
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১২
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালি গ্রাম এখন সূর্যমুখীর হাসিতে ভরপুর। যেখানে একসময় ছিল শুধুই ধানক্ষেত, সেখানে আজ জন্ম নিয়েছে কৃষকের নতুন সম্ভাবনা। প্রকৃতির এই অপূর্ব সৌন্দর্য আর কৃষকের স্বপ্ন মিলেমিশে কৈবর্তখালি গ্রামটি এখন যেন এক জীবন্ত উৎসবের আঙিনা।
এ দৃশ্য পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালি গ্রামের। হলুদের সমারোহে সাজানো এই মাঠ যেন প্রকৃতির এক অনন্য ক্যানভাস। সূর্যমুখী চাষে কৃষকের নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যাওয়ার পাশাপাশি গ্রামটির সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় এবং জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত দর্শনার্থী ভিড় করছেন সূর্যমুখীর এই মাঠে।
সূর্যমুখীর এমন বিস্তীর্ণ চাষ শুধু সদর উপজেলায় নয়, বরং জেলার বিভিন্ন উপজেলাতেও করা হয়েছে। একসময় যেখানে ধান কিংবা অন্যান্য ফসল ছিল প্রধান, সেখানে এখন জায়গা করে নিচ্ছে সূর্যমুখী চাষ। কম খরচ, কম শ্রম এবং লাভজনক ফসল হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে এই চাষে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে জেলার ৭টি উপজেলায় প্রায় ৯৮৪ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। এবারে বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রতি হেক্টরে ২ থেকে আড়াই টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
কৃষকরা বলছেন, পর্যাপ্ত সরকারি প্রণোদনা, কার্যকর সহায়তা এবং বিনা সুদে ঋণ পেলে এই সম্ভাবনাময় চাষে স্থানীয় কৃষকেরা আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হবেন। এছাড়া কৃষি কার্ড পেলে চাষাবাদে আগ্রহ আরও বাড়বে বলে তারা মনে করেন।
এদিকে বিকেল হলেই কৈবর্তখালি গ্রামের এই সূর্যমুখী ক্ষেত পরিণত হয় দর্শনার্থীদের মিলনমেলায়। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকে ঘুরতে আসেন, ছবি তোলেন এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করেন। স্থানীয়দের মতে, এই ক্ষেতটি এখন এলাকার একটি ছোট পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
সূর্যমুখী চাষি খোকন হোসেন বলেন, আমরা প্রতিবছর শুধু ধান উৎপাদন করতাম। এ বছর প্রথমবার সূর্যমুখী চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে বীজ দিয়ে সহায়তা করা হয়েছে। সরকার যদি সহজ শর্তে ঋণ দিত, তাহলে আরও ভালো হতো।
স্থানীয় আরেক চাষি মোস্তফা হাওলাদার বলেন, আমি এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী আবাদ করেছি। আগে কখনো এই চাষ করিনি। এটি অনেক লাভজনক। সরকার যদি আমাদের এলাকায় কৃষি কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করত, তাহলে আরও উৎসাহ পেতাম। নিজের পরিবারের জন্য তেল রেখে বাকিটা বিক্রি করব।
অন্য চাষি রফিক উদ্দিন বলেন, সূর্যমুখী চাষে ভালো ফলন হয়েছে। আর কিছুদিন পর তেল উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হবে। ফুল ফোটার পর অনেক মানুষ এখানে ঘুরতে আসে, ছবি তোলে এটা দেখতে ভালো লাগে।
জেলার নেছারাবাদ উপজেলা থেকে ঘুরতে আসা সুমাইয়া আক্তার বলেন, পরিবার নিয়ে এখানে এসেছি। সূর্যমুখীর মাঠ খুব সুন্দর লাগছে। অনেক ছবি তুলেছি।
পিরোজপুর শহর থেকে আসা সাব্বির হোসেন বলেন, শুধু মেয়েরা নয়, ছেলেরাও ফুল ভালোবাসে। আমরা বন্ধুরা মিলে এখানে এসেছি। সূর্যমুখী ফুলগুলো দেখতে খুবই ভালো লাগছে।
পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার বলেন, কৃষকদের বীজ সরবরাহ, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত মাঠ পরিদর্শনের মাধ্যমে সার্বিক সহায়তা করা হচ্ছে।
জেলায় সূর্যমুখী আবাদ থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকার উৎপাদন আশা করা হচ্ছে। আগামী বছর এ আবাদ আরও বাড়বে। কৈবর্তখালি এখন শুধু ফসলের মাঠ নয় প্রতিটি সূর্যমুখী ফুল যেন কৃষকের সমৃদ্ধি আর আগামীর নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালি গ্রাম এখন সূর্যমুখীর হাসিতে ভরপুর। যেখানে একসময় ছিল শুধুই ধানক্ষেত, সেখানে আজ জন্ম নিয়েছে কৃষকের নতুন সম্ভাবনা। প্রকৃতির এই অপূর্ব সৌন্দর্য আর কৃষকের স্বপ্ন মিলেমিশে কৈবর্তখালি গ্রামটি এখন যেন এক জীবন্ত উৎসবের আঙিনা।
