
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৫
নির্বাচন এলেই রাজনীতির মাঠে টাকার ঝনঝনানি ওঠে। কোটি কোটি টাকার হিসাব আর অদৃশ্য লেনদেনের কালো ছায়া নির্বাচনী পরিবেশকে গ্রাস করে। প্রচারণা মানেই তখন ব্যানার, ফেস্টুন, হ্যান্ডবিল, কর্মী নামানোর খরচ; উঠান বৈঠকের আড়ালে ব্যয়বহুল আয়োজন। ভোটের রাজনীতির এই চেনা ছবিতেই অভ্যস্ত মানুষ।
এমন কাঠামোর মধ্যেই বরিশালে তৈরি হয়েছে এক ভিন্ন গল্প। সেখানে নেই কোনো শিল্পগোষ্ঠী, নেই প্রভাবশালী দাতার নাম। রয়েছে শুধু মাটির ব্যাংক আর দুই থেকে ১০ টাকার ক্ষুদ্র সঞ্চয়, যার প্রতিটি নোটে মিশে আছে খেটে খাওয়া মানুষের ঘাম।
নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে এই পথ বেছে নিয়েছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)।
প্রচলিত রাজনৈতিক অর্থনীতিকে সরাসরি প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে মাটির ব্যাংক মডেল।
‘জনগণের টাকায় নির্বাচন করবেন জনগণের প্রার্থী’— এই স্লোগান শুধু বক্তব্যে নয়, বাস্তবেও প্রয়োগ করা হচ্ছে। বরিশাল-৫ আসনে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত ও বাসদ মনোনীত প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী এই মডেলের উদ্যেক্তা।
মাসখানেক আগে নগরীর রিকশা গ্যারেজ, হোটেল, ছোট দোকান আর সাধারণ মানুষের বাড়িতে কয়েক শ মাটির ব্যাংক পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। কেউ নিজের আয় থেকে প্রতিদিন দুই টাকা করে জমিয়েছেন, কেউ পাঁচ টাকা, কেউ বা ১০ টাকা, টাকার অঙ্কে যা খুবই ছোট, কিন্তু প্রতীকে অনেক বড়।
মনীষার এই উদ্যোগ নিয়ে গত ২১ ডিসেম্বর কালের কণ্ঠে ‘মাটির ব্যাংকে ভোটের খরচ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বরিশাল জেলা বাসদ কার্যালয়ে সেই মাটির ব্যাংকগুলো ভাঙা হয়। একে একে ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে কয়েন আর নোট। প্রতিটি মুদ্রাই যেন প্রচলিত রাজনীতির বিরুদ্ধে একটি নীরব প্রতিবাদ।
ডা. মনীষা বলেন, এটি শুধু অর্থ সংগ্রহের পদ্ধতি নয়, নির্বাচনকে ‘ব্যবসা’ থেকে আলাদা করার রাজনৈতিক প্রয়াস। তাঁর ভাষায়, পুঁজিপতিরা বিনিয়োগের মতো করে নির্বাচনে টাকা ঢালেন। অনেক সময় কালো টাকা ছড়ানো হয়। পরে ক্ষমতায় গিয়ে সেই টাকা বহু গুণে তুলে নেওয়া হয়। এই চক্র ভাঙতেই সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকায় নির্বাচনের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।
বরিশাল মহিলা পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শাহ সাজেদা মনে করেন, এই উদ্যোগ রাজনীতির দায়বদ্ধতার প্রশ্নটিকে সামনে নিয়ে এসেছে। তাঁর মতে, বড় দাতার অর্থ মানেই ভবিষ্যতের সমঝোতা ও দেনাপাওনা। সেখানে রিকশাচালক বা দোকানির দেওয়া পাঁচ টাকার অনুদান কোনো সুবিধা দাবি করে না। বরং এই ক্ষুদ্র দান প্রার্থীকে জনগণের কাছে আরো বেশি জবাবদিহির মধ্যে রাখে।
মাটির ব্যাংকে ভোটের খরচ
মনীষা বলেন, এই নির্বাচন আমাদের কাছে শুধু ক্ষমতার হিসাব নয়, রাজনীতির চরিত্র বদলানোর চেষ্টা। এখানে নেই করপোরেট অর্থ, নেই প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর অনুগ্রহ। সাধারণ মানুষের ছোট ছোট সহায়তার ওপর ভর করেই চলছে পুরো নির্বাচনী কার্যক্রম। সেই ভাবনা থেকেই মাটির ব্যাংকের ধারণা।
