
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১১
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পুলিশের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বরিশাল-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান। আজ সোমবার বেলা ১১টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
মো. কামরুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, বাকেরগঞ্জের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রুমানা আফরোজ গত দেড় বছর ধরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে আসছেন। এতে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনের সময় পক্ষপাতিত্বের ব্যাপক শঙ্কা রয়েছে। নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে তার প্রত্যাহার জরুরি।
প্রার্থী এএসপি (সার্কেল) মাসুম বিল্লাহর ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, তার বাড়ি নির্বাচনী এলাকার মধ্যেই অবস্থিত। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই কর্মকর্তা আগে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিষয়টি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।
কামরুল ইসলাম খান রাজনৈতিক কর্মীদের সঙ্গে জড়িত থাকা এবং ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের অভিযোগ করে সব পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জদের (ফাড়ি ইনচার্জ) প্রত্যাহারেরও দাবি জানান। তিনি বলেন, ভোটাররা স্বাধীনভাবে তাদের ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
'নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা সব কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা উচিত।'
স্বতন্ত্র এই প্রার্থী জানিয়েছেন, তিনি এরইমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ডাকযোগে অভিযোগ পাঠিয়েছেন।
বাকেরগঞ্জের সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও ইউএনও রুমানা আফরোজ বলেন, তার সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত সমস্যা নেই এবং তিনি এই ধরনের দাবি তুলতেই পারেন।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পুলিশের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বরিশাল-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান। আজ সোমবার বেলা ১১টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
মো. কামরুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, বাকেরগঞ্জের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রুমানা আফরোজ গত দেড় বছর ধরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে আসছেন। এতে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনের সময় পক্ষপাতিত্বের ব্যাপক শঙ্কা রয়েছে। নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে তার প্রত্যাহার জরুরি।
প্রার্থী এএসপি (সার্কেল) মাসুম বিল্লাহর ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, তার বাড়ি নির্বাচনী এলাকার মধ্যেই অবস্থিত। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই কর্মকর্তা আগে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিষয়টি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।
কামরুল ইসলাম খান রাজনৈতিক কর্মীদের সঙ্গে জড়িত থাকা এবং ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের অভিযোগ করে সব পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জদের (ফাড়ি ইনচার্জ) প্রত্যাহারেরও দাবি জানান। তিনি বলেন, ভোটাররা স্বাধীনভাবে তাদের ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
'নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা সব কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা উচিত।'
স্বতন্ত্র এই প্রার্থী জানিয়েছেন, তিনি এরইমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ডাকযোগে অভিযোগ পাঠিয়েছেন।
