০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি নিয়ম বর্হিভূত খণ্ডকালীন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের বেতন ৩০০ টাকা করে প্রতি শিক্ষার্থী কাছ থেকে আদায় করে।
এদিকে ২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ব্যাচের নিকট থেকে কোচিং করানোর কথা বলে তিন হাজার করে টাকা নিয়েছে। কিন্তু কোচিং না করিয়ে ওই টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিভাবক মোস্তাফিজুর রহামন ফিরোজ অভিযোগ করেন। এ ছাড়াও গত ৩ বছর ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য উপবৃত্তির টাকাও বিতরণ না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বজায় রাখার পরিবর্তে ‘রবিন স্টোর’ নামক একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকে ড্রেস ও জুতা কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করেন।
ল্যাবরেটরি সুবিধা থাকলেও সেখানে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার নেই। এমনকি বিদ্যালয়ের শৌচাগার ও আঙিনা এতটাই নোংরা যে ছাত্রীরা প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।
প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। অবিলম্বে এই দুর্নীতির তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
এদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রধান হয়েও সরকারি ও জাতীয় দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি ও ২৬ মার্চ তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসেননি। এমন কি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শহীদ ব্যাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়নি।
পরে উপজেলা বিএনপির সদস্য নিজামুল কবির মিরাজ তাকে (প্রধান শিক্ষক) মুঠোফেনে কল করে প্রতিষ্ঠানে আনেন। এতে রাষ্ট্রের প্রতি এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এ ব্যাপরে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনের মুখোমুখি হয়ে জানতে চাইলে তিনি স্পষ্ট কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. রুহুল আমিন দুলাল বলেছিলেন, সরকারি দিবসে প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আকলিমা আকতার বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সকল অভিযোগের বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক আখতার হোসেনকে শোকজ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তিনি সঠিক জবাব দিতে না পারলে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিভিন্ন পত্রিকায় ‘মঠবাড়িয়ায় সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে লুটপাটের রাজত্ব’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনকে শোকজ করা হয়েছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার স্বাক্ষরিত শোকজের একটি নোটিশ ইতোমধ্যে গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে পৌঁছেছে।
উল্লেখ্য, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, অর্থ আত্মসাৎ ও নীতিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন অজুহাতে ছাত্রীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগে জানা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় টেস্টে অকৃতকার্য ছাত্রীদের ফরম পূরণে মেধা তালিকায় নাম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এবং অফিস খরচ বাবৎ রসিদ ছাড়াই প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রতিটি বিষয়ে ১০০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি নিয়ম বর্হিভূত খণ্ডকালীন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের বেতন ৩০০ টাকা করে প্রতি শিক্ষার্থী কাছ থেকে আদায় করে।
এদিকে ২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ব্যাচের নিকট থেকে কোচিং করানোর কথা বলে তিন হাজার করে টাকা নিয়েছে। কিন্তু কোচিং না করিয়ে ওই টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিভাবক মোস্তাফিজুর রহামন ফিরোজ অভিযোগ করেন। এ ছাড়াও গত ৩ বছর ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য উপবৃত্তির টাকাও বিতরণ না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বজায় রাখার পরিবর্তে ‘রবিন স্টোর’ নামক একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকে ড্রেস ও জুতা কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করেন।
ল্যাবরেটরি সুবিধা থাকলেও সেখানে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার নেই। এমনকি বিদ্যালয়ের শৌচাগার ও আঙিনা এতটাই নোংরা যে ছাত্রীরা প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।
প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। অবিলম্বে এই দুর্নীতির তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
এদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রধান হয়েও সরকারি ও জাতীয় দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি ও ২৬ মার্চ তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসেননি। এমন কি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শহীদ ব্যাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়নি।
পরে উপজেলা বিএনপির সদস্য নিজামুল কবির মিরাজ তাকে (প্রধান শিক্ষক) মুঠোফেনে কল করে প্রতিষ্ঠানে আনেন। এতে রাষ্ট্রের প্রতি এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এ ব্যাপরে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনের মুখোমুখি হয়ে জানতে চাইলে তিনি স্পষ্ট কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. রুহুল আমিন দুলাল বলেছিলেন, সরকারি দিবসে প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আকলিমা আকতার বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সকল অভিযোগের বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক আখতার হোসেনকে শোকজ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তিনি সঠিক জবাব দিতে না পারলে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৫৯
পিরোজপুরের নেছারাবাদে এক প্রসূতি একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া তিন নবজাতকই কন্যা এবং মা-শিশু সবাই সুস্থ রয়েছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার ইন্দুরহাটে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রসূতি নুসরাত জাহান (২২) নিরাপদভাবে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিন সন্তানের জন্ম দেন।
ক্লিনিকের স্বত্বাধিকারী মো. মাইনুল ইসলাম অসীম জানান, মাগরিবের সময় সফলভাবে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। বর্তমানে মা ও নবজাতকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তারা সুস্থ রয়েছে।
প্রসূতির স্বামী শরিফুল ইসলাম উজ্জ্বল বলেন, প্রসব বেদনা উঠলে তার স্ত্রীকে ‘সেবা’ প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসক ডা. প্রীতিশ কুমার বিশ্বাস সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে একসঙ্গে তিন কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। একসঙ্গে তিন সন্তানের বাবা হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।
অস্ত্রোপচারকারী শিশু ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. প্রীতিশ বিশ্বাস জানান, এ ধরনের অপারেশন কিছুটা জটিল হলেও সতর্কতার সঙ্গে সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। মা ও নবজাতকরা সবাই সুস্থ আছে। একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্মের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আনন্দের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা নবজাতকদের সুস্থতা কামনা করেছেন।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে এক প্রসূতি একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া তিন নবজাতকই কন্যা এবং মা-শিশু সবাই সুস্থ রয়েছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার ইন্দুরহাটে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রসূতি নুসরাত জাহান (২২) নিরাপদভাবে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিন সন্তানের জন্ম দেন।
ক্লিনিকের স্বত্বাধিকারী মো. মাইনুল ইসলাম অসীম জানান, মাগরিবের সময় সফলভাবে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। বর্তমানে মা ও নবজাতকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তারা সুস্থ রয়েছে।
প্রসূতির স্বামী শরিফুল ইসলাম উজ্জ্বল বলেন, প্রসব বেদনা উঠলে তার স্ত্রীকে ‘সেবা’ প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসক ডা. প্রীতিশ কুমার বিশ্বাস সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে একসঙ্গে তিন কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। একসঙ্গে তিন সন্তানের বাবা হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।
অস্ত্রোপচারকারী শিশু ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. প্রীতিশ বিশ্বাস জানান, এ ধরনের অপারেশন কিছুটা জটিল হলেও সতর্কতার সঙ্গে সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। মা ও নবজাতকরা সবাই সুস্থ আছে। একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্মের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আনন্দের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা নবজাতকদের সুস্থতা কামনা করেছেন।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৪
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় চরম অভাবের তাড়নায় তিন শিশু সন্তানকে ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) রেখে নিখোঁজ হওয়া মা মুক্তা বেগমকে (২৭) খুঁজে পাওয়া গেছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিশুদের মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং ওই নারীর কর্মসংস্থানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে তিন সন্তানকে রেখে চলে যান মুক্তা। মাকে ফিরে পেয়ে ছয় বছরের আরজিনি, তিন বছরের আছিয়া ও সাত মাস বয়সী খাদিজা আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে মুক্তা বেগমের স্বামী আমান উল্লাহ দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র চলে যান। এরপর থেকে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজ নেননি।
চরম অনটনের মধ্যে তিন সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মুক্তা। বুধবার সকালে তিনি সন্তানদের নিয়ে চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে আসেন। সেখানে চেয়ারম্যান তার জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করলে তিনি সুযোগ বুঝে পরিষদের দোতলার বারান্দায় শিশুদের রেখে চলে যান। শিশুদের কান্নাকাটি শুনে পরিষদের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
জানা গেছে, মুক্তা বেগমের আয়ের একমাত্র উৎস ছিলো একটি সেলাই মেশিন। কিন্তু মাত্র এক হাজার টাকা দেনার দায়ে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্য নজরুল ইসলাম সেটি কেড়ে নিয়ে যান। উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি আরও দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। ইউপি সদস্য সাহিদা আক্তার পারুল জানান, পারিবারিক কলহ ও শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের কারণে মুক্তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিলো।
চন্ডিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন, স্বামী আলাদা থাকায় এবং আয়ের একমাত্র সম্বল সেলাই মেশিনটি ছিনিয়ে নেওয়ায় মুক্তা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। আমরা তাকে উদ্ধার করে সন্তানদের বুঝিয়ে দিয়েছি। তবে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ সদস্য নজরুল ইসলাম এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, অভাবের তাড়নায় মা চলে যাওয়ার বিষয়টি জানার পর আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিই।
তাকে খুঁজে বের করে শিশুদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রাম পুলিশ যে সেলাই মেশিনটি আটকে রেখেছে সেটি দ্রুত ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওই নারীর টেকসই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় চরম অভাবের তাড়নায় তিন শিশু সন্তানকে ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) রেখে নিখোঁজ হওয়া মা মুক্তা বেগমকে (২৭) খুঁজে পাওয়া গেছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিশুদের মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং ওই নারীর কর্মসংস্থানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে তিন সন্তানকে রেখে চলে যান মুক্তা। মাকে ফিরে পেয়ে ছয় বছরের আরজিনি, তিন বছরের আছিয়া ও সাত মাস বয়সী খাদিজা আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে মুক্তা বেগমের স্বামী আমান উল্লাহ দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র চলে যান। এরপর থেকে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজ নেননি।
চরম অনটনের মধ্যে তিন সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মুক্তা। বুধবার সকালে তিনি সন্তানদের নিয়ে চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে আসেন। সেখানে চেয়ারম্যান তার জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করলে তিনি সুযোগ বুঝে পরিষদের দোতলার বারান্দায় শিশুদের রেখে চলে যান। শিশুদের কান্নাকাটি শুনে পরিষদের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
জানা গেছে, মুক্তা বেগমের আয়ের একমাত্র উৎস ছিলো একটি সেলাই মেশিন। কিন্তু মাত্র এক হাজার টাকা দেনার দায়ে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্য নজরুল ইসলাম সেটি কেড়ে নিয়ে যান। উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি আরও দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। ইউপি সদস্য সাহিদা আক্তার পারুল জানান, পারিবারিক কলহ ও শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের কারণে মুক্তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিলো।
চন্ডিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন, স্বামী আলাদা থাকায় এবং আয়ের একমাত্র সম্বল সেলাই মেশিনটি ছিনিয়ে নেওয়ায় মুক্তা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। আমরা তাকে উদ্ধার করে সন্তানদের বুঝিয়ে দিয়েছি। তবে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ সদস্য নজরুল ইসলাম এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, অভাবের তাড়নায় মা চলে যাওয়ার বিষয়টি জানার পর আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিই।
তাকে খুঁজে বের করে শিশুদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রাম পুলিশ যে সেলাই মেশিনটি আটকে রেখেছে সেটি দ্রুত ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওই নারীর টেকসই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৭
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে তিন শিশু সন্তান রেখে উধাও হয়েছেন মুক্তা বেগম (২৭)। (৮ এপ্রিল) বুধবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায়, মুক্তা বেগমের স্বামী আমান উল্লাহ প্রায় এক বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজখবর নেননি। ফলে চরম অভাব-অনটনের মধ্যে তিন সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মুক্তা।
বুধবার সকালে তিন সন্তান আরজিনি (৬), আছিয়া (৩) ও সাত মাস বয়সী খাদিজাকে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আসেন মা মুক্ত। চেয়ারম্যান তার জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করেন। পরে পরিষদের দোতলার বারান্দায় শিশু তিনটিকে রেখে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান।
পরে শিশুদের কান্নাকাটি দেখে পরিষদের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলেও বিকেল পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, মুক্তা বেগমের আয়ের একমাত্র উৎস ছিল একটি সেলাই মেশিন। কিন্তু এক হাজার টাকা দেনার দায়ে সেটিও নিয়ে যায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলাম। এতে তিনি আরও অসহায় হয়ে পড়েন।
ইউপি সদস্য সাহিদা আক্তার পারুল জানান, পারিবারিক কলহ ও শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের কারণে মুক্তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন, মুক্তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে আলাদা থাকেন। তার আয়ের একমাত্র সম্বল সেলাই মেশিনটিও নিয়ে নেওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে তিন শিশু সন্তান রেখে উধাও হয়েছেন মুক্তা বেগম (২৭)। (৮ এপ্রিল) বুধবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায়, মুক্তা বেগমের স্বামী আমান উল্লাহ প্রায় এক বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজখবর নেননি। ফলে চরম অভাব-অনটনের মধ্যে তিন সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মুক্তা।
বুধবার সকালে তিন সন্তান আরজিনি (৬), আছিয়া (৩) ও সাত মাস বয়সী খাদিজাকে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আসেন মা মুক্ত। চেয়ারম্যান তার জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করেন। পরে পরিষদের দোতলার বারান্দায় শিশু তিনটিকে রেখে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান।
পরে শিশুদের কান্নাকাটি দেখে পরিষদের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলেও বিকেল পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, মুক্তা বেগমের আয়ের একমাত্র উৎস ছিল একটি সেলাই মেশিন। কিন্তু এক হাজার টাকা দেনার দায়ে সেটিও নিয়ে যায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলাম। এতে তিনি আরও অসহায় হয়ে পড়েন।
ইউপি সদস্য সাহিদা আক্তার পারুল জানান, পারিবারিক কলহ ও শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের কারণে মুক্তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন, মুক্তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে আলাদা থাকেন। তার আয়ের একমাত্র সম্বল সেলাই মেশিনটিও নিয়ে নেওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.