
০৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:৪৯
বরগুনার আমতলীতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির কর্মসূচি পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক মহাসড়কে বাসচাপায় মো. রেজাউল করিম (৩৮) নামের ইসলামী আন্দোলনের এক নেতা নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কর্মসূচি শেষ করে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি যাওয়ার পথে বাসচাপায় নিহত হন তিনি।
নিহত রেজাউল করিম বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের গোছখালী গ্রামের মো. নুরুল হকের ছেলে। তিনি গুলিশাখালী ইউনিয়নের ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ও আমতলী বন্দর হোসাইনিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার আইসিটি বিষয়ের প্রভাষক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুলিশাখালী ইউনিয়ন ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কর্মসূচি পালন শেষে আমতলী শহর থেকে মোটরসাইকেলে সন্ধ্যা ৬টায় বরিশাল-কুয়াকাটার আঞ্চলিক মহাসড়ক ধরে বাড়ি ফিরছিলেন।
ঘটখালী ব্রিজের কাছে গেলে ঢাকাগামী ছন্দা পরিবহন নামের একটি বাস রেজাউল করিমের মোটরসাইকেলটিকে পেছন থেকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
পরে নেতাকর্মীরা ঘাতক বাসচালক ও হেলপারকে আটকের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় আমতলী উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাশ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তারা তাদের ফিরিয়ে দেন।
সড়ক অবরোধ করলে দুই পাশে কয়েকশ গাড়ি আটকা পড়ে। এ সময় সড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এর দুই ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তবে এ বিষয়ে কোনও সমাধান না পেয়ে বুধবার (৬ আগস্ট) মরদেহ দাফন না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন বরগুনা জেলা শাখার সভাপতি মুফতি মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে আমতলী বন্দর হোসাইনিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা পুনরায় বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করেন।
এতে সড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। যার ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা গাড়িতে ২ থেকে ৩ কিলোমিটার সড়ক বন্ধ হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও পথচারীরা।
এ বিষয়ে ইসলামী আন্দোলন বরগুনা জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মুফতি মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা সহকর্মী রেজাউল করিমকে হারিয়েছি। চালক, হেলপারকে আটক করতে হবে।
যতক্ষণে নিহত রেজাউল করিমের পরিবারকে ওই বাস কোম্পানি ক্ষতিপূরণ না দেবে ততক্ষণে আমরা এই মরদেহ দাফন করবো না। পাশাপাশি আমাদের এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।’
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, ‘বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ আসছেন। তাদের নিয়ে বৈঠক চলছে। আশা করি সমাধান হবে।’
বরগুনার আমতলীতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির কর্মসূচি পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক মহাসড়কে বাসচাপায় মো. রেজাউল করিম (৩৮) নামের ইসলামী আন্দোলনের এক নেতা নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কর্মসূচি শেষ করে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি যাওয়ার পথে বাসচাপায় নিহত হন তিনি।
নিহত রেজাউল করিম বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের গোছখালী গ্রামের মো. নুরুল হকের ছেলে। তিনি গুলিশাখালী ইউনিয়নের ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ও আমতলী বন্দর হোসাইনিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার আইসিটি বিষয়ের প্রভাষক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুলিশাখালী ইউনিয়ন ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কর্মসূচি পালন শেষে আমতলী শহর থেকে মোটরসাইকেলে সন্ধ্যা ৬টায় বরিশাল-কুয়াকাটার আঞ্চলিক মহাসড়ক ধরে বাড়ি ফিরছিলেন।
ঘটখালী ব্রিজের কাছে গেলে ঢাকাগামী ছন্দা পরিবহন নামের একটি বাস রেজাউল করিমের মোটরসাইকেলটিকে পেছন থেকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
পরে নেতাকর্মীরা ঘাতক বাসচালক ও হেলপারকে আটকের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় আমতলী উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাশ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তারা তাদের ফিরিয়ে দেন।
সড়ক অবরোধ করলে দুই পাশে কয়েকশ গাড়ি আটকা পড়ে। এ সময় সড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এর দুই ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তবে এ বিষয়ে কোনও সমাধান না পেয়ে বুধবার (৬ আগস্ট) মরদেহ দাফন না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন বরগুনা জেলা শাখার সভাপতি মুফতি মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে আমতলী বন্দর হোসাইনিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা পুনরায় বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করেন।
এতে সড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। যার ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা গাড়িতে ২ থেকে ৩ কিলোমিটার সড়ক বন্ধ হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও পথচারীরা।
এ বিষয়ে ইসলামী আন্দোলন বরগুনা জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মুফতি মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা সহকর্মী রেজাউল করিমকে হারিয়েছি। চালক, হেলপারকে আটক করতে হবে।
যতক্ষণে নিহত রেজাউল করিমের পরিবারকে ওই বাস কোম্পানি ক্ষতিপূরণ না দেবে ততক্ষণে আমরা এই মরদেহ দাফন করবো না। পাশাপাশি আমাদের এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।’
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, ‘বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ আসছেন। তাদের নিয়ে বৈঠক চলছে। আশা করি সমাধান হবে।’

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৬
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.