
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৫
নির্বাচন এলেই রাজনীতির মাঠে টাকার ঝনঝনানি ওঠে। কোটি কোটি টাকার হিসাব আর অদৃশ্য লেনদেনের কালো ছায়া নির্বাচনী পরিবেশকে গ্রাস করে। প্রচারণা মানেই তখন ব্যানার, ফেস্টুন, হ্যান্ডবিল, কর্মী নামানোর খরচ; উঠান বৈঠকের আড়ালে ব্যয়বহুল আয়োজন। ভোটের রাজনীতির এই চেনা ছবিতেই অভ্যস্ত মানুষ।
এমন কাঠামোর মধ্যেই বরিশালে তৈরি হয়েছে এক ভিন্ন গল্প। সেখানে নেই কোনো শিল্পগোষ্ঠী, নেই প্রভাবশালী দাতার নাম। রয়েছে শুধু মাটির ব্যাংক আর দুই থেকে ১০ টাকার ক্ষুদ্র সঞ্চয়, যার প্রতিটি নোটে মিশে আছে খেটে খাওয়া মানুষের ঘাম।
নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে এই পথ বেছে নিয়েছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)।
প্রচলিত রাজনৈতিক অর্থনীতিকে সরাসরি প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে মাটির ব্যাংক মডেল।
‘জনগণের টাকায় নির্বাচন করবেন জনগণের প্রার্থী’— এই স্লোগান শুধু বক্তব্যে নয়, বাস্তবেও প্রয়োগ করা হচ্ছে। বরিশাল-৫ আসনে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত ও বাসদ মনোনীত প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী এই মডেলের উদ্যেক্তা।
মাসখানেক আগে নগরীর রিকশা গ্যারেজ, হোটেল, ছোট দোকান আর সাধারণ মানুষের বাড়িতে কয়েক শ মাটির ব্যাংক পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। কেউ নিজের আয় থেকে প্রতিদিন দুই টাকা করে জমিয়েছেন, কেউ পাঁচ টাকা, কেউ বা ১০ টাকা, টাকার অঙ্কে যা খুবই ছোট, কিন্তু প্রতীকে অনেক বড়।
মনীষার এই উদ্যোগ নিয়ে গত ২১ ডিসেম্বর কালের কণ্ঠে ‘মাটির ব্যাংকে ভোটের খরচ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বরিশাল জেলা বাসদ কার্যালয়ে সেই মাটির ব্যাংকগুলো ভাঙা হয়। একে একে ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে কয়েন আর নোট। প্রতিটি মুদ্রাই যেন প্রচলিত রাজনীতির বিরুদ্ধে একটি নীরব প্রতিবাদ।
ডা. মনীষা বলেন, এটি শুধু অর্থ সংগ্রহের পদ্ধতি নয়, নির্বাচনকে ‘ব্যবসা’ থেকে আলাদা করার রাজনৈতিক প্রয়াস। তাঁর ভাষায়, পুঁজিপতিরা বিনিয়োগের মতো করে নির্বাচনে টাকা ঢালেন। অনেক সময় কালো টাকা ছড়ানো হয়। পরে ক্ষমতায় গিয়ে সেই টাকা বহু গুণে তুলে নেওয়া হয়। এই চক্র ভাঙতেই সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকায় নির্বাচনের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।
বরিশাল মহিলা পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শাহ সাজেদা মনে করেন, এই উদ্যোগ রাজনীতির দায়বদ্ধতার প্রশ্নটিকে সামনে নিয়ে এসেছে। তাঁর মতে, বড় দাতার অর্থ মানেই ভবিষ্যতের সমঝোতা ও দেনাপাওনা। সেখানে রিকশাচালক বা দোকানির দেওয়া পাঁচ টাকার অনুদান কোনো সুবিধা দাবি করে না। বরং এই ক্ষুদ্র দান প্রার্থীকে জনগণের কাছে আরো বেশি জবাবদিহির মধ্যে রাখে।
মাটির ব্যাংকে ভোটের খরচ
মনীষা বলেন, এই নির্বাচন আমাদের কাছে শুধু ক্ষমতার হিসাব নয়, রাজনীতির চরিত্র বদলানোর চেষ্টা। এখানে নেই করপোরেট অর্থ, নেই প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর অনুগ্রহ। সাধারণ মানুষের ছোট ছোট সহায়তার ওপর ভর করেই চলছে পুরো নির্বাচনী কার্যক্রম। সেই ভাবনা থেকেই মাটির ব্যাংকের ধারণা।