বাকেরগঞ্জের সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও ইউএনও রুমানা আফরোজ বলেন, তার সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত সমস্যা নেই এবং তিনি এই ধরনের দাবি তুলতেই পারেন।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৬
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার নয়টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলার আসামি হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ শেখ ফারুক হোসেন।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানার শিক্ষকরা হলেন, পুতুল রানি মন্ডল, কল্যাণী দেবনাথ, গোলাপি রানি, সাবরিন জাহান, সুরাইয়া সুলতানা, সুবর্ণা আক্তার, কাওসার হোসেন, মো. মনিরুজ্জামান, ফাতেমাতুজ হোজরা, রোকসানা খানম, শহিদুল ইসলাম, রেশমা আক্তার, রহিমা খাতুন, আকতার হোসেন খোকন, নাছরিন, মনির হোসেন, রেহেনা পারভীন, আহসান হাবীব, সামসুন্নাহার, আক্তারুজ্জামান মিলন ও মনিরুজ্জামান।
বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী কামরুল ইসলাম জানান, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার নয়টি কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়।
এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভুয়া রেকর্ডপত্র সঠিক হিসেবে ব্যবহার করে নিয়োগ দেখিয়ে এক কোটি ১৫ লাখ ২৯ হাজার ৩১৮ টাকা আত্মসাৎ করে। তিনি জানান, এ ঘটনায় দুদকের বর্তমানের কেন্দ্রীয় দপ্তরের উপ-পরিচালক ও বরিশালের সাবেক সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে ২০২০ সালের ৯ ডিসেম্বর মামলা করে।
দুদক কর্মকর্তা রাজ কুমার সাহা ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ২১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। বেঞ্চ সহকারী জানান, মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিচারক গ্রেপ্তারি গ্রহণ করে ২১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৩:৪৬

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫০
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশাল-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম শায়েখে চরমোনাইয়ের নির্বাচনি প্রতীক হাতপাখার পক্ষে গণসংযোগ ও প্রচারণায় নেমেছেন নারী কর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশাল নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড, পাড়া-মহল্লা ও বাজার এলাকায় নারী কর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এসময় চরমোনাইয়ের মহিলা কর্মীরা নারীদের অধিকার, নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নৈতিক সমাজ গঠনে হাতপাখা প্রতীকের গুরুত্ব তুলে ধরেন। নারী ভোটারদের মধ্যে এমন প্রচারণা সাড়া ফেলেছে বলে জানান স্থানীয়রা।
প্রচারণাকালে নারী কর্মীরা বলেন, নারীর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় হাতপাখাই সবচেয়ে যোগ্য প্রতীক। আমরা ঘরে ঘরে গিয়ে এই বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি।
গণসংযোগকালে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, নারী কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রমাণ করে হাতপাখার পক্ষে জনসমর্থন দিন দিন আরও সুদৃঢ় হচ্ছে। আগামী নির্বাচনে নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ হাতপাখার বিজয়কে ত্বরান্বিত করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার নয়টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলার আসামি হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ শেখ ফারুক হোসেন।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানার শিক্ষকরা হলেন, পুতুল রানি মন্ডল, কল্যাণী দেবনাথ, গোলাপি রানি, সাবরিন জাহান, সুরাইয়া সুলতানা, সুবর্ণা আক্তার, কাওসার হোসেন, মো. মনিরুজ্জামান, ফাতেমাতুজ হোজরা, রোকসানা খানম, শহিদুল ইসলাম, রেশমা আক্তার, রহিমা খাতুন, আকতার হোসেন খোকন, নাছরিন, মনির হোসেন, রেহেনা পারভীন, আহসান হাবীব, সামসুন্নাহার, আক্তারুজ্জামান মিলন ও মনিরুজ্জামান।
বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী কামরুল ইসলাম জানান, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার নয়টি কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়।
এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভুয়া রেকর্ডপত্র সঠিক হিসেবে ব্যবহার করে নিয়োগ দেখিয়ে এক কোটি ১৫ লাখ ২৯ হাজার ৩১৮ টাকা আত্মসাৎ করে। তিনি জানান, এ ঘটনায় দুদকের বর্তমানের কেন্দ্রীয় দপ্তরের উপ-পরিচালক ও বরিশালের সাবেক সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে ২০২০ সালের ৯ ডিসেম্বর মামলা করে।
দুদক কর্মকর্তা রাজ কুমার সাহা ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ২১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। বেঞ্চ সহকারী জানান, মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিচারক গ্রেপ্তারি গ্রহণ করে ২১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন।
ভুক্তভোগীর জবানবন্দিতে লোমহর্ষক কাহিনী শুনে বিস্মিত আদালত। জড়িত জামায়াত কর্মীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে বিচারকের নির্দেশে মামলা
স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল বাতেনকে ফাঁসাতে গিয়ে উল্টো ফেঁসে যাচ্ছেন জামায়াত কর্মী নজরুল ইসলাম। গত ১২ জানুয়ারি অপরাহ্নে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানাধীন শহরের ডিসি অফিসের পেছনে কালেকটরেট পুকুরের পাড় জনাকীর্ণ রাস্তা থেকে প্রকাশ্যে ববির প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে সহযোগীদের সহায়তায় আটকে মারধর করা শেষে তাকে একটি গ্যাসচালিত সিএনজিতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরে তাকে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার আওতাধীন একটি নির্জন কক্ষে আটকে রেখে ফের মারধর করাসহ সাদা স্ট্যাম্প ও বিভিন্ন কাগজপত্রে স্বাক্ষর করে নেন জামায়াত কর্মী নজরুল। কিন্তু এসব ঘটনা আড়াল করে আব্দুল বাতেনকে আওয়ামী লীগের দোসর তকমা দিয়ে ওইদিনই কোতয়ালি পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। কোতয়ালি পুলিশ বাতেনকে একটি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠালে বিচারক রোমহর্ষক এই ঘটনার ইতিবৃত্ত শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং এতে জড়িত জামায়াত কর্মী নজরুল ইসলামসহ ৯জনের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করতে পুলিশকে নির্দেশ দেন।
ভুক্তভোগী আব্দুল বাতেনের অভিযোগ, বাবুগঞ্জের রহমতপুরের বাসিন্দা কথিত জামায়াত নেতা নজরুল ইসলাম শহরের বিএম কলেজ এলাকার বাসিন্দা মোসা: নারগিজ আক্তার লিপি এবং নুরুন্নাহারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তাদের নির্দেশনা অনুসারে তাকে গত ১২ জানুয়ারি শহরের কালেকটরেট পুকুরের পাড় থেকে প্রকাশ্যে তুলে নিয়ে যায়। এতে দুই নারীসহ অন্তত ৯জন তাকে সহযোগিতা করেন, যা পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
তাছাড়া প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে আওয়ামী লীগের দোসর বানাতে জামায়াত কর্মী নজরুল ইসলাম যে প্রয়াস চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন তাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বুঝতে বাকি নেই। পুলিশ বলছে, ববির কর্মকর্তাকে শ্রমিক লীগের বরিশাল মহানগর শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য দাবি করে নজরুল ইসলাম এবং তিনি এর স্বপক্ষে ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে পাশ হওয়া একটি তালিকাও সরবরাহ করেন। এই তালিকার ২৯ নম্বর সদস্য হিসেবে আব্দুল বাতেনকে দেখানো হলেও সরকারি কর্মকর্তার নামটি কম্পিউটারের কারসাজি করে বসানো হয়। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করতে গিয়ে বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগের ২৮ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির প্রকৃত তালিকা সংগ্রহ করেছে।
