
০৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:৪৯
বরগুনার আমতলীতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির কর্মসূচি পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক মহাসড়কে বাসচাপায় মো. রেজাউল করিম (৩৮) নামের ইসলামী আন্দোলনের এক নেতা নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কর্মসূচি শেষ করে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি যাওয়ার পথে বাসচাপায় নিহত হন তিনি।
নিহত রেজাউল করিম বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের গোছখালী গ্রামের মো. নুরুল হকের ছেলে। তিনি গুলিশাখালী ইউনিয়নের ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ও আমতলী বন্দর হোসাইনিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার আইসিটি বিষয়ের প্রভাষক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুলিশাখালী ইউনিয়ন ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কর্মসূচি পালন শেষে আমতলী শহর থেকে মোটরসাইকেলে সন্ধ্যা ৬টায় বরিশাল-কুয়াকাটার আঞ্চলিক মহাসড়ক ধরে বাড়ি ফিরছিলেন।
ঘটখালী ব্রিজের কাছে গেলে ঢাকাগামী ছন্দা পরিবহন নামের একটি বাস রেজাউল করিমের মোটরসাইকেলটিকে পেছন থেকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
পরে নেতাকর্মীরা ঘাতক বাসচালক ও হেলপারকে আটকের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় আমতলী উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাশ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তারা তাদের ফিরিয়ে দেন।
সড়ক অবরোধ করলে দুই পাশে কয়েকশ গাড়ি আটকা পড়ে। এ সময় সড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এর দুই ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তবে এ বিষয়ে কোনও সমাধান না পেয়ে বুধবার (৬ আগস্ট) মরদেহ দাফন না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন বরগুনা জেলা শাখার সভাপতি মুফতি মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে আমতলী বন্দর হোসাইনিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা পুনরায় বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করেন।
এতে সড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। যার ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা গাড়িতে ২ থেকে ৩ কিলোমিটার সড়ক বন্ধ হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও পথচারীরা।
এ বিষয়ে ইসলামী আন্দোলন বরগুনা জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মুফতি মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা সহকর্মী রেজাউল করিমকে হারিয়েছি। চালক, হেলপারকে আটক করতে হবে।
যতক্ষণে নিহত রেজাউল করিমের পরিবারকে ওই বাস কোম্পানি ক্ষতিপূরণ না দেবে ততক্ষণে আমরা এই মরদেহ দাফন করবো না। পাশাপাশি আমাদের এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।’
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, ‘বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ আসছেন। তাদের নিয়ে বৈঠক চলছে। আশা করি সমাধান হবে।’
বরগুনার আমতলীতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির কর্মসূচি পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক মহাসড়কে বাসচাপায় মো. রেজাউল করিম (৩৮) নামের ইসলামী আন্দোলনের এক নেতা নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কর্মসূচি শেষ করে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি যাওয়ার পথে বাসচাপায় নিহত হন তিনি।
নিহত রেজাউল করিম বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের গোছখালী গ্রামের মো. নুরুল হকের ছেলে। তিনি গুলিশাখালী ইউনিয়নের ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ও আমতলী বন্দর হোসাইনিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার আইসিটি বিষয়ের প্রভাষক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুলিশাখালী ইউনিয়ন ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কর্মসূচি পালন শেষে আমতলী শহর থেকে মোটরসাইকেলে সন্ধ্যা ৬টায় বরিশাল-কুয়াকাটার আঞ্চলিক মহাসড়ক ধরে বাড়ি ফিরছিলেন।
ঘটখালী ব্রিজের কাছে গেলে ঢাকাগামী ছন্দা পরিবহন নামের একটি বাস রেজাউল করিমের মোটরসাইকেলটিকে পেছন থেকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
পরে নেতাকর্মীরা ঘাতক বাসচালক ও হেলপারকে আটকের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় আমতলী উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাশ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তারা তাদের ফিরিয়ে দেন।