মনীষা আরো বলেন, সংসদ যেহেতু জনগণের, সেখানে প্রতিনিধিরা যাবেন জনগণের কথাই বলতে। তাই সেই যাত্রার ব্যয়ও জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণে হওয়াই স্বাভাবিক। এই উদ্যোগ প্রচলিত টাকার খেলা, পেশিশক্তি আর ভোট কেনাবেচার রাজনীতির ঠিক উল্টো ছবি তুলে ধরে।
মনীষা জানান, নির্বাচনী ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৫ লাখ টাকা। এখন পর্যন্ত নগদ সংগ্রহ হয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা। তবে তাঁর মতে, অর্থের চেয়েও বড় অবদান স্বেচ্ছাসেবকদের। কেউ নিজের গাড়ি নিয়ে প্রচারণায় নেমেছেন, কেউ রিকশা বা ইজি বাইক নিয়ে এলাকায় এলাকায় ঘুরছেন। কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই চলছে এই কাজ, ফলে ব্যয় যেমন কমছে, তেমনি তৈরি হচ্ছে অংশগ্রহণের এক নতুন রাজনীতি।
এ লড়াই কেন, কার বিরুদ্ধে- এমন প্রশ্নের জবাবে মনীষা বলেন, এই লড়াই কোনো একক দলের বিরুদ্ধে নয়। এই লড়াই সেই রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিরুদ্ধে, যেখানে কর্মী নামাতে টাকা লাগে, ভোটের আগে চলে নগদ বণ্টন। জয়-পরাজয়ের হিসাবের বাইরেও এই সংগ্রামের লক্ষ্য লুটপাটের রাজনীতি ও পুরনো ব্যবস্থার বদল।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, এই মডেল কতটা টেকসই হবে বা মূল ধারার রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে। তবে কালো টাকার দাপটের রাজনীতিতে মাটির ব্যাংক অন্তত একটি নৈতিক প্রতিবাদ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। আর এই নীরব প্রতিবাদই হয়তো আজকের রাজনীতিতে সবচেয়ে স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে।
নির্বাচন এলেই রাজনীতির মাঠে টাকার ঝনঝনানি ওঠে। কোটি কোটি টাকার হিসাব আর অদৃশ্য লেনদেনের কালো ছায়া নির্বাচনী পরিবেশকে গ্রাস করে। প্রচারণা মানেই তখন ব্যানার, ফেস্টুন, হ্যান্ডবিল, কর্মী নামানোর খরচ; উঠান বৈঠকের আড়ালে ব্যয়বহুল আয়োজন। ভোটের রাজনীতির এই চেনা ছবিতেই অভ্যস্ত মানুষ।
এমন কাঠামোর মধ্যেই বরিশালে তৈরি হয়েছে এক ভিন্ন গল্প। সেখানে নেই কোনো শিল্পগোষ্ঠী, নেই প্রভাবশালী দাতার নাম। রয়েছে শুধু মাটির ব্যাংক আর দুই থেকে ১০ টাকার ক্ষুদ্র সঞ্চয়, যার প্রতিটি নোটে মিশে আছে খেটে খাওয়া মানুষের ঘাম।
নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে এই পথ বেছে নিয়েছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)।
প্রচলিত রাজনৈতিক অর্থনীতিকে সরাসরি প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে মাটির ব্যাংক মডেল।
‘জনগণের টাকায় নির্বাচন করবেন জনগণের প্রার্থী’— এই স্লোগান শুধু বক্তব্যে নয়, বাস্তবেও প্রয়োগ করা হচ্ছে। বরিশাল-৫ আসনে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত ও বাসদ মনোনীত প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী এই মডেলের উদ্যেক্তা।
মাসখানেক আগে নগরীর রিকশা গ্যারেজ, হোটেল, ছোট দোকান আর সাধারণ মানুষের বাড়িতে কয়েক শ মাটির ব্যাংক পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। কেউ নিজের আয় থেকে প্রতিদিন দুই টাকা করে জমিয়েছেন, কেউ পাঁচ টাকা, কেউ বা ১০ টাকা, টাকার অঙ্কে যা খুবই ছোট, কিন্তু প্রতীকে অনেক বড়।
