
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৪
তথ্যমন্ত্রীর নিজ নির্বাচনী এলাকা বরিশালের গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহিরকে মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গৌরনদী প্রেসক্লাবের আয়োজনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন চলাকালীন অনুষ্ঠিত সমাবেশে গৌরনদী, উজিরপুর ও বাবুগঞ্জ উপজেলার সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা অংশগ্রহন করেন।
সমাবেশে গৌরনদী প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এম আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. গিয়াস উদ্দিন মিয়া, খোন্দকার মনিরুজ্জামান মনির, সাধারণ সম্পাদক এসএম জুলফিকার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক খোকন আহমেদ হীরা, মো. হানিফ সরদার, উত্তম দাস, সহসাধারণ সম্পাদক আমিনা আকতার সোমা, প্রচার সম্পাদক হাসান মাহমুদ, সদস্য মোল্লা ফারুক হাসান, কাজী আল-আমিন, সোলায়মান তুহিন, লিটন খান, এএস মামুন, তারেক মাহমুদ আলী, গৌরনদী সাংবাদিক ফোরামের উপদেষ্টা সৈয়দ নকিবুল হক, সভাপতি সরদার মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান, উজিরপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাকিল মাহমুদ বাচ্চু, বাবুগঞ্জের সাংবাদিক মো. আলিম মোল্লা প্রমুখ।
গৌরনদী প্রেসক্লাবের সদস্য বিএম বেলালের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তারা বলেন, একজন সিনিয়র সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ হত্যার হুমকি দেওয়া শুধু একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, এটি পুরো গণমাধ্যম কর্মীদের স্বাধীন মতপ্রকাশের ওপর সরাসরি আঘাত।
বক্তারা আরও বলেন, তথ্যমন্ত্রীর নিজ নির্বাচনী এলাকার সিনিয়র সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দেয়া মানে তথ্যমন্ত্রীকে বির্তকিত করার যড়যন্ত্রের অংশ।
এ ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা সত্বেও পুলিশ এখনও হুমকিদাতাকে শনাক্ত করতে না পারায় বক্তারা থানা পুলিশের ওপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বক্তারা অবিলম্বে হুমকিদাতাকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যথায় আরো কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বক্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অতীতে দেশে একাধিক সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রেই বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতায় আটকে রয়েছে। এতে অপরাধীরা উৎসাহিত হচ্ছে। যেকারণে বক্তারা সাংবাদিক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের জন্য তথ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহিরকে মোবাইল ফোনে অশ্লীলভাষায় গালাগালসহ হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনার মাত্র এক সপ্তাহ পূর্বে একই প্রেসক্লাবের সদস্য মো. নাসির উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে হুমকি প্রদর্শন করা হয়।
ইয়াবাসহ থানা পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের জেরধরে এক নারী আইনজীবী পরিচয়ে গ্রেপ্তারকৃতর পক্ষালম্বন করে সাংবাদিক নাসির উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে বিভিন্নধরনের ভয়ভীতিসহ ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
এসব ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অনতিবিলম্বে হুমকিদাতাদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)'র কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর, সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. আবুল হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
তথ্যমন্ত্রীর নিজ নির্বাচনী এলাকা বরিশালের গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহিরকে মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গৌরনদী প্রেসক্লাবের আয়োজনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন চলাকালীন অনুষ্ঠিত সমাবেশে গৌরনদী, উজিরপুর ও বাবুগঞ্জ উপজেলার সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা অংশগ্রহন করেন।
সমাবেশে গৌরনদী প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এম আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. গিয়াস উদ্দিন মিয়া, খোন্দকার মনিরুজ্জামান মনির, সাধারণ সম্পাদক এসএম জুলফিকার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক খোকন আহমেদ হীরা, মো. হানিফ সরদার, উত্তম দাস, সহসাধারণ সম্পাদক আমিনা আকতার সোমা, প্রচার সম্পাদক হাসান মাহমুদ, সদস্য মোল্লা ফারুক হাসান, কাজী আল-আমিন, সোলায়মান তুহিন, লিটন খান, এএস মামুন, তারেক মাহমুদ আলী, গৌরনদী সাংবাদিক ফোরামের উপদেষ্টা সৈয়দ নকিবুল হক, সভাপতি সরদার মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান, উজিরপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাকিল মাহমুদ বাচ্চু, বাবুগঞ্জের সাংবাদিক মো. আলিম মোল্লা প্রমুখ।
গৌরনদী প্রেসক্লাবের সদস্য বিএম বেলালের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তারা বলেন, একজন সিনিয়র সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ হত্যার হুমকি দেওয়া শুধু একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, এটি পুরো গণমাধ্যম কর্মীদের স্বাধীন মতপ্রকাশের ওপর সরাসরি আঘাত।
বক্তারা আরও বলেন, তথ্যমন্ত্রীর নিজ নির্বাচনী এলাকার সিনিয়র সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দেয়া মানে তথ্যমন্ত্রীকে বির্তকিত করার যড়যন্ত্রের অংশ।
এ ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা সত্বেও পুলিশ এখনও হুমকিদাতাকে শনাক্ত করতে না পারায় বক্তারা থানা পুলিশের ওপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বক্তারা অবিলম্বে হুমকিদাতাকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যথায় আরো কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বক্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অতীতে দেশে একাধিক সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রেই বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতায় আটকে রয়েছে। এতে অপরাধীরা উৎসাহিত হচ্ছে। যেকারণে বক্তারা সাংবাদিক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের জন্য তথ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহিরকে মোবাইল ফোনে অশ্লীলভাষায় গালাগালসহ হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনার মাত্র এক সপ্তাহ পূর্বে একই প্রেসক্লাবের সদস্য মো. নাসির উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে হুমকি প্রদর্শন করা হয়।
ইয়াবাসহ থানা পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের জেরধরে এক নারী আইনজীবী পরিচয়ে গ্রেপ্তারকৃতর পক্ষালম্বন করে সাংবাদিক নাসির উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে বিভিন্নধরনের ভয়ভীতিসহ ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
এসব ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অনতিবিলম্বে হুমকিদাতাদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)'র কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর, সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. আবুল হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।

১৩ মে, ২০২৬ ১৫:৫৪
বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ চৌমাথা সিএন্ডবি রোড এলাকায় রাস্তার মাঝখানে স্থাপিত বিতর্কিত ‘শাহান-আরা পার্ক’-এর অবশিষ্ট অংশ অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টার দিকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। সাবেক মেয়র সাদেক আব্দুল্লাহ ক্ষমতার প্রভাবে মায়ের নামে অবৈধভাবে পার্কটি নির্মাণ করেছিলেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল।”
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী, সাবেক কাউন্সিলর শাহ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপু, আ.ন.ম সাইফুল আহসান আজিম ও ইউনূস হোসেন।
এছাড়াও মহানগর বিএনপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন, আহমেদ জ্যাকি অনুপম, নওশাদ হোসেন নান্টু, মাজহারুল ইসলাম জাহানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের অবসান ঘটাতে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেখানে জড়ো হন এবং জনস্বার্থে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

১৩ মে, ২০২৬ ১৪:৫২
বানারীপাড়ায় কোডেকের উদ্যোগে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) পরিচালিত এবং বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক এনজিও (CBM)-এর অর্থায়নে অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার, (১২ মে) বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়া বাকপুর ইউনিয়নের সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে বিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষক ও ২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন প্রকল্পের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার এম. আতিকুর রহমান আতিক।
প্রশিক্ষণ শেষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ উদ্যোগের জন্য কোডেক ও বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে তাদের প্রতিষ্ঠানে একটি চক্ষু পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের অনুরোধ করেন।
এ সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম লিটনের হাতে শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল ইন্সট্রুমেন্ট এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য খেলনা সামগ্রী প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, কোডেকের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর তোফায়েল আহমেদ, বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহ-সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম বেল্লাল, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক অলিউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

১২ মে, ২০২৬ ২০:৩৭