মনীষা আরো বলেন, সংসদ যেহেতু জনগণের, সেখানে প্রতিনিধিরা যাবেন জনগণের কথাই বলতে। তাই সেই যাত্রার ব্যয়ও জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণে হওয়াই স্বাভাবিক। এই উদ্যোগ প্রচলিত টাকার খেলা, পেশিশক্তি আর ভোট কেনাবেচার রাজনীতির ঠিক উল্টো ছবি তুলে ধরে।
মনীষা জানান, নির্বাচনী ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৫ লাখ টাকা। এখন পর্যন্ত নগদ সংগ্রহ হয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা। তবে তাঁর মতে, অর্থের চেয়েও বড় অবদান স্বেচ্ছাসেবকদের। কেউ নিজের গাড়ি নিয়ে প্রচারণায় নেমেছেন, কেউ রিকশা বা ইজি বাইক নিয়ে এলাকায় এলাকায় ঘুরছেন। কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই চলছে এই কাজ, ফলে ব্যয় যেমন কমছে, তেমনি তৈরি হচ্ছে অংশগ্রহণের এক নতুন রাজনীতি।
এ লড়াই কেন, কার বিরুদ্ধে- এমন প্রশ্নের জবাবে মনীষা বলেন, এই লড়াই কোনো একক দলের বিরুদ্ধে নয়। এই লড়াই সেই রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিরুদ্ধে, যেখানে কর্মী নামাতে টাকা লাগে, ভোটের আগে চলে নগদ বণ্টন। জয়-পরাজয়ের হিসাবের বাইরেও এই সংগ্রামের লক্ষ্য লুটপাটের রাজনীতি ও পুরনো ব্যবস্থার বদল।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, এই মডেল কতটা টেকসই হবে বা মূল ধারার রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে। তবে কালো টাকার দাপটের রাজনীতিতে মাটির ব্যাংক অন্তত একটি নৈতিক প্রতিবাদ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। আর এই নীরব প্রতিবাদই হয়তো আজকের রাজনীতিতে সবচেয়ে স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে।
নির্বাচন এলেই রাজনীতির মাঠে টাকার ঝনঝনানি ওঠে। কোটি কোটি টাকার হিসাব আর অদৃশ্য লেনদেনের কালো ছায়া নির্বাচনী পরিবেশকে গ্রাস করে। প্রচারণা মানেই তখন ব্যানার, ফেস্টুন, হ্যান্ডবিল, কর্মী নামানোর খরচ; উঠান বৈঠকের আড়ালে ব্যয়বহুল আয়োজন। ভোটের রাজনীতির এই চেনা ছবিতেই অভ্যস্ত মানুষ।
এমন কাঠামোর মধ্যেই বরিশালে তৈরি হয়েছে এক ভিন্ন গল্প। সেখানে নেই কোনো শিল্পগোষ্ঠী, নেই প্রভাবশালী দাতার নাম। রয়েছে শুধু মাটির ব্যাংক আর দুই থেকে ১০ টাকার ক্ষুদ্র সঞ্চয়, যার প্রতিটি নোটে মিশে আছে খেটে খাওয়া মানুষের ঘাম।
নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে এই পথ বেছে নিয়েছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)।
প্রচলিত রাজনৈতিক অর্থনীতিকে সরাসরি প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে মাটির ব্যাংক মডেল।
‘জনগণের টাকায় নির্বাচন করবেন জনগণের প্রার্থী’— এই স্লোগান শুধু বক্তব্যে নয়, বাস্তবেও প্রয়োগ করা হচ্ছে। বরিশাল-৫ আসনে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত ও বাসদ মনোনীত প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী এই মডেলের উদ্যেক্তা।
মাসখানেক আগে নগরীর রিকশা গ্যারেজ, হোটেল, ছোট দোকান আর সাধারণ মানুষের বাড়িতে কয়েক শ মাটির ব্যাংক পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। কেউ নিজের আয় থেকে প্রতিদিন দুই টাকা করে জমিয়েছেন, কেউ পাঁচ টাকা, কেউ বা ১০ টাকা, টাকার অঙ্কে যা খুবই ছোট, কিন্তু প্রতীকে অনেক বড়।
