
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:৫৯
হত্যা মামলায় ২৫ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সেলিম কাজী (৭৪)। দীর্ঘ ২১ বছর কারাভোগের পর বুধবার (৩ ডিসেম্বর) তার জীবনে এলো ভিন্ন এক সকাল। চারপাশে মুক্ত হাওয়া, পরিচিত মানুষের মুখ, আর বহুদিনের নিস্তব্ধ বাড়ির আঙিনা। সব কিছুই তার সামনে জীবন্ত হয়ে দাঁড়ালো। তবে বাড়ির রূপ বদলে গেছে। সেই বাড়িতে সবাই আছে, শুধু তার মা আর নেই।
৭৪ বছর বয়সি ওই বৃদ্ধ কয়েদির সাময়িক এই মুক্তি শুধুই মায়ের জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান সেলিমের মা রেনু বেগম। তার জানাজায় উপস্থিত হতে আদালত তাকে কয়েক ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দেন। পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশের একটি টিম কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে সকালে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসে। স্বজনরাও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তাকে এত বছর পর আবার কাছে পেয়ে।
বুধবার দুপুর ২টায় টাউন বহালগাছিয়ার জিয়া সড়কের স্থানীয় মসজিদের সামনে অনুষ্ঠিত হয় রেনু বেগমের জানাজা। সেখানে স্বজন ও প্রতিবেশীদের উপস্থিতিতে তৈরি হয় এক হৃদয়বিদারক পরিবেশ। জানাজা শেষে বিকেল ৩টার দিকে পুলিশ পুনরায় তাকে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে নিয়ে যায়।
জেলা কারাগার সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি একটি সিআর মামলায় বরিশালের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল সেলিম কাজীর বিরুদ্ধে ২৫ বছরের সাজা ঘোষণা করেন। কারাবন্দি অবস্থায় শুরুতে তিনি যশোর কারাগারে ছিলেন, পরে ২০০৯ সাল থেকে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে আছেন।
জেলা কারাগারের জেলার মো. আব্দুর রব মিয়া বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ জানান, তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দি। আদালতের চিঠি পাওয়ার পর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেই তাকে জানাজায় পাঠানো হয়েছিল। আবার তাকে পুনরায় জেল হাজতে নিয়ে আসা হয়েছে।
হত্যা মামলায় ২৫ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সেলিম কাজী (৭৪)। দীর্ঘ ২১ বছর কারাভোগের পর বুধবার (৩ ডিসেম্বর) তার জীবনে এলো ভিন্ন এক সকাল। চারপাশে মুক্ত হাওয়া, পরিচিত মানুষের মুখ, আর বহুদিনের নিস্তব্ধ বাড়ির আঙিনা। সব কিছুই তার সামনে জীবন্ত হয়ে দাঁড়ালো। তবে বাড়ির রূপ বদলে গেছে। সেই বাড়িতে সবাই আছে, শুধু তার মা আর নেই।
৭৪ বছর বয়সি ওই বৃদ্ধ কয়েদির সাময়িক এই মুক্তি শুধুই মায়ের জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান সেলিমের মা রেনু বেগম। তার জানাজায় উপস্থিত হতে আদালত তাকে কয়েক ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দেন। পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশের একটি টিম কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে সকালে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসে। স্বজনরাও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তাকে এত বছর পর আবার কাছে পেয়ে।
বুধবার দুপুর ২টায় টাউন বহালগাছিয়ার জিয়া সড়কের স্থানীয় মসজিদের সামনে অনুষ্ঠিত হয় রেনু বেগমের জানাজা। সেখানে স্বজন ও প্রতিবেশীদের উপস্থিতিতে তৈরি হয় এক হৃদয়বিদারক পরিবেশ। জানাজা শেষে বিকেল ৩টার দিকে পুলিশ পুনরায় তাকে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে নিয়ে যায়।
জেলা কারাগার সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি একটি সিআর মামলায় বরিশালের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল সেলিম কাজীর বিরুদ্ধে ২৫ বছরের সাজা ঘোষণা করেন। কারাবন্দি অবস্থায় শুরুতে তিনি যশোর কারাগারে ছিলেন, পরে ২০০৯ সাল থেকে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে আছেন।
জেলা কারাগারের জেলার মো. আব্দুর রব মিয়া বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ জানান, তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দি। আদালতের চিঠি পাওয়ার পর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেই তাকে জানাজায় পাঠানো হয়েছিল। আবার তাকে পুনরায় জেল হাজতে নিয়ে আসা হয়েছে।

১৬ জুন, ২০২৬ ১২:২৪
পটুয়াখালীর দুমকির ঐতিহ্যবাহী সাংবাদিক সংগঠন প্রেসক্লাব দুমকির নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবের নিজস্ব কার্যালয়ে সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে দুই বছর মেয়াদি নতুন কমিটি নির্বাচিত হয়।
