
২৫ মে, ২০২৫ ২১:১৩
চলতি বছর এ পর্যন্ত ১৬০টি ফ্লাইটে মোট ৬১,৭২৪ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এদের মধ্যে নয়জন বার্ধক্যজনিত অথবা অন্যান্য স্বাস্থ্যগত কারণে মারা গেছেন।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এম আবুবকর সিদ্দিক বলেন, “আটজন পুরুষ এবং একজন মহিলা হজযাত্রী মারা গেছেন।”
তিনি বলেন, এই বছর ৮৭,১০০ জন বাংলাদেশি পবিত্র হজব্রত পালন করবেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫,২০০ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮১,৯০০ জন হজ পালন করবেন।
সিদ্দিক বলেন, আজ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের তিনটি ফ্লাইট ১২৩৩ জন হজযাত্রী এবং সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ৩২৭ জন হজযাত্রী নিয়ে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে অথবা ছেড়ে যাচ্ছে। হজযাত্রীদের বহনকারী শেষ ফ্লাইটটি ৩১ মে সৌদি আরবে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
সর্বশেষ হজ বুলেটিন অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এখন পর্যন্ত ৮৩টি ফ্লাইট পরিচালনা করে ৩১,৫১৩ জন হজযাত্রী বহন করেছে, সৌদি এয়ারলাইন্স ৫৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করে ২১,৫৮৩ জন হজযাত্রী এবং রিয়াদ-ভিত্তিক ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২১টি ফ্লাইটে ৮,৬২৮ জন হজযাত্রী পরিবহন করেছে।
কর্মকর্তারা জানান, এ বছর সরকারের হজ কর্মসূচির আওতায় ৫,০৮৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮১,৮৭১ জন হজযাত্রী সৌদি আরবের ভিসা পেয়েছেন।
প্রথম হজযাত্রী বহনকারী ফ্লাইট গত ২৯ এপ্রিল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়।
চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে এ বছর হজ ৫ জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ হজযাত্রীদের জন্য ফিরতি ফ্লাইটগুলো ১০ জুন শুরু হবে এবং ১০ জুলাই শেষ হবে। সূত্র: বাসস
চলতি বছর এ পর্যন্ত ১৬০টি ফ্লাইটে মোট ৬১,৭২৪ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এদের মধ্যে নয়জন বার্ধক্যজনিত অথবা অন্যান্য স্বাস্থ্যগত কারণে মারা গেছেন।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এম আবুবকর সিদ্দিক বলেন, “আটজন পুরুষ এবং একজন মহিলা হজযাত্রী মারা গেছেন।”
তিনি বলেন, এই বছর ৮৭,১০০ জন বাংলাদেশি পবিত্র হজব্রত পালন করবেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫,২০০ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮১,৯০০ জন হজ পালন করবেন।
সিদ্দিক বলেন, আজ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের তিনটি ফ্লাইট ১২৩৩ জন হজযাত্রী এবং সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ৩২৭ জন হজযাত্রী নিয়ে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে অথবা ছেড়ে যাচ্ছে। হজযাত্রীদের বহনকারী শেষ ফ্লাইটটি ৩১ মে সৌদি আরবে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
সর্বশেষ হজ বুলেটিন অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এখন পর্যন্ত ৮৩টি ফ্লাইট পরিচালনা করে ৩১,৫১৩ জন হজযাত্রী বহন করেছে, সৌদি এয়ারলাইন্স ৫৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করে ২১,৫৮৩ জন হজযাত্রী এবং রিয়াদ-ভিত্তিক ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২১টি ফ্লাইটে ৮,৬২৮ জন হজযাত্রী পরিবহন করেছে।
কর্মকর্তারা জানান, এ বছর সরকারের হজ কর্মসূচির আওতায় ৫,০৮৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮১,৮৭১ জন হজযাত্রী সৌদি আরবের ভিসা পেয়েছেন।
প্রথম হজযাত্রী বহনকারী ফ্লাইট গত ২৯ এপ্রিল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়।
চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে এ বছর হজ ৫ জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ হজযাত্রীদের জন্য ফিরতি ফ্লাইটগুলো ১০ জুন শুরু হবে এবং ১০ জুলাই শেষ হবে। সূত্র: বাসস

০৮ মার্চ, ২০২৬ ২১:২৯
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরবর্তী এক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পরও কয়েক দিন ভারতে আটকা পড়ে ছিল ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