মনীষার এই উদ্যোগ নিয়ে গত ২১ ডিসেম্বর কালের কণ্ঠে ‘মাটির ব্যাংকে ভোটের খরচ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বরিশাল জেলা বাসদ কার্যালয়ে সেই মাটির ব্যাংকগুলো ভাঙা হয়। একে একে ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে কয়েন আর নোট। প্রতিটি মুদ্রাই যেন প্রচলিত রাজনীতির বিরুদ্ধে একটি নীরব প্রতিবাদ।
ডা. মনীষা বলেন, এটি শুধু অর্থ সংগ্রহের পদ্ধতি নয়, নির্বাচনকে ‘ব্যবসা’ থেকে আলাদা করার রাজনৈতিক প্রয়াস। তাঁর ভাষায়, পুঁজিপতিরা বিনিয়োগের মতো করে নির্বাচনে টাকা ঢালেন। অনেক সময় কালো টাকা ছড়ানো হয়। পরে ক্ষমতায় গিয়ে সেই টাকা বহু গুণে তুলে নেওয়া হয়। এই চক্র ভাঙতেই সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকায় নির্বাচনের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।
বরিশাল মহিলা পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শাহ সাজেদা মনে করেন, এই উদ্যোগ রাজনীতির দায়বদ্ধতার প্রশ্নটিকে সামনে নিয়ে এসেছে। তাঁর মতে, বড় দাতার অর্থ মানেই ভবিষ্যতের সমঝোতা ও দেনাপাওনা। সেখানে রিকশাচালক বা দোকানির দেওয়া পাঁচ টাকার অনুদান কোনো সুবিধা দাবি করে না। বরং এই ক্ষুদ্র দান প্রার্থীকে জনগণের কাছে আরো বেশি জবাবদিহির মধ্যে রাখে।
মাটির ব্যাংকে ভোটের খরচ
মনীষা বলেন, এই নির্বাচন আমাদের কাছে শুধু ক্ষমতার হিসাব নয়, রাজনীতির চরিত্র বদলানোর চেষ্টা। এখানে নেই করপোরেট অর্থ, নেই প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর অনুগ্রহ। সাধারণ মানুষের ছোট ছোট সহায়তার ওপর ভর করেই চলছে পুরো নির্বাচনী কার্যক্রম। সেই ভাবনা থেকেই মাটির ব্যাংকের ধারণা।
মনীষা আরো বলেন, সংসদ যেহেতু জনগণের, সেখানে প্রতিনিধিরা যাবেন জনগণের কথাই বলতে। তাই সেই যাত্রার ব্যয়ও জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণে হওয়াই স্বাভাবিক। এই উদ্যোগ প্রচলিত টাকার খেলা, পেশিশক্তি আর ভোট কেনাবেচার রাজনীতির ঠিক উল্টো ছবি তুলে ধরে।
মনীষা জানান, নির্বাচনী ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৫ লাখ টাকা। এখন পর্যন্ত নগদ সংগ্রহ হয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা। তবে তাঁর মতে, অর্থের চেয়েও বড় অবদান স্বেচ্ছাসেবকদের। কেউ নিজের গাড়ি নিয়ে প্রচারণায় নেমেছেন, কেউ রিকশা বা ইজি বাইক নিয়ে এলাকায় এলাকায় ঘুরছেন। কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই চলছে এই কাজ, ফলে ব্যয় যেমন কমছে, তেমনি তৈরি হচ্ছে অংশগ্রহণের এক নতুন রাজনীতি।
এ লড়াই কেন, কার বিরুদ্ধে- এমন প্রশ্নের জবাবে মনীষা বলেন, এই লড়াই কোনো একক দলের বিরুদ্ধে নয়। এই লড়াই সেই রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিরুদ্ধে, যেখানে কর্মী নামাতে টাকা লাগে, ভোটের আগে চলে নগদ বণ্টন। জয়-পরাজয়ের হিসাবের বাইরেও এই সংগ্রামের লক্ষ্য লুটপাটের রাজনীতি ও পুরনো ব্যবস্থার বদল।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, এই মডেল কতটা টেকসই হবে বা মূল ধারার রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে। তবে কালো টাকার দাপটের রাজনীতিতে মাটির ব্যাংক অন্তত একটি নৈতিক প্রতিবাদ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। আর এই নীরব প্রতিবাদই হয়তো আজকের রাজনীতিতে সবচেয়ে স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