এ দৃশ্য পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালি গ্রামের। হলুদের সমারোহে সাজানো এই মাঠ যেন প্রকৃতির এক অনন্য ক্যানভাস। সূর্যমুখী চাষে কৃষকের নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যাওয়ার পাশাপাশি গ্রামটির সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় এবং জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত দর্শনার্থী ভিড় করছেন সূর্যমুখীর এই মাঠে।
সূর্যমুখীর এমন বিস্তীর্ণ চাষ শুধু সদর উপজেলায় নয়, বরং জেলার বিভিন্ন উপজেলাতেও করা হয়েছে। একসময় যেখানে ধান কিংবা অন্যান্য ফসল ছিল প্রধান, সেখানে এখন জায়গা করে নিচ্ছে সূর্যমুখী চাষ। কম খরচ, কম শ্রম এবং লাভজনক ফসল হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে এই চাষে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে জেলার ৭টি উপজেলায় প্রায় ৯৮৪ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। এবারে বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রতি হেক্টরে ২ থেকে আড়াই টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
কৃষকরা বলছেন, পর্যাপ্ত সরকারি প্রণোদনা, কার্যকর সহায়তা এবং বিনা সুদে ঋণ পেলে এই সম্ভাবনাময় চাষে স্থানীয় কৃষকেরা আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হবেন। এছাড়া কৃষি কার্ড পেলে চাষাবাদে আগ্রহ আরও বাড়বে বলে তারা মনে করেন।
এদিকে বিকেল হলেই কৈবর্তখালি গ্রামের এই সূর্যমুখী ক্ষেত পরিণত হয় দর্শনার্থীদের মিলনমেলায়। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকে ঘুরতে আসেন, ছবি তোলেন এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করেন। স্থানীয়দের মতে, এই ক্ষেতটি এখন এলাকার একটি ছোট পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
সূর্যমুখী চাষি খোকন হোসেন বলেন, আমরা প্রতিবছর শুধু ধান উৎপাদন করতাম। এ বছর প্রথমবার সূর্যমুখী চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে বীজ দিয়ে সহায়তা করা হয়েছে। সরকার যদি সহজ শর্তে ঋণ দিত, তাহলে আরও ভালো হতো।
স্থানীয় আরেক চাষি মোস্তফা হাওলাদার বলেন, আমি এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী আবাদ করেছি। আগে কখনো এই চাষ করিনি। এটি অনেক লাভজনক। সরকার যদি আমাদের এলাকায় কৃষি কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করত, তাহলে আরও উৎসাহ পেতাম। নিজের পরিবারের জন্য তেল রেখে বাকিটা বিক্রি করব।
অন্য চাষি রফিক উদ্দিন বলেন, সূর্যমুখী চাষে ভালো ফলন হয়েছে। আর কিছুদিন পর তেল উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হবে। ফুল ফোটার পর অনেক মানুষ এখানে ঘুরতে আসে, ছবি তোলে এটা দেখতে ভালো লাগে।
জেলার নেছারাবাদ উপজেলা থেকে ঘুরতে আসা সুমাইয়া আক্তার বলেন, পরিবার নিয়ে এখানে এসেছি। সূর্যমুখীর মাঠ খুব সুন্দর লাগছে। অনেক ছবি তুলেছি।
পিরোজপুর শহর থেকে আসা সাব্বির হোসেন বলেন, শুধু মেয়েরা নয়, ছেলেরাও ফুল ভালোবাসে। আমরা বন্ধুরা মিলে এখানে এসেছি। সূর্যমুখী ফুলগুলো দেখতে খুবই ভালো লাগছে।
পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার বলেন, কৃষকদের বীজ সরবরাহ, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত মাঠ পরিদর্শনের মাধ্যমে সার্বিক সহায়তা করা হচ্ছে।
জেলায় সূর্যমুখী আবাদ থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকার উৎপাদন আশা করা হচ্ছে। আগামী বছর এ আবাদ আরও বাড়বে। কৈবর্তখালি এখন শুধু ফসলের মাঠ নয় প্রতিটি সূর্যমুখী ফুল যেন কৃষকের সমৃদ্ধি আর আগামীর নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।

২৬ মে, ২০২৬ ১৮:১৩
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় পৃথক দুটি স্থানে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবককে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্ত ও প্রতিপক্ষ।
রোববার (২৪ মে) দুপুরে উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়ন এবং ফুলঝুরি গ্রামে এই দুটি পৃথক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম (৩০) ও জমিজমা বিরোধের জেরে নিহত মোহাম্মদ ইউসুফ শরীফ (৩৫)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ রবিবার দুপুর ১২টার দিকে ধানীসাফা ইউনিয়নের ফুলজুরি গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে মোহাম্মদ ইউসুফ শরীফকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত ইউসুফ ওই গ্রামের ফজলুল হক শরীফের ছেলে।