অবশেষে আইসিসি চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করলেও, সেই ব্যবস্থাপনায় পক্ষপাতিত্ব ও বৈষম্যের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ব্যাটার কুইন্টন ডি কক।
গত ১ মার্চ সুপার এইটের শেষ ম্যাচে ভারতের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এর তিন দিন পর বুধবার (৪ মার্চ) সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।
সবার শেষে গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারতের কাছে পরাজিত হয়ে ইংল্যান্ডের বিদায় নিশ্চিত হয়। নিয়ম অনুযায়ী যারা আগে বিদায় নিয়েছে, তাদেরই আগে দেশে ফেরার কথা। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে উল্টো চিত্র।
অনেক অনিশ্চয়তার পর আইসিসি যখন দলগুলোকে ফেরানোর উদ্যোগ নেয়, তখন দেখা যায় সবার শেষে বিদায় নেওয়া ইংল্যান্ড দল সবার আগে সুবিধা পাচ্ছে। শনিবার মুম্বাই থেকে সরাসরি লন্ডনের বিমানে ওঠে ইংলিশরা।
অন্যদিকে, আগে বিদায় নেওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে রোববারের জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়। আইসিসির এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন প্রোটিয়া তারকা কুইন্টন ডি কক।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ডি কক তার ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেন, মজার ব্যাপার আইসিসি, আমরা কিছুই শুনতে পাইনি। কিন্তু ইংল্যান্ড কোনোভাবে আমাদের আগেই চলে গেল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা স্রেফ অন্ধকারে পড়ে আছে। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, কীভাবে একটি দল অন্যদের চেয়ে বেশি প্রভাব রাখে!
ডি ককের এই অভিযোগের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভনও। তিনি সরাসরি আইসিসির বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ এনে 'এক্স'-এ (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, এই ধরনের পরিস্থিতিতে সব দলের সঙ্গে সমান আচরণ করা উচিত। শুধুমাত্র আইসিসির টেবিলে আপনার ক্ষমতা আছে দেখে আপনি বেশি সুবিধা পাবেন, এমনটা হওয়া একেবারেই উচিত নয়।
বরিশাল টাইমস
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরবর্তী এক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পরও কয়েক দিন ভারতে আটকা পড়ে ছিল ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
অবশেষে আইসিসি চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করলেও, সেই ব্যবস্থাপনায় পক্ষপাতিত্ব ও বৈষম্যের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ব্যাটার কুইন্টন ডি কক।
গত ১ মার্চ সুপার এইটের শেষ ম্যাচে ভারতের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এর তিন দিন পর বুধবার (৪ মার্চ) সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।
সবার শেষে গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারতের কাছে পরাজিত হয়ে ইংল্যান্ডের বিদায় নিশ্চিত হয়। নিয়ম অনুযায়ী যারা আগে বিদায় নিয়েছে, তাদেরই আগে দেশে ফেরার কথা। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে উল্টো চিত্র।
অনেক অনিশ্চয়তার পর আইসিসি যখন দলগুলোকে ফেরানোর উদ্যোগ নেয়, তখন দেখা যায় সবার শেষে বিদায় নেওয়া ইংল্যান্ড দল সবার আগে সুবিধা পাচ্ছে। শনিবার মুম্বাই থেকে সরাসরি লন্ডনের বিমানে ওঠে ইংলিশরা।
অন্যদিকে, আগে বিদায় নেওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে রোববারের জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়। আইসিসির এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন প্রোটিয়া তারকা কুইন্টন ডি কক।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ডি কক তার ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেন, মজার ব্যাপার আইসিসি, আমরা কিছুই শুনতে পাইনি। কিন্তু ইংল্যান্ড কোনোভাবে আমাদের আগেই চলে গেল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা স্রেফ অন্ধকারে পড়ে আছে। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, কীভাবে একটি দল অন্যদের চেয়ে বেশি প্রভাব রাখে!