সড়ক অবরোধ করলে দুই পাশে কয়েকশ গাড়ি আটকা পড়ে। এ সময় সড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এর দুই ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তবে এ বিষয়ে কোনও সমাধান না পেয়ে বুধবার (৬ আগস্ট) মরদেহ দাফন না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন বরগুনা জেলা শাখার সভাপতি মুফতি মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে আমতলী বন্দর হোসাইনিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা পুনরায় বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করেন।
এতে সড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। যার ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা গাড়িতে ২ থেকে ৩ কিলোমিটার সড়ক বন্ধ হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও পথচারীরা।
এ বিষয়ে ইসলামী আন্দোলন বরগুনা জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মুফতি মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা সহকর্মী রেজাউল করিমকে হারিয়েছি। চালক, হেলপারকে আটক করতে হবে।
যতক্ষণে নিহত রেজাউল করিমের পরিবারকে ওই বাস কোম্পানি ক্ষতিপূরণ না দেবে ততক্ষণে আমরা এই মরদেহ দাফন করবো না। পাশাপাশি আমাদের এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।’
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, ‘বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ আসছেন। তাদের নিয়ে বৈঠক চলছে। আশা করি সমাধান হবে।’

২৬ মে, ২০২৬ ১৮:২৪
বরগুনা শহরে খোলা মাঠ থেকে এক অজ্ঞাত পরিচয় নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল প্রায় ১১টার দিকে শহরের সিভিল পুলিশ সুপার কার্যালয় ও সার্জন অফিসের পশ্চিম পাশে, বরগুনা জেলা জজ কোর্ট সংলগ্ন দিঘির পূর্ব পাশের খোলা মাঠে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে সাংবাদিকদের খবর দিলে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি লাইভ সম্প্রচার করেন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ জানায়, মরদেহটির পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি শহরে দীর্ঘদিন ধরে ঘোরাফেরা করা এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর মরদেহ হতে পারে।
বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আলীম বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ঘোরাফেরা করতেন।
তার মাথার চুল কাটা ছিল এবং মাঝে মাঝে উলঙ্গ অবস্থায়ও চলাফেরা করতেন। মরদেহটির গঠন ও চেহারার সঙ্গে ওই নারীর মিল রয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার বিষয়ে সিআইডি ও পিবিআইকে অবহিত করা হয়েছে। তারা এসে তদন্তের মাধ্যমে মরদেহের সঠিক পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করবে। পরিচয় নিশ্চিত না হলে সরকারি ব্যবস্থাপনায় অথবা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় মরদেহটি দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।
বরগুনা শহরে খোলা মাঠ থেকে এক অজ্ঞাত পরিচয় নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল প্রায় ১১টার দিকে শহরের সিভিল পুলিশ সুপার কার্যালয় ও সার্জন অফিসের পশ্চিম পাশে, বরগুনা জেলা জজ কোর্ট সংলগ্ন দিঘির পূর্ব পাশের খোলা মাঠে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে সাংবাদিকদের খবর দিলে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি লাইভ সম্প্রচার করেন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ জানায়, মরদেহটির পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি শহরে দীর্ঘদিন ধরে ঘোরাফেরা করা এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর মরদেহ হতে পারে।
বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আলীম বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ঘোরাফেরা করতেন।
তার মাথার চুল কাটা ছিল এবং মাঝে মাঝে উলঙ্গ অবস্থায়ও চলাফেরা করতেন। মরদেহটির গঠন ও চেহারার সঙ্গে ওই নারীর মিল রয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার বিষয়ে সিআইডি ও পিবিআইকে অবহিত করা হয়েছে। তারা এসে তদন্তের মাধ্যমে মরদেহের সঠিক পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করবে। পরিচয় নিশ্চিত না হলে সরকারি ব্যবস্থাপনায় অথবা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় মরদেহটি দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।

২৬ মে, ২০২৬ ১৪:৪১
বরগুনার পাথরঘাটায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কাটেনি ক্ষতচিহ্ন। ভাঙা বেড়িবাঁধ, লবণাক্ত জমি, ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি আর জীবিকা সংকটে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন উপকূলের হাজারো মানুষ।