অভিযোগ রয়েছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে একই এলাকার আলমগীর শরীফের ছেলে মোঃ আরাফাত শরিফ (৩০), তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার (২৪) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জন মিলে ধারালো দা দিয়ে ইউসুফের গলা, ডান হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এদিকে, উপজেলার ৬ নম্বর টিকিকাটা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মাজু হাওলাদারের বাড়িতে নিজ শোবার ঘর থেকে আব্দুল কাইয়ুম নামে এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত কাইয়ুম ওই এলাকার জালাল হাওলাদারের ছেলে। তিনি স্থানীয় সাধনা ব্রিজ ও বড় ব্রিজ এলাকায় রেডিমেড জামাকাপড়ের দোকান দিতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কাইয়ুমের স্ত্রী বাপের বাড়িতে থাকায় আজ দুপুরে তিনি ঘরে একাই ছিলেন। এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে শোবার ঘরে তাঁকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে ফেলে রেখে যায়। নিহত কাইয়ুমের একটি সন্তান রয়েছে। স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, নিহত কাইয়ুম মাদকাসক্ত ছিলেন। তবে এই হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি।
একই দিনে পৃথক দুটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল দুটি পরিদর্শন করে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম জানান, ফুলজুরি গ্রামের হত্যাকাণ্ডটি জমিজমা বিরোধের জেরে ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। অন্যদিকে টিকিকাটা ইউনিয়নে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ। দুটি ঘটনার প্রেক্ষিতেই পৃথক মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় পৃথক দুটি স্থানে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবককে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্ত ও প্রতিপক্ষ।
রোববার (২৪ মে) দুপুরে উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়ন এবং ফুলঝুরি গ্রামে এই দুটি পৃথক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম (৩০) ও জমিজমা বিরোধের জেরে নিহত মোহাম্মদ ইউসুফ শরীফ (৩৫)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ রবিবার দুপুর ১২টার দিকে ধানীসাফা ইউনিয়নের ফুলজুরি গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে মোহাম্মদ ইউসুফ শরীফকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত ইউসুফ ওই গ্রামের ফজলুল হক শরীফের ছেলে।
অভিযোগ রয়েছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে একই এলাকার আলমগীর শরীফের ছেলে মোঃ আরাফাত শরিফ (৩০), তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার (২৪) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জন মিলে ধারালো দা দিয়ে ইউসুফের গলা, ডান হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এদিকে, উপজেলার ৬ নম্বর টিকিকাটা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মাজু হাওলাদারের বাড়িতে নিজ শোবার ঘর থেকে আব্দুল কাইয়ুম নামে এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত কাইয়ুম ওই এলাকার জালাল হাওলাদারের ছেলে। তিনি স্থানীয় সাধনা ব্রিজ ও বড় ব্রিজ এলাকায় রেডিমেড জামাকাপড়ের দোকান দিতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কাইয়ুমের স্ত্রী বাপের বাড়িতে থাকায় আজ দুপুরে তিনি ঘরে একাই ছিলেন। এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে শোবার ঘরে তাঁকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে ফেলে রেখে যায়। নিহত কাইয়ুমের একটি সন্তান রয়েছে। স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, নিহত কাইয়ুম মাদকাসক্ত ছিলেন। তবে এই হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি।
একই দিনে পৃথক দুটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল দুটি পরিদর্শন করে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম জানান, ফুলজুরি গ্রামের হত্যাকাণ্ডটি জমিজমা বিরোধের জেরে ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। অন্যদিকে টিকিকাটা ইউনিয়নে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ। দুটি ঘটনার প্রেক্ষিতেই পৃথক মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২৬ মে, ২০২৬ ১৩:২৫
পিরোজপুর সদর উপজেলার বরিশাল-খুলনা মহাসড়কের ধুপপাশা এলাকায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে ট্রাক দুটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় ট্রাকের ভেতরে আটকে পড়া দুই চালক ও এক হেলপারকে জীবিত উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
