Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:৫৯
দালালের খপ্পরে পরে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যাওয়া চার তরুণীকে আটক করার পর বাংলাদেশে ফিরিয়ে দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটার কেদার সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদেরকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে বিএসএফ।
এই চার তরুণী হলেন— পাবনা সদর থানার মালিগাছা গ্রামের আব্দুল আউয়াল মিয়ার মেয়ের আঁখি খাতুন (২০), ব্রাহ্মনবাড়িয়ার মিরপুর থানার বাঞ্চারামপুর গ্রামের হাবিব মিয়ার মেয়ে আদিবা আকতার (২৩),নেত্রকোনার দূর্গাপুর থানার বাওয়ই পাড়ার নাছির উদ্দিনের মেয়ে শিরিনা আকতার (২৬), শরিয়তপুরের নড়িয়া থানার লুংসিং গ্রামের হিরু সরদারের মেয়ে তাসমিয়া আকতার (১৮)।
পতাকা বৈঠক এবং তরুণীদের হস্তান্তরের তথ্য ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রাম ২২ ব্যাটালিয়ন এর কেদার কোম্পানির হাবিলদার শাহজাহান আলী।
এই চার তরুণী ঢাকার বাড্ডা থানার নুতুন বাজার এলাকায় একটি বাসায় ভারা থাকতেন। তাদের তিনজন একটি বিউটি পার্লারে এবং অপর একজন একটি তৈরি পোশাকের কারখানায় কাজ করতেন।
আঁখি আকতার জানান, তাদের পূর্বপরিচিত জান্নাত নামের এক নারীর প্রলোভনে তারা কাউকে কিছু না জানিয়ে ২২ নভেম্বর সিলেটের জাফলং সীমান্ত পার হন। সীমান্তের ওপারে তাদের জন্য একটি প্রাইভেট কার অপেক্ষা করছিলো। সেই কারে উঠে তারা আসামের রাজধানী গুয়াহাটি পৌছান। ২৩ নভেম্বর পুলিশ তাদের আটক করে।
আঁখি বলেন, “আমরা উন্নত জীবন আর ভালো কাজ লোভে পড়ে ভারতে পাড়ি জমিয়েছিলাম। আমরা ভুল করেছিলাম।”
পরে বুধবার (২৬ নভেম্বর) কচাকাটা সীমান্তের মেইন পিলার ১০১৫-এর কাছে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেন হাবিলদার শাহজাহান আলী, আর বিএসএফের পক্ষ থেকে ছিলেন ইনস্পেক্টর ধীরেন্দ্র কুমার।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম ২২ ব্যাটালিয়ন এর কেদার কোম্পানির হাবিলদার শাহজাহান আলী জানান, পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে চার যুবতীকে বিজিবির জিম্মায় নেয়া হয়। পরে সন্ধ্যায় তাদেরকে কচাকাটা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, “চারজন বাংলাদেশি নারী ভারতে আটক হওয়ার পর ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা কেদার বিওপির বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে পতাকা বৈঠক করে তাদের ফেরত পাঠায়। পরে বিজিবি সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের থানায় হস্তান্তর করেছেন। আমরা তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেছি। স্বজনরা এসে নিয়ম মেনে জিম্মায় নিয়ে যাবেন।”
দালালের খপ্পরে পরে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যাওয়া চার তরুণীকে আটক করার পর বাংলাদেশে ফিরিয়ে দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটার কেদার সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদেরকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে বিএসএফ।
এই চার তরুণী হলেন— পাবনা সদর থানার মালিগাছা গ্রামের আব্দুল আউয়াল মিয়ার মেয়ের আঁখি খাতুন (২০), ব্রাহ্মনবাড়িয়ার মিরপুর থানার বাঞ্চারামপুর গ্রামের হাবিব মিয়ার মেয়ে আদিবা আকতার (২৩),নেত্রকোনার দূর্গাপুর থানার বাওয়ই পাড়ার নাছির উদ্দিনের মেয়ে শিরিনা আকতার (২৬), শরিয়তপুরের নড়িয়া থানার লুংসিং গ্রামের হিরু সরদারের মেয়ে তাসমিয়া আকতার (১৮)।
পতাকা বৈঠক এবং তরুণীদের হস্তান্তরের তথ্য ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রাম ২২ ব্যাটালিয়ন এর কেদার কোম্পানির হাবিলদার শাহজাহান আলী।
এই চার তরুণী ঢাকার বাড্ডা থানার নুতুন বাজার এলাকায় একটি বাসায় ভারা থাকতেন। তাদের তিনজন একটি বিউটি পার্লারে এবং অপর একজন একটি তৈরি পোশাকের কারখানায় কাজ করতেন।
আঁখি আকতার জানান, তাদের পূর্বপরিচিত জান্নাত নামের এক নারীর প্রলোভনে তারা কাউকে কিছু না জানিয়ে ২২ নভেম্বর সিলেটের জাফলং সীমান্ত পার হন। সীমান্তের ওপারে তাদের জন্য একটি প্রাইভেট কার অপেক্ষা করছিলো। সেই কারে উঠে তারা আসামের রাজধানী গুয়াহাটি পৌছান। ২৩ নভেম্বর পুলিশ তাদের আটক করে।
আঁখি বলেন, “আমরা উন্নত জীবন আর ভালো কাজ লোভে পড়ে ভারতে পাড়ি জমিয়েছিলাম। আমরা ভুল করেছিলাম।”
