
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:২৩
সারাদেশে বায়ুদূষণকারী অবৈধ ইটভাটা, নিষিদ্ধ পলিথিন এবং দূষণকারী শিল্পকারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
ইট প্রস্তুত ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুসারে চট্টগ্রাম, কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, ঝিনাইদহ ও বরিশাল জেলায় পরিচালিত পাঁচটি অভিযানে মোট ১২টি মামলার মাধ্যমে ৩৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এ সময় ১২টি অবৈধ ইটভাটার কাঁচা ইট ধ্বংস, চিমনি ভেঙে কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
এছাড়া বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) লঙ্ঘন করে নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন ও বিক্রয়ের অভিযোগে সিরাজগঞ্জ জেলায় পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানে ১টি মামলার মাধ্যমে ১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় ও দুই কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন বাজার, দোকান ও সুপারশপে পলিথিন ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্কতামূলক বার্তা প্রদান এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়।
যানবাহন থেকে মানমাত্রাতিরিক্ত ধোঁয়া নির্গমনের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগরে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ১০টি মামলার মাধ্যমে ৪৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং একাধিক যানবাহনের চালককে সতর্ক করা হয়।
একই স্থানে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬ অনুযায়ী শব্দদূষণ বিরোধী অভিযানে ৩টি মামলার মাধ্যমে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং ৫টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়। এ সময় চালকদের শব্দ নিয়ন্ত্রণে সতর্ক করা হয়।
অন্যদিকে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২২ অনুসারে ঝিনাইদহ এবং ঢাকা মহানগরের বসিলা-মোহাম্মদপুর এলাকায় নির্মাণ সামগ্রী ও খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের ধোঁয়া দ্বারা পরিবেশ দূষণের অভিযোগে পরিচালিত দুইটি মোবাইল কোর্টে ১০টি মামলায় ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করা এবং তাৎক্ষণিকভাবে নির্মাণ সামগ্রী অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়াও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে যৌথভাবে দূষণ বিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে।
এদিকে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুসারে অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ডাইং কারখানার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানে কারখানাটির সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দূষণ রোধে এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
সারাদেশে বায়ুদূষণকারী অবৈধ ইটভাটা, নিষিদ্ধ পলিথিন এবং দূষণকারী শিল্পকারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
ইট প্রস্তুত ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুসারে চট্টগ্রাম, কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, ঝিনাইদহ ও বরিশাল জেলায় পরিচালিত পাঁচটি অভিযানে মোট ১২টি মামলার মাধ্যমে ৩৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এ সময় ১২টি অবৈধ ইটভাটার কাঁচা ইট ধ্বংস, চিমনি ভেঙে কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
এছাড়া বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) লঙ্ঘন করে নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন ও বিক্রয়ের অভিযোগে সিরাজগঞ্জ জেলায় পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানে ১টি মামলার মাধ্যমে ১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় ও দুই কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন বাজার, দোকান ও সুপারশপে পলিথিন ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্কতামূলক বার্তা প্রদান এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়।
যানবাহন থেকে মানমাত্রাতিরিক্ত ধোঁয়া নির্গমনের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগরে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ১০টি মামলার মাধ্যমে ৪৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং একাধিক যানবাহনের চালককে সতর্ক করা হয়।
একই স্থানে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬ অনুযায়ী শব্দদূষণ বিরোধী অভিযানে ৩টি মামলার মাধ্যমে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং ৫টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়। এ সময় চালকদের শব্দ নিয়ন্ত্রণে সতর্ক করা হয়।