আজ মঙ্গলবার(২৬ মে)সকাল ০৬ টায় বরিশাল থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট ২২-৯৪১৪) এবং খুলনা থেকে আসা অপর একটি ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো ড-১২-৩২৫৪) মধ্যে ধুপপাশা নামক এলাকায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ট্রাক দুটির সামনের অংশ সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায় এবং চালকরা ভেতরে আটকা পড়েন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পিরোজপুর সদর ফায়ার স্টেশনের তিনটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর যান্ত্রিক সরঞ্জামের মাধ্যমে ট্রাকের অংশ কেটে ভেতরে আটকে পড়া তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করার পর ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্স যোগে আহতদের দ্রুত পিরোজপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছুক্ষণ যান চলাচল বিঘ্নিত হলেও ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সহযোগিতায় বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার বরিশাল-খুলনা মহাসড়কের ধুপপাশা এলাকায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে ট্রাক দুটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় ট্রাকের ভেতরে আটকে পড়া দুই চালক ও এক হেলপারকে জীবিত উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
আজ মঙ্গলবার(২৬ মে)সকাল ০৬ টায় বরিশাল থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট ২২-৯৪১৪) এবং খুলনা থেকে আসা অপর একটি ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো ড-১২-৩২৫৪) মধ্যে ধুপপাশা নামক এলাকায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ট্রাক দুটির সামনের অংশ সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায় এবং চালকরা ভেতরে আটকা পড়েন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পিরোজপুর সদর ফায়ার স্টেশনের তিনটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর যান্ত্রিক সরঞ্জামের মাধ্যমে ট্রাকের অংশ কেটে ভেতরে আটকে পড়া তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করার পর ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্স যোগে আহতদের দ্রুত পিরোজপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছুক্ষণ যান চলাচল বিঘ্নিত হলেও ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সহযোগিতায় বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

২৫ মে, ২০২৬ ১৩:৫৩
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া গাঁজা গাছসহ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (২৫ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান পরিচালনা করে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশ।
এ সময় শাকিল হাওলাদারের বাড়ি থেকে প্রায় ৬ ফুট লম্বা একটি গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শাকিল হাওলাদার (২৫) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। শাকিল ধাওয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডর বাসিন্দা মতি হাওলাদার ছেলে।
পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত গাঁজা গাছটি জব্দ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে। ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হসান জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান সবসময়ই জিরো টলারেন্স। সমাজ থেকে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া গাঁজা গাছসহ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (২৫ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান পরিচালনা করে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশ।
এ সময় শাকিল হাওলাদারের বাড়ি থেকে প্রায় ৬ ফুট লম্বা একটি গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শাকিল হাওলাদার (২৫) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। শাকিল ধাওয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডর বাসিন্দা মতি হাওলাদার ছেলে।
পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত গাঁজা গাছটি জব্দ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে। ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হসান জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান সবসময়ই জিরো টলারেন্স। সমাজ থেকে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫১