লক্ষ্মীপুরে অবৈধভাবে প্রস্তুত ভোটের ৬টি সিল জব্দের ঘটনায় জামায়াত নেতা সৌরভ হোসেন শরীফ ও ব্যবসায়ী সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর মডেল থানার এসআই মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সদর মডেল থানার এসআই হুমায়ুন কবীর বাদী হয়ে শরীফ ও সোহেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। জানা গেছে, এ মামলায় আটক সোহেলকে পুলিশ গ্রেপ্তার দেখিয়েছে।
জাল ভোট প্রদানের লক্ষ্যে জামায়াত নেতা শরীফ অর্ডার দিলে সোহেল সিলগুলো বানিয়ে দোকানে রাখেন। তবে আত্মগোপনে রয়েছেন জামায়াত নেতা।
এদিকে সিল জব্দের পরপরই বিএনপির পক্ষ থেকে আটক সোহেলকে জামায়াত কর্মী দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া সিল বানানোর অর্ডার দেওয়া জামায়াত নেতা শরীফের ছবিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
শরীফ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ও দক্ষিণ বাঞ্চানগর এলাকার মো. শাজাহানের ছেলে। তিনি হাসপাতাল রোডের ‘আধুনিক অফসেট অ্যান্ড ডিজিটাল সাইন’-এর মালিক।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি নিয়ে জেলা শহরের গোডাউন রোড এলাকায় বশির ভিলা হলরুমে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। এই সিল-কাণ্ডে তিনি জামায়াতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলেন। জাল ভোটসহ জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্র করার লক্ষ্যে জামায়াত পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে জানান তিনি।
এ্যানি চৌধুরী বলেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিভাবে হয় এটা প্রমাণসহ মারইয়াম প্রিন্টার্স থেকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে বোঝা গেছে। শুধু বোরকা নয়, বোরকার ভেতরে সিলকৃত ব্যালট থাকার মতো পরিস্থিতি জামায়াত সৃষ্টি করেছে। বোরকার ভেতরেই এই প্রচেষ্টা তারা করবে’। এ ঘটনায় সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
পরে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে একই আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম আটক সোহেল জামায়াতের কেউ নন বলে জানান। শরীফের সংশ্লিষ্টতা প্রশ্নে তিনি ঘটনার তদন্ত করে যেই এর সঙ্গে জড়িত থাকুক না কেন তাকে গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।
জেলা জামায়াতের আমির ও লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের প্রার্থী এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, ‘সিলগুলো জব্দের পরপরই শরীফকে আমরা দল থেকে বহিষ্কার করেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে এর প্রেস রিলিজ দেওয়া হবে।’
আরো পড়ুন
এক্স আইডি ‘হ্যাকের’ ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক, যা বললেন জামায়াত আমির
এক্স আইডি ‘হ্যাকের’ ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক, যা বললেন জামায়াত আমির
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার সোহেল সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের টুমচর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে ও জেলা শহরের পুরাতন আদালত সড়কের মারইয়াম প্রিন্টার্সের স্বত্বাধিকারী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে তার দোকান থেকে ১৬ ঘর বিশিষ্ট ৬টি ভোটের সিল, একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল জব্দ করে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আটক সোহেল রানার বরাত দিয়ে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জামায়াতের শরীফ গত ৩০ জানুয়ারি সোহেলের কাছে ৫টি নির্বাচনী সিলের অর্ডার করে। এ সংক্রান্ত একটি ভয়েস মেসেজ তিনি সোহেলকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতারণার মাধ্যমে জাল ভোট প্রদানের জন্য অবৈধভাবে ভোটের সিল তৈরি করানো হয়েছে।
সদর মডেল থানার এসআই মনির হোসেন বলেন, ‘আসামি সোহেলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এখনো রিমান্ড চাওয়া হয়নি। অপর আসামি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। আর কেউ জড়িত আছে কি না ঘটনাটি তদন্ত চলছে।’

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৮
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০২
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ও আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃতদের তালিকা প্রকাশ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ১২৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন—গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, হাফিজুর রহমান, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহবুবার রহমান ওরফে বাবু, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন এবং প্রক্টর দপ্তরের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।