কোতয়ালি পুলিশ বলছে, আব্দুল বাতেনকে ফাঁসাতে অপহরণ এবং নির্জন স্থানে আটকে রেখে মারধর করাসহ স্ট্যাম্পে সই-স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়টিও সন্দেহজন করে তুলেছে জড়িতদের আচরণে। তারা ১২ জানুয়ারি সরকারি কর্মকর্তাকে শহরের কালেকটরেট পুকুরের পাড় থেকে অপহরণ করলেও মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করা হয় নথুল্লাবাদ থেকে ধরা হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে ঘটনাস্থল অনুসারে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করতে চাইলে সেখান থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশালটাইমসকে বলেন, সরকারি কর্মকর্তাকে ১২ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নিয়ে আসা হয়েছিল। এবং নজরুল ইসলামসহ সকলে দাবি করেছিলেন তাকে নথুল্লাবাদ থেকে আটক করা হয়। কিন্তু তাৎক্ষণিক খোঁজ-খবর নিয়ে জানা যায়, বাতেনকে আদালতসংলগ্ন কালেকটরেট পুকুরের পাড় থেকে আটক করে নিয়ে এসেছে। ফলে তাকে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি থানায় সোপর্দের পরামর্শ দেওয়া হলে পরবর্তীতে সেখানে নিয়ে যায়।
এর আগে আব্দুল বাতেনকে চোখ-মুখ বেঁখে রহমতপুর এলাকার একটি নির্জন স্থানে বাসায় নিয়ে যায় নজরুল ইসলামসহ সহযোগীরা। সেখানে আটকে রেখে দুই নারী নারগিজ এবং নুরুন্নাহারের উপস্থিতিতে তাকে মারধর করাসহ ইলেকট্রিক শর্ট দেওয়া হয়। এতে তার দুই পাসহ শরীরের একাধিক স্থানে ক্ষত চিহ্ন হলে ভয়ে তিনি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে দেন। এবং বিষয়টি পুলিশ বা অন্য কারও কাছে শেয়ার করলে স্ত্রীসহ তাকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছেন নজরুলসহ সহযোগীরা।
সরকারি কর্মকর্তাকে তুলে নেওয়ার বেশ কয়েকটি ভিডিও বরিশালটাইমসের এ প্রতিবেদকের কাছে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে জামায়াত কর্মী নজরুলের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি দল তাকে ধরে টেনে হিঁচড়ে সিএনজিতে তুলছেন। এসময় সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় থাকলেও সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধে কেউ এগিয়ে আসেনি।
ভুক্তভোগী বাতেন বরিশালটাইমসকে জানান, গত বছরের শেষের দিকে বিএম কলেজ মসজিদ গেটের বিপরিত পাশের বাসিন্দা নারগিজ এবং নুরুন্নাহারের ০.৯২ শতাংশ ভূমি ক্রয়ের উদ্দেশে ১৬ লাখ টাকা দিয়ে বায়না করেন। কিন্তু তারা দুজন এই ভূমিটি এক লক্ষ টাকা বেশি পেয়ে জনৈক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিলে তিনি পরবর্তীতে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৪২০/৪০৬ ধারায় একটি মামলা করেন। সেই মামলা দুই নারী আদালতে হাজিরা দিয়ে দুটি কিস্তিতে অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জামিন নেন। ১১ জানুয়ারি একটি কিস্তি দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তারা তা রক্ষা করেননি। বরং টাকা না দেওয়ার বিভিন্ন ফন্দি আটছিলেন।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী মোসা: সাদিয়া আফরিন অভিযোগ, ১১ জানুয়ারি আদালতে গিয়ে জানা যায় দুই নারীর কেউ টাকা নিয়ে আদালতে আসেননি। একদিন বাদে ১২ জানুয়ারি বাতেন ডিসি অফিসের পেছনে আইনজীবী সমিতির কাছে অবস্থান করলে সেখান থেকে তাকে জামায়াত নেতা পরিচয় দিয়ে নজরুল সহযোগীদের সহায়তায় তুলে নিয়ে যায়। প্রকাশ্যে অপহরণ করার এই লোমহর্ষক ঘটনাটি বরিশালের প্রশাসনিক মহলে তোলপাড় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ-আতঙ্ক তৈরি করেছে।