পুর্বে বিষখালী, পশ্চিমে সুন্দরবন সংলগ্ন বলেশ্বর নদী আর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। বিষখালী ও বলেশ্বর বেষ্টিত পাথরঘাটা উপজেলা। যেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়েই থাকেন এখানকার বাসিন্দারা।
ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল' হলো ২০২৪ সালের মে মাসে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়। এটি ২৬ মে সন্ধ্যা থেকে ২৭ মে সকাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করে। ঘূর্ণিঝড় রিমালে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাথরঘাটার কয়েকটি উপকূলীয় ইউনিয়ন। জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। ভেঙে যায় বেড়িবাঁধ, পানিবন্দি হয়ে পড়ে শত শত পরিবার। মাছের ঘের, কৃষিজমি ও বসতঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সুপেয় পানির সংকট হয় তীব্র।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুই বছরেও অনেক পরিবার ঘর মেরামত করতে পারেনি। অনেকের জমিতে এখনো লবণাক্ততার কারণে ফসল ফলছে না। নদীভাঙনের আতঙ্কও রয়েই গেছে।
পাথরঘাটার চরদুয়ানি ইউনিয়নের বলেশ্বর নদী সংলগ্ন দক্ষিন চরদুয়ানী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “রিমাল আমাদের সব শেষ করে দিয়েছে। এখনো ঋণ করে সংসার চালাতে হচ্ছে। বেড়িবাঁধ ভেঙে ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। আজও ঘর ঠিক করতে পারিনি।”
পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের চরলাঠিমারা গ্রামের ইদ্রিস মিয়া বলেন, রিমালের ক্ষতি যার হয়নি সে বুঝবেনা কষ্ট কতটা। রিমালে আমাদের এখানে বেড়িবাঁধ ভেঙে তলিয়ে যায় অসংখ্য ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। লবনাক্ত পানি ঢুকে কৃষি জমিতে মনে হয় আজও লবন রয়ে গেছে। কৃষি জমিতে ফলন ভালো হচ্ছেনা।
স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস'র নির্বাহী পরিচালক সাহাবুদ্দিন পান্না বলেন, ঘূর্নিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তাৎক্ষণিক সহায়তা দেয়া হয়েছে এবং দীর্ঘদিন সুপেয় পানি সরবরাহ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পাথরঘাটায় এমনিতেই সুপেয় পানির সংকট থাকে তারপর আবার ঘূর্নিঝড়ের সময় আরও তীব্র হয়। সুপেয় পানি সংকটে সরকারি-বেসরকারিভাবে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার যা হতে হবে স্থায়ী।
বরগুনার আরডিএফ'র পরিচালক এনামুল হোসেন বলেন, রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের কয়েকশ পরিবারকে টয়লেট এবং শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা বেশি বেড়িবাঁধ সংলগ্ন। এ ক্ষেত্রে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা দরকার।
উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, সিডর থেকে শুরু করে বিগত দিনের যতগুলো ঘূর্ণিঝড় বা জলোচ্ছ্বাস হয়েছে তার চেয়ে বেশি সময় ধরে উপকূলে পানি স্থায়ী রয়েছে। যে পানি ছিলো লবনাক্ত তাতে উপকূলের ফসল ও ফসলের মাটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকরা যে ক্ষতি আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
তিনি আরও বলেন, একটি রাষ্ট্র বা দেশকে স্থায়ীভাবে টেকসই করতে হলে উপকূলকে রক্ষা করতে হবে। এজন্য উপকূলের বেরিবাঁধ, উপকূলের বনায়ন টেকসই করার বিকল্প নেই।
বরগুনার পাথরঘাটায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কাটেনি ক্ষতচিহ্ন। ভাঙা বেড়িবাঁধ, লবণাক্ত জমি, ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি আর জীবিকা সংকটে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন উপকূলের হাজারো মানুষ।
পুর্বে বিষখালী, পশ্চিমে সুন্দরবন সংলগ্ন বলেশ্বর নদী আর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। বিষখালী ও বলেশ্বর বেষ্টিত পাথরঘাটা উপজেলা। যেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়েই থাকেন এখানকার বাসিন্দারা।
ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল' হলো ২০২৪ সালের মে মাসে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়। এটি ২৬ মে সন্ধ্যা থেকে ২৭ মে সকাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করে। ঘূর্ণিঝড় রিমালে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাথরঘাটার কয়েকটি উপকূলীয় ইউনিয়ন। জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। ভেঙে যায় বেড়িবাঁধ, পানিবন্দি হয়ে পড়ে শত শত পরিবার। মাছের ঘের, কৃষিজমি ও বসতঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সুপেয় পানির সংকট হয় তীব্র।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুই বছরেও অনেক পরিবার ঘর মেরামত করতে পারেনি। অনেকের জমিতে এখনো লবণাক্ততার কারণে ফসল ফলছে না। নদীভাঙনের আতঙ্কও রয়েই গেছে।
পাথরঘাটার চরদুয়ানি ইউনিয়নের বলেশ্বর নদী সংলগ্ন দক্ষিন চরদুয়ানী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “রিমাল আমাদের সব শেষ করে দিয়েছে। এখনো ঋণ করে সংসার চালাতে হচ্ছে। বেড়িবাঁধ ভেঙে ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। আজও ঘর ঠিক করতে পারিনি।”
পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের চরলাঠিমারা গ্রামের ইদ্রিস মিয়া বলেন, রিমালের ক্ষতি যার হয়নি সে বুঝবেনা কষ্ট কতটা। রিমালে আমাদের এখানে বেড়িবাঁধ ভেঙে তলিয়ে যায় অসংখ্য ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। লবনাক্ত পানি ঢুকে কৃষি জমিতে মনে হয় আজও লবন রয়ে গেছে। কৃষি জমিতে ফলন ভালো হচ্ছেনা।
স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস'র নির্বাহী পরিচালক সাহাবুদ্দিন পান্না বলেন, ঘূর্নিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তাৎক্ষণিক সহায়তা দেয়া হয়েছে এবং দীর্ঘদিন সুপেয় পানি সরবরাহ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পাথরঘাটায় এমনিতেই সুপেয় পানির সংকট থাকে তারপর আবার ঘূর্নিঝড়ের সময় আরও তীব্র হয়। সুপেয় পানি সংকটে সরকারি-বেসরকারিভাবে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার যা হতে হবে স্থায়ী।
বরগুনার আরডিএফ'র পরিচালক এনামুল হোসেন বলেন, রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের কয়েকশ পরিবারকে টয়লেট এবং শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা বেশি বেড়িবাঁধ সংলগ্ন। এ ক্ষেত্রে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা দরকার।
উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, সিডর থেকে শুরু করে বিগত দিনের যতগুলো ঘূর্ণিঝড় বা জলোচ্ছ্বাস হয়েছে তার চেয়ে বেশি সময় ধরে উপকূলে পানি স্থায়ী রয়েছে। যে পানি ছিলো লবনাক্ত তাতে উপকূলের ফসল ও ফসলের মাটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকরা যে ক্ষতি আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
তিনি আরও বলেন, একটি রাষ্ট্র বা দেশকে স্থায়ীভাবে টেকসই করতে হলে উপকূলকে রক্ষা করতে হবে। এজন্য উপকূলের বেরিবাঁধ, উপকূলের বনায়ন টেকসই করার বিকল্প নেই।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:৩৭
বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার চারবারের সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন আকনকে (৭৮) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রোববার (২৪ মে) রাত ২টার দিকে পাথরঘাটা পৌর শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে বরগুনা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে আনোয়ার হোসেন আকন আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে পাথরঘাটা পৌরসভার ঠিকাদারি কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পাথরঘাটা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনটি মামলা রয়েছে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার তদন্তাধীন আছে। দুজন ঠিকাদার তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করেন।
বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, সাবেক মেয়র আনোয়ার হোসেন আকন বর্তমানে বরগুনা সদর থানায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে। এদিকে সাবেক মেয়রকে আটকের ঘটনা পাথরঘাটার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার চারবারের সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন আকনকে (৭৮) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রোববার (২৪ মে) রাত ২টার দিকে পাথরঘাটা পৌর শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে বরগুনা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে আনোয়ার হোসেন আকন আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে পাথরঘাটা পৌরসভার ঠিকাদারি কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পাথরঘাটা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনটি মামলা রয়েছে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার তদন্তাধীন আছে। দুজন ঠিকাদার তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করেন।
বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, সাবেক মেয়র আনোয়ার হোসেন আকন বর্তমানে বরগুনা সদর থানায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে। এদিকে সাবেক মেয়রকে আটকের ঘটনা পাথরঘাটার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.