ডি ককের এই অভিযোগের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভনও। তিনি সরাসরি আইসিসির বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ এনে 'এক্স'-এ (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, এই ধরনের পরিস্থিতিতে সব দলের সঙ্গে সমান আচরণ করা উচিত। শুধুমাত্র আইসিসির টেবিলে আপনার ক্ষমতা আছে দেখে আপনি বেশি সুবিধা পাবেন, এমনটা হওয়া একেবারেই উচিত নয়।
বরিশাল টাইমস

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের বহুল আলোচিত ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সূচিতেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় রবিবার অনুষ্ঠেয় এই ম্যাচ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে পাকিস্তান সরকার।
তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি), পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মধ্যে কয়েক দিনের আলোচনা ও দেনদরবারের পর সোমবার সন্ধ্যায় পাকিস্তান সরকার দলকে মাঠে নামার নির্দেশ দেয়।
পাকিস্তান সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ক্রিকেটের চেতনাকে সমুন্নত রাখা এবং বিশ্বব্যাপী এই খেলাটির ধারাবাহিকতা রক্ষার স্বার্থেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।
গত সপ্তাহে ইসলামাবাদ সরকার পাকিস্তান দলকে ভারতের বিপক্ষে মাঠে না নামার পরামর্শ দেয়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছিলেন, বাংলাদেশকে ‘সমর্থন’ জানাতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ তাদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে অন্য দেশে সরানোর অনুরোধ জানালেও তা প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় তারা টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে বৈশ্বিক ক্রিকেটে বড় ধরনের আর্থিক ও কাঠামোগত সংকট তৈরি হতে পারত। আইসিসির বর্তমান সম্প্রচার স্বত্ব ও ভবিষ্যৎ চুক্তি নিয়েও জটিলতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা ছিল। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতো ছোট ও উদীয়মান ক্রিকেট দেশগুলো, যারা আইসিসির রাজস্ব বণ্টনের ওপর নির্ভরশীল।
আইসিসি এক বিবৃতিতে জানায়, পিসিবির সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। সংস্থাটি আরো জানায়, টুর্নামেন্ট বয়কট করায় বাংলাদেশকে কোনো ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে না।
পাশাপাশি ২০২৮ থেকে ২০৩১ বিশ্বকাপ শুরুর আগের মধ্যে বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পাবে।
এর আগে সোমবারই বিসিবি পাকিস্তানকে ম্যাচটি খেলতে অনুরোধ জানায়। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘পুরো ক্রিকেট ব্যবস্থার স্বার্থে ম্যাচটি হওয়া জরুরি। এই সময়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর জন্য পাকিস্তানের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’
শ্রীলঙ্কাও পাকিস্তানকে ম্যাচ খেলতে অনুরোধ জানায়। ম্যাচটি হলে টিকিট বিক্রি ও দর্শক আগমনে আয়বান্ধব সুফল পাবে স্বাগতিক দেশটি।
রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে আগেই সিদ্ধান্ত হয়েছিল, আইসিসি ইভেন্টে ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হলে তারা নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলবে। সে অনুযায়ী পাকিস্তানের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের সূচি নির্ধারিত।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের এপ্রিলে কাশ্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের সামরিক উত্তেজনা দেখা দেয়। এর আগেও ভারত পাকিস্তানে গিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের ম্যাচ সংযুক্ত আরব আমিরাতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
বিশ্বকাপে দুই দলই নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে। পাকিস্তান মঙ্গলবার কলম্বোয় যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে খেলবে। অন্যদিকে ভারত বৃহস্পতিবার দিল্লিতে নামিবিয়ার মুখোমুখি হবে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের বহুল আলোচিত ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সূচিতেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় রবিবার অনুষ্ঠেয় এই ম্যাচ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে পাকিস্তান সরকার।
তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি), পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মধ্যে কয়েক দিনের আলোচনা ও দেনদরবারের পর সোমবার সন্ধ্যায় পাকিস্তান সরকার দলকে মাঠে নামার নির্দেশ দেয়।