এদিকে আদালতের নির্দেশে মামলাটি পুলিশ গ্রহণ করার পরে দুই নারীসহ অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম পলাতক আছেন। এই বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার দুপুরে নজরুল ইসলামকে ফোন করা হলে তিনি নিজেকে জামায়াত নেতা পরিচয় দেন এবং আব্দুল বাতেনকে স্বৈরাচারের দোসর উল্লেখ করেন। এবং বাতেন শ্রমিক লীগ মহানগরের কার্যনির্বাহী সদস্য বলেও প্রচার করেন। কিন্তু এই তালিকা আপনার তৈরি এবং দুই নারীর কাছ থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে যে বাতেনকে ফাঁসাতে চেয়েছেন তার প্রমাণও পুলিশ পেয়েছে, এমনটি বলার পরে তিনি বক্তব্যে তালগোল পাকিয়ে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বর্ণনা শুনে বরিশাল মহানগর জাময়াতের আমির অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবরও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। এবং বলছেন, তিনি নজরুল ইসলামকে চেনেন, তিনি জামায়াতের সমর্থক, তার কোনো দলীয় পদপদবি নেই। এবং এই ধরনের অপরাধ জামায়াত করে না এবং এর দায়ও নেওয়ার সুযোগ নাই। অপরাধর করেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আলোচিত এই মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, আব্দুল বাতেন আসামি থেকে মামলার বাদী হয়েছেন। নজরুল ইসলামসহ ৯জনকে আসামি করে মামলা গ্রহণ করা হয়। এই মামলায় মঙ্গলবার নারগিজের ছেলে মো. নাহিদ ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাকে আদালতে প্রেরণ করলে বিচারক কারাকারে পাঠিয়ে দেন। পলাতক বাকি অভিযুক্তদেরও গ্রেপ্তারে জোর তৎপরতা চলছে।
সবশেষ খবরে জানা গেছে, নারগিজের ছেলেকে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিতে মঙ্গলবার দিনভর কথিত জামায়াত নেতা নজরুল ইসলাম পুলিশের বিভিন্ন মহলে সুপারিশ রাখেন। কিন্তু আলোচিত এই ঘটনাটিতে অভিযুক্তদের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই বলছে পুলিশ। কারণ মামলা গ্রহণ থেকে শুরু করে সব কিছু আদালত পর্যবেক্ষণ করছেন। ফলে এই মামলাটি থেকে যে কথিত জামায়াত নেতা সহসাই রেহাই পাচ্ছেন না তা পুলিশের বক্তব্যেও অনুমান করা যায়।’
ভুক্তভোগীর জবানবন্দিতে লোমহর্ষক কাহিনী শুনে বিস্মিত আদালত। জড়িত জামায়াত কর্মীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে বিচারকের নির্দেশে মামলা
স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল বাতেনকে ফাঁসাতে গিয়ে উল্টো ফেঁসে যাচ্ছেন জামায়াত কর্মী নজরুল ইসলাম। গত ১২ জানুয়ারি অপরাহ্নে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানাধীন শহরের ডিসি অফিসের পেছনে কালেকটরেট পুকুরের পাড় জনাকীর্ণ রাস্তা থেকে প্রকাশ্যে ববির প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে সহযোগীদের সহায়তায় আটকে মারধর করা শেষে তাকে একটি গ্যাসচালিত সিএনজিতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরে তাকে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার আওতাধীন একটি নির্জন কক্ষে আটকে রেখে ফের মারধর করাসহ সাদা স্ট্যাম্প ও বিভিন্ন কাগজপত্রে স্বাক্ষর করে নেন জামায়াত কর্মী নজরুল। কিন্তু এসব ঘটনা আড়াল করে আব্দুল বাতেনকে আওয়ামী লীগের দোসর তকমা দিয়ে ওইদিনই কোতয়ালি পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। কোতয়ালি পুলিশ বাতেনকে একটি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠালে বিচারক রোমহর্ষক এই ঘটনার ইতিবৃত্ত শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং এতে জড়িত জামায়াত কর্মী নজরুল ইসলামসহ ৯জনের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করতে পুলিশকে নির্দেশ দেন।
ভুক্তভোগী আব্দুল বাতেনের অভিযোগ, বাবুগঞ্জের রহমতপুরের বাসিন্দা কথিত জামায়াত নেতা নজরুল ইসলাম শহরের বিএম কলেজ এলাকার বাসিন্দা মোসা: নারগিজ আক্তার লিপি এবং নুরুন্নাহারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তাদের নির্দেশনা অনুসারে তাকে গত ১২ জানুয়ারি শহরের কালেকটরেট পুকুরের পাড় থেকে প্রকাশ্যে তুলে নিয়ে যায়। এতে দুই নারীসহ অন্তত ৯জন তাকে সহযোগিতা করেন, যা পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