তার মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তী সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ও আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃতদের তালিকা প্রকাশ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ১২৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন—গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, হাফিজুর রহমান, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহবুবার রহমান ওরফে বাবু, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন এবং প্রক্টর দপ্তরের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।
তার মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তী সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়।

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪১
লক্ষ্মীপুরে অবৈধভাবে প্রস্তুত ভোটের ৬টি সিল জব্দের ঘটনায় জামায়াত নেতা সৌরভ হোসেন শরীফ ও ব্যবসায়ী সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর মডেল থানার এসআই মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সদর মডেল থানার এসআই হুমায়ুন কবীর বাদী হয়ে শরীফ ও সোহেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। জানা গেছে, এ মামলায় আটক সোহেলকে পুলিশ গ্রেপ্তার দেখিয়েছে।
জাল ভোট প্রদানের লক্ষ্যে জামায়াত নেতা শরীফ অর্ডার দিলে সোহেল সিলগুলো বানিয়ে দোকানে রাখেন। তবে আত্মগোপনে রয়েছেন জামায়াত নেতা।
এদিকে সিল জব্দের পরপরই বিএনপির পক্ষ থেকে আটক সোহেলকে জামায়াত কর্মী দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া সিল বানানোর অর্ডার দেওয়া জামায়াত নেতা শরীফের ছবিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
শরীফ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ও দক্ষিণ বাঞ্চানগর এলাকার মো. শাজাহানের ছেলে। তিনি হাসপাতাল রোডের ‘আধুনিক অফসেট অ্যান্ড ডিজিটাল সাইন’-এর মালিক।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি নিয়ে জেলা শহরের গোডাউন রোড এলাকায় বশির ভিলা হলরুমে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। এই সিল-কাণ্ডে তিনি জামায়াতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলেন। জাল ভোটসহ জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্র করার লক্ষ্যে জামায়াত পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে জানান তিনি।
এ্যানি চৌধুরী বলেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিভাবে হয় এটা প্রমাণসহ মারইয়াম প্রিন্টার্স থেকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে বোঝা গেছে। শুধু বোরকা নয়, বোরকার ভেতরে সিলকৃত ব্যালট থাকার মতো পরিস্থিতি জামায়াত সৃষ্টি করেছে। বোরকার ভেতরেই এই প্রচেষ্টা তারা করবে’। এ ঘটনায় সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
পরে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে একই আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম আটক সোহেল জামায়াতের কেউ নন বলে জানান। শরীফের সংশ্লিষ্টতা প্রশ্নে তিনি ঘটনার তদন্ত করে যেই এর সঙ্গে জড়িত থাকুক না কেন তাকে গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।
জেলা জামায়াতের আমির ও লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের প্রার্থী এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, ‘সিলগুলো জব্দের পরপরই শরীফকে আমরা দল থেকে বহিষ্কার করেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে এর প্রেস রিলিজ দেওয়া হবে।’
আরো পড়ুন
এক্স আইডি ‘হ্যাকের’ ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক, যা বললেন জামায়াত আমির
এক্স আইডি ‘হ্যাকের’ ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক, যা বললেন জামায়াত আমির
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার সোহেল সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের টুমচর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে ও জেলা শহরের পুরাতন আদালত সড়কের মারইয়াম প্রিন্টার্সের স্বত্বাধিকারী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে তার দোকান থেকে ১৬ ঘর বিশিষ্ট ৬টি ভোটের সিল, একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল জব্দ করে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আটক সোহেল রানার বরাত দিয়ে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জামায়াতের শরীফ গত ৩০ জানুয়ারি সোহেলের কাছে ৫টি নির্বাচনী সিলের অর্ডার করে। এ সংক্রান্ত একটি ভয়েস মেসেজ তিনি সোহেলকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতারণার মাধ্যমে জাল ভোট প্রদানের জন্য অবৈধভাবে ভোটের সিল তৈরি করানো হয়েছে।
সদর মডেল থানার এসআই মনির হোসেন বলেন, ‘আসামি সোহেলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এখনো রিমান্ড চাওয়া হয়নি। অপর আসামি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। আর কেউ জড়িত আছে কি না ঘটনাটি তদন্ত চলছে।’
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৭
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:১৮
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:২১
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৩:৩৪