পরে বুধবার (২৬ নভেম্বর) কচাকাটা সীমান্তের মেইন পিলার ১০১৫-এর কাছে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেন হাবিলদার শাহজাহান আলী, আর বিএসএফের পক্ষ থেকে ছিলেন ইনস্পেক্টর ধীরেন্দ্র কুমার।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম ২২ ব্যাটালিয়ন এর কেদার কোম্পানির হাবিলদার শাহজাহান আলী জানান, পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে চার যুবতীকে বিজিবির জিম্মায় নেয়া হয়। পরে সন্ধ্যায় তাদেরকে কচাকাটা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, “চারজন বাংলাদেশি নারী ভারতে আটক হওয়ার পর ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা কেদার বিওপির বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে পতাকা বৈঠক করে তাদের ফেরত পাঠায়। পরে বিজিবি সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের থানায় হস্তান্তর করেছেন। আমরা তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেছি। স্বজনরা এসে নিয়ম মেনে জিম্মায় নিয়ে যাবেন।”

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৬
বন্ধুর সঙ্গে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এক কলেজছাত্রী। বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে পতেঙ্গা থেকে ফেরার পথে চট্টগ্রামের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আগ্রাবাদ অংশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সায়মা জাহান তানিশা (২৩) নগরীর হাজেরা-তাজু ডিগ্রি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও গাড়ির চালক তার বন্ধু সামি জানান, পতেঙ্গা থেকে ফেরার সময় আগ্রাবাদ এলাকায় পৌঁছালে প্রাইভেট কারটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে তানিশা গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক নুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় তানিশাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গাড়িচালক ও তার বন্ধু সামিকে আটক করা হয়েছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০১
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অনলাইন গেম খেলার জন্য টাকা না পেয়ে বটকি হাতে নিজের মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের চুন্নাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মো. জাবেদ (১৮) ওই এলাকার কালা গাজীর বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত মো. ইয়াকুবের ছেলে। পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে তার নিরাপত্তা প্রহরী বাবা মারা যান। এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি পরিবারের একমাত্র ছেলে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ঘরের ভেতরে হাতে বটকি নিয়ে জাবেদ তার মায়ের কাছে টাকা দাবি করছেন। একপর্যায়ে তিনি বটকি দিয়ে ভয় দেখাতে দেখাতে মাকে মারধর শুরু করেন। আত্মরক্ষার চেষ্টা করলেও ভুক্তভোগী নারীকে থামতে দেখা যায়নি। ভিডিওতে তাকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলতে শোনা যায়, ‘তোরে আমি টাকা দেবো, তোর মাথা ছুঁয়ে বলছি।’
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, মারধরের সময় মা বারবার ছেলেকে থামার অনুরোধ জানান এবং টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেন। এ সময় আশপাশের লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। ঘটনাটি অভিযুক্তের বোন মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর মন্তব্যের ঘরে অনেকেই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। অনেকে মাদক ও গেম আসক্তিকে যুব সমাজের জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।
জাবেদের চাচা মো. খোকন বলেন, বাবার মৃত্যু আর অভাবের কারণে মা ও ছেলে অনেকটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। এছাড়া জাবেদ মোবাইলে ভিডিও গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে। তাই ইন্টারনেটের টাকার জন্য মাকে মারধর করে। তবে ছেলেটা বাহিরের কারো সাথে খারাপ আচরণ করে না।
এদিকে খবর পেয়ে বুধবার রাতেই আনোয়ারা থানা-পুলিশ ভুক্তভোগীর বাড়িতে যায়। পুলিশ জানায়, ফ্রি ফায়ার ও পাবজির মতো অনলাইন গেমে আসক্তির কারণে অভিযুক্ত প্রায়ই পরিবারের কাছে টাকা চাইতেন। সর্বশেষ টাকা না পেয়ে তিনি মাকে মারধর করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে গেমে আসক্তির কারণেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মকবুল হোসেন।
তিনি বলেন, ‘আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় যারা আদেশ দিয়েছে সেই বড় বড় পুলিশের কর্মকর্তারাই তো বাঁচি গেলো।’ এ সময় আবু সাঈদ হত্যার সঙ্গে যারা দায়ী তাদের সবার ফাঁসি দাবি করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে শহীদ আবু সাঈদ হত্যায় রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