নির্বাচনে সভাপতি পদে দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার দুমকি উপজেলা প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন সুমন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে আনন্দ টিভি'র দুমকি উপজেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।
নবগঠিত কমিটির অন্যান্য নির্বাচিত সদস্যরা হলেন— সহ-সভাপতি পদে নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক মানবকণ্ঠ প্রতিনিধি সৈয়দ আতিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক পদে দৈনিক আমার সংবাদ প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন এবং আইসিটি সম্পাদক পদে দৈনিক কালবেলা প্রতিনিধি মো. রাজিবুল ইসলাম।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দৈনিক দেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রতিনিধি মো. বাহাদুর হোসেন। নির্বাচন কমিশনার ছিলেন দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার দুমকি প্রতিনিধি মো. সুমন মৃধা।
প্রেসক্লাবের সদস্যরা সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। পরে ভোট গণনা শেষে রাত সাড়ে ৮টায় নির্বাচন কমিশন সদস্যদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করে।
ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত সভাপতি জসিম উদ্দিন সুমন ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, প্রেসক্লাব দুমকির ঐতিহ্য, পেশাদারিত্ব ও সাংবাদিকদের স্বার্থ সংরক্ষণে সকলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা হবে। প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নবনির্বাচিত কমিটি আগামী দুই বছর দায়িত্ব পালন করবে।
পটুয়াখালীর দুমকির ঐতিহ্যবাহী সাংবাদিক সংগঠন প্রেসক্লাব দুমকির নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবের নিজস্ব কার্যালয়ে সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে দুই বছর মেয়াদি নতুন কমিটি নির্বাচিত হয়।
নির্বাচনে সভাপতি পদে দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার দুমকি উপজেলা প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন সুমন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে আনন্দ টিভি'র দুমকি উপজেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।
নবগঠিত কমিটির অন্যান্য নির্বাচিত সদস্যরা হলেন— সহ-সভাপতি পদে নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক মানবকণ্ঠ প্রতিনিধি সৈয়দ আতিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক পদে দৈনিক আমার সংবাদ প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন এবং আইসিটি সম্পাদক পদে দৈনিক কালবেলা প্রতিনিধি মো. রাজিবুল ইসলাম।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দৈনিক দেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রতিনিধি মো. বাহাদুর হোসেন। নির্বাচন কমিশনার ছিলেন দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার দুমকি প্রতিনিধি মো. সুমন মৃধা।
প্রেসক্লাবের সদস্যরা সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। পরে ভোট গণনা শেষে রাত সাড়ে ৮টায় নির্বাচন কমিশন সদস্যদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করে।
ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত সভাপতি জসিম উদ্দিন সুমন ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, প্রেসক্লাব দুমকির ঐতিহ্য, পেশাদারিত্ব ও সাংবাদিকদের স্বার্থ সংরক্ষণে সকলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা হবে। প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নবনির্বাচিত কমিটি আগামী দুই বছর দায়িত্ব পালন করবে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:০০
গলাচিপা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ সোহাগ প্যাদাকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। রবিবার (১৪ জুন) রাতে পুলিশের একটি টিম গলাচিপা পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে নিজ বাসা থেকে তাকে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে নাশকতাবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে। তিনি মৃত বাদশাহ প্যাদার ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোহাগ প্যাদা নিষিদ্ধ ঘোষিত পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।
পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার রাতে পৌর এলাকার টিঅ্যান্ডটি রোডে অভিযান চালিয়ে তাকে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে।
গলাচিপা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘গ্রেপ্তার সোহাগ প্যাদার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।’
গলাচিপা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ সোহাগ প্যাদাকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। রবিবার (১৪ জুন) রাতে পুলিশের একটি টিম গলাচিপা পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে নিজ বাসা থেকে তাকে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে নাশকতাবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে। তিনি মৃত বাদশাহ প্যাদার ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোহাগ প্যাদা নিষিদ্ধ ঘোষিত পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।
পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার রাতে পৌর এলাকার টিঅ্যান্ডটি রোডে অভিযান চালিয়ে তাকে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে।
গলাচিপা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘গ্রেপ্তার সোহাগ প্যাদার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
পটুয়াখালীর সদর উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়নের কুড়িপাইকা গ্রামের সঙ্গে ভুরিয়া ইউনিয়নের যোগাযোগের একমাত্র সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০২১ সালে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে ২৪ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নিলেও দীর্ঘ পাঁচ বছরেও কাজ শেষ হয়নি।
সেতুর মূল কাঠামোর বেশিরভাগ কাজ সম্পন্ন হলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় এটি এখনো ব্যবহার উপযোগী হয়নি। ফলে আট গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষকে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুর দুই প্রান্তে সংযোগ সড়ক না থাকায় কাঠের অস্থায়ী মই ব্যবহার করে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ, নারী, শিশু ও রোগীদের জন্য এই পথ হয়ে উঠেছে অত্যন্ত বিপজ্জনক। প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
কুড়িপাইকা গ্রামের বাসিন্দা রমজান আলী বলেন, আমি অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে যাচ্ছিলাম। ব্রিজে উঠতে গিয়ে কাঠের মই থেকে পা পিছলে পড়ে যাই। ভাগ্য ভালো বড় ধরনের আঘাত পাইনি। কিন্তু সেদিন আর হাসপাতালে যেতে পারিনি। আমাদের মতো বৃদ্ধ মানুষের জন্য এই ব্রিজ পার হওয়া খুবই কষ্টকর।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ব্রিজের কাজ শুরু হওয়ার পর আমরা ভেবেছিলাম কয়েক বছরের মধ্যেই যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। কিন্তু পাঁচ বছরেও কাজ শেষ হয়নি। এখন ব্রিজ আছে, কিন্তু ব্যবহার করা যায় না। এতে মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
এলাকাবাসী জানান, কুড়িপাইকা, ভুরিয়া, পশ্চিম কুড়িপাইকা, পূর্ব কুড়িপাইকা, কমলাপুর, সৌলাসহ আশপাশের অন্তত আট গ্রামের মানুষ প্রতিদিন এই পথ ব্যবহার করেন। শিক্ষার্থী, কৃষক, জেলে, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং চাকরিজীবীদের জন্য এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম।
কুড়িপাইকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তার বলে, প্রতিদিন স্কুলে যেতে ব্রিজ পার হতে হয়। মই বেয়ে উঠানামা করতে ভয় লাগে। বৃষ্টি হলে আরও বেশি সমস্যা হয়। অনেক সময় স্কুলে যেতে দেরি হয়ে যায়।
একজন অভিভাবক আব্দুল মালেক বলেন, ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যায়। আমরা সব সময় আতঙ্কে থাকি। কখন যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যায়, সেই ভয় কাজ করে।
বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। সেতুর আশপাশের সড়কে কাদা ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ে। জরুরি রোগী হাসপাতালে নেওয়া এবং কৃষিপণ্য পরিবহন করতেও দেখা দেয় নানা প্রতিবন্ধকতা।
স্থানীয় কৃষক হারুন মিয়া বলেন, আমাদের উৎপাদিত ধান, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারে নিতে অনেক সমস্যা হয়। পরিবহন খরচ বেড়ে যায়। অনেক সময় ন্যায্যমূল্যও পাওয়া যায় না।
মাছ ব্যবসায়ী সোহেল রানা বলেন, ভালো রাস্তা না থাকায় অনেক গাড়ি আসতে চায় না। এতে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হচ্ছে। দ্রুত ব্রিজের কাজ শেষ হলে এলাকার অর্থনীতিও উপকৃত হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ধীরগতিতে চলছে প্রকল্পের কাজ। মাঝে কয়েক দফা কাজ বন্ধও ছিল। ফলে এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণসহ অবশিষ্ট কাজ শেষ করে সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হোক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পটুয়াখালী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হোসেন আলী মীর বলেন, কিছু কারিগরি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কাজ সম্পন্ন করতে বিলম্ব হয়েছে। তবে সমস্যাগুলো সমাধানের প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সংযোগ সড়কসহ অবশিষ্ট কাজ শেষ করে সেতুটি জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও সেতুটি চালু না হওয়ায় হতাশ স্থানীয়রা। তবে কর্তৃপক্ষের আশ্বাস বাস্তবে কত দ্রুত বাস্তবায়ন হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন আট গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ। তাদের প্রত্যাশা, দ্রুত সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি ফিরে আসবে।
পটুয়াখালীর সদর উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়নের কুড়িপাইকা গ্রামের সঙ্গে ভুরিয়া ইউনিয়নের যোগাযোগের একমাত্র সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০২১ সালে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে ২৪ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নিলেও দীর্ঘ পাঁচ বছরেও কাজ শেষ হয়নি।
সেতুর মূল কাঠামোর বেশিরভাগ কাজ সম্পন্ন হলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় এটি এখনো ব্যবহার উপযোগী হয়নি। ফলে আট গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষকে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুর দুই প্রান্তে সংযোগ সড়ক না থাকায় কাঠের অস্থায়ী মই ব্যবহার করে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ, নারী, শিশু ও রোগীদের জন্য এই পথ হয়ে উঠেছে অত্যন্ত বিপজ্জনক। প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
কুড়িপাইকা গ্রামের বাসিন্দা রমজান আলী বলেন, আমি অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে যাচ্ছিলাম। ব্রিজে উঠতে গিয়ে কাঠের মই থেকে পা পিছলে পড়ে যাই। ভাগ্য ভালো বড় ধরনের আঘাত পাইনি। কিন্তু সেদিন আর হাসপাতালে যেতে পারিনি। আমাদের মতো বৃদ্ধ মানুষের জন্য এই ব্রিজ পার হওয়া খুবই কষ্টকর।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ব্রিজের কাজ শুরু হওয়ার পর আমরা ভেবেছিলাম কয়েক বছরের মধ্যেই যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। কিন্তু পাঁচ বছরেও কাজ শেষ হয়নি। এখন ব্রিজ আছে, কিন্তু ব্যবহার করা যায় না। এতে মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
এলাকাবাসী জানান, কুড়িপাইকা, ভুরিয়া, পশ্চিম কুড়িপাইকা, পূর্ব কুড়িপাইকা, কমলাপুর, সৌলাসহ আশপাশের অন্তত আট গ্রামের মানুষ প্রতিদিন এই পথ ব্যবহার করেন। শিক্ষার্থী, কৃষক, জেলে, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং চাকরিজীবীদের জন্য এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম।
কুড়িপাইকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তার বলে, প্রতিদিন স্কুলে যেতে ব্রিজ পার হতে হয়। মই বেয়ে উঠানামা করতে ভয় লাগে। বৃষ্টি হলে আরও বেশি সমস্যা হয়। অনেক সময় স্কুলে যেতে দেরি হয়ে যায়।
একজন অভিভাবক আব্দুল মালেক বলেন, ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যায়। আমরা সব সময় আতঙ্কে থাকি। কখন যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যায়, সেই ভয় কাজ করে।
বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। সেতুর আশপাশের সড়কে কাদা ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ে। জরুরি রোগী হাসপাতালে নেওয়া এবং কৃষিপণ্য পরিবহন করতেও দেখা দেয় নানা প্রতিবন্ধকতা।
স্থানীয় কৃষক হারুন মিয়া বলেন, আমাদের উৎপাদিত ধান, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারে নিতে অনেক সমস্যা হয়। পরিবহন খরচ বেড়ে যায়। অনেক সময় ন্যায্যমূল্যও পাওয়া যায় না।
মাছ ব্যবসায়ী সোহেল রানা বলেন, ভালো রাস্তা না থাকায় অনেক গাড়ি আসতে চায় না। এতে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হচ্ছে। দ্রুত ব্রিজের কাজ শেষ হলে এলাকার অর্থনীতিও উপকৃত হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ধীরগতিতে চলছে প্রকল্পের কাজ। মাঝে কয়েক দফা কাজ বন্ধও ছিল। ফলে এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণসহ অবশিষ্ট কাজ শেষ করে সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হোক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পটুয়াখালী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হোসেন আলী মীর বলেন, কিছু কারিগরি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কাজ সম্পন্ন করতে বিলম্ব হয়েছে। তবে সমস্যাগুলো সমাধানের প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সংযোগ সড়কসহ অবশিষ্ট কাজ শেষ করে সেতুটি জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও সেতুটি চালু না হওয়ায় হতাশ স্থানীয়রা। তবে কর্তৃপক্ষের আশ্বাস বাস্তবে কত দ্রুত বাস্তবায়ন হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন আট গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ। তাদের প্রত্যাশা, দ্রুত সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি ফিরে আসবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.