পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালি গ্রাম এখন সূর্যমুখীর হাসিতে ভরপুর। যেখানে একসময় ছিল শুধুই ধানক্ষেত, সেখানে আজ জন্ম নিয়েছে কৃষকের নতুন সম্ভাবনা। প্রকৃতির এই অপূর্ব সৌন্দর্য আর কৃষকের স্বপ্ন মিলেমিশে কৈবর্তখালি গ্রামটি এখন যেন এক জীবন্ত উৎসবের আঙিনা।
এ দৃশ্য পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালি গ্রামের। হলুদের সমারোহে সাজানো এই মাঠ যেন প্রকৃতির এক অনন্য ক্যানভাস। সূর্যমুখী চাষে কৃষকের নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যাওয়ার পাশাপাশি গ্রামটির সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় এবং জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত দর্শনার্থী ভিড় করছেন সূর্যমুখীর এই মাঠে।
সূর্যমুখীর এমন বিস্তীর্ণ চাষ শুধু সদর উপজেলায় নয়, বরং জেলার বিভিন্ন উপজেলাতেও করা হয়েছে। একসময় যেখানে ধান কিংবা অন্যান্য ফসল ছিল প্রধান, সেখানে এখন জায়গা করে নিচ্ছে সূর্যমুখী চাষ। কম খরচ, কম শ্রম এবং লাভজনক ফসল হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে এই চাষে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে জেলার ৭টি উপজেলায় প্রায় ৯৮৪ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। এবারে বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রতি হেক্টরে ২ থেকে আড়াই টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
কৃষকরা বলছেন, পর্যাপ্ত সরকারি প্রণোদনা, কার্যকর সহায়তা এবং বিনা সুদে ঋণ পেলে এই সম্ভাবনাময় চাষে স্থানীয় কৃষকেরা আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হবেন। এছাড়া কৃষি কার্ড পেলে চাষাবাদে আগ্রহ আরও বাড়বে বলে তারা মনে করেন।
এদিকে বিকেল হলেই কৈবর্তখালি গ্রামের এই সূর্যমুখী ক্ষেত পরিণত হয় দর্শনার্থীদের মিলনমেলায়। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকে ঘুরতে আসেন, ছবি তোলেন এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করেন। স্থানীয়দের মতে, এই ক্ষেতটি এখন এলাকার একটি ছোট পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
সূর্যমুখী চাষি খোকন হোসেন বলেন, আমরা প্রতিবছর শুধু ধান উৎপাদন করতাম। এ বছর প্রথমবার সূর্যমুখী চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে বীজ দিয়ে সহায়তা করা হয়েছে। সরকার যদি সহজ শর্তে ঋণ দিত, তাহলে আরও ভালো হতো।
স্থানীয় আরেক চাষি মোস্তফা হাওলাদার বলেন, আমি এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী আবাদ করেছি। আগে কখনো এই চাষ করিনি। এটি অনেক লাভজনক। সরকার যদি আমাদের এলাকায় কৃষি কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করত, তাহলে আরও উৎসাহ পেতাম। নিজের পরিবারের জন্য তেল রেখে বাকিটা বিক্রি করব।
অন্য চাষি রফিক উদ্দিন বলেন, সূর্যমুখী চাষে ভালো ফলন হয়েছে। আর কিছুদিন পর তেল উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হবে। ফুল ফোটার পর অনেক মানুষ এখানে ঘুরতে আসে, ছবি তোলে এটা দেখতে ভালো লাগে।
জেলার নেছারাবাদ উপজেলা থেকে ঘুরতে আসা সুমাইয়া আক্তার বলেন, পরিবার নিয়ে এখানে এসেছি। সূর্যমুখীর মাঠ খুব সুন্দর লাগছে। অনেক ছবি তুলেছি।
পিরোজপুর শহর থেকে আসা সাব্বির হোসেন বলেন, শুধু মেয়েরা নয়, ছেলেরাও ফুল ভালোবাসে। আমরা বন্ধুরা মিলে এখানে এসেছি। সূর্যমুখী ফুলগুলো দেখতে খুবই ভালো লাগছে।
পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার বলেন, কৃষকদের বীজ সরবরাহ, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত মাঠ পরিদর্শনের মাধ্যমে সার্বিক সহায়তা করা হচ্ছে।
জেলায় সূর্যমুখী আবাদ থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকার উৎপাদন আশা করা হচ্ছে। আগামী বছর এ আবাদ আরও বাড়বে। কৈবর্তখালি এখন শুধু ফসলের মাঠ নয় প্রতিটি সূর্যমুখী ফুল যেন কৃষকের সমৃদ্ধি আর আগামীর নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।

২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:১৬
পূজার আনন্দ শেষে বাড়ি ফেরার পথেই নেমে এলো বিষাদ। পিরোজপুরের নাজিরপুরে কালিগঙ্গা নদীতে যাত্রীবোঝাই ট্রলারডুবির ঘটনায় এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন শিশুটির মা। নদীতে স্বজনকে হারিয়ে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় সময় পার করছেন পরিবারের সদস্যরা।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে নাজিরপুরের শ্রীরামকাঠী ও নেছারাবাদের ভরতকাঠী ফেরিঘাটের মধ্যবর্তী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে পরিবার নিয়ে এলাকায় বেড়াতে এসেছিলেন নেছারাবাদ উপজেলার ভরতকাঠী গ্রামের শংকর বেপারী। পূজা শেষে বাড়ি ফেরার জন্য তাঁরা ট্রলারে ওঠেন। ট্রলারটিতে অর্ধশতাধিক যাত্রীর পাশাপাশি ৬টি মোটরসাইকেল ছিল বলে জানা গেছে।