অন্যদিকে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২২ অনুসারে ঝিনাইদহ এবং ঢাকা মহানগরের বসিলা-মোহাম্মদপুর এলাকায় নির্মাণ সামগ্রী ও খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের ধোঁয়া দ্বারা পরিবেশ দূষণের অভিযোগে পরিচালিত দুইটি মোবাইল কোর্টে ১০টি মামলায় ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করা এবং তাৎক্ষণিকভাবে নির্মাণ সামগ্রী অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়াও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে যৌথভাবে দূষণ বিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে।
এদিকে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুসারে অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ডাইং কারখানার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানে কারখানাটির সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দূষণ রোধে এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩০
মানুষ বাঁচতে চায়, নতুন দিনের স্বপ্ন দেখে। কিন্তু কখনো কখনো সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় অপমান, কটাক্ষ আর মানসিক যন্ত্রণার ভারে। তেমনই এক নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে নিজের জীবন শেষ করার পথ বেছে নিতে গিয়েছিলেন বরিশালের এক তরুণী।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্কে কাফনের কাপড় ও দাফনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাশে রেখে বিষপান করেন তিনি। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে প্রকৌশলী সিদ্দিকুর রহমান সাগরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের অসম্মতিতে ২০২৫ সালের মে মাসে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে বিয়ের মাত্র চার মাস পর গোপনে তাকে তালাক দেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
তরুণীর অভিযোগ, এর আগেই তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জোরপূর্বক তার গর্ভপাত করান। সোমবার এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মামলার শুনানি ছিল বরিশাল আদালতে। শুনানি শেষে আদালত চত্বর থেকে বের হওয়ার সময় শ্বশুর ও দেবরের কটাক্ষ ও অশালীন মন্তব্যের শিকার হন তিনি। সেই অপমান ও মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে বাজার থেকে কাফনের কাপড় ও দাফনের সামগ্রী কিনে মুক্তিযোদ্ধা পার্কে যান এবং সেখানে বিষপান করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বরিশাল জেলা পুলিশের সদস্য মো. জীবন জানান, পার্কের একটি বেঞ্চে শুয়ে তরুণী কাতরাচ্ছিলেন। শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। পাশে একটি বিষের বোতল ও দাফনের সামগ্রী পড়ে ছিল। সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯ নম্বরে কল করা হলে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান জানান, ওই তরুণী কীটনাশকজাতীয় বিষ পান করেছেন। হাসপাতালে আনার পর তার পাকস্থলী পরিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা এখনো সন্তোষজনক নয়।
এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সামাজিক অবহেলা, পারিবারিক চাপ ও মানসিক নির্যাতনের ফলেই এমন চরম সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছেন নারীরা।
মানুষ বাঁচতে চায়, নতুন দিনের স্বপ্ন দেখে। কিন্তু কখনো কখনো সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় অপমান, কটাক্ষ আর মানসিক যন্ত্রণার ভারে। তেমনই এক নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে নিজের জীবন শেষ করার পথ বেছে নিতে গিয়েছিলেন বরিশালের এক তরুণী।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্কে কাফনের কাপড় ও দাফনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাশে রেখে বিষপান করেন তিনি। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে প্রকৌশলী সিদ্দিকুর রহমান সাগরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের অসম্মতিতে ২০২৫ সালের মে মাসে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে বিয়ের মাত্র চার মাস পর গোপনে তাকে তালাক দেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