পাকিস্তান সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ক্রিকেটের চেতনাকে সমুন্নত রাখা এবং বিশ্বব্যাপী এই খেলাটির ধারাবাহিকতা রক্ষার স্বার্থেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।
গত সপ্তাহে ইসলামাবাদ সরকার পাকিস্তান দলকে ভারতের বিপক্ষে মাঠে না নামার পরামর্শ দেয়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছিলেন, বাংলাদেশকে ‘সমর্থন’ জানাতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ তাদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে অন্য দেশে সরানোর অনুরোধ জানালেও তা প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় তারা টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে বৈশ্বিক ক্রিকেটে বড় ধরনের আর্থিক ও কাঠামোগত সংকট তৈরি হতে পারত। আইসিসির বর্তমান সম্প্রচার স্বত্ব ও ভবিষ্যৎ চুক্তি নিয়েও জটিলতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা ছিল। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতো ছোট ও উদীয়মান ক্রিকেট দেশগুলো, যারা আইসিসির রাজস্ব বণ্টনের ওপর নির্ভরশীল।
আইসিসি এক বিবৃতিতে জানায়, পিসিবির সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। সংস্থাটি আরো জানায়, টুর্নামেন্ট বয়কট করায় বাংলাদেশকে কোনো ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে না।
পাশাপাশি ২০২৮ থেকে ২০৩১ বিশ্বকাপ শুরুর আগের মধ্যে বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পাবে।
এর আগে সোমবারই বিসিবি পাকিস্তানকে ম্যাচটি খেলতে অনুরোধ জানায়। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘পুরো ক্রিকেট ব্যবস্থার স্বার্থে ম্যাচটি হওয়া জরুরি। এই সময়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর জন্য পাকিস্তানের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’
শ্রীলঙ্কাও পাকিস্তানকে ম্যাচ খেলতে অনুরোধ জানায়। ম্যাচটি হলে টিকিট বিক্রি ও দর্শক আগমনে আয়বান্ধব সুফল পাবে স্বাগতিক দেশটি।
রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে আগেই সিদ্ধান্ত হয়েছিল, আইসিসি ইভেন্টে ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হলে তারা নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলবে। সে অনুযায়ী পাকিস্তানের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের সূচি নির্ধারিত।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের এপ্রিলে কাশ্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের সামরিক উত্তেজনা দেখা দেয়। এর আগেও ভারত পাকিস্তানে গিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের ম্যাচ সংযুক্ত আরব আমিরাতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
বিশ্বকাপে দুই দলই নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে। পাকিস্তান মঙ্গলবার কলম্বোয় যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে খেলবে। অন্যদিকে ভারত বৃহস্পতিবার দিল্লিতে নামিবিয়ার মুখোমুখি হবে।

৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৯
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-কে সামনে রেখে খেলোয়াড়দের নাম, ছবি ও পরিচিতি ব্যবহারের (নেম, ইমেজ অ্যান্ড লাইকলিনেস— এনআইএল) শর্ত নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউসিএ)।
ইএসপিএনক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডব্লিউসিএ অভিযোগ করেছে, আইসিসি খেলোয়াড়দের কাছে যে ‘স্কোয়াড পার্টিসিপেশন টার্মস’ পাঠিয়েছে, তা ২০২৪ সালে উভয় পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত ও সম্মত চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং নতুন এই শর্তাবলিকে খেলোয়াড়দের জন্য আরো ‘শোষণমূলক’ বলে আখ্যা দিয়েছে খেলোয়াড়দের সংগঠনটি।
ডব্লিউসিএ ইতিমধ্যে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়ে আইসিসিকে লিখিতভাবে অবহিত করেছে। তবে আইসিসি অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, ২০২৪ সালের চুক্তিটি কেবল আটটি সদস্য বোর্ডের জন্য প্রযোজ্য ছিল এবং আসন্ন বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া অন্যান্য দলের ক্ষেত্রে তা কার্যকর নয়।
এর পাল্টা যুক্তিতে ডব্লিউসিএ বলছে, ২০২৪ সালের চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল, খেলোয়াড় সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত সব ক্রিকেটারের জন্যই এই চুক্তি প্রযোজ্য হবে, তারা বিশ্বকাপে অংশ নিক বা না-নিক। সে কারণেই ডব্লিউসিএ মনে করছে, সব খেলোয়াড়েরই ওই চুক্তির সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
ডব্লিউসিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টম মফাট বলেন, ‘দুটি সংস্করণের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে।
বিশেষ করে কনটেন্ট ও মিডিয়া উপস্থিতি, পর্দার পেছনের ভিডিও ধারণ, ড্রেসিংরুমে প্রবেশাধিকার, খেলোয়াড়দের জৈবিক তথ্য, লাইসেন্সিং, নাম-ছবি-পরিচিতির ব্যবহার (এনআইএল), খেলোয়াড় চুক্তি এবং বিরোধ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত ধারাগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
মফাটের ভাষায়, ‘আইসিসির দেওয়া নতুন শর্তাবলি পূর্বে সম্মত চুক্তির তুলনায় খেলোয়াড়দের ছবি ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের অধিকারসহ নানা সুরক্ষা মারাত্মকভাবে খর্ব করছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও স্বল্প আয়ের খেলোয়াড়দের ভিন্ন ও কঠোর শর্তে খেলতে বাধ্য করা হচ্ছে, যেখানে একই পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া অন্য দলগুলো তুলনামূলক ভালো শর্ত পাচ্ছে। অনেক খেলোয়াড়ের জন্য আইসিসি ইভেন্টে অংশগ্রহণই আয়ের প্রধান উৎস এবং ক্যারিয়ার গড়ার বড় সুযোগ।
ডব্লিউসিএ জানিয়েছে, তারা ক্রিকেটের উন্নয়ন ও আইসিসি ইভেন্টের সম্প্রসারণের বিরোধী নয়। তবে খেলোয়াড়দের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেই সেই লক্ষ্য অর্জন করা উচিত। সংস্থাটির দাবি, সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়রা ইতোমধ্যে সম্মত স্কোয়াড শর্তে স্বাক্ষর করেছেন এবং তারা আশা করছে বিশ্বকাপে আইসিসি সেই শর্তগুলোই কার্যকর করবে।
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-কে সামনে রেখে খেলোয়াড়দের নাম, ছবি ও পরিচিতি ব্যবহারের (নেম, ইমেজ অ্যান্ড লাইকলিনেস— এনআইএল) শর্ত নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউসিএ)।
ইএসপিএনক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডব্লিউসিএ অভিযোগ করেছে, আইসিসি খেলোয়াড়দের কাছে যে ‘স্কোয়াড পার্টিসিপেশন টার্মস’ পাঠিয়েছে, তা ২০২৪ সালে উভয় পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত ও সম্মত চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং নতুন এই শর্তাবলিকে খেলোয়াড়দের জন্য আরো ‘শোষণমূলক’ বলে আখ্যা দিয়েছে খেলোয়াড়দের সংগঠনটি।
ডব্লিউসিএ ইতিমধ্যে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়ে আইসিসিকে লিখিতভাবে অবহিত করেছে। তবে আইসিসি অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, ২০২৪ সালের চুক্তিটি কেবল আটটি সদস্য বোর্ডের জন্য প্রযোজ্য ছিল এবং আসন্ন বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া অন্যান্য দলের ক্ষেত্রে তা কার্যকর নয়।
এর পাল্টা যুক্তিতে ডব্লিউসিএ বলছে, ২০২৪ সালের চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল, খেলোয়াড় সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত সব ক্রিকেটারের জন্যই এই চুক্তি প্রযোজ্য হবে, তারা বিশ্বকাপে অংশ নিক বা না-নিক। সে কারণেই ডব্লিউসিএ মনে করছে, সব খেলোয়াড়েরই ওই চুক্তির সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
ডব্লিউসিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টম মফাট বলেন, ‘দুটি সংস্করণের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে।
বিশেষ করে কনটেন্ট ও মিডিয়া উপস্থিতি, পর্দার পেছনের ভিডিও ধারণ, ড্রেসিংরুমে প্রবেশাধিকার, খেলোয়াড়দের জৈবিক তথ্য, লাইসেন্সিং, নাম-ছবি-পরিচিতির ব্যবহার (এনআইএল), খেলোয়াড় চুক্তি এবং বিরোধ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত ধারাগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
মফাটের ভাষায়, ‘আইসিসির দেওয়া নতুন শর্তাবলি পূর্বে সম্মত চুক্তির তুলনায় খেলোয়াড়দের ছবি ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের অধিকারসহ নানা সুরক্ষা মারাত্মকভাবে খর্ব করছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও স্বল্প আয়ের খেলোয়াড়দের ভিন্ন ও কঠোর শর্তে খেলতে বাধ্য করা হচ্ছে, যেখানে একই পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া অন্য দলগুলো তুলনামূলক ভালো শর্ত পাচ্ছে। অনেক খেলোয়াড়ের জন্য আইসিসি ইভেন্টে অংশগ্রহণই আয়ের প্রধান উৎস এবং ক্যারিয়ার গড়ার বড় সুযোগ।
ডব্লিউসিএ জানিয়েছে, তারা ক্রিকেটের উন্নয়ন ও আইসিসি ইভেন্টের সম্প্রসারণের বিরোধী নয়। তবে খেলোয়াড়দের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেই সেই লক্ষ্য অর্জন করা উচিত। সংস্থাটির দাবি, সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়রা ইতোমধ্যে সম্মত স্কোয়াড শর্তে স্বাক্ষর করেছেন এবং তারা আশা করছে বিশ্বকাপে আইসিসি সেই শর্তগুলোই কার্যকর করবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.