তাছাড়া প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে আওয়ামী লীগের দোসর বানাতে জামায়াত কর্মী নজরুল ইসলাম যে প্রয়াস চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন তাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বুঝতে বাকি নেই। পুলিশ বলছে, ববির কর্মকর্তাকে শ্রমিক লীগের বরিশাল মহানগর শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য দাবি করে নজরুল ইসলাম এবং তিনি এর স্বপক্ষে ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে পাশ হওয়া একটি তালিকাও সরবরাহ করেন। এই তালিকার ২৯ নম্বর সদস্য হিসেবে আব্দুল বাতেনকে দেখানো হলেও সরকারি কর্মকর্তার নামটি কম্পিউটারের কারসাজি করে বসানো হয়। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করতে গিয়ে বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগের ২৮ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির প্রকৃত তালিকা সংগ্রহ করেছে।
কোতয়ালি পুলিশ বলছে, আব্দুল বাতেনকে ফাঁসাতে অপহরণ এবং নির্জন স্থানে আটকে রেখে মারধর করাসহ স্ট্যাম্পে সই-স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়টিও সন্দেহজন করে তুলেছে জড়িতদের আচরণে। তারা ১২ জানুয়ারি সরকারি কর্মকর্তাকে শহরের কালেকটরেট পুকুরের পাড় থেকে অপহরণ করলেও মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করা হয় নথুল্লাবাদ থেকে ধরা হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে ঘটনাস্থল অনুসারে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করতে চাইলে সেখান থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশালটাইমসকে বলেন, সরকারি কর্মকর্তাকে ১২ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নিয়ে আসা হয়েছিল। এবং নজরুল ইসলামসহ সকলে দাবি করেছিলেন তাকে নথুল্লাবাদ থেকে আটক করা হয়। কিন্তু তাৎক্ষণিক খোঁজ-খবর নিয়ে জানা যায়, বাতেনকে আদালতসংলগ্ন কালেকটরেট পুকুরের পাড় থেকে আটক করে নিয়ে এসেছে। ফলে তাকে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি থানায় সোপর্দের পরামর্শ দেওয়া হলে পরবর্তীতে সেখানে নিয়ে যায়।
এর আগে আব্দুল বাতেনকে চোখ-মুখ বেঁখে রহমতপুর এলাকার একটি নির্জন স্থানে বাসায় নিয়ে যায় নজরুল ইসলামসহ সহযোগীরা। সেখানে আটকে রেখে দুই নারী নারগিজ এবং নুরুন্নাহারের উপস্থিতিতে তাকে মারধর করাসহ ইলেকট্রিক শর্ট দেওয়া হয়। এতে তার দুই পাসহ শরীরের একাধিক স্থানে ক্ষত চিহ্ন হলে ভয়ে তিনি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে দেন। এবং বিষয়টি পুলিশ বা অন্য কারও কাছে শেয়ার করলে স্ত্রীসহ তাকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছেন নজরুলসহ সহযোগীরা।
সরকারি কর্মকর্তাকে তুলে নেওয়ার বেশ কয়েকটি ভিডিও বরিশালটাইমসের এ প্রতিবেদকের কাছে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে জামায়াত কর্মী নজরুলের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি দল তাকে ধরে টেনে হিঁচড়ে সিএনজিতে তুলছেন। এসময় সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় থাকলেও সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধে কেউ এগিয়ে আসেনি।
ভুক্তভোগী বাতেন বরিশালটাইমসকে জানান, গত বছরের শেষের দিকে বিএম কলেজ মসজিদ গেটের বিপরিত পাশের বাসিন্দা নারগিজ এবং নুরুন্নাহারের ০.৯২ শতাংশ ভূমি ক্রয়ের উদ্দেশে ১৬ লাখ টাকা দিয়ে বায়না করেন। কিন্তু তারা দুজন এই ভূমিটি এক লক্ষ টাকা বেশি পেয়ে জনৈক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিলে তিনি পরবর্তীতে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৪২০/৪০৬ ধারায় একটি মামলা করেন। সেই মামলা দুই নারী আদালতে হাজিরা দিয়ে দুটি কিস্তিতে অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জামিন নেন। ১১ জানুয়ারি একটি কিস্তি দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তারা তা রক্ষা করেননি। বরং টাকা না দেওয়ার বিভিন্ন ফন্দি আটছিলেন।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী মোসা: সাদিয়া আফরিন অভিযোগ, ১১ জানুয়ারি আদালতে গিয়ে জানা যায় দুই নারীর কেউ টাকা নিয়ে আদালতে আসেননি। একদিন বাদে ১২ জানুয়ারি বাতেন ডিসি অফিসের পেছনে আইনজীবী সমিতির কাছে অবস্থান করলে সেখান থেকে তাকে জামায়াত নেতা পরিচয় দিয়ে নজরুল সহযোগীদের সহায়তায় তুলে নিয়ে যায়। প্রকাশ্যে অপহরণ করার এই লোমহর্ষক ঘটনাটি বরিশালের প্রশাসনিক মহলে তোলপাড় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ-আতঙ্ক তৈরি করেছে।