তরুণীর অভিযোগ, এর আগেই তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জোরপূর্বক তার গর্ভপাত করান। সোমবার এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মামলার শুনানি ছিল বরিশাল আদালতে। শুনানি শেষে আদালত চত্বর থেকে বের হওয়ার সময় শ্বশুর ও দেবরের কটাক্ষ ও অশালীন মন্তব্যের শিকার হন তিনি। সেই অপমান ও মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে বাজার থেকে কাফনের কাপড় ও দাফনের সামগ্রী কিনে মুক্তিযোদ্ধা পার্কে যান এবং সেখানে বিষপান করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বরিশাল জেলা পুলিশের সদস্য মো. জীবন জানান, পার্কের একটি বেঞ্চে শুয়ে তরুণী কাতরাচ্ছিলেন। শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। পাশে একটি বিষের বোতল ও দাফনের সামগ্রী পড়ে ছিল। সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯ নম্বরে কল করা হলে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান জানান, ওই তরুণী কীটনাশকজাতীয় বিষ পান করেছেন। হাসপাতালে আনার পর তার পাকস্থলী পরিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা এখনো সন্তোষজনক নয়।
এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সামাজিক অবহেলা, পারিবারিক চাপ ও মানসিক নির্যাতনের ফলেই এমন চরম সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছেন নারীরা।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৫
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার তাঁতিবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এ দিকে দুর্ঘটনার পর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী। এতে ভোগান্তিতে পড়েন দক্ষিণ অঞ্চলের বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার যাত্রীরা।
মাদারীপুরের মোস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন আল রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রাজৈরের টেকেরহাট থেকে একটি কাভার্ডভ্যান বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। মাঝপথে সদর উপজেলার তাঁতিবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে অপর দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানকে সামনে থেকে চাপা দেয় ওই কাভার্ডভ্যানটি। এতে ঘটনাস্থলেই নারীসহ দুই ভ্যানযাত্রী নিহত হন। আহত হন দুজন। আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শহর শয্যা জেলা হাসপাতালে নিলে সেখানে মারা যান এক নারী।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার তাঁতিবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এ দিকে দুর্ঘটনার পর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী। এতে ভোগান্তিতে পড়েন দক্ষিণ অঞ্চলের বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার যাত্রীরা।
মাদারীপুরের মোস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন আল রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রাজৈরের টেকেরহাট থেকে একটি কাভার্ডভ্যান বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। মাঝপথে সদর উপজেলার তাঁতিবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে অপর দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানকে সামনে থেকে চাপা দেয় ওই কাভার্ডভ্যানটি। এতে ঘটনাস্থলেই নারীসহ দুই ভ্যানযাত্রী নিহত হন। আহত হন দুজন। আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শহর শয্যা জেলা হাসপাতালে নিলে সেখানে মারা যান এক নারী।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৬
পরিবারের অমতে প্রেমিকের হাত ধরে ঘর ছাড়েন তরুণী। বিয়েও করেছিলেন প্রেমিককে। কিন্তু সেই বিয়ে টেকেনি বেশিদিন। চার মাসের মাথায় তরুণীকে গোপনে তালাক দেয় প্রতারক স্বামী সিদ্দিকুর রহমান সাগর।
এ নিয়ে আদালতে বিচার চাইতে গিয়ে স্বামীর বাড়ির লোকেদের কটাক্ষের শিকার হন ভুক্তভোগী। তাই ক্ষোভে-ঘৃণায় আদালত থেকে ফিরে কাফনের কাপড় ও দাফনের জিনিসপত্র নিয়ে পার্কে গিয়ে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ওই তরুণী।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে বরিশাল নগরীর কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী মুক্তিযোদ্ধা পার্কে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।।
জানা গেছে, আত্মহত্যার চেষ্টা করা তরুণী বরিশাল সদর উপজেলার বাসিন্দা। চিকিৎসাধীন তরুণী জানান, সদর উপজেলার সাহেরহাটের খোন্তাখালী এলাকার ইঞ্জিনিয়ার সিদ্দিকুর রহমান সাগরের সঙ্গে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল তার। ২০২৫ সালের ২২ মে বিয়ে করেন তারা। কিন্তু আমার পরিবার গরিব হওয়ায় বিয়েতে সম্মতি ছিল না সাগরের পরিবারের। এ কারণে বিয়ের চার মাসের মাথায় গোপনে আমাকে তালাক দেয় সাগর।
তরুণীর ফুফাতো ভাই জানান, আমার মামাতো বোনের সঙ্গে সাগরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কের কারণে গর্ভবতী হয়ে পড়ে সে। বিষয়টি জানতে পেরে সাগর তাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে। একপর্যায় সে সাগরের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেয়। পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় সাহেবেরহাট কাজি অফিসে তাদের বিয়ে হয়।
তিনি আরও বলেন, বিয়ের পর তার শ্বশুরবাড়িতে না নিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। কিছুদিন পর শ্বশুর তাকে ঢাকায় নিয়ে গর্ভপাত করিয়ে বাড়িতে পাঠায়। এর চার মাস পরেই গোপনে তালাক দেওয়া হয়। প্রতিবাদ করতে গিয়ে মারধরের শিকার হন মামাতো বোন।
এই ঘটনায় সে আদালতে মামলাও করে। সোমবার সেই মামলার তারিখ ছিল। সে আদালত থেকে বের হওয়ার সময় তার শ্বশুর এবং দেবরসহ তাদের স্বজনরা তাকে নিয়ে নানা ধরনের অশালীন মন্তব্য করে। এ কারণে আদালত থেকে ফিরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বোন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বরিশাল জেলা পুলিশের সদস্য মো. জীবন জানান, ওই তরুণী পার্কের বেঞ্চে শুয়ে কাতরাচ্ছিলেন। শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পেই, তরুণী পার্কের বেঞ্চের ওপর শুয়ে মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। পাশেই বিষের বোতল পড়েছিল।
তিনি আরও বলেন, তা ছাড়া কাফনের কাপড়সহ দাফনের কাজ যা কিছু প্রয়োজন হয় সব কিছুই ছিল। দ্রুত জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করা হলে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মেহেদী হাসান বলেন, তরুণী কীটনাশক পান করেছে। হাসপাতালে আনার পর তার স্টমাক ওয়াশ দেওয়া হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। তিনি বর্তমানে চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে আছেন।
পরিবারের অমতে প্রেমিকের হাত ধরে ঘর ছাড়েন তরুণী। বিয়েও করেছিলেন প্রেমিককে। কিন্তু সেই বিয়ে টেকেনি বেশিদিন। চার মাসের মাথায় তরুণীকে গোপনে তালাক দেয় প্রতারক স্বামী সিদ্দিকুর রহমান সাগর।
এ নিয়ে আদালতে বিচার চাইতে গিয়ে স্বামীর বাড়ির লোকেদের কটাক্ষের শিকার হন ভুক্তভোগী। তাই ক্ষোভে-ঘৃণায় আদালত থেকে ফিরে কাফনের কাপড় ও দাফনের জিনিসপত্র নিয়ে পার্কে গিয়ে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ওই তরুণী।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে বরিশাল নগরীর কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী মুক্তিযোদ্ধা পার্কে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।।
জানা গেছে, আত্মহত্যার চেষ্টা করা তরুণী বরিশাল সদর উপজেলার বাসিন্দা। চিকিৎসাধীন তরুণী জানান, সদর উপজেলার সাহেরহাটের খোন্তাখালী এলাকার ইঞ্জিনিয়ার সিদ্দিকুর রহমান সাগরের সঙ্গে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল তার। ২০২৫ সালের ২২ মে বিয়ে করেন তারা। কিন্তু আমার পরিবার গরিব হওয়ায় বিয়েতে সম্মতি ছিল না সাগরের পরিবারের। এ কারণে বিয়ের চার মাসের মাথায় গোপনে আমাকে তালাক দেয় সাগর।
তরুণীর ফুফাতো ভাই জানান, আমার মামাতো বোনের সঙ্গে সাগরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কের কারণে গর্ভবতী হয়ে পড়ে সে। বিষয়টি জানতে পেরে সাগর তাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে। একপর্যায় সে সাগরের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেয়। পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় সাহেবেরহাট কাজি অফিসে তাদের বিয়ে হয়।
তিনি আরও বলেন, বিয়ের পর তার শ্বশুরবাড়িতে না নিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। কিছুদিন পর শ্বশুর তাকে ঢাকায় নিয়ে গর্ভপাত করিয়ে বাড়িতে পাঠায়। এর চার মাস পরেই গোপনে তালাক দেওয়া হয়। প্রতিবাদ করতে গিয়ে মারধরের শিকার হন মামাতো বোন।
এই ঘটনায় সে আদালতে মামলাও করে। সোমবার সেই মামলার তারিখ ছিল। সে আদালত থেকে বের হওয়ার সময় তার শ্বশুর এবং দেবরসহ তাদের স্বজনরা তাকে নিয়ে নানা ধরনের অশালীন মন্তব্য করে। এ কারণে আদালত থেকে ফিরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বোন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বরিশাল জেলা পুলিশের সদস্য মো. জীবন জানান, ওই তরুণী পার্কের বেঞ্চে শুয়ে কাতরাচ্ছিলেন। শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পেই, তরুণী পার্কের বেঞ্চের ওপর শুয়ে মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। পাশেই বিষের বোতল পড়েছিল।
তিনি আরও বলেন, তা ছাড়া কাফনের কাপড়সহ দাফনের কাজ যা কিছু প্রয়োজন হয় সব কিছুই ছিল। দ্রুত জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করা হলে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মেহেদী হাসান বলেন, তরুণী কীটনাশক পান করেছে। হাসপাতালে আনার পর তার স্টমাক ওয়াশ দেওয়া হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। তিনি বর্তমানে চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে আছেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.