ঘাট ছাড়ার পরপরই ট্রলারটি নদীতে ডুবে যায়। এ সময় অনেক যাত্রী সাঁতরে ও স্থানীয়দের সহায়তায় তীরে উঠতে সক্ষম হন। তবে শংকর বেপারীর স্ত্রী রিনা বেপারী এবং তাঁদের মেয়ে নিখোঁজ হন। পরে উদ্ধার অভিযানে শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের সদস্যরা। নিখোঁজ নারীকে উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়। রাতের পরিস্থিতি বিবেচনায় উদ্ধারকাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে মঙ্গলবার সকালে পুনরায় অভিযান চালানোর কথা জানানো হয়।

১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৩৪

১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৪৯
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বসতঘরে অভিযান চালিয়ে একটি ট্রলি ব্যাগ থেকে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সুভ সাচকী (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় অলিউর রহমান (৪৯) নামে আরেক ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার (১১ অক্টোবর) মঠবাড়িয়া থানা-পুলিশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, পিরোজপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ চক্রবর্তীর তত্ত্বাবধানে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চালিতাবুনিয়া গ্রামের একটি বসতঘরে অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল।
এ সময় ঘরের ভেতরে থাকা একটি ট্রলি ব্যাগ তল্লাশি করে তিনটি প্যাকেটে সংরক্ষিত ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। অভিযানে সুভ সাচকীকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও অলিউর রহমান পালিয়ে যান।
মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ চক্রবর্তী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চার কেজি গাঁজাসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করা হবে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১২
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালি গ্রাম এখন সূর্যমুখীর হাসিতে ভরপুর। যেখানে একসময় ছিল শুধুই ধানক্ষেত, সেখানে আজ জন্ম নিয়েছে কৃষকের নতুন সম্ভাবনা। প্রকৃতির এই অপূর্ব সৌন্দর্য আর কৃষকের স্বপ্ন মিলেমিশে কৈবর্তখালি গ্রামটি এখন যেন এক জীবন্ত উৎসবের আঙিনা।
এ দৃশ্য পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালি গ্রামের। হলুদের সমারোহে সাজানো এই মাঠ যেন প্রকৃতির এক অনন্য ক্যানভাস। সূর্যমুখী চাষে কৃষকের নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যাওয়ার পাশাপাশি গ্রামটির সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় এবং জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত দর্শনার্থী ভিড় করছেন সূর্যমুখীর এই মাঠে।
সূর্যমুখীর এমন বিস্তীর্ণ চাষ শুধু সদর উপজেলায় নয়, বরং জেলার বিভিন্ন উপজেলাতেও করা হয়েছে। একসময় যেখানে ধান কিংবা অন্যান্য ফসল ছিল প্রধান, সেখানে এখন জায়গা করে নিচ্ছে সূর্যমুখী চাষ। কম খরচ, কম শ্রম এবং লাভজনক ফসল হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে এই চাষে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে জেলার ৭টি উপজেলায় প্রায় ৯৮৪ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। এবারে বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রতি হেক্টরে ২ থেকে আড়াই টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
কৃষকরা বলছেন, পর্যাপ্ত সরকারি প্রণোদনা, কার্যকর সহায়তা এবং বিনা সুদে ঋণ পেলে এই সম্ভাবনাময় চাষে স্থানীয় কৃষকেরা আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হবেন। এছাড়া কৃষি কার্ড পেলে চাষাবাদে আগ্রহ আরও বাড়বে বলে তারা মনে করেন।
এদিকে বিকেল হলেই কৈবর্তখালি গ্রামের এই সূর্যমুখী ক্ষেত পরিণত হয় দর্শনার্থীদের মিলনমেলায়। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকে ঘুরতে আসেন, ছবি তোলেন এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করেন। স্থানীয়দের মতে, এই ক্ষেতটি এখন এলাকার একটি ছোট পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
সূর্যমুখী চাষি খোকন হোসেন বলেন, আমরা প্রতিবছর শুধু ধান উৎপাদন করতাম। এ বছর প্রথমবার সূর্যমুখী চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে বীজ দিয়ে সহায়তা করা হয়েছে। সরকার যদি সহজ শর্তে ঋণ দিত, তাহলে আরও ভালো হতো।
স্থানীয় আরেক চাষি মোস্তফা হাওলাদার বলেন, আমি এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী আবাদ করেছি। আগে কখনো এই চাষ করিনি। এটি অনেক লাভজনক। সরকার যদি আমাদের এলাকায় কৃষি কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করত, তাহলে আরও উৎসাহ পেতাম। নিজের পরিবারের জন্য তেল রেখে বাকিটা বিক্রি করব।
অন্য চাষি রফিক উদ্দিন বলেন, সূর্যমুখী চাষে ভালো ফলন হয়েছে। আর কিছুদিন পর তেল উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হবে। ফুল ফোটার পর অনেক মানুষ এখানে ঘুরতে আসে, ছবি তোলে এটা দেখতে ভালো লাগে।
জেলার নেছারাবাদ উপজেলা থেকে ঘুরতে আসা সুমাইয়া আক্তার বলেন, পরিবার নিয়ে এখানে এসেছি। সূর্যমুখীর মাঠ খুব সুন্দর লাগছে। অনেক ছবি তুলেছি।
পিরোজপুর শহর থেকে আসা সাব্বির হোসেন বলেন, শুধু মেয়েরা নয়, ছেলেরাও ফুল ভালোবাসে। আমরা বন্ধুরা মিলে এখানে এসেছি। সূর্যমুখী ফুলগুলো দেখতে খুবই ভালো লাগছে।
পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার বলেন, কৃষকদের বীজ সরবরাহ, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত মাঠ পরিদর্শনের মাধ্যমে সার্বিক সহায়তা করা হচ্ছে।
জেলায় সূর্যমুখী আবাদ থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকার উৎপাদন আশা করা হচ্ছে। আগামী বছর এ আবাদ আরও বাড়বে। কৈবর্তখালি এখন শুধু ফসলের মাঠ নয় প্রতিটি সূর্যমুখী ফুল যেন কৃষকের সমৃদ্ধি আর আগামীর নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।
পূজার আনন্দ শেষে বাড়ি ফেরার পথেই নেমে এলো বিষাদ। পিরোজপুরের নাজিরপুরে কালিগঙ্গা নদীতে যাত্রীবোঝাই ট্রলারডুবির ঘটনায় এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন শিশুটির মা। নদীতে স্বজনকে হারিয়ে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় সময় পার করছেন পরিবারের সদস্যরা।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে নাজিরপুরের শ্রীরামকাঠী ও নেছারাবাদের ভরতকাঠী ফেরিঘাটের মধ্যবর্তী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে পরিবার নিয়ে এলাকায় বেড়াতে এসেছিলেন নেছারাবাদ উপজেলার ভরতকাঠী গ্রামের শংকর বেপারী। পূজা শেষে বাড়ি ফেরার জন্য তাঁরা ট্রলারে ওঠেন। ট্রলারটিতে অর্ধশতাধিক যাত্রীর পাশাপাশি ৬টি মোটরসাইকেল ছিল বলে জানা গেছে।
ঘাট ছাড়ার পরপরই ট্রলারটি নদীতে ডুবে যায়। এ সময় অনেক যাত্রী সাঁতরে ও স্থানীয়দের সহায়তায় তীরে উঠতে সক্ষম হন। তবে শংকর বেপারীর স্ত্রী রিনা বেপারী এবং তাঁদের মেয়ে নিখোঁজ হন। পরে উদ্ধার অভিযানে শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের সদস্যরা। নিখোঁজ নারীকে উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়। রাতের পরিস্থিতি বিবেচনায় উদ্ধারকাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে মঙ্গলবার সকালে পুনরায় অভিযান চালানোর কথা জানানো হয়।
পিরোজপুরের নাজিরপুরে অবৈধভাবে সার বিক্রির অপরাধে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করার পর এক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে সার ব্যবসায়ী বাবুল মোল্লার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার দীঘিরজান বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী কর্মকর্তা।
আহত কর্মকর্তার নাম বিপুল কুমার মল্লিক (৪৬)। তিনি নাজিরপুরে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। অভিযুক্ত বাবুল মোল্লার (৫৫) বিরুদ্ধে নাজিরপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাবুল মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে দীঘিরজান বাজারে লাইসেন্স ছাড়াই সার বিক্রি করে আসছিলেন। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনারের (ভূমি) নেতৃত্বে ওই বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দায়িত্ব পালন করেন বিপুল কুমার মল্লিক।
এ সময় বাবুল মোল্লার দোকান ও গুদামে তল্লাশি চালিয়ে দুই বস্তা ইউরিয়া, সাড়ে তিন বস্তা ডিএপি, এক বস্তা এমওপি ও পাঁচ বস্তা টিএসপি সার পাওয়া যায়। লাইসেন্স ছাড়া সার বিক্রির দায়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আহসান হাবিব ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযান শেষে কর্মকর্তারা চলে যাওয়ার পর বিপুল কুমার মল্লিক বাজারে কেনাকাটা করতে যান। এ সময় বাবুল মোল্লা তাঁর পথরোধ করেন। মোবাইল কোর্টে সহযোগিতা করার জেরে তাঁকে বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ওই কর্মকর্তা।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দেন।
নাজিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইশরাতুন্নেছা এশা বলেন, ‘লাইসেন্স ছাড়া সার বিক্রির দায়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা ও সার জব্দ করা হয়। আমরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর বাবুল মোল্লা আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আহসান হাবিব বলেন, দীঘিরজান বাজারের ব্যবসায়ী বাবুল মোল্লার দোকান থেকে অবৈধভাবে মজুত করা সার জব্দ করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, অভিযান শেষে চলে আসার পর কৃষি অফিসের এক কর্মকর্তাকে ওই ব্যবসায়ী মারধর করেছেন বলে তিনি শুনেছেন। অফিস খোলার পর বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’
পিরোজপুরের নাজিরপুরে অবৈধভাবে সার বিক্রির অপরাধে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করার পর এক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে সার ব্যবসায়ী বাবুল মোল্লার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার দীঘিরজান বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী কর্মকর্তা।
আহত কর্মকর্তার নাম বিপুল কুমার মল্লিক (৪৬)। তিনি নাজিরপুরে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। অভিযুক্ত বাবুল মোল্লার (৫৫) বিরুদ্ধে নাজিরপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাবুল মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে দীঘিরজান বাজারে লাইসেন্স ছাড়াই সার বিক্রি করে আসছিলেন। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনারের (ভূমি) নেতৃত্বে ওই বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দায়িত্ব পালন করেন বিপুল কুমার মল্লিক।
এ সময় বাবুল মোল্লার দোকান ও গুদামে তল্লাশি চালিয়ে দুই বস্তা ইউরিয়া, সাড়ে তিন বস্তা ডিএপি, এক বস্তা এমওপি ও পাঁচ বস্তা টিএসপি সার পাওয়া যায়। লাইসেন্স ছাড়া সার বিক্রির দায়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আহসান হাবিব ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযান শেষে কর্মকর্তারা চলে যাওয়ার পর বিপুল কুমার মল্লিক বাজারে কেনাকাটা করতে যান। এ সময় বাবুল মোল্লা তাঁর পথরোধ করেন। মোবাইল কোর্টে সহযোগিতা করার জেরে তাঁকে বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ওই কর্মকর্তা।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দেন।
নাজিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইশরাতুন্নেছা এশা বলেন, ‘লাইসেন্স ছাড়া সার বিক্রির দায়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা ও সার জব্দ করা হয়। আমরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর বাবুল মোল্লা আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আহসান হাবিব বলেন, দীঘিরজান বাজারের ব্যবসায়ী বাবুল মোল্লার দোকান থেকে অবৈধভাবে মজুত করা সার জব্দ করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, অভিযান শেষে চলে আসার পর কৃষি অফিসের এক কর্মকর্তাকে ওই ব্যবসায়ী মারধর করেছেন বলে তিনি শুনেছেন। অফিস খোলার পর বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বসতঘরে অভিযান চালিয়ে একটি ট্রলি ব্যাগ থেকে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সুভ সাচকী (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় অলিউর রহমান (৪৯) নামে আরেক ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার (১১ অক্টোবর) মঠবাড়িয়া থানা-পুলিশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, পিরোজপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ চক্রবর্তীর তত্ত্বাবধানে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চালিতাবুনিয়া গ্রামের একটি বসতঘরে অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল।
এ সময় ঘরের ভেতরে থাকা একটি ট্রলি ব্যাগ তল্লাশি করে তিনটি প্যাকেটে সংরক্ষিত ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। অভিযানে সুভ সাচকীকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও অলিউর রহমান পালিয়ে যান।
মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ চক্রবর্তী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চার কেজি গাঁজাসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করা হবে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।