মনীষার এই উদ্যোগ নিয়ে গত ২১ ডিসেম্বর কালের কণ্ঠে ‘মাটির ব্যাংকে ভোটের খরচ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বরিশাল জেলা বাসদ কার্যালয়ে সেই মাটির ব্যাংকগুলো ভাঙা হয়। একে একে ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে কয়েন আর নোট। প্রতিটি মুদ্রাই যেন প্রচলিত রাজনীতির বিরুদ্ধে একটি নীরব প্রতিবাদ।
ডা. মনীষা বলেন, এটি শুধু অর্থ সংগ্রহের পদ্ধতি নয়, নির্বাচনকে ‘ব্যবসা’ থেকে আলাদা করার রাজনৈতিক প্রয়াস। তাঁর ভাষায়, পুঁজিপতিরা বিনিয়োগের মতো করে নির্বাচনে টাকা ঢালেন। অনেক সময় কালো টাকা ছড়ানো হয়। পরে ক্ষমতায় গিয়ে সেই টাকা বহু গুণে তুলে নেওয়া হয়। এই চক্র ভাঙতেই সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকায় নির্বাচনের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।
বরিশাল মহিলা পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শাহ সাজেদা মনে করেন, এই উদ্যোগ রাজনীতির দায়বদ্ধতার প্রশ্নটিকে সামনে নিয়ে এসেছে। তাঁর মতে, বড় দাতার অর্থ মানেই ভবিষ্যতের সমঝোতা ও দেনাপাওনা। সেখানে রিকশাচালক বা দোকানির দেওয়া পাঁচ টাকার অনুদান কোনো সুবিধা দাবি করে না। বরং এই ক্ষুদ্র দান প্রার্থীকে জনগণের কাছে আরো বেশি জবাবদিহির মধ্যে রাখে।
মাটির ব্যাংকে ভোটের খরচ
মনীষা বলেন, এই নির্বাচন আমাদের কাছে শুধু ক্ষমতার হিসাব নয়, রাজনীতির চরিত্র বদলানোর চেষ্টা। এখানে নেই করপোরেট অর্থ, নেই প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর অনুগ্রহ। সাধারণ মানুষের ছোট ছোট সহায়তার ওপর ভর করেই চলছে পুরো নির্বাচনী কার্যক্রম। সেই ভাবনা থেকেই মাটির ব্যাংকের ধারণা।
মনীষা আরো বলেন, সংসদ যেহেতু জনগণের, সেখানে প্রতিনিধিরা যাবেন জনগণের কথাই বলতে। তাই সেই যাত্রার ব্যয়ও জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণে হওয়াই স্বাভাবিক। এই উদ্যোগ প্রচলিত টাকার খেলা, পেশিশক্তি আর ভোট কেনাবেচার রাজনীতির ঠিক উল্টো ছবি তুলে ধরে।
মনীষা জানান, নির্বাচনী ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৫ লাখ টাকা। এখন পর্যন্ত নগদ সংগ্রহ হয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা। তবে তাঁর মতে, অর্থের চেয়েও বড় অবদান স্বেচ্ছাসেবকদের। কেউ নিজের গাড়ি নিয়ে প্রচারণায় নেমেছেন, কেউ রিকশা বা ইজি বাইক নিয়ে এলাকায় এলাকায় ঘুরছেন। কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই চলছে এই কাজ, ফলে ব্যয় যেমন কমছে, তেমনি তৈরি হচ্ছে অংশগ্রহণের এক নতুন রাজনীতি।
এ লড়াই কেন, কার বিরুদ্ধে- এমন প্রশ্নের জবাবে মনীষা বলেন, এই লড়াই কোনো একক দলের বিরুদ্ধে নয়। এই লড়াই সেই রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিরুদ্ধে, যেখানে কর্মী নামাতে টাকা লাগে, ভোটের আগে চলে নগদ বণ্টন। জয়-পরাজয়ের হিসাবের বাইরেও এই সংগ্রামের লক্ষ্য লুটপাটের রাজনীতি ও পুরনো ব্যবস্থার বদল।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, এই মডেল কতটা টেকসই হবে বা মূল ধারার রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে। তবে কালো টাকার দাপটের রাজনীতিতে মাটির ব্যাংক অন্তত একটি নৈতিক প্রতিবাদ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। আর এই নীরব প্রতিবাদই হয়তো আজকের রাজনীতিতে সবচেয়ে স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.