আবু সাঈদের বাবা বলেন, ‘ছেলে হত্যার ঘটনাটি শুধু কনস্টেবলের ওপর দিয়ে গেল। যাদের আদেশে আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে, তারা বেঁচে গেল। আমরা সব আসামির ফাঁসি চাই।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মকবুল হোসেন বলেন, আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তীকালে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া রায়ে অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
বন্ধুর সঙ্গে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এক কলেজছাত্রী। বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে পতেঙ্গা থেকে ফেরার পথে চট্টগ্রামের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আগ্রাবাদ অংশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সায়মা জাহান তানিশা (২৩) নগরীর হাজেরা-তাজু ডিগ্রি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও গাড়ির চালক তার বন্ধু সামি জানান, পতেঙ্গা থেকে ফেরার সময় আগ্রাবাদ এলাকায় পৌঁছালে প্রাইভেট কারটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে তানিশা গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক নুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় তানিশাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গাড়িচালক ও তার বন্ধু সামিকে আটক করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অনলাইন গেম খেলার জন্য টাকা না পেয়ে বটকি হাতে নিজের মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের চুন্নাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মো. জাবেদ (১৮) ওই এলাকার কালা গাজীর বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত মো. ইয়াকুবের ছেলে। পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে তার নিরাপত্তা প্রহরী বাবা মারা যান। এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি পরিবারের একমাত্র ছেলে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ঘরের ভেতরে হাতে বটকি নিয়ে জাবেদ তার মায়ের কাছে টাকা দাবি করছেন। একপর্যায়ে তিনি বটকি দিয়ে ভয় দেখাতে দেখাতে মাকে মারধর শুরু করেন। আত্মরক্ষার চেষ্টা করলেও ভুক্তভোগী নারীকে থামতে দেখা যায়নি। ভিডিওতে তাকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলতে শোনা যায়, ‘তোরে আমি টাকা দেবো, তোর মাথা ছুঁয়ে বলছি।’
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, মারধরের সময় মা বারবার ছেলেকে থামার অনুরোধ জানান এবং টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেন। এ সময় আশপাশের লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। ঘটনাটি অভিযুক্তের বোন মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর মন্তব্যের ঘরে অনেকেই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। অনেকে মাদক ও গেম আসক্তিকে যুব সমাজের জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।
জাবেদের চাচা মো. খোকন বলেন, বাবার মৃত্যু আর অভাবের কারণে মা ও ছেলে অনেকটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। এছাড়া জাবেদ মোবাইলে ভিডিও গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে। তাই ইন্টারনেটের টাকার জন্য মাকে মারধর করে। তবে ছেলেটা বাহিরের কারো সাথে খারাপ আচরণ করে না।
এদিকে খবর পেয়ে বুধবার রাতেই আনোয়ারা থানা-পুলিশ ভুক্তভোগীর বাড়িতে যায়। পুলিশ জানায়, ফ্রি ফায়ার ও পাবজির মতো অনলাইন গেমে আসক্তির কারণে অভিযুক্ত প্রায়ই পরিবারের কাছে টাকা চাইতেন। সর্বশেষ টাকা না পেয়ে তিনি মাকে মারধর করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে গেমে আসক্তির কারণেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মকবুল হোসেন।
তিনি বলেন, ‘আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় যারা আদেশ দিয়েছে সেই বড় বড় পুলিশের কর্মকর্তারাই তো বাঁচি গেলো।’ এ সময় আবু সাঈদ হত্যার সঙ্গে যারা দায়ী তাদের সবার ফাঁসি দাবি করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে শহীদ আবু সাঈদ হত্যায় রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
আবু সাঈদের বাবা বলেন, ‘ছেলে হত্যার ঘটনাটি শুধু কনস্টেবলের ওপর দিয়ে গেল। যাদের আদেশে আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে, তারা বেঁচে গেল। আমরা সব আসামির ফাঁসি চাই।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মকবুল হোসেন বলেন, আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তীকালে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া রায়ে অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১০
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৬