
২৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:৩৩
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) সহায়ক কর্মচারীদের জন্য “Professional Ethics and Code of Conduct for Support Staff” শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) বিভাগের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে দিনব্যাপী এই কর্মসূচির আয়োজন করে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (IQAC)।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল লতিফ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহবুব রব্বানি।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, “পেশাগত জীবনে নৈতিকতা এমন এক মানদণ্ড যা কেবল একজন ব্যক্তির সততা ও দায়িত্ববোধকেই নয়, বরং পুরো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিকেও নির্ধারণ করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীই এই প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র—তাই আচরণ, কথা ও কাজে পেশাদারিত্ব ও নৈতিকতার প্রতিফলন থাকা জরুরি।”
তিনি আরও বলেন, “সুশাসন ও মানসম্মত প্রশাসনিক পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়ক কর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়ম-কানুন মেনে, শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে কাজ করলে একটি দক্ষ, সেবামুখী ও নৈতিক প্রশাসন গড়ে তোলা সম্ভব।”
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সেশন পরিচালনা করেন অভিজ্ঞ শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। সকালে ড. মো. শফায়েত হোসাইন “Writing Clear and Concise Official Notes” এবং “Best Practices in Office File and Record Management” বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন। দুপুরে “Enhancing Cooperation and Respect among Colleagues” বিষয়ে আলোচনা হয়। বিকেলের সেশনে “University Staff Conduct and Responsibility” বিষয়ে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিন।
এছাড়া “Ethics in the Workplace” বিষয়ে বক্তব্য দেন আইকিউএসি'র অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মাসুদ এবং “Cash Purchase: Adjustment and Updated VAT-Tax Deduction” বিষয়ে আলোচনা করেন হিসাব পরিচালক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।
দিনব্যাপী কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কোর্স ডিরেক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুব রব্বানি এবং কোর্স কোঅর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. নূর নবী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সহায়ক কর্মচারীরা জানান, কর্মশালার মাধ্যমে তারা সরকারি নীতি, আচরণবিধি এবং দাপ্তরিক যোগাযোগের বিষয়ে নতুন জ্ঞান অর্জন করেছেন যা ভবিষ্যতে তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) সহায়ক কর্মচারীদের জন্য “Professional Ethics and Code of Conduct for Support Staff” শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) বিভাগের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে দিনব্যাপী এই কর্মসূচির আয়োজন করে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (IQAC)।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল লতিফ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহবুব রব্বানি।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, “পেশাগত জীবনে নৈতিকতা এমন এক মানদণ্ড যা কেবল একজন ব্যক্তির সততা ও দায়িত্ববোধকেই নয়, বরং পুরো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিকেও নির্ধারণ করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীই এই প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র—তাই আচরণ, কথা ও কাজে পেশাদারিত্ব ও নৈতিকতার প্রতিফলন থাকা জরুরি।”
তিনি আরও বলেন, “সুশাসন ও মানসম্মত প্রশাসনিক পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়ক কর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়ম-কানুন মেনে, শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে কাজ করলে একটি দক্ষ, সেবামুখী ও নৈতিক প্রশাসন গড়ে তোলা সম্ভব।”
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সেশন পরিচালনা করেন অভিজ্ঞ শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। সকালে ড. মো. শফায়েত হোসাইন “Writing Clear and Concise Official Notes” এবং “Best Practices in Office File and Record Management” বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন। দুপুরে “Enhancing Cooperation and Respect among Colleagues” বিষয়ে আলোচনা হয়। বিকেলের সেশনে “University Staff Conduct and Responsibility” বিষয়ে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিন।
এছাড়া “Ethics in the Workplace” বিষয়ে বক্তব্য দেন আইকিউএসি'র অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মাসুদ এবং “Cash Purchase: Adjustment and Updated VAT-Tax Deduction” বিষয়ে আলোচনা করেন হিসাব পরিচালক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।
দিনব্যাপী কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কোর্স ডিরেক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুব রব্বানি এবং কোর্স কোঅর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. নূর নবী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সহায়ক কর্মচারীরা জানান, কর্মশালার মাধ্যমে তারা সরকারি নীতি, আচরণবিধি এবং দাপ্তরিক যোগাযোগের বিষয়ে নতুন জ্ঞান অর্জন করেছেন যা ভবিষ্যতে তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

০৩ মে, ২০২৬ ১৪:১৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামে হঠাৎ করে মাটির নিচ থেকে ভেসে আসা বিকট শব্দকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ।
স্থানীয় বাসিন্দা আশোক আলী মৃধা শনিবার (২ মে) নিজ জমিতে গরু চরাতে গিয়ে প্রথম এই অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান। কয়েক দশক ধরে পরিচিত সেই জমিতে এমন অদ্ভুত শব্দে তিনি বিস্মিত হয়ে পড়েন।
বিষয়টি নিশ্চিত হতে আশপাশের লোকজনকে ডেকে আনেন তিনি। পরে কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে পরীক্ষা করতে গেলে শব্দের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।
একই সঙ্গে জমির বিভিন্ন স্থান থেকে বুদবুদের আকারে গ্যাসের মতো কিছু বের হতে দেখা যায় এবং নিরবচ্ছিন্ন শব্দ শোনা যেতে থাকে।
ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে কেউ মাটি খুঁড়ছেন, কেউ আবার গর্ত থেকে বের হওয়া পানি ও মাটির গন্ধ পরীক্ষা করছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ ধারণা করছেন, এটি কোনো খনিজ সম্পদের ইঙ্গিত; আবার কেউ মনে করছেন, মাটির নিচে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি থাকতে পারে।
অন্যদিকে, অজানা এই ঘটনার কারণে আতঙ্কিত হয়ে গ্রামবাসীরা পুলিশের জরুরি সেবা নম্বরে কল করে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসীন সাদেক বলেন, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অবহিত করা হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তারা যদি সার্ভে পরিচালনা করেন, তাহলে এর প্রকৃতি সম্পর্কে জানা যাবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামে হঠাৎ করে মাটির নিচ থেকে ভেসে আসা বিকট শব্দকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ।
স্থানীয় বাসিন্দা আশোক আলী মৃধা শনিবার (২ মে) নিজ জমিতে গরু চরাতে গিয়ে প্রথম এই অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান। কয়েক দশক ধরে পরিচিত সেই জমিতে এমন অদ্ভুত শব্দে তিনি বিস্মিত হয়ে পড়েন।
বিষয়টি নিশ্চিত হতে আশপাশের লোকজনকে ডেকে আনেন তিনি। পরে কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে পরীক্ষা করতে গেলে শব্দের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।
একই সঙ্গে জমির বিভিন্ন স্থান থেকে বুদবুদের আকারে গ্যাসের মতো কিছু বের হতে দেখা যায় এবং নিরবচ্ছিন্ন শব্দ শোনা যেতে থাকে।
ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে কেউ মাটি খুঁড়ছেন, কেউ আবার গর্ত থেকে বের হওয়া পানি ও মাটির গন্ধ পরীক্ষা করছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ ধারণা করছেন, এটি কোনো খনিজ সম্পদের ইঙ্গিত; আবার কেউ মনে করছেন, মাটির নিচে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি থাকতে পারে।
অন্যদিকে, অজানা এই ঘটনার কারণে আতঙ্কিত হয়ে গ্রামবাসীরা পুলিশের জরুরি সেবা নম্বরে কল করে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসীন সাদেক বলেন, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অবহিত করা হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তারা যদি সার্ভে পরিচালনা করেন, তাহলে এর প্রকৃতি সম্পর্কে জানা যাবে।

০১ মে, ২০২৬ ১৮:৪৭
যথাযোগ্য মর্যাদায় পটুয়াখালীর দুমকিতে আন্তর্জাতিক মে দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল দুমকি উপজেলা শাখার উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুমকি উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোঃ আবু জাফর আকন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুমকি উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল মৃধা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিন্টু।
এসময় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং শ্রমিক কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দুমকি উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মোঃ ফারুক মৃধা।
যথাযোগ্য মর্যাদায় পটুয়াখালীর দুমকিতে আন্তর্জাতিক মে দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল দুমকি উপজেলা শাখার উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুমকি উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোঃ আবু জাফর আকন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুমকি উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল মৃধা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিন্টু।
এসময় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং শ্রমিক কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দুমকি উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মোঃ ফারুক মৃধা।

০১ মে, ২০২৬ ০০:২৩
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পৌর যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
মিছিলে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি-সম্পাদকসহ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা পকেট কমিটি মানি না, মানবো না স্লোগান দেন এবং বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন করে গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠনের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য দেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি শহিদ সিকদার, পৌর যুবদল নেতা হারুন মুসুল্লি, আবুবকরসহ আরও অনেকে। বক্তারা অভিযোগ করেন, ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে গঠিত এই কমিটি দলীয় আদর্শ ও সাংগঠনিক নীতিমালার পরিপন্থী।
তাদের আরও অভিযোগ, নতুন কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বহিষ্কৃত কয়েকজন নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সংগঠনের জন্য বিব্রতকর ও প্রশ্নবিদ্ধ। ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি শহিদ শিকদার দাবি করেন, ছাত্রলীগের পদে থাকা শাকিব নামের একজনসহ বহিষ্কৃত তিনজনকে কমিটিতে রাখা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা জানান, শাকিব পূর্বে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং জেলা কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবায়ের আহমেদ রিয়াজ খানকে সাংগঠনিক পদ দেওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে বলেও জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন। সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি ও মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া আহমেদ বলেন, সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একাধিক সংগঠনে দায়িত্বে থাকতে পারেন। তবে দল চাইলে যেকোনো একটি পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে পারে।
বিক্ষোভকারীরা দ্রুত কমিটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে সতর্ক করে বলেন, দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর বলেন, ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেই ৭১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সবাইকে পদ দেওয়া সম্ভব নয়। যারা পদ পাননি, তাদের অনেকেই ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন। এছাড়া অভিযোগকারীদের মধ্যে কেউ কেউ বহিষ্কৃতও রয়েছেন।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পৌর যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
মিছিলে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি-সম্পাদকসহ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা পকেট কমিটি মানি না, মানবো না স্লোগান দেন এবং বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন করে গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠনের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য দেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি শহিদ সিকদার, পৌর যুবদল নেতা হারুন মুসুল্লি, আবুবকরসহ আরও অনেকে। বক্তারা অভিযোগ করেন, ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে গঠিত এই কমিটি দলীয় আদর্শ ও সাংগঠনিক নীতিমালার পরিপন্থী।
তাদের আরও অভিযোগ, নতুন কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বহিষ্কৃত কয়েকজন নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সংগঠনের জন্য বিব্রতকর ও প্রশ্নবিদ্ধ। ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি শহিদ শিকদার দাবি করেন, ছাত্রলীগের পদে থাকা শাকিব নামের একজনসহ বহিষ্কৃত তিনজনকে কমিটিতে রাখা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা জানান, শাকিব পূর্বে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং জেলা কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবায়ের আহমেদ রিয়াজ খানকে সাংগঠনিক পদ দেওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে বলেও জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন। সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি ও মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া আহমেদ বলেন, সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একাধিক সংগঠনে দায়িত্বে থাকতে পারেন। তবে দল চাইলে যেকোনো একটি পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে পারে।
বিক্ষোভকারীরা দ্রুত কমিটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে সতর্ক করে বলেন, দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর বলেন, ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেই ৭১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সবাইকে পদ দেওয়া সম্ভব নয়। যারা পদ পাননি, তাদের অনেকেই ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন। এছাড়া অভিযোগকারীদের মধ্যে কেউ কেউ বহিষ্কৃতও রয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.