এদিকে আদালতের নির্দেশে মামলাটি পুলিশ গ্রহণ করার পরে দুই নারীসহ অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম পলাতক আছেন। এই বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার দুপুরে নজরুল ইসলামকে ফোন করা হলে তিনি নিজেকে জামায়াত নেতা পরিচয় দেন এবং আব্দুল বাতেনকে স্বৈরাচারের দোসর উল্লেখ করেন। এবং বাতেন শ্রমিক লীগ মহানগরের কার্যনির্বাহী সদস্য বলেও প্রচার করেন। কিন্তু এই তালিকা আপনার তৈরি এবং দুই নারীর কাছ থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে যে বাতেনকে ফাঁসাতে চেয়েছেন তার প্রমাণও পুলিশ পেয়েছে, এমনটি বলার পরে তিনি বক্তব্যে তালগোল পাকিয়ে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বর্ণনা শুনে বরিশাল মহানগর জাময়াতের আমির অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবরও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। এবং বলছেন, তিনি নজরুল ইসলামকে চেনেন, তিনি জামায়াতের সমর্থক, তার কোনো দলীয় পদপদবি নেই। এবং এই ধরনের অপরাধ জামায়াত করে না এবং এর দায়ও নেওয়ার সুযোগ নাই। অপরাধর করেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আলোচিত এই মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, আব্দুল বাতেন আসামি থেকে মামলার বাদী হয়েছেন। নজরুল ইসলামসহ ৯জনকে আসামি করে মামলা গ্রহণ করা হয়। এই মামলায় মঙ্গলবার নারগিজের ছেলে মো. নাহিদ ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাকে আদালতে প্রেরণ করলে বিচারক কারাকারে পাঠিয়ে দেন। পলাতক বাকি অভিযুক্তদেরও গ্রেপ্তারে জোর তৎপরতা চলছে।
সবশেষ খবরে জানা গেছে, নারগিজের ছেলেকে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিতে মঙ্গলবার দিনভর কথিত জামায়াত নেতা নজরুল ইসলাম পুলিশের বিভিন্ন মহলে সুপারিশ রাখেন। কিন্তু আলোচিত এই ঘটনাটিতে অভিযুক্তদের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই বলছে পুলিশ। কারণ মামলা গ্রহণ থেকে শুরু করে সব কিছু আদালত পর্যবেক্ষণ করছেন। ফলে এই মামলাটি থেকে যে কথিত জামায়াত নেতা সহসাই রেহাই পাচ্ছেন না তা পুলিশের বক্তব্যেও অনুমান করা যায়।’
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশাল-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম শায়েখে চরমোনাইয়ের নির্বাচনি প্রতীক হাতপাখার পক্ষে গণসংযোগ ও প্রচারণায় নেমেছেন নারী কর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশাল নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড, পাড়া-মহল্লা ও বাজার এলাকায় নারী কর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এসময় চরমোনাইয়ের মহিলা কর্মীরা নারীদের অধিকার, নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নৈতিক সমাজ গঠনে হাতপাখা প্রতীকের গুরুত্ব তুলে ধরেন। নারী ভোটারদের মধ্যে এমন প্রচারণা সাড়া ফেলেছে বলে জানান স্থানীয়রা।
প্রচারণাকালে নারী কর্মীরা বলেন, নারীর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় হাতপাখাই সবচেয়ে যোগ্য প্রতীক। আমরা ঘরে ঘরে গিয়ে এই বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি।
গণসংযোগকালে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, নারী কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রমাণ করে হাতপাখার পক্ষে জনসমর্থন দিন দিন আরও সুদৃঢ় হচ্ছে। আগামী নির্বাচনে নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ হাতপাখার বিজয়কে ত্বরান্বিত করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৫
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৬
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:১৯