বরিশালের হিজলায় স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেম থেকে ফেরাতে না পেরে অভিমান বিষপান করার দুই দিন পরে সাইদুল সরদার (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সাইদুল সরদার হিজলা-মুলাদী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরপত্তনীভাঙা গ্রামের সামছুল হক সরদারের ছেলে। হিজলা থানার ওসি মো. সোলায়মান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের বাবা সামছুল হক সরদার জানান, তার ছেলে সাইদুল সরদারের স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ায় তাদের মধ্যে কলহ লেগে থাকতো। স্ত্রীকে পরকীয়া থেকে ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে এর আগেও সাইদুল একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। মোবাইল ফোনে কথা বলা নিয়ে গত রোববার দুপুরে সাইদুলের সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়। ওই দিন বেলা ৩টার দিকে তিনি ঘরে ঢুকে বিষপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওই দিনই সন্ধ্যায় তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরে মঙ্গলবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ওসি মো. সোলায়মান বলেন, বিষপানে অসুস্থ্য ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এঘটনায় থানা একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ চৌমাথা সিএন্ডবি রোড এলাকায় রাস্তার মাঝখানে স্থাপিত বিতর্কিত ‘শাহান-আরা পার্ক’-এর অবশিষ্ট অংশ অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টার দিকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। সাবেক মেয়র সাদেক আব্দুল্লাহ ক্ষমতার প্রভাবে মায়ের নামে অবৈধভাবে পার্কটি নির্মাণ করেছিলেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল।”
অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী, সাবেক কাউন্সিলর শাহ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপু, আ.ন.ম সাইফুল আহসান আজিম ও ইউনূস হোসেন।
এছাড়াও মহানগর বিএনপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন, আহমেদ জ্যাকি অনুপম, নওশাদ হোসেন নান্টু, মাজহারুল ইসলাম জাহানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের অবসান ঘটাতে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেখানে জড়ো হন এবং জনস্বার্থে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
বানারীপাড়ায় কোডেকের উদ্যোগে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) পরিচালিত এবং বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক এনজিও (CBM)-এর অর্থায়নে অন্তর্ভুক্তিমূলক চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য চোখের পরীক্ষা ও রেফারাল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার, (১২ মে) বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়া বাকপুর ইউনিয়নের সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে বিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষক ও ২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন প্রকল্পের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার এম. আতিকুর রহমান আতিক।
প্রশিক্ষণ শেষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ উদ্যোগের জন্য কোডেক ও বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে তাদের প্রতিষ্ঠানে একটি চক্ষু পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের অনুরোধ করেন।
এ সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম লিটনের হাতে শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল ইন্সট্রুমেন্ট এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য খেলনা সামগ্রী প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, কোডেকের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর তোফায়েল আহমেদ, বানারীপাড়া প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহ-সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম বেল্লাল, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক অলিউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বরিশালের হিজলায় স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেম থেকে ফেরাতে না পেরে অভিমান বিষপান করার দুই দিন পরে সাইদুল সরদার (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সাইদুল সরদার হিজলা-মুলাদী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরপত্তনীভাঙা গ্রামের সামছুল হক সরদারের ছেলে। হিজলা থানার ওসি মো. সোলায়মান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের বাবা সামছুল হক সরদার জানান, তার ছেলে সাইদুল সরদারের স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ায় তাদের মধ্যে কলহ লেগে থাকতো। স্ত্রীকে পরকীয়া থেকে ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে এর আগেও সাইদুল একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। মোবাইল ফোনে কথা বলা নিয়ে গত রোববার দুপুরে সাইদুলের সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়। ওই দিন বেলা ৩টার দিকে তিনি ঘরে ঢুকে বিষপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওই দিনই সন্ধ্যায় তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরে মঙ্গলবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ওসি মো. সোলায়মান বলেন, বিষপানে অসুস্থ্য ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এঘটনায় থানা একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।