বেপর্দা নারীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমির সেলফি তোলেন বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে লালমনিরহাটের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতীবান্ধার আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, মেয়েদের সবচেয়ে বেশি সম্মান দিয়েছে ইসলাম। জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা তো বলিনি ছেলেরা সরো, মেয়ে বন্ধুরা এখন তোমরা আসো। আর মেয়েদের পাশে বসে সেলফি তোলে বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষটা। বেপর্দা মেয়েদের সঙ্গে সেলফি তোলে। এটা তো ইসলামী আন্দোলন পারে না।
তিনি আরও বলেন, পাঁচ আগস্টের পরে যখন এ দেশে অরাজকতা ছিল তখন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ সংখ্যালঘুদের জানমাল হেফাজতের জন্য পাহারাদারের দায়িত্ব পালন করেছে। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ জানের ঝুঁকি নিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত মানুষের জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া মানুষের দুঃসময়ে খাদেম হয়ে দাঁড়িয়েছি। এসময় হাতপাখা মার্কায় ভোট প্রত্যাশা করেন তিনি।
মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম বলেন, জামায়াতের নায়েবে আমির মোহাম্মদ তাহের আমেরিকা দূতাবাসে বসে বাংলাদেশে জঙ্গি আছে এটা প্রমাণ করার জন্য ইসলামী আন্দোলনকে জঙ্গি হিসাবে উপস্থাপন করেছে। জামায়াতের নায়েবে আমির আমেরিকার কাছে বলে আসে ইসলামী আন্দোলন জঙ্গি বাদী। আমারা ধিক্কার জানাই। ইসলামী আন্দোলন প্রতিষ্ঠা হওয়ার প্রায় ৩৮বছর হলো আপনারা কেউ দেখেছেন ইসলামী আন্দোলন জঙ্গি বাদী।
এদিন বিকালে লালমনিরহাট জেলা শহরের মিশন মোড় চত্বরে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে ইসলাম আজ পরাজিত। ইসলামী আদর্শকে তারা (জামায়াতে ইসলাম) রাষ্ট্রীয় পর্যায় ক্ষমতায় নিতে চায় না এবং তারা ইসলাম অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করতে চায় না। আগের নিয়মে দেশ পরিচালনা করবে তাদের সঙ্গে থাকার কোন অর্থ থাকতে পারে না। এজই আমরা ইসলামকে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য এবং দেশকে সুন্দর করার জন্য ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। আমাদের চিন্তা নাই কারণ আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।
জনসভায় লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসেনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখার প্রার্থী ফজলুল করিম শাহরিয়ারসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৮
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০২
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ও আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃতদের তালিকা প্রকাশ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ১২৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন—গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, হাফিজুর রহমান, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহবুবার রহমান ওরফে বাবু, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন এবং প্রক্টর দপ্তরের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।
তার মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তী সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ও আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃতদের তালিকা প্রকাশ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ১২৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন—গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, হাফিজুর রহমান, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহবুবার রহমান ওরফে বাবু, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন এবং প্রক্টর দপ্তরের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।
তার মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তী সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:১৮
বেপর্দা নারীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমির সেলফি তোলেন বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে লালমনিরহাটের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতীবান্ধার আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, মেয়েদের সবচেয়ে বেশি সম্মান দিয়েছে ইসলাম। জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা তো বলিনি ছেলেরা সরো, মেয়ে বন্ধুরা এখন তোমরা আসো। আর মেয়েদের পাশে বসে সেলফি তোলে বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষটা। বেপর্দা মেয়েদের সঙ্গে সেলফি তোলে। এটা তো ইসলামী আন্দোলন পারে না।
তিনি আরও বলেন, পাঁচ আগস্টের পরে যখন এ দেশে অরাজকতা ছিল তখন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ সংখ্যালঘুদের জানমাল হেফাজতের জন্য পাহারাদারের দায়িত্ব পালন করেছে। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ জানের ঝুঁকি নিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত মানুষের জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া মানুষের দুঃসময়ে খাদেম হয়ে দাঁড়িয়েছি। এসময় হাতপাখা মার্কায় ভোট প্রত্যাশা করেন তিনি।
মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম বলেন, জামায়াতের নায়েবে আমির মোহাম্মদ তাহের আমেরিকা দূতাবাসে বসে বাংলাদেশে জঙ্গি আছে এটা প্রমাণ করার জন্য ইসলামী আন্দোলনকে জঙ্গি হিসাবে উপস্থাপন করেছে। জামায়াতের নায়েবে আমির আমেরিকার কাছে বলে আসে ইসলামী আন্দোলন জঙ্গি বাদী। আমারা ধিক্কার জানাই। ইসলামী আন্দোলন প্রতিষ্ঠা হওয়ার প্রায় ৩৮বছর হলো আপনারা কেউ দেখেছেন ইসলামী আন্দোলন জঙ্গি বাদী।
এদিন বিকালে লালমনিরহাট জেলা শহরের মিশন মোড় চত্বরে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে ইসলাম আজ পরাজিত। ইসলামী আদর্শকে তারা (জামায়াতে ইসলাম) রাষ্ট্রীয় পর্যায় ক্ষমতায় নিতে চায় না এবং তারা ইসলাম অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করতে চায় না। আগের নিয়মে দেশ পরিচালনা করবে তাদের সঙ্গে থাকার কোন অর্থ থাকতে পারে না। এজই আমরা ইসলামকে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য এবং দেশকে সুন্দর করার জন্য ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। আমাদের চিন্তা নাই কারণ আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।
জনসভায় লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসেনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখার প্রার্থী ফজলুল করিম শাহরিয়ারসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৩:৩৪
